[Repeat post, first published on 16/10/2025]
আজ বাংলাদেশে ঈদের দিন। সকলের ঘরে ঈদের আনন্দ। এই দিনে মুসলমানগণ ধর্মীয় কাজের অংশ হিসেবে গৃহ পালিত জন্তুসমূহের মধ্য থেকে গরুও কোরবানি করে থাকেন। আবার দুঃখজনক হলেও সত্য যে এই দিনটি একই সাথে কতিপয় বর্ণবাদী, ইসলাম বিদ্বেষীদের বড়ই ব্যথা-বেদনার দিন। অসংখ্য দেবতার মধ্যে গরুও তাদের এক দেবতা। তাই এই প্রাণীর কোরবানিতে মুসলিমদের প্রতি তাদের আক্রোশ প্রকাশ পায়। তবে গরু এক পাশে রাখলেও, মুসলিমদের প্রতি এই শ্রেণীর মনোবৃত্তি যুগ যুগ এবং শত শত বছরের পুরানো। বৃহত্তর সামাজিক পর্যায়ের বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলনের লেজুড়ও এর সাথে জড়িত। এই মনোবৃত্তি কেন যেন নব নব রূপে চলে। বিগত কয়েক বছর থেকে নাস্তিক্যবাদী আন্দোলনের স্রোতে নাস্তিকতার মুখোশেও তা দেখা যায়। এই সমস্যার সমাধান কীভাবে হতে পারে -এটাই বড় প্রশ্ন।
আমাদের এই প্রাণী জগত বেঁচে থাকতে এক শ্রেণীর প্রাণী অপর শ্রেণীর প্রাণীকে ধরে খায়। প্রকৃতিতে খাবারের এই ধারা (food chain) চিরন্তন। মানুষ আর যা’ই হোক, প্রাণী তো বটে, এবং শুধু তা’ই নয়, সে এই খাবার-ধারায় এক বিশিষ্ট প্রাণী। প্রত্যেক বৎসর বিশ্বের মিট-ইন্ডাস্ট্রি ৫৮ বিলিয়নের মত পশু খাবারের জন্য জবাই করে। কেবল আমেরিকাতেই ১০ বিলিয়নের মত পশু জবাই হয়।
কিন্তু গোটা জাহান জুড়ে গরুখোর থাকলেও, বর্ণবাদী, ইসলাম বিদ্বেষীগণ নানান উপায়ে মুসলমানদের উপর আক্রোশ প্রকাশ করেন। তাদের যুক্তি গরু জবাই অসভ্য কাজ। এটি নির্মম, নির্দয়। কিন্তু প্রশ্ন হল, কোন হত্যা সদয়? এখানে তাদের যুক্তি নিছক প্রাণী হত্যা নয়, অন্য কিছু।
ইউরোপে আধুনিক উপায়ে প্রাণী হত্যা দুই ধাপে করা হয়। প্রথমে প্রাণীকে ইলেকট্রিক শক দিয়ে অবচেতন করা হয়, কিন্তু শকের কারণে প্রাণীর দেহ থর থর করে কাঁপতে থাকে। তারপর, দ্বিতীয় ধাপে তার রক্তনালী কাটা হয়। আমাদের দেশগুলোতে একেবারেই অতি ধারালো ছুরি দিয়ে প্রাণীকে দ্রুত জবাই করা হয়। প্রাণীর প্রতি করুণাও ধর্মের অংশ, এবং মৃত্যুতেও সেই একই নির্দেশ -যেভাবে তার কষ্ট খানিক হলেও লাঘব হয়, সেই ব্যবস্থা অবলম্বন। তবে এখানে কোন্ পদ্ধতি অধিক উত্তম তা নিয়ে উভয় পক্ষে বিতর্কের শেষ নেই। আমরা সেই বিতর্কে যাব না, শুধু বলব যে গলার রক্তনালী কাটার পর প্রাণীর দৈহিক চেতনা মস্তিষ্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, এবং এতেই আমাদের পক্ষের মানবিক যুক্তি প্রদান করা হয়। কেননা, ইলেকট্রিক শক একটি অতি অকরুণ, অমানবিক পদ্ধতি। কারও যদি বিশ্বাস না হয়, তবে তারা নিজেরাই সেই শক নিয়ে দেখতে পারেন ব্যাপারটা কী।
যাক, বিশ্ববাসী গরু খায় খাক, তোমরা এই ভূখণ্ডের লোক হয়ে গরু খেতে যাবি কেন? (ভারতকে এখানে বৃহৎ ভৌগলিক অর্থেই ধরা যাক)। এই দুঃখে বর্ণবাদী মুসলিম বিদ্বেষীরা দারুণ ক্ষুণ্ণ। আগে যখন তারা মুসলমানদের উপর নিপীড়ন চালাত, এবং দাপট দেখাত, তখন মুসলমানদেরকে গরু জবাই করতে দিত না। ১৪ শতকের রাজা গৌড়গোবিন্দের সময় সিলেটে মুষ্টিমেয় কয়েকটি পরিবারে গঠিত একটি ছোট্ট এলাকায় বুরহানুদ্দীন নামক একজন মুসলমান তার ছেলের আকিকায় গোপনে একটি গরু জবাই করলে রাজা কোনোভাবে সেই সংবাদ পেয়ে পিতাসহ ধরে নিয়ে নবজাতক শিশুকে জবাই করেন এবং পিতার ডান হস্ত কেটে দেন। এটাই ছিল ‘গো-হত্যার’ প্রতিশোধ। আজকের এই যুগেও 'গো-হত্যার' প্রতিশোধে কোথাও কোথাও মুসলিম হত্যা সংঘটিত হওয়ারও খবর প্রকাশ পায় এবং নির্যাতন প্রায়ই হয়। আজও ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে গো-কোরবানি নিষিদ্ধ! যদিও মহাত্মা গান্ধী হিন্দু-মুসলিমের ঐক্যের কথা বলতেন, কিন্তু তিনিও ‘গো-হত্যার’ বিরোধী ছিলেন। কী যে জটিলতা!
গান্ধীজী ১৯১৫ সালে আফ্রিকা থেকে ভারতে আসলে প্রথমে চরম ইসলাম বিদ্বেষী স্বামী শ্রদ্ধানন্দের (১৮৫৬-১৯২৬) গুরুকুল প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করেন, এবং শ্রদ্ধানন্দের ধ্যান-ধারণার সাথে পরিচিত হন। শ্রদ্ধানন্দই ১৯২০ এর দশকে শুদ্ধি আন্দোলন শুরু করেন। এই আন্দোলন ছিল মুসলিমদের (এবং ধর্মান্তরিত খৃষ্টীয়ানদেরকেও) পুনরায় হিন্দু বানানোর আন্দোলন যা ইসলাম ও মুসলমানদের ব্যাপারে চরমধর্মি নীতি ও প্রোপাগান্ডা অবলম্বন করে। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে কমিউনিস্ট ধ্যান ধারণা ভারতে প্রবেশ করলে, এবং ১৯১৭ সালে রাশিয়ান কমিউনিস্ট বিপ্লব ঘটে গেলে, ১৯২০ এর দশকে প্রথম ভারতীয় কমিউনিস্ট দল আত্মপ্রকাশ করে। বর্ণবাদী নাস্তিক হলেও ইসলাম বিদ্বেষী থেকে যায়। আর মুসলিম সমাজের মুনাফিকগণ ওদের পিছনে দাদা দাদা করে চলতে থাকে। এরই সাথে আরেকটি দল রয়েছে যারা এই ময়দানের পিছনে কাজ করে, আর তারা হল কাদিয়ানী সম্প্রদায়। তবে এই পক্ষগুলোর মূল আন্দোলন ও সংস্পর্শী আন্দোলনের জওয়াবও মুসলমানরা দিয়ে আসছেন।
বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশক থেকে ইসলাম বিদ্বেষী বিভিন্ন মহলের সাড়াশি প্রোপাগান্ডার মোকাবেলা যারা করেন তাদের মধ্যে মাওলানা মাওদূদী (র.) ছিলেন অন্যতম। ত্রিশের দশক থেকে শুরু হওয়া তার লেখায় ছিল যৌবনের উচ্ছ্বাস ও স্টাইল ছিল অনবদ্য। পরবর্তীতে তার অবদানের কথা স্বীকার করতে এই উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন আল্লামা সুলাইমান নাদভী (র.) বলেন, ‘… এটা সত্য যে, তিনি [মাওদূদী] এযুগের একজন ইসলামী দার্শনিক ও উচ্চ মর্যাদাশীল আ’লীমে দ্বীন। ইউরোপ থেকে নাস্তিকতার যে সয়লাব হিন্দুস্থানে এসেছিল, আল্লাহ তা’আলা এটাকে থামানোর ব্যবস্থা এমন এক পবিত্র হাত দ্বারা করেছেন, যিনি ইউরোপের আধুনিক এবং প্রাচীন মতাদর্শ সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান রাখেন। এবং এর সাথে কোরান ও হাদিসের উপর এত গভীর ও স্পষ্ট জ্ঞান রাখেন যে, বর্তমান যুগের প্রত্যেক মাসআলার উপর এর আলোকে সন্তোষজনক আলোচনা রাখতে পারেন। এ কারণে বড় বড় নাস্তিকরাও তার যুক্তির সামনে নত হয়ে যায় …’ [(মাওলানা বশীরুজ্জামান, (১৯৮৮) সত্যের আলো, সিলেট: আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইলয়াস (প্রকাশক), পৃ. ১৭৯-৮০)]
বলেছি, বর্ণবাদীরা নাস্তিক হলেও ইসলাম বিদ্বেষী থেকে যায় যা আমাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা। আমরা সেই একই ঘৃণা-বিদ্বেষ ও হিংসাত্মক প্রোপাগান্ডা নানান মুখোশে দেখে থাকি। আমি অনেক বৎসর ধরে দেখছি। আমি ইন্টারনেটে লিখার প্রথম দিকে নাস্তিকদের মোকাবেলায় হিন্দু ধর্মের সমর্থনেও বিভিন্ন মন্তব্য করেছি, কিন্তু শেষে বুঝেছি যে আমার সময় অযথা যাচ্ছে। তাদের খেলাটা ভিন্ন। শেষের দিকে কিছু লেখকের সাথে কিছুটা পরিচিত হলেও প্রথম দিকে আমি একাই সব কিছু বুঝার চেষ্টা করতে হয়েছিল। আমাদের লেখার শুরু যে কত উদারতার সাথে হয়েছিল সেটা আমাদের প্রাথমিক লেখা ও মন্তব্যাদি দেখলেই বুঝা যাবে। কিন্তু আজও আমরা অপরাপর কোন ধর্ম বিদ্বেষী নই। আমি সব সময় এই পার্থক্য স্পষ্ট করে থাকি, সব ধর্মের লোক মিলে-মিশে থাকবে -এটাই আমাদের মূল কথা এবং আমাদের এই আহবানও থাকে যে যারা বিদ্বেষ-প্রপাগাণ্ডা পছন্দ করেন না, হিংসা রাখেন না, তারাও যেন গরু কোরবানী থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রে হিংসা অবসানে এগিয়ে আসেন।
আজ এটা অবশ্যই দেখা দরকার যে মানবতার নামে, স্বাধীনতার নামে, ব্যক্তি অধিকারের নামে দিন-রাত কারা প্রোপাগান্ডা করে –এই মুখোশগুলোর পিছনের চেহারাগুলো কাদের? এদের মধ্যে সেই সেদিনের শ্রদ্ধানন্দের লোক কী নেই? আজকে নাস্তিকের মুখোশ পরিহিতদের অনেকের ভাষা কী তাদের বাপ-দাদাদের বিদ্বেষী যুক্তি ও মেটেরিয়াল দিয়ে সজ্জিত হতে দেখা যায় না? এমন বক্তব্যও কী নজরে পড়ে না যে, আপনারা বিদেশি ধর্মের লোক, এটি বর্বর ধর্ম, এটা সংষ্কার করুন, আর না হয় আমরা যে ইসলামের ব্যাখ্যা দেই, সেটাই মেনে চলুন। শ্রদ্ধানন্দও প্রথম দিকে খুব একটা বিদ্বেষী ছিলেন না। কিন্তু তিনি হিন্দু ধর্মে সংস্কার চেয়েছিল এবং সাথে সাথে ইসলামকেও সংস্কার করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মুসলমানদের ব্যাপারে নিরাশ হলে তিনি চরম বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। তিনি যে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছিলেন এবং যেগুলোর পিছনে তাদের সমমনা নাস্তিকরাও একজোট ছিল সেগুলো ও বর্তমানের এগুলো, অর্থাৎ প্রোপাগান্ডা, অভিন্ন। ভারতের ইতিহাসে বর্ণবাদীরাই তাদের সময়ে তাদের ধর্মের মাধ্যমে হিংস্রতা প্রদর্শন করেছেন। রাজা গৌড় গোবিন্দ থেকে আজ পর্যন্ত সেই ধর্মবিদ্বেষের বিরাট কোন পরিবর্তন ঘটেছে বলে মনে হয় না। আজও কোরবানীর ঈদ আসলেই দেখা যাবে এক শ্রেণীর ঘরে ঘরে আনন্দ, আর আরেক শ্রেণীর ঘরে বাইরে বিদ্বেষ ও জ্বালা। এটাই বুঝি প্রকৃতির এক বিশেষ বৈপরীত্য!

কিংশুক
অক্টোবর ১৬, ২০১৩ at ১০:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইসলাম বিদ্ধেষী হিন্দুগুলা আর মানুষ হবে বলে মনে হয়না। তাদের নিজেদের পুঁজি বলতে কিছুই নাই এজন্য মুসলমানদের পিছনে অহেতুক লেগে রয়েছে। চরম ঘৃন্য সাম্প্রদায়িক কীটগুলা মিথ্যাচারে, শক্তের জুতা চাটা নরমের যম এ, নৈতিকতা চরিত্র বিহীন সুবিধাবাদে, সময় সুযোগ বুজে ক্ষনে ক্ষনে রং পাল্টাতে দুনিয়ার এক নম্বর স্থানের অধিকারী।
এম_আহমদ
অক্টোবর ১৭, ২০১৩ at ১:৫৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। এখানে একটা ভিডিও দেখুন। এটা হচ্ছে এই যুগে। কি বলবেন? বলার কিছু নেই, ভিডিই সবকিছু বলে দেবে। গোহত্যার শাস্তি!
ঈদ মোবারাক। [Note, this video has been removed. watch this here rel="nofollow">
হিন্দু মৌলবাদ ও ফ্যাসিবাদ!https://www.facebook.com/photo.php?v=10201307619785217&set=vb.1014391200&type=2&theater
অক্টোবর ১৮, ২০১৩ at ৪:৫৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বুজলাম চরম ইসলামবিদ্ধেষী হিন্দু মৌলবাদী গোষ্ঠী ভারতে রয়েছে এবং অতীত ও বর্তমানেও তাদের ভালোভাবে দেখা যাচ্ছে। তাদের বিপুল সমর্থকও রয়েছে। সব ধর্মেই কিছু চরমপন্থী দল আছে। মুসলমানদের মধ্যেও আল কায়েদা টাইপের দল আছে (যারা সংখ্যায় অতি অল্প এবং তাদের নিজস্ব ফতোয়া মতে শরিয়া কায়েমের জন্য শরিয়া বিহীন পরিচালিত সকল রাষ্ট্রের সকলকেই এবং সুন্নি ব্যতীত সকলের রক্ত হালাল)। শেয়ার করা ভিডিওগুলোর কমেন্ট হিংসাত্মক। ভারতের বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার জন্য বাংলাদেশী হিন্দুদের মন্দির ভাংগার হুমকি, গালাগালি ধর্মীয় উস্কানির সৃষ্টি করতে পারে। এই সব ইসলামের শিক্ষার বিরোধী। ইসলাম বিদ্ধেষী হিন্দুরা দেখা যায়, দুই পীরের সমর্থকদের মধ্যের মারামারিকেও মুসুল্লি কতৃক হিন্দু ধরে (যে হিন্দু পাঞ্জাাবী-টুপি পরিহিত!) ধরে হত্যা বলে চালিয়ে ইসলাম-মুসলমানদের মা বাবা তুলে গালাগালি করে ঘৃণার প্রকাশ করে (ইদানিং কালে বাংলাদেশের একটি ইসলামিক দলের সমর্থকদেরও কিছু ছবির স্থান-কাল-পাত্র বদলে দিয়ে ভুলভাবে প্রচার করতে দেখেছি)। এগুলো তাদের শিক্ষা হতে পারে কিন্তু ইসলামের শিক্ষা না। যে লোক অন্যায় করেছে তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ না করে সব হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ সঠিক নয়। এখন হিন্দুদের পুজা চলছে। বাংলাদেশের বেশীরভাগ হিন্দু মুসলমান শান্তিপ্রিয়। মুসলমানরা ধর্ম ভীরু কিন্তু ধর্মীয় বিদ্ধেষ প্রায় নাই ই। এর মধ্যে এই ধরনের ভিডিও প্রচারের উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ।
অক্টোবর ১৮, ২০১৩ at ৫:৫৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@কিংশুক: ভাই, কী যে বলি। আপনার মন্তব্যে বিদ্বেষী হিন্দুদের ব্যাপারে অনেক কটু-কথা বললেন। বললেন ওরা “কীট”, ঘৃণ্য, সাম্প্রদায়িক, একত্রে “চরম ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িক কীট”, শক্তের ‘জুতা চাটা’, এরা নৈতিক চরিত্র বিহীন, সুবিধাবাদী, বহুরূপী, (যারা রঙ বদলায়) ‘ওরা আর “মানুষ” হতে পারবে না’। এগুলোকেও তো পালটা বিদ্বেষী বলা যেতে পারে এবং ইসলাম বিরোধীও বলে ওয়াজও করা যেতে পারে। আমি যেখানে ভিডিও লিঙ্ক দিয়েছি সেখানে কোনো নেগেটিভ মন্তব্য করিনি রে ভাই বরং আপনি যে চরম বিশেষণগুলো উল্লেখ করেছেন ভিডিওটি সেই ধরণের একটি ঘটনা প্রকাশ করে। এটা কোরবানি নিয়ে। আর এবারে এসে বলছেন ভিডিওর কমেন্ট হিংসাত্মক। আমি তো কোনো কমেন্টই করিনি। হিন্দি উর্দু তেমন বুঝিও না। তবে, আপনার আগের মন্তব্য এবং এখন যে ওয়াজ করছেন এই দুয়ের মধ্যে অর্থাৎ ইত্যবসরে অন্য কিছু ঘটে গেল কী না আল্লাহই জানেন। আমি ভাই আপনার ইসলামী ওয়াজের সাথে একমত, তবে প্রেক্ষিতের সাথে নই। এবং বাংলাদেশের মানুষ ইন্টারনেটে এই ভিডিও দেখে হিন্দুদের মন্দির ভাঙতে ধেদিয়ে যাবে –আপনার এমন ধারনার সাথেও একমত নই। আল্লাহ আমাদের মনে ও জ্ঞানে স্বচ্ছতা দান করুন -এই দোয়া করি। মন্তব্যের জন্য আবারও ধন্যবাদ।
অপরিণত
অক্টোবর ১৭, ২০১৩ at ৭:১৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আহা! ত্যাগের ঈদের দিনে এমন সুন্দর শান্তিপূর্ন পোষ্ট না হলে কি চলে?
