বাংলা অন্তর্জালের ইসলাম ও মুসলিম-বিদ্বেষীদের সকলেই একেকজন স্বঘোষিত অভিজিৎ রায়। মুসলিম পরিবারের অনেক তরুণ (মূলত বাম ঘরানার) অভিজিৎ রায়ের বর্ণমনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে দিন-রাত লেগে আছে। কেউ কেউ আবার দেশে পিএইচডি গবেষণা ছেড়ে দিয়ে অ্যাসাইলাম ভিসায় উন্নত বিশ্বে যেয়ে দান-খয়রাতের জন্য হাত পাততেছে (দেখুন)। লজ্জার বিষয়!
অভিজিৎ রায় নাকি তাদেরকে 'বিজ্ঞানমনস্ক' বানিয়েছে। কিন্তু তাদের আইডিগুলো যাচাই করলে যেকেউ বুঝতে পারবেন যে, তাদেরকে আসলে বিগ্যানের নামে মস্তকধোলাই করে নাস্তিক বানিয়ে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারো আইডিতেই সত্যিকার অর্থে বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না!
অভিজিৎ রায় 'মুক্তচিন্তার চর্চা'র নামে চরমপন্থায় ঘৃণা-বিদ্বেষের চর্চা করতে যেয়ে বিবর্তনের ধারায় নিজে তো বিলুপ্ত হয়েছেই, সেই সাথে অনেক তরুণের জীবনকেও হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়ে গেছে। তারা পড়াশুনা-গবেষণা ছেড়ে ইসলামের নবী ও ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক কটূক্তি-ক্যারিকেচার করতে যেয়ে নিজেদের জীবনকে হুমকির সম্মুখিন করছে। পরবর্তীতে সেই হুমকিকে প্রমাণ হিসেবে দেখিয়ে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে অ্যাসাইলাম ভিসার জন্য লাইন দিচ্ছে। এইটা হচ্ছে যোগ্যতা ছাড়াই উন্নত বিশ্বে যাওয়ার এবং রাতারাতি সেলেব্রিটি হওয়ার জন্য সবচেয়ে সহজ পথ! এই পথে ইন্টার-পাশ অগা-মগারাও রাতারাতি সেলেব্রিটি হয়ে যাচ্ছে! এমনকি জার্মান, বৃটেন, আমেরিকা থেকে লেকচারের জন্য টিএডিএ-সহ আমন্ত্রণও পাচ্ছে! এই ধরণের আমন্ত্রণ অবশ্য তাদের বিজ্ঞানেশ্বর অভিজিৎ রায়ও কখনো পায়নি, শুধু নামের কারণে!
বড় লেখা কেউ আর পড়তে চায় না। এজন্য সংক্ষেপে পয়েন্ট আকারে 'মুক্তমনা-নাস্তিক-যুক্তিবাদী-সংশয়বাদী-বিগ্যানমনস্ক'রূপী ইসলাম-বিদ্বেষী মৌলবাদীদের নৈতিক পরাজয়ের কিছু নমুনা নিচে তুলে ধরা হচ্ছে।
১. বঙ্গাল ইসলাম-বিদ্বেষীদের গুরুজী অভিজিৎ রায় নিজেকে একই সাথে 'নাস্তিক' ও 'মুক্তমনা' দাবি করে ইসলামের বিরুদ্ধে লেখালেখি করেছে। অথচ তার বিলুপ্তির পর ভারতীয় কোনো এক পত্রিকায় তার 'নাম' দেখে তাকে 'হিন্দু' হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছিল যে, ইসলামিক জঙ্গিরা একজন বাংলাদেশি হিন্দুকে হত্যা করেছে! এমনকি দুই বাংলার হিন্দু মৌলবাদীরাও তাকে সমর্থন দিয়েছে এবং দিচ্ছে! তার মানে অভিজিৎ রায় নিজেকে 'নাস্তিক' ও 'মুক্তমনা' পরিচয় দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে লিখলেও তার ধর্মীয় পরিচয়টা কোনোভাবেই মুছে যেতে পারেনি! নৈতিক পরাজয়। এমনকি যে লোক প্রতি মুহূর্তে নাস্তিকতাকে ঢাল বানিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে লিখেছে, তার বিলুপ্তির পর তার মুরিদ-পূজারীদের কারো লেখাতেই তাকে 'নাস্তিক' বলা হয়নি! এক্ষেত্রেও সে বাই-ডিফল্ট হিন্দু হয়ে গেছে! নৈতিক পরাজয়।
