(পূর্ব প্রকাশিতের পর। সুরা আন-নিসা রুকু;-৪ আয়াত;-২৩-২৫ কোরানের কথা-৭৩)
এক জন পুরুষ ও আর একজন নারী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েই মূলত একটি সভ্য সমাজের গোড়া পত্তন করে। যদি বিয়ের বন্ধন না থাকে তবে, সমাজের কঠামো মজবুত হয়না। থাকেনা পারিবারীক বন্ধন। আবার একজন পুরুষ বা নারী যাকে খুশী তাকেই বিয়ে করতে পারেনা। সমাজের কিছু বিধি নিষেধ মেনে চলতে হয়। ইসলামী শরিয়তেও রয়েছে তারই এটি দিক নির্দেশনা। আলোচ্য আয়াতটির মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা কিছু নারীকে পুরুষের জন্য বিয়ে করাকে চিরতরে হারাম করেছেন। একে মোহার্রামাতে আবাদী বলে।
২৩/حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ وَبَنَاتُكُمْ وَأَخَوَاتُكُمْ وَعَمَّاتُكُمْ وَخَالاَتُكُمْ وَبَنَاتُ الأَخِ وَبَنَاتُ الأُخْتِ وَأُمَّهَاتُكُمُ اللاَّتِي أَرْضَعْنَكُمْ وَأَخَوَاتُكُم مِّنَ الرَّضَاعَةِ وَأُمَّهَاتُ نِسَآئِكُمْ وَرَبَائِبُكُمُ اللاَّتِي فِي حُجُورِكُم مِّن نِّسَآئِكُمُ اللاَّتِي دَخَلْتُم بِهِنَّ فَإِن لَّمْ تَكُونُواْ دَخَلْتُم بِهِنَّ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ وَحَلاَئِلُ أَبْنَائِكُمُ الَّذِينَ مِنْ أَصْلاَبِكُمْ وَأَن تَجْمَعُواْ بَيْنَ الأُخْتَيْنِ إَلاَّ مَا قَدْ سَلَفَ إِنَّ اللّهَ كَانَ غَفُورًا رَّحِيمًا
অর্থাৎ;-তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃ-কন্যা(ভাইঝি), ভগিনী-কন্যা(ভাগ্নি), তোমাদের সে মাতা, যারা তোমাদেরকে স্তন্য পান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা(শ্বাশুড়ী), তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা, যারা তোমাদের লালন পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই, তোমাদের ঔরষজাত পুত্রদের স্ত্রী, দুই বোনকে বিবাহে একত্রি করণ, কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকারী দয়ালু।
ভাই বোন নয় অথচ একই নারীর দুধ উভয়ে পান করে থাকলে তাকে দুধ বোন বলে। বিয়ের ক্ষেত্রে নিজের বোন ও দুধ বোন সমান। স্ত্রীর অন্য স্বামীর ঔরষজাত কন্যাকে রাবিবা বলে। সহবাসের আগেই যদি ঐ স্ত্রী বা রাবিবার মায়ের সাথে তালাক হয়ে গিয়ে থাকে তবে, রাবিবাকে বিয়ে করা হারাম নয়। স্ত্রী অবস্থায় এক বোন থাকতে অপর বোনকে বিয়ে করা হারাম। তবে একের মৃত্যু বা তালাক হয়ে গিয়ে থাকলে অন্য টিকে বিয়ে করা হারাম নয়। এ আয়াতের সাথে সঙ্গতি রেখে আরও দুটি দৈত সম্পর্ককে বিয়েতে একত্রীকরণ হারাম করেছেন; তা হল ফুফু ও ভাইঝি আর খালা ও বোনঝি।
২৪/وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاء إِلاَّ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ كِتَابَ اللّهِ عَلَيْكُمْ وَأُحِلَّ لَكُم مَّا وَرَاء ذَلِكُمْ أَن تَبْتَغُواْ بِأَمْوَالِكُم مُّحْصِنِينَ غَيْرَ مُسَافِحِينَ فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً وَلاَ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُم بِهِ مِن بَعْدِ الْفَرِيضَةِ إِنَّ اللّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا
অর্থাৎ;-তোমাদের স্বত্বাধীন যেসব দাসী রয়েছে তাদের ছাড়া সকল সধবা নারীকে তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে। এ হল আল্লাহর বিধান। এদের ছাড়া অন্য সকল নারীকে তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। এ শর্তে যে তোমরা তাদের অর্থের বিনিময়ে তলব করবে। ঘর-সংসার করার জন্য, আনন্দ-ফূর্তী করার জন্য নয়। বিয়ের মাধ্যমে তোমরা যে নারীদের সম্ভোগ করবে, তাদের নির্ধারিত মোহর দিয়ে দেবে। আর তোমাদের কোন গোনাহ হবেনা যদি মোহর নির্ধারণের পর কোন বিষয়ে পরষ্পর সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ হলেন সর্বোজ্ঞ হেকমত ওয়ালা।
الْمُحْصَنَاتُ শব্দটি এ আয়াতে অন্যের স্ত্রী যিনি স্বামীর আয়ত্বে আছেন, যাকে সধবা বলা হয়েছে। অন্যের বিবাহীত স্ত্রী বিয়ের পাত্রী হিসাবে হারাম। তবে মোহার্রামাতে আবাদী নয়, আরজি বলে। তৎকালীন সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে স্বত্বাধিকারী দাসীদের কথাটি এসেছে। পবিত্র কোরআন চলমান অবস্থা হতে সহনশীলতার মাধ্যমে ইসলামী শরিয়তকে বহাল করেছে। তাই একদা যা ছিল এখন যদি তা না থাকে, তাকে নতুন করে সৃষ্টি করতে কোথাও বলা হয়নি। অযথা তর্কেরও অবকাশ থাকেনা।
বিয়ে হতে হবে সংসার করার জন্য, অভিসার বা ফূর্তী করার জন্য নয়, তাই প্রকাশ্যেই হতে হবে। মোহর ও আদায় করতে হবে। আয়াতের শেষে বলা হয়েছে, মোহর নির্ধারণের পর স্বামী স্ত্রী উভয়ে সম্মত হয়ে যদি মোহরে কমবেশী বা পুনঃনির্ধারণ করে তাতে দোষের কিছু নেই।