এম_আহমদ
অক্টোবর ১৭, ২০১৩ at ১১:২৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@অপরিণত:
নাম ও মন্তব্যের মধ্যে দারুণ মিল।
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
মহিউদ্দিন
অক্টোবর ১৭, ২০১৩ at ৮:৫০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
নিচের ভিডিও লিংকটা দেখেন। ভারতে কোন এক রাস্তা দিয়ে জনৈক মুসলিম কোরবানীর জবাইকৃত মাংশ নিয়ে যাচ্ছিল আর চরম পন্থী হিন্দুরা তাকে কি করছে দেখেন? গাড়ী থেকে সকল মাংশ পানিতে ফেলে ড্রাইভার কে পানিতে ফেলে কি বলছে শুনুন।
https://www.facebook.com/photo.php?v=1423470574534755
এম_আহমদ
অক্টোবর ১৭, ২০১৩ at ১১:২৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
dilruba
অক্টোবর ১৭, ২০১৩ at ১০:১১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হিংসা বিদ্বেষ বটেই। ইরাক, আফগানিস্তানে ঈদের জামাতে বোমা হামলায় ৭০ জন নিহত, আহত শতশত।
এম_আহমদ
অক্টোবর ১৮, ২০১৩ at ৩:২২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ও, ওঠাও বুঝি গো-হত্যা নিয়ে ঘটে গেল?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ১৮, ২০১৩ at ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গরুর রচনার সাথে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ আর সাথে জামাতের প্রতিষ্ঠাতা ফাঁসীর আসামী মওদুদীর কিছু প্রচার। ভালই হয়েছে সদালাপের অবস্থা। ধীরে ধীরে জামাতের মুখপাত্র হয়ে উঠছে সদালাপ।
এম_আহমদ
অক্টোবর ১৮, ২০১৩ at ৩:৫৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন: গরু একটা সমস্যা। গরু নিয়ে কামড়াকামড়ির শেষ নেই। তার দেহ নিয়েও হয়, গরুর রচনা নিয়েও হয়। এখানেই শেষ নয়, তার নাড়িভুঁড়ি যখন শুয়ারেরা পায়, ওখানেও কামড়াকামড়ি করে।
আর হ্যাঁ, বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশক থেকে ইসলাম বিদ্বেষী হিন্দু, নাস্তিক, কমিউনিস্টদের কথা এই ব্লগে উল্লেখ করেছি এবং এদের তলানীতে আরেক সম্প্রদায় কাজ করার কথাও বলেছি, -এরা কাদিয়ানী। মুনাফিকদের কথাও এদের সাথে উল্লেখ করেছি। এই ‘সম্প্রদায়গুলো’ একে অন্যের পিঠ চুলকাতে সব সময় দেখা যায়। এবং এরা ও তাদের দুশমনদেরকে নানা রণাঙ্গনে মুখামুখি দেখা যায়। আরেকটি কথা, আমরা কী শাহবাগী নাস্তিকদের আশে-পাশে কাদিয়ানীদেরকেও দেখেছিলাম? প্রশ্ন বটে! মাওদূদীকে কোন সমস্যায় এবং কাদের যৌথ তৎপরতায় ফাঁসীর নির্দেশ হয়েছিল? ঐ সমস্যায় ভারতের এবং সারা বিশ্বের আলেম সম্প্রদায় কার পক্ষে ছিল? এবং বিদ্বেষী নাস্তিক, হিন্দু ও কমিউনিস্ট ও বামপন্থি মুনাফিক সম্প্রদায় কোন পক্ষে ছিল? আজ কোন পক্ষে? আজ যখন দ্বিতীয় পক্ষ ১৯৫৩ সালের সেই দাঙ্গার কথা বলে তখন মূল ঘটনার উল্লেখ করে না। ওঠা যে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার ব্যাপারে গণ আন্দোলন ছিল এবং উল্লেখিত ‘সম্প্রদায়গুলো’ ছাড়া বাকী মুসলমানদের সমর্থন ছিল (এবং আজও আছে) তা তারা উল্লেখ করে না। এবং ওখানে যে ‘তাদের হস্তও সম্পৃক্ত ছিল যেমনটি আজকের রেন্টুযজ্ঞে, সে কথা বলে না। যাক, এসব কথা। আপনি তো একটি ‘পক্ষের’ লোক, তো হলেই বা কী হল। আমার ব্লগে যতটুকু বলার তা তো বলেছিই।
তবে, হ্যাঁ, আপনার দারুণ ‘জ্বালা’ না হলে এমন ধরণের মন্তব্য করতে আসতেন না। এটা তো বুঝি। তবে আপনি কেন এমন হবেন? কেবল আপনার কথাই কী সত্য হতে হবে? জামাতের কথা উল্লেখ করাতেই যদি আপনার সত্য অসত্য হয়, তবে এটা এক দুর্বল সত্য, এটা অপর সত্যের মোকাবেলায় কাপুরুষ, ভীতু, তাই সেটাকে ostracize করতে চায়। সদালাপের নীতিমালা আমি অনেকবার পড়েছি। কই সদালাপে তো কোন সমস্যা দেখি না? ‘জামাত’ আপনার মত লোকের কাছে একটা সমস্যা, এটা সদালাপের সমস্যা নয়। আবার জামাত নিয়ে আপনার সমস্যা হলেইবা কী? আপনি কে (that is in respect to the subject)? আপনার মত লোক কী বলে, কী লেখে, তা কী ‘আপনার-মতোদের’ বাইরে কারো কাছে আদৌ গুরুত্বের কিছু? (তবে এটা সকল লেখকের ব্যাপারেও কিছুটা হতে পারে)। আর ‘সাম্প্রদায়িকতা’, আপনি সাম্প্রদায়িকতা কী বুঝেন? আমি আপনাকে এসব বিষয়ে আলোচনার কোনো যোগ্য ব্যক্তি বিবেচনা করি না, তবে একথাও সত্য হবে যে আমি বিবেচনা করাতে বা না করাতে আপনারও কিছু যাবেও না, আসবেও না।
In any case, thank you for coming out for whatever pain that is and commenting. I noted that the presence of such things or wording as Mawdoodi and Jamat has disturbed you, but what can you do? Let me tell you something that I told Arif Jebtik in my first blog in Amarblog, which runs something like this: ‘You will have to suffer for a long long time, because Jamatis will EXIST in Bangladesh’ and as for you, ‘People of your type will NEVER be successful to eliminate (নির্মূল) them, (lo and behold, their support is increasing in time and if a few of their leaders are hanged, the landscape will be forever different), and that news, reports and politics about them will always appear in radio, TV, internet, and in general, all form of media notwithstanding blogs which will stare at your eyes and whatever feeling you hold will HAVE to continue till you die, unless of course you change, which, in my estimation, will never happen’. I feel sorry for all suffering whatever forms that is, even if it generates out of fascism.
Thank you.
___________________
প্রতিমন্তব্য দুই
জামশেদ তানিম
অক্টোবর ১৯, ২০১৩ at ১:৩১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
সাম্প্রদায়িকতা কি তা নতুন করে শেখার চেষ্টা করছি। মূর্তি পূজাকে ইংরেজরা হেয় করত দেখেই ব্রাহ্ম সমাজের উৎপত্তি। একেশ্বরবাদী হিন্দু। কিন্তু হাজার বছরেরে কু-সংস্কার কি শুধুমাত্র নাম পরিবর্তন করলেই পরিবর্তিত হয়ে যায়? না, যায় না। যার ফলে ব্রাহ্ম সমাজের কর্তা ব্যক্তিরাই একসময়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে নানান উপদল সৃষ্টি করে মূর্তি পূজা, জাতপাত ইত্যাদির চক্করেই ফিরে আসে। সবচেয়ে আশ্চর্য্যের বিষয় হচ্ছে আদি ব্রাহ্ম সমাজ নিরাকার ইশ্বরের কথা বলে প্রগতিশীল হিন্দু হতে চাইলেও তাদের জাত্যভিমান ঠিকই থেকে যায়। যার প্রমাণ দেবেন্দ্র নাথ ঠাকুর তার সন্তানদেরকে পাল্টি ঘরেই বিয়ে দিয়েছিলেন, দেবেন্দ্র নাথ সন্তানদের বিয়ের জন্য কুল ব্রাহ্মনই খুজে বের করেছিলো। সেসব ব্রাহ্মণদের অনেকেই ব্রাহ্ম ছিলো আবার অনেকে মূর্তি উপাসক ব্রাহ্মণও ছিলো। অপরদিকে আরেক ব্রাহ্ম গ্রুপ তো একেশ্বরবাদের নামে পুনরায় মূর্তি পূজারই প্রচলন শুরু করে দেয়।
বড়দিনে আসা যাক। খুব ধুম করে ইংলন্ড আমেরিকাতে বড়দিনের উৎসব পালিত হয়। শূকড়, গরু, ভেড়ার মাংসের সাথে চলে নিষিদ্ধ মদ্য। তখন কিন্তু ওসব দেশের নাস্তিক আস্তিক সব এক হয়েই ধেই ধেই করে নেচে কুদে উৎসব পালন করে। কেউ বলার থাকে না যে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে ধর্মের নামে পাবলিক প্রোপার্টির যে ক্ষতি করছে তা কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা।
যত দোষ আমাদের এই নিচু বাদামী জাতের এশিয়ানদের তা-ও আবার যারা ইসলাম ধর্ম পালন করে। এখন যে এশিয়ান ওদের মত হতে পারলো সে সাদা আদমীদের মত অর্ধেক প্রগতিশীল হয়ে গেলো।
জামশেদ তানিম
অক্টোবর ১৯, ২০১৩ at ১:৪২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন:
এখন মূর্তি পূজা উৎসব, সাম্প্রদায়িকতা নয়। বড়দিনে মাংস, মদ্য, হট্টগোলও উৎসব, সাম্প্রদায়িকতা নয়। সব সাম্প্রদায়িকতা শুধু মাত্র মুসলিমদের জন্য তোলা। তারা রোজা রাখলে, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা পালন করলে সাম্প্রদায়িক। শুধুমাত্র যেসব মুনাফিকরা নাস্তিক, আস্তিকদের সাথে বড়দিন পালন করতে পারবে সে-ই অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল।
আমরা উদার হতে হতে এমন পর্যায়ে চলে এসেছি যে ইসলামে কি হারাম আর কি হালাল সে-ই জ্ঞানটুকুও আজ আমাদের নেই। ইসলামকে বেধে ফেলেছি সাপ্তাহিক নামাজ, কিছু দান, হয়তো ২৯/৩০ ফরজ রোজার সর্বোচ্চ পাচটা রাখা আর সময়-সুযোগ মত মক্কা মদিনাতে ঢু মারা। কারন হাজার হোক মুসলিম তো। মডারেট মুসলিম। বৃহস্পতিবার রাতে উইকএন্ডটা রঙ্গীন পানীয়তে রাঙ্গিয়ে শুক্রবারদিন জুময়ার নামাজ পড়ে ইসলামের ঘরের নামটা ঠিক রাখা। সাম্প্রদায়িক যেন কেউ বলতে না পারে।
shahriar
অক্টোবর ১৮, ২০১৩ at ৩:০৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
If someone told the truth… that does't mean that it is jamat !!!!!!!!!!!!!!!!! how funny…
hobayra
অক্টোবর ১৯, ২০১৩ at ১২:০৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সৃস্টিকর্তা কে খুশি করতে পশু বলি দেয়া অনেক পুরানা প্রথা
গুহা মানব রা ও তাদের সুর্য, বায়ু ও ঝড়ের দেবতা কে খুশি রাখতে পশু বলি দিত
ইসলাম কি এই কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে?
এম_আহমদ
অক্টোবর ১৯, ২০১৩ at ৭:৪৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার 'কুসংস্কারের' ধারণা কি?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ১৯, ২০১৩ at ১২:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হিন্দুরা মুসলমানদের ঘৃনা করে -- কেন করবে না? করারইতো কথা -- সেইটাই স্বাভাবিক। আর মুসলমানরা তাদের দেবতাকে জবাই করে খায় -- শুধু খায়ই না -- উৎসব করে খায়। সুতরাং সেই সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার কথা ছিলো নাকি?
ঈদের দিনে মানুষ ইতিবাচক বিষয়গুলো দেখে -- আর জামাতিরা দেখে নেতিবাচক দিক। কোথাকার গোরগবিন্দের গল্প ফেঁদে আপনিওতো হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি ঘৃনাই প্রচার করছেন। এরপর কিভাবে আশা করে আপনার সম্প্রদায়কে উন্নত মতাদর্শের বলে কেউ সন্মান করবে।
জামাতের ধর্মই হলো ঘৃনার চাষাবাদ -- মাওদুদী শুরু করেছে কাদিয়ানীদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আর তার পূর্ন বিকাশ দেখেছি ৭১ এ হিন্দু আর আওয়ামীলীগ নাম দিয়ে বাঙালী হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে। আজও এরা জ্যান্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারে , পুলিশের মাথা থেতলে দেয় অথবা রগ কাঁটে -- সমস্যা হলো এই কাজগুলো করে ধর্মের নামে -- ইসলামের নামে। মওদুদীর দর্শনের কুফল আজও পাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ।
সদালাপের আমি এখন পাঠক মাত্র -- আমি আশা করি ইসলামের নামে রাজনীতিকরা এই মানবতাবিরোধী দলের দর্শণ যে সদালাপে প্রচার না পায়। গরুর রচনার ভিতরের কৌশলে মওদুদীর প্রচার করার চালাকি সদালাপের সম্পাদকের চোখ এড়িয়ে গেছে -- আশা করি আমার মন্তব্যের কারনে হয়তো উনার নজরে আসবে।
কি এক মহান ইসলামী চিন্তাবিদ ছিলেন মওদুদী যে নিজের ছেলেদেরকেও জামাতী দর্শণ বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছে।
আপনার অতি অহংকারী ভাবটাও জামাতের কর্মীদের চরিত্রের অংশ -- তাই কিছু মনে করি না।
এম_আহমদ
অক্টোবর ১৯, ২০১৩ at ৭:৫৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন:
হিন্দুরা কেন মুসলমানদেরকে ঘৃণা করবে সেই যুক্তি ভালই পেয়েছেন। আপনার মানসিকতা এমন যে তা কিছু বস্তু নিয়ে সিল হয়ে গিয়েছে। যাক।
বলছেন, ‘সদালাপের আমি এখন পাঠক মাত্র’ –এটাই হোক। আমরাও সদালাপের পাঠক মাত্র। সদালাপ একটি ‘সেতুবন্ধন', সেতু 'গঠন' -এখানে বিভিন্ন পথ ও মতের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের ধারণা বাহিত হচ্ছে। কামড়াকামড়িতে এবং এক সম্প্রদায় আরেক সম্প্রদায়কে ‘নির্মূল’ করাতে না হবে সেতু বন্ধন, আর না হবে দেশ গঠন। দেশ সকলকে নিয়ে। একেকজনের মনে অনেক কথা একেকভাবে দেখা দিতে পারে। আপনি জামাত/মাওদূদী শব্দাদি দেখলেই জ্বলে ওঠেন। নানান ভাবনায় unqualified লেভেল দিতে থাকেন।
আপনি একটি বিশেষ আদর্শের, বিশেষ যুদ্ধের লোক। আপনি আপনার প্রয়োজন মত অনেক সেতুকে বোমা মেরে উড়িতে দেবার যৌক্তিকতা দেখতে পারেন। কিন্তু এটা তো আপনার যুদ্ধের যুক্তি। আপনি সবকিছুতে জামাতের সূত্র খুঁজেন, জামাত টানেন। জামাত বিদ্বেষে আপনি সম্পূর্ণ consumed. যেকোনো প্রেক্ষিতে জামাত/শিবির মাওদূদী উল্লেখ দেখলেই আপনার জ্বলা-পোড়া শুরু হয়, আপনি ‘সর্দারী’ শুরু করেন -জাতি ‘মুক্য-সুক্য’, আপনি প্রতিরক্ষক, নিরঙ্কুশ এজেন্ট!
আপনার ধারণা গ্রহণ করতে গেলে শুধু জামাত নয়, মুসলমানদের ঈদের উৎসব বন্ধ করতে হবে, মুসলমানগণ আপনার কাছ থেকে ইসলাম বুঝতে হবে, হেফাজতি আলেমরা আপনার কাছ কোরান হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা শিখতে হবে, আরবী শিখতে হবে, কোরান বোঝতে হবে, তাদের নিজেদের কাজ কর্মেও সন্ত্রাস দেখতে হবে। আপনার দর্শন-ধারায় অগ্রসর হলে মাওদূদী কেন নবী-রাসূলের ধর্মেও অসারতা পাওয়া যাবে কেননা অনেক নবী-রাসূলের পরিবারে তাঁদের স্ত্রী, পুত্র, আত্মীয়স্বজন তাদের ধর্মকে মিথ্যা বলেছিল। আপনি অন্ধত্বের যে অতল গভীরে, সেখানে আপনার সাথে কী কোনো ফলপ্রসূ আলোচনা সম্ভব? সবাই কী আপনার সাথে “সহযোদ্ধা” হতে হবে?
