এলিয়েন (ভিনগ্রহের প্রাণী) সম্পর্কে বিজ্ঞান থেকে আল-কুরআনের ধারনা অনেক বেশি সুস্পষ্ট। বিজ্ঞান যেখানে দ্বিধাদ্বন্দে কিন্তু আল-কুরআন সেখানে দিচ্ছে ১০০% নিশ্চয়তা। যেই দিন-ই আমরা এলিয়েনদের সাথে যোগাযোগ করতে পারব, সেই দিন হয়তো দলে দলে মানুষ ইসলামের ছায়াতলে এসে আশ্রয় গ্রহণ করবে!
খ্রীষ্টপূর্ব পাঁচ শতকে থেলাস সর্বপ্রথম ভিনগ্রহের প্রাণীর ধারনা পোষন করেন। তার ধারনা মতে “দৃশ্যমান গ্রহ ব্যবস্থা ছাড়াও অন্য কোন জীবন বহুল জগত রয়েছে”। পুটার্চ তার ধারণায় চাঁদে স্বর্গের অসুরদের আবাস ভূমিকে খুঁজে পেয়েছিলেন। অনুরূপভাবে মধ্যযুগের জ্যোতির্বিদগণও পৃথিবীর বাইরে অন্যান্য গ্রহে জীবনের কল্পনায় শুধু করতেন না, তারা কল্পিত জগতগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনেরও নিরন্তর প্রয়াস ও ধ্যান ধারণার চিহ্ন রেখে গেছেন ইতিহাসের পাতায়। বিখ্যাত গণিতবিদ সি এফ গাউস সাইবেরীয় জঙ্গলের বৃক্ষরাজিতে একটি অতিকায় ত্রিকোণ তৈরীর প্রস্তাব করেছিলেন যা অন্যান্য গ্রহের অধিবাসিগণকে আকৃষ্ট করতে সমর্থ হবে। জে জে ভন লিট্রো সাহারা মরুভূমিতে জ্যামিতির পদ্ধতি অনুসারে সুবৃহৎ আকৃতির নালা তৈরী করে তাতে কেরোসিন ঢেলে রাতের বেলায় আগুন ধরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব রাখেন। সি গ্রস দিনের সূর্যালোকে অতিকায় আয়না স্থাপন করে আলোর প্রতিফলন ঘটিয়ে ভিন গ্রহের মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পরামর্শ পর্যন্ত দান করেছিলেন। এই তো গেল প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় দার্শনিকদের প্রচেষ্টা। আর আধুনিক যুগে ভিনগ্রহের প্রাণীর সন্ধানে পৃথিবীতে এবং পৃথিবী থেকে পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন অভিযান। পৃথিবীর অভিযানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সেটি (SETI:Search for Extraterrestrial Intelligence), যা ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফ্রাঙ্ক ড্রেক। 'সেটি' বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ভিনগ্রহের প্রাণীর সন্ধান করে পৃথিবী থেকেই। বর্তমানে ১০টিরও বেশি দেশে 'সেটি' এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে আংকিক কিংবা যৌক্তিক কিংবা বিশ্বাসগত এই বিপুল সমর্থনের কারণেই গবেষকরা খুঁজে চলেছেন প্রাণের অস্তিত্ব। এই সন্ধান-কার্যক্রমে গবেষকরা একদিকে অতীতের ঐতিহাসিক উৎসে খোঁজ করছেন ভিনগ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব আর বিজ্ঞানীরা খোঁজ করছেন পৃথিবীর বাইরের গ্রহ কিংবা উপগ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব।
শুধু বিজ্ঞানিক ও দার্শনিক নয় গণমাধ্যমও রেখে যাচ্ছেন এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা- ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে গণমাধ্যমে বহু চটকদার এবং কখনও কখনও ভাবগম্ভির কাজও হয়েছে। যেমন লেখা হয়েছে বই, প্রকাশিত হয়েছে পত্রিকার প্রতিবেদন, তেমনি তৈরি হয়েছে গান, চলচ্চিত্র এবং এ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র। যা নতুন করে বলার কোন অবকাশ রাখেনা, কারণ এগুলো সম্পর্কে আমরা সকলেই জানি।
এবার আমরা আল-কুরআনের দিকে দৃষ্টি দেয়-
