অবাক হয়ে দেখি আর ভাবি ২০১২-১৩ সালে কোর্টের যে কোন রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের উন্মাদনার প্রকাশ - জনজীবনে নেমে আসতো ভয় আ সন্ত্রাসেরর ছায়া। আজ দেখলাম একজন লেখেছেন - হাবল টেলিস্কোপ দিয়ে জামায়াতের হরতালের পক্ষে পিকেটারদের খোজা হচ্ছে - কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না। কি অন্ভুদ বিষয়। যারা অহংকার করে দেশ কাপানোর কর্মসূচী দিতে হুমকী দিতো - এরা এখন ইঁদুর হয়ে গেছে।
আসলে কি তাই? দৈহিক পরাজয় কোন পরাজয় না - আদর্শের পরাজয়ই হলো পরাজয়। জামায়াত ১৯৭১ সালে বাহ্যত পরাজিত হয়েছিলো। কিন্তু তারা সেই পরাজয় মানেনি। অপেক্ষা করেছে সুযোগে - সুযোগ এসেছে ৭৫ সালে। এরা ফিরে এসেছে - এসেছে বললে ভুল হবে - সগর্বে ফিরে এসেছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করেছে - নিজেদের শুধু রাজনৈতিক নয় - অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কিন্তু যে জায়গায় এরা ব্যর্থ ছিলো - তা হলো ৭১ এ নিজেদের ভুমিকাকে না নিজেদের কাছে না দলীয় ফোরামে না দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার করতে পেরেছিলো। বরঞ্চ ৭১ এর তাদের মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং অপকর্মগুলো জন্যে ক্ষমাতো দুরের কথা - এই জন্যে অহংকারই করা শুরু করেছিলো। ফলাফলের আমরা স্বাক্ষী মাত্র।
যারা দেশের জন্মই বাঁধা দিয়েছে - তারাই কালেচক্রে সেই দেশের প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিলো। তাদের সম্পদের পাহাড় দেখে অনেকেই আফশোস করতে শুনেছি - কিন্তু সেই সম্পদ কি তাদের রক্ষা করতে পেরেছে?
যাই হোক - কথা বলছিলাম জামায়াতের শেষ নিয়ে। জামায়াতের আমির মুত্যুর দিন গুনছে কনডেম সেলে বসে - এই মৃত্যু কোন সন্মানজনক মৃত্যু নয় - একজন অপরাধী হিসাবে মৃত্যু - ইতোমধ্যে জামায়াতের আদর্শিক গুরু জেলের ভিতরেই মারা গেছেন - আর সেক্রেটারীসহ দুই সহকারী সে্ক্রেটারী অপরাধের শাস্তি হিসাবে অসন্মানজনক মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন। বাকী যারা ছিলো তারা পলাতকই বলা যায়। এই অবস্থায় জামায়াতের অর্থের যোগানদাতাও সেই পথে এগুচ্ছে - সুপ্রীমকোর্টে মৃত্যুদন্ড বহাল আছে। বলাই বাহুল্য জামায়াতের হুমকী ধামকি শুধু অনলাইন প্রেসনোট পাঠানোর মাঝে সীমিত - আল্লাহ অন্য ইচ্ছা না থাকলে তাকেও অসন্মানজনক মৃত্যুর দিকেই যেতে হবে।
তাহলে বিগত ৪০ বছরের জামায়াতের অর্জনের কি হলো? অবশ্য এখনই বলা যায় না জামায়াতের আদর্শ (যা মুলত বানিজ্যেই সীমাবন্ধ) তা বিলীন হয়ে যাবে। আরো কিছুদি এরা বিচরন করবে - অতপর ভিন্নকোন নামে বা অন্য দলের ভিতরে গিয়ে কিছু লোকজন রাজনীতি করবে - বাকীরা পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে।
এখন প্রশ্ন হলো - জামায়াতের এই দুর্দশার জন্যে দায়ী কে? এই প্রশ্নের জবাব খুবই সহজ। ্এই অবস্থায় জামায়াতকে নিয়ে গেছে গোলাম আযম। তার একগুয়েমি মনোভাব আর শাসকশ্রেনীর মাঝে বিচরন করে নিজেকে শক্তিশালী নেতা ভাবার কারন পুরোপুরি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে জীবনযাপনের কারনে জামায়াতকে ৭১ এর ভুমিকা থেকে সরে আসতে দেয়নি। কিন্তু যে দেশে ৯০ ভাগ মানুষ ইসলাম অনুসরন করে সেই দেশে দিনের পর দিন জামায়াত প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করার পরও ৩ থেকে ৪ ভাগের বেশী সমর্থক তৈরী করতে পারেনি - সেই বিষয়টি জামায়াতের শীর্ষ নেতা উপেক্ষা করে নেতিবাচক রাজনীতি - বিশেষ করে ভারত ও আওয়ামীবিদ্বেষকে পুঁজি করে এগুতে চেয়েছে। কিন্তু ১৯৯০ এর পর হাজার হাজার ছাত্র আর চিকিৎসার জন্যে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভারতে যাওয়ার ফলে ভারত বিদ্বেষের বিষয়টা যেমন দূর্বল হয়ে গেছে - তেমনি জেনারেল জিয়া আর এরশাদের ইতিহাস বিকৃতি আর ইতিহাস ভুলানোর কর্মকান্ডও কার্যকারীতা হারিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি আর বেসরকারী টিভির কারনে। কিন্তু জামায়াতের শীর্ষনেতারা দ্রুত ক্ষমতায় গিয়ে আবারো নিজেদের সুরক্ষিত করার জন্যে বিএনপির মতো একটা বহুরূপী দলের সাথে সখ্যতাকে বেশী গুরুত্ব দিয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন জামায়াতের মুল বক্তব্য বাঁধাগ্রস্থ হয়েছে - অন্যদিকে বিএনপির অপকর্মের দায়ও জামায়াতের উপর বর্তছে। যার কারনে জামায়াতের নতুন মুখএর আগমন প্রায় বন্ধ হযে গেছে। অবশেষ সরকারী হার্ডলাইন নীতি আর জামায়াতের শীর্ষনেতাদের জেলে ঢুকে যাওয়া আর লাশ হয়ে বের হওয়ার দৃশ্য দেখে কর্মীরাও হতাশ বটে। এরপরও যদি জামায়াতের আশ্রয়দাতা বিএনপির নেতৃত্বের মাঝে কোন আশার আলো দেখতো তা হলে তা ছিলো ভিন্ন কথা। সব মিলিয়ে জামায়াত অক্সিজেনের অভাবে ধুঁকে ধূঁকে শেষের দিকে চলে যাচ্ছে।
এই নিয়ে আফসোস হতেই পারে। বাংলাদেশে ইসলামের পক্ষে রাজনীতি করা দল হিসাবে জামায়াতের এই দুর্দশা শুধু যে রাজনীতিতে একটা ভারসাম্য নষ্ট করবে তাই নয় - ইসলামী আ্ন্দোলনেওর একটা বিরাট ক্ষতি করবে। অবশ্য জামায়াতের ৭১ এর ভুমিকা এবং তার প্রেক্ষিতে বাস্তবতাবিরোধী অবস্থান বিশেষ করে কখনই ক্ষমা না চেয়ে অহংকারী আচরন করা বরঞ্চ বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের আরো বেশী ক্ষতিই করেছে। তার উপরে জামায়াতের এই অবস্থা অনেকের জন্যে ফেতনা হিসাবে দেখা দিয়েছে। হেফাযত কার্যত ৫ই মে ইমানী আন্দোলনের নামে জামায়াতের প্রক্সি হিসাবে একটা অঘটন ঘটিয়ে দেশে ইসলামী আন্দোলনের উপর আরেকটা কলংক লেপন করেছে। তবে হেফাযতের বিষয়টি মজার - নেতৃত্বের একটা অংশ বিষয়টা বুঝেশুনে চুপ করে থাকার নীতি নিয়েছেন - অন্য অংশ তাদের ফেতনা থেকে বের হতে পারেনি।
তাহলে জামায়াত না থাকলে কি রাজনীতিতে শূণ্যস্থান তৈরী হবে? মনে হয় না। কারন বর্তমানে বাংলাদেশে কোন রাজনীতি নেই বললেই চলে। শেখ হাসিনা ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী রাষ্ট্রনায়কের পরিনত হয়েছে - তার পিছনে অনেকটা অবদান রেখেছে বিএনপি এবং জামায়াত। জামায়াত যখন রাষ্ট্রকে আক্রমন করেছে হরতালের নামে - নাশকতা করেছে - তখন সরকার নিজেদেরকে ত্রানকর্তা হিসাবে হাজির করেছে। এবং যথেষ্ঠ বিচারহীনতার আর সহিংসায় মধ্য দিয়ে সরকার এই দুইটা রাজনীতিক দলের হিংসাত্বক কর্মকান্ড বন্ধ করতে সমর্থ হয়েছে। মানুষ শান্তি চায় - যে কোন ভাবেই হোক শেখ হাসিনা তা দিতে পেরেছে। অন্যদিকে বিএনপি নিজেদের পায়ে কুড়াল মেরেই যাচ্ছে তারেককে নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে - তারা একটা ঘোড়ার উপর বাজি ধরে বসে আছে - হয় জয় না হয় ক্ষয়। এই অবস্থায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনীতিকে প্রচুর ভাংগাগড়ার খেলা হবে। বিএপি থাকবে - কিন্তু তাতে হয়তো বিএনপির বর্তমান নেতৃত্ব থাকবে না - হয়তো জামায়াতের নেতা-কর্মীরাই বিএনপির প্রান সঞ্চার করবে।
ভবিষ্যতে কথা না হয় ভবিষ্যতের জন্যেই রেখে দিলাম। তবে বর্তমানে অবস্থা দেখে এই কথা বলাই যায় - মীর কাসেম আলীর মামলায় আপীল বিভাগের রায় জামায়াতের ফাঁনুসটা ফুটো হয়ে গেছে - তাদের কফিনের শেষ পেড়েকটাই বোধ হয় ঠেসে দিলো আপীল বিভাগ।

মাহফুজ
মার্চ ১০, ২০১৬ at ১২:১১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ঠিকই বলেছেন- অহমিকা, চরমপন্থা, একগুঁয়েমি ও ভুল সিদ্ধান্ত কারো জন্যই ভাল ফল বয়ে আনতে পারেনা।
এখন তো জামাতের কোনঠাসা সময় চলছে। আর এ অবস্থার জন্য যে তারাই অনেকাংশে দায়ি তা তাদেরকে যেমন উপলব্ধি করতে হবে, ঠিক তেমনি যারা বীরদর্পে মাঠে আছেন তাদেরকেও চিন্তা করতে হবে।
এই তো খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আওয়ামিলীগের যেমন দশা হয়েছিল। কিন্তু এখন আবার তাদেরই ঠিক উল্টো অবস্থা চলছে।
এভাবেই উল্টো-পাল্টা আপেক্ষিক অবস্থায় ফেলে আল্লাহতায়ালা মানুষকে পরীক্ষা করেন। আর এর মাঝেই যারা শিখতে চান তাদের জন্য শিক্ষনীয় বিষয় রয়েছে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১:২২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ। আপনার চিন্তা এবং কথা বলার এই স্টাইলটা দারুন। নির্মোহ অবস্থান থেকে চিন্তার করার তৌফিক আল্লাহ আমাদের সবাইকে দিন।
