অত্যান্ত সাফল্যজনক ভাবে একটা চমৎকার বিচার চলছে বাংলাদেশে - খুব সহজ ভাষায় বলা যায় - পৃথিবীর কোন দেশেই এতো প্রতিকূল পরিবেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়নি। সেই বিবেচনায় বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে আগামী প্রজন্ম গর্ব করতে পারবে - সন্দেহ নেই। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের দল, তাদের স্বজন আর তাদের অর্থের ব্যবহার হচ্ছে বিচারকে বিতর্কিত করতে। সর্বশেষ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায়ের ড্রাফট চুরি করা হয়েছে - অবশ্য যারা যুদ্ধাপরাধের মতো জঘন্য অপরাধ করতে পারে - তাদের জন্যে চুরির মতো সামান্য অপরাধ করা কোস বিষয়ই না। আল্লার অসীম রহমতে বাংলাদেশে ন্যায়ের দিকে যাচ্ছে - সাকার চৌধূরীর মতো একজন প্রতাপশালী একজন অপরাধীর বিচার শেষ হয়ে রায় হয়েছে। রায়কে বিতর্কিত করতে নানান ধরনের কথা প্রচার হচ্ছে। কিন্তু বিচার চলেছে দীর্ঘদিন - সেই বিচারের প্রতিটি পদক্ষেপ যারা অনুসরন করেছে তাদের জন্যে এই রায় কোন ভাবেই অবাক করার মতো হয়নি। মুলত কোর্টে কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বিচার হয়। সেখানে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ উপস্থাপন করে - তার পক্ষে প্রমানাদি এবং স্বাক্ষী হাজির করে। সাকার চৌধুরী ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষকে বেশ বেড় পেতে হয়ে স্বাক্ষী হাজির করতে - যা ফলে অনেকগুলো অভিযোগ আমলে আসেনি। সাকা চৌধুরীর প্রতিপত্তি স্বাক্ষীদের হুমকীর জন্যে যথেষ্ঠ ছিলো - এমন কি কোর্টে দাড়িয়ে সাকার পক্ষে আইনজীবি চট্রগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় স্বাক্ষীকে হুমকী দিয়েছে। আর বিচারের পুরো সময়টা সাকা নিজেই বিচারকে নিয়ে তামাশা করেছে। অবশেষ বিচারের রায় আমাদের হাতে এসেছে।
যারা প্রচারিত বিভ্রান্তিকর আলোচনার বাইরে এসে মামলার প্রকৃত তথ্য এবং মুল বিষয়গুলো জানতে চান তাদের জন্যে একটা চমৎকার সারসংক্ষেপ পোষ্ট করবো। তার বিষয়ে খুব সংক্ষেপের বলি - সাকার বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগে মামলা ১৯৭২ সালেই হয়েছিলো আর ঘাতক দালাল হিসাবে তার নাম নানান প্রকাশনায় এসেছে। যখন কোর্টে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে অভিযোগগুলো আনা হয় - তা প্রমান করা রাষ্ট্রপক্ষে জন্যে তেমন কঠিন কাজ হয়নি। অন্যদিকে সাকার আইনজীবিরা একটা পথ ধরে মামলাটাকে চালিয়েছে। তারা প্রমান করার চেষ্টা করেছে যে সাকা যুদ্ধের পুরো নয় মাস বাংলাদেশের বাইরে ছিলো। কিন্তু তাদের উপস্থাপিত প্রমানাদি এবং একটা পত্রিকার কাটিং সাকার পক্ষের উকিলদের বোকা বানিয়েছে। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো - জাজরাও অবাক হয়ে প্রশ্ন করেছিলেন - কিভাবে বাদী পক্ষ এই দলিল গুলো কোর্টে উপস্থাপন করলো - যা মধ্যে দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকার একটা খবরের দেখা গেছে ২৮ শে সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধাদের গ্রেনেটের আঘাতে সাকা আহত হয়েছিলো। যা পক্ষে স্বাক্ষী হিসাবে হাজিরা দিয়েছেন সেই অপারেশনের মুক্তিযুদ্ধাও। সাকার মামলায় হেরে যাওয়ার মুল টার্নিং পয়েন্টও সেইটাই। এখানে বলে রাখা ভাল সাকার পক্ষে যারা স্বাক্ষী দিয়েছেন - তারা মুলত সাকা যুদ্ধকালীন সময়ের কিছু সময় পাকিস্তানে ছিলো বলে দাবী করেছে - যা পত্রিকার খবরেও বলা হয়েছে যে সাকা গ্রেনেটের আঘাতে আহত হয়ে পাকিস্তানে চিকিৎসার জন্যে যায়।
এই বিষয়ে আর বিস্তারিত পড়ুন প্রথম আলোর একটা প্রতিবেদনে -
একাত্তরে করা ঘৃণ্য অপরাধের সাজা থেকে নিস্তার পেতে শক্ত অজুহাত দাঁড় করিয়েছিলেন তিনি। ৪২ বছর পর দেশের সীমানায় থাকতে সাহস পাননি। দাবি করলেন, তিনি সে সময় ছিলেন এক হাজার ৬০০ কিলোমিটার দূরে। তাতেও কাজ হলো না। আইনের চোখে ঠিকই ধরা পড়লেন সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী। পেলেন সর্বোচ্চ সাজা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাংসদ সাকা চৌধুরীকে গত মঙ্গলবার মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা সংঘটনের দায়ে ফাঁসির আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ - রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগগুলোকে ‘ডাহা মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়ে শুরু থেকেই সাকা চৌধুরী বলতেন, একাত্তরে তিনি চট্টগ্রামে থাকা তো দূরের কথা, এ দেশেই ছিলেন না।
এর আগে দেওয়া দুই ট্রাইব্যুনালের ছয়টি রায় পর্যবেক্ষণ করেও দেখা যায়, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অপরাধ সংঘটনস্থলে না থাকার দাবি করেন। একমাত্র সাকা চৌধুরী দাবি করতেন, একাত্তরের ২৯ মার্চ তিনি ঢাকা ছেড়ে করাচি চলে যান। একাত্তরে আর তো দেশে ফেরেননি, ফিরেছেন সেই ১৯৭৪ সালে।
সাকা চৌধুরীর পক্ষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এটিকেই ‘প্লি অব অ্যালিবাই’ হিসেবে নিয়ে এসেছিলেন। আইনের ভাষায় ‘অ্যালিবাই’ শব্দের অর্থ—অপরাধ সংঘটনের সময়ে ও স্থানে অভিযুক্ত ব্যক্তির সেখানে উপস্থিত না থাকার দাবি, যাতে প্রমাণিত হয় যে অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন।
গত মঙ্গলবার দেওয়া রায়ে বলা হয়েছে, অ্যালিবাই প্রমাণের জন্য সাকা চৌধুরীর পক্ষে সাক্ষ্য দেন চারজন, যাঁদের একজন সাকা চৌধুরী নিজে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য নিজের অবদান উল্লেখ করতে গিয়ে সাকা চৌধুরী জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, ১৯৬৯ সালে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ছিলেন। একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় পাকিস্তানি সেনারা যে ঘৃণ্য অপরাধ ও গণহত্যা করেছে, তা-ও তিনি বলেছেন। কিন্তু স্বাধীনতাপূর্ব আন্দোলনের এই ‘নায়ক’ আকস্মিকভাবে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য একাত্তরের ২৯ মার্চ করাচি চলে যান। ১৯৭৪ সালের ২০ এপ্রিল দেশে ফেরেন। আসামিপক্ষের অন্য তিন সাক্ষী সাকা চৌধুরীর এ বক্তব্য সমর্থন করেন।ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণ অনুসারে, জবানবন্দিতে সাকা চৌধুরী বলেছেন, তিনি বাঙালি নন। জন্মসূত্রে বাংলাদেশি নন, পছন্দ করে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন। যেহেতু তিনি গর্বভরে নিজেকে অবাঙালি দাবি করছেন, সেহেতু এটা ধারণা করা যায়, অবাঙালি হিসেবে তিনি নিজের আদিবাড়ি তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে যেতেই পারেন। তবে তিনি যে করাচি গেছেন বা ছিলেন—এমন কোনো দালিলিক নথি দাখিল করতে পারেননি। মুক্তিযুদ্ধকালের পুরোটা সময় যে সাকা চৌধুরী পশ্চিম পাকিস্তানে ছিলেন, তা-ও প্রমাণ করতে আসামিপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে।
সাকা চৌধুরীর পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের ‘গুডস হিল’-সংক্রান্ত রাষ্ট্রপক্ষের দাখিলকৃত নথি বিশ্লেষণ করে রায়ে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকায় ‘বোমার আঘাতে ফজলুল কাদেরের ছেলে আহত: গুলিতে ড্রাইভার নিহত’ শীর্ষক প্রতিবেদন ছাপা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বোমার আঘাতে গুরুতর আহত সাকা চৌধুরীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ বিষয়টি আরও শক্তভাবে প্রমাণ করতে রাষ্ট্রপক্ষ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তৎকালীন রেজিস্ট্রার ডা. এ কে এম শফিউল্লাহর সাক্ষ্য নিয়েছে, যিনি কীভাবে আহত সাকা চৌধুরীর চিকিৎসা করেছিলেন তার বিবরণ দিয়েছেন। এ ছাড়া তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রতিবেদন (সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় ভাগ, ১৯৭১) অনুসারে এটা প্রমাণিত হয়, সাকা চৌধুরী বোমার আঘাতে আহত হয়েছিলেন। এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষের কমপক্ষে ১৪ জন সাক্ষী সাকা চৌধুরীর ঘটনাস্থলে থাকার প্রত্যক্ষদর্শী। রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, খোদ আসামির দাখিল করা যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা ও বিচার প্রসঙ্গ বইতে সাকা চৌধুরী ও তাঁর বাবার নাম যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় উল্লেখ আছে। এ ছাড়া আসামির দাখিল করা আমার যুদ্ধ আমার একাত্তর ও বাঙাল কেন যুদ্ধে গেল বই দুটিতে স্পষ্ট বলা আছে, একাত্তরের জুন মাসে সাকা চৌধুরী বাংলাদেশে ছিলেন। এ প্রসঙ্গে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘আমরা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছি কেন আসামিপক্ষ এসব বই আমাদের দিয়েছে, কারণ এসব বইয়েই তাঁদের অ্যালিবাই মিথ্যা প্রমাণিত হয়।’
আরেকটা খবর বের হয়েছে - তা হলো একজন হাইকোর্টের জাজ সাকা পক্ষে স্বাক্ষী দিতে চেয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি দিয়েছে - যা বিএনপি তাদের প্রতিক্রিয়া বেশ গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেছে। একজন জাজ প্রধান বিচারপতিকে যে গোপন চিঠি লেখলেন - তা কিভাবে জামাতের উকিলে হাতে আসলো - এই বিষয়টিও বেশ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। আমরা জানি না সেই বিচারপতি ( হাসনাইন) কি বলতে চেয়েছিলেন - তবে একটা দেশের বিচারপতিরাও যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে স্বাক্ষী দিতে চায় - সেই বিষয়টিও আমাদের ভাবায়। হয়তো আপীলের সময় সেই বিচারপতিকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার মতো নজিরবিহীন একটা কাজ করা হবে - তাতে কি সাকার যুদ্ধাপরাধের দায় কমে যাবে?