“মহান আল্লাহই জগতসমূহের প্রতিপালক। বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা” (৪০:৬৪-৬৫)।
“জগতসমূহের প্রতিপালক আবার কি? তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীসমূহ এবং উহাদিগের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রতিপালক যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও” (২৬:২৩-২৪)।
“তাঁর এক নিদর্শন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন” (৪২:২৯)।
“আল্লাহ হইতেছেন তিনি, যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন অসংখ্য আকাশ আর অনুরূপ সংখ্যক পৃথিবী। উহাদের উপরও আল্লাহর নির্দেশ অবতীর্ণ হয়; (এ তথ্যটি) এই জন্য যে তোমরা যেন অবগত হও, আল্লাহ সর্বশক্তিমান ও সর্বাজ্ঞ” (৬৫:১২)।
আল-কুরআনের আরো অনেক আয়াতে ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে যে- শুধু আমাদের এই পৃথিবীই নয়, অন্য কোন অজানা প্রান্তেও রয়েছে আল্লাহর সৃষ্টি জীব। কিন্তু এর বিপরীতে মহাবিশ্বের কোথাও প্রাণ নেই এরকম কোন বার্তা আল-কুরআনে দেয়নি। আর ৪২ নং সূরার ২৯ নং আয়াত এবং ৬৫ নং সূরার ১২ নং আয়াত ২টি আমাদের কে ১০০% নিশ্চিয়তা প্রদান করে ভিন গ্রহের প্রাণী সম্পর্কে এবং ৬৫ নং সূরার ১২ নং আয়াতটি আমাদেরকে যে ধারনা দান করে তাহল- “ভিন গ্রহের প্রাণীরা আমাদের মতই বুদ্ধিমান এবং গঠন গত দিক থেকে আমাদের মতই (হতে পারে আমাদের থকেও বেশি) উন্নত । কারণ তাদের উপর যেহেতু আল্লাহর নির্দেশ অবতীর্ণ হয়, তারা অবশ্যই বুদ্ধিমান হতে হবে। তাদের থাকবে জ্ঞান, থাকবে পড়ার ও লিখার ক্ষমতা। যদি পড়ার ও লিখার ক্ষমতা থাকে, তহলে তাদের মস্তিষ্ক হতে হবে বড় এবং থাকতে হবে নূন্যতম আমাদের হাতের মত গঠন, যা কলম ধরতে সহায়ক। কিন্তু এলিয়েনের গঠনগত বিজ্ঞানের ধারনা গুলো আনেক বৈচিত্র পূর্ণ, যা শুধু কল্পনা মাত্র। 

মাহফুজ
ডিসেম্বর ৩, ২০১৩ at ৫:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
//“ভিন গ্রহের প্রাণীরা আমাদের মতই বুদ্ধিমান এবং গঠন গত দিক থেকে আমাদের মতই (হতে পারে আমাদের থকেও বেশি) উন্নত।//
ভাল হয়েছে, তবে উপরের বক্তব্যটা (হতে পারে আমাদের থকেও বেশি উন্নত) কেমন যেন লাগছে। 'মানুষকে' ' আশরাফুল মাখলাকাত' বলা হলে- জগৎসমূহে তার চেয়ে উন্নত কি কিছু হতে পারে?
এখানে আমন্ত্রণ- আল-কোরআনের বাণী আবারও সত্য প্রমাণীত হলো-
ধন্যবাদ
সুলতান মাহমুদ
ডিসেম্বর ৪, ২০১৩ at ৯:১২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মাহফুজ ভাই,
আমি বলেছি বুদ্ধিতে ও গঠনে আমাদের থেকে উন্নত। আর মহান রব কি এই গুণ গুলির বিচারে আমাদের কে আশরাফুল মাখলুকাত বলেছেন; নাকি অন্য কোন গুণের জন্য….! কারণ যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে না, তাদেরকেও কি আপনি আশরাফুল মাখলুকাত বলবেন।
ডিসেম্বর ৫, ২০১৩ at ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
//আমি বলেছি বুদ্ধিতে ও গঠনে আমাদের থেকে উন্নত। আর মহান রব কি এই গুণ গুলির বিচারে আমাদের কে আশরাফুল মাখলুকাত বলেছেন; নাকি অন্য কোন গুণের জন্য….! কারণ যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে না, তাদেরকেও কি আপনি আশরাফুল মাখলুকাত বলবেন//
……………..