শাহবাজ নজরুল
মার্চ ১১, ২০১৬ at ১২:০৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জামায়াতের ঐতিহাসিক ভুলগুলো নিয়ে আপনার লেখাটি ভালই লাগলো। কেবল হেফাজতের আন্দোলনের অংশটুকু ছাড়া বাকি লেখার সাথে একমত পোষণ করছি। আমার মনে হয় এখনো যতটুকুই জামাত বাকি আছে -- তারা যদি ৭১ এর যুদ্ধ থেকে শুরু করে তাদের করা অতীতের ভুলগুলো স্বীকার করে নিয়ে জনগনের কাছে মাফ চেয়ে অন্তরিক ভাবে সামনে এগুতে চায় -- তাহলেও তারা কিছুটা অর্জন করতে পারবে। ভুল স্বীকার করেই সামনে এগুনোই হচ্ছে সঠিক পথ।
ধন্যবাদ।
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ। জামায়াতের জন্যে বাংলাদেশে এক সময় উর্বর ভূমি ছিলো। গ্লোবাল পলিট্রিকসে ব্রাদারহুড এর মতাদর্শকে পশ্চিমারা খুবই পছ্দ করতো -- কারন কমিউনিজম ঠেকানোর জন্যে তাদের সহায়তা দরকার ছিলো। কিন্তু দিনকাল বদলে গেছে -- এখন ব্রাদারহুডের মুর্সিকে ঠেকানোর জন্যে সিসি সরকারকে সৌদি আরব বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে। জামায়াতের মীর কাসেমের রায়ের পর সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসে আরো শ্রমিক নেওয়ার কথা বলে যাচ্ছে।
সময়ই বলে দেবে জামায়াতের ফিরে আসাটা কত সহজ বা কঠিন হবে। অবশ্যই ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতি আর নেতিবাচক প্রচারনা থেকে বের হয়ে ৭১ এর ভুমিকার জন্য ক্ষমা চাওয়া আর জনমনে একটা ইতিবাচক ইমেজ তৈরী জন্যে তাদের দলের আদর্শ এবং কর্মসূচীতে জনভিত্তিক এবং বর্তমান রাজনীতির বিকল্প একটা প্লাটফরম তৈরী করতে পারলে হয়তো এরা ফিরে আসতে পারবো। তার জন্যে একটা প্রজ্ঞাবান এবং জ্ঞানী নেতৃত্বের প্রয়োজন -- যা জামায়াতের মাঝে এখন অনুপস্থিত। এরা ক্যাডার ভিত্তিক এবং এককেন্ত্রিক রাজনীতির কারনে মেধার চেয়ে আনুগত্যকেই দলের নেতৃত্বরের জন্যে বেশী পছন্দ করেছে। অনেক শিবির নেতা এখন দেশের বাইরে বাস করে -- যারা দলের শীর্ষ নেতার বিরাগভাজন হয়ে দলই নয় -- দেশও ত্যাগ করেছে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১২, ২০১৬ at ২:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হেফাযতের বিষয়ে আপনার দ্বিমত করার বিষয়টা আমাকে আগ্রহী করে তুলেছে। হেফাযতের এই আন্দোলন যে বিশেষ প্রেক্ষপটে চরম পৌছছে -- পরে একটা দুঃখজনক পরিনতি হয়েছে -- এই বিষয়ে একজন হেফাযতের সমর্থককে কাছ থেকে নির্মোহ মূল্যায়ন দেখতে চাইছিলাম। বলাই বাহুল্য -- যা ঘটেছে তা সবাই দেখেছি -- কিন্তু পর্দার আড়ালের ঘটনাগুলো জানার ইচ্ছা প্রবল। এই বিষয়ে নেতাদের আত্নবিশ্লেষন কি -- তাও জানতে চাই। যে কোক ঘটনায় প্রতিপক্ষকে দোষারোপ করা সহজ কাজ -- কিন্তু আত্নসমালোচনা করাটাই আসল। সেইটা করার মতো সাহস কি হেফাযতদের নেতাদের আছে? নেই, কারন পুরো বিষয়টা তাদের কারো হাতেই ছিলো না -- অদৃশ্য একটা শক্তি তাদের নিয়ে খেলেছে -- তারা নিজেরা উত্তেজিত হয়েছে -- মা্দ্রাসার সরল ছেলেদের ঢাকায় নিয়ে এসেছে এবং তাদের জন্যে কঠিন দুঃস্বপ্নের জন্ম দিয়েছে -- এর দায় কি শুধু আওয়ামীলীগ বা পুলিশের উপর দিয়েই পাড় পাওয়া যাবে। যারা লক্ষ লক্ষ টাকার হাতবদল করেছে -- যারা হেলিকাপ্টার ভাড়া -- বাস ভাড়া করতে কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে -- যারা এই বিষয়গুলোর সাথে জড়িত -- তারা কি এর পরিনতি জানতো না? তাদের কি কোন দায় নেই? অবশ্যই আছে -- এবং এর জন্যে তাদেরকেও মূল্য দিতে হবে।
অবশ্যই এই বিষয়ে সরকারের একটা কমিশন করে সঠিক তথ্য প্রকাশ করা উচিত ছিলো এবং পুলিশের যারা বাড়াবাড়ি করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত ছিলো। যারা এই বিষয়ে উষ্কানী দিয়েছে -- যারা এই ঘটনা থেকে সুবিধা নিতে চেয়েছে তাদের চেহারাও মানুষের জানা উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের জন্মের যুদ্ধের অপরাধীদের বিচারের জন্যে চারদশক অপেক্ষা করতে হয়েছে -- একজন প্রেসিডেন্ট হত্যার বিচারের জন্যে তিন দশক অপেক্ষা করতে হয়েছে -- সেখানে এই ধরনের বিষয়গুলো সবাই উপেক্ষাই করে এবং বিচার হীন একটা সমাজ তৈরীর কারনে র্যাব নির্বিচারের মানুষ হত্যা করে বাহাবা পায়।
কিংশুক
মার্চ ১১, ২০১৬ at ৭:৩২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার লেখা পড়ে সময় নষ্ট না করেই মন্তব্য করছি। শক্তি প্রদর্শন না করতে পারাই যদি কফিনে ঢোকা হয় তাহলে বংগবন্ধু হত্যার পর হতে ছিয়াশি সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ মরে পচে গিয়েছিল। এরশাদের বদান্যতার সূযোগ নিয়ে জাসদ রবের চাইতেও কম আসন পেয়েছিল! যাই হোক বাংলাদেশের আলেম ওলামা ও প্রকৃত মুসলমানের কাছে জামায়াত বা আওয়ামী লীগ কেউই কোন গুরুত্ব রাখেনা। আসল গুরুত্ব হল প্রভূ ভারত রাশিয়া বা আমেরিকার পা চেটে ইসলাম হটিয়ে সেকুলারিজম এনে আস্তে আস্তে ইসলাম নির্মূল করা প্রতিরোধ করা। আমরা জানি উপরে প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি-জামাত বা মুক্তিযুদ্ধ বনাম পাকিস্থানপন্থা! বা হেন বনাম তেন হলেও এখানে অনেক খেলোয়াড়ের অনেক এজেন্ডা রয়েছে। আওয়ামী লীগের উপর ভর করে ভারতপন্থী, কম্যুনিষ্টপন্থী, সেকুলার পন্থী, নাস্তিকপন্থীরা পিছন থেকে অনেক পাখী মারতে চাইছে। ভারত রাশিয়ার শর্ত মেনে সেকুলার সংবিধান এনেও শেখ মুজিবুর রহমান তার বহু আরাধ্য ক্ষমতার স্বাদ প্রানভরে আস্বাদন করতে পারেনি। এখন যদি বিদেশী বাবা স্বয়ং ভারত, রাশিয়াকে এদেশে নিয়ে আসে তাহলেও আবার সেকুলার দেশ বানাতে পারবেনা। দরকার হলে মিলিয়ন আলেম মুসলমান জান দিয়ে দিবে। জামায়াতের বিরুদ্ধে আজকের এই দমন নীতির মূল লক্ষ্য দেশকে সেকুলার বানানোর প্রচেষ্টা তা দেশের সকল হক্বপন্থী আলেমরা খুব ভাল করেই জানে। একাত্তরে জামাতের কোন নেতার কতটুকু দোষ তাও আলেম সমাজ আপনার চাইতে অনেক ভাল জানেন। বাংলাদেশের হক্বপন্থী দলগুলি জামাতের অনেক কিছুই চরম অপছন্দ করে তারপরও সবাই নিশ্চিত এই বিচারের পিছনে অনেক কিন্তু আছে, জামাতের সাথে বা পরে সকল হক্বপন্থী দল তথা ইসলামের উপর রাম বাম লীগের তরফ থেকে আঘাত আসছে। কিন্তু সবাই প্রস্তুত আছে। আওয়ামী লীগের এই মিশন তার সকল আব্বা হুজুররা মিলেও সফল করতে পারবেনা। জামাতকে যা ইচ্ছা করুক কিন্ত ইসলামের দিকে হাত বাড়ালে কলিজা টেনে ছিড়ে ফেলা হবে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একটা লেখার নীচে মন্তব্য করার সময় যদি বলা হয় যে এই লেখা পড়ার সময় নষ্ট করার মতো সময় নাই -- পক্ষান্তরে লেখককে যেমন অবজ্ঞা করা হয় -- তেমনি নিজের চিন্তাভাবনার বিষয়েও একটা বিশেষ পথ ছাড়া অন্যকে অবজ্ঞা করা হয় -- এই বুঝটা হয়তো আপনার এখনও আসেনি।
যাই হোক -- আপনার মন্তব্যের মাঝে অনেক শব্দ আছে যা শুধু বাংলাদেশের মানুষ নয় -- মুসলিমদেরও বিভাজন করে -- একদল হকপন্থী হলে অন্যজন বাতিল পন্থী হয়ে যায়।
আমি একটা বিষয় পরিষ্কার করে বলি -- হেফাযতের সাধারন কর্মী আর অনেক নেতা আছেন যারা ইসলামের নামে জীবন দিয়ে দিতে দ্বিধা করবে না -- এই কথা যেমন সত্য -- তেমনি ইসলাম রক্ষার ১৩ দফার দাবীর শেষে ১৪ দফায় একজন পত্রিকার সম্পাদকের মুক্তি দাবী সংযোজন করার মতো নেতারাও আছেন যারা গরম তাওয়ায় রুটি সেকার কাজ করতে চায়। তাই হেফাযতের এই স্বঘোষিত ইসলাম রক্ষার আন্দোলন আসলে একটা বিশেষ গোষ্ঠীর পক্ষেই কাজ করা বইতো আর কিছু নয়। এখনতো শফি সাহেব হেলিকাপ্টার চড়ে ইসলাম রক্ষার চেষ্টা করছেন না -- কারন হেলিকাপ্টার ভাড়া করার লোকজন আর হেফাযতকে দরকারী মনে করছে না।
অবশ্য আপনি বলেছেন আপনি আমার লেখা পড়েননি -- তাই অপ্রাসংগিক ভাবে আওয়ামীলীগ প্রসংগ এনেছেন -- তাই কিছু বলার নেই।
কিংশুক
মার্চ ১১, ২০১৬ at ৭:৩৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিএনপি-জামাতের জনভিত্তি, সমর্থন সম্পর্কে আপনার ধারনা গাঁজাখুরি।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১:৪৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তাইলে দেখছি আপনি লেখাটা পড়েছেন। ভালই।
কিংশুক