মহিউদ্দিন
অক্টোবর ৩, ২০১৩ at ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পর্যবেক্ষকদের অভিমত শুনলে কিন্তু তা মনে হয় না।
[youtube=
https://www.youtube.com/watch?feature=player_detailpage&v=jOOQ6LQrIIY
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৫, ২০১৩ at ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই কথাইতো বললাম -- এতো বেশী সমালোচনা আর বিরুদ্ধে প্রচারের পরও সাফল্যজনক ভাবে রায় হচ্ছে -- সেইটাই মুল কথা।
শাহবাজ নজরুল
অক্টোবর ৩, ২০১৩ at ১১:৩৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাকা হচ্ছে অবিচার, সন্ত্রাস, জোচ্চুরি, মাফিয়াগিরি ও ফাজিলের অনন্য উদাহরণ। এই দেশে সকার বিচারের রায় বাস্তবায়িত হলে তা আমাদের এক অনবদ্য প্রাপ্তি হিসেবেই থাকবে। চট্টগ্রামে থাকা লোক হিসেবে নানা মুখে শুনেছি সকার আঞ্চলিক সন্ত্রাস ও ডন গিরির কথা। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার তার রোল কখনো প্রশ্নবিদ্ধ ছিলোনা। সে নিজে বরং স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহনের জন্যে গর্ব বোধ করত বলে লোকজনের কাছ থেকে শুনেছি। এই লোকের সাজা যেদিন কার্যকর হবে সেদিন এই জাতি এক বিশাল কলংক থেকে মুক্তি পাবে। সরকারী পক্ষকে সাধুবাদ -- সকার মত ডেয়ারিং মাফিয়া গ্যাংস্টারকে বিচারের আওতায় আনার জন্যে।
এই বিচারটির মত দেলোয়ার হোসেন সাইদীর বিচারকার্যটা করতে পারলে সামগ্রিক বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠত না।
ধন্যবাদ।
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ৪, ২০১৩ at ১১:১১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যতদূর জানলাম যতদূর বুঝলাম তাতে মনে হয়েছে সাকা হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে একই সাথে সবচেয়ে উদ্ধত ও ভয়ঙ্কর ব্যক্তি।
অক্টোবর ৫, ২০১৩ at ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- আপনার সাথে একমত। এই বিষয়ে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা আছে। তবে তার কারনগুলো সংক্ষেপে বললে বলা যায় --
১) নতুন আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার অভাব।
২) সময়ের সাথে সাথে প্রসিকিউশন টিমের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে অগ্রসর হওয়া।
৩) প্রসিকিউশন টিমে মেধাবী এবং যথাযথ আইনজীবিদের সংযোজন এবং চিহ্নিত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সিনিওর আইনজীবিদের উপর থেকে নির্ভরশীলতা কমানো।
৪) প্রবাসী বিশেষজ্ঞ এবং আইনজীবিদের ইনপুট এবং সহায়তা।
শুরুতে সবাই যেহেতু ক্রিমিন্যাল কোর্ট থেকে এসেছিলো তাই সেই মাইন্ডসেট থেকে কাজ করেছে -- যার প্রতিফলন দেখেছি সাঈদীর মামলায় -- অন্যদিকে গোলাম আযমের মামলায় দেখেছি একটা ম্যাচিউরড টিম যারা পুরোপুরি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল আইনকে যথাযথ প্রয়োগ করে একটা ফ্ললেস ট্রায়াল থেকে চমৎকার রায় নিয়ে এসেছে।
ধন্যবাদ।
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ৫, ২০১৩ at ১:৫১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আর আমার কাছে মনে হচ্ছে- যতদূর জানলাম যতদূর বুঝলাম তাতে মনে হয়েছে সাকা হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে একই সাথে সবচেয়ে অখন্ড পাকিস্তান রক্ষার পক্ষে লড়াকু ব্যক্তি।
তবে এই সত্য আজ কেন সালাউদ্দিন কাদির চৌধুরী অস্বীকার করছেন?
বাকাট্টা
অক্টোবর ৪, ২০১৩ at ৪:৩২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাকা চৌধুরী আলীগ ও হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার! সাকা চৌধুরী বোমার আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে থাকলে কোনদিন এভাবে সুস্থ থাকার কথা না। এটা ব্লগে, ফেসবুকে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকায় ২৯শে মার্চ বোমায় আহত সাকার নাম নাই। ডাক্তার মিথ্যা স্বাক্ষী দিছেন সাকার বিরুদ্ধে। ১৯৭২ হতে ১৯৭৫ সাকার বিরুদ্ধে কোন থানায় ৭১এর যুদ্ধাপরাধের কোন অভিযোগ ছিল না। তারপর সাকা ১৯৭৪ সালে দেশে ফিরে আসলেও তাকে গ্রেফতার করেনি মুজিব। যদিও তার পিতা ফকা চৌধুরী মুজিব আমলে গ্রেফতার হয়ে জেলে থেকেই মৃত্যুবরণ করে তবে কেন সাকাকে এই সমস্ত খুন ও অপরাধের জন্য গ্রেফতার করেনি মুজিব, এই বিষয়ে কোন যুক্তি দিতে পারছেনা আওয়ামীরা।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৫, ২০১৩ at ৯:০২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কোন মুজিবের কথা বলছেন -- পুলিশের লোক নাকি?
আপনি আপনার কথাগুলো বিস্তারিত লিখুন। রাজনীতির সাথে আদালতকে না মিশিয়ে আদালতের প্রসিডিং নিয়ে কথা বলেছি এখানে -- সেইটার দিকে নজর রাখুন। আপনার মুখস্ত কথাগুলো তো আমরা জানি।
সাদিয়া
অক্টোবর ৫, ২০১৩ at ২:০২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অনেক দিন পর সদালাপে একটি ভাল লেখা পড়লাম।
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ গ্রহন করার জন্য বাঙ্গালী জাতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রতি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকবে । আর যেসব কুলাঙ্গার এই বিচারের বিরোধিতা এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইবুনালকে বিভিন্নভাবে বিৰ্তকিত করার চেষ্ঠা করছে, তাদেরকে এই জাতি আজ হোক বা কাল হোক ঠিকই আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলবে ।
জয় হোক মানবতার।
জয় বাংলা । জয় বঙ্গবন্ধু।
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ৫, ২০১৩ at ২:২১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমরা কারা ? আজ থেকে ৫ বছর আগে প্রশ্ন করেছিলাম আমরা কারা? সে জবাব আজো পাইনি? আজ যখন এই বিচারের রায় হচ্ছে তখন এই প্রশ্ন আমার কাছে ঘুরে ফিরে আসে? কেন আসে?
৭১ সালে এই জনপদে একটি যুদ্ধ হয়েছিলো, সে যুদ্ধে কেউ পাকিস্তান রাষ্ট্রে অখণ্ডতা রক্ষাকে পবিত্র দায়িত্ব মনে করে যারা পাকিস্তান রাষ্ট্রকে খণ্ডিত করতে চায় তাদেরকে নির্মূল করে অস্ত্র হাতে তোলে নিয়েছিলো। আরেক অখন্ড পাকিস্তান রাষ্ট্রে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ নামক একটি নতুন রাষ্ট্র সৃষ্টিকে পবিত্র দায়িত্ব মনে করে অখন্ড পাকিস্তান রাষ্ট্র পক্ষের লোকদেরকে বিতাড়িত করতে অস্ত্র হাতে তোলে নিয়েছিলো।
ঐ যুদ্ধে যারা পরাজিত তারা যুদ্ধাপরাধী। তাই বিচার হবে যুদ্ধাপরাধের বিচার। কিন্তু আমাদের দেশে যে বিচার চলছে তা কি যুদ্ধাপরাধের বিচার?