আজ বর্ডার কিলিং নিয়ে কথা বলতে পারা যাবে না, এগুলো বিচ্ছিন্ন বিষয়, ভারত বন্ধু-প্রতিম দেশ, এগুলো ‘জামাতীরাই’ দেখে এবং ‘প্রচার’ করতে চায়। ভারতে সংঘটিত নির্যাতন দেখা যাবে না, আলোচনা করা যাবে না, ওগুলো বিচ্ছিন্ন বিষয়, এগুলো দেখলে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সমস্যা হতে পারে –এগুলো ‘জামাতীরা’ দেখে কেননা ওরা দাঙ্গা বাঁধাতে চায়, এসব প্রচার ‘বন্ধ’ করা দরকার। ফারাক্কা, টিপাইমুখ, তিস্তা ইত্যাদি কিছুই বলা যাবে না –এগুলো দিয়ে জামাত/শিবির তাদের ‘সাম্প্রদায়িক’ রাজনীতি করে, এসব প্রচার করা যাবে না, ‘নিষিদ্ধ’ করতে হবে। তবে রাজীবদের কাজ বন্ধ করার দরকার নেই –ওরা অন্ধকারের লোক, এগুলো না দেখলেই হয়। এগুলো যারা দেখে তারা ‘জামাতী’। আপনি কীসের দার্শনিক গো? এত বিদ্যা কোন “মহালয়” থেকে রপ্ত করে এমন ব্যক্ত করছেন? নীতি শেখান, সবাইকে জাত জাত-ধর্মের সবক দেন!
জামাত-কুমীরের বাচ্চাকে আর কতবার দেখাবেন? এগুলো মিথ্যা। এগুলো আপনার প্রোপাগান্ডা। জাতি মিথ্যাকে স্থানে স্থানে দেখেছে। বাস্তবে দেখেছে। জাতি রাস্তায় সন্ত্রাস দেখেছে। কারা কাদেরকে দৌড়ের উপর রেখেছে তা দেখেছে। হত্যা দেখেছে। ক্যামেরার সামনে দেখেছে। কে রগ কাটে আর কে মস্তক বিচূর্ণ করে, বক্ষ-বিদীর্ণ করে, দেহ টুকরো টুকরো করে, ধর্ষণ করে, ব্যাঙ্ক লুট করে,চাদাবাজি করে, জাতীয় সম্পদ লুট করে –এগুলো কারা করে তা কী আপনার কাছ থেকে কেউ শিখতে হবে? আপনার বিবেক বলতে কী একেবারেই কিছু নেই? আপনার কথা বার্তা, ধ্যান ধারণা অতি হাস্যকর। একটি নিরপেক্ষ ব্লগ আপনার সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করবেন, আপনার ‘ইচ্ছার’ ভিত্তিতে নীতিমালা পরিবর্তন করবেন আর লিখে দেবেন, “এখন থেকে জামাত, শিবির, মাওদূদী -এসব কথা সম্বলিত কোনো লেখা প্রকাশ করা যাবে না –তা হোক ঐতিহাসিক প্রেক্ষিতে, রাষ্ট্র ও সমাজ সংক্রান্ত বিষয়ে অথবা জাতীয় রাজনীতির কোনো প্রসঙ্গে। কেননা এমন উল্লেখকে ‘সাম্প্রদায়িকতার প্রচার’ বিবেচনা করা হবে।”
শুনেন, আপনার আগের এক মন্তব্য প্রসঙ্গে, সম্ভবত মুনিম ভায়ের ব্লগে বলেছিলাম আপনি সম্ভবত মানসিকভাবে অসুস্থ, আপনি ডাক্তারে যান। আপনার সঙ্গ/পাঙ্গরা আপনাকে ভাল উপদেশ দেওয়ার সম্ভাবনা কম। অনেক সময় ভাল পরামর্শ এমন লোকের কাছ থেকেও আসতে পারে যাকে আপনি হয়ত দুশমন ভাবেন। আমি আপনাকে অনেক দিন আগে তবলীগে জইন করার কথা বলেছিলাম, আপনি যান। আর না পারলে, কিছু দিনের জন্য দেশ-প্রেম ও জামাতী যুদ্ধ বিরতি দিয়ে ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা করেন। ধ্যান করেন। জিকির আজকার করেন। সকল মুসলমানদেরকে ভালবাসতে শিখেন। আলেমদেরও ভালবাসতে শিখেন।
আমার ব্যক্তিগত মত হল আপনাতে ইসলামী জ্ঞান নেই। আপনি যেভাবে আলেমদের কোরানের ব্যাখ্যা ভুল ধরেন, অনেক আলেমদের অবস্থানকে মোনাফেকি ভাবেন, কোরান হাদিসের আলোকে সেগুলো বিপরীত মনে করেন, আপনার এই পদ্ধতি “ইসলামী” নয়। এই ‘দেখাও’ ইসলামী নয়। এমনভাবে কোরান টানা, হাদিস টানাকে প্রাগমাটিস্ট দার্শনিক যুক্তিতে ডিস্ট্রাশনিস্ট হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। এই পদ্ধতিতে এবং বিশেষ করে হাইন্ডসাইট ক্ষেত্রে কোরান-হাদিস ব্যবহার করতে থাকলে নবী-রাসূলের বিপক্ষেও কোরান টানা যেতে পারে। এসব হচ্ছে সুস্পষ্টভাবে পথভ্রষ্টতার লক্ষণ। আমি তো আপনার সাথে আলোচনা করতে যাই না। আপনি ধড়াস করে আমার সাথে মন্তব্য করতে আসলে মাঝে মধ্যে সামান্য কিছু বলি। আপনাকে আটকিয়ে সবাই কথা বলতে পারবে না। আল্লাহ আমাকে সামান্য তাওফিক দিয়েছেন তাই বলতে পারি। আপনার চিন্তা ভুল। পাঠ ভুল। অবস্থান ভুল। অজ্ঞেয়বাদী/নাস্তিক দার্শনিক নীৎশা বলতেন, আপনি যদি আপনার প্রতিপক্ষের অবস্থান তার মতো বুঝতে চান, তবে তার যুক্তি কিছু দিন নিজের যুক্তি হিসেবে ধারণ করুন। তিনি বলতেন সব যুক্তি আপেক্ষিক যুক্তি। আপনার ও আপনার দুশমনের যুক্তি নীৎশার দৃষ্টিতে আপেক্ষিক। নীৎশার উপদেশ গ্রহণ করে দেখতে পারেন আপনার আপাতদৃষ্ট পাগলামির কিছু লাঘব হয় কিনা। আমি আপনার কল্যাণ প্রার্থনা করি। আমি প্রার্থনা করি আল্লাহ যেন আমাকে, আপনাকে এবং আমাদের সবাইকে হেদায়াত দান করেন। আমীন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ২০, ২০১৩ at ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- এইটা আর নতুন কি, জামাতীরা বাকী সবাইকে কাফের বিবেচনা করে। অন্যদিকে মাওলানা শামসুল হকের মতো আলেমরাও জামাতের অনুসারীদের অমুসলিম ঘোষনা করে। কোন মতাদর্শের অন্ধ অনুসারীদের জন্যে এইটা খুবই স্বাভাবিক।
কে কি করলো তা নিয়ে আমি রচনা লেখতে বসিনি। শুধু দেখি কারা ইসলামের নামে একটা ভায়বহ গনহত্যাকে সমর্থন করে -- ইসলামের নামে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়। আমি কোরানের কোন আয়াতের অনুবাদ করিনি। মাওলানা শাফির ব্রাকেট বন্দী আয়াতের বিপরীতে আরো কিছু অনুবাদ উপস্থাপন করেছি। যদি প্রশ্ন তুলতেই হয় -- তবে বিশ্বের যে আলেমরা কোরান অনুবাদের ব্যাকেটে নারীদের কথা ঢুকাননি তাদের ইসলামী জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে হয়। জামায়াত ছাড়া আর সবাই ইসলাম বিরোধী এই ধারনা জামায়াতের মধ্যে যেমন আছে তেমনি আছে বাংলাদেশের প্রতিটি ইসলামের নামের রাজনীতি করা গ্রুপের মাঝে।
মওদুদীর ছেলে বক্তব্যটা দেই -- সেইটা দেখুন --
ইতো মধ্যে আমাকে মুনাফিক ঘোষনা দিয়েছেন এখন বাকী আছে কাফের -- এইটাইতো জামাতে তরিকা। যখন কোন একটা লেখার উপর আলোচনা হয় -- সেখানে আলোচনাটা বিষয়ভিত্তিক রাখার মতো মানসিকতা আপনারদের শিক্ষায় নেই। প্রথমেই শুরু করে খোজ -- এইটা কোন দলে লোক -- তারপর মুল আলোচনা বাদ দিয়ে মন্তব্যকারীদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কুৎসা শুরু করেন -- তাকে হয় আওয়ামীলীগ, না হয় নাস্তিক না হয় বিধর্মী ইত্যাদি লেবেল দেন -- অবশেষে তাকে মানসিক রোগী ্বানিয়ে দেন। কিন্তু মুল সত্যকে অস্বীকার করতে পারেন না।
এই পোষ্টে ঈদের উপলক্ষে গরুর রচনায় হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষোদগার আর চালাকি করি মওদুদীকে মহান ইসলামের নেতা বানানোর বিষযটা ধরা পড়ে গেলে আমি হলাম মানসিক রোগী -- খুবই কৌতুক বোধ করছি।
জামায়াত একটা মানবতাবিরোধী সন্ত্রাসী সংগঠন -- এই বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই। আজ হোক কাল হোক জামায়াত তার কর্মকান্ডের জন্যে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হবে -- তাতে ইসলামের ক্ষতি নয় বরঞ্চ লাভ হবে। বাংলাদেশের মুসলিমদে অন্তত রাজাকার গালিটা শুনতে হবে না।
এম_আহমদ
অক্টোবর ২০, ২০১৩ at ৫:২২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন:
“জামাতীরা বাকী সবাইকে কাফের বিবেচনা করে” –এখানে জামাতি কে? আপনি মিথ্যা বলেছেন। আমার কথা, আমি বলেছি, কিন্তু ধাপ্পাবাজি করে জামাতকে টানছেন। অধিকন্তু, আপনার উল্লেখিত কথাটি “মিথ্যা”। জামাত কি তাদের বাইরের সবাইকে কাফের বিবেচনা করে? তারপর এটা কি ব্লগের বিষয়? এমনই হচ্ছে আপনার প্রোপাগান্ডার ও মিথ্যাচারের স্থান। যা বলেছেন তা আপনার "জ্ঞান"(!), এটা কিন্তু “জামাত” বলেনি। জামাত টানাতেই আপনার অন্তসারশুন্যতা আড়াল হয় না। আপনার আজেবাজে কথার ছড়াছড়ি ব্লগ ব্লগ জুড়ে, অসংখ্য স্থান জুড়ে প্রমাণ হয়ে আছে। একবার তো বলেছি আপনি চাইলে এসব বিষয় ব্লগ আকারে দিতে পারি। এই দেখুন রাজীব নামক যে কুলাঙ্গারটি আল্লাহর রাসুলকে নিয়ে, আমাদের উম্মুল মু’মীনীনদের নিয়ে, কোরান হাদিস নিয়ে যেসব চরম অশ্রাব্য কথা বার্তা বলে অক্কা পেল, ওর ব্যাপারে আপনার মন্তব্য:
এই হচ্ছে আপনার ইসলামী জ্ঞান! তবে আমার ধারণায় নয়। তারপর, রাজীব নামক কুলাঙ্গারের মৃত্যুকে নিয়ে যে খই-ফুঁটানো হয়েছে, তার সাথে ইসলামের সামান্যতম সম্পর্ক নেই। তারপর বক্তব্যের পানি ঘোলা করে এমন ‘হাবভাব’ দেখানো হয়েছে যে যেন স্বর্গে যাচ্ছে। কী যে ওয়াজ, তাও আবার কোরান আওড়িয়ে! http://www.shodalap.org/zia1307/21727/ -এগুলো বিবেচনা করুন। এখন জামাতী ব্যাখ্যার আড়ালে আপনার জ্ঞানের জাস্টিফিকশন দেখাচ্ছেন। অত্যন্ত দুঃখজনক। রাজীব জামাতীদের ফাঁসীর চাওয়াতে যে "ন্যায়, সৎ কাজ’ করেছে, তাতেই বুঝি সে স্বর্গগামী? কুফুরি মাফ! তিন তকবীরের সাথে উল্লসিত আস্তিক/নাস্তিকের জানাজাতেই সব কিছু শেষ! জানাজা কী মৃত ব্যক্তির কোন আমল? হায়রে ইসলাম! তারপর, আবার কোরানের ব্যবহার! তাও একটা অপ্রসঙ্গকে প্রসঙ্গ করে! রাজীবের সাথে কারো দুশমনী থাকতে পারে না, “রাজীব [কাউকে] বাড়ী থেকে বের করেনি বা বের করতে সাহায্য করেনি” –এইসব আয়াত দিয়ে রাজীবের ওয়াজ! স্বর্গ বটে! পাণ্ডিত্যও বটেও! রাজীবের আল্লাহ রাসূল নিয়ে গালিগালাজ, অশ্রাব্য কথা বার্তা, এসব বিষয়ে দোযখের আয়াত কই? ঈমান ছাড়াও এবং নবী রাসূলের প্রপ্তি বিষোদগার করেও মানুষ বেহেস্তে যেতে পারে -এসব কথার পক্ষে কোরান হাদিস কই? আপনার ব্লগ ও মন্তব্য সমূহ, আপনার প্রোপাগাণ্ডা, তাছাড়া প্রাগমাটিস্ট ডিস্ট্রাশনিস্ট প্রেক্ষিত ও হাইন্ডসাইটে কোরান হাদিস টানার পদ্ধতিতে যা প্রকাশ পায় তার আলোকে আপনার ইসলামী জ্ঞানশুন্যতার কথা উদাহরণসহ বলেছি। কেননা এমনি করতে থাকলে নবী-রাসূলের বিপক্ষেও কোরান টানা যেতে পারে –একথাও বলেছি। তবে আমি বলেছি, জামাত বলেনি। জামাত আওড়িয়ে আপনার অসারতা জাস্টিফাই করা যাবে না।
আমি তো ইচ্ছে করে আপনার সাথে বিতর্ক করতে যাই না, আপনার মত লোকের সাথে কোনো ফলপ্রসূ আলোচনার সম্ভাবনাই নেই। আপনি জামাত দেখিয়ে মিথ্যাচার জাস্টিফাই করতে চান, এখন ইসলাম বিদ্বেষী হিন্দুদের মুসলিম ঘৃণার মুসলমানদের দায়ী করছেন, আর সাথে জামাতও টানছেন!
এসবে কোন ধরণের জ্ঞান প্রকাশ পায়? ইসলামী জ্ঞান থাক, এতে কী সামাজিক, তাত্ত্বিক, রাষ্ট্রীয় ও নাগরিক বিষয়ক জ্ঞান প্রকাশ পায়? আপনার মন্তব্য অপদার্থ। আবার, এটা আমি বলছি। জামাত টেনে নিজেকে “বড়” দেখাতে যাবেন না। আপনার মত লোক নিয়ে জামাত তার শূরায় বসবে না, আপনি জামাতের কাছে কোনো ফ্যাক্টর নন। একাত্তর, ইতিহাস, জাতি –ইত্যাদি বিষয়ে নিরঙ্কুশ এজেন্টের মত কতাবার্তা অনেক সময় পাগলামীর মত ঠেকায়। জামাত আপনার মনের ‘জ্বালা’। জামাত যেন ভুত হয়ে আপনার মাথায় চড়াও হয়েছে, আপনাকে পাগল করে দিয়েছে, (আপনি ও জামাতের মধ্যে কী একটা কিছু হয়ত ঘটেছিল, কে জানে। আপনি তো শিবিরে ছিলেন, পরে শিবিরকে “দৌড়ের” উপর রাখতেন, সেই সব বস্তুতে আপনি আচ্ছন্ন)। আপনি শান্ত হোন। বলেছি, কিছুদিন এই যুদ্ধ বাদ দিয়ে ধ্যান ধারণায় মশগুল হোন। Jamat predates you, it WILL continue after you. এই সদালাপে সবাই সবাইকে চিনেন। কেউ কোনো প্রসঙ্গে জামাতের কথা উল্লেখ করলেই পাঠকগণ দৌড় মেরে জামাতি হয়ে যাবেন না। যে এজেন্সি নিয়ে আছেন, তাতে ব্লগ জড়াবেন না। জাতীয় এজেন্সি ও দেশপ্রেম যেন নন্দলালকে ছড়িয়ে যাচ্ছে। আপনার হতাশায় পাঠকদের under estimate করার ধারণা অনুভূত হচ্ছে। এই যে আপনি জামাত বিদ্বেষী প্রোপাগান্ডা করেন, সবাই কি আপনার কথাবার্তা ‘সত্য’ হিসেবে নিয়ে চলতি মূর্খ যুদ্ধে আত্মনিয়োগ করেন? বলেছি, আপনার সত্য এত দূর্বল হবে কেন যে জামাতের কথা কেউ বললেই আপনার মিথ্যাচার ধরা পড়ার চিন্তা ওঠবে? এগুলো সুস্থ চিন্তা নয়। আপনার কথা বা ইতিহাস যদি তথ্যভিত্তিক, যৌক্তিক ও গ্রহণীয় হয় তবে পাঠক তাই গ্রহণ করবে। এখানের পাঠক শিক্ষিত লোক। আপনার প্রটেকশনের মুখাপেক্ষী নন।
এবারে দেখুন, মুসলিমদের প্রতি হিন্দু ঘৃণা আপনার কাছে জাস্টিফাইড হয়ে গেল। এটা কি যৌক্তিক? আপনি যদি রাষ্ট্র প্রধান হতেন অথবা আপনার হাতে যদি সামাজিক নিয়মনীতি ও equality প্রতিষ্ঠার দায়ীত্ব থাকত, তাহলে আমরা তো আপনাকে ভয় করতাম। আপনার হাতে আমাদের ধর্ম ক্ষুন্ন হওয়ার ভীতি আসত। এখন আসবে না, কেননা আপনি কেউ নন, আপনি হিন্দুদের হয়ে একটি unjustified communal attitude কে justify করছেন। বড়জোর বলতে পারি আপনি সাম্প্রদায়িক, আপনার আদর্শে মৌলবাদী। তাই এই উৎসবে মুসলমানদের দোষ দেখছেন আর এটাকে বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য জামাত টানছেন! শুধু তাই নয়, রাজা গৌড় গোবিন্দের ঐতিহাসিকতাও জামাতি আড়ালে সরিয়ে দিচ্ছেন। আপনি বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন। এখানে জামাতের কিছু নেই। এটা আওয়ামী ঘরাণার গবেষকদের লেখায় উল্লেখযোগ্য হিসেবে স্থান রয়েছে। (দেখুন, সৈয়দ ইসলাহ উদ্দিন আহমদ, (২০০৫), দারিদ্র বিমোচনের সংগ্রাম, ঢাকা উৎস প্রকাশন, পৃষ্ঠা ১৮-২০, [১৯৪৯-৫০ সনে তিনি সিলেট মুরারী কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি, ১৯৫০ সালে ইংরেজি পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক ইস্টার্ণ হেরোল্ড’ এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, ১৯৫২ সালে ম্যাজিস্ট্রেট, ১৯৬৪ সালে সিলেট জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পদক, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন ও ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানের একজন সক্রিয় কর্মি। সর্বোপরি সৈয়দ ইসলাহ উদ্দীন আহমদ হযরত শাহজালাল (র) এর সফর সঙ্গী ও সিপাহসালার হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দীদ এর অধস্তন পুরুষ। এই লেখকের গবেষণালব্ধ পুস্তক দেখেছি।] আরও দেখুন, দেওয়ান নূরুল আনোয়ার চৌধুরী, (১৯৭৮), জালালাবাদের কথা, ঢাকা: বাংলা একাডেমী। অধ্যায়: সিলেটের প্রাচীন ইতিহাস, পৃষ্ঠা ২-৬ )। আজ শাহজালাল বিদেশি, বখতিয়ার উদ্দীন বিদেশি, মুসলিম শাসকগণ বিদেশি –গৌড় গোবিন্দকে ফ্যানাটিকেরাই অপসারিত করেছিল! বুরহান উদ্দীনের কাহিনী মিথ্যা! তবে শুনে রাখেন গৌড়ের বাদশাও সিলেটেরর লোক ছিল না, বেদেশি!