মার্চ ১১, ২০১৬ at ৮:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিএনপি তাদের নেতা জিয়ার ছেলে তারেককে না করে জয় বা ইনুকে করবে নাকি? হাহামগে। ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে পাঁচ মে তে আলেম মেরে জনসমর্থন হারিয়ে সিটি কর্পোরেশন ইলেকশনে গো হারা হেরে এখন পর্যন্ত বন্দুকের জোরে ক্ষমতায় জোর করে অবস্থান করেও এত গলাবাজি! দুই কান কাটা গেলেই আওয়ামী লীগ হওয়া যায় । আলেম ওলামাদেরকে যেরকম অজ্ঞ, মূর্খ বলে লিখে যাচ্ছেন তার ফল একদিন আওয়ামী লীগ পাবেই। আল্লাহর মাইর দুনিয়ার বাইর। ভিতরে ভিতরে আওয়ামী লীগ আলেমদের পাও ধরেছে। এদেশে ইসলামের সাথে দুশমনি করে আওয়ামী লীগ কেন ইনুরাও রাজনীতি করতে পারবেনা। পাঁচ মে, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন মার্কা দুই নম্বরী ইলেকশন করে সারাদিনরাত মিথ্যাচারই করে যেতে পারবে। জণগন আসল ব্যাপার ঠিকই বুজে। জণগন সূযোগ পাওয়া মাত্রই ভোট চোর, চাপাবাজদের চাপা বন্ধ করে দিবে। আমরা সেই দিনেরই প্রতিক্ষায়।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১:৫১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অবশ্যই তাদের ছাগল তারা কোন দিক দিয়ে জবাই করবে তা নিয়ে আমার কি বলার আছে। তবে তারেককে ক্ষমতাশীন করার যে মিশন তা বিএনপির জন্যে কতটা আত্নঘাতী হচ্ছে তাই বলেছি। সেইটা বুঝার ক্ষমতা অবশ্যই অনেকের নাই। আবারো বলি -- যতদিন বিএনপি তারেককে ক্ষমতায় আনার চেষ্টা করবে ততদিন তাদের দুর্দিনের শেষ হবে না। কারন তারেকের শত্রু শুধু আওয়ামীলীগই না -- আরো শক্তিশালী গোষ্ঠিও তারেকের আগমন চায় না।
অবশ্যই বাপের দলের উত্তরাধিকার হবে তারেক -- তার জন্যে অবশ্য একটা নির্বাচনের নাটক হয়েছে -- এরা গনতন্ত্রের জন্যে জীবন দেন -- কিন্তু দলের গনতন্ত্রের নামে যাত্রাপালা মঞ্চস্থ করেন -- জাতি হিসাবে এই তামাশা উপভোগ করা ছাড়া কি আছে করার।
কিংশুক
মার্চ ১১, ২০১৬ at ১০:২৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইসলামকে রাষ্ট্র ধর্ম ঘোষনা করায় সেকুলাররা এরশাদকে চরম অপছন্দ করে। সেই এরশাদকে অস্ত্রের মুখে আটকে রেখে ভুয়া বিরোধী দল বানিয়ে ভাগ বাঁটোয়ারার সংসদ নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ অনেক বাহাদুর দল হয়েছে যা সবাই দেখেছে। চুরি, বাটপাড়ি, দূর্ণীতি, মামলা, হামলা, মিথ্যাচারের অতীতের সকল রেকর্ড আওয়ামী লীগ এবার ভেংগে দিয়েছে। চোরের মায়ের বড় গলা আর বলে কাকে। আওয়ামী লীগ দুই হাজার বার হতে বিএনপি জামাতের শীর্ষ নেতা কর্মীদের উপর যেরকম নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছে জিয়া এরশাদ ঐরকম স্টীমরোলার চালালে আওয়ামী লীগ আজ খুঁজে পাওয়া যেতোনা। গণতন্ত্রের কোন সংজ্ঞাতেই আওয়ামী লীগ খাপ খায়না। দুই হাজার চৌদ্দতে তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ পঞ্চাশটা আসনও পেতোনা। এখনও অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ এক শর কম আসন পাবে। জনগণ, গণতন্ত্র আওয়ামী লীগের আতংক।
কিংশুক
মার্চ ১১, ২০১৬ at ১১:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হেফাজতে ইসলাম কারো প্রক্সি নয় । পাঁচ ই মে তে বুঝেন নাই, একদিন ঠিকই বুঝবেন। যতদিন বাংলার জমিনে ইসলাম থাকবে ততদিন হেফাজত থাকবে। যতদিন নাস্তিকের সহযোগীরা থাকবে ততদিন হেফাজতও থাকবে। আওয়ামী লীগের উচিত হবে সারাজীবন ধরে ক্ষমতায় থাকা যায় এমন উপায় বের করা। কারন একবার ক্ষমতা হারালে প্রতিশোধের প্রতিরক্ষায় হেফাজতও আছে। হেফাজতের কেউই আওয়ামী লীগকে কোন কালেই সমর্থন করেনি। মাওলানা ফরিদউদ্দিন মাসুদ দা বা কেবল জামায়াত নিষিদ্ধের ধান্দায় আওয়ামী লীগের পাশে, তরিকতপন্থীরাও জামাত নিষিদ্ধের ধান্দায় জোটে, পীরপন্থীরাও একই কারনে। কিন্তু সবাই এ কবাক্যেই সেকুলার আওয়ামী লীগ বিরোধী । সময় সূযোগ পেলে আওয়ামী লীগকে তাঁরাও দুই চার ঘা দেওয়ার সূযোগে আছে। এখন বিএনপি জামাত দেওবন্দি বেদাতি রেজভি সবাই কৌশলগত কারনে সরাসরি সংঘাতে যাচ্ছনা। কিন্তু সবাই যা ছিল তাই আছে। কারো সমর্থন আদর্শ কিছুই বদলায়নি। সত্যিকারের গণতান্ত্রিক পরিবেশ পেলে বিএনপি এখনও এক মাসের মধ্য লাখ মানুষের জনসভা করতে সক্ষম। হেফাজতে ইসলাম এখনও কোটি কোটি মানুষের উপর প্রভাব বিস্তারে সক্ষম। উপদেশ যা দেওয়ার তা হেফাজতকে না দিয়ে আওয়ামী লীগকে দেন। গণতন্ত্রে আর ফিরতে পারে কিনা তার যথেষ্ট সেন্দহে আছে। সারা জীবন তো আর ভারতের পুতুল হয়ে থাকতে পারবেনা। গণতন্ত্রে ফিরতে হলে হেফাজতের অনুসারী মুসলমানদের ভোট লাগবেই।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার স্বপ্ন পুরন হোক এই আশাই করি। সব হুজুররা মিলে আওয়ামীলীগকে পিটাক। অবশ্য তার আগে নিজেদের মাঝে হিসাব নিকাশ শেষ করে আসতে হবে। সত্য কথা কি জানে -- আওয়ামী বিরোধীতা আর নাস্তিকতার জিগির তুলে বাংলাদেশের আলেমরা একটা মোটামুটি ঐক্যবন্ধ অবস্থানে আছে। এইটা আল্লাহরই ইচ্ছা। যদি এই শত্রু না থাকে -- এবং যদি কোনদিন ইসলামপন্থী দলগুলো ক্ষমতায় যা্ওয়ার সুযোগ হয় -- তাহলে আফগানিস্তানের চেয়েও বড় ধরনের বিপর্যয় হবে -- এই নানান তড়িকা -- পন্থী -- মতাদর্শ -- মাজহাব ইত্যাদির মাঝে এমন বিপর্যয় হবে তা থেকে মুক্তির জন্যে তখন ভারত অথবা আমেরিকা হবে ত্রানকর্তা। আল্লাহ যেন বাংলাদেশকে সেই বিপর্যয়ে না ফেলেন সেই দোয়াই করি।
কিংশুক
মার্চ ১২, ২০১৬ at ৬:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
নানান পন্থী হুজুর বাংলাদেশে আগেও ছিল। কিন্তু হুজুররা বিভিন্ন গ্রুপে মারামারি করেননি। ওয়াজ, লেখালেখি বক্তৃতাতেই বিরোধিতা সীমাবদ্ধ । যাই হোক, বাংলাদেশের তরুন গ্রুপ বিশেষতঃ ত্রিশ হতে চল্লিশ বছরের পুরুষ, মহিলাদের মধ্যে আজো বিএনপির সমর্থক অনেক বেশী। গণতন্ত্র কোন দলেই নাই। অধিকাংশ মানুষ বিএনপি বলতে জিয়া, খালেদা, তারেককেই বুজে। যে দল এর বহির্ভূত তার কোন ভবিষ্যত্ নাই এবং সেই দল জামানত হারাবে। ঐসব সদস্য পাঁচ আসনে দাঁড়ালেও পাশ করে আসবে। আওয়ামী লীগ বলতেও শেখ মুজিব, শেখ হাসিনা, জয়। তারা নাই তো দলই নাই। 1/11 এর কুশীলবরাও তা জানতো। বর্তমানে শেখ হাসিনাও তাই জানে।তারেক ছাড়া বিএনপি একশ ভাগে ভাগ হয়ে যাবে। দলের সাধারণ সমর্থক, তরুন নেতারা তারেকের দিকেই তাকিয়ে আছে। খালেদা, তারেককে একুশ আগষ্টের মামলা সহ আরো কয়েকটি মামলায় মিথ্যা স্বাক্ষীর মাধ্যমে জড়িয়ে সাজা দিয়ে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার নীলনকশা চূড়ান্ত । আওয়ামী লীগ যদি খালেদা তারেককে মাইনাস করতে পারে তাহলে বিএনপি নামে কোন দলই থাকবেনা। নিজে নিজে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তবে এত সহজে কি আর সব চাওয়া পূরণ হয়? যে দলের কোটি কোটি সমর্থক আছে সেই দলকে চাণক্য লীগ চাইলেই কি আর পারে?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১২, ২০১৬ at ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হুজুররা মারামারি করেনি কথাটা ঠিক না -- সিলেটে বসবাস করার সময় দেখেছি দুই মাদ্রাসার মারামারিতে এক ইউনিয়নে তিনদিন ১৪৪ জারি করে রাখা হয়েছিলো -- বিবাদের বিষয় হলো কোন হাতে ঘড়ি পড়া হালাল -- পরে আবার মারামারি হলো -- দোয়াল্লিন নাকি জ্বোয়াল্লিন পড়া সহী। তবে এখনও মারামারি করার মতো অবস্থা তৈরী হয়নি -- কারন আওয়ামীলীগ আর বিএনপির কাছে এরা ধর্না দিয়ে চেষ্টা করছে একপক্ষ আরেকপক্ষকে ঘায়েল করতে। যে কারনে আসাদুল্লাহ গালিব জেলে গেলেন -- ঠিক সেই কারনেই পীরবাদীরা আওয়ামীলীগের লেজুর হয়ে আছে। তা বলছি -- আওয়ামীলীগ না থাকলে নিজেরা বাংলাদেশকে একটা দোজখ বানাবে। এই ধারনা করা সহজ হয়ে যায় যখন ইউটিউবে এদের পরষ্পরের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার দেখি।
দ্বিতীয়ত আপনার অনুমান করার বিষয়ে কোন কথা বলবো না -- তবে বিএনপি আর আওয়ামীলীগের অনুসারীরা তো আসলে দলের নেতাদের আনুগত্য করে -- এর অন্ধ -- হিতাহীত জ্ঞানহীন -- আর এই কারনেই তারেকের মতো একটা নির্বোধ যাতে দেশের নেতা হতে না পারে সে্ই বিষয়ে সবচেয়ে বেশী সচেতন হলো ব্যবসায়ী শ্রেনী আর আর্মি। আশা করি বিষয়টা উপলদ্ধি করতে পারছেন। ১৯৯০ সালের আগে ব্যবসায়ীদের একছত্র সাপোর্ট ছিলো বিএনপির দিকে -- এখন তা হয়ে গেছে উল্টা।
আপনি কি নিশ্চিত যে স্বাক্ষীগুলো মিথ্যা?