না। তা যুদ্ধাপরাধের বিচার নয় কারণ যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে হলে মূল অপরাধী পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর ১৯৫ জনের বিচার করতে হবে। সে ধরণের বিচার করা দূরের কথা বিচার চাওয়ার ক্ষমতাও এখনও বাংলাদেশের হয়নি।
বিচার হচ্ছে ঐ যুদ্ধে মানবাধিকার লংগনের। ভালো উদ্যোগ। কিন্তু ইতিহাস বলে যে, ১৯৭১ সালে দুই পক্ষের হাতে কম বেশী মানবাধিকার লংগিত হয়েছিলো।
কাজেই ঐ যুদ্ধে উভয়পক্ষের কে কেউ সমরনীতি ভঙ্গ করে যুদ্ধে নিয়োজিত অপর পক্ষের সৈনিক ছাড়া সাধারণ মানুষকে ঘর থেকে বিতাড়ন, সাধারণ মানুষের ঘরে আগুন, নির্যাতন, লুঠ, হত্যা ধর্ষন করে ছিলো তাঁর সত্যিকার অর্থে মানবতা বিরোধী অপরাধী। এই বিচারকে নিরপেক্ষ করতে হলে পাকিস্তান পন্থী অপরাধীদের সাথে সাথে বাংলাদেশ পন্থীদের মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার করা উচিত বলে আমি মনে করি।
যদি তাই হয় তাহলে দাবি করা যাবে যে, অত্যান্ত সাফল্যজনক ভাবে একটা চমৎকার বিচার সমাধা করেছে বাংলাদেশ -- খুব সহজ ভাষায় বলা যাবে – পৃথিবীর কোন দেশেই এতো প্রতিকূল পরিবেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়নি। আর এই ভাবে পক্ষে বিপক্ষের মানবতা বিরোধী অপরাধীদের শাস্তি দেয়া হলে বাংলাদেশের মানবতা বিরধী অপরাধের বিচার নিয়ে আগামী প্রজন্ম গর্ব করতে পারবে – সন্দেহ নেই। নতুবা নয়। ধন্যবাদ।
কিংশুক
অক্টোবর ৫, ২০১৩ at ৫:৫১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম ভাই, আপনি সদালাপের একজন সম্মানিত লেখক। আপনি যে কমেন্ট করলেন তা চরম রাজাকারী ও দেশদ্রোহীতামূলক। পশ্চিম পাকিস্তানী সামরিক শাসককূল, ভূট্টো- এরা কি ইসলামি মূল্যবোধের ব্যক্তি ছিলো? পূর্ব পাকিস্তানী বাংগালীরা পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকদের দ্বারা অন্যায়, বঞ্চনার শিকার হিসাবে ন্যায্য অধিকার, স্বাধীকারের দাবীতে রাজনৈতিকভাবে বিজয়ী হয়ে পাকিস্তানের শাসনভার চেয়েছিলো। আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতা চেয়েছে। বাংলার জনগণ তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবীতে, বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৬ দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গণতান্ত্রিক ভাবে জনরায় নিয়ে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলো। বাংলার জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিলো, মুসলিম লীগ ইত্যাদিকে দেয়নি। তাতে প্রমাণ হয় জনগণ শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে একাত্ম ছিলো, মুসলিম লীগের সাথে নয়। রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া পশ্চিম পাকিস্তানী সামরিক/বেসামরিক শাসককূল আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা না করে পশ্চিম পাকিস্তান হতে লক্ষাধিক সৈন্য এনে বাংলাদেশীদের উপর নির্মমভাবে গণহত্যা চালিয়ে ডান্ডা মেরে বাংগালীকে ঠান্ডা করতে চেয়েছিলো। লাখ লাখ বাংগালাকে যখন অন্যায়ভাবে পাখীর মতো গুলি করে হত্যা করা হয় তখন কোথায় ছিলো পশ্চিম পাকিস্তানীদের মুসলিম ভাতৃত্ববোধ! বাংগালী সেনাবাহিনী,ইপিআর,পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধারা কেবল প্রতিরোধ যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে মা,বাবা, ভাই বোনের হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছে, অত্যাচারী জালিমদের বাংলার মাটিতে আত্মসমপর্ণে বাধ্য করেছে। পাকিস্তানীরা ছিলো জালিম, বাংগালীরা মজলুম। বাংগালীদেরও বিচার চান এধরনের কথা মোটেই মানার মতো কথা না।
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
নিচে জবাব দিয়েছি দেখে নিবেন। আমার বক্তব্যের জন্য আমাকে অশ্রদ্ধা করলেও করতে পারেন। তবে আপনার কথার খেই ধরে বলছি আমরা পূর্ব পাকিস্তানীরা পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ ছিলাম, আমাদের পূর্ব বাংলার মানুষের সুবিধা আদায়ের জন্য পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিলো, তাই এই পূর্ব বাংলায় মুসলিমলীগ গঠন হয়েছিলো, পাকিস্তান প্রস্থাব এই পূর্ব বাংলার লোক করেছিলো, ৪৬ এর নির্বাচনে এই বাংলার মানুষ পাকিস্তান সৃষ্টির প্রশ্নে নিরঙ্কুশ ভোটধিকার প্রয়োগ করেছিলো। এইসব ঐতিহাসিক দলিল প্রমাণ করে আসল পাকিস্তানী আমরা ছিলাম। পৃথিবীতে এমন কোন নজির নেই যে একটি দেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষ সংখ্যা লঘিষ্ঠ মানুষ থেকে আলাদা হতে। আমাদের উচিত ছিলো তাদেরকে পাকিস্তান থেকে বের করে দেয়ার কিংবা তারা পাকিস্তান থেকে বের হয়ে যাবার, যেমন ইন্দেনেশিয়া থেকে পূর্ব তিমুর, যুগোস্লাভিয়া থেকে বসনিয়া কাসাভো, যেমন সুদান থেকে দক্ষিণ সুদান আলাদা হয়ে গিয়েছিলো। অথচ আমরা জনগণের ৭০ এর এর বিপক্ষে চলে গেলাম। অথচ আপনারা এখন উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছেন!
যাক এতক্ষণ যা বলেছি তা অতীতের কথা। এই গুলো এখন কথার কথা এর বেশী কিছু নয়। কে অখন্ড পাকিস্তান চেয়েছিলো, কে ভারতে ফিরে যেতে চেয়েছিলো, কে সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ চেয়েছিলো, কে ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ চেয়েছিলো, কে মুসলিম প্রধাণ বাংলাদেশ চেয়েছিলো তা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো, বাস্তবতা হলো ১৯৭১ সালে ১৬ ই ডিসেম্বর পৃথিবীর বুকে এই ৫৬ হাজার বর্গমাইলের জনপদের নতুন একটি রাষ্ট্র পরিচিতি বিশ্বের স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়। এইটিই বাস্তবতা, এই জনপদ যে রাষ্ট্র পরিচয়ে পরিচত হোক না কেন এই জনপদ হচ্ছে আমার মাতৃভূমি আমার পিতৃভুমি, এই মাটিতে আমি জন্মেছি এই মাটিতে আমি বড় হয়েছি, এবং এই মাটিতে আমি একদিন মিশে যাবো। কাজেই আমার জন্মগত অধিকার বলেই এই জনপদে যে রাষ্ট্র পরিচয় থাকবে আমি হবো সেই রাষ্ট্রের নাগরিক। এইটি বর্তমান বাস্তবতা। বর্তমান বাস্তবতা মেনে নিয়েই আমাকে এই জনপদের কল্যাণের জন্য কাজ করে যেতে হবে এবং এইটিকে আমি আমার দায়িত্ব বলে মনে করি, এবং সে ভাবে আমার সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি। ধন্যবাদ।
কিংশুক
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ৫:০৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই কথায় একটু প্যাচঘোছ আছে। আসল কথা হলো --
১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ বাংলাদেশ নামক একটা রাষ্ট্রের জন্ম হয়। যা তখন বিদেশী সৈন্যের আগ্রাসের মুখে ছিলো -- তখন থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ পাকিস্থানী সৈন্য আর তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার আলবদরে বিরুদ্ধ যুদ্ধ করে এবং ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর দেশকে শত্রুমুক্ত করে। স্বীকৃতি পাওয়া বিষয়টা ভিন্ন -- অনেকে বিজয়ের আগেই স্বীকৃতি দিয়েছে -- অনেকে ৭৫ এর ১৫ই আগস্ট প্রতিবিপ্লবের জন্যে অপেক্ষা করেছে -- সেইটা গুরুত্বপূর্ন নয় -- মুল কথা হলো বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে ২৬ শে মার্চ ১৯৭১ সালে।
ধন্যবাদ।
Engl
অক্টোবর ৫, ২০১৩ at ৮:২৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম ভাই-কে সম্মান করি। কিন্তু তার কমেন্ট আজকে মর্মাহত করলো। আমি আওয়ামী লীগ অথবা বিএনপি বা জামায়াত ইসলামী সাপোর্ট করি না। আমি সাপোর্ট করি ইসলামকে। সুতরাং যে ইসলামের পক্ষে বলে, কাজ করে আমি তার সাপোর্টার।
৭১'সালের যুদ্ধকে পাকিস্তানপন্থীরা ইসলামি রঙ চড়িয়ে যুদ্ধকে অন্যদিকে মোড় ঘুরাতে চেয়েছিলো। পাকিস্তানের মসনদের আশেপাশে থাকা কেউই ব্যক্তি জীবনে ইসলামের কিছুই পালন করত না বরং বেশিরভাগই ছিলো ভোগ-বিলাস, রং-তামাসায় আকন্ঠ নিমজ্জমান। ভুট্টো এবং পাকিস্তানী গংদের ব্যক্তিগত উচ্চাভিলাষ, আত্মম্ভরীতা এবং সর্বোপরী বাংলাদেশীদের হাতে ক্ষমতা হারানোর ভয়ে এই যুদ্ধ লাগানো হয়েছিলো, যা ছিলো পুরোপুরি হঠকারী সিদ্ধান্ত(মদ্যপ, লম্পটদের রাজনৈতিক বুদ্ধি কমই থাকে)। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে পাকিস্তানের নেতৃত্ব বুঝতে পারে যে ভুল হয়ে গেছে তখন তারা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো শুরু করে, যে ইসলামের জন্য তাদের যুদ্ধ, ভারতীয়রা প্রথম যুদ্ধ শুরু করেছে ইত্যাদি বলে। অথচ যুদ্ধ শুরু হওয়ার ২-৩ মাস পর্যন্ত ভারত দ্বিধাদন্ধে ছিলো বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সহায়তা করবে কি করবে না। এর অন্যতম কারন ছিলো নকশালপন্থীদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড।
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পুরোপুরি সহমত।
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মসনদে থাকা ব্যক্তিরা করতোনা বলেই তাঁর অপরাধ পাকিস্তানের ছিলো?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পাকিস্তানতো আজ পর্যণ্ত ৭১ এর অপরাধকে ভুল মনে করেনি। তাই সব দায় পাকিস্তানেরই। যতদিন না ওরা ভুল স্বীকার করছে -- ক্ষমা চাইছে ততদিন সকল আপরাধের দায় "পাকিস্তান" নামক রাষ্ট্রকেই নিতে হবে।
Engl
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ২:৫১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম ভাই এটা কেমন কথা বললেন?