২. অভিজিৎ রায়ের খৎনাধারী মুরিদরা ইসলাম ও মুসলিম-বিদ্বেষী হলেও তাদের লেখায় সামান্য পান থেকে চুন খসার সাথে সাথে শুধুমাত্র 'মুসলিম' নামের কারণে খাঁটি মুক্তমনারা তাদেরকে 'বামাতী', 'ছুপা ইসলামিস্ট', 'সাবেক ছাগু', 'লালছাগু', ইত্যাদি-সহ এমনকি 'আইসিস' পর্যন্ত বলে! এরকম উদাহরণ অনেক আছে। একটি প্রমাণ হিসেবে মনাব্লগের দীর্ঘদিনের লাঠিয়াল মডারেটর ফরিড আহমেদকে যেকেউ জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। তাহলে কেমন হলো ব্যাপারটা! এই খৎনাধারীদেরকে অভিজিৎ রায় ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে গেলেও তাদের নাম পরিবর্তন করে ধর্মীয় পরিচয়টা মুছে দিয়ে যেতে পারেনি! অভিজিৎ রায়ের এই খৎনাধারী দাসদের ন্যূনতম ব্যক্তিত্ববোধ বলে কিছু থাকলে এতদিনে অন্তত নিজেরাই তাদের 'ঘৃণীত' নামগুলো প্রত্যাখ্যান করে 'নাস্তিক/মুক্তমনা' নাম নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো একজনকেও এই সৎ-সাহস দেখাতে দেখা যায়নি। তার পরিবর্তে বরং কেউ বুড়ো বয়সে 'সূর্যদেব' থেকে খৎনা করে 'আহমেদ'-এ রূপান্তরিত হচ্ছে! কেউ কেউ আবার তাদের নামগুলোর সাথে প্রোপিকে ছবি লাগানো শুরু করেছে যাতে করে তাদের 'ইসলামিস্ট', 'ছাগু', 'আইসিস' নামগুলো নিয়ে কেউ যেন সন্দেহ করতে না পারে! নৈতিক পরাজয়।
৩. 'মুক্তমনা-নাস্তিক' অভিজিৎ রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী একেবারে ছোটবেলা থেকে স্বঘোষিত নাস্তিক এবং ইসলাম-বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র নামের সাথে 'আহমেদ' থাকার কারণে অভিজিতের ব্রাহ্মণ বাবা-মায়ের বাড়িতে 'অচ্ছুৎ' হিসেবে বিবেচিত হয়!- তাকে অভিজিতের বাবা-মায়ের বাড়িতে উঠতে দেওয়া হয় না! অভিজিৎ রায় কিন্তু তার নিজ বাড়ির এই 'ভাইরাস'টাকেই মূলোৎপাটন করে যায়নি। অথচ সে ইসলামকে 'ভাইরাস' আখ্যা দিয়ে মূলোৎপাটনের জন্য ধর্মযুদ্ধ চালিয়ে গেছে। নৈতিক পরাজয়।
৪. মুক্তমনা-নাস্তিক অনন্ত বিজয় দাশ ও নিলাদ্রি চট্টোপাধ্যায়ের মৃতদেহ হিন্দু ধর্মীয় প্রথা অনুযায়ী সৎকার করা হয়েছে! এমনকি অভিজিৎ সম্পর্কে পুরোপুরি জেনেও তার গোঁড়া ব্রাহ্মণ বাবা হিন্দু ধর্মীয় প্রথা অনুযায়ী তার মৃতদেহ সৎকার করতে চেয়েছিলেন! কিন্তু অভিজিতের ছোট ভাইয়ের বাধার কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। এদিকে হুমায়ুন আজাদ থেকে শুরু করে অভিজিতের খৎনাধারী ইসলাম-বিদ্বেষী মুরিদদের সকলের মৃতদেহ ইসলামিক নিয়মে সৎকার করা হয়েছে! সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে অভিজিৎ-সহ তার ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিক গ্যাং-এর পক্ষ থেকে এ নিয়ে কখনোই কোনো প্রতিবাদ করা হয়নি! নৈতিক পরাজয়।