২৫/وَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ مِنكُمْ طَوْلاً أَن يَنكِحَ الْمُحْصَنَاتِ الْمُؤْمِنَاتِ فَمِن مِّا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُم مِّن فَتَيَاتِكُمُ الْمُؤْمِنَاتِ وَاللّهُ أَعْلَمُ بِإِيمَانِكُمْ بَعْضُكُم مِّن بَعْضٍ فَانكِحُوهُنَّ بِإِذْنِ أَهْلِهِنَّ وَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ مُحْصَنَاتٍ غَيْرَ مُسَافِحَاتٍ وَلاَ مُتَّخِذَاتِ أَخْدَانٍ فَإِذَا أُحْصِنَّ فَإِنْ أَتَيْنَ بِفَاحِشَةٍ فَعَلَيْهِنَّ نِصْفُ مَا عَلَى الْمُحْصَنَاتِ مِنَ الْعَذَابِ ذَلِكَ لِمَنْ خَشِيَ الْعَنَتَ مِنْكُمْ وَأَن تَصْبِرُواْ خَيْرٌ لَّكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থাৎ;-তোমাদের মধ্যে যাদের পুরো সংগতি নেই যা দিয়ে সম্ভ্রান্ত মুমিন মেয়েদের বিয়ে করতে পারে, তারা নিজেদের মুমিন বাঁদীদের মধ্যে কাউকে বিয়ে করবে। আল্লাহ তোমাদের ইমান সম্পর্কে ভাল ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন। তোমরা পরষ্পর অভিন্ন, সুতরাং তাদেরকে তাদের মালিকের অনুমতি ক্রমে বিয়ে কর এবং নিয়মানুযায়ী তাদের মোহর প্রদান কর। যেন স্ত্রী হিসেবে বসবাসকারিনী হয়, প্রকাশ্য অনাচারিনী কিংবা গোপন অভিসারিনী না হয়। বিয়ের বেষ্টনিতে আসার পর যদি তারা ব্যভিচার করে, তবে তাদের শাস্তি হবে সম্ভ্রান্ত নারীদের অর্ধেক। এব্যবস্থা তাদের জন্য যারা ব্যভিচারে জড়িয়ে পড়ার আশংকা করে। আর যদি সবর কর তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
এ আয়াতে মুহসানাত শব্দটি সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়েদের বলা হয়েছে। সম্ভ্রান্ত মেয়েদের বিয়ে করার যোগ্যতা বলতে এখানে মোহরের স্বল্পতাকেই বোঝানো হয়েছে। যথেষ্ট সামর্থ নেই আবার ব্যভিচার বা অসামাজিক কাজে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট আছে, এমত অবস্থায় যাকে মুমিন বলে সবাইজানে এমন দাসীকে তার মালিকের অনুমতি ক্রমে বিয়ে করতে বলা হয়েছে। তবে সামর্থ অর্জন করা পর্যন্ত ধৈর্যধারণকেই উত্তম বলা হয়েছে। দাসীকে বিয়ে সাময়ীক মৌজ করার জন্য না হয়ে সংসার করার জন্যই যেমন হতেহবে তেমনই দাসীও অনাচারিনী বা গোপন অভিসারিনী হতে পারবেনা। যদি এমন কোন অপরাধ করেই বসে তবে তার শাস্তি সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়েদের শাস্তির অর্ধেক ধার্য হবে। যদিও এখনও শরিয়তের শাস্তি চুড়ান্ত বিধান আসেনি, তাই সমসাময়ীক শাস্তিই বর্তাবে।

rafiz
জুলাই ১৬, ২০১২ at ৩:২২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
amer cacato bon ka amer ma coto thakta nijer boker dodh khaia cilo….ar mana sa amer dodh bon…amer dodh bon er baro aro akti bon aca.sai hisaba ai bon o ki amer dodh bon hoba…?aka ki ami bia korta parbo?pls atto taratari janaban….
Anonymous
জুলাই ৩০, ২০১৮ at ৬:১৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হাই হাই এই টা বলো ধুধ বোন তাহলে নিশ্চিত কারন তুমার দুধ খেয়েছে হাজার হলেই তুমার মার দুধ খেয়েছে তাই অবসশই সে তুমার দুধ বোন ই হবে তাই তাকে বিয়ে করা তুমার জন্য হারাম বলে গন্য হবে।
মাসুদ
মে ২৪, ২০১৪ at ১২:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি আমার নানির দুধ খেয়েছি।সেক্ষেত্রে আমি কি আমার খালাতো বোন বিয়ে করতে পারব? দয়া করে জানাবেন। এটা জানা আমার খুব প্রয়োজন।
sotto
মে ২৫, ২০১৪ at ১:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@মাসুদ
//আমি আমার নানির দুধ খেয়েছি। সেক্ষেত্রে আমি কি আমার খালাতো বোন বিয়ে করতে পারব? দয়া করে জানাবেন। এটা জানা আমার খুব প্রয়োজন।//
ভাই, আমি নিজেকে সব জান্তা কিংবা পারফেক্ট মানুষ বলে মনে করি না।। তবে সর্বজ্ঞ মহান স্রষ্টার নামে তাঁর পবিত্র কিতাব অনুধাবন ও পালন করার পাশাপাশি সত্যান্বেষণ করার জন্য সচেষ্ট থাকি। আমি যতটা জ্ঞান রাখি সেই অনুসারে আপনার প্রশ্নের জবাব দেয়ার চেষ্টা করছি। তবে আমার জবাবে আপনার মনে যদি কোন সন্দেহ থাকে তাহলে আবারও আলোচনা করার আশা রাখি। তারপরও অন্য কোন জ্ঞানী ব্যক্তির পরামর্শও আপনি গ্রহণ করতে পারেন। তবে সর্বোপরি নিজের বুদ্ধি ও বিবেককে সব সময় শাণিত ও খোলা রাখার চেষ্টা করবেন।
এবার আসল প্রসঙ্গে আসা যাক। আসুন, মহান আল্লাতায়ালা প্রেরিত গ্রন্থ আল-কোরআনে কি বলা হয়েছে তা অনুধাবন করার চেষ্টা করি-
(৪:২২) অর্থ- যে নারীকে তোমাদের পিতা-পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা তাদের বিবাহ করোনা। কিন্তু যা বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।
(৪:২৩) অর্থ- তোমাদের (বিবাহের) জন্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তোমাদের মা, তোমাদের মেয়ে, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভাইয়ের মেয়ে; বোনের মেয়ে, তোমাদের সেই মায়েরা যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সেই স্ত্রীদের কন্যা- যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকারী, দয়ালু।
……………………..