জজ মিয়ার নাটক সাজানোর পিছনে তারেকের মতো মহাক্ষমতাধরের কোন সংশ্লিষ্টতা ছিলো না বলেই কি আপনি নিশ্চিত?
Sami
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"……বরঞ্চ ৭১ এর তাদের মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং অপকর্মগুলো জন্যে ক্ষমাতো দুরের কথা – এই জন্যে অহংকারই করা শুরু করেছিলো।"
জামাত ক্ষমা চাইলে কি আপনারা ছেড়ে দিতেন জামাতকে? তখন তো খুব সহজেই দল নিষিদ্ধ করে দিতেন/ আপনারা তো আজীবন জাম্তকে কিভাবে দৌড় এর উপর রাখা যাই সেটাই করে আসছেন/ এমনকি দৌড় এর উপর রাখতেই আপনি পছন্দ করেন/ দেখলেন না কিভাবে প্রাণ ভিখ্খার নাটক সাজানো হল ফাসির আগে/ যেন বলা যায় তারা সত্যিই অপরাধী/
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৯:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- ক্ষমা চাওয়া শর্ত সাপেক্ষ নয় -- অন্যায়কারী নিজের স্বার্থেই ক্ষমা চাইবে -- তওবার একটা ধাপ। এই ক্ষেত্রে মজলুম বাধ্য নয় ক্ষমা করতে -- তবে ক্ষমা করা একট বড় কাজ -- এবং মানুষ ক্ষমা করতে পছন্দই করে। যেহেতু ক্ষমতা চায়নি -- সুতরাং ক্ষমা করার বিষয়টা অপ্রাসংগিক নয় কি।
-- বাংলাদেশের জন্মের বিরোধী সবদল নিষিদ্ধতো হয়েই ছিলো্ -- ৭৫ এর পর সামরিক শাসনকে সমর্থন দিয়ে জামায়াত ফিরে এসেছে। সুতরাং নতুন করে নিষিদ্ধের বিষয়টা এসেছে এখন -- যা পুরোপুরি একটা রাজনৈতিক খেলায় পরিনত হয়েছে। মোদ্দা কথা হলো -- নাজী পার্টি মতো জামায়াতও স্বাধীন বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখে না। যারা এই অধিকার দিয়েছে তারা বাংলাদেশ এবং মুক্তিযুদ্ধে নিহত, আহত এবং অত্যাচারিতদের সাথে বেঈমানী করেছে। বস্তুত জিয়াউর রহমান একজন বিশ্বাসঘাতক -- যিনি মুক্তিযোদ্ধা হয়েও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যাকারীদের পূর্নবাসিত করেছে আর খালেদা জিয়াতো আরেক ধাপ এগিয়ে এসেছে আল-বদর নামক ঘাতকদের নেতাদের মন্ত্রী বানিয়েছে -- ঢাকায় জমি দিয়েছে -- উনি মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের পরিবারের প্রতি চরম অবজ্ঞা দেখিয়েছেন। ফলাফল তো দেখছেন সবাই।
Sami
মার্চ ১৪, ২০১৬ at ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি সরাসরি কথা বলতে পারেন না/ শুধু উকিলের মত পেচিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চান/ আমি বলতে চাইছিলাম জামাত ক্ষমা চাইলেও আপনারা সেটা নিয়ে আজীবন রাজনীতি করেই যেতেন/ বাংলাদেশের রাজ্নিতিতে কোন দলটি ভুলের জন্য ক্ষমা চাই? বাকশালের জন্য ক্ষমা চাওয়া হয়েছে? অথচ বাকশাল হচ্ছে শেখ মুজিবের এমনকি আওয়ামীলীগের ইতিহাসে সবচাইতে বড় ভুল/দলের কথা বাদ দেন/ বাক্তিগতভাবে আপনি কি তওবা করেন বা ক্ষমাপ্রার্থী হন? আপনার লিখায় অনেকে ব্যথিত হয়েছেন/ আপনি কি ভুল শিকার করে ক্ষমা চেয়েছেন?
সামরিক শাসনকে সমর্থন দিয়ে কি আওয়ামীলীগও ফিরে আসেনি? জানি আপনি জিয়ার কথা বলবেন না- কিন্তু জিয়া কি আওয়ামিলিগ্কেও পুনর্জন্ম দেননি? আওয়ামীলীগের তো মৃত্যুই হয়েছিল বাকশালের মাধ্যমে/ "হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি"র মহা ভুলটি জিয়া সংশোধন করেছেন আর কি! বাকশাল দেখিনি কিন্তু কতটা খারাপ ছিল তার চিনহ পাচ্ছি!
বেইমানির কথা বলছেন! সাধীনতার মূল স্তম্ভে ছিল গণতন্ত্র/ সেই গণতন্ত্রের জন্যও তো মুক্তিযুদ্ধে নিহত, আহত এবং অত্যাচারিত হয়েছিল/ সেই গণতন্ত্রকে বাকশালের মাধ্যমে হত্যা করে কি মুক্তিযুদ্ধে নিহত, আহত এবং অত্যাচারিতদের সাথে বেঈমানী করা হয়নি? হয়নি বিশ্বাসঘাতকতা?
আল-বদর নামক ঘাতকদের নেতাদের মন্ত্রী বানানর কথা বলছেন? মাওলানা নুরু রাজাকারকে কে প্রথম মন্ত্রী বানিয়েছেন? খালেদা হাসিনার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন মাত্র/ যে কাজ আওয়ামীলীগ করতে পারবে সেটা বিএনপি কেন করতে পারবে না? কে রাজাকার পরিবারে সম্মন্ধ করেছেন? ভাগ্গিস খালেদা তার ছেলেদের বিয়ে রাজাকার পরিবারে দেননি/ তাহলে আপনার আস্ফালন দেখে কে? আপনি মহাকাব্য লিখে ফেলতেন/
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৬, ২০১৬ at ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই বিষয়ে আপনার সাথে একমত। বিএনপি আওয়ামীলীগকে অনুসরন করেছে। এবারও আশা করি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়ে আওয়ামীলীগকে অনুসরন করবে। আওয়ামীলীগ নুরু রাজাকারকে মন্ত্রী বানিয়ে তার ঋন শোধ করেছে এই বিচারের ব্যবস্থা করে -- আশা করি বিএনপি পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ নিয়ে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবো। ভাল কাজে অনুসরন করা উচিত।
Sami
মার্চ ২২, ২০১৬ at ৮:০৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
“…আশা করি বিএনপি পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ নিয়ে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবো।“
ভাই, প্রথমে তো বিচার হওয়ার কথা ছিল সেই সব চিহ্নিত ১৯৫ জনের। সেই ১৯৫ জনের ব্যাপারে তো কারো সন্দেহ নাই। সেটা বিএনপি করবে কিভাবে? আপনিই বলুন- কি যেন চুক্তির মাধ্যমে ভারত রফাদফা সেরে ফেলেছিল! মুক্ত করে দিয়েছিল সবাইকে! সাহস থাকলে সেই সব রফাদফা নিয়ে কথা ব্লুন। জানি এগুলো আপনাকে বলে শুধু সময়ের অপচয়।
Sami
মার্চ ২৭, ২০১৬ at ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
“…আশা করি বিএনপি পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ নিয়ে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবো।“
ভাই, প্রথমে তো বিচার হওয়ার কথা ছিল সেই সব চিহ্নিত ১৯৫ জনের। সেই ১৯৫ জনের ব্যাপারে তো কারো সন্দেহ নাই। সেটা বিএনপি করবে কিভাবে? আপনিই বলুন- কি যেন চুক্তির মাধ্যমে ভারত রফাদফা সেরে ফেলেছিল! মুক্ত করে দিয়েছিল সবাইকে! সাহস থাকলে সেই সব রফাদফা নিয়ে কথা ব্লুন। জানি এগুলো আপনাকে বলে শুধু সময়ের অপচয়।
Sami
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"…তাদের সম্পদের পাহাড় দেখে অনেকেই আফশোস করতে শুনেছি – কিন্তু সেই সম্পদ কি তাদের রক্ষা করতে পেরেছে?"
তারা কি সম্পদগুলো অবৈধ ভাবে অর্জন করেছে? তারা যদি বুধিম্ত্তা দিয়ে সততার সাথে আয় করে আপনাদের সমস্যা কেন?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বৈধ কি অবৈধ সম্পদ তা বিচার বিষয়টা আমার না। কারুনও সম্পদ অর্জন করেছিলো এবং বৈধ ভাবে -- তবে নিজের সম্প্রদায়দের স্বার্থ বিক্রি করে। ফলাফল আমরা সবাই জানি।
Sami
মার্চ ২২, ২০১৬ at ১০:১০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বৈধ কি অবৈধ সম্পদ তা বিচার বিষয়টা আমার না। কারুনও সম্পদ অর্জন করেছিলো এবং বৈধ ভাবে – তবে নিজের সম্প্রদায়দের স্বার্থ বিক্রি করে। ফলাফল আমরা সবাই জানি।
জামাতিরা বৈধভাবে সম্পদের মালিক হলেও দেখি আপনার সমস্যা আছে! কেউ যদি দেশের নিয়ম কানুন মেনে বৈধভাবে সম্পদের মালিক হয়- তাহলে আপনি হিংসা করার কে? আসল কথা হল- আপনি জামাতের কোন সাফল্যকেই মেনে নিতে পারছেন না। জামাতিরা সফল ব্যবসায়ী- যতদুর দেখা যাই তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো সফল। যাদের প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। তারাতো বাংলাদেশেরই মানুষ।
নিজ সম্প্রদায়ের স্বার্থ বিক্রির কথা বলছেন। একটু নিজের চোখের চশমাটা খুলে দেখুন- বর্তমান সরকার বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা বিক্রি করছে। শুধু করিডোর আর রামপাল বিদ্যুৎ- এই দুইটা নিয়ে ভেবে বলেন নিজ সম্প্রদায়ের স্বার্থ কতটা পোক্ত হচ্ছে। জামাতিরা নিজ সম্প্রদায়ের স্বার্থ কিভাবে বিক্রি করছে সেটাও বলবেন কিন্তু।
কারুনের সাথে জামাতিদের তুলনা করে কি বুঝালেন? কারুন এবং তার সম্পদ তো আল্লাহতায়ালাই ধ্বংস করেছিলেন। কারুনের সাথে জামতিদের সম্পদের তুলনা কতটা সংগতিপূর্ণ? তবে আওয়ামিরা যখন জামাতের সম্পদের দিকে দৃষ্টি দিয়েছে- তখন খবর আছে।
Sami
মার্চ ২৭, ২০১৬ at ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার কমেন্ট পোস্ট করছেন না কেন?