৫. 'মুক্তমনা-নাস্তিক'রূপী অভিজিৎ রায় মুসলিম নারীদের পোশাক নিয়ে কটূক্তি-ক্যারিকেচার করলেও, নারীদের পোশাক ঠিক কেমন হওয়া উচিত - এ নিয়ে যৌক্তিক বা বৈজ্ঞানিক কোনো সমাধান দিয়ে যায়নি। নৈতিক পরাজয়।
৬. 'মুক্তমনা-নাস্তিক'রূপী অভিজিৎ রায় 'মানবতাবাদী' সেজে মুসলিমদের মৃতদেহ সৎকার নিয়ে মিথ্যা প্রপাগ্যাণ্ডা করে মৃতদেহকে মেডিক্যালে দান করার আহ্বান জানালেও প্রতি বছর সারা বিশ্ব জুড়ে ছয় কোটিরও বেশি মানুষের মৃতদেহ মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ নিতে রাজি আছে কি-না, রাজি না থাকলে সেই কোটি কোটি মৃতদেহ নিয়ে কী করা হবে - এ বিষয়ে কোনো যৌক্তিক সমাধান দেয়নি কিংবা এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে কোনো জবাবও দেয়নি! নৈতিক পরাজয়।
৭. 'মুক্তমনা-নাস্তিক'রূপী অভিগ্যাং যে আধুনিক যুগের 'আইন' দিয়ে চৌদ্দশ' বছর আগের ইসলামের নবীকে 'শিশু-ধর্ষক' ও 'শিশুকামী' বলে আসছে, সেই একই আইনে আধুনিক যুগের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১০০% নিশ্চয়তা-সহ শিশু-ধর্ষক ও শিশুকামী প্রমাণ হয়। অথচ একদিকে তারা ইসলামের নবীর বিরুদ্ধে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ায়, অন্যদিকে আবার তারা পরম ভক্তিসহকারে রবীন্দ্রনাথের লেখা পড়ে, তার লিখা গান ও জাতীয় সঙ্গীত গায়, এবং জাতীয় সঙ্গীতকে 'আল্লাহ্র বাণী'র মতো করে অনন্তকালের জন্য ডিফেন্ডও করে! নৈতিক পরাজয়।
৮. 'মুক্তমনা-নাস্তিক'রূপী অভিগ্যাং হযরত আয়েশার জন্য দিন-রাত মায়াকান্না করে পায়ের জলে চোখ ভাসালেও সীতার জন্য তাদেরকে কখনোই মায়াকান্না করতে দেখা যায়নি। এমনকি রবীন্দ্রনাথের স্ত্রী মৃণালিনীর জন্যও তাদেরকে কখনো মায়াকান্না করতে দেখা যায়নি, যে মৃণালিনী অপ্রাপ্ত বয়স থেকে শুরু করে পর পর পাঁচ জন সন্তানের জন্ম দিতে যেয়ে এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে উন্নত চিকিৎসার অভাবে মাত্র ২৯ বছর বয়সে মারা যায়। শুধু তা-ই নয়, স্বয়ং অভিজিৎ রায়ের প্রথম স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে, যে ঘটনার কথা সে পুরোপুরি চেপে গেছে। তার সৃষ্ট 'যুক্তিবাদী-সংশয়বাদী' পূজারীদেরকেও কখনো এ নিয়ে প্রশ্ন-সংশয় করতে দেখা যায়নি! অথচ তারা চৌদ্দশ' বছর পেছনে যেয়ে ইসলামের নবীর স্ত্রীদের জন্য মায়াকান্না করে। আহ্! এরা সভ্য সমাজের সামনে মুখ দেখায় কী করে, কে জানে!