(০৪:২২) নং আয়াতটি শুরু হয়েছে বিবাহ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে। আর এই আয়ত ও এর পরের (০৪:২৩) নং আয়তটিতে কাদেরকে বিবাহের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে।
স্বাভাবিকভাবে খালাতো বোন বিয়ে করায় কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু আপনার সমস্যাটা একটু ভিন্ন। নানীর দুধ পান করায় তিনি একদিকে আপনার নানী, অপরদিকে আবার দুধ-মাতা। আল্লাহতায়ালা স্পষ্টভাবে কারো মেয়ে ও বোন এর সাথে সাথে ভাইয়ের মেয়ে; বোনের মেয়েকেও বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ আপন ভাই যেমন বোনকে বিয়ে করতে পারবেনা, তেমনি আপন ভাই ও বোনের কন্যাকেও বিয়ে করা নিষেধ। কিন্তু দুধ-মাতা (তোমাদের সেই মায়েরা যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে) ও দুধ-বোনকে বিয়ে করতে নিষেধ করা হলেও দুধ-বোনের কন্যাকে কিন্তু বিয়ে করতে নিষেধ করা হয় নাই। কাজেই আপনার খালা আপনার দুধ বোন হলেও তার কন্যা কিন্তু আপনার আপন বোনের কন্যা নয়। আর যেহেতু দুধ-বোনের কন্যাকে বিয়ে করায় কোন নিষেধাজ্ঞা নেই, তাই আপনার ক্ষেত্রেও খালাতো বোনকে বিয়ে করায় কোন বাধা থাকার কথা নয়।
মহান আল্লাহতায়ালাই সর্বজ্ঞ ও প্রকৃত জ্ঞান রাখেন। তিনি যতটুকু আমাদেরকে জানাতে ও বোঝাতে চান ততটুকুই আমরা জানতে ও বুঝতে পারি।
ধন্যবাদ-
ফাতমী
মে ২৬, ২০১৪ at ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@Sotto ও মাসুদ সাহেব,
নানির দুধ পান করললে নানি দুধ মাতা হয়ে যান, সেটা আপনি কিভাবে সিদ্ধান্ত নিলেন?
নানি নাতির সম্পর্ক নষ্ট হয় না, কারণ দুধ পানের কারণে আত্মিয়তার থেকে রক্ত সম্পর্কের আত্মীয় শক্তিশালি, এবং তার খালা, মামা, দুধ ভাই-বোন নয়, মামা-খালাই। মা কখনই বোন হতে পারে না, অতএব, নানি কখনই মাতা হতে পারেন না।
-তারমানে মাসুদ সাহেবের খালাতো বোন খালাতো বোনই থেকে যায়। দুধ বোনের মেয়ে হয়ে যায় না। এবং খালাতো বোন বিবাহ করা জায়েজ।
তবুও, আমি মাসুদ সাহেবকে অনুরোধ করব, কোন মুফতির সাথে দেখা করার। কারণ আমার ফতোয়া দিবার অধিকার নেই। ইমাম এবং মুফতির সাথে দেখা করে ভাল করে জেনে নিন। আমার কথার উপর কোন কাজ করবেন না।
আমি অপেক্ষা করতেছিলাম, যদি সাদাত ভাই অথবা আব্দুস সামাদ ভাই অথবা কোন মুফতী উত্তর করতেন।
sotto
মে ২৬, ২০১৪ at ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফাতমী
যদিও আপনার ও আমার ফাইনাল সিদ্ধান্ত একই। তারপরও কথার পরিপ্রেক্ষিতে কথা বলতে হচ্ছে।
আপনি প্রশ্ন ও মন্তব্য করেছেন- //নানির দুধ পান করললে নানি দুধ মাতা হয়ে যান, সেটা আপনি কিভাবে সিদ্ধান্ত নিলেন?//
//নানি নাতির সম্পর্ক নষ্ট হয় না,//
এখন আমি যদি প্রশ্ন করি- নানীর দুধ পান করলে নানীকে দুধ মাতা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া যাবেই না, সেই সিদ্ধান্ত আপনিই বা কিভাবে নিলেন?
আমি কি নানী-নাতির সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার কথা বলেছি নাকি!!!??
আপনার ও আমার সিদ্ধান্তের মাঝে তফাৎটা হলো-
দুধ পান করানোর পরও আপনি নানীকে শুধু নানীর স্বীকৃতি দিতে চান। আর আমি সেই নানীকে নানী হিসেবে ও সেই সাথে দুধ-মাতার স্বীকৃতিও দিতে চেয়েছি। কারণ কারও সামান্যতম উপকারও স্বীকার করাই উত্তম আদর্শ বলে আমি বিশ্বাস করি। আর যেখানে দুধ পান করানোর প্রশ্ন, সেখানে তা এড়িয়ে যাওয়া উচিত মনে হয়নি। এখানে রক্ত সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার কোন প্রশ্নই আসেনা।
আপন মা-বাবার ঔরশজাত হওয়ায় এবং আপন মায়ের দুধ পান করায় তিনি শুধু দুধ পান করানোর মা নন, বরং গর্ভধারিণী মা + দুধ-মাও বটে। আর যদি কোন কারণে একফোঁটাও দুধ পান না করান, তাহলেও তিনি গর্ভধারিণী মা এবং সেটাই তাঁর বড় পরিচয়।
কিন্তু মায়ের মা হওয়ার কারণে নানী তো নানীই থাকেন। তিনি কখনই গর্ভধারিণী মা হবেন না। তবে রক্ত সম্পর্কের কারণে তার কোন সন্তানকে তার আপান অন্য সন্তানেরা তো পারবেই না, সেই সাথে সন্তানের সন্তানও বিয়ে করতে পারবে না। তবে দুধ পান করানোর কারণে তিনি নানী + দুধ-মাও হবেন। আর যদি দুধ পান না করান, তাহলে তো তিনি শুধুই নানীই থাকবেন। যে নানী দুধ পান করাবেন তাকে নানীর পাশাপাশি দুধ-মা হিসেবে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। কারণ মহান আল্লাহতায়ালা তাঁর কিতাবে আমাদেরকে সে ভাষাতেই শিক্ষা দিয়েছেন (এবং সেই মায়েরা যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে)। এখানে ধনী-গরীব, কালো-সাদা, চাচী, খালা, ফুফু, দাদী, নানী, পাড়া-প্রতিবশিী ইত্যাদি যে পরিচয়ই থাক না কেন, যিনি দুধ পান করাবেন তাকে দুধ-মাতা হিসেবে এক্সট্রা স্বীকৃতি ও মর্যাদা দিতেই হবে। কারণ যিনি দুধ পান করাবেন তাঁর সেই দুধের মূল্যায়ন কোন কিছুতেই করা সম্ভব নয়। তাই মাসুদের নানী দুধ পান করানোর কারণে তাঁকে নানীর পাশাপাশি দুধ-মা হিসেবেও স্বীকৃতি দেয়াই উত্তম।
আপনার বা আমার নানী যদি আমাদের দুধ পান না করিয়ে থাকেন- তাহলে তাঁরা শুধুই আমাদের নানী এবং সেটাই তার বড় পরিচয়। মায়ের মা হওয়ার করণে তার মর্যাদা কোন অংশেই কম নয়। তারা আমাদের মায়ের দুধ-মা হলেও কখনই আমোদের দুধ-মা হতে পারবেন না। কারণ কোরআনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, যারা তোমদের দুধ পান করাবেন অর্থাৎ তিনি যিনিই হন না কেন তিনি দুধ-মাতা। আর তার কন্যারা, তাদের অন্য যে পরিচয়ই থাক না কেন, তারা সেই পরিচয়ের পাশাপাশি দুধ-বোনও বটে। আমি সেই পরিচয়েরই স্বীকৃতি দিয়েছি। এরপর সিদ্ধান্ত জানিয়েছি।
মহান আল্লাহতায়ালাই সর্বজ্ঞ ও তিনিই প্রকৃত জ্ঞান রাখেন।
ধন্যবাদ-
sotto
মে ২৭, ২০১৪ at ১:১৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যাকে বিয়ে করা হারাম, তার সাথে সঙ্গম করা নিশ্চয় দোষের? আর সেই যৌন সঙ্গম যদি কোন মুনিব তার যুদ্ধবন্দী হিসেবে প্রাপ্ত অমুসলিম নারীটির সাথে সম্মতি ছাড়াই করে- তখন তাকে কি বলা হবে? তার শাস্তি কি হবে?