Sami
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"…কিন্তু যে দেশে ৯০ ভাগ মানুষ ইসলাম অনুসরন করে সেই দেশে দিনের পর দিন জামায়াত প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করার পরও ৩ থেকে ৪ ভাগের বেশী সমর্থক তৈরী করতে পারেনি".
আপনি ৩ থেকে ৪ ভাগের সমর্থক কোথায় পেলেন? এত কম সমর্থ্ক নিয়ে উপজেলা নির্বাচনে এত ভালো করে কিভাবে? ভোট গুলো কি হাওয়া থেকে ভেসে এলো?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিএনপির ছায়া থেকে বের হয়ে ভোট করলে জামায়াতের মুল চেহারটা দেখা যাবে। যা ১৯৯৬ সালে দেখেছি। যাই হোক -- জামায়াতের সমর্থক কোন কোন অঞ্চলে ( সীমান্ত অঞ্চলে যেখানে চোরাকারবার বেশী) সেখানে বেশ ভাল -- কিন্তু সার্বিক ভাবে পুরো বাংলাদেশের হিসাবটাই দিয়েছি।
Sami
এপ্রিল ৫, ২০১৬ at ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার ৩ থেকে ৪ ভাগ জামাতি সংখ্যাতথ্যের কোন সোর্স দিতে পারলেন না। আপনি কি আন্দাজে বলেছিলেন। জামাতিদের ব্যাপারে আপনার কথা বিশ্বাস করার আগে যাচাই করার প্রয়োজন আছে। জামাতিদের সঠিক সংখ্যা জানা মুশকিল- এটা ঠিক- কিন্তু মাত্র ৩-৪ ভাগ কর্মী নিয়ে উপজেলা নির্বাচনে এত ভাল করা সম্ভব না। আর বিএনপি মাত্র ৩-৪ ভাগ জামাতিদের জন্য এতগুলো পদ ছেঁড়ে দিবে? অনেক জায়গায় পদ নিয়ে দন্দে-জামাত একা ভোট করেও- বিএনপি/লীগকে হারিয়েছে। আপনি তো তাদেরকে নির্মূল করার মিশনে নেমেছেন। তাদের সংখ্যা কম হলে তৃপ্তি পেতেই পারেন। তাদেরকে দৌড়ের উপরে রেখেই তৃপ্তি পান। তাদের কফিনে শেষ পেরেক মেরেই দিয়েছেন। পরের লেখাই বলবেন- জামাতের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন; তারপরে বলবেন- কবরে জামাতের শওয়াল শেষে আজাব চলছে; তারপরে- হাশরের ময়দানে জামাতিরা কুপোকাত; তারপরে- সব জামাতিরা জাহান্নামে। আপনার লেখার শিরোনামে চমক থাকে বৈকি!
সীমান্ত অঞ্চলে কি জামাতিরা চোরাকারবার করে- সেজন্য সংখ্যা বেশি? কোন সম্পর্ক আছে কি? এরকম কখনো কোথাও পড়িনি।
Sami
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"…কিন্তু ১৯৯০ এর পর হাজার হাজার ছাত্র আর চিকিৎসার জন্যে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভারতে যাওয়ার ফলে ভারত বিদ্বেষের বিষয়টা যেমন দূর্বল হয়ে গেছে".
বাহ! দারুন বলেছেন! ভারত বিদ্বেষের ব্যাপারে আপনার ধারনা কম বলেই মনে হচ্ছে/ভারত বিদ্বেষ তো কমেনি বরং বেড়েছে/ লোকজন কমবেশি সবাই জানে আওয়ামীলিগ ভারতের সাহায্যে ক্ষমতায় টিকে আছে বা থাকতে চাই/ ৫ ই জানুয়ারির নির্বাচনে তাদের নির্লজ্জতা সবাই দেখেছে/
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- নিল্লর্জতার চেয়ে হিংস্রতাই বেশী মানুষ মনে রাখবে। ৬০০ স্কুল মাদ্রাসা পুড়ানো। মানুষ হত্যা -- প্রিজাইডিং অফিসার হত্যা -- হরতাল আর ভাংচুর করে সন্ত্রাস করা -সবইতো মানুষ দেখেছে। এই জন্যে বিএনপি জামায়াত তো লজ্জিত নয়ই -- অন্যখে লজ্জা দিচ্ছে।
Sami
এপ্রিল ৫, ২০১৬ at ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি কি পাশের দেশের নির্লজ্জতা সমর্থন করেন? জনগন হিংস্রতা বেশি মনে রাখলে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করে অবৈধ উপাধি মুক্ত হতে পরামর্শ দেন। এত বড় সোনালী সুযোগ মিস করছে কেন? সন্দেহ নাই সেই সব সহিংসতা, সন্ত্রাস কারোরই কাম্য নয়। সেই সব তাণ্ডব বিএনপি/জামাত একাই করে নি। সরকারী দলও অংশ নিয়েছিল। বিএনপিকে যে পরিস্তিতিতে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল বা এখনো যা হচ্ছে- বিএনপির জায়গাই আওয়ামী লীগ হলে- সহিংসতা, সন্ত্রাস হাজার গুনে বেশি হত।
Sami
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১২:০০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"…তেমনি জেনারেল জিয়া আর এরশাদের ইতিহাস বিকৃতি আর ইতিহাস ভুলানোর কর্মকান্ডও কার্যকারীতা হারিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি আর বেসরকারী টিভির কারনে।"
দয়া করে বলবেন কি জিয়া এবং এরশাদ কি কি ইতিহাস বিকৃতি করেছে?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পুরো ইতিহাসকেইতো এরা উল্টোদিকে নিয়ে গিয়েছিলো। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে টিভিবে রাজাকার শব্দটা নিষিদ্ধ করে রেখেছিলো। পাকবাহিনীকে বলা হতো হানাদারবাহিনী। মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো হতো পাগল না হয় ভিক্ষুক। সেই সব দিনের কথা আর মনে করতে চাই না। যারা এই অপকর্ম করেছে তারা তাদের যথাযথ প্রতিদানও পেয়ে গেছে।
Sami
এপ্রিল ৫, ২০১৬ at ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কই- ইতিহাস বিকৃতির সুনির্দিষ্ট প্রমান দিলেন না। জিয়াউর রহমান কি কি ইতিহাস বিকৃত করেছিল তার দলিল দেখান। টিভিতে রাজাকার শব্দটার ব্যবহার কি আইন করে্ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল? তার প্রমান কি? কোন শব্দের ব্যবহার নিসিদ্ধ হলেই ইতিহাস বিকৃত হয়ে যাই? আমি তো মনে করেছিলাম জিয়ার গাঁদা গাঁদা ইতিহাস বিকৃতির তথ্য দিবেন।
Sami
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১২:১৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"হেফাযত কার্যত ৫ই মে ইমানী আন্দোলনের নামে জামায়াতের প্রক্সি হিসাবে একটা অঘটন ঘটিয়ে দেশে ইসলামী আন্দোলনের উপর আরেকটা কলংক লেপন করেছে। তবে হেফাযতের বিষয়টি মজার – নেতৃত্বের একটা অংশ বিষয়টা বুঝেশুনে চুপ করে থাকার নীতি নিয়েছেন – অন্য অংশ তাদের ফেতনা থেকে বের হতে পারেনি।"
হেফাজতের গন হত্যা আওয়ামীলীগ না করে বিএনপি করলে আপনার আস্ফালন কে দেখে? মজার ব্যাপার হচ্ছে আওয়ামীলীগ কে সাপোর্ট করার জন্য আপনি বিবেক, বুদ্ধি, ন্যায়-নীতি সব্কিচুই ত্যাগ করেছেন/ দয়া করে হেফাজত সম্পর্কে আপনের লিখায় পাঠকের মন্তব্য গুলো একবার চেক করেন/
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি বোধ হয় গনহত্যার সংজ্ঞা জানে না -- এই বিষয়ে একটু পড়াশুনা করুন।
হেফাযত একটা আবেগ তৈরী করেছে। সেই আবেগে এখনও অনেকেই আপ্লুত। তাই প্রকৃত সত্যটা বুঝতে পারছে না অনেকেই। তবে জামায়াত হেফাযতের তৈরী ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে বলাই বাহুল্য। আপনিও আজ হেফাযতের জন্যে যে মায়াকান্না করছেন -- হয়তো কোনভাবে জামায়াত বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে হেফাযতের প্রতি আপনারাই সবচেয়ে বেশী হিংস্র হতেন। শত্রু শত্রু বন্ধু নীতিতে এখন হেফাযত আপনাদের সমর্থন পায় -এই আর কি।
Sami
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১২:২৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"…শেখ হাসিনা ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী রাষ্ট্রনায়কের পরিনত হয়েছে"…
ধন্যবাদ আপনাকে/ তিল পরিমান সামান্য হলেও আওয়ামীলীগের সমালোচনা করলেন/ ভাসুরের নাম মুখে আনতে নাই- আপনার ব্যাপারে আমার ধারনা সেইরকমই/
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এইটা সমালোচনা না -- বাস্তব সত্য কথা। সত্য কথা বলা আমাদের জন্যে জরুরী। আর হাসিনা এই ক্ষমতাশালী হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে বেগম খালেদা জিয়া অরাজনৈতিক মেধা আর তারেকের নিবুদ্ধিতা। তার সাথে জামায়াত-শিবিরের হিংস্রতার বিপরীতে মানুষ এই মুহূর্তে মন্দের ভাল হিসাবে হাসিনাকেই মেনে নিয়েছে।
Sami
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১২:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"…মানুষ শান্তি চায় – যে কোন ভাবেই হোক শেখ হাসিনা তা দিতে পেরে"
তাই নাকি? ভাই আপনি হাসির খোরাক যোগালেন! শান্তি দিতে পেরেছে কিন্তু তত্তাবধায়ক বাব্স্থায় নির্বাচন কেন দিচ্ছে না? নিরপেক্ষ নির্বাচন ভয় পাই কেন? অবশ্য আপনি তো তত্তাবধায়ক ব্যবস্থা চান না/ কিন্তু খালেদা তত্তাবধায়ক তুলে দিলে ভিন্ন সুরে কথা বলতেন/
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার এখানে বলা উচিত ছিলো -- জামায়াত-শিবির ছাড়া সবাই শান্তিতে আছে -- বিশেষ করে আন্দোলনের নামে ঘুমন্ত মানুষ পুড়ানো -- বাসে আগুন -- ট্রেন ফেলে দেওয়া -- লঞ্চে আগুন দেওয়ার মতো অশান্তি থেকে দেশ মুক্ত -- যার পিছনে শেখ হাসিনার দৃঢ় অবস্থান বিশ্ব দেখেছে। যা অবশ্য আপনাদের অনেকের রাতের ঘুম হারাম করেছে মানলাম। কিন্তু আজ রাতে বাসে চড়ে মানুষ ভয়ে নির্ঘূম থাকছে না -- এই বুঝি পেট্রোল বোমা এসে পড়লো -- এই চিন্তা করতে হচ্ছে না -- এইটাই কি কম।
Sami
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১২:৪৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"….অন্যদিকে বিএনপি নিজেদের পায়ে কুড়াল মেরেই যাচ্ছে তারেককে নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে".