তারমানে কি পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক যে গণহত্যা শুরু হয়েছে তার দায় দায়িত্ব পাকিস্তানের নাই? তাহলে কি বাংলাদেশীদের উচিত ছিলো এই গণহত্যা, ধর্ষন মেনে নিয়ে পাকিস্তানের সাথে থেকে যাওয়া? তারা গ্রামকে গ্রাম জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার করে দিলেও আমরা নিরীহ মানুষের লাশগুলোর উপর দিয়ে গিয়ে বলতাম আয় ভাই আমরা একসাথেই থাকি?
মুনিমভাই ধর্মের অপব্যবহার আল্লাহ্ কখনোই সহ্য করেন না। যেমন পাকিস্তানীরা এখনো ইসলাম ইসলাম বলে চেচিয়ে মরে কিন্তু বেশিরভাগই লম্পট, মদ্যপ, দূর্নীতিবাজ। যার ফলে আল্লাহ্ ওদের উপরে জালেম শাসক(আমেরিকা) আর জংগীবাদ চাপিয়ে দিয়েছে।
৭১-এর যুদ্ধে ওরা যদি সত্যি ইসলামের পথে থাকতো তাহলে পাকিস্তান অখন্ডই থাকতো। ওরা নিজেদের আত্ম অহংকার, মর্যাদা ইত্যাদি ভুল বিষয়ের জন্য যে যুদ্ধ শুরু করেছিলো তা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে দেখে ইসলামের ঘাড়ে চাপিয়ে যুদ্ধে জয় লাভ করতে চেয়েছিলো।
আমি আওয়ামী লীগের পক্ষে লিখছি না আমি লিখি সত্যের পথে।
*** পাকিস্তানীরা এখনো মনে করে ওরা সাচ্চা মুসলিম আর আমরা কালা, বেটে আমরা হিন্দু। ওরা ইসলামের নাম নিয়ে আল্লাহ্র কসম কেটে হাজারটা মিথ্যা বলে, দূর্নীতি করে, ব্যভিচার করে, মদ/আফিম খায়। এই কি ইসলাম?
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার কাছে ক্ষণস্থায়ী জাতীয়তাবাদ বর্তমান সময়ে প্রয়োজনীয় হলে আখেরাতের জন্য মোটেও তা প্রয়োজনীয় নয়। আমরা যদি ইতিহাস দেখি তাহলে দেখবো ৪৩ বছর আগে আমাদের আরেক রাষ্ট্র ছিলো আমরা ছিলাম সেই রাষ্ট্রের নাগরিক। ৭১ সালের যেমন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে অনেক মানুষকে হত্যা করা হয়েছিলো, তেমন করে সেই রাষ্ট্র হাসিল করতেও আমাদের বাবা দাদাদেরকে অনেক রক্ত, মান সম্ভ্রম ঝরাতে হয়েছিলো, সেই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা রক্ষায় ৪৭ থেকে ৭১এর ২৫ শে মার্চের আগ পর্যন্ত আমরা পূর্ব বাংলার লোকেরা অতন্ত্র প্রহরী ছিলাম। ৬৫ সালের পাক ভারত যুদ্ধে আমাদের অনেক লোক বীরের সাথে যুদ্ধ করেছিলো। মাত্র ৬৭ বছর আগে আমাদের আরো এক জাতিয়তা ছিলো। সেই উপনিবেশের মধ্যে বাস করেও আমাদের দেশের বরন্য কবি সাহিত্যিক সেই রাষ্ট্র বন্দনা গেয়ে গেছেন। তাঁর আগে ১৭৫৭ সাল পূর্বে আরেক রাষ্ট্রের অধিবাসী আমরা ছিলাম। আমরা জানিনা আগামী ৫০ বছর পর আমরা আর কোন ভৌগলিক রাষ্ট্রের নাগরিক হবো! রাষ্ট্র তৈরি করে কিছু মানুষ নিছক তাদের ব্যক্তি, গোষ্ঠির রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য। মধ্য যুগে যেমন জোর যার মুলক তাঁর নীতি ছিলো, এখনও তা বলবৎ আছে তবে তা কৌশলের আড়ালে, জনগণের নামে। আর দেশ তৈরি আল্লাহ করেন, এই যে আমাদের ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের জনপদ, সেটি হচ্ছে দেশ। আর যুগে যুগে কিছু মানুষ নিছক তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে রাষ্ট্র পরিচয় পাল্টায়। কিন্তু মাটি যা ছিলো তা থেকে যায়। সেই মাটি বলেনা, আমি জাতিয়তাবাদী, আমি সমাজবাদী। মানুষ তা নিজ স্বার্থে তা আরোপ করে। তাই কৃত্রিম রাষ্ট্র নিয়ে কথা বলার অধিকার আল্লাহ প্রদত্ত দেশের মানুষের থাকতে হবে। দেশকে যারা অপর রাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করে দেয় তারা হচ্ছে বেঈমান, বিদ্রোহী। কাজেই রাষ্ট্র আর দেশকে এক করে ভুল করবেন না। আল্লাহ আমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন- তোমরা পরস্পর আকড়ে থাকো। ইসলাম কোন রক্ত সম্পর্ক গোত্র সম্পর্ক,ভাষার সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতে নির্দেশ দেয়নি। ইসলাম বলছে পাপি তাপি সাদা কালো সে যে হোক না কেন সে যদি কলেমায় বিশ্বাসী সেও মুসলিম মিল্লাতের একজন। তাই আপনারা আমাকে পছন্দ করেন আর না করেন আমি আমার বিশ্বাস বলে যাবো। তাতে যদি আমার লেখা না পড়েন তাতে কোন আফসুস থাকবেনা। শুধু ৭১ কেন ৭০ এর জানুয়ারী থেকে আজ পর্যন্ত যত মানবতা বিরোধী অপরাধ হচ্ছে একজন মুসলিম হিসাবে তা চাইতে আমি পিছপা হবোনা। তবে আমি আপনাদের মতো নয় যে নিজের বিবেক বিচার বিবেচনা হারিয়ে ফেলেছি! আমি রামের অপরাধের জন্য রহিমকে শাস্তি দেবার মত উন্মাদ হইনি। ১৯৭১ সালে দোষ করেছে ভুট্টো ইয়াহিয়া প্রমুখগণ পাকিস্তান রাষ্ট নয়। পাকিস্তান রাষ্ট্র ভুট্টো ইয়াহিয়া সৃষ্টি করেনি, পাকিস্তান সৃষ্টি করেছিলেন, শেরে বাংলা ফজলুল হক, মাওলানা ভাষানী, সরওয়ার্দি, শেখ মুজিব, পাকিস্তানের জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ সহ লাখো লাখো মুসলিম। আজ স্বাধীনতার ৪৩ পর ৫ইমে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডের জন্য অপরাধী হলে বর্তমান সরকার হবে কিন্তু তাঁর জন্য বাংলাদেশ রাষ্ট্র অপরাধী হতে পারেনা। সেই ভাবে ৭০ নির্বাচনের রায় না মেনে ভুল করেছিলো সেই সময়ের সামরিক সরকার পাকিস্তান রাষ্ট্র নয়।
আপনারা তোতাপাখীর মত আঊড়ে যান- ৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ জয়ী হয়েছিলো কিন্তু পাকিস্তানীরা ক্ষমতা হস্থান্তর করেনি। এখানে প্রচন্ড ভুল বলা হচ্ছে। পাকিস্তানীরা নয় পশ্চিমপাকিস্তানীরা কারণ সে দিনের বাস্তবতায় তারা পশ্চিম পাকিস্তানী ছিলো, আর আমরা পূর্ব পাকিস্তানী এবং উভয় পাকিস্তানে মিলে আমরা উভয়ে পাকিস্তানী ছিলাম। আরো যদি সত্যের কাছাকাছি চলে যান তাহলে দেখতে পাবেন যে,ঐ দিন যারা ক্ষমতা হস্তান্তর করতে গড়িমসী করেছিলো, তারাও পুরো পশ্চিম পাকিস্তানের প্রতিনিধী ছিলোনা। তাঁর ছিলো পশ্চিম পাকিস্তানীদের একটি এলিট শ্রেনী, তাই দোষ হয়েছে তাদের কিন্তু দোষ দেয়া হচ্ছে ঢালাও ভাবে গোঠা পাকিস্তানকে। এইটি চরম অবিচার বলে আমি মনে করি।
১৯৭০ এর নির্বাচন হয়েছিলো, নির্বাচনে পাকিস্তানের নাগরীক হিসাবেই আমাদের বাবা চাচারা সেদিন আওয়ামীলীগকে ভোট দিয়েছিলো, যেমন আজকের বাংলাদেশে আমরা কখনও আওয়ামীলীগকে কখনও বিএনপিকে সরকার গঠনের জন্য ভোট দিয়ে থাকি। ৭০ ভোট কোন অবস্থায় পাকিস্তান ভেংগে নতুন রাষ্ট্র বানানোর পক্ষে গণভোট ছিলোনা। ৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ জয় লাভ করেছিলো, তাই সরকার গঠন করতে না পারলেও আন্তর্জাতিক স্বীকৃত আইনে আওয়ামীলীগ ছিলো পাকিস্তান রাষ্ট্রের সেই ছিলো বৈধ প্রতিনিধি আর শেখ মুজিব ছিলেন সেই রাষ্ট্রের প্রধান বৈধ নেতা। সেদি যারা সেই নির্বাচনের রায় না মেনে উলটো বৈধ দল এবং প্রতিনিধির বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলো, তারাই ছিলো প্রকৃত দেশদ্রোহী বিদ্রোহী। সেই সময়ে আওয়ামীলীগ এবং শেখ মুজিবের উচিত ছিলো দল মত নির্বিশেষ সকলকে দেশদ্রোহী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আহ্বান জানাতে। কিন্তু আমাদের দূর্ভাগ্য ২৫/২৬ মার্চ রাতে কি ঘটেছিলো তা আজ পর্যন্ত আমাদের কাছে দুর্ভেদ্য কুয়াশার মত হয়েছে। কারন গণতন্ত্র কখনও কোন একক ব্যক্তিকে কোন সিদ্ধান্ত নেবার অধিকার দেয়না। ২৫ শে মার্চের পরে যারা ৭০ নির্বাচনে আইন পরিষদের সদস্য হয়েছিলেন, তারা পারতেন দেশের যেকোন প্রান্তে বা বিদেশে কোথাও গণ পরিষদের আহ্বান করে সেখানে বসে সংসদীয় রীতিতে একটি একক সিদ্ধান্ত নিতে। কিন্তু আমরা ইতিহাসে তা দেখতে পাইনি, পেয়েছি বিক্ষিপ্ত ভাবে বাংলাদেশের পক্ষে বিদ্রোহ ঘোষনা করতে, আর একক ভাবে তাজউদ্দিনকে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম দিতে।