এখানে দেখুন- http://www.somewhereinblog.net/blog/sotto63/29953347
Towkir Ahmed
জুলাই ২৯, ২০১৪ at ৩:১২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার খালাতো বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো??
আমি যাকে বিয়ে করতে চাই সে আমার আম্মুর বড় বোনের মেয়ের মেয়ে।। মানে ও আমার ভাগ্নি হয়।। দয়া করে জানাবেন প্লিজ।।
sotto
আগস্ট ১, ২০১৪ at ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার খালাতো বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো??
জী ভাই, আপনি আপনার খালাত বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবেন। যদি আপনার খালাত বোনের বাবা এবং আপনার বাবা একই ব্যক্তি না হয়ে থাকেন। কারণ আল-কোরআনে বাবা/ মা এর দিক থেকে আপন ভাই/ বোনের মেয়েকে অর্থাৎ আপন ভাতিজি/ ভাগনীকে বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে।
আল-কোরআন-
(৪:২২) অর্থ- যে নারীকে তোমাদের পিতা-পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা তাদের বিবাহ করোনা। কিন্তু যা বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।
(৪:২৩) অর্থ- তোমাদের (বিবাহের) জন্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তোমাদের মা, তোমাদের মেয়ে, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভাইয়ের মেয়ে; বোনের মেয়ে, তোমাদের সেই মায়েরা যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সেই স্ত্রীদের কন্যা- যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকারী, দয়ালু।
আশ্রাফ
জুলাই ২৯, ২০১৪ at ২:৫৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার খালার মেয়ের বাবা ও আমার বাবা একই, আমার খালাতো বো নকে আমি বিয়ে করতে পারব কিনা
Towkir Ahmed
জুলাই ৩১, ২০১৪ at ৯:০১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জনাব আপনি বলেছেন যে “আমার খালার মেয়ের বাবা ও আমার বাবা একই।। ” আমি যদি আমার খালাতো বোনকে বিয়ে করতে পারি তাহলে খালাতো বোনের মেয়েকে কেনো না?? আমি মানি সে আমার ভাগ্নি হবে কিন্তু আমাদের তো রক্তের দিক দিয়ে কোন সম্পর্ক নেই।। যদি আমার কোন বড় বোন থাকতো আর তার কোন মেয়ে থাকতো সেই সময় আমাদের রক্তের সম্পর্ক থাকতো।। তখন আমাদের সম্পর্ক হারাম হতো।। আমি এই ব্যপারে হুজুরের সাথে কথা বলেছি ওনারা বলেছে এই বিয়েতে কোন সমস্যা নেই।। এই বিয়ে হালাল।। তাছাড়া আমি এই প্রশ্নটা Google ও করেছি ওরাও বলেছে এই সম্পর্ক হালাল এবং বিয়ে করা যাবে।।
In Islam is is forbidden to marry a niece. Your niece would be the daughter of your brother or sister. However, your cousin’s daughter is not truly your niece. She is not a mahrem to you, and not one of the prohibited categories mentioned for marriage in the Quran.
As you pointed out, Ali and Fatima (may Allah be pleased with them) had the same relationship, and were married.
Sheih Muhammad Salih Al-Munajjid said:
“The daughters of your paternal uncles and aunts are permissible for you to marry, and so are their daughters, no matter how far the line of descent extends. And the daughters of your maternal uncles and aunts are also permissible for you to marry, and so are their daughters. Perhaps you are confused because it is customary for such girls to call you uncle, but this is just a custom, and it does not mean that it is haraam to marry them.”
আরো জানার জন্যে এখানে যেতে পারেন http://www.zawaj.com/askbilqis/can-i-marry-my-cousins-daughter/
sotto
আগস্ট ১, ২০১৪ at ১২:০৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার প্রশ্ন-
//আমার খালার মেয়ের বাবা ও আমার বাবা একই, আমার খালাতো বো নকে আমি বিয়ে করতে পারব কিনা?//
খালাত বোনের মেয়েকে বিয়ে করা যায়। কিন্তু আপনার ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। কারণ আপনার খালার মেয়ে এবং আপনার বাবা একই। একই বাবার সন্তান হওয়ায় আপনারা রক্তের নিকট সম্পর্কের ভাই-বোন হিসেবে গন্য হবেন। আল-কোরআন অনুসারে এরুপ নিকট সম্পর্কের ভাই-বোনের মধ্যে বিয়ে হারাম। তাই আপনার খালার মেয়ে আপনার খালাত বোন হওয়া সত্বেও, একই সাথে আপনার বাবার মেয়ে হওয়ায় তাকে আপনি বিয়ে করতে পারবেন না।
আল-কোরআন-
(৪:২২) অর্থ- যে নারীকে তোমাদের পিতা-পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা তাদের বিবাহ করোনা। কিন্তু যা বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।
(৪:২৩) অর্থ- তোমাদের (বিবাহের) জন্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তোমাদের মা, তোমাদের মেয়ে, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভাইয়ের মেয়ে; বোনের মেয়ে, তোমাদের সেই মায়েরা যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সেই স্ত্রীদের কন্যা- যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকারী, দয়ালু।
হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন রাসূল (সাঃ) এর চাচাত ভাই। আপন ভাই হলে ফাতিমা (রাঃ) কে বিয়ে করা তার জন্য হারাম হত। কারণ আল-কোরআন অনুসারে আপন ভাই অথবা বোনের মেয়েকে বিয়ে করা হারাম।
ফাতমী
আগস্ট ৩, ২০১৪ at ৩:০২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-বিয়ে সংক্রান্ত এত গুরুত্বপূর্ন বিষয় ব্লগের আলোচনায় সিদ্ধান্ত না নিয়ে সরাসরি আলেমের সাহিত আলোচনা করুন। জানার জন্য আলোচনা করলে আলাদা কথা। আবারো কেউ জবাব দিচ্ছে না বলে আমি জবাব দিচ্ছি।
--"আমার খালার মেয়ের বাবা ও আমার বাবা একই, আমার খালাতো বো নকে আমি বিয়ে করতে পারব কিনা"-আশ্রাফ
উত্তরঃ কোন অবস্থাতেই আপনি তাকে বিবাহ করতে পারবেন না। ইসলাম অনুসারে সে আপনার খালাতো বোন নয় বরং আপনার আপন-বোন, যেটাকে বাংলায় সত-বোন বলা হয় । এবং তাকে বিবাহ করলে, বিবাহ হারাম হবেই, সাথে ভয়ংকর গোনাহগার হবেন। এবং এটা জানার জন্য আলীম হওয়া লাগে না।
Towkir Ahmed
আগস্ট ১, ২০১৪ at ৬:০০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই আপনার কথাও ভুল হচ্ছে।। আমার প্রশ্ন ছিল আমি আমার খালাতো বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো কিনা?