একটু আগে দেখলাম “জামাত/মাওদূদী” নিয়ে নতুন ব্লগ দিয়েছেন, (যে বিষয় নিয়ে আলোচনা, সেটি মনে হয় exclusively আপনার ইখতিয়ারের বিষয়, কারণ আপনি ইতিহাসের নিরঙ্কুশ এজেন্ট, আর কেউ কিছু বলতে পারবে না, কেননা তারা হয়ত জামাত/শিবিরকে দৌড়ের উপর রাখার কোনো সংঘর্ষে ছিল না, মারামারি-হাতাহাতিতে ছিল না, কোনো রাজনৈতিক অতীত শত্রুতায় ছিল না, এবং মানসিক সমস্যায়ও embroiled হয় নি), কিন্তু এই ব্লগটির প্রকৃতি হচ্ছে নূহের পুত্রের কাহিনী দিয়ে নূহের ধর্ম মিথ্যা দেখানো। আমি কি আপনার মিথ্যাচার ও তার প্রকৃতিগত অবস্থা দেখাতে আপনার ব্লগে মন্তব্য করতে যাই? দরকার মনে করি না। এখন আমার সময় নষ্ট হচ্ছে এজন্য যে আপনি এসে আমাকে engage করছেন।
______________ ___________________
প্রতিমন্তব্য তিন
———————————-
প্রতিমন্তব্য এক
প্রতিমন্তব্য দুই
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ২০, ২০১৩ at ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে এই ধরণের বিতর্কে এক পক্ষ নিজের মতো করে সব কিছুকে ইসলামের নামে ডিফেন্ড করে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে চায়, আরেক পক্ষ তার বিরোধীতা করতে যেয়ে ধীরে ধীরে ইসলাম থেকে দূরে সরে যায়। সদালাপে এই ধরণের বিতর্ক অনাকাঙ্খিত। সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ২০, ২০১৩ at ১:৫৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার একটা প্রশ্ন -- আপনি আসলে কি বুঝাতে চেয়েছেন, বিতর্কের ধরন, নাকি বিতর্কের বিষয় , নাকি পোস্টের মুল আলোচনা, নাকি অপ্রাসংগিক ভাবে একটা রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রচার নাকি ইতোমধ্যে বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী দল হিসাবে চিহ্নিত জামায়াতের মতাদর্শ প্রচার -- বিষয়টা পরিষ্কার করা দরকার।
আপনি যদি বলেন -- বিতর্ক করা যাবে না -- সেইটা এক ধরনের কন্ঠোরোধ করার চেষ্টা। আর যদি সুনির্দিষ্ট ভাবে বলেন -- কেন এই পোস্টটি আপনার কাছে অনাকাংখিত মনে হয়েছে -- তা যেমন সম্পাদকের জন্যে বুঝতে সুবিধা হবে -- তেমনি যদি বলেন বিতর্কের কোন নিয়মনীতি অনুসরন করা হয়নি -- তা হলে আরো ভাল।
আপনি দয়া করে আমার ভুল গুলো স্পেসিফিক্যালী বলুন -- একই ভাবে সবাইকে বিচার করার মাধ্যমে কি আপনি কারো প্রতি অবিচার করছেন কিনা ভেবে দেখার অনুরোধ রইল।
এই লেখক আগেও আমাকে ব্যক্তিগত ভাবে হেয় করেছে -- এবারও করছে। উনার উদ্দেশ্য পরিষ্কার। উনি উনার মতাদর্শ (মানে জামাতের রাজনৈতিক দর্শন) প্রচারের জন্যে আবারো ফিরে এসেছেন সদালাপে -- যদিও উনি সদালাপ থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। ঈদ উপলক্ষ করে একটা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিষোদাগার আর তার সাথে কৌশলে একজন বিতর্কিত রাজনৈতিক নেতাকে মহান বানানোর প্রচেষ্টা আশা করি সবার নজরে পড়েছে। এখন সবার বিবেচনা -- আমরা একটা মানবতাবিরোধী দলের মতাদর্শ প্রচারের জন্যে সদালাপ ব্যবহূত হউক -- তা দেখতে চাই কি না। আশা করি আপনি আপনার দৃষ্টি ভংগি পরিষ্কার করবেন। আর যারা সাইড লাইনে বসে বিতর্ক থেকে দুরে বসে আশা করছে বাংলাদেশে একটা পরিছন্ন ইসলাম প্রসার হবে -- তাদেরও ভাবা উচিত এই ধরনের বিতর্কিত মানবতাবিরোধী ( মানবতাবিরোধী মানেই ইসলাম বিরোধী) মতাদর্শের দলের কাছ থেকে কনফিউজিং মতাদর্শ প্রচার করা কতাটা আমাদের জন্যে কল্যানকর হবে।
কোন কোন সময় নিরবতাও অপরাধের পর্যায়ে চলে যায় -- আশা করি সবাই বিষয়টি বিবেচনা করবেন।
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ২০, ২০১৩ at ২:০৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি মূল পোস্ট থেকে শুরু করে পুরো ব্যাপারটা নিয়েই বলেছি, নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্ট নিয়ে নয়। সদালাপে মূল পোস্টে যে ধরণের বিষয় থাকলে এই ধরণের বিতর্কে জড়ানোর সম্ভাবনা আছে সেটি নিয়ে ভাবার জন্য সম্পাদক সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ২০, ২০১৩ at ২:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-ধন্যবাদ আপনার এই ক্লারিফিকেশনের জন্যে। লক্ষ্য করে থাকবেন -- আমি চেষ্টা করি এই ধরনের পোস্ট এড়িয়ে চলতে। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যা এড়িয়ে যাওয়া যায় না -- অন্তত যা সদালাপের মুল চরিত্র নতুন ভাবে ডিফাইন করবে তা নিয়ে কথা বলি। একটা সম্প্রদায়কে টার্গেট করে ঘৃনার প্রচারনা সদালাপকে নতুন চরিত্র দেবে। বিষয়টা সবাই ভেবে দেখবো আশা করি। এ ছাড়া বাংলাদেশের কথা যখন বলি -- বাংলা ভাষার কথা যখন বলি -- তখন মুক্তিযুদ্ধ আর ৭১ এর গনহত্যার বিষয়গুলো নিয়ে নীরব থাকার সুযোগ নেই। বিশেষ করে ৪০ বছরের জমানো একটা হিসাব চলছে বাংলাদেশে -- সেখানে বিচার নিয়ে সদালাপেও যে ভাবে বিরোধীতার চেষ্টা হচ্ছে তাও কিন্তু এক সময় প্রশ্নের সন্মুখিন হবে। আর বাংলাদেশে বিশুদ্ধ ইসলামের প্রসার আর প্রচারের দায় নিয়ে যখন সদালাপ কাজ করছে -- সেখানে গনহত্যা নারীধর্ষণ আর বুদ্ধিজীবি হত্যার সাথে জড়িত একটা দলের বিষয়ে নীরব থাকা মানে মানুষের কাছে ভুল সিগন্যাল পাঠানো -- যার কিছু আলামত আমরা আগেও দেখেছি। ইসলামের কথা বললেই জামাতি আর রাজাকার ট্যাগ হয় -- যারা ট্যাগ দেয় তাদের দোষরোপ করার আগে ভেবে দেখার দরকার আমরা কতটা জামাতবান্ধব পরিবেশ তৈরী করে রেখেছি -- আমরা কতটা জামাতকে আমাদের পাশাপাশি তাদের মতাদর্শ প্রচারে সহায়তা করেছি। এই প্রশ্নগুলো হয়তো আজকে তেমন গুরুত্বপূর্ন হয়ে দেখা দিচ্ছে না -- তবে এই প্রশ্নের জবাব এক সময় আমাদেরকে দিতে হবে। সেই দিকটা বিবেচনার জন্যেই অনুরোধ করছি।
আরেকটা কথা -- মুশরিক (মুর্তিপুজারক)দের মাঝেই আমাদের রসুল(সঃ) এর জন্ম -- সেখানেই উনি ইসলামের প্রচার শুরু করেছেন -- কিন্তু মুশরিকদের ঘৃনা করা বা তাদের বিরুদ্ধে ঘৃনার প্রচার করার কথা কোথাও বলা হয়নি -- বলা হয়েছে তাদের কাছে ইসলামের বানী (দাওয়াত) পৌছানোর কথা। কিন্তু আজ রাজনৈতিক লাভ লোকসানের বাজারের মুশরিকদের ঘৃনা করাই মনে হচ্ছে ইসলামের কাজ। মুসরিকরা ইসলামকে অপছন্দ করবেই -- এইটাই হলো নিয়ম -- কিন্তু তাদের ঘৃনার বিপরীতে আমরা তাদের ঘৃনা করবো এমন বিধান কোথাও দেখিনি। যদি ঘৃনাই ইসলামের ভিত্তি হতো তবে হয়তো পৃথিবীতে কোন মানুষই ইসলামের অনুসারী হতো না। তাই যখন হিন্দু সম্প্রদায় নিয়ে কোন কথা বলি -- তখন আমাদের অত্যন্ত সতর্ক থাকা দরকার -- কারন প্রতিটি মানুষই একজন সম্ভাব্য মুমিন -- শুধু অপেক্ষা আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়া। আমাদের কাজ কাউকে হেদায়াত দেওয়া নয় -- বা কাউকে শত্রু বানানো নয় -- শুধু আমাদের কাজ কর্ম আর কথায় ইসলামের দর্শনকে প্রচার করা -- সেখানে ঘৃনার কারনে যদি কেউ ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারনা নিয়ে দুরে সরে যায় -- তার দায় আমার।
আশা করি এই পোস্টে আমার মন্তব্য এবং বিতর্কে জড়ানোর বিষয়টা বুঝাতে পেরেছি। ধন্যবাদ।
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ২১, ২০১৩ at ১১:১০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ আহমদ ভাই,
সালাম, আপনার এই ব্লগে একটি শব্দ দুই বার ব্যবহার হয়েছে এবং একটি বাক্যকে আমার কাছে পঠন কটু মনে হচ্ছে। ইচ্ছা করলে আপনি এই বাক্যটি তোলে নিতে পারেন এবং সেই শব্দটি পরিবর্তন করে নিতে পারেন।
আজ বাংলাদেশে ঈদের দিন। সকলের ঘরে ঈদের আনন্দ। এই দিনে ভারতের কিছু অঞ্চলের মুসলমানগণ গৃহপালিত পশু কোরবানীর জন্য গরু কোরবানি করে থাকেন। আবার একই সাথে কতিপয় বর্ণবাদী ইসলাম বিদ্বেষীদের বড়ই ব্যথা-বেদনার দিন। গরু তাদের দেবতা । সেই দেবতাকে কতিপয় মুসলিম হত্যা করার কারণে মুসলিমদের প্রতি তাদের আক্রোশ প্রকাশের দিন। ————————
——-- কিন্তু সবকিছু একপাশে রেখে কতিপয় বর্ণবাদী ইসলাম বিদ্বেষীরা নানান উপায়ে মুসলমানদের উপর তাদের আক্রোশ প্রকাশের পায়তারা খুঁজে। এদের কাছে গরু জবাই নাকি অসভ্য, এই জবাই নির্মম। কিন্তু কোন হত্যা সদয়? ঘটনা কি প্রাণী হত্যা, না এর আড়ালে অন্য কিছু?
@ রায়হান ভাই, ঈদ মোবারক,
আমি যে কারণ উপরে উল্লেখ করেছি তাছাড়া কি আর কিছু আছে এই ব্লগে যার কারণে আপনার ৯ নং কমেন্টে সদালাপ সম্পাদককে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন? না কি অন্য কিছু?
@ জিয়াভাই ঈদ মোবারক,
আপনি আপনি মৌদুদী রঃ কে শুধু ইসলামী চিন্তাবিদ হিসাবে কি দেখতে পারেন না? জামাত কি মৌদুদির একমাত্র পরিচয়?
ধন্যবাদ।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ২৩, ২০১৩ at ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- আমি "ইসলামী" চিন্তাবিদ হিসাবে দেখতে পারি কি না পারি তা তেমন গুরুত্বপূর্ন নয়। তবে আপনি তাকে একজন ইসলামী চিন্তাবিদ হিসাবে তার নামের শেষে দোয়া পড়েন -- তাই আপনিই ভাল বলতে পারেন উনি কত বড় ইসলামী চিন্তাবিদ ছিলেন। তবে শুনু অবাক হয়েছি উনি উনার ছেলেদের নিজের লেখা পড়তে দিতেন না। এবং উনার এক ছেলে একজন আমেরিকান নায়িকাকে বিয়ে করলে তা অনুমোদন করেছেন।
জামাত কি কখনো বলেছে যে মৌদুদীর পথ থেকে উনারা সরে এসেছে?
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ২৩, ২০১৩ at ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিয়াভাই আপনার এই মন্তব্যে বুঝতে পারি ইসলামী রীতিনীতির ব্যবহার সম্পর্কে আমরা কত অজ্ঞ! যে কোন মৃত মুসলিম/মুসলিমাকে স্মরণ করলে তাঁর নাম নেয়ার সাথে সাথে রহমত উল্লাহি আলাইহি, (তাঁর আত্মার উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক,) নিয়ম। কাজেই এই রঃ শুধু যে বুজুর্গনে দ্বীনের জন্য ব্যবহার করতে হবে এমন নয়, তা আপনি আপনার মরহুম বাবা, মা, উস্তাদের নামের সাথে ব্যবহার করতে পারেন। আমরা এইদেশীয়রা পীর দরবেশগণের নামের সাথে তা ব্যবহার করে থাকলে আরবরা যে কোন মৃত মুসলিম ব্যক্তি কথা স্মরণ কালে রঃ বলে থাকে।
২য়তঃ
আপনি এই কমেন্টে জানাচ্ছেন-
অথচ আপনার মৌদুদী রঃ কে নিয়ে পোস্টে আপনি অন্য কিছু উল্লেখ করেছেন-
এখন আপনি বলুন আপনার এই দুই মন্তব্য কি এক হচ্ছে? জামাতের রাজনীতি বিষয়ক বইপত্র পড়তে না দেয়ার এই অর্থ- মৌদুদী রঃ এর লেখা অন্য সব বিষয়ের উপর পড়তে দেয়া হয়নি তাঁর সন্তানদেরকে আপনি কোথায় পেলেন? এইটি কি প্রমাণ করে না যে- আপনার ধারণ কৃত বিশ্বাস আপনাকে পরিচালিত করে, যার ফলে আপনি সত্যের মধ্যে নিজের মনগড়া কিছু ব্যাখ্যা সংযোগ করা প্রবণতা বিদ্যমান?