আমার কথা গুলো আপনাদের কাছে ভালো লাগবেনা, আর লাগবেনা জেনেও আমি আমার বক্তব্য বলে যাচ্ছি- আমার বক্তব্যের সত্যতা বুঝতে গেলে আপনাদের মতো কারো কারো আরো ২ দুযোগ অপেক্ষা করতে হবে।
আমি যে দাবি করেছি যে ৭১এর সে যুদ্ধে পশ্চিম পাকিস্তানীদের হাতে যেমন বাংগালী বিশেষ করে বাংগালী হিন্দু হত্যা ধর্ষণ দেশ থেকে বিতাড়নের শিকার হয়েছিলেন তেমন করে এই দেশে সেদিন অবাংগালী মুসলিমরাও হত্যা ধর্ষন দেশ থেকে বিতাড়নের শিকার হতে হয়েছিলো। যারা এই সত্যকে অস্বীকার করতে চান করতে পারেন। আজ তা করে পার পেয়ে যাবেন কিন্তু কাল কিয়ামতের ময়দানে সেদিন পার পাবেন না সেদিন ভ্রাতৃঘাতী হত্যা ধর্ষণ বিতাড়নের জন্য যারা অপরাধী তারা তো পাকড়াও হবে উপরন্তু যারা এই সব অপরাধকে অস্বীকার করছে তারাও সত্য অস্বীকার অপরাধে পাকড়াও হবে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- এখানে কেন জানি ভাষার মারপ্যাচ দেখছি। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে কারা মানুষ হত্যা করেছিলো -- কথাটা পরিষ্কার না। আমরা যতটুকু জানি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা ঠেকাতে বা বন্ধ করা জন্যে অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের অধীনে বর্তমান বাংলাদেশকে ধরে রাখতেই ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে পাকিস্তানী সেনা এবং তারদের দোসর রাজাকার-আল বদর। আপনার কথায় কিন্ত ভিন্ন অর্থ হয়ে যাচ্ছে।
কথা সত্য -- কাল কেয়ামতের ময়দানে কারো দায় আমাদেরকে নিতে হবে না -- কিন্তু আল্লাহর নির্দেশগুলো অনুসরন করেছি কি না তার জবাব দিতে হবে। তাইতো কোরান হাদিসের নির্দেশ অনুসারে মজলুমের হকের পক্ষে আছি -- আপনাকেও আহ্বান জানাই -- মজলুমের পক্ষে আসুন। ইসলামী ভাতৃত্ব ভূয়াতত্ত্ব আর রাজনৈতিক নোংরা খেলার ফাঁদে পড়ে মজলুমের বিচারে দাবীর বিপক্ষে কুটতর্ক পরিহার করুন।
সাদিয়া
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ৬:১২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
১.আপনি কি আসলেই বাঙ্গলী ?
২.আপনি কি বাংলাদেশে বসবাস করেন ?
৩.৭১'এর মানবতা বিরোধী অপরাধী রাজাকারদের সাথে মুক্তিযোদ্ধদের তুলনা করার উদ্দেশ্য কি ?
৪. আপনার কি মনে হয় ১৯৭১ সালে নিজের চোখের সামনে বাবা-ভাইকে রাজাকার দ্বারা হত্যা হতে দেখা ও মা-বোনকে রাজাকার দ্বারা ৰ্ধষিত হতে দেখা মুক্তিযোদ্ধারা মানবতা বিরোধী অপরাধ করছে ???
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি অত্যন্ত স্থূল কথাবার্তা বলছেন। যুদ্ধে যারা পরাজিত হয় তারা যুদ্ধাপরাধী -- এই সংজ্ঞা আপনি কোথায় পেয়েছেন?
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইতিহাসে। যারা বিজয়ী হয় তারাই পরাজিতদেরকে অপরাধী বানিয়ে বিচার করে শাস্তি দেয়। কিন্তু বিজয়ী অপরাধীদের বিচার করেনা, শাস্তি দেয়না বরং বীর বলে বন্দনা করা হয়ে থাকে।
কেন ভাই আপনার চোখে আংগুল লাগিয়ে দেখাতে হবে? তাহলে দেখুন- ২য় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তি যেমন সামরিক বেসামরিক মানুষ হত্যা করেছিল, গণহত্যা করেছিলো, তেমন করে মিত্রশক্তি সামরিক বেসামরিক মানুষ হত্যা করেছিলো। তদুপরি পরিকল্পিত ভাবে এক নিমিষে হিরোশিমা নাগাসাকিতে কয়েক লাখ নিরিহ মানুষকে এটম বোমা মেরে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে রাক করে দিয়েছিলো। কই এত নিরিহ মানুষ হত্যার পর আমেরিকার কোন বিচার হয়েছিলো? হিটলার যদি ইহুদি গণহত্যার অপরাধে অপরাধী হতে পারে তাঁর জেনারেলরা প্রানদণ্ড পেতে পারে তাহলে কেন রুজভেল্ট অপরাধী হবেনা কেন তাঁর জেনারেলরা জাপানি গণহত্যার অপরাধে দণ্ডিত হবেনা? এত বড় সত্য চোখের সামনে থাকতে একজন মুসলিম হিসাবে আপনি কেন যে আমাকে এই প্রশ্ন করতে পারলেন তা বুঝে উঠতে পারছিনা।
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ১২:০৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার চিন্তাভাবনায় বেশ গলদ আছে মনে হচ্ছে। এখানে মুসলিম-অমুসলিম বলে কোনো কথা নাই। আপনি কী সব উদাহরণ টেনে নিয়ে এসে ভুল ভাবে পরাজিত শক্তিকে 'যুদ্ধাপরাধী' আখ্যা দিচ্ছেন। অথচ যুদ্ধাপরাধী'র সংজ্ঞা অনুযায়ী পরাজিত বা বিজীত বলে কোনো শর্ত নেই বা থাকার কথা নয়।
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ১:০৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সোজা কথাকে সোজা ভাবে উত্তর দিন! আমি মানতে পারি আপনার যুক্তি যদি আপনি আমাকে সোজা ভাবে জানান যে ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধ ওরফে মানবতা বিরোধী অপরাধ শুধু বিচারের জন্য ধৃত ব্যক্তিবর্গ করেছিলো না অন্যান্যরা করেছিলো?
আমি ২য় বিশ্বযুদ্ধ দিয়ে উদাহরণ দেবার জন্য আমার উদাহরণ ভাল লাগেনি তাইতো তাহলে বাংলাদেশের উদাহরণ দিচ্ছি- ১৯৭২ সালের প্রথম সংসদ অধিবেশনে ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ থেকে ১৯৭২ সালের ১৮ই জানুয়ারী পর্যন্ত বাংলাদেশী পক্ষের লোকদের দ্বারা যত হত্যাকাণ্ড ঘটেছিলো তাঁর জন্য যাতে বাংলাদেশের আদালতে বিচার না হতে পারে তাঁর জন্য ইন্ডেমনিটি বিল পাশ করা হয়েছিলো সেটিকে কি বলবেন? বিজয়ীদের অপরাধ অপরাধ নয় তাইতো? ১লা মার্চ ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৭২ সালের ১৭ই জানুয়ারী পর্যন্ত অপরাধের প্রমাণ না পাওয়া গেলেও ১৮ জানুয়ারীতে ঢাকা স্টেডিয়ামে কাদের সিদ্দিকী দ্বারা প্রকাশ্যকে বেয়নেট দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে মারা ছবি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে। লাখ লাখ মানুষের সামনে হত্যাকাণ্ডের জন্য দেখি তো কাদের সিদ্দিকীর বিচার করতে পারবেন কি?
বাকাট্টা
অক্টোবর ৫, ২০১৩ at ১১:২৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আচ্ছা জিয়া, এরশাদ, খালেদা ও হাসিনার কথা বললে কি মানুষ পুলিশ বুঝে না অন্য কিছু বুঝে?
এই বিচারটাতো সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে। আজকে জামাত বিএনপির সাথে না থাকলে এই বিচার হত না। ঠিক ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আমরা দেখেছি। স্কাইপি কেলেংকারী, বিচারের শোনানী শেষ হওয়ার পূর্বেই আইনমন্ত্রণালয়ে রায় লিখা এটা কি কোন সুষ্ঠ বিচার বা সভ্য দেশের সভ্য আইনে সম্ভব? দেশে যাই বলুক বিদেশী সব সংস্থা বলছে এটা সুষ্ঠ বিচার হয়নি। সম্পূর্ণ গায়ের জোরে বর্বর কায়দায় বিচার হচ্ছে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ৯:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি তো মুখস্ত কবিতার মতো বলেই যাচ্ছেন আপনার কথাগুলো -- বিএনপির সাথে থাকায় জামাতের নেতার বিচার হচ্ছে -- তাইলে বিএনপির নেতাদের বিচার হচ্ছে কেন?