৯. 'মুক্তমনা-নাস্তিক'রূপী অভিগ্যাং ইসলামের নবীর শেষ বয়সের দিকে এক সাথে ৮-৯ জন স্ত্রী (যাঁদের মধ্যে মাত্র একজন ছাড়া বাকি সকলেই বয়স্কা ও বৃদ্ধা ছিলেন) নিয়ে চরম কটূক্তি-ক্যারিকেচার-বিষোদগার করলেও কৃষ্ণের একই সাথে ষোল হাজারেরও বেশি স্ত্রী নিয়ে তাদেরকে কখনোই অনুরূপ কিছু করতে দেখা যায়নি। নৈতিক পরাজয়।
১০. 'মুক্তমনা-নাস্তিক'রূপী অভিজিৎ রায় কুরআন থেকে মৃত্যুপরবর্তী জীবনে অবিশ্বাসীদের জন্য শাস্তির কিছু আয়াত উল্লেখ করে কুরআনকে 'নাস্তিক-বিদ্বেষী' ও 'ভয়ঙ্কর' প্রমাণ করার চেষ্টা করলেও গীতা ও বাইবেলকে সে কখনোই 'নাস্তিক-বিদ্বেষী' ও 'ভয়ঙ্কর' প্রমাণ করার চেষ্টা করেনি। অথচ গীতা ও বাইবেলে নাস্তিকদের জন্য মৃত্যুপরবর্তী জীবনে শাস্তি-সহ তাদের প্রতি চরম অবমাননাকর কথাবার্তাও আছে। নৈতিক পরাজয়।
১১. 'মুক্তমনা-নাস্তিক'রূপী অভিজিৎ রায় বিজ্ঞানের নামে মিথ্যাচার করে গোঁড়া হিন্দুত্ববাদীদের ভাষায় খৎনার বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক প্রপাগ্যাণ্ডা করেছে। আমু ব্লগে 'মানবতাবাদী' মুখোশের আড়ালে আডিলের মাঠায় কাঁঠাল ভেঙ্গে মুসলিমদেরকে 'আগা মুটা গোরা চিকন ছাগু' বলেছে। অথচ তার খৎনাধারী পূজারীদেরকে তার নিজের মতো 'আগা চিকন গোরা মুটা পাঁঠা' বানিয়ে দিয়ে যায়নি কিংবা বানানোর কোনো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিও বলে যায়নি! মাঝখানে থেকে তার খৎনাধারী পূজারীরা 'আগা মুটা গোরা চিকন ছাগু'ই রয়ে গেল! বড়ই লজ্জার কথা!
১২. ইসলাম অনুযায়ী আল্লাহ্ হচ্ছেন এই মহাবিশ্বের অদৃশ্য স্রষ্টা। সেই স্রষ্টাকে চোখে না দেখে বিশ্বাস করার জন্য অভগ্যাং মুসলিমদেরকে 'অন্ধ বিশ্বাসী' বলে হেয় করেছে। অথচ তারা কোটি কোটি বছর আগে একটি 'ম্যাজিক্যাল ব্যাকটেরিয়া' থেকে পুরো জীবজগতের বিবর্তনে বিশ্বাস করলেও সেই 'ম্যাজিক্যাল ব্যাকটেরিয়া' থেকে শুরু করে পুরো বিবর্তনের কোনো কিছুই তারা স্বচক্ষে দেখেনি! এছাড়াও তারা আরো অনেক কিছুতেই অন্ধভাবে বিশ্বাস করে। তারা আসলে মুসলিমদের চেয়ে অ-নে-ক বেশি অন্ধ বিশ্বাসী।
১৩. 'মুক্তমনা-নাস্তিক-যুক্তিবাদী-সংশয়বাদী'রূপী অভিগ্যাং ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত সৎ ও সত্যবাদী ইসলামের নবীর নবীত্ব দাবিকে প্রত্যাখান করে উল্টোদিকে তাঁকে 'মিথ্যাবাদী', 'ভণ্ড', ইত্যাদি আখ্যা দিয়ে প্রচারণা চালালেও তারা মুখোশের আড়ালের আলকায়েদা-আইসিস জঙ্গিদের কথাকে বিনা প্রশ্ন-সংশয়ে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে!!! শুধুমাত্র এই একটি পয়েন্টের উপর ভিত্তি করেই অভিগ্যাং মুসলিমদের সামনে লজ্জায় মুখ দেখানোর কথা না।
১৪. বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত বিভিন্ন মরণব্যাধি ভাইরাস (যেমন এইচআইভি, এবোলা, ইত্যাদি), ক্যান্সার, ধূমপান ও মদ্যপানে প্রতি বছর মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ মারা যাচ্ছে। অথচ অভিজিৎ রায় সেগুলো নিয়ে একটি লাইনও ব্যয় না করে, তার পরিবর্তে মূত্রমনা ল্যাবে দীর্ঘদিন ধরে গোবেষণা করে ইসলামকে একটি 'ভয়ঙ্কর ভাইরাস' প্রমাণ করেছে! তার 'বিশ্বাসের ভাইরাস' নিয়ে পোস্টগুলোর সবই (১০০%) ইসলাম ও মুসলিমদের নিয়ে। অর্থাৎ সে নির্দিষ্টভাবে ইসলামকে একটি 'ভয়ঙ্কর ভাইরাস' প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে।