আপনাদের তাসের তুরুপ হায়দার ফারুক যখন শাহরিয়ার কবিরের সাথে জলসা করেন তখনই আমার মনে সন্দেহ আসে- ডালমে কুছ কালা হ্যাঁয়! নেটে সার্চ করে আমার সন্দেহ যে ঠিক তা প্রমাণ পেলাম। এই হায়দার ফারুক যুবক থাকা অবস্থায় তাঁর পিতার অবাধ্য হয়ে পড়ে, তাঁর পিতা তাঁকে ঘর থেকে বার করে দিয়েছিলেন। সে কয়েক বার ক্ষমা চেয়ে ঘরে আসে তারপর আবার সেই এক কাজ করতে থাকে, যার কারণে তাঁর সাথে মৌদুদী রঃ সকল প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এও জানা যায় যে এই হায়দার ফারুক তাঁর পিতার মৃত্যুর সময় সে ঘরে থাকা অবস্থায় পিতার নামাজে জানাজা শরিক হয়নি, কেমন কুলাঙ্গার সন্তান হলে এক ছেলে তাঁর বাবার জানাজায় শরিক না হতে পারে! আমি যেটি জানতে পেরেছি, তাহচ্ছে মৌদুদী রঃ রেখে যাওয়া সম্পত্তি যা থেকে জামাতে ইসলামী পাকিস্তান অর্থ পেয়ে আসছে, সেই অর্থ জামাতকে না দিয়ে বঞ্চিত করার পায়তারা করতে মৌদুদী রঃ নয় সন্তানের মধ্যে তিন জন করছেন। বাকি ছয় জন বাবা ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে এই তিন সন্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এমন কি মৌদুদী রঃ স্ত্রী এই হায়দার ফারুকের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা করেছেন। চিন্তার বিষয় একজন মা কেমন করে কখন বাধ্য হোন আপন সন্তানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করতে।
আর জামাতের রাজনীতিতে সন্তানদের জড়িত না করা যে অর্থ আপনারা করছেন প্রকৃত সত্য কিন্তু তা নয়। ইসলামী রাজনীতি কোন উত্তরাধিকারের রাজনীতি নয়। অর্পিত নয়। যিনি নিজ যোগ্যতাবলে যোগ্য হবেন তিনি সে রাজনীতিতে যোগ্য হয়ে উঠবেন। জামাতের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশ গ্রহণের বিষয় মৌদুদী রঃ সন্তানদের স্বাধীনতার উপর রেখে ছিলেন।
যাক নিচের লিংক দুটি দেখুন আর শুনুন হায়দার ফারুকের ভাই খালেদ ফারুক কি জানাচ্ছেন? rel="nofollow">
rel="nofollow">
অজয় রাউত
অক্টোবর ২৪, ২০১৩ at ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দুর্দান্ত, অসাধারণ একটি লেখা, যেমন ভাষার গমক তেমনি বক্তব্যের চমক। মউদুদি সন্তানের এই নিম্নমেধার আস্ফালনে মোদী সন্তানেরা নিশ্চিতভাবেই উৎসাহিত হবে। ঘৃণা আর বিদ্বেষের এই মহতী কন্ঠস্বর আরেকটি কন্ঠস্বরের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে, যে কন্ঠস্বর কেনিয়ার মলে মানুষের নাম জানতে চাইছিল, একটি বিশেষ ধর্মের নাম না হলেই গুলি করে দোজখে পাঠিয়ে দিচ্ছিল। বিশেষ ধর্মের নাম হলেও রক্ষা নেই, ধর্মবেত্তার মায়ের নাম না বলতে পারলে তাদেরও দোজখে পাঠাচ্ছিল। হিংসা আর বিদ্বেষের এই ব্যাপক বিস্ফোরণে এমন সব লিংক দেওয়া হয়েছে যে, লিংকের কমেন্ট দেখে কিংশুক এর মত অপরিণামদর্শী গালিবাজ ব্যাক্তিও ভড়কে গিয়েছেন। তবে আপাতত ভয়ের কিছু দেখছি না, অরুন্ধতি রায়রা আছেন, জিয়াউদ্দিন সাহেবরাও আছেন। ঘৃণার চাষে কোনও ফসলই ফলানো যাবে না।
এই ধ্রুপদী সাহিত্য উদ্গাতার আরোগ্য কামনা করছি।
এম_আহমদ
অক্টোবর ২৪, ২০১৩ at ৬:৫৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@অজয় রাউত:
যদিও ‘আপাতত ভয়ের কোনো কারণ নেই' (শুধু কারণই নয় কোনো যৌক্তিকতাও নেই) তথাপি আপনাদের অন্তরের জ্বালা প্রকাশে নিজেদের সাম্প্রদায়িকতা গোপন থাকে না, প্রকাশিত হয়ে পড়ে। এবং যেখানে কেনিয়ার কোন বিষয় নেই সেখানে কেনিয়া পর্যন্ত গিয়ে অন্তঃসারশূন্য ফালতু কথায় সেই জ্বালাময়ী মানসিকতা যেন আরও তীব্র হয়ে ওঠে! আপনি আগেও ফালতু কথাবার্তা বলে অবশেষে গায়েব হয়েছিলেন (Opps, ‘মেধাবী’ কথাবার্তা বলে!)। এবার ফিরেছেন, ছাই-পড়া বিজ্ঞান ও সভ্যতার দোহাই চেপে লিঙ্কায়িত ধর্ম-বিদ্বেষ ও নির্যাতনের দৃশ্যকে উলটো অভিযোগে অভিযুক্ত করতে! যদি লজ্জা শরম থাকত তবে এমনটি হত না। চোরের মার বড় গলা –আর মাঙ্গে দুধ আর কলা! ওখানে ঐ লিঙ্কে যে ব্যক্তিকে ‘নির্যাতন’ করা হচ্ছে, ‘শাস্তি’ দেয়া হচ্ছে (১) তার কারণটা কি? (২) ওটা কারা করছে? (৩) ওটা কারা ভিডিওতে ধারণ করেছে? (৪) কারা ইন্টারনেটে দিয়েছে? এখন বুঝি ক্যামেরায় ধারিত অসভ্য-কর্ম প্রমাণিত দেখে জ্বলা-পোড়া লাগছে, তাই না? তাই চাচ্ছেন কেউ ওগুলো যেন না দেখে। যে’ই দেখতে যাবে, তাকে অপরাধী ভাবতে হবে, ‘দ্রষ্টার’ দোষ হতে হবে!
এই কিছুদিন আগে শামস ভায়ের ব্লগে গিয়ে আলেমদের উপর ‘শয়তানী’ খেতাব দিয়ে দুর্মুখের মত ‘মাঞ্জি’ নামক লেসবিয়ানের ইসলামী সংস্কার গ্রহণ করতে শামস ভাইকে ওয়াজ করছিলেন। আর বলছিলেন, হিন্দু ধর্ম ডাইনামিক। ‘একটি ডাইন্যামিক ধর্ম হিসেবে হিন্দু ধর্মে সবসময়ই সংস্কার চলছে।’ তারপর ‘[শামস] আপনার কথায় ইসলামের সংস্কার দরকার নেই, ঠিক আছে, জিহাদ চলুক, ফতোয়া চলুক, বোমা বন্দুকের মাধ্যমে ইসলামের প্রসার চলুক…’ এসব ফাজলামি দেখে যখন প্রশ্ন করেছিলাম, তখন পালিয়েছেন। এখন ফিরেছেন ‘ডাইনামিক’ ধর্মের গাই-পূজকদের মৌলবাদ, চরম অমানবিকতা, কুসংস্কার যেন কেউ না দেখে তার বিপক্ষে মন্তব্য করতে! গণ-পথে পায়খানা করতে বসে যাবেন, লজ্জা নেই, কিন্তু পথচারীরা তাকাচ্ছে, তাই তাদেরকে গালি দিতে হবে; কেন ওরা তাকাচ্ছে, কেন দেখে ফেলছে! বাহ বাহ বাহ। শুনেন, আপনারদের মতোদের মুখে যাদের নাম প্রশংসায় উচ্চারিত হবে, তা শুধু আপনাদের মুখে উচ্চারিত হওয়াতে তাদের অনেক অবমাননার ব্যাপার থাকতে পারে।
অরুদ্ধতি রায় আপনারদের “ডাইনামিক” ধর্মের মৌলবাদী ও সন্ত্রাসী কর্ম কাণ্ডের বিপক্ষে কথা বলছে, ফ্যাসিজমের সাথে সম্পর্কের কথা বলেছে, কিন্তু আপনি আপনার মানসিকতার লোকের সাথে সম্পর্ক দেখবেন -এটা তো স্বাভাবিকই। অরুদ্ধতি আরও অনেক সত্য তুলে ধরছে: মসোলিনির সাথে সম্পর্ক দেখাচ্ছে; হিটলারের সাথে সম্পর্ক দেখাচ্ছে; মুসলিম নারীদেরকে ধর্ষণের কথা বলছে; মুসলিমদেরকে পুড়িয়ে মারার কথা বলছে; হাজার হাজার মুসলিমদেরকে ম্যাসাকারের কথা বলছে; হাজার হাজার মুসলিমদেরকে ঘর ছাড়া করার কথা বলছে; এগুলো “প্রচার করছে”, যাতে মানুষ এগুলো দেখতে পায়; এগুলোর বিপক্ষে সোচ্চার হয়; এইসব অমানবিকতার বিপক্ষ অবলম্বন করে। আপনি ও আপনার “মতোরা” কি করেছে? কোথাও কি উচ্চবাচ্য করেছে? উদাহরণ আছে? আপনারা উলটো সেগুলোর প্রচার বদ্ধ করতে চাচ্ছেন। যারা প্রচার করছে তাদের মুখ বদ্ধ করতে চাচ্ছেন। আপনার “মতোরা” অরুদ্ধতির “মতো” নয়। আপনারা হিটলার ও মসোলিনীর দলের লোক। ফ্যাসিস্ট।
আর ও। আপনার কাছে হোমিওপ্যাথি, জ্যোতিষবিদ্যা আর মার্কসবাদ অপ্রমাণিত হলেও সত্য –এই হচ্ছে আপনার মেধা! সরেন। আমার সময় নষ্ট করছেন। যেসব ফালতু ফাজের মেধা মেধা বলে চিৎকার করে, তাদেরকে মেধাহীন দেখেছি। যান, পড়াশুনা করেন। মানুষ হোন। তবেই অপরের মানবতা দেখবেন।
আর অরুদ্ধতির ভিডিওটি আরেকবার দেখেন, ঘিলুতে কিছু থেকে থাকলে বুঝবেন কী করা হচ্ছে এবং কোন ধরণের মঞ্চে এগুলো হচ্ছে।
এই সাথে সম্পর্কিত আমার এই লেখাটিও দেখতে পারেন, এম_আহমদ, Remembering Bari Mosque
অজয় রাউত
অক্টোবর ২৫, ২০১৩ at ১২:১৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ এম আহমদ
“ওখানে ঐ লিঙ্কে যে ব্যক্তিকে ‘নির্যাতন’ করা হচ্ছে, ‘শাস্তি’ দেয়া হচ্ছে (১) তার কারণটা কি? (২) ওটা কারা করছে? (৩) ওটা কারা ভিডিওতে ধারণ করেছে? (৪) কারা ইন্টারনেটে দিয়েছে?”
নিশ্চিতভাবেই মোদীর বাচ্চারা। আর তাই দেখে মউদুদির বাচ্চারা এই ঘৃণার বিষবাস্প ছড়াতে পারছে, কারনটা ভাই বেরাদরির ব্যাপার, দুভাই মিলেই বলতে পারবে। তবে ঘৃণার চাষে কেউই একা নয়, অন্য অনেকেই আছে
“আপনার কাছে হোমিওপ্যাথি, জ্যোতিষবিদ্যা আর মার্কসবাদ অপ্রমাণিত হলেও সত্য –এই হচ্ছে আপনার মেধা!”
অন্য ব্লগে আমার মন্তব্য দেখে বেড়ান কিন্তু শামস ভায়ের ব্লগে ৬ অক্টোবরের মন্তব্য এড়িয়ে যান, যাই হোক Reductio ad absurdum বলে কি কিছু কোনওদিন শুনেছেন?
“সরেন।যান, পড়াশুনা করেন মানুষ হোন।”
হেঃ হেঃ এত সহজে কি সরানো যাবে? মানুষ দেখেই তো, মোদী আর মউদুদির বাচ্চাদের আটকাতে হবে। আর গালিগালাজ গায়ে মাখিনা, ব্যাক্তিগত গালিগালাজ করে অপমান করার চেষ্টা করে লাভ নেই, আমি অপমানিত হব না, না; কিছুতেই না। শুধু দয়া করে ফ্যাসিস্ট বলার আগে সদালাপেই আমার মন্তব্যগুলি একবার দেখে নেবেন।
আর অরুন্ধতি রায় নামে তলোয়ারটা কিন্তু দুদিকেই ধার। সামলাতে পারবেনতো।
“Today, the world witnesses a growing tendency of militant interpretation of scriptural texts all across the religious spectrum including Islam and Christianity.”
সংলাপে আপনারই লেখা থেকে উদ্ধৃত, ভাবতে অবাক লাগে। ঘৃণার কারনে অসুস্থ না অসুস্থতার কারনে এই ঘৃণার উন্মেষ জানিনা, তবে দ্রুত আরোগ্য লাভ করবেন আশা রাখি।
এম_আহমদ
অক্টোবর ২৫, ২০১৩ at ১১:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@অজয় রাউত:
এই যে মিয়া, এখানে হচ্ছেটা কি? আমার উপরের মন্তব্য পড়েছেন? আপনাদের মত মূর্খদের সাথে কে ঝগড়া করবে? না বুঝে মন্তব্য করতে আসবেন, আবার চামড়াও যে thick, সেই বেহায়ামীর স্বীকৃতি দেবেন, এসব কি কথাবার্তা? “নিশ্চিতভাবেই” যখন মোদীর বাচ্চারা ঐ সব জঘন্য কাজগুলো করে যাচ্ছে, অরুদ্ধতী রায় এবং অন্যরা যখন সেইসব বিষয়ের উপর সমাজ সচেতনতা ঘটিয়ে যাচ্ছেন, আর আপনি নিজেও যখন সেই বাস্ততা স্বীকার করছেন, তখন সেই ‘স্বীকৃত-বাস্তবতা’ অন্যরা ‘দেখলে’ তা ঘৃণা সাথে সমন্বিত হয় কীভাবে? মূর্খ কোথাকার! এত কিছুর পরও, এখানে, ইসলাম বিদ্বেষী অপদার্থ, অত্যাচারী পাষণ্ড, অমানুষ ‘ডায়নামিক’ হিন্দুদেরকেও কিন্তু ‘ঘৃণা’ করার কথা কেউ বলছে না, আমি তো বলি নি। এখানে উত্থাপিত বা লিঙ্ক করা বিষয় যা দেখায় তা হচ্ছে the ‘state’ of the affairs, the way it exists. The question is should this ‘state’ be seen, discussed, addressed, or should it be deflated by accusing the seers, the observers? Should such things be ‘hidden away’ or ‘swept’ under the carpet and blame Mawdoodi? এখানে কি করতে এসেছেন? মুর্খামি বিতর্ক? এখানে মাওদুদী আসে কীভাবে? কই “মাওদুদী” আর কই “মোদী” –এটা তো চরম মুর্খামি। মাওদুদীর সাথে হিন্দুর মন্দির ভাঙ্গা, হিন্দু পোড়ানো, নির্যাতন, ধর্ষণ –এগুলো কীভাবে জড়িত হবে? আপনি তাঁর বই-পুস্তক পড়েছেন? কোনো example দিতে পারছেন? Take this as a challenge. Study his work and come back, if you are a man and not a mouse. তারপর, জামাতিরা কোথায় ‘মোদীদের’ মতো জ্বালায়-পোড়ায়, ধ্বংস নির্যাতন করেছে? আপনি “indisputable” কোনো evidence দিতে পারবেন? গত মন্তব্যে আলোচনার স্থান কোথায় ছিল বুঝতে পেরেছেন? ‘দেখার’ প্রেক্ষিত নিয়ে যে মন্তব্য দেয়া হয়েছে সেটা address না করে আবার যারা দেখবে, পুনরায়, তাদের উপর ঘৃণার তোহমৎ দিতে এসেছেন! অরুদ্ধতিও কী এসব কথা প্রচার করে ঘৃণা ছড়াচ্ছে? “Today, the world witnesses a growing tendency of militant interpretation of scriptural texts all across the religious spectrum including Islam and Christianity.” আমার এই কথাতে কি ঘৃণা বিদ্বেষ রয়েছে? কোথায় আলোচনা করতে এসেছেন? এসব কথা আমরা সবদিনই বলে আসছি। এই লেখাটিও ছিল ২১ বৎসর আগের! এগুলো আমাদের মানবিক অবস্থানের ঔজ্জ্বল্য প্রকাশ করে। আমার ধর্মের কেউ অপর ধর্মের উপর হত্যা নির্যাতন চালালে, আমি তো মোদীদের উপর দোষ দিয়ে সমর্থন করতে যাব না। এটাই আমাদের অবস্থান। আমার কথার উদ্ধৃতি আপনার যুক্তির বিপক্ষে যাচ্ছে সেদিকে খেয়াল নেই! “আর অরুন্ধতী রায় নামে তলোয়ারটা কিন্তু । সামলাতে পারবেনতো” –এই মুর্খামির মানি কি? আমি কি অরুদ্ধতীকে কোনো adverse লাইটে উত্থাপন করেছি যে আপনি সাংঘর্ষিক কথা টেনে যুদ্ধের অঙ্গন দেখবেন? মুর্খ ঘিলুতে কী আর কিছু থাকবে না?
Reductio ad absurdum. কেবল মূর্খরাই শব্দ ও বাক্যের দিকে allusion দেখিয়ে নিজের মুর্খামি ঢাকতে দিতে চায়। আমি শুনেছি বলেই আপনার মেধাহীন বক্তব্যের মুর্খামি উল্লেখ করেছি। আপনার মূর্খ কথার পক্ষে Reductio ad absurdum –এর উদ্ধৃতি টানাও মুর্খামি। আপনার গায়ে তো কিছুই লাগবে না, এখানে চামড়ার ব্যাপার আছে তো। হয়ত আগামীতে গর্দভের নামও পরিবর্তন করতে হবে, না হলে বাস্তবতার সঠিক উল্লেখে সমস্যা হতে পারে। কিংশুক ভাইও কি 'গালিবাজ'? তার প্রশংসা (!) করতে বলছেন, “অপরিণামদর্শী গালিবাজ”! কই, আমি তো তাকে কোনো দিন গালি দিতে দেখেছি বলে স্মরণ হয় না। এই হচ্ছে আপনার characterisation!
ও। আপনার দুটি লিঙ্কের প্রথমটিতে তো কোন ঘৃণা বিদ্বেষের কিছু দেখি নি। আর দ্বিতীয়টিতে আপনাদের প্রোপাগান্ডা! মুসলিম পপুলেশন আপনাদের জন্য ভয়ংকর হতে যাচ্ছে! এধরণের কথাবার্তা টেনে কি ক্রতে এসেছেন? আপনি অন্যের সময় নষ্ট করছেন –এটা কি মাথায় ঢুকবে না?