জী ভাই-সুলতান মাহমুদ,
বুদ্ধি ও গঠন- এই দুটি বৈশিষ্ট্যকে তো খাঁট কোরে দেখবার উপায় নেই। এই দুটো তো বটেই, সবদিক বিবেচনায় মানব জাতিকে 'আশরাফুল মাখলুকাত' বলা হয়েছে বলেই আমার মনে হয়। আর 'আশরাফুল মাখলুকাত' হওয়ার সুবাদে সব মানুষই স্রষ্টার প্রতি ইমান আনার মত বোধের অধিকারী হওয়া সত্বেও কেউ কেউ অজ্ঞতা বশত, আবার কেউ দাম্ভিকতার বশে স্রষ্টাকে অস্বীকার করার মত বিভ্রান্তিতে থাকে। কেউ মুখে ও কাজে-কর্মে অস্বীকার করে, আবার কেউ বাহ্যিকভাবে স্বীকার করার ভাব দেখালেও কাজে-কর্মে সম্পূর্ণ বিপরীত। সে কারনেই 'আশরাফুল মাখলুকাত' হিসেবে মানুষকে যেমন মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ইমান আনা বা না আনার ব্যাপারে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে, তেমনি তাদের চুলচেরা বিচারের জন্য পরকালকে নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে।
ধন্যবাদ-
মাহফুজ
ডিসেম্বর ৩, ২০১৩ at ১১:৪৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ডিসেম্বর ৩, ২০১৩ at ৫:৫০ অপরাহ্ন এর মন্তব্যটি প্রকাশ করা হয়েছে।
কিন্তু আমার- ডিসেম্বর ৩, ২০১৩ at ৫:২০ অপরাহ্ন এ করা মন্তব্যটা এখনও প্রকাশ করা হলোনা কেন ভাই?
মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত
ডিসেম্বর ১১, ২০১৩ at ১২:৫২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই,যা-ই হোক,ভিনগ্রহের প্রাণীরা আমাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ হবে না।কারণ কুর্আনে আমাদেরকেই সেরা সৃষ্টি বলা হয়েছে,মহাবিশ্বের অন্য কোনো জীবকে নয়।
Asif
আগস্ট ২২, ২০১৫ at ৫:৩৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এলিয়ে আমাদের থেকে অনেক বুদ্বি মান
আগস্ট ২২, ২০১৫ at ৯:৪৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হয়ত অামাদের মত!
Asif
আগস্ট ২২, ২০১৫ at ৫:৩৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এলিয়ে আমাদের থেকে কত দুরে
সুলতান মাহমুদ
আগস্ট ২২, ২০১৫ at ৯:৫৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
২৬ বিলিয়ন অালোক বর্ষের মধ্যে হয়তো কোথাও অাছে? না হয় অামাদের মহাবিশ্ব ছাড়া অন্য অার একটি মহাবিশ্বে! যে মহাবিশ্বে তারাই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ৷
কিংশুক
আগস্ট ২২, ২০১৫ at ১০:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এলিয়েনদের নবী কে?
সুলতান মাহমুদ
আগস্ট ২২, ২০১৫ at ১১:৪১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আল্লাহ হইতেছেন তিনি, যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন অসংখ্য আকাশ আর অনুরূপ সংখ্যক পৃথিবী। উহাদের উপরও আল্লাহর নির্দেশ অবতীর্ণ হয়; (এ তথ্যটি) এই জন্য যে তোমরা যেন অবগত হও, আল্লাহ সর্বশক্তিমান ও সর্বাজ্ঞ”(৬৫:১২)। অাল্লাহতালা ই ভাল জানেন৷
মো:আসাদুজ্জমান শুভ
আগস্ট ২৩, ২০১৫ at ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমাদের জন্য যেমন কোরআন শরীফ তেমনি সেই গ্রহের বাসিন্দাদের জন্যও হয়ত কোন গ্রন্থ রয়েছে।।যেখানে তাদের শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে।।আর একটা বিষয় তারা কি এতটাই উন্নত বা অউন্নত যে রেডিও সিগন্যাল ধরতে পারে না।।তাহলে তারা নিজেদের মধ্যে এবং উড়ন্ত যানের সাথে যোগাযোগ করে কিভাবে।।
Imran
নভেম্বর ২২, ২০১৫ at ৩:৪৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কুরআন একমাত্র জীবন বিধান ……কুরআন ছাড়া আর কোন গ্রন্থ নেই
মোঃ আসাদুজ্জামান
Meraz
সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৬ at ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রিওমাহফুজ,,
কোরানে মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব বলা হয়েছে। সেটা যে কোনো যায়গার হতে পারে।
মাহফুজ
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৬ at ৮:১২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জী ভাই, ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ কথাটা সরাসরি কোরআনে নেই। তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট ইংগিত আছে- ১৭:৭০, ৯৫:৪। তািই এভাবে বলা হয়ে থাকে।
Verse (17:70)
Sahih International: And We have certainly honored the children of Adam and carried them on the land and sea and provided for them of the good things and preferred them over much of what We have created, with [definite] preference.