ভাই আপনি আজব/ যে বিএনপিকে নিয়ে আপনার সমালোচনার অন্ত নাই সেই বিএনপির কে নেতা হবে সেই উপদেশ দিতে চান! আপনি কি বিএনপির বা জিয়ার কোন দিন সুনাম করেছেন? মায়া কান্না কেন করছেন? আপনার মতলব অন্যখানে/ বিএনপি ভেঙ্গে খান খান হোক আর আপনার দল আজীবন ক্ষমতায় থাকুক/ আসলে তারেক কে নিয়েই আপনাদের যত ভয়/ দেখেন না আইন করে তার ব্কতব্য প্রচার বন্দ করতে হয়/ তার কথা খারাপ হলে জনগন তাকে আস্তাকুড়ে নিখ্ক্ষেপ করবে/ কিন্তু কথা বলার অধিকার পর্যন্ত খর্ব করতে হবে!
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি উপদেশ দিচ্ছি নাকি? তারেকের মতো নির্বোধকে নেতা বানাতে গিয়ে বিএনপি কতটা মাসুল দিচ্ছে তার বিষয়ে কথা বললাম। তারেক বিএনপি নেতা হবে নাকি কর্মী হবে তা তাদের বিষয়। তবে বিএনপি নিশ্চয় ক্ষমতায় যেতে রাজনীতি করে -- এবং তারেকের মতো একটা মূর্খ- নির্বোধই শুধু না লোভী এবং চাঁদাবাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে নিশ্চয়ই আমি তা চাইবো না। অবশ্য জামায়াতের জন্যে তারেক একটা আশির্বাদই হবে -- মেরুদন্হী বিএনপির নেতৃত্বে যদি তারেক বসে তবে শিবিরের নেতারই হবে দেশের মুল পরিচালক -- তা কি বলা অপেক্ষা রাখে। যেমনটা হয়েছিলো আওয়ামীলীগের ক্ষেত্রেও -- শেখ মুজিব হত্যার পর কমিউনিষ্টরাই হয়ে গিয়েছিলো আওয়ামীলীগের মুল পরামর্শক। তাইতো তারেককে জামায়াতের এতো পছন্দ। ঠিক বললাম কি না?
Sami
এপ্রিল ৭, ২০১৬ at ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তারেকের মতো একটা মূর্খ- নির্বোধই শুধু না লোভী এবং চাঁদাবাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে নিশ্চয়ই আমি তা চাইবো না।
আপনি কাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চান সেটা আপনার ব্যাপার। আপনি তো বাংলাদেশের ভোটারও না। বাংলাদেশের মানুয যাকে চাই তাকেই ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বানাবে। বাংলাদেশের মানু্য তারেক কে ভোট দিয়ে মন্ত্রী বানালে আপনার কি করার আছে? আপনি তো যা করার করছেনই। ক্যানাডায় আরাম আয়েশে থেকে ব্লগ লিখে জিয়া পরিবারের গুষ্টি উদ্ধার করছেন। এতেও কাজ না হলে দেশে এসে সভা-সেমিনার করে, বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে দেশের জনগণকে বুঝান যাতে মূর্খ, নির্বোধ, লোভী, চাদাবাজকে জনগণ প্রধানমন্ত্রী না বানাই।
আপনি ঠিক বলেছেন- তারেক জিয়াকে মূর্খ না বললেও- নির্বোধ অবশ্যই বলবো। নির্বোধ না হলে সেও মায়ের এডভাইজার হয়ে মাসে মাসে দুই লাখ ডলার অনায়াসে আয় করতে পারত। একেবারে হালালভাবে রোজগার! এমন কি ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকতে পারত। যে শাস্তি সে পেয়েছে সেটাও পেতে হত না। আপনার কি মনে হয় বর্তমানের মহা ডাকাতদের কোন শাস্তি হবে?
আপনি যাকে মূর্খ বলছেন- সেই মূর্খেুর কথা মিডিয়ায় বন্ধ করতে হয় আইন করে! সেই মূর্খকেই আপনাদের এত ভয়! ভাগ্যিস সে হারভাডে শিক্ষিত হয়নি।
লোভের কথা বলছেন। বর্তমানে যারা ক্ষমতাই তাদের লোভটা একটু দেখেন। এরা সর্বকালের রেকর্ড সবকিছুতে ভঙ্গ করেছে। সেজন্যই জনগণের নিরপেক্ষ ভোটে আস্থা নেই। জোর জবরদস্তি করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকতে হবে।
আর চাদাবাজি-সেটা তো চেকের মাধ্যমে অনেক আগেই একজন করে দেখিয়ে দিয়েছেন। অন্তত চেকের মাধ্যমে চাঁদাবাজির রেকর্ডটা তারেকের নাই।
Porjotok
মার্চ ১২, ২০১৬ at ৪:২৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শ্রদ্ধেয় জিয়াউদ্দীন ভাই,
আপনার আর্গুমেন্টদাঁড় করিয়েছেন তিনটা অনুমানের উপর ভিত্তি করে- এক, বাংলাদেশে বর্তমানে ভারত-বিদ্বেষ প্রায় নেই; দুই, হেফাজতের আন্দোলন ছিল আসলে জামাতের প্রক্সি; তিন, বাংলাদেশে শান্তি বিরাজমান। এর কোনটাই বাস্তব নয়। কেন নয় সেটা আপনার আশেপাশে আওয়ামীলীগের অন্ধ-সমর্থক ছাড়া আর যেকোন বাংলাদেশীকে জিজ্ঞেস করবেন, বুঝিয়ে দিবে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ১০:০০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা যে নেই তা নয়। তবে আমার বক্তব্যের ব্যাখ্যাগুলো উপরে দিয়েছি -- তা দেখতে পারেন। অবশ্যই ভারত বিরোধীতা থাকবে -- কিন্তু আশির দশক পর্যন্ত অন্ধভাবে ভারতকে ঘৃনার চাষাবাদ করে বিএনপি আর তার মিত্ররা যে ভোটের বানিজ্য করেছে তা বোধ হয় আর হবে না। সেইটা গত নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়া ভারতে গিয়ে নিশ্চিত করেছে -- অমিত শাহের বিবৃতি নিয়ে নাটকটাও লক্ষ্য করার মতোই। বিএনপিও চায় ভারত তাদের সমর্থন দিক -- আর তাই তারাও ভারত বিরোধী প্রপাগান্ডা থেকে সরে এসেছে। শুধু বাকী ্আছে জামায়াত -- যারা সব সময়ই মানুষকে বোকা বানিয়ে ভোটে জিতে যেতে চায়।
আর শান্তিতে অবশ্যই আছে মানুষ -- নিয়মিত স্কুল কলেছে যেতে পারছে -- পেট্রোল বোমা ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পেয়েছে। এই পেট্রোল বোমার রাজনীতি সাধারন মানুষই শুধু নয় -- বিএনপির সাধারন কর্মীরাও প্রত্যাখ্যান করেছে। আশা করি বুঝাতে পেড়েছি।
আর অশান্তি হলো একটা আপেক্ষিক ব্যাপর -- যাদের দলের শীর্ষ নেতারা একের পর এক লাশ হয়ে জেল গেট দিয়ে বের হয়ে আসছে তারা কিভাবে শান্তিতে থাকবে বলুন। খালেদা জিয়ার কথাই বলুন -- ক্ষমতাই নয় শুধু -- রাজকীয় বিলাসবহুল প্রাসাধ হারিয়েছে -- ছেলে পলাতক -- আরেক ছেলে মারা গেছেন -- ভাই বোন ছিলো উনার সহচর তারাও মারা গেছেন -- ভাগ্নেগুলো যারা প্রবল প্রতাপের সাথে নানান অপকর্ম করে বেড়িয়েছে তারা হয় পলাতক নায় জেলে -- উনার তৃতীয় সন্তান জেলে মারা গেছে -- এই অবস্থা উনি যদি বলেন দেশে শান্তি আছে -- তা হলে বলতেই হয় কোথাও ভুল হচছে। ছাত্রদলের চোখের সামনে ছাত্রলীগ টেন্ডারবাজী করছে -- লাখ লাখ টাকা কামাই করছে -- ছাত্রদলের নেতারা কিভাবে ভাল থাকবে। বিএনপির নেতারা কথা বললেই জেলে যাচ্ছে -- রিজভী- সালাউদ্দিন গোপন বার্তা পাঠিয়ে দেশে অশান্তি তৈরী করে জেলে গেছে -- তারা কিভাবে বলবে দেশে শান্তি আছে।
একজন সাধারন মানুষ হরতালের নামে জীবন জীবিকা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে না -- সেইটাই তো শান্তি। নয় কি?
Porjotok
মার্চ ১৮, ২০১৬ at ৪:৪৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিয়াউদ্দিন ভাই,
আপনার প্রতিমন্তব্যে আমি যারপরনাই হতাশ!
বাংলাদেশে ভারতের প্রতি বিদ্বেষ শুধু আছে না, সেইটা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। আর এর জন্য বিএনপি সরকারে না-থাকলেও চলে। আফটারল, সীমান্তে বিএসএফ এর গুলি, বাংলাদেশের রাজনীতি আর অর্থনীতিতে ভারতের আগ্রাসী নীতি কোনটাই ত না-কমে উত্তরোত্তর বেড়েই চলছে। এখন আবার বলে বসবেন না যে, বাংলাদেশীরা ভারতের সীমান্তে হত্যা আর এমন দাদাগিরিকে স্বাগতম জানাচ্ছে 🙂
আপনার কাছে হরতাল থাকা/না-থাকা হলো দেশে শান্তির পরিমাপক, আজব! আর দেশে সবাই হয় আওয়ামী/ছাত্রলীগ আর না হয় বিএনপি/ছাত্রদল!!! আপনার শান্তির সংজ্ঞা জেনে আমি আসলেই বুঝতে পারছি না কি বলবো। আওয়ামীলীগের পক্ষ নিলে কি এতোটাই বোধবুদ্ধি এতোটাই ভোতা হয়ে যায়?