অন্যায়কে অন্যায় বলার মতো মানসিকতা থাকলে কেউ অপরাধীদের পক্ষে কথা বলে না।
Tayeb
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ৪:৪৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন -- ভাই আসলে বুঝা হয়ে গেছে আপনারা কোন মত ও পথের, মাঝে মাঝে ইসলামের পক্ষে আপনাদের লিখাগুলি ভালই লাগে, কিন্তু আওয়ামীলীগ ও বিএনপি এবং জামাত প্রশ্নে আপনাদের দৃষ্টিভঙ্গি সত্যেই একচোঁখ কানা। আপনি বিচারের বিচারিক কার্যক্রমের কথা বলেছেন। সত্য এক জিনিস আর সত্যকে ইনজিনিয়ারিং করে নতুন সত্য বলে হযত প্রতিষ্ঠা করা যায়। কিন্তু সাধারণ লোক কিন্তু সত্যটা বুঝে। আর তাই এখন গুটি কয়েক কানা আওয়ামীলীগ ছাড়া সবই বর্তমান কার্যকলাপের বিপক্ষে। আপনি হয়ত তা দেখেনা। আশে পাশে গাড়ীতে বাসে এমনকি রিক্সাওয়ালাদের জিজ্ঞাসা করে জেনে নিবেন। যাকে কেন্দ্রকরে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেলাম, যারা ফ্রন্ট লাইনে ছিলেন তারা কে কে যুদ্ধ করেছেন। বিষয়টা হয়ত অপ্রাসঙ্গিক কিন্তু তারপরও সত্য আন্ডাস্ট্যান্ডিং হয়ত সহায়ক হবে।———-- মুজিবের পরিবারে কেও কি মুক্তিযুদ্ধা আছে?? মুক্তি যুদ্ধ নাকি মুজিব পরিবারেরর বাপের দিন্না সম্পত্তি। বাত্তি দিয়া খুঁজলেও মুজিব পরিবারে একটাও মুক্তিযুদ্ধা পাওয়া যাবে না তবে রাজাকার পাওয়া যাবে। আসুন দেখি ۞ ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক ২৫ মার্চ কালো রাতে মুজিব সাজুগুজু করে পাকিস্তান চলে গিয়েছিলেন। ۞ শেখ সাহেবের দুই টা পোলা ছিল যাদের নাম জামাল কামাল। এই দুই পোলা তো ইচ্ছা করলে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করতে পারত। কিন্তু দুইডা যুদ্ধ না করে ভারত চলে যায়। ۞ হাসিনা এবং রেহানার জামাইও ছিল কিন্তু তারাও ভারত পালাই ছিল। ۞ শুধু তাই না মুজিবের ভাই-ভাইস্তা-ভাইগ্না এক টাও যুদ্ধে অংশ নেয় নাই। সব গুলা ভারত গিয়ে আরামে বইসা ছিল। তবে মুজিব পরিবারে রাজাকার পাওয়া যাবে। মুজিবের আপন চাচা শেখ মোশারফ ছিল গোপালগঞ্জের রাজাকার বাহিনির নেতা। মুজিব ক্ষমতায় আসার পর রাজাকার চাচা কে জেলেও দিয়ে ছিল। এই হলো মুজিব পরিবারের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। মুনিম ভাই সত্য কথা বলেছেন। যুদ্ধাপরাধীর বিচার হচ্ছেনা।
আমরা যারা আজ এপক্ষ ওপক্ষ করছি তার সবই হচ্ছে মনগড়া বিশ্বাস থেকে। যদি সত্যিই একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি (এখলাছের সাথে) তাহলে সত্যকে বলা বা মানার শক্তি আর বেশি হত। এখানে সত্য শুধু মুনিম ভাই বলে যাচ্ছেন কিন্তু সবাই তার উপর ভিষণ ক্ষেপে যাচ্ছেন। সত্যিই ২যুগ অপেক্ষা করতে হবে সত্য অনুধাবনের জন্য। সবাই ভাল থাকবেন, আর আমার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করবেন আশা করি। তবে তার আগে একটু মনে রাখবেন আমি একজন পুরো ৯মানের মাঠে যুদ্ধা করা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। যিনি গত 27জুন আমাদের ছেড়ে জান্নাতের পথে চলে গেছেন।
সাদিয়া
অক্টোবর ৭, ২০১৩ at ২:৪০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Tayeb, বাংলাদেশের মুক্তির-সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার আগে ভালভাবে নিজেদের(এই বাংলার) সঠিক ইতিহাস সৰ্ম্পকে জানুন। ভাল থাকুন।
গনসঙ্গিত: "শোন একটি মুজিবরের থেকে" ।
কথা: গৌরী প্রসন্ন মজুমদার।
সুর: অংশুমান রায়।
শোন একটি মুজিবরের থেকে
লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি
আকাশে বাতাসে ওঠে রণী
বাংলাদেশ, আমার বাংলাদেশ।।
এই সবুজের বুকে চেরা মেঠো পথে
আবার যে যাব ফিরে, আমার
হারানো বাংলাকে আবার তো ফিরে পাব
শিল্পে-কাব্যে কোথায় আছে
হায়রে এমন সোনার খনি।।
বিশ্ব কবির ‘সোনার বাংলা’,
নজরুলের ‘বাংলাদেশ’,
জীবনানন্দের ‘রূপসী বাংলা’
রূপের যে তার নেই কো শেষ, বাংলাদেশ।
জয় বাংলা বলতে মন রে আমার
এখনও কেন ভাবো আবার
হারানো বাংলাকে আবার তো ফিরে পাব
অন্ধকারে পূর্বাকাশে-, উঠবে আবার দিনমণি।।
Tayeb
অক্টোবর ৭, ২০১৩ at ১২:০০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাদিয়া,
আমি কখনোই তুচ্ছ্যতাচ্ছিল্য করছিনা। বিষয়টি অনুধাবনের। আমাদের টপিকস্ ফিরে যাই।
যুদ্ধাপরাধ ও মানবতা বিরোধী দুইটা দুই বিষয় আবার দুইটা সর্ম্পকিত। তাতেও আমাদের কোন আপত্তি নাই। আমাদের যত কথ শুধু প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য সরকারের এ বিচার প্রহসন। রাজাকার শুধু জামাতীরায়? আওয়ামী সরকারের ৫জন মন্ত্রীই রাজাকার, রাজাকার মন্ত্রী পরিষদ নিয়ে সরকার অন্য রাজাকারদের বিচার করছে যারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার।
১। মখা
২। সাজেদা
৩। কামরুল
৪। ইঞ্জিঃ মোশারফ (বেয়াই)
৫। দিলীপ বড়ৃয়া
ন্যায়বিচার সবার জন্যই সমান, তাই শুরু করতে হবে নিজের ঘর থেকেই। তাহলেই তা গ্রহনযোগ্যতা পাবে। ……..ভাই হয়ত এসত্য কথাটা বলতে চাননি। কেন আমাদের প্রশ্ন!!!!!!!! বিচার নিয়ে কোন কথা নাই। বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন। শুধুই বিরোধীরা কেন বিচারের আওয়াতায়?
সাদিয়া
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ৰ্ধমের নামে ৭১-এ ইসলামী ছাত্র সংঘ(বৰ্তমান জামাত) কি করছিল ? সেই ইতিহাস বাঙ্গালীরা ভুলে গেছে ??
"৭১'এর মানবতা বিরোধী অপরাধীদের বিচার যেহেতু শুরু হয়েছে সব চিন্হিত অপরাধীরই বিচার করা হবে"। এটা আমার কথা না, মাইন্ড ইট।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ৬:০৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
১ মখা
২ সাজেদা
৩ কামরুল
৪ ইঞ্জিঃ মোশারফ (বেয়াই)
৫ দিলীপ বড়ৃয়া
এরা যুদ্ধাপরাধী! এবার বুঝা গেলো আপনি কোন গোয়ালের গরু। ইসলামের কথা বলেন -- কিন্তু মিথ্যা প্রচার করতে কোন সমস্যা হয় না আপনাদের। যাই হোক আপনি এই ৫ জনের মুক্তিযুদ্ধকালীন কিছু অপরাধের বিবরন যদি আমাদের জানাতেন তবে আপনাকে একজন সত্যবাদী মানুষ হিসাবে জানতাম।
আবারো বলছি -- আপনার মুক্তিযোদ্ধা বাবার জন্যে আফশোস।
জাহিদ
অক্টোবর ১২, ২০১৩ at ৫:৪৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জনাব জিয়াউদ্দিন,
আপনি দয়া করে নিচের লিঙ্কটা পড়ে বলুন- ব্লগার মিথ্যা লিখেছেন। আওয়ামীলীগে থাকা এই ২৪ জন আসলেই রাজাকার ছিলেন না।
http://www.somewhereinblog.net/blog/tarchira100/29884702
ধন্যবাদ
বাকাট্টা
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ৭:১৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এখানে মুখস্থ কবিতার কি আছে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি উল্লেখ করছি মাত্র। কোন সভ্য দেশের সভ্য আইনে একজন বিচারক বাইরের কারো সাথে এভাবে আলাপ তারপর প্রমোশন এবং আইমন্ত্রীদের সাথে দেখা করতে পারে না। ICT ও বিচার বিভাগ সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে যা অবৈধ। আজকে দেখলাম হাইকোর্ট রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিরুদ্ধে রিটকে খারিজ করে দিছে। অথচ ভারতের পরিবেশ মন্ত্রণালয় তাদের সুন্দরবন অংশে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করলে পরিবেশের ক্ষতি হবে বিধায় সেখানে নির্মাণ করতে দেয়নি। বিচার বিভাগ হাসিনার কথায় উঠে বসে।
সুষ্ঠ বিচারে কেউ দোষী হলে এবং শাস্তি পেলে কোন আপত্তি নাই। কিন্তু স্কাইপি ও বিচারের শোনানী শেষের আগেই রায় লিখা পক্ষপাতিত্বমূলক অন্যায় বিচার। কোন বিবেকবান মানুষ এই অন্যায্য বিচার মানতে বাধ্য নয়। দেশে এর তীব্র প্রতিরোধ হবে এর দায় দায়িত্ব হাসিনার।
সাদিয়া
অক্টোবর ৭, ২০১৩ at ২:৫৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাকাট্টা,
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইবুনাল এর বিচারিক প্রক্রিয়া সৰ্ম্পকে আপনার কোন ধারনা নাই, এটা এখন প্রমানিত।
"চোর" একটা জিনিস(বিচারকের রায়) চুরি করসে এখন যদি আপনি মালিক(বিচারক)কে দোষারপ করেন ঐ চুরির জন্য, তবে কেমন হয় ব্যাপারটি ?