তারপর অরুদ্ধতীর ও তসলিমা বিষয়ক ভিডিও দিচ্ছেন। But you are oblivious of what your are quoting, ignorant of your source! দেখেন সে তসলিমার ব্যাপারে অরুদ্ধতী কি বলছে, ‘I don’t believe that a writer like Taslima Nasreen can undermine the dignity of 10 million people. Who is she? She is not a scholar of Islam. She does not even claim that Islam is her subject. She might have said extremely stupid things about Islam. I have no problem with the quotations that I have heard from her book. Dwikhandito has not been translated into English, but let’s just assume that what she said was stupid and insulting to Islam.’ এই ব্লগ কি অরুদ্ধতী ও তাসলীমা বিষয়ক? দেখেন, আপনার হায়া শরম নেই, কিন্তু এতে আমার সময় নষ্ট হচ্ছে কেননা আমি মন্তব্যের বিষয়কে address করতে হয়।
আরেকটি কথা রইয়ে গেল। শামস ভায়ের ব্লগে আপনি আমার সাথে কথা বলছেন 30 সেপ্টেম্বর। ওখানে আর উত্তর দেন নি। এক সপ্তাহ পরে উত্তর দিয়েছেন ৬ অক্টোবরে। আমরা বলে থাকি কোনদিন মরছলা রহমত আইজ তান জিয়ারত! তাও আমার মন্তব্যের ট্রেডে না দিয়ে অন্যত্র, আলাদা করে। তো সেখানে কি উত্তর দিয়েছিলেন? আমি এই মাত্র গিয়ে দেখলাম অপ্রাঙ্গিক ভকর ভকর করেছেন। ফালতু। আপনি ইসলামের সংস্কারের কথা বলে মাঞ্জির উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন এবং ভারতীয় একটি রেপ কেসের প্রসঙ্গ টেনে আলেমদের ‘শয়তান’ বলেছিলেন। ভারতে মুসলিম বিদ্বেষ, নির্যাতন, ইসলামী ইতিহাস ও ইমেজকে টার্নিস করার নানান কলা কৌশল অবলম্বন করা হয়। নিচের ভিডিও দেখুন। তাই আপনাকে বলেছিলাম, ‘আপনি কি ইমরানার কেস স্টাডি করেছেন? সকল পক্ষের বিবরণ পাঠ করেছেন? দারুল উলুম দেওবন্দের ফাতোয়া ও ফাতওয়ার বেসিস পাঠ করেছেন? এগুলো করে থাকলে বলেন। উইকির লিঙ্কে informed opinion ফরম করার তথ্য নেই। কিন্তু এসবের আগেই আপনি আলেমদেরকে ‘শয়তান’ আখ্যা দিচ্ছেন।’ কিন্তু এক সপ্তাহ পরে এসে আমাকে বলছেন, ‘আপনি কি ভারতীয় আইনকে চ্যালেঞ্জ করছেন (যে আইনে ইমরানার শ্বশুর শাস্তি পেয়েছে)? এভাবে ব্লগে চ্যালেঞ্জ করার কোনও সুযোগ নেই…।’ ভারতের বিচার ব্যবস্থা যদি নিরপেক্ষে হত, সেখানে মুসলিমগণ নির্যাতিত হত না। বাবরি মসজিদ মাটিতে নামত না, অরুদ্ধতি রায়ের ভিডিওতে যে অপরাধের ফিরিস্তি এসেছে সগুলো ঘটে যেতে থাকত না। আপনার ‘মতো’ ফালতুদের কাছে ভারতের বিচার ব্যবস্থার perception কি সেটা উক্ত ব্লগের আলোচ্য বিষয় তা ছিল না। আপনাকে যা প্রশ্ন করা হয়েছিল সেগুলোর উত্তর দেবেন, আর না হলে মুসলিমদের ওলামাদের ‘শয়তান’ বলার ধৃষ্টতা ত্যাগ করবেন। কেবল আপনার মত মূর্খরাই জাতিতে জাতিতে তাদের মুর্খামির কারণে সমস্যা সৃষ্টি করে। আপনাদের দৃষ্টি কেবল ইতরামি বিষয়ের দিকে। মাঞ্জি লেসবিয়ানের কথা প্রতিস্থাপন করে White-Widow নামক একটি খবিসের ট্যাবলয়েড সংবাদ দিয়ে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাচ্ছেন, get lost, do you have any common sense as to what you cite and what value that citation carries? You are a time waster! Is it a coffe house here that people of your sort would enter and debate in their ideas in fooolish manners?
Indian justice/Persecution of Muslims in India, take these.
rel="nofollow">এক rel="nofollow">
rel="nofollow">দুই rel="nofollow">
rel="nofollow">তিন rel="nofollow">
rel="nofollow">চার rel="nofollow">
অজয় রাউত
অক্টোবর ২৭, ২০১৩ at ২:০৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ এম আহমদ
“কিংশুক ভাইও কি 'গালিবাজ'? তার প্রশংসা (!) করতে বলছেন, “অপরিণামদর্শী গালিবাজ”! কই, আমি তো তাকে কোনো দিন গালি দিতে দেখেছি বলে স্মরণ হয় না। এই হচ্ছে আপনার characterisation!”
১.১.১.১ নং মন্তব্য দিকে নজর দিন।
“@কিংশুক: ভাই, কী যে বলি। আপনার মন্তব্যে বিদ্বেষী হিন্দুদের ব্যাপারে অনেক কটু--কথা বললেন। বললেন ওরা “কীট”, ঘৃণ্য, সাম্প্রদায়িক, একত্রে “চরম ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িক কীট”, শক্তের ‘জুতা চাটা’, এরা নৈতিক চরিত্র বিহীন, সুবিধাবাদী, বহুরূপী, (যারা রঙ বদলায়) ‘ওরা আর “মানুষ” হতে পারবে না’। এগুলোকেও তো পালটা বিদ্বেষী বলা যেতে পারে এবং ইসলাম বিরোধীও বলে ওয়াজও করা যেতে পারে।”
কটু-কথার মানে কি? হাসালেন মাইরি। চক্ষুলজ্জা তো একটু থাকা উচিত। মিঞাসাবের দেখি দুইকানই কাটা।
মউদুদির ‘খোতবাত’ এর বাংলা অনুবাদ হয়েছে ‘ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা’, প্রকাশক বাংলা ইসলামী প্রকাশনী ট্রাষ্ট, কলিকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৯৮৬। দেখা যাক শেষ অধ্যায় ‘জিহাদের হকীকত’।
কিছু আয়াতের উদাহরণ (যেমন; বাইয়েনাঃ ৫, তওবাঃ ৩৩, আনফালঃ ৩৯, ইউসুফঃ ৪০, কাহাফঃ ১১০, নেসাঃ ৬০-৬৪, আনকাবুতঃ ২,৩, ১০-১১, আলে ইমরানঃ ১৭৯, তওবাঃ ১৬, মুজাদালাঃ ১৪,১৯-২১) (বানান বই থেকে) দিয়ে বলা হচ্ছে, “উল্লিখিত আয়াতসমূহ হইতে সুস্পষ্টরূপে প্রমানিত হইতেছে যে, আল্লাহর দ্বীন ইসলাম ব্যাতীত অন্য কোন দ্বীন কোথাও বাস্তব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত থাকিলে তথাকার সত্যনিষ্ঠ আদর্শবাদী মুমিনদের পরিচয় এই হইবে যে, এই বাতিল ‘দ্বীন’ নির্মূল করিয়া প্রকৃত খোদায়ী দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য তাহারা সাধনা করিবে। তাহারা যদি বাস্তবিক তাহাই করে; নিজেদের সমস্ত শক্তি এই উদ্দেশ্যেই নিযুক্ত করে; নিজেদের প্রান পর্যন্ত কোরবানী দেয় ও সকল প্রকার ক্ষতি-লোকসান অকাতরে বরদাস্ত করে, তবে তাহাদের সাচ্চা ইমানদার হওয়ায় কোন সন্দেহ নাই। তাহাদের চেষ্টা-সাধনা সাফল্য লাভ করিল কি করিল না সেই প্রশ্ন অবান্তর।” পৃঃ ২২২।
আর পড়ার প্রয়োজন নেই, খুনোখুনির আইডিয়াটা ভালভাবেই পাওয়া গেল।
“জামাতিরা কোথায় ‘মোদীদের’ মতো জ্বালায়-পোড়ায়, ধ্বংস নির্যাতন করেছে? আপনি “indisputable” কোনো evidence দিতে পারবেন?”
আস্তে কন কত্তা, শুনলে ঘুরায় হাসব যে।
EVIDENCE দেওয়া যায় তবে DISPUTABLE না INDISPUTABLE সেটা নির্ভর করে একজন মুসলমান দেখছে না একজন জামাতি দেখছে তার উপর, দেখা যাক।
http://en.wikipedia.org/wiki/2013_Bangladesh_anti-Hindu_violence
http://en.wikipedia.org/wiki/1992_Bangladesh_violence
উইকি well-informed নয় কাজেই Disputable।
http://www.hindustantimes.com/world-news/Bangladesh/Temples-Hindu-houses-attacked-in-Bangladesh/Article1-1025762.aspx
http://www.niticentral.com/2013/03/02/jamaat-terrorises-bangladesh-hindus-burn-6-temples-51497.html
http://kafila.org/2013/03/09/wave-of-violent-attacks-against-hindus-in-bangladesh-amnesty-international/
http://www.hrcbm.org/
http://hindurevolution.blogspot.in/2011/06/what-happened-to-bangladeshi-hindus.html
কাফের এভিডেন্স কাজেই Disputable।
http://www.thedailystar.net/beta2/news/jamaat-continues-attacking-hindus/
http://bdnews24.com/bangladesh/2013/02/28/jamaat-men-attack-hindus-in-noakhali
http://dawn.com/news/792348/hindu-temples-homes-attacked-across-bangladesh
মুনাফিক এভিডেন্স কাজেই Disputable।
http://www.upi.com/Top_News/Special/2013/03/06/Recent-attacks-lead-Bangladesh-government-to-consider-Jamaat-e-Islami-ban/UPI-63691362546420/
http://www.publications.parliament.uk/pa/cm201314/cmselect/cmfaff/267/267vw14.htm
http://www.amnesty.org/en/for-media/press-releases/bangladesh-wave-violent-attacks-against-hindu-minority-2013-03-06
http://www.hrw.org/news/2013/03/01/bangladesh-end-violence-over-war-crimes-trials
ইহুদি নাসারা এভিডেন্স কাজেই Disputable।
তার উপরে জামাতিরা সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছে তাই সবগুলোই একজন জামাতির কাছে DISPUTABLE হবে সন্দেহ নেই।
ইউটিউবের লিংকগুলো অপ্রয়োজনীয়, পাকিস্তান বা বাংলাদেশে হিন্দুরা কীভাবে নির্যাতিত হচ্ছে এরকম লিংকও চাইলে দেওয়া যায়। কিন্তু আমি আপনার মত ঘৃণা ছড়াতে উৎসাহী নয়। আপনি বরঞ্চ কিছু ভালো জিনিষ দেখুন, যেমন শহিদ নামের নতুন হিন্দি সিনেমাটা অথবা rel="nofollow">এটাও দেখতে পারেন।
“Today, the world witnesses a growing tendency of militant interpretation of scriptural texts all across the religious spectrum including Islam and Christianity.” আমার এই কথাতে কি ঘৃণা বিদ্বেষ রয়েছে?
না মোটেও নেই, কিন্তু ২১ বছর বাদে এখন কোথা থেকে এল? জামাত মন্ত্রে কবে দীক্ষা নিলেন?
“দেখেন সে তসলিমার ব্যাপারে অরুদ্ধতী কি বলছে, ‘I don’t believe that a writer like Taslima Nasreen can undermine the dignity of 10 million people. Who is she? She is not a scholar of Islam. She does not even claim that Islam is her subject. She might have said extremely stupid things about Islam. I have no problem with the quotations that I have heard from her book. Dwikhandito has not been translated into English, but let’s just assume that what she said was stupid and insulting to Islam. But you have to be prepared to be insulted by something that insignificant.”
‘But you have to be prepared to be insulted by something that insignificant.’
ARE YOU? Then what about Salman Rushdee, Taslima Nasrin, Sam Bacile or the Padre who wanted to burn the Quran? Can’t you ignore those insignificants? Why so touchy? Is Islam always in danger? It is also to be noticed that, your brothers RSS & SANGH PARIWAR is also always in danger as they treated Maqbul Fida Hussain like you treated the others. But we true Indians are not in danger, never. Do you want to know our motto?
“অবৈরেণ চ সংহতি, এস ধর্ম সনাতনঃ” একমাত্র মিত্রতার দ্বারাই সমাজে সংহতি আনা যায় আর ইহাই সনাতন ধর্ম।
রাগ কমান, গালিগালাজ কমান, মতান্তর হতে পারে মনান্তর হবে কেন? ভালো থাকুন। আমি আর আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করতে চাইনা, কাজেই যা খুশি উত্তর দিতে পারেন। ধন্যবাদ।
এম_আহমদ
অক্টোবর ২৮, ২০১৩ at ৯:৩৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@অজয় রাউত:
আপনি আর আমার সময় নষ্ট করবেন না –এটা সুন্দর কথা। কিন্তু আপনাদের ‘মতোদের’ অনেকের অসংখ্য নিক থাকতে দেখা যায়, একটা অচল হলে আরেকটি সচল করতেও দেখা যায়। ঘটনা যেটাই হোক, আপনি এখানে ঢুকেছিলেন ভীমের গদা হাতে, রফরফি ডাকাতে, কিন্তু যুক্তির নাকাড়ি ভেঙ্গে পড়লে, শাস্ত্রীয় জ্ঞান উদয় হয়েছে, হাস্যকর তো বটেই। তবে আপনার উত্তর তো নিয়ে যেতে হবে, কেননা এবারেও সময় নষ্ট করেছেন।
(১ ক) মাওদুদীর সাথে হিন্দুর মন্দির ভাঙ্গা, হিন্দু পোড়ানো, নির্যাতন, ধর্ষণ ইত্যাদির সম্পর্ক পাওয়া
মাওদুদীর (র.) ব্যাপারে বলেছিলাম, “এখানে মাওদুদী আসে কীভাবে? কই “মাওদুদী” আর কই “মোদী” –এটা তো চরম মুর্খামি। মাওদুদীর সাথে হিন্দুর মন্দির ভাঙ্গা, হিন্দু পোড়ানো, নির্যাতন, ধর্ষণ –এগুলো কীভাবে জড়িত হবে? আপনি তাঁর বই-পুস্তক পড়েছেন? কোনো example দিতে পারছেন? Take this as a challenge. Study his work and come back, if you are a man and not a mouse.”
আপনি মাওদুদীর (র.) সাথে হিন্দুর মন্দির ভাঙ্গা, হিন্দু পোড়ানো, নির্যাতন, ধর্ষণ ইত্যাদির সম্পর্ক কোনো দূরতম উপায়ে প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। What can we say, a man or mouse? জিহাদের হাকিকত নামক ক্ষুদ্র এক চটি পুস্তিকা থেকে যা উদ্ধৃত করেছেন, তা আর যা’ই বলা হোক না কেন, মূর্খতার সাক্ষ্য বহন করে। উদ্ধৃত অংশ ও যে আয়াতগুলোর কথা বলছেন ওগুলোকেই কেন্দ্র করে ছিল মাওদুদীর paraphrasing. উৎস না বুঝে citation করতে গিয়ে আগের মতই নিজের পায়ে নিজেই কুড়ল মারছেন। আপনি কি ওই আয়াতগুলো মাওদূদীর বক্তব্যের সাথে মিলিয়ে দেখেছেন? আপনি কি সত্যিই সেই বই পড়েছেন? কোনো কিছু দলিল হিসেবে ছুড়ে দেবার আগে কি চেক করে দেখতে হয় না কী দিচ্ছেন? বিবেক কোথায়? পাছায়? দেখেন তো আপনার দেয়া কয়েকটি আয়াতের উদ্ধৃতি-সূত্রস্থ করে কোরান থেকে দেখাচ্ছি।
এখানে দ্বীনকে অপরাপর দ্বীনের উপর বিজয়ী করার কথা এসেছে। আপনি দ্বীনও বুঝেন না, দ্বীনের ব্যবস্থাও বুঝেন না, কিন্তু যেহেতু একজন মুশরিক তাই আপনার কাছে তা অপ্রীতিকর হবে এটাই স্বাভাবিক। (এখানে দ্বীন হচ্ছে প্রধানত সমাজ ব্যবস্থা যার কথা উদ্ধৃত পুস্তকের প্রথমে বলা হয়ে কিন্তু আপনি বুঝেন নি)।
এখানে ফিতনা/ফাসাদ/বিপর্যয় যে কী তাও আপনি জানেন না। কিন্তু যাদের চোখ আছে অথচ দেখে না, কান আছে অথচ শুনে না, অন্তর আছে কিন্তু বুঝে না, তারাই তো পথভ্রষ্ট। যে পুস্তিকা থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন, সেখানে ভূমিকায় এ বিষয়ে অনেক কিছু আলোচিত হয়েছে (যাত্থেকে আমি কিছুটা পরে উল্লেখ করে দেখাব), কিন্তু বিদ্বেষে যেহেতু চোখ আচ্ছাদিত ছিল, তাই মাওদুদী কী বলছেন, আর কোরান কী বলছে, আর কোন পঠভুমিতে কোন কথা বলা হচ্ছে তা বুঝতে পারেননি।
এই আয়াতগুলোতে ফিৎনা ফাসাদী ব্যবস্থার কথা স্থান পেয়েছে; এই ধরণের ব্যবস্থার নির্মূলের কথা এসেছে; আল্লাহর দ্বীন সর্বতোভাবে প্রতিষ্ঠার কথা এসেছে; এই পথে চেষ্টা-সাধনা করার কথা (জিহাদ) এসেছে কিন্তু এগুলো এসেছে সমাজ ব্যবস্থার সার্বিক সমস্যাকে কেন্দ্র করে, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে যা আপনার উল্লেখিত পুস্তকের পটভূমিতে এভাবে এসেছে:
এখানে আপনি কোথায় হিন্দুর মন্দির ভাঙ্গা, হিন্দু পোড়ানো, নির্যাতন, ধর্ষণ ইত্যাদির সম্পর্ক পেলেন? এগুলো মিথ্যাচার। না পড়ে, না বুঝে, ঘুম থেকে ওঠে পুরোহিতের চিৎকার, “আর পড়ার প্রয়োজন নেই, খুনোখুনির আইডিয়াটা ভালভাবেই পাওয়া গেল।” এসব কি কাণ্ড-কারখানা? কেন অপরের সময় নষ্ট করতে আসেন? আপনারা হচ্ছেন শ্রদ্ধানন্দের উত্তরসূরি। ‘শাস্ত্র’ মিথ্যাচার সম্পর্কে কী বলে? এসব কর্মকাণ্ডে কি সমাজ সংহতি নিহিত? গর্দভ যখন মুলার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে হাঁটে, তখন আর কিছু দেখে না, মুলাই হয় লক্ষ্যস্থল। আমি কি উলটো বলব, “আস্তে কন কত্তা, শুনলে ঘুরায় হাসব যে”? না আরবরা যা বলে যেমন কুত্তার উপর বোঝা চাপালেও হাঁপায় আবার না চাপালেও হাঁপায়?