ইচ্ছে করেই আপনার মন্তব্যের উত্তর দেইনি। কিন্তু মনে হলো, নীরব থাকা মানে আপনার মতকে সমর্থন করা বা মেনে নেওয়া। দুটোর কোনটাই করার কোন যুক্তি নেই।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিজ নিজ জ্ঞান, বুদ্ধি এবং বিবেচনা বৃদ্ধি করুন এবং সেই অনুযায়ী স্বাধীনভাবে মতামত গঠন ও তা প্রকাশ করার তওফিক দিন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৮, ২০১৬ at ৮:১৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভারত বিরোধীতার যে কথাগুলো বলছেন তাতে আমার কোন দ্বিমত নেই -- সেইটা ভারত বিরোধীতার বলতে যে সাধারন ভাবে ভারতবিদ্বেষ বুঝায় তা নয়। ভারতের অনেক কর্মকান্ড বাংলাদেশের স্বার্থের প্রতিকুলে যাচ্ছে -- অবশ্যই তার বিরোধীতা করা দরকার। কিন্তু মজার বিষয় হলো -- ভারতের কাছে দেশ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে -- ভারত আমাদের জন্ম শত্রু -- ভারত হিন্দু রাষ্ট্র -- বাংলাদেশ মুসলিম রাষ্ট্র -- তাই ভারত আমাদের শত্রু -- এইগুলো হলো রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা আর মানুষকে বোকা বানানোর শ্লোগান। প্রকৃত পক্ষে যারা ভারতের বিরু্দ্ধে মানুষকে উষ্কানী দিয়ে রাজনীতি করে -- তারাই সবচেয়ে বেশী ভারতের সাথে মাখামাখি করেছে।
ভারতে আপনি যে কারনে ঘৃনা করবেন তার একটা হলো সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক হত্যা -- তাই তো। প্রথম কথা হলো -- মানুষকে এইভাবে হত্যা করা কোন ভাবে গ্রহনযোগ্য নয়। কিন্তু বাংলাদেশে এই ঘটনা কি নতুন শুরু হয়েছে? এই বিষয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো হত্যাবন্ধে কি পদক্ষেপ নিয়েছিলো -- তার বিষয়ে আলোচনা করা জরুরী।
সীমান্তে হত্যাকান্ডের মুল কারন হলো গরুর চোরাকারবার। এইটা বন্ধে বিজিবি কতটা কার্যকর ভূমিকার রাখলো তা দেখা দরকার -- দেখা দরকার ভারত সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকার কতটা আন্তরিক ভাবে এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করলো। দেখা যাচ্ছে -- ২০০৬ সালে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে হত্যা করেছে বিএসএফ -- সেই বছর ক্ষমতাশীনরা কতটা সক্রিয় হয়েছিলো এই বিষয়ে -- গত ২০১৪ সালে সর্বনিম্ন সংখ্যক মানুষ নিহত হলো -- তখন সরকার কতটা সক্রিয় ছিলো।
আপনার মনে নানান বিষয় কাজ করতে পারে -- কিন্তু চোখ খোলা রেখে যদি দেখি -- দেখবো বর্তমান সরকারই এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশী সক্রিয় হয়েছে -- ভারতের সাথে আলোচনা করে তাদের কমিটমেন্ট আদায় করেছে -- কিন্তু বিজিবির প্রধান বলছে তাদের পক্ষে পুরো বর্ডার দেখা সম্ভব নয় বলে বাংলাদেশ অসহায়। আর চোরকারবার বন্ধের লক্ষ্যে তেমন কাজ করার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে না -- বরঞ্চ এইটা কিছু মানুষের ধনী হওয়ার পথ বটে। আরো দেখি -- এই সরকার ৬০ বছরের পুরোনো সমস্যা সমাধান করে সীমানা চুক্তি বাস্তবায়ন করলো -- ভোগান্তি শেষ হলো হাজার হাজার ছিট মহল বাসীর -- যি আপনি এই বিষয়গুলো এড়িয়ে এখন ভারতবিদ্বেষ পোষন করাকেই যৌক্তিক মনে করেন -- তবে কিছু বলার নেই।
বিদ্বেষ কোন সমাধান নয় -- প্রতিবেশীর সাথে সমঝোতা আর সুসম্পর্ক রাখাই লক্ষ্য হওয়া উচিত -- এতে আখেরে নিজেদেরই লাভ। মুখে ভারত বিদ্বেষ -- আর ঘরে গিয়ে ভারতের চ্যানেলে সিরিয়াল দেখা -- এই দ্বৈতচরিত্র সাঙঘাতিক ক্ষতি কারন। যেমনটা দেখি পাকিস্তানীদের মাঝে -- তাদের সকল সমস্যার জন্যে ওরা নির্বিচারে ভারতে দায়ী করে আর বাসায় বা গাড়ীতে সারাদিন বোম্বের হিন্দি গান বাজায়। বাংলাদেশেও এই ট্রেন্ড চালু আছে -- কেউ কেউ মনে প্রানে ভারতে ঘৃনা করে। কাউকে ঘৃনা করা ঠিক না -- ঘৃনা নিজের জন্যেই ক্ষতি -- তবে যদি কোন রাষ্ট্রকে যদি অপছন্দ করতেই হয় তা হবে পাকিস্তান। যারা ভাই-ভাই সম্পর্কের কথা বলে বোনদের ধর্ষন করেছে এবং এখনও সেই ধর্ষকদের বিচার করেনি। ভাইদের বুকে গুলি চালিয়েছে নির্বিচারে -- কিন্তু তাদের বিচার করেনি -- বরঞ্চ বাংলাদেশ যখন সেই অপরাধীদের বিচার করছে -- তারা সেই বিচারেরও বিরোধীতা করছে। আজও বাংলাদেশের ভাগের সম্পদ ফিরিয়ে দেয়নি -- আটকে পড়া পাকিস্তানী নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়নি।
বাস্তবতা বিবর্জিত
Porjotok
এপ্রিল ১, ২০১৬ at ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিয়াউদ্দিন ভাই,
বাস্তবের আসলে কি অবস্থা, সেইটা বোঝাতে আপনার জন্য একটা লিঙ্ক দিলাম- http://www.channelionline.com/news/details/ভারতের-বিদায়ে-বাংলাদেশ-জ/21753
কিংশুক
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৮:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি কি নিশ্চিত রমনা বটমূলে বোমা হামলা, যশোর উদিচীর বোমা হামলার 'ব্যারিস্টার তরিকুল ইসলাম' নাটকে ও সিজার তাবেল্লার নাটকে জয় জড়িত নয়? বিএনপির বিলুপ্তির প্রহর গুনছেন ?। বিএনপি বর্তমানে এত ভোট রয়েছে যে, প্রেসিডেনট ইলেকশন হলে তারেক জিয়া অনায়াসে শেখ হাসিনাকে হারিয়ে দিতে পারবে। অবৈধ ক্ষমতা লোভী দুই কান কাটা আওয়ামী লীগের কুৎসিত চেহারা জণগন দেখে ফেলেছে। অতএব গণতন্ত্রকে আর বাংলাদেশে ফিরতে না দেওয়া ছাড়া আওয়ামী লীগের উপায় নাই। জোর যার মুল্লুক তার এই জিংগলের নীতিই আওয়ামী লীগের রক্ষা কবচ। ভারতের পুতুল যতদিন থাকবে ততদিন ক্ষমতা। গণতন্ত্র জণগন আওয়ামী লীগের আতংক।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি আমার প্রশ্নের জবাব দিলেন না। আপনাদের মতো মানুষ যারা নেতিবাচতাই মুল চালিকা শক্তি হিসাবে জীবনের দর্শন হিসাবে নিয়েছেন -- তাদের সংখ্যাতো অনেক -- তাই হয়তো আপনিই সঠিক। তবে আল্লাহ যদি বাংলাদেশের মানুষের ভাল চায় অবশ্যই তারেকের মতো একজন নির্বোধ লোককে দেশের ক্ষমতায় বসাবে না। অবশ্যই বাংলাদেশে যেভাবে শিরক, সুদ আর জ্বেনার বিস্তার হয়েছে -- তাতে তারেকের চেয়েও বড় কোন নির্বোধ দেশের রাষ্ট্রগ্রধান হলেও অবাক হবো না। কারন মানুষ নিজেদের কর্মের জন্যে নিজেদের দায়ী করার মতো অবস্থা তৈরী হবে -- তবেই না আযাবগুলো আসবে।
ধন্যবাদ।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- আপনি ভালই আর্গুমেন্ট দিচ্ছেন। আমি কি কোথাও এই ধরনের কথা বলেছি। আপনি বলেছেন -- তারেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা স্বাক্ষী এনেছে সরকার -- আপনি কিন্তু এই কথা বলে একটা বিষয়ে স্বাক্ষী হয়ে গেছেন। এখন সেই স্বাক্ষী যদি সত্য হয় -- আপনি মিথ্যা কথা প্রচারের জন্যে দায়ী থাকবেন এবং আমরা তো জানি এই বিষয়গুলো খুবই বিপজ্জনক -- এক সময় আমাদের সবাইকেই এই বিষয়ে জবাব দিতে হবে। তাই আপনার চোখটা একটু সেখানে দেবার চেষ্টা করলাম আরকি। আমিতো জানিই আপনি কোন দৃষ্টিকোন থেকে এই ধরনের কথা বলেন।
যখন কোন বিচারক বিচার করে তার বিষয়ে সন্দেহ পোষন করা ঠিক নয় -- বিচারক ভুল করলে বা অন্যায় করলে তার দায় তার উপর বর্তায় -- কিন্তু বিচারককে অমান্য করলে আমি দোষী হবো। এইব বিষয়টা আপনাকে একটু স্মরন করিয়ে দিতে চেষ্টা করলাম আরকি। মুসলমান হওয়ার ঝামেলা অনেক -- কারন আমরা মুসলিম হিসাবে মানব জাতির উপর স্বাক্ষী -- তাই মিথ্যা বা আন্দাজ অনুমানের ভিত্তিতে কথা বললে তার দায় কিন্তু কঠিন ভাবে শোধ করতে হবে।
আপনাকে ব্যক্তিগত ভাবে আঘাত করে এই কথা বলতে চাইনি -- শুধু একজন মুসলিম হিসাবে অন্য একজন মুসলিমকে হক ক্থা মনে করিয়ে দেওয়ার দায় থেকে বলা -- আশা করি বিষয়গুলো পার্সোনাল লেভেলে নেবেন না। ধণ্যবাদ।
Sami
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ১২:২৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ জিয়াউদ্দিন "….যখন কোন বিচারক বিচার করে তার বিষয়ে সন্দেহ পোষন করা ঠিক নয় – বিচারক ভুল করলে বা অন্যায় করলে তার দায় তার উপর বর্তায় – কিন্তু বিচারককে অমান্য করলে আমি দোষী হবো।"
আপনি কি গোলাম আজমের নাগরিকত্ব দানকারী বিচারকের বিষয়ে সন্দেহ পোষন করে ঠিক করেছিলেন? সেই বিচারককেও তো অমান্য আপনি করেছিলেন এমনকি ব্লগেও সেটা লিখেছিলেন/ তাহলে কি নিজের দোষ মেনে নিলেন? আসলে আপনার কথাবার্তা inconsistence. একবার বলেছিলেন মৃত ব্যক্তির দুর্নাম করতে নাই/ কিন্তু আপনিই অহরহ করে থাকেন কাজটি/ আপনি একবার এইদিকে আরেকবার ঐদিকে- সুবিধামত আর কি!