বাকাট্টা
অক্টোবর ৭, ২০১৩ at ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার প্রতি অভিযোগ তুললেও দেশের বিবেকবান মানুষ জানে যে এই ICT নিয়ে হাসিনার সরকার রাজনৈতিক প্রতারণা তথা নোংরামী করছে। এই বিচার শুরুর প্রাক্কালে হাসিনা মার্কিন মন্ত্রী ষ্টীফেন রাপকে বলেছিল;
Bangladeshi Prime Minister Sheikh Hasina says her country’s first ever war crimes trial relating to the 1971 war of independence will be fair, impartial and conform to international standards—this according to the Bangladeshi newspaper The Daily Star. According to the paper, the Prime Minister made the comments to US ambassador-at-large for war crimes Stephen Rapp on Tuesday in Dhaka, following his pointed criticism of the judicial process.
http://www.rnw.nl/international-justice/article/bangladeshi-pm-tribunal-fair-and-impartial
কিন্তু স্কাইপি স্ক্যান্ডাল সেটা বলে না। নিজামুল হক নাসিমের কয়েকটি কথা উল্লেখযোগ্য
১) গভার্মেন্ট একটা রায়ের জন্য পাগল হইয়া গেছে,
২) আমাকে প্রমোশন দিয়ে আপিল বিভাগে আনা হবে,
৩) দুই আইনমন্ত্রী প্রায়ই উনার সাথে ICTর বিষয়ে আলাপ করতে আসে।
এখন বলেন যে ভাবে ICT চলছে এটা কি সুষ্ঠ বা আন্তর্জাতিক মানদন্ডের বিচার নাকি পক্ষপাতিত্বমূলক অবৈধ রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন?
এখানে রায় চুরির বিষয় না। বরং প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে এই কারণে যে বিচারের স্বাক্ষ্য-প্রমাণ, জেরা, যুক্তি তর্ক তথা শোনানী শেষের পূর্বেই আইন মন্ত্রণালয় থেকে রায় লেখা হয়েছে। রায় লেখবে বিচারপতি তখনই যখন শোনানী শেষ হবে। কিন্তু এখন প্রমাণিত যে বিচারপতিতো ননই বরং শোনানী শেষ হওয়ার আগেই অন্য কেউ রায় লিখে রাখছে। এখন কথা হচ্ছে যারা এটা(যে রায় লিখছে) করছে কোন দোষ না কিন্তু যে ইন্টারনেটে ফাস করছে সে চোর, বড়ই বিদ্রুপাত্নক!
সাদিয়া
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাকাট্টা,
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের সম্মানিত চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক এর ব্যক্তিগত স্কাইপ কথোপকথন এবং ইমেইল হ্যাকিংকে কেন্দ্র করে “আমার দেশ” নামের চিহ্নিত পত্রিকাটি আদালতের সুনির্দিষ্ট আদেশের লঙ্ঘন করে, সমস্ত ধরণের শিষ্টাচার ও সভ্যতার নিয়মকানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এই অপরাধের মাধ্যমে গৃহীত তথ্যসমূহ অনেক রঙ চড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রচার করতে থাকে। তার সাথে যোগ দেয় অনলাইন প্লাটফর্মের চিহ্নিত কিছু জামাতপন্থী গ্রুপ। কিন্তু বাস্তবতা হল ঐ স্কাইপি কথোপকথনের এর ফলে কোনো আইন ভঙ্গ হয়নি, যা এমনকি ইকনমিস্টও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। ইকনমিস্টের গত ১২ ডিসেম্বর তারিখের বিশদ প্রতিবেদনের শেষাংশে এসে স্পষ্টই বলা হয়েছে – “We do not believe he (Ahmed Ziauddin) has broken any laws and cannot be held responsible for the actions of others” কোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডেরও লঙ্ঘন হয়নি, বরং বিচারপতি হক এর স্বেচ্ছা পদত্যাগের মাধ্যমে নৈতিক দায়িত্ব পালিত হয়েছে।
আপনি কিভাবে জানেন রায় আইন মন্ত্রনায়ল থেকে আসছে ?
রায় ট্রাইববুনাল থেকে চুরি করা হয়েছে ।
সাকা চৌধুরীর ফাঁসির রায়ের খসড়া ফাঁস হওয়ার ঘটনায় দায়ী সাকা চৌধুরীর আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল হাসান। ফখরুল ইসলাম তার সহকারী মেহেদী হাসানকে দিয়ে এ কাজ করিয়েছেন বলে দাবি গোয়েন্দা পুলিশের। এ ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের নয়ন নামে এক কর্মচারীরে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। আটককৃতকে শনিবার আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম প্রেসব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। ডিবির ভাষ্য, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম নয়ন আলী। তিনি দেড় বছর আগে ট্রাইব্যুনালের পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে নিয়োগ পান। তবে কম্পিউটার পরিচালনায় তিনি দক্ষ ছিলেন। ডিবি দাবি করে, নয়ন আলী সাকা চৌধুরীর রায়ের খসড়া ফাঁসের ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। সাকা চৌধুরীর আইনজীবী ফখরুল ইসলামের সহকারী মেহেদী হাসান প্রলোভন দেখিয়ে তাকে দিয়ে এ কাজ করিয়েছেন। রায় যখন ট্রাইব্যুনালের কম্পিউটারে কম্পোজ করা হচ্ছিল তখন নয়ন আলী পেন ড্রাইভের মাধ্যমে সেটি সাকার আইনজীবীর সহকারীকে দেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিবি জানায়, ট্রাইব্যুনালের কর্মী নয়ন ও আইনজীবীর সহকারীর মধ্যে মধ্যস্থতার কাজ করেন ট্রাইব্যুনালের আরও একজন কর্মচারী। তাঁর নাম ফারুক। এ ঘটনায় সাকার আইনজীবীর সহকারী মেহেদী হাসান, ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী ফারুক ও কর্মী নয়ন আলীকে আসামি করে শাহবাগ থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে বলে ডিবি জানায়।
বাকাট্টা
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ৭:৫৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
চোর চুরি করছে আর সেটা ধরিয়ে দিছে দৈনিক আমার দেশ। আপনার কথায় দাড়াল এই যে চুরি করছে দোষ না কিন্তু যে ধরিয়ে দিল সেই দোষী! আন্তর্জাতিক মানদন্ডে নিজামুল হকের সাথে এভাবে সরকার বা মন্ত্রীরা রায়ের জন্য চাপাচাপি করতে পারে না। হাসিনার রাজনৈতিক অভিলাষের জন্যই এই ধরণের নগ্ন হস্তক্ষেপ হয়েছে। ষ্টীফেন রাপকে বলা হাসিনার কথার সম্পূর্ণ লঙ্ঘন।
পৃথিবীর কোন সভ্য দেশের সভ্য আইনে বিচারের শোনানী শেষ হওয়ার পূর্বে রায় লিখতে পারে না। আর এখানে রায়টাই লিখা হয়েছে আগে এবং বিচারক দ্বারা নয়। আর ডিবি, দুদক সবই হাসিনার পোষ্য। তারা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে আসল সত্য ধামাচাপা দিতে চাচ্ছে। আমরা দেখেছি কিভাবে হলমার্ক কেলেংকারীতে জড়িত সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদকে(রাজনৈতিক ভাবে নিয়োগকৃত) দুদক নির্দোষ ঘোষণা করছে। এই সবই নোংরা রাজনীতির ফসল।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৬, ২০১৩ at ৭:২৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম ভাই এবার মানবতাবাদী হিসাবে মুক্তিযোদ্ধাদের বিচার চাইছেন। এর আগে মুসলিম ব্রাদা্রহুড এবং ঐক্যের কথা বলে বিচারের বিরোধীতা করেছেন। মুলত একজন পাকিস্তানপ্রেমীক হিসাবেই মুনিম ভাইকে আমি জানি। উনার ইসলাম রক্ষার তড়িকা হলো একটা ভুখন্ডে মুসলিমদের আটকে রাখা। উনি বিচারের দাবীদারদের নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। মুলত উনি মজলুমদের বিপক্ষে একজন মানুষ -- উনি জামাতের অপরাধ ক্ষমা করে দিতে বলেন -- কিন্তু মজলুমদের হকের কথা বলেন না। ইসলামের নামে এই ধরনের প্রতারনার কারনেই আজ বাংলাদেশে ৯০% মুসলিমদের দেশ হয়েছে দূর্নীতি আর দুরাচারের সর্বোচ্চ আসনে আছে।
ইসলাম জালেমদের বিষয়ে কঠোর -- তেমনি মজলুমদের বিষয়ে সহানুভুতিশীল। মুলত মজলুম এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না -- সেখানে মুনিম ভাইরা নিজেরা পর্দা হয়ে বিচারের বাঁধা তৈরী করছেন।
মুল আলোচনাটা হলো বিচার হচ্ছে একজন সুনির্দিষ্ট যুদ্ধাপরাধী হিসাবে সাকা চৌধুরীর -- সেখানে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী বিচার , মুক্তিযুদ্ধাদের মানবাধিকার লংঘন, ইসলামের ভাতৃত্ব বন্ধন, সঠিক ভাবে বিচার হচ্ছে না ইত্যাদির সাথে সাকার অপরাধের সম্পর্ক কোথায়?