(১ খ) জামাত ও ভারতীয় ইসলাম বিদ্বেষ, হত্যা নির্যাতন, মোদী কাণ্ড ও জামাতের সাথে সম্পর্ক।
আমার কথা ছিল মোদীদের আচরণ, ভারতীয় ইসলাম বিদ্বেষ, হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ, বাড়ী-বিতাড়ন এসবের অনুরূপ উদাহরণ জামাতে পাবেন না। কেননা বিগত ৪০ বৎসর ধরে এই যে বাৎসরিক ধর্ষণ, হত্যা, গুম, চুরি, ডাকাতি, চাপাতি হামলা, মামলার নির্যাতন, ব্যাঙ্ক ডাকাতি, বনজ-সম্পদলুট, মৎসসম্পদ-লুট –এগুলোতে আমরা জামাতি আলেমদের দেখতে পাচ্ছি না। একাত্তরের আগেও দেখতে পাচ্ছি না। কেবল একাত্তরে এসে পাকিস্তান রক্ষার্থে ওরা হত্যা আর ধর্ষণকারী হয়ে ওঠবে –এর পিছনে কোনো ‘উদ্দেশ্য’ও দেখা যায় না। এই অপবাদ হচ্ছে আপনাদের ও আপনাদের ‘জাতি’ ভাইদের।
এই মহলটি ব্যাপার হচ্ছে এই: এরা মাদ্রাসায় বোমা পায়, সংবাদ প্রচার করে; বাংলাদেশের সবচেয়ে অবিতর্কিত যে আলেম সমাজ যারা ‘হেফাজতি’ নামে পরিচিত তাদেরকেও সন্ত্রাসে জড়িত পায়, সংবাদ প্রচার করে; তাদের মাদ্রাসার ছাত্রদের ঘরে ‘জঙ্গি’ বই পায়, সংবাদ প্রচার করে; এদের সাথেও যুদ্ধাপরাধ জড়ায়, সংবাদ প্রচার করে। আর জামাতি/শিবির? নানান সৌধ ভেঙ্গে ওদের ওপর চাপাতে চায়। জনগণ অপরাধীকে হাতে নাতে ধরে পুলিশে দিলে দেখা যায় যুবদল কর্মী; আবার সে ‘পাগল’ আখ্যায় ছাড়া পেয়ে যায়। আজকে এমন ধরণের কোনো আলোচনার পরিধিতে প্রবেশ করলে সেটা অনন্তকাল চলতে থাকবে। আমার ব্লগ এই বিষয়ে নয়, এজন্য বলেছিলাম, “indisputable” এভিডেন্স। কেননা আমি জানতাম আপনার মত গোয়াররা আর কিছু না পেয়ে দৌড় মেরে একাত্তরের তথাকথিত ‘যুদ্ধাপরাধের’ ইস্যুতে চলে যাবে, অথচ এই বিচার পদ্ধতি আন্তর্জাতিকভাবে disputable. সুতরাং দেখাই যাচ্ছে আপনার indusputable উদাহরণ নেই। বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা, মুসলিম নির্যাতন, ওদেরকে পুড়ানো, ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়ন, হত্যা ধর্ষণ, কোরবানির কারণে নির্যাতন –এগুলো indusputable, এগুলো হচ্ছে এক ধর্মের লোক অন্য ধর্মের লোকের উপর হত্যা নির্যাতনের চাক্ষুষ প্রমাণ। এগুলোর পরিপ্রেক্ষিত ধর্মীয়। এমন ধরণের প্রমাণ চেয়েছিলাম। এমন কিছু থাকলে আমরা তা ‘লুকিয়ে’ রাখার পক্ষপাতী হব না; আলোচনার বাইরে রাখতে চাইব না; মোদীর দোহাই দিয়ে, ইসরাইলের দোহাই দিয়ে এগুলো জাস্টিফাই করব না। বরং সকল বিবেচনায় এর অবসান চাইব।
এখানে ভারতীয় ইসলাম বিদ্বেষ, নির্যাতন ও একাত্তরের ঘটনা ভিন্ন প্রকৃতির, একাত্তরের বাংলাদেশের গোটা আলেম সমাজই পাকিস্তানপন্থী ছিল, সেই প্রেক্ষিত ভিন্ন। একাত্তরে মুসলমানরা প্রধানত তাদেরই মধ্যেই যুদ্ধ করেছে, হত্যা বিগ্রহ করেছে। কিন্তু আপনার ঘিলুতে যখন এসব পার্থক্য ও সমঝ নেই, কোনো দলিল দস্তাবেজ নেই, তখন উত্তর আসবে কীভাবে? কী দিয়ে? তাই ফাজিলের ফাইজলামি কথা: “আস্তে কন কত্তা, শুনলে ঘুরায় হাসব যে!” মূর্খ কোথাকার!
(২) Repeat issue/অরুদ্ধতী/তাসলীমা/সেম বাসিল ইত্যাদি
‘But you have to be prepared to be insulted by something that insignificant.’
ঘিলুতে যখন কিছু নেই, তখন বার বার মূর্খামি করা ছাড়া আর কি থাকতে পারে? অরুদ্ধতী রায় তাসলীমাকে দারুণভাবে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, এমনকি ‘stupid’ বলে, টার্নিস করল এবং তার অবস্থানকে ‘insignificant’, তুচ্ছ, গুরুত্বহীন স্থানে বসাল। তারপর বলল, But you have to be prepared to be insulted by something that insignificant. এখানে কী বলা হচ্ছে? ‘You’ বলতে কি মুসলমানদের address করছে? Why would I talk to an idiot like you? You repeatedly come here to argue on a matter that it is beyond your capacity to argue. This ‘you’ is a hypothetical subject. And even if, taken hypothetically, the subject is Muslims, then what does it mean? The question posed in the hypothesis is about the prparedness to address the “insignificant”, the insult of the “insignificant”. And the thing that is “insignificant” is, and will be, treated as nothing more than ‘insignificant’ by the Muslims. They are doing it in their way, in their terms. So what’s in it for you? How strange should the discussion get? Everything goes against the grains of your argument, yet you move on jumping from one thing to another, not even knowing the distincitons and differences that lie in between. The destruction of Babri Mosque, killing of Muslims, burning them in train, raping their women, driving them out of their homesteads, oppressing them for their religius duties like the scrifice of cows: all these are different issues. So too are Taslima, Sam Bacile, burning of Quran -everything cannot be slot together in a single debate-setting, but your skin thick and and you have the time to take pounding on yourself! How sad!
(3) repeat issue 2. আলেমরা শয়তান (নাউজুবিল্লাহ)/ভারতের আইন স্বর্গীয়
এই যে আপনি এক প্রসঙ্গ থেকে বানরের মত অন্য প্রসঙ্গে যান –এটা কেন? যখন প্রমাণের সামনে করার মত কিছু থাকবে না, তখন কি করা উচিৎ? বিষয়টি settle করে, তবেই তো অন্য প্রসঙ্গে যাওয়া উচিৎ। এখানে বিষয় কী ছিল? কেন ভিডিও লিঙ্ক দেয়া হয়েছিল? ফাজিল বিদ্বেষী কোথাকার! উপরের মন্তব্য পড়ুন, আপনি আলেমদেরকে ‘শয়তান’ বলেছিলেন, একটি কেসের কথা উত্থাপন করেছিলেন, ভারতীয় আইনকে জাস্টিফাই করেছিলেন। সেই প্রেক্ষিতে এই ভিডিওগুলো দেয়া হয়েছিল যেগুলো আপনার অসারতা প্রমাণ করে। এগুলো বাস্তব নির্যাতনের চিত্র বহন করে। প্রমাণ দাখিল করে। কিন্তু কী বলছেন? বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হিন্দু নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে তা ভারতের নির্যাতন জাস্টিফাই করছেন। আপনি যদি ‘মানুষ’ হতেন, তবে বলতেন, ‘এগুলো দেখে নিজের ভুল বুঝলাম, দুঃখিত হলাম। এধরণের কোনো কাজ কোনো ধর্মে স্থান পাওয়া ঠিক নয়।’ কী যে মানুষ!
(৪) Repeat issue 3. গালিবাজ
আপনি হচ্ছেন একজন হীন মানসিকতার লোক, মানুষে মানুষে উদ্ঘর্ষণ ঘটানোর প্রয়াসী। কিংশুক ভায়ের কথায় যদি আমি গালাগালি দেখতাম তবে কেন বলতাম, ‘আমি তো তাকে কোনো দিন গালি দিতে দেখেছি বলে স্মরণ হয় না’? অথচ তার সাথে আমার অনেক বিষয়ে মত পার্থক্য রয়েছে। কিংশুকের কথাকে গালি বানানোর অভিসন্ধি হচ্ছে আপনাদের জাতীয়। আপনি আমার লেখাকে একজন ‘মন্দ লোকের দৃষ্টিতেও মন্দ’ দেখাতে প্রয়াস পাচ্ছিলেন। আর এই comparison স্থাপন করেছিলেন কিংশুককে 'গালিবাজ’ বানিয়ে! বর্ণবিদ্বেষীদের কৌশল বটে! এখানে আরেকটি উদ্দেশ্য ছিল আর সেটা নিম্নরূপ:
কিংশুক ভাই তার দ্বিতীয় মন্তব্য (১.১.১) যে আঙ্গিকে ধারণ করে ইসলামি অবস্থানের কথা উল্লেখ করেছিলেন, সেই অবস্থানটি আমার দৃষ্টিতে স্থানচ্যুত ছিল। তাই আমি তার ইসলামি অবস্থানের বিষয়টি এবং সেই যুক্তি ও যুক্তির নিরিখকে উপপ্রমেয়তে ‘কটু-কথায়’ এনে বিবেচনা করলে উলটা ইসলামি অবস্থান যে দেখানো যায় (অর্থাৎ তার ব্যবহৃত phrase কেও কটুকথায় এনে ওয়াজ করা যেতে পারে) –এমন পরিপ্রেক্ষিত উপস্থাপন করি যেটির মাধ্যমে আমাদের মধ্যে বিষয়টি নিরোসিত হয়। কিন্তু কোনো একটি বাস্তবতা যদি ঘৃণা, বিদ্বেষ, অনৈতিকতা, সাম্প্রদায়িকতা, মিথ্যাচার, অমানবিকতা, সুবিধাবাদী ইত্যাদি দেখায় তবে সেই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এই শব্দগুলোর ব্যবহার বাস্তবতা বহির্ভূত হয় না। It states the facts as it appears. কিংশুকের কথাগুলো ছিল তাই। তাছাড়া উপপ্রমেয়ের বাইরেও যদি বিবেচনা করা হয়, তবে ‘কটু’ প্রথমত, এবং আপনাতেই, গালি হয় না –তিক্ত, কঠোর, অপ্রিয়, তির্যক ইত্যাদি হতে পারে। তাই আমার মন্তব্যের পর (১.১.১.১) আমাদের মধ্যে বিষয়টা mitigated হয়ে যায়। তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেন। আর তা না হলে, তিনি তা অগ্রাহ্য করে মন্তব্য করতেন।
কিন্তু বিষয়টি আপনার কাছে mitigated হবে কেন? এতে আপনার ‘তুলনার’ কি হবে? তাছাড়া আমাদের মধ্যে কোনো ইস্যুতে ‘ঝটলা’ থাকলে লাভটা কার? আপনাদেরকে কী আমরা নতুনভাবে চিনতে হবে? মিয়া সাহেবদের ‘চক্ষুলজ্জা’ আর কানের বিষয় যে কী –তা বুঝি আমরা ঠের পাই না? ‘শাস্ত্র’ পাঠ শুরু করলেই কী পরিচয় ভিন্ন হয়ে পড়ে?
(৫) ভীমের গদা ছুড়ে দিয়ে শাস্ত্র পাঠ
শুনেন, আপনি এসেছিলেন ভীমের গদা হাতে। রফরফি ডাকাতে। কিন্তু যুক্তির মাথায় চড় থাপ্পড় পড়ায় শুরু হয়েছে শাস্ত্র পাঠ! অপর ধর্মের আলেমদেরকে শয়তান বলাতে ‘শাস্ত্র’ কোথায় ছিল? শাস্ত্র এ বিষয়ে কি বলে? এতে কি সমাজে সংহতি আসে? অপরের ধর্ম না বুঝে, একজন লেসবিয়ান দেখিয়ে তাদের ধর্মে সংস্কার উপদেশ দেয়াতে “শাস্ত্র” কি বলে? এসবে কি আপনার শাস্ত্র মিত্রতা দেখে? আপনার ধর্মে নির্যাতন, হত্যা, নিপীড়ন, ধর্ষণ, নিরপরাধকে তাড়িয়ে দেয়াকে পাকিস্তান বাংলাদেশের দোহাই দিয়ে কেন জাস্টিফাই করে? “শাস্ত্র” কি বলে? এ সবের মধ্যেই “সনাতন ধর্ম” কেন হবে? নির্যাতন/নিপীড়নের প্রমাণাদি ‘লুকিয়ে’ রাখতে “শাস্ত্রের” অবস্থান কি? পর ধর্মের এক আলেম যার ব্যাপারে আপনার জ্ঞান নেই তাকে ‘অপবাদ’ দেয়াতে “শাস্ত্র” কি বলে? অপরের “শাস্ত্র” না বুঝে উদ্ধৃতি ও ব্যাখ্যার মুর্খামি চালাতে “শাস্ত্র” কি বলে? এতে কি মিত্রতা সৃষ্টি হয়? সমাজে সংহতি আসে? জ্ঞানের পাছায় লাথি পড়লে “শাস্ত্র” কি বলে? যুক্তির পাছায় লাথি খেলেই কি বোধজ্ঞান আসতে হবে? “শাস্ত্র” কি বলে?
শুনেন, আপনার শাস্ত্রীয় জ্ঞান নেই, আপনি শাস্ত্রীও নন –নিছক একজন মূর্খ। তাও আবার ইসলাম বিদ্বেষী, মুসলিম বিদ্বেষী, না হলে এভাবে আপনার মন্তব্য প্রকাশ পেত না। কেবল উদ্ধৃতি দিতে পারাতেই শাস্ত্রীয় জ্ঞান প্রকাশ পায় না।
আরও শুনেন, কোনো ব্লগে গিয়ে বিষয়-আশয় না বুঝে, কারও লেখায় ঘৃণা খুঁজে বেড়াবেন না। ‘শাস্ত্রের’ কথা মনে রাখবেন। গাছে-মাছে ফাইজলামি উক্তি করতে যাবেন না, যেখানে কেনিয়া/স্বর্গ, মর্ত, টানার স্থান নেই সেখানে তা টানতে যাবেন না, শাস্ত্র মনে রাখবেন। আপনার ধর্মে ধ্রুপদী কীর্তি/দেবতা স্তুতি আছে, তাই বলে অন্যের ব্লগ পড়েই সেটাকে ধ্রুপদী সাহিত্য বানাতে যাবেন না। শাস্ত্রের কথা স্মরণ রাখবেন। এগুলোতেও মিত্রতা থাকে, সমাজের সংহতি নিহিত থাকে। যুক্তির পাছায় লাথি খেয়ে ‘সনাতন ধর্মের’ চিৎকার করে লাভ নেই, আগ থেকেই করুন। আমার মনে হয় এখানে, যেকোনো উপায়ে, যে শিক্ষা পেয়েছেন তা মনে রাখবেন।
এই ব্লগে কোনো ঘৃণা বিদ্বেষ নেই। যারা ‘সাম্প্রদায়িক’, এবং যারা তাদের আদর্শের বাইরের লোকজনকে ‘সাম্প্রদায়িক’ আখ্যায় দুশমন বানিয়ে রেখেছে, তারা যেকোনো কিছুতেই তাদের দুশমনের উপস্থিতি অনুভব করে।
আমার ধর্মকে আমি হাসি তামাশার বস্তু হিসেবে গ্রহণ করিনি। আমরা আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে, চরম মূল্যের বস্তু (যেমন নবী, কোরান, নবীর পরিবার ইত্যাদি) নিয়ে হাসি তামাশা করি না, কাউকে করতেও দেই না। আমাদের ধর্মীয় ‘সেন্স’ আছে বলেই যেখানে ‘সেনসিটিভ’ হওয়ার প্রয়োজন, সেখানে সেনসিটিভ হই। আমরা মডার্নিস্ট সেক্যুলার লারে-লাপ্পা মুসলিম নই যে রাজীবদের মত কুলাঙ্গারগণ যা-তা বলবে আর আমরা তাদের সাথে মিলে pretend করব যে কিছুই হয়নি, সবকিছু ঠিক আছে। আমাদের রাগ, গোস্মা, ভালবাসা, পাওয়া, না-পাওয়া –সবকিছুই আল্লাহর জন্য। আপনি আমাকে ধৈর্যের সবক শিখাতে হবে না, আপনি আমাকে কোন্টি গালি, আর কোন্টি নয়, সেকথা বুঝাতে হবে না। আপনি নিজে বুঝুন এবং আমল করুন। যাদেরকে আল্লাহ যুক্তির নাকাড়ি ভাঙ্গার শিক্ষা দিয়েছেন তাদের সামনে পার্থক্য আওড়াতে হবে না। যেটা করার সেটা করেন। আপনার নিজ ধর্মের নির্যাতনের বিপক্ষে যতটুকু পারেন ততটুকুই অবস্থান নেন, জাস্টিফাই করবেন না, এটা অমানবিক। আপনার ধর্মের যে সব বিদ্বেষী লোক দিনরাত ইসলাম-বিদ্বেষ দেখাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। লিখুন। নিজেও সংযত হোন। তবেই “অবৈরেণ চ সংহতি, এস ধর্ম সনাতনঃ” কথার অর্থ প্রকাশ পেতে পারে। অর্থাৎ বাস্তবে, উদ্ধৃতি দিতে পারাতে নয়।
ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।
________________________________________________
প্রতিমন্তব্য চার
প্রতিমন্তব্য পাঁচ
প্রতিমন্তব্য ছয়
অন্যগুলো
প্রতিমন্তব্য এক
প্রতিমন্তব্য দুই
প্রতিমন্তব্য তিন
এম_আহমদ
নভেম্বর ৩, ২০১৩ at ৭:২৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার এই ব্লগে যারা ছোট আকারের মন্তব্য করেছেন এবং আমার সাথে সরাসরি আলোচনা করেননি, তাদেরকে এই পর্যায়ে, পাঠ ও মন্তব্যের জন্য, ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি। এই সাথে আগামী কোনো দিনে যারা এই ব্লগ পড়ে থাকতে পারেন তাদের জন্য আমার প্রধান প্রধান কয়েকটি প্রতিমন্তব্যের লিঙ্ক আলাদাভাবে স্থাপন করছি যাতে করে সহজে সেগুলো তাদের দৃষ্টিগোচর হতে পারে। প্রতিমন্তব্যের উপরেই থাকে মূল মন্তব্য যার প্রেক্ষিতে প্রতিমন্তব্য হয়।
প্রতিমন্তব্য এক (আবু সাঈদ জিয়ার প্রতি)
প্রতিমন্তব্য দুই (আবু সাঈদ জিয়ার প্রতি)
প্রতিমন্তব্য তিন (আবু সাঈদ জিয়ার প্রতি)
প্রতিমন্তব্য চার (অজয় রাউতের প্রতি)
প্রতিমন্তব্য পাঁচ (অজয় রাউতের প্রতি)
প্রতিমন্তব্য ছয় (অজয় রাউতের প্রতি)
সব শেষে যারা ইন্টারনেটে বিচরণ করেন তারা কোরবানির বিপক্ষে কী ধরণের হিংসাত্মক, আক্রমণাত্মক প্রচারণা হয়ে থাকে তা দেখে থাকবেন। তারা এও দেখে থাকবেন যে কোরবানিকে অসভ্যতার সাথে, নির্মমতার সাথে এবং গরু জবাই ও রক্তের সাথে সন্ত্রাসের সমন্বয় দেখিয়ে নানান প্রচারণা হয়। এসবের মধ্যে সামাজিক সংহতি নেই। সারা বিশ্বে গরু খাওয়া যদি অপ্রতিরুদ্ধ বিষয় হয়, তবে হিন্দু-মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় গরু কোরবানিকে ইস্যু করা উচিৎ নয়। ঈদের দিন মুসলিমদের খুশির দিন। এই খুশিকে আবার কোরবানির ‘জবাই’ মুহুর্ত্তের সাথে সম্পৃক্ত করে দেখা মুসলমানদের মানবতাকে ‘হীনমন্য’ করে দেখার মত হয় –এটা অযৌক্তিক। এমন ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ বিষয়টিকে সমস্যায় রূপায়িত করার সামিল হয় বা সেই সমস্যার অনলে ঘি ঢালার হয়। একটি উটের দাম একটি গরুর দামের দ্বিগুণের চেয়েও বেশি,আবার আমাদের দেশে উটও নেই এবং উটের গোস্ত খেতে মানুষ অভ্যস্তও নন, নতুবা অন্তত একটা সার্বিক বিকল্প চিন্তা করা যেতে পারত।
সবাইকে পাঠ, মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
এম_আহমদ
জানুয়ারি ২৫, ২০১৪ at ৩:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
rel="nofollow">ক্লিক করুন ও ভিডিওটি দেখুন। গরু জবাই নিয়ে বেদগ্রন্ত কি বলে তা এই ভিডিওতে উদ্ধৃতির মাধ্যমে স্থান পেয়েছে। হাতে বেশি সময় না থাকলে 14:00 মিনিট থেকে শুরু করতে পারেন। তাতেই মূল বস্তু পেয়ে যাবেন। বেদের কথাগুলো এই মর্মে এসেছে যে গরু জবাই করা যাবে না, যারা গুরু জবাই করবে তাদেরকে হত্যা করবে। তাদেরকে ধ্বংস করবে, শাস্তি দেবে। ‘Destroy those who kill cow!’ হিন্দুদের গরু যারা জবাই করবে তাদেরকে সীসার গুলি দিয়ে মারবে!