উচ্চ-বর্ণবাদী অভিজিৎ-রা নাস্তিকতাকে 'ঢাল' বানিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে লাগতে যেয়ে প্রতি পদে পদে ধরা খেয়েছে, নৈতিক পরাজয় হয়েছে। তারা বরং ধর্মীয় পরিচয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে লাগলে হয়তো আরো কিছুদূর এগোতে পারতো। সেক্ষেত্রে মুসলিমরাও তাদেরকে যথাসম্ভব ছাড় দিত। মুসলিমরা সাধারণত ধর্মে বিশ্বাসীদেরকে ছাড় দেয়। এই শিক্ষা তারা কুর'আন থেকে পেয়েছে। ইচ্ছে করলে আরো অনেক কিছুই লিখা যেত। তবে বুদ্ধিমান পাঠকদের জন্য মনে হয় এটুকুই যথেষ্ট।

মুনিম সিদ্দিকী
জানুয়ারি ২২, ২০১৮ at ৬:৫৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বরাবরের মত ক্ষুরধার লেখনি। ধন্যবাদ।
মজলুম
জানুয়ারি ২৩, ২০১৮ at ৪:৪০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ওদের গুরু আরজ আলী মাতবরও ২১ বছর বয়সে ১৩ বছরের লালমন্নেছাকে বিয়ে করেন ৯৫ বছর আগে। বর্তমানে চলা শিশুকামীর সংজ্ঞা হিসেব করলে আরজ আলীও একজন শিশুকামী। গুরুর সেই বিয়ার খবর না নিয়া তারা ১৪০০ বছর আগের বিয়া নিয়া ফালাফালি করেন। আর অনলাইনে এখন বসে বসে প্রচার করেন যে ১৮ বছরের মেয়ে বিয়ে করলেও সেটা হবে শিশুকামী। এটাও ওদের একটা নৈতিক পরাজয়।
Md Amir
জানুয়ারি ২৪, ২০১৮ at ১:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"এক্কেবারে উল্টো নির্ণয়ে নাস্তিক খাৎনাধারীরা ধরাশায়ী"
Anonymous
জানুয়ারি ২৬, ২০১৮ at ১০:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সদালাপের সব লেখককে আমার পক্ষ থেকে সালাম। আমি 2015 সাল থেকে নিয়মিত সদালাপ পড়ি। মূত্রমনাদের নানা প্রোপাগ্যান্ডায় যখন দিশেহারা ছিলাম তখন এটি আমায় পথ দেখিয়েছে। এখানকার লেখাগুলি এতই উন্নত যে আমার খালি আফসোস হয় এই লেখাগুলি কেন বই আকারে বের হয়না।
তবে এই সব পরাজয়ের পাশাপাশি বড় আরেকটা পরাজয় যে কিছু দিন আগে মনাদের তীর্থভূমি জার্মানির উগ্র ডানপন্থি দল ADF এর সিনিয়র নেতা আর্থার ওয়েগনার মুসলিম হয়ে গেছে। মনারা এখন কোন গর্তে লুকায় তাই দেখার অপেক্ষায়।
https://youtu.be/LDN-0m5EJls
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
জানুয়ারি ২৭, ২০১৮ at ১১:০৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সূর্যদেব কেন আহমদ হইল -- এর পিছনের কারন কি জানেন নাকি?
এস. এম. রায়হান
জানুয়ারি ২৮, ২০১৮ at ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
না, জানা নেই। তার নিজেরই তো এহেন বিবর্তনের পিছনে কারণ বলা উচিত।
Anonymous
জানুয়ারি ৩০, ২০১৮ at ৬:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দারুণ👌👌