যাই্ কোন বিতর্ক করে লাভ নেই -- কেউই আসল চেহারা লুকাতে পারে পারে না -- ৭১ এ ইসলামের নামে জামাত-মুসলিমলীগ পাকিস্তান রক্ষার নামে যখন বাংলাদেশের নারীদের পাকিস্তানী সেনাদের ভোগের জন্যে তুলে দিচ্ছিলো তখনও একদল মানুষ মুনিম ভাই এর মতো পাকিস্তান রক্ষার সাথে ইসলাম রক্ষাকে এক করে ফেলেছিলো।
সুতরাং এই নিয়ে কথা বলে লাভ নেই। অবস্থা দেখ এমনে হচ্ছে সদালাপই এখন পাকিপন্থীদের আশ্রয়স্থল -- এখানে মুক্তিযুদ্ধাদের বিচারও চাওয়া যায় এবং সেই দেশে বসে যে দেশ স্বাধীন করার জন্যে মুক্তিযুদ্ধারা জীবন উৎসর্গ করে পাকিস্তানী এবং তাদের দোসর পশুদের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশটাকে স্বাধীন করেছে। কতটা অকৃজ্ঞ না হলে এখন এমন মানুষ আছে যারা ৭১ এর বাংলাদেশের জন্মবিরোধী পশুদের বিচারকে বিতর্কিত করতে পারে -- তাও আবার ইসলামের নামে।
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ৭, ২০১৩ at ১২:৫১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম ভাই এবার মানবতাবাদী হিসাবে মুক্তিযোদ্ধাদের বিচার চাইছেন।
আপনি আমার বক্তব্যকে অতিরঞ্জিত করে আমাকে অভিযুক্ত করছেন বলে মনে হচ্ছে!
আমি মুক্তিযোদ্ধাদের বিচার চাইনি, আমি বলছি সত্যিকারর্থে ন্যায় বিচার করতে হলে ৭১ সালে সংঘটিত সকল ধরণের মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার করা উচিত। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের সুর্যসন্তান। তারা কোন বিশেষ দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে সেদিন জীবন বাজী রেখে হাতে অস্ত্র তোলে নেননি। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের পর যারা নিজ জ্ঞাতীকে তদান্তিন পশ্চিম পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নির্বিচার নিরীহ মানুষ জনকে হত্যা, বাড়ি ঘরে অগ্নি সংযোগ করে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাই করতে দেখে সে অন্যায়ের জবাব দিতে সেদিন যারা হাতে অস্ত্র তোলে নিয়েছিলেন তারা কখনও অন্যায় ভাবে অন্য নিরীহ মানুষ জনকে হত্যা, নারীদের ধর্ষণ, বাড়িঘর থেকে বিতাড়ন করতে পারেন না। ঐ সময় রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগে যারা এই সব করেছিলো তারা কেউ মুক্তিযোদ্ধা ছিলোনা, তারা ছিলো সন্ত্রাসী। আমি যে দাবি করছি সেই সব সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ডও বিচারের আওতায় আনা।
এর আগে মুসলিম ব্রাদা্রহুড এবং ঐক্যের কথা বলে বিচারের বিরোধীতা করেছেন।
আমি সব সময় মুসলিম ভ্রাতৃত্বের মধ্যে যাতে ঐক্য বিঘ্ন না ঘটে তাঁর পক্ষে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে চেষ্টা করে যাবো, কারণ এই আমার ঈমানী দায়িত্ব।
মুলত একজন পাকিস্তানপ্রেমীক হিসাবেই মুনিম ভাইকে আমি জানি।
কালের কথা কালে বলতে হবে, আপনি যদি ৪৭ থেকে ৭১ এর ২৫শে মার্চের আগে যে ভূখন্ডকে পাকিস্তান বলত তাঁর কথা বলে থাকেন তাহলে আপনার অভিযোগকে আমি অস্বীকার করবো না। কারণ আমি আমার পূর্বসূরীদের গৌরভময় কর্মকে ভুল বলতে পারিনা। যদি ভুল বলি তাহলে আমি আমার মরহুম বাবাকে চাচাকে গালী দেবার নামান্তর হবে। কোন অস্ত্র বলে নয় ৪৬ সালের নিরপেক্ষ ভোটের মারফতে জনমতের মাধ্যমে ৪৭ এর ১৬ অগাস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছিলো, কাজেই যারা পাকিস্তান সৃষ্টি করেছিলো তারা ভুল করেননি সেটি আমার অকাট্য বিশ্বাস। তাই যখন দেখি আমার সে বিশ্বাসে কেউ আঘাত করছে, তখন অবশ্য নিরবে বসে থাকতে পারিনা। তাছাড়া মনে রাখবেন আমরা সিলেটের লোক পূর্ব বাংলায় ছিলাম না। আমরা ভারতে আসাম প্রদেশের সুরমা- বরাক ভ্যালীর লোক ছিলাম। অভিভক্ত ভারতের আসামে তখন ১২টি জেলা ছিলো, সেই ১২টি জেলার মধ্যে সিলেট জেলা ছিলো ধনে সম্পদে জ্ঞানে গুনে শিক্ষায় দীক্ষায় উন্নত আসামের রাজনৈতিক এবং সামাজিক জগতে সিলেটিদের অবস্থান বাকি ১১টি জেলার মানুষের উপরে ছিলো। ১১টি জেলার মানুষ আমাদেরকে ঠাকুর দেবতার মত সম্মান জানাতো। সে সময় আজকের ঢাকা একটি গ্রামের মত ছিলো, কিন্তু সিলেট মনোরম নগর ছিলো। এত সুযোগ সুবিধা সব ফেলে পূর্ব বাংলার মত হত দরিদ্র অংশের সাথে সংযোগ হতে যে চেতনা কাজ করেছিলো সে চেতনা কোন বাংগালী জাতিয়তাবাদী চেতনা ছিলোনা, ছিলো ইসলামিক চেতনা, মুসলিম ভ্রাতৃত্বে চেতনা।
অভিভক্ত আসামের মন্ত্র বসন্ত কুমার পূর্ব বাংলার সাথে এক না হয়ে সুরমা-বরাক ভ্যালী এবং খাসিয়া পাহাড় নিয়ে আরেকটি নতুন ধর্মনিরপেক্ষ দেশ বানাবার প্রস্থাব দেয়া হয়েছিলো সেদিন। সে প্রস্থাবও আমাদের বিজ্ঞ বাবা চাচা প্রত্যাখান করেছিলেন। তাদের টোপ গিললে এত দিনে আমরা সিকিমের মত অবস্থানে পৌছে যেতাম। আর এই প্রত্যাখান ছিলো ইসলামিক চেতনা এবং মুসলিম ভ্রাতৃত্ব চেতনার কারণে। তাই ৪৭ থেকে ৭১ এর ২৫ মার্চের পূর্বের পাকিস্তানের সহিত আমার নাড়ির সম্পর্ক তাই তো প্রীতি থাকবে।
কিন্তু আপনার অভিযোগের আংগুল যদি থাকে আজকে যে ভুখন্ডকে পাকিস্তান বলে সে পাকিস্তান প্রীতির কথা তাহলে আপনি একজন মুসলিম হয়ে অন্য একজন মুসলিমের প্রতি অন্যায় ভাবে মিথ্যা অভিযোগ চাপিয়ে দিচ্ছেন। আজকে পাকিস্তান নিয়ে আমার প্রীতি কেন কোন কষ্টকল্পনাও নেই তারা বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের মত একটি দেশ, এক্ষেত্রে ইরান, আফগান,ইরাক মরক্কো আমার কাছে যেমন আজকের পাকিস্তানও আমার কাছে তেমন।
মুসলিমদের অন্য কোন চেতনা থাকতে পারেনা, অন্য কোন চেতনার জন্য সময় অর্থ, জীবন দেবার নির্দেশ নেই ইল্লা ইসলাম।
উনার ইসলাম রক্ষার তড়িকা হলো একটা ভুখন্ডে মুসলিমদের আটকে রাখা।
জি-না। ইসলাম একটি আন্তজাতীয় ধর্ম তাই কোন এক ভুখন্ডে কেউ আটকে রাখতে পারেনা। তবে আজকে বিশ্বে ইউরোপদের উদর থেকে নির্গিত বিষ আঞ্চলিকতাবাদ, ভাষা এবং ভৌগলক ভিত্তিক জাতিয়তাবাদ দিয়ে মুসলিম খেলাফত ব্যবস্থাকে টুকরো টুকরো করা ফলে বিশ্ব মুসলিমরা তাদের পাতা ফাঁদেরর কয়েকটি পকেটে অবস্থান করছে। তাই সেই পকেট গুলো থেকে যেন ইসলামী মূল্যবোধ মিটে না যায়, আমাদের সন্তানরা যেন ইসলাম ছেড়ে অন্য কোন কিছু গ্রহণ করতে না পারে সে জন্য তো চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
উনি বিচারের দাবীদারদের নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। মুলত উনি মজলুমদের বিপক্ষে একজন মানুষ – উনি জামাতের অপরাধ ক্ষমা করে দিতে বলেন – কিন্তু মজলুমদের হকের কথা বলেন না। ইসলামের নামে এই ধরনের প্রতারনার কারনেই আজ বাংলাদেশে ৯০% মুসলিমদের দেশ হয়েছে দূর্নীতি আর দুরাচারের সর্বোচ্চ আসনে আছে।
দূর্নীতির কারণ আর দুর্নীতির জনক কারা কারা মাত্র পরিবার বাংলাদেশী ছিলো পূর্ব পাকিস্তানে যাদের ব্যবসা বাণিজ্য ছিলো, কিন্তু কোন আলাদিনের প্রদীপে কল্যানে আজ লাখো লাখো দরিদ্র চাষা ভুষার সন্তানরা কোটিপতি হয়ে গেলো এবং প্রতি বছর ২হাজার করে নতুন কোটিপতি হচ্ছে? এই সব কোটিপতিরা কি সব ইসলাম বেচে কোটিপতি হয়েছে?
আমি বিচারের দাবিদার নিয়ে কটাক্ষ করছিনা, আমি বলছি হয় আমাদেরকে এমন বিচার করতে হবে যাতে করে ঐ সময়ের সকল প্রকার অন্যায়ের বিচার হয়, এইটি সম্ভব না হলে এই বিচারের ভার আল্লাহর কাছে ছেড