হিন্দুরা এই জগতের একমাত্র জাতি নয় এবং মুসলমানরাও একমাত্র গরু-খেকো নয়। কিন্তু সহিংসতা যদি ধর্ম গ্রন্থে থেকে যায় তবে এর সমাধান গ্রন্থিকদেরকেই বের করতে হবে। মুসলমানদের প্রতি আক্রোশ প্রকাশে, তাদেরকে ‘শাস্তি’ দিয়ে অথবা তাদের পক্ষের চামচা চাটুকারদের দিয়ে মুসলমানদের বাক-রুদ্ধ করার প্রয়াস চালাতেও নেই।
আমরা চাই হিন্দু ধর্ম অন্যান্য ধর্মের মানুষ ও তাদের ধর্মের গরুর মধ্যে গুরুত্বের পার্থক্য করবেন। নিজ ধর্মের বিধান যাতে পরধর্ম পর্যন্ত বর্ধিত হয়ে সহিংসতায় না পৌঁছায় সেই শিক্ষা আবিষ্কার করবেন। হয়ত এমনও হতে পারে যে ঐ ভিডিওটিতে বেদ থেকে এক ব্যক্তি তার ইচ্ছে-মাফিক কিছু বাণী সেলেক্ট করে এনেছেন কিন্তু এগুলোকে ভেলেন্স করার মত হয়ত আরো বাণীসমষ্টি রয়েছে যেগুলো আনা হয়নি। হিন্দুরা মুসলমানদের শারিয়ার কিছু বিষয় বিবেচনা করতে পারেন। ইসলাম ধর্মে শুয়ার খাওয়া হারাম, পালন ও বেচা-কেনাও হারাম, কিন্তু অমুসলিম সম্প্রদায়ের উপর ইসলাম এই সংক্রান্ত কিছুই চাপিয়ে দেয় না, মদ খেতেও বারণ করে না। ইসলামের শরিয়া বলে মুসলমানদের কাছে ছাগল ভেড়ি যেমন, ওদের কাছে তাদের শুয়ারও তেমন। এমনই যদি হয় পারস্পারিক ধর্মীয় সম্পর্কের বিষয় তবেই শান্তি বজায় থাকতে পারে।
ভিটিওটি ‘অগ্নিবীর’ নামক ব্লগসাইটের সূত্রে প্রাপ্ত, যাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে এই, “অগ্নিবীর দ্ব্যার্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করছে যে আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে বৈদিক ধর্মকে সমগ্র মানব জাতির ধর্মে পরিণত করা। হ্যাঁ, আমাদের ধর্মান্তরিত করার মদোন্মত্তত্তা রয়েছে।” ভারতবর্ষে মুসলমানদেরকে হিন্দু ধর্মে ‘ফিরানোর’ অনেক আন্দোলন হয়েছে এবং ইসলামের বিপক্ষে তাদের প্রোপাগাণ্ডা তো সুবিস্তৃত। তবে এটাও সত্য যে যখন তারা আর্যদেরকে ভারতের আদি বাসিন্দা ও মুসলিমদেরকে বিদেশি বলেছে, আর্য ও হিন্দু সংস্কৃতির প্রাধান্য প্রতিষ্ঠায় প্রোপাগান্ডা করেছে তখন তাদের পক্ষে মস্তিষ্কশুন্য কিছু মুসলিম চাটুকারও পেয়েছে। দেখি, সময় করতে পারলে এক সময় কিছু লিখব।
উল্লেখিত সাইটিতে একটু পড়লেই বুঝা যাবে কত বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা সেখানে।
দ্রাবীড়দের ব্যাপারে বলছে, ‘এর সংস্কৃত মূল দ্রব। এর অর্থ তরল জাতীয় বা জলীয়।’ হাস্যকর। তরল জাতীয় কিছু দিয়ে কোনো জাতির পরিচিতি আসে না। তা আসে সাধারণত গোত্র প্রধানের নাম বা স্থান বা ভাষার নাম থেকে। এই প্রেক্ষিতে নানান মত আছে। কেউ কেউ মনে করেন এই পরিচিতি ভাষিক, বেলুচিস্থান বা ঐ ধরণের স্থান থাকে আসা কোনো গোত্রসমষ্টি। অনেকের মতে আবার হরপ্পা মোহেঞ্জোদারো সভ্যতা থেকে চলে আসা। উভয় দিক থেকে সেমেটিক উৎসে যায়। সেমিটিক ভাষা শ্রেণীর সাথেও শব্দটি ভাল যায়। এরা নূহের অধস্তন সেমের বংসদ্ভূদ জাতি, সেমিটিক। ফিহির বা ফির-এর সন্তাদের বাসস্তান। ‘দ্রাবীড়’ হচ্ছে ‘দার-আবি-ফির’ (দারাবীর) অথবা ‘আবীরের’ বাসস্থান, ‘দার-আবির’ এর অপভ্রংশ। সেমিটিক ভাষা-শ্রেণীতে ‘দার’ হচ্ছে বাসস্থান। এখানে তরল-গরল দিয়ে যেসব গল্প সাজানো হয়েছে তা হচ্ছে খাটি ‘আর্যামি’। তাদের উদ্দেশ্য দ্রাবীড় (Dravidian) বলতে আদপে কেউ ছিলই না!
এম_আহমদ
মে ১০, ২০১৪ at ১১:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
A reference about the civilised
Those whose ability is relatively less to witness such cruelty on animals mustn't see the whole of it. I have just seen a small proportion, but linked it here for future reference. Things get forgotten, but here in my blog it will remain. But think, if the Muslims were involved, how would the world express their outrage?
এম_আহমদ
অক্টোবর ৪, ২০১৪ at ১:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আজ ঈদ। সদালাপের পাঠক মহলকে আমার ঈদের শুভেচ্ছা। এই শুভেচ্ছা সকলের প্রতি সমভাবে প্রসারিত -যারা ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক ও যারা হিন্দু ও বিদ্বেষি, সকলের প্রতি। আজ মক্কায় কয়েক মিলিয়ন লোকের সমাগম। মানুষ তার ধন-সম্পদের প্রতি যে খুবই আকৃষ্ট -একথা কেউ কাউকে বুঝিয়ে বলার দরকার নেই। কিন্তু দেখুন, এই যে তারা হাজার হাজার ডলার/পাউন্ড খরচ করে এবং শারীরিক ও মানসিক কষ্ট সহ্য করে, আল্লাহর উদ্দেশ্য, হজ্জ সমাপন করতে গিয়েছেন, তাদের এই মেহনত, এই শ্রম এই উদ্যোগ আমাদের মানব সত্তারই এক উজ্জ্বল দিগন্ত উন্মোচন করে। আজ তারা এবং বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান রোজাও রেখেছেন। নিছক মানবিক দৃষ্টিতে তাকালেও এখানে যে ত্যাগ-তিতিক্ষার নজির স্থাপিত হয়, তা কেবল আল্লাহর সাথে সম্পর্কের বাস্তবতা নির্দেশ করে। এখানে বিশ্বাসের বাস্তব নমুনাই বিরাজিত। এই জনগোষ্ঠী বিশ্ব মানবতার একটি অংশ, রক্ত মাংসের মানুষ। যারা মুসলমানদের ধর্ম ও বিশ্বাসের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেন, তারা একটু নমনীয় হয়ে, মানবতার এই প্রেক্ষিতের দিকে তাকাতে পারেন যেখানে বিশ্বাসী মানব তার বিশ্বাসকে কীভাবে উজ্জ্বল করে তুলতে পেরেছে, সেই দৃশ্যটির দিকে তাকাতে পারেন। যারা 'প্রাণী-হত্যার' আক্রোশে বিদগ্ধ, তারা এই ভেবে একটু স্বস্তি নিলে কেমন হয় যে এই প্রাণীগুলোর মোকাবেলায় অপর হাজারও প্রাণীর জৈবিক চাহিদা নিবারিত হচ্ছে। এই প্রাণীগুলো না পুড়িয়ে ফেলা হয় আর না নিক্ষিপ্ত হয় কোনো সাগরে। এগুলো প্রসেসিং হয়ে গরীবের ঘরে যায়। এর পরেও যদি কারো বিদ্বেষ, আক্রোশ একটুও প্রশমিত না হয়, তবে কী আর করা। চলতেই থাকুক। তবে, আজকে সকলের প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক।
মানকচু
মার্চ ২০, ২০১৫ at ৭:২৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ এস আহমেদ
কিন্তু আজও আমরা হিন্দু বিদ্বেষী নই। আমাদের লেখা কেবল ইসলাম বিদ্বেষী বর্ণবাদি হিন্দুদের মোকাবেলায়।
আপনার অনুভূতিটি সম্ভবত ঠিক নয়। আপনি ভারতের পিকে ছবিটি অবশ্যই দেখেছেন। সেখানে কিন্তু হিন্দু ধর্ম এর অসারতা বেশি তুলে ধরেছে। আমাদের মুসলিম দেশে ইসলাম ধর্ম নিয়ে সমালোচনা হবে সেটাই ঠিক।
সমালোচনাকারী কোন বংশে/ধর্মে জন্মগ্রহন করলো সেটা বিষয় কি? নাকি তার লেখাটা বিষয়? যা হোক মৌলবাদী সরকার ধর্মের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। ভারতেও সেটাই হচ্ছে।
এম_আহমদ
মার্চ ২৩, ২০১৫ at ৫:৫৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার কথা ঠিক আছে তবে সমালোচনা ও বিদ্বেষ এক বস্তু নয়। আমরা বিদ্বেষী নই -এই পার্থক্য করেছি। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
এম_আহমদ
সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৫ at ১০:০৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
[১] সবাইকে ঈদ মোবারক। গরু কোরবানি নিয়ে দুই বৎসর আগের এই লেখাটির প্রসঙ্গে আজ আরেকটি দিক সংযোজিত হয়েছে বলা যেতে পারে। আর তা হল, "কিনেন গরু, বেচেন হাতি"। এই যে গরুকে ইনজেকশন দিয়ে, ঔষধ খাইয়ে, হাতি বানিয়ে, বিক্রি করা হচ্ছে এর পরিণতি কি? এমন পরিণতি তো অনেক বৎসর পরে ধরা পড়বে। কিন্তু তখন যে যে রোগে ভোগবে, সেদিন কী খেয়ে কী হয়েছে তা হয়ত দৃষ্টি-গোচরে থাকবে না। অর্থের লোভ মানুষকে পশুর চেয়েও হীন বানিয়ে দিচ্ছে।
___________________
[২] আপনারা জানেন ভারতে মুসলমানরা গরুর গোস্ত ওয়ার ‘অপরাধে’ অনেক প্রায়ই নির্যাতিত। এই বৎসর কয়েকটি ঘটনা ঘটে গিয়েছে। জালিমগণ একটি ব্যক্তির জিহবা কেটে দিয়েছে, এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। আজ এখানে একজন বিচারপতির প্রতিবাদ দেখলাম। তাই তা এখানে রাখছি। https://www.facebook.com/529399750570173/videos/534889550021193/
[৩] https://www.facebook.com/dhakarnews/videos/843652592397472/?pnref=story
এম_আহমদ
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৬ at ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গরু খাওয়া ও গণধর্ষণ
ভারতে কোরবানি করা এবং গরুর গোশত খাওয়ার অপরাধে হত্যাসহ নানান নির্যাতনের বাস্তব বিবরণ বিস্তৃত হয়ে আছে। এই নির্যাতন ও আক্রমনের কোন শেষ নেই। কেউ গুগলিং করলেই স্ক্রিনে ভেসে আসবে অনেক বিবরণ। ইউটিউবেও দেখা যাবে নানান নির্মম কাণ্ড। গতকাল এই খবরটি নজরে আসল: গরুর মাংস খাওয়ার 'শাস্তি' গণধর্ষণ।
‘গরু কুরবানি দিলে মুসলিম নারীদের ধর্ষণের নির্দেষ দিলেন গো-রক্ষক দলের প্রধান’।
–কিন্তু সেকি সেক্যুলার রাজ্যে গ্রেফতার হয়েছে?
এসব বাকরুদ্ধকর।
এই লেখাটি ৩ বৎসর আগের। কিন্তু উল্লেখিত বাস্তবতার অবনতি ছাড়া কোন উন্নতি নেই।
এম_আহমদ
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৬ at ৮:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গরু কোরবানির বিরুদ্ধে বিডিনিউজ২৪ ডটকমের দুঃসাহসিক প্রচারণা
ভারতী রাজাকারগণ এদেশে নানান মুখোশে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কাজ করছে। একদিন হয়ত তারা “বিদেশি” মুসলিমদেরকে আরব জগত থেকে উট এনে কোরবানীর কথা বলবে। উটের প্রচলন করে এদেশে গরু কোরবানী নিষেধ করতে দাবী তুলবে। ইদানীং হিন্দু-বৌদ্ধ খৃষ্টিয়ান পরিষদ থেকে কোরবানী বন্ধের দাবী সম্বলিত একটা খবর কোথায় দেখেছি, এখন পাচ্ছি না, না হলে লিঙ্ক করতাম।
এম_আহমদ
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৬ at ৮:৫৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হিন্দু শাস্ত্রে গো-মাংস ভক্ষণের বিধান আছে। মমতা ব্যানার্জী শুধু খায়ই না, চ্যালেঞ্জও করে। কিন্তু মুসলিমরা গো-গোস্ত খেলে নির্যাতন, প্রাণহানি ও নারীধর্ষিতাও হয় (বিবিসি উৎস)। ভারত আবার সেক্যুলার। গো-মাংস রপ্তানিও করে। এই ঘি-চম-চমওয়ালারা আবার তাদের পক্ষে পার্শ্ববর্তী দেশে রাজাকারও তৈরি করতে পারে। বড় আযব এই দুনিয়া।
মাহফুজ
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৬ at ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হিন্দু ধর্মগ্রন্থ থেকে গরুর মাংস খাওয়া এবং শূকরের মাংস না খাওয়া সম্পর্কীত কিছু বাণী তুলে ধরার চেষ্টা করলাম:-
ABOUT BEEF EATING FROM HINDUS SCRIPTURE:
Manusmriti: chapter 5, verse 30: "It is not sinful to eat meat of eatable animals, for God has created both the eaters and the eatables".
Aapastanba Grishsutram (1/3/10): says,"The cow should be slaughtered on the arrival of a guest, on the occasion of 'Shraaddha of ancestors and on the occasion of a marriage".
Rigveda (10/85/13): declares "On the occasion of a girls marriage oxen and cows are
slaughtered".
Rigveda (6/17/1): states that, "Indra used to eat the meat of cow, calf, horse and buffalo".
Vashishta Dharmasutra (11/34): says, If a Brahmin refuses to eat the meat offered to him on the occasion of, 'Shraaddha' he goes to hell".
Hinduisms great propagator Swami Vivekaanand said thus: "You will be surprised to know that according to ancient Hindu rite and rituals, a man cannot be a good Hindu who does
not eat beef ". (The complete works of Swami Vivekanand vol: 3/5/36)
The book "The history and culture of the Indian people" published by Bharatiya vidya bhawan, Bombay and edited by renowned historian R C Majumdar (vol 2, page 18): This is said in the mahabharata that "king Ratinder used to kill 2000 other animals in addition to 2000 cows daily in order to give their meat in charity".
Aadi shankaraachaarya commentary on Brahadaranyako panishad 6/4/18 says: 'Odaan' rice mixed with meat is called 'maansodan' on being asked whose meat it should be, he answers 'Uksha' is used for an ox, which is capable to produce semen.
PORK PROHIBITION FROM HINDUS SCRIPTURE:
Manu Smriti Ch 5 Verse 19: “A Brahmin should not eat Mushroom, pig, Onion otherwise he will fall”
Vishnu Sutra Ch 5 Verse 49: “Those who sell the pig meat, same punishment will be given to him (Chop off his opposite limbs)’
এম_আহমদ
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৬ at ৩:৪৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@মাহফুজ: ধন্যবাদ
এম_আহমদ
জুলাই ২৯, ২০১৮ at ৪:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভারতের হিন্দুরাই এই অঞ্চল থেকে সবচেয়ে বেশি গরু জবাই ও রপ্তানী করে। এটা অত্যন্ত স্পষ্ট যে গরু খাওয়া নিয়ে যে হিংসা-বিদ্বেষ পরিচালিত হয়, যেখানে সাধারণ হিন্দুদের হাতে সাধারণ মুসলিম নিহত-নির্যাতিত হয়, তা একটি বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠী দ্বারা চালিত। সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ ও সংহতির জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের উন্নত ও মহৎ-মনা লোকদের আরও এগিয়ে আসতে হবে।