sotto
আগস্ট ২, ২০১৪ at ৭:০০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
না ভাই. আমার কথা না, বরং আপনারই বুঝতে ভুল হচ্ছে। উত্তরটা আরেকবার দেখে তারপর আমার কি ভুল হচ্ছে তা খুলে বলুন।
আপনার বোঝার সুবিধার্থে আবারও সহজ কোরে বলছি-
আপনার খালাত বোনের মেয়ে আপনার নিকট রক্ত সম্পর্কের অর্থাৎ আপন ভাগনী নয়। তাই খালার মেয়েকে অর্থাৎ খালাত বোনকে যেমন বিয়ে করা যায়, তেমনি খালার মেয়ের মেয়ে অর্থাৎ খালাত ভাগনীকেও বিয়ে করায় কোন বাঁধা নেই, যদি ঘটনাচক্রে খালাত বোনের বাবা ও আপনার বাবা একই ব্যক্তি না হয়ে থাকেন।
মাহফুজ
আগস্ট ৩, ২০১৪ at ১২:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
//আমার প্রশ্ন ছিল- আমি আমার খালাতো বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো কিনা?//
মায়ের বড় বোন হোক বা ছোট বোন হোক, তার মেয়ে অর্থাৎ খালাত বোনকে বিয়ে করা যেমন জায়েজ, তেমনি সেই খালাত বোনের মেয়েকে অর্থাৎ সেই খালাত ভাগনীকে বিয়ে করাও জায়েজ। শুধুমাত্র আপন রক্ত সম্পর্কের ভাগনী বা ভাতিজিকে বিয়ে করা হারাম।
Shamim
সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৪ at ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ছোটকাল থেকে আমরা ২জন ১সাথে বড় হয়েছি। ও আমার চাচার চাচাশশুরের মেয়ে। সেই সুবাদে ও আমার দুর সম্পর্কের ভাগনী। আমি ও কে বিয়ে করতে চাই। প্রশ্ন হল- ও কে বিয়ে করা কি জায়েয?
ঊত্তর দিলে বীষেষ উপকৃত হব।
মাহফুজ
সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৪ at ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@Shamim:
আপনার উল্লেখিত দূর সম্পর্কের ভাগনী/ ভাতিজিকে বিয়ে করা দোষনীয় নয়, বরং জায়েজ।
শুধুমাত্র আপন রক্ত সম্পর্কের ভাগনী বা ভাতিজিকে বিয়ে করা হারাম-
আল-কোরআন (৪:২৩) অর্থ- তোমাদের (বিবাহের) জন্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তোমাদের মা, তোমাদের মেয়ে, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভাইয়ের মেয়ে; বোনের মেয়ে, তোমাদের সেই মায়েরা যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সেই স্ত্রীদের কন্যা- যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকারী, দয়ালু।
ধন্যবাদ-
swapon
অক্টোবর ১৪, ২০১৪ at ৪:৫৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার আপন বোনের ননদের মেয়ে সর্ম্পকে আমার ভাগনি আমি তাকে বিয়ে করতে পারব কি না, জানতে চাই।
somon ahmed
জানুয়ারি ১, ২০১৫ at ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
চাচি কে বিয়ে করা জাবে কি না আমারে জাবেন
জুলাই ৩০, ২০১৮ at ৬:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
na jabe na
shohag
মার্চ ২৩, ২০১৫ at ১:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপন মামির বোনের সাথে বিয়ে জায়েজ কি না। দয়া করে জানাবেন।
Imran
এপ্রিল ৩, ২০১৫ at ৭:০৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি আমার আপন চাচাত বোনকে কি না ? এটা আমার জানা খুবই দরকার । দয়া করে দ্রুত জানাবেন ।
Ahasun
এপ্রিল ৩, ২০১৫ at ২:০৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপন চাচাত বোনকে বিয়ে জায়েজ কি না, দয়া করে জানাবেন।
shakil
মে ৩০, ২০১৫ at ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Accah ami ki amr mayer apon kala2 bonke bie korte parbo??
faiaz
জুলাই ২৭, ২০১৫ at ৮:৩৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ফুফাতো ভাই এর মেয়েকে বিয়ে করা কি হারাম?? প্লিজ জানাবেন।
ফাইয়াজ
জুলাই ২৭, ২০১৫ at ৯:৫৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার ফুফুর ছেলের মেয়েকে কি বিয়ে করা ইসলাম এর দৃষ্টিতে জায়েজ?? প্লিজ জানাবেন
mahmud
আগস্ট ৭, ২০১৫ at ১২:৪৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দুধ বোন আপন বোনের মত। দুধ বোন কে এবং তার মেয়েকে এভাবে যত নিচে যাবে তাদের কোন একজন কে বিয়ে করা হারাম!!
সাইফুল্লাহ
আগস্ট ১১, ২০১৫ at ৭:৪৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার সৎ মায়ের আপন বোন কে বিয়ে করতে পারব?
দয়া করে জানাবেন।
মোঃ রফিকুল ইসলাম।
আগস্ট ২১, ২০১৫ at ৯:৫২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সত বোনের মেয়ের ঘরের নাতনীকে বিবাহ করা যাবে কিনা?
Pain
সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৫ at ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
চাচাত বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে পারব?
নাইম
সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৫ at ৪:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই আমি আমার চাচি কে খুব ভাল বাসি সে ও আমাক খুব ভাল বাসে।আমরা প্রেম করসি ৬ বচর ধরে।কিন্তু সে আমার আপন চাচি না।সে আমার বাবার মামাতো ভাই এর বউ।সে জদি তার সামি ক ডিভরস দেয় তাহলে কি আমি তাকে বিয়ে করতে পারব?
তানভীর
নভেম্বর ১৮, ২০১৫ at ৫:০২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার মাএর খালাত বোন কে বিয়ে করতে পারব? ইসলামের দৃষ্টিতে তো নিজের খালার কথা বলা হয়েছে সেই হিসাবে আমার মায়ের সাথে তো আমার মায়ের খালাতোবোনের রক্তের সম্পক নেই। তাও এটা কি সম্ভব? তাড়াতাড়ি জানালে অনেক উপকার হতো ভাই
Firoj Alahi
ডিসেম্বর ১, ২০১৫ at ৭:০৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার ফুফাতো বোন এর মেয়ে কে কি আমি বিয়ে করতে পারবো।দয়া করে জানাবেন।
মুনিম সিদ্দিকী
ডিসেম্বর ২, ২০১৫ at ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইসলামী শরিয়াহ’র নিয়ম অনুযায়ী করা যায়।
fahim
ডিসেম্বর ৫, ২০১৫ at ১০:৪১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই,আমার দাদার ভাই এর ছেলের, মেয়ের ঘরের,,, মেয়ে অথাৎ আমার ভাগিণি কে কি আমি বিয়ে করতে পারব?? প্লিজ ভাই আমাকে জানাবেন ।।
মুনিম সিদ্দিকী
ডিসেম্বর ৬, ২০১৫ at ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার দাদার ভাই হচ্ছেন আপনার দাদা তার ছেলে হচ্ছেন আপনার চাচা, চাচার মেয়ে হচ্ছে আপনার চাচাত বোন , চাচাতো ভাই বোনদের মধ্যে বিয়ে যেমন জায়েজ আছে তেমন চাচাতো বোনে মেয়েকে বিয়ে করা জায়েজ আছে। ধন্যবাদ।
Imran
ডিসেম্বর ৯, ২০১৫ at ৩:৫৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আসসালামু আলাইকুম
ভাই আমি খুব আশা নিয়ে আপনার কাছে প্রশ্ন করিতেছি। ইসলামে আপন চাচির বোনকে বিবাহ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে কি না???
মুনিম সিদ্দিকী
ডিসেম্বর ৯, ২০১৫ at ৪:০০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
চাচির বোনকে বিয়ে করা যায়।
Imran
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৫ at ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার খালাত বোন সম্পর্কে আমার দুধ বন…।।আমি কি তাকে বিবাহ করতে পারব?
মুনিম সিদ্দিকী
ডিসেম্বর ৩১, ২০১৫ at ৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
না। দুধ বোন বিয়ে করা যাবেনা।
Shakib
জানুয়ারি ২২, ২০১৬ at ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার মামা ত বোনকে বিয়া করতে পারব???
এম_আহমদ
জানুয়ারি ২২, ২০১৬ at ৫:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই আব্দুস সামাদ -আপনি মেহেরবাণী করে একটি কাজ করেন। আপনার এই ব্লগ থেকে, এক বা একাধিক ব্যক্তির, একই কায়দায় চলে আসা বিয়ে-প্রাসঙ্গিক যত প্রশ্ন এসেছে -সবগুলো মুছে দেন। এখানে মনে হয় মজাক কুড়াচ্ছ হচ্ছে। সবগুলো মুছে দিয়ে মন্তব্যের সেকশনটাও বন্ধ করে দেন -এটাই ভাল।
ইশাত
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৬ at ২:১৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার স্বামির সাথে আমার ফোনে কাবিন হয়েছে। তার সাথে আমার কোনো শারীরিক সম্পর্ক হয়নি। তাকে অামি তালাক দিয়েছি। এখন তার ছোট ভাইকে আমি বিয়ে করতে পারবো কি?
চমকপ্রদ
নভেম্বর ৩, ২০১৭ at ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাহ! ভালোই সিরিয়াল ধরেছেন। এরপর আবার তার ছোটটাকে ধরবেন না তো?
মোঃআনোয়ার আহমেদ
মার্চ ৬, ২০১৬ at ৮:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার খালাতো ভাইয়ের মেয়ে কে
বিবাহ করতে পারি?
yasin arafat
মার্চ ১২, ২০১৬ at ১০:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিনা করা মেয়েকে কি বিয়ে করা যাবে?
চমকপ্রদ
নভেম্বর ৩, ২০১৭ at ৫:০৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যদি তওবা করে সংশোধন হয়ে থাকে, তাহলে যাবে। তবে একথাও মনে রাখা দরকার, কুত্তার লেজ সাধারণত সোজা হয় না। সূরা নূরে বর্ণিত বিধান হলো, "পবিত্র নারীকূল পবিত্র পুরুষকূলের জন্য, আর অপবিত্র নারীকূল অপবিত্র পুরুষকুলের জন্য।"
অবশ্য তাকে বিয়ে না করলে যদি নিজেই জেনায় লিপ্ত হয়ে পড়ার প্রবল আশংকা থাকে, তাহলে হয়তো যেতে পারে, তবে পরিণতি জানা নেই।
মাহফুজ
মার্চ ১৩, ২০১৬ at ৪:০১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@yasin arafat:
আল-কোরআন- ৪ নং সূরা আন নিসা ১৬: অর্থ- তোমাদের মধ্য থেকে যে দুইজন সেই অশ্লীল পাপাচারে লিপ্ত হয়, তাদের উভয়কে শাস্তি প্রদান কর। অতঃপর যদি উভয়ে তওবা করে এবং নিজেদের সংশোধন করে, তবে তাদের থেকে হাত গুটিয়ে নাও। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, দয়ালু। ১৭: অর্থ- অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন যারা ভূল বশত মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে; এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ তায়ালাই হচ্ছেন সর্ববিষয়ে জ্ঞানী ও কুশলী। ২৪ নং সূরা আন-নূর ০৩: অর্থ- ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা (অংশী-বাদি) নারী ছাড়া অন্য কোন ভাল নারীকে বিয়ে করবে না এবং ব্যভিচারিণী নারী কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষ ছাড়া অন্য কোন ভাল পুরুষকে বিয়ে করবে না, এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে। ২৬: অর্থ- দুশ্চরিত্রা নারীকুল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে, তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে বেড়ায় তার সাথে তারা সম্পর্কহীন, তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা। …………………………….
মুসলিমদের জীবন বিধান হলো আল-কোরআন। সুতরাং আল্লাহর কিতাবের (২৪:০৩) ও (২৪:২৬) নং আয়াত লক্ষ্য করলে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, যারা ব্যভিচারী/ ব্যভিচারিণী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে গেছে তাদেরকে বিয়ে করা মুসলিম/ বিশ্বাসী পুরুষ ও নারীর জন্য হারাম করা হয়েছে। কারণ ব্যভিচারী/ ব্যভিচারিণীদের চাওয়া পাওয়া ও আচরণের সাথে মুমিনরা কখনই খাপ খাওয়াতে পারবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা তওবা করে ও পূর্বের স্বভাব ছেড়ে দিয়ে কথায় ও কাজে সত্যিকার মুমিন হতে পারবে। যেহেতু (০৪:১৬) নং আয়াতে তওবা করার অপশন রাখা হয়েছে, সুতরাং শাস্তি ভোগের ও তওবা করার পর ব্যভিচারী/ ব্যভিচারিণীদেরও বিয়ে করে বেঁচে থাকার সুযোগ রয়েছে।
অনিচ্ছুক
মে ২৬, ২০১৬ at ১২:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার সৎ মায়ের আগের স্বামীর ঘরের মেয়ে কে বিয়ে করতে পারবো?
ভাই, বিষয় টা সত্যিই জানা দরকার। অনুগ্রহ করে জানাবেন। শুকরিয়া।
চমকপ্রদ
নভেম্বর ৩, ২০১৭ at ৫:০২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তার মানে সৎ বোন? এটা তো হারাম।
Painol.wapka.mobi
জুন ২৩, ২০১৬ at ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপন চাচাতো ভাইয়ের মেয়েকে বিয়ে করা জায়েজ কি?
হাবিবুর রহমান
জুন ২৪, ২০১৬ at ৩:২৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমরা এতদিন জেনে আসছি যে,চৌদ্দজনকে বিয়ে করা হারাম ৷ কিন্তু সূরা নিসার ২৩ নম্বর আয়াত পড়ে জানতে পারলাম ১৩ জন ৷ আমি নিচে তালিকা দিলাম; কেউ যদি জানেন দয়া করে এই রহস্যভেদ করুন ৷
০১ ৷ মা
০২ ৷ মেয়ে
০৩ ৷ বোন
০৪ ৷ ফুফু
০৫ ৷ খালা
০৬ ৷ ভাইঝি
০৭ ৷ বোনঝি
০৮ ৷ দুধমা
০৯ ৷ দুধবোন
১০ ৷ শ্বাশুড়ি
১১ ৷ সহবাস করা স্ত্রীর ভিন্ন স্বামীর ঔরসজাত মেয়ে
১২ ৷ ঔরসজাত পুত্রবধু
১৩ ৷ দুইবোন একসাথে বিবাহ
Anonymous
অক্টোবর ২২, ২০১৭ at ৩:২৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
নাতনী?
Md Mithu
জুলাই ১, ২০১৬ at ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তুহিন
জুলাই ৪, ২০১৬ at ৮:০৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Saif mahmud
জুলাই ৩০, ২০১৬ at ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আসসালামআলাইকুম,
ভাই, আমি আমার আপন চাচির ছোট বোন তথা চাচার শালিকে বিয়ে করে ফেলেছি ৷ কিন্তু গোপন আছে ৷ সবাই জানে বিয়ে করতে চায়, বিয়ে হয়নি ৷ বিষয়টি বাবা, মা, চাচা চাচী কেউ মেনে নিচ্ছে না ৷ বরং আমার চাচা হুমকি দিচ্ছে যদি আমি তাকে বিয়ে করি তো অবশ্যই উনি তার স্ত্রী তথা আমার চাচিকে তাশাক দিবেন ৷ এম পরিস্থিতিতে কি সমাধা হতে পারে? আমি আমার স্ত্রীকে হারাতে চাই না ৷ আর অন্যের সংসার ভাঙ্গতে চাই না ৷ amake sothik ekta poth dekhan plz.
আরিফ
অক্টোবর ৪, ২০১৬ at ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি একজন মানবাধিকার কর্মী। আমার জানার বিষয় স্ত্রী থাকা অবস্থায় শালীর সাথে যৌন মিলন করলে স্ত্রী তালাক হয় কি না?
Ivan
জুলাই ৬, ২০১৮ at ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জ্বী না স্ত্রী তালাক হয় না। তবে যেহেতু যিনা এবং নিষিদ্ধ অবৈধ সম্পর্ক তাই তওবা করা দরকার।
আফরোজ
অক্টোবর ২৪, ২০১৬ at ৫:২৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি জানতে চাই,দূর সম্পকের খালা এবং ঐ খালার উকিল বাবা হলে, তাকে কি বিয়ে করা যায়, ঐ খালার divorce পর….
Md Raju
নভেম্বর ৭, ২০১৬ at ১০:১৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
চাচাতো খালা কে বিয়ে করা জাবে কিনা। বা এমনে খালা লাগে। তাকে বিয়ে করা যাবে কি না।
সিফাত
নভেম্বর ১১, ২০১৬ at ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার নিজের ফুফুতো বোন এর মেয়ে কে বিয়ে করতেপারবো???
জানইমরান
ডিসেম্বর ৭, ২০১৬ at ১:১১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার প্রশ্ন হলো, আমার বাবার খালাতো ভাই, তার মেয়ে আমার বোন,সেই বোনের মেয়ে আমার ভাগ্নী,,,,,, আমি কি তাকে বিয়ে করতে পারব কি না, আসা করি উত্তরটা তারাতারি জানাবেন
আরিফ
ডিসেম্বর ১০, ২০১৬ at ১:৪৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার দাদার ১ম সংসারে নাতনীর ছেলের মেয়ে ও আমি দাদার ২য় সংসারের নাতী তাহলে দাদার ১ম সংসারের নাতনীর ছেলের মেয়ের সাথে আমার বিয়ে কি জায়েজ
Tamim
ডিসেম্বর ২৮, ২০১৬ at ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আসসালামুয়ালাইকুম ভাই,
আমি কী আমার ফুফুর মেয়ের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো? Ektu janaben দয়া করে…
Md.Musa
ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬ at ৭:০৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Salam niben
Amar babar apon booner jamai er ditio bou er meyer meye ke ki ami bia korte parbo?
fahim
ডিসেম্বর ৩১, ২০১৬ at ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি আমার আম্মু ( মামাতো বোন) মামার মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো কি?
চমকপ্রদ
নভেম্বর ৩, ২০১৭ at ৫:০০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ওমা, ওটা তো আপনার খালা!
ইসমাঈল
এপ্রিল ১৩, ২০১৭ at ৪:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার দুঃসম্পর্কের ভাতিজী কে বিয়ে করা যাবে?আমার দাদার বাবা আর আমার ভাতিজীটার বাবার দাদা ভাই ছিল।আমি কি এখন তাকে বিয়ে করতে পারবো?
Xxxx
এপ্রিল ২৮, ২০১৭ at ১২:১৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রশ্নটা হলো*কোনো ব্যক্তি তার মায়ের আপন খালাতো বোন কি বিয়া করতে পারবো।?/সেও তো খালাতো খালা হয় ,তাকে কি বিয়া করা যাবে।
Jannat
মে ১৯, ২০১৭ at ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
mayeader khetre kon kon purush der bia kora haram ? Asn ta dile upokrito hobo.
Ivan
জুলাই ৬, ২০১৮ at ১১:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পুরুষ মানুষেরটা উল্টে নিলেই হবে। তবে যেহেতু মেয়েরা এক সাথে দুই বিয়ে করতে পারে না তাই পুরুষদের ক্ষেত্রে শালী বিয়ের যে বাধ্যবাধকতা তা মেয়েদের ক্ষেত্রে উহ্য। মানে হচ্ছে স্বামী থাকা অবস্থায় যেহেতু দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করা যায় না তাই ভাসুর-দেবর বিয়ের ব্যপারটাও অবান্তর। তবে স্বামীর মৃত্যুর পরে দেবর অথবা ভাসুরকে বিয়ে করা জায়েজ।
Anonymous
জুন ৯, ২০১৭ at ৪:৪২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বোনের নাতীন কি বিয়ে করা যাবে ?