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৬, ২০১৬ at ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই রকমের কিছু লিখেছিলাম নাকি? একটা লিংক দেনতো পড়ে দেখি। গোলাম আযমের নাকরিকত্ব মামলায় বিএনপি সরকার যেভাবে এটর্নী অফিসকে নির্দেশনা দিয়েছিলো তারা তাই করেছে -- মুলত রাষ্ট্র মানে বিএনপি সরকার বাদীয় হয়ে গোলাম আযমের মামলা লড়েছে -- ফলাফল যা হবার তাই হয়েছে।
যাই্ হোক -- আপনি আগেও আমার বিরুদ্ধ অনেক অভিযোগ করেছেন -- এবার একটা লিংক দেন।
কিংশুক
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৫:০৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গাড়ি পোড়ানো মানুষ মারা আওয়ামী লীগ করলে আন্দোলন হয় আর বিএনপি করলেই অশান্তি হয়। ছিয়ানব্বই হতে সব আন্দোলন নিজের চোখেই দেখেছি। আওয়ামী লীগ যে কত অবরোধ জ্বালায় পোড়ার করেছে তাও ভুলি নাই। মুফতি হান্নান শায়খ রহমান করেও ধরেছে বিএনপি যা মানুষ লাইভ দেখেছে। অধিকাংশ মানুষ এখন আওয়ামী লীগকে ঘৃণা করে ও বিএনপিকে বিকল্প ভাবে। অধিকাংশ মানুষ পেট্রোল বোমাও আওয়ামী নাটক মনে করে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৪, ২০১৬ at ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সব অন্যায়ই অন্যায় -- সেইটা আওয়ামীলীগ করুক আর বিএনপিই করুক। একদলের অন্যায় দেখিয়ে অন্যের অন্যায় আড়াল করা্ও অন্যায়। তবে বিএনপি-জামায়াত এবার যা করেছে তা যে সীমা লংঘন -- তা তো নিজেরাই টের পাচ্ছে -- "ডেমোক্রেসি ফর মার্চ" আন্দোলনের ডাকে নিজেদের কর্মীরাই বাসায় ঘুমায়। এর কারন সবাই অন্যায়কে অন্যায়ই মনে করে।
-- অধিকাংশ মানুষের হিসাবটা কোথায় পেয়েছেন জানি না -- তবে এইটুকু বুঝলাম আপনি আওয়ামীলীগকে ঘৃণা করেন -- এইটা নিশ্চিত হওয়া গেলো।
Syeda Lutfunnesa
মার্চ ১৫, ২০১৬ at ২:০৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ sumi
বাংলাদেশের কোন মহিলা জামাতের পক্ষ নিয়ে কোন কথা বলতে পারে? অবিশ্বাস্য!! মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্হানিদের সাথে মিলিত হয়ে এ দেশের মেয়েদের উপর ধর্ষন,খুন,হত্যা এ ধরনের পৈচাশিক নির্যাতন,সত্বেও? আপনি নিজে অথবা আপনার মা যদি ধর্ষনের শিকার হতেন তাহলে হয়তো আপনার বোধদোয় হত ক্ষমার মত অপরাধ এটা নয়।
"জামাত ক্ষমা চাইলে কি আপনারা ছেড়ে দিতেন জামাতকে?" কোন খুনি হত্যাকারিকে ছেড়ে দেয়া কি উচিত হবে? আসলে ওই অপরাধিদের সাথে আপনার পার্থক্য খুব সামান্য। ওদের বিচার হয়তো হবে, কিন্তুু ওদেরকে নৈতিক সমর্থন দেয়ার অপরাধে আপনাদের বিচার কোনদিন করা যাবে না।তবে শেষ বিচারের দিন অবশ্যই আল্লাহ্ রাব্বুল আল-আমিন আপনার এই জঘন্য,ঘৃন্য অপরাধের স্বাস্তি দিবেন।দয়া করে অপরাধিদের পক্ষে সাফাই গেয়ে নিজেকে আর নীচে নামাবান না।ইসলামেও কিন্তু খুন,ধর্ষনের সাস্তি মৃত্যুদন্ড, ক্ষমা নয়।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ১৬, ২০১৬ at ৬:১১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মাফ চাওয়ারো একটা বিরাট শক্তির বিষয় -- যারা প্রকৃত অপরাধী -- মানে পরিকল্পিত অপরাধ করে তারা মাফ চাইতে পারে না। কারন এরা মনে করে আমিতো ভুল করিনি -- ওরা ভুল করছে। জামায়াত অনেক সময় পেয়েছে মাফ চাওয়া- চায়নি -- ভবিষ্যতে চাইতে পারে -- অবশ্য তার আগে দল যুদ্ধাপরাধী মুক্ত হতে হবে।
A. Karim
মার্চ ২৩, ২০১৬ at ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনাকে প্রাণ ঢালা শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ সদালাপ এর মত সাইট এ এই ধরণের একটা লেখা প্রকাশ করবার জন্য। এটা এমনই একটা সাইট যারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে, রবীন্দ্রনাথ কে মনে করে হিন্দু দের কবি, মুসলমান ছাড়া আর সব ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের এরা ঘৃণা করে, সাম্প্রদায়িকতা প্রচার করে ঢালাওভাবে … ইত্যাদি ইত্যাদি, বলে শেষ করা যাবেনা। খুব সাহসী একটা কাজ করেছেন। দেখতেই পাচ্ছেন তথাকথিত ইসলামের ধ্বজাধারীরা আপনাকে কিরকম আক্রমণ করে। এইটাই এদের বিশেষত্ব। এরা একটা জিনিষ বুঝায় দিতে চায় যে ৭১ এর যুদ্ধ কোণো মুক্তিযুদ্ধ ছিলো না, এইটা ছিলো একটা বিদ্রোহ, এইটা ছিলো তাদের বাঙলাসতান বানানোর স্বপ্ন ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র। এই 'কীঙশূক, 'সামি' এদের মন্তব্য থেকেই এই গুলা পরিষ্কার।
কিংশুক
এপ্রিল ২, ২০১৬ at ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এ করিম, আমি নিশ্চিত তুমি ভারতীয় পরাধীন বাংগালী। নিজেরা আগে স্বাধীন হয়ে অন্য জায়গায় নাক গলাও। নিজের বাপের দেওয়া নাম পর্যন্ত পরিবর্তন করে ফেলেছে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা । তোমার ভারতকে বাপ ডাকা শুনতে হলে বিজেপির ব্লগে যাও। বাংলাদেশের ব্লগে তোদের ঢুকবার দরকার কি?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
এপ্রিল ৪, ২০১৬ at ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার এই মন্তব্য চরম আপত্তিকর। এইটা একটা সাম্প্রদায়িক মন্তব্য এবং সদালাপ একটা মুক্ত আলোচনার জায়গায় কাউকে এভাবে অপমানজনক মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হবে -- এইটা গ্রহনযোগ্য নয়। আপনাকে সতর্ক করে দিচ্ছি -- আমার ব্লগে কাউকে এভাবে ব্যক্তি আক্রমন করবেন না। ধন্যবাদ।
কিংশুক
এপ্রিল ২, ২০১৬ at ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভারতীয় ছাগুরা যেই ইসলাম, পাকিস্তান বিরোধী প্রচার না চালায় যেমন- আসিফ মগাউদ্দিন তসলিমা তাকেই দেবতা বানিয়ে দেয়। আরেক দেবতার দেখা পেয়েছে মনে হচ্ছে ।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
এপ্রিল ৪, ২০১৬ at ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আসিফ বা তসলিমাকে ভারতীয়রা দেবতা বানায় নাই -- বানিয়েছেন আপনাদের মতো কিছু অসিষ্ঞু লোক -- যারা সহজেই সুবিধাবাদীদের ফাঁদে পা দেন। তাদের নিয়ে হৈ চৈ করে তাদের দ্রষ্টব্য বানান।
শমশের খালিদ
এপ্রিল ২৪, ২০১৬ at ১০:০৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জামায়াতের আমির মুত্যুর দিন গুনছে কনডেম সেলে বসে – এই মৃত্যু কোন সন্মানজনক মৃত্যু নয় – একজন অপরাধী হিসাবে মৃত্যু////////
আপনি কি জানেন ইমাম আবু হানিফ রঃ , যার উপর ভিত্তি করে হানাফি মাজহাব তৈরী হয়েছে, তাকে মরতে হয়েছে কারাগারে-একজন অপরাধী হয়ে??
তার মৃত্যু কি সম্মানিত ছিল??
বহু নবীকে হত্যা করা হয়েছে, ঈসাকে অসম্মানজনকভাবে শুলীতে চড়িয়েছে…
তো কোনটাকে অসম্মানজনক মনে করছেন??
জালিমদের কারাগার মুমিনদের জন্য জান্নাত।। শুধু এই কথাটি মনে রাখবেন।।
এপ্রিল ২৪, ২০১৬ at ১০:১৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমাদেরকে এটাও মনে রাখতে হবে যে, অত্যাচারি ও তাদের দোসরদের জন্য মহান স্রষ্টার অঙ্গিকার প্রযোজ্য নয়-
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
এপ্রিল ২৬, ২০১৬ at ৫:০৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- আপনি একটা বড় ভুল করেছেন এখানে। কোরানের ভাষ্য মতে ঈসা (আঃ) কে কেউ শুলীতে চড়ায়নি -- কেউ তাকে হত্যা করেনি।
"আর তাদের একথা বলার কারণে যে, আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি যিনি ছিলেন আল্লাহর রসূল। অথচ তারা না তাঁকে হত্যা করেছে, আর না শুলীতে চড়িয়েছে, বরং তারা এরূপ ধাঁধায় পতিত হয়েছিল। বস্তুতঃ তারা এ ব্যাপারে নানা রকম কথা বলে, তারা এক্ষেত্রে সন্দেহের মাঝে পড়ে আছে, শুধুমাত্র অনুমান করা ছাড়া তারা এ বিষয়ে কোন খবরই রাখে না। আর নিশ্চয়ই তাঁকে তারা হত্যা করেনি।" (৪:১৫৭)
-- আশা করি আপনি আপনার জানার বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছেন। তাই আপনি এখানে ভুল করেছেন -- একজন দুনিয়ার সুবিধাভোগী (যিনি রাষ্ট্রের সম্পদ নিয়ে তার উপর ছয় তলা বিলাসবহুল দালান বানিয়েছেন -- তা কোন নবীর সুন্নাহ অনুসরন করলো।
তাই বলি -- অন্ধের মতো পথ না চলে চোখ খুলে দেখুন।
Mamun Ahmed
জুলাই ৪, ২০১৭ at ১২:১৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যদি কেউ ভুল কিছু করে তার বিচার একদিন হবেই হবে,আল্লাহ'র আদালতে।প্রতিটা দল/সংগঠনে ২-১ জন কুলাজ্ঞার থাকবেই।
জিয়া ভাই,আমি কোন দলের পক্ষ নিয়ে কথা বলছি না।আমি মুসলিম,আমার দল ইসলাম। শিবির নামের এই সংগঠনটির সাথে কত মাস/বছর সময় দিয়েছেন আপনি?এই সংগঠনটিকে চিনেন কি ভাবে?,BTV আর ATN এর মাধ্যমে?
"কারো মিথ্যা বলার জন্য এটাই যথেষ্ট যে,সে যা শুনে তাই বলে বেড়াই"(সহীহ মুসলিম)
যারা(আওয়ামী…) কৌশল করে ইসলামকে এই বাংলা থেকে সরাতে চাই আপনি তাদের পক্ষেই সাফাই গাইছেন আর যারা ইসলামের পক্ষে কাজ করছে তাদের প্রতি কেন এত ক্ষোভ আপনার?
আমরা বাংলাদেশে বসে বলতে পারি না যে,আফগান যোদ্ধারা Sontras ছড়াচ্ছে।