Pickthall: Verily we have honoured the Children of Adam. We carry them on the land and the sea, and have made provision of good things for them, and have preferred them above many of those whom We created with a marked preferment.
Yusuf Ali: We have honoured the sons of Adam; provided them with transport on land and sea; given them for sustenance things good and pure; and conferred on them special favours, above a great part of our creation.
Shakir: And surely We have honored the children of Adam, and We carry them in the land and the sea, and We have given them of the good things, and We have made them to excel by an appropriate excellence over most of those whom We have created.
Muhammad Sarwar: We have honored the children of Adam, carried them on the land and the sea, given them pure sustenance and exalted them above most of My creatures.
Mohsin Khan: And indeed We have honoured the Children of Adam, and We have carried them on land and sea, and have provided them with At-Taiyibat (lawful good things), and have preferred them above many of those whom We have created with a marked preference.
Arberry: We have honoured the Children of Adam and carried them on land and sea, and provided them with good things, and preferred them greatly over many of those We created.
Verse (95:4)
Sahih International: We have certainly created man in the best of stature;
Pickthall: Surely We created man of the best stature
Yusuf Ali: We have indeed created man in the best of moulds,
Shakir: Certainly We created man in the best make.
Muhammad Sarwar: We have created the human being in the best form
Mohsin Khan: Verily, We created man of the best stature (mould),
Arberry: We indeed created Man in the fairest stature
ধন্যবাদ-
কামরুল
অক্টোবর ২, ২০১৬ at ৫:৪৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আশরাফুল মাখলুকাত-- এটা তো কুরআনে নেই। মাখলুকাত অর্থ যাবতীয় মাখলুক বা সৃষ্টি। সব সৃষ্টির সেরা মানুষ কিভাবে হয়? যেখানে মানুষের শরীরটা খুবই নাজুক। সামান্য অসুখ বিসুখেই কাতর এবং ধরাশায়ী! হয়তো বুদ্ধির গুণে বড় বড় প্রাণীকেও হার মানাতে পারে। কিন্তু ভিন জগতে যারা আছে তাদের বুদ্ধি আরো বেশি হতে পারবে না কেনো? কোথায় আছে সেটা।
মোঃকায়সার
ডিসেম্বর ১৩, ২০১৬ at ১:২৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এত বড় ব্যাপারে মাথা না ঘামিয়ে, আমাদের উচিত আল্লাহর নির্দেশিত কাজে মন নিবেশ করা ও পরকালের জন্য পরিক্ষায় পাশ করা।
Anonymous
মে ১৮, ২০১৭ at ৯:১১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এত বড় ব্যাপারে মাথা ঘামানোর জন্যই আল্লাহপাক মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন। গরুদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন শুধুমাত্র ঘাস খাইবার জন্য।
টাইম ট্রাভেলার
এপ্রিল ৮, ২০১৭ at ৭:২১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Good Post
pulok ghosh
জুন ৯, ২০১৭ at ৭:০৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
চেষ্টা করে যান এলিয়েন একদিন আমারা দেখব বাস্তবে
Md Saiful Islam
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭ at ১২:৫৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
(৪০:৬৪-৬৫)।
“জগতসমূহের প্রতিপালক আবার কি? তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীসমূহ এবং উহাদিগের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রতিপালক যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও”