মো:শাহীন আলম
জুলাই ৮, ২০১৭ at ৩:১৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার এক প্রতিবেশিকে আমি ভাই বলে ডাকি।তার সাথে আমাদের গোষ্ঠীর কোন রক্তের সম্পর্ক নেই।আমি কি তার মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো?
Anonymous
জুলাই ১১, ২০১৭ at ১১:১০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার সত বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো,দয়া করে উত্তর টা দিবেন খারণ আমি অনেক বছর দরে ভালবাসি তাকে একদম ছোট বেলে থেকে খারণ দুই জনের বয়স সমান,এই জন্য
Anonymous
আগস্ট ৫, ২০১৭ at ১০:০৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পুত্রবধুর সাথে শ্বশুর অপকর্ম/যিনা/ কামোদ্দীপনার সাথে স্পর্শ, চুম্বন করলে তার হুকুম কি হবে।
সেই পুত্রবধু কি আজীবনের জন্য তালাক হয়ে যাবে।
মোর্শেদ
আগস্ট ৯, ২০১৭ at ১০:১১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার বড় ভাই এর দুধ বোনকে বিয়ে করতে পারবো?
Anonymous
আগস্ট ১৪, ২০১৭ at ৭:৫৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
স্ত্রী ব্যভিচার করলে কি করনিয়? তালাক হয়ে যাবে? আবার বিয়ে পড়াতে হবে?নাকি কিছুই করতে হবেনা?
GM
আগস্ট ১৪, ২০১৭ at ৮:০১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
স্ত্রী ব্যভিচার করলে স্বামীর কি করণীয়?
AD nAN
অক্টোবর ৯, ২০১৭ at ২:৫৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"আমার প্রশ্ন হচ্ছে -আমি কি আমার আপন বড় বোনের (জাল /ননদ) এর মেয়েকে বিয়ে করা জায়েজ আছে কিনা???
Is Rat
জানুয়ারি ২০, ২০১৮ at ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
accha apni ki qus tr ans paicn??
মামুন
অক্টোবর ১৬, ২০১৭ at ৯:০৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
চাচির ফুপুতো বোনকে কি বিয়া করা হারাম হবে??
জাহাঙ্গীর
নভেম্বর ৩, ২০১৭ at ৩:০৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
স্বামীর সাথে তালাক কাযকর না হওয়া পযন্ত ২য় বিবাহ কি বৈধ। (তালাক দেয়ার ৩মাস শেষ না হতে )। একই সঙ্গে ১ম স্বামীর ঘর ও ২য় স্বামীর সাথে চুপে চুপে সহবাস করতে পারবে কি?
Anonymous
নভেম্বর ৭, ২০১৭ at ১০:৪৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রেম করার পর এবং সম্পর্ক টা গভীর হওয়া পর জেনেছি যে মেয়েটা আমার দুধ বোন বেপারে কি করা?
শাহজান
ডিসেম্বর ২১, ২০১৭ at ১০:২১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হারাম… হবে
Nirob
ডিসেম্বর ১৫, ২০১৭ at ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার বাবার আপন মামাত ভাই এর মেয়ের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো
Anonymous
জানুয়ারি ২৭, ২০১৮ at ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হুম অবশ্য পারবেন।
হাসান চৌধুরী
ডিসেম্বর ১৬, ২০১৭ at ১:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি একজন বিধবা মহিলা বিয়ে করেছি যার একজন মেয়ে আছে (পূর্বের স্বামীর) সে বর্তমানে আমার কাছে লালিত পালিত হচ্ছে। কিন্তু গত মাসে আমার স্ত্রী মারা গেছে এমতাবস্থায় তার কন্যা যে আমার কাছে আছে তাকে কি আমি বিয়ে করতে পারব?
হাসান চৌধুরী
ডিসেম্বর ১৬, ২০১৭ at ১:০৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অর্থ্যাৎ আমার স্ত্রীর মৃত্যুর পর তার পূর্বের স্বামীর কন্যাকে বিয়ে করা যাবে কিনা ….প্লিজ উত্তরটা দিবেন।
Ivan
জুলাই ৬, ২০১৮ at ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জ্বী না পারবেন না। যার সাথে আপনার বিয়ে হয়ে সহবাস হয়েছে তার গর্ভের অথবা ঔরস্যের কাউকে বিয়ে করা "হারাম"।
Okil
ডিসেম্বর ২০, ২০১৭ at ২:০৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার সৎ মায়ের আগের স্বামীর ঘরের মেয়ে কে বিয়ে করতে পারবো?
Anonymous
ডিসেম্বর ২৪, ২০১৭ at ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার এক বন্ধু তোর খালাতো বোন কে ভালোবাসে কিন্তুু তাঁর খালা মার যাওয়ার পরে তার মা ঐ মেয়েকে খাওয়। এখন তার কি বিয়ে করতে পরবে?
Anamika
জানুয়ারি ১৫, ২০১৮ at ১১:৫১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার এক বন্দ্ধু তার ফুফাতো বোনকে পছন্দ করে কিন্তু সে কি ! ঔ বোনটাকে বিয়ে করতে পারবে !?
Is Rat
জানুয়ারি ২০, ২০১৮ at ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি আমার আপন চাচি এর ভাই কে বিয়ে করতে পারব?
arif
এপ্রিল ১৬, ২০১৮ at ২:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অামার মাযের
ফুফুর মেযে এর মেযে কে কি বিযে করা হারাম?
Mihan
জুলাই ২, ২০১৮ at ২:২৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই,দয়া করে জানাবেন আমি কী আমার মায়ের মামার মেয়ের সাথে বিবাহ করিতে পারব???
Anonymous
জুলাই ৩০, ২০১৮ at ৬:২৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
mayer mamar meye tho tumar khalay hoi tahole take biye kora tho thick noi amar mone hocche
এম_আহমদ
জুলাই ২, ২০১৮ at ৫:২৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই আব্দুস সালাম। আমার সালাম নেবেন। আপনি এই লেখাটি দিয়ে কই যে গেছেন, আপনার কোন পাত্তা নেই। এদিকে বিগত ৭ বছরে এই লেখাটির উপর হিট হয়েছে ৪৩,৪৫৪ বার! গত কয়েক বছর ধরে দেখছি অনেকেই বিয়ে সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেই যাচ্ছেন। কিন্তু আপনি নেই। আমার মনে হয় এই বিষয়ে সমাজে অনেক ডিমান্ড রয়েছে। তাই বিয়ে সংক্রান্ত একটি পরামর্শ কেন্দ্র যে ভাল চলবে তা অনুমান করা যায়। দেখেন চিন্তা করে কিছু করা যায় কীনা।
সাগর
জুলাই ৩১, ২০১৮ at ১:৫১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপন বোনের, সতিনের মেয়েকে কি বিয়ে করা বৌধ না% হারাম,,