ভাই এই আয়াতটি অনুবাদ করতে ভুল করছেন। আশা করি ঠিক করবেন। ধন্যবাদ।।
মোঃ সাইফুল ইসলাম
অক্টোবর ৩, ২০১৭ at ৪:১৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
1) “জগতসমূহের প্রতিপালক আবার কি? তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীসমূহ এবং উহাদিগের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রতিপালক যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও”(২৬:২৩-২৪)।
উপরে অনুবাদে ভুল আছে ভাই। সঠিকটা নিচে দিলামঃ-
قَالَ فِرْعَوْنُ وَمَا رَبُّ الْعَالَمِينَ
ফেরাউন বলল, বিশ্বজগতের পালনকর্তা আবার কি? [ সুরা শু’য়ারা ২৬:২৩ ]
قَالَ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا إن كُنتُم مُّوقِنِينَ
মূসা বলল, তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা যদি তোমরা বিশ্বাসী হও। [ সুরা শু’য়ারা ২৬:২৪ ]
2) “তাঁর এক নিদর্শন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন”(৪২:২৯)।
উপরে অনুবাদে ভুল আছে ভাই। সঠিকটা নিচে দিলামঃ-
وَمِنْ آيَاتِهِ خَلْقُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَثَّ فِيهِمَا مِن دَابَّةٍ وَهُوَ عَلَى جَمْعِهِمْ إِذَا يَشَاء قَدِيرٌ
তাঁর এক নিদর্শন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি যখন ইচ্ছা এগুলোকে একত্রিত করতে সক্ষম। [ সুরা শূরা ৪২:২৯ ]
3) “আল্লাহ হইতেছেন তিনি, যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন অসংখ্য আকাশ আর অনুরূপ সংখ্যক পৃথিবী। উহাদের উপরও আল্লাহর নির্দেশ অবতীর্ণ হয়; (এ তথ্যটি) এই জন্য যে তোমরা যেন অবগত হও, আল্লাহ সর্বশক্তিমান ও সর্বাজ্ঞ”(৬৫:১২)।
উপরে অনুবাদে ভুল আছে ভাই। সঠিকটা নিচে দিলামঃ-
اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ وَمِنَ الْأَرْضِ مِثْلَهُنَّ يَتَنَزَّلُ الْأَمْرُ بَيْنَهُنَّ لِتَعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ وَأَنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا
আল্লাহ সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং পৃথিবীও সেই পরিমাণে, এসবের মধ্যে তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা জানতে পার যে, আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং সবকিছু তাঁর গোচরীভূত। [ সুরা তালাক ৬৫:১২ ]
ধন্যবাদ।
আহমেদ
অক্টোবর ১২, ২০১৭ at ৯:০৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে ‘‘মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আটারো হাজার মাখলুকাত সৃষ্টি করেছেন। যেহেতু তিনি বিন গ্রহের প্রানী সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বর্ণনা দিয়েছেন, সেহেতু সেই আটারো হাজার মাখলুকাতের মধ্যে কি সেই বিনগ্রহের প্রানীদের ধরা হবে? নাকি ধরা হবেনা। যদি ধরা না হয় তবে কেনো ওই প্রানীদের কথা পবিত্র কোরআনে উল্রেখিত হবে?
নিশ্চই আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্বজ্ঞানী।
Safat Ahmed Chowdhury
জুলাই ৯, ২০১৮ at ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভিনগ্রহে প্রাণী আছে, এটা আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি । মানুষের চাইতে শ্রেষ্ট এটা আমি বিশ্বাস করতে পারছি না । হয়তো জ্বীনদের চাইতে উন্নত অথবা তাদের সমমানের । আমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ট সৃষ্টি এসেছেন (হযরত মুহাম্মদ সা:)। কিন্তু তাদের মধ্যে এইরকম কেউ যান নি । নিঃসন্দেহে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর সবচাইতে প্রিয় । সূরা আশ শুরার ২৯ তম আয়াত পরে বুঝা যাচ্ছে, ওদের সাথে হয়তো আমরা মিলিত হবো, কোন একদিন । "তাঁর এক নিদর্শন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি যখন ইচ্ছা এগুলোকে একত্রিত করতে সক্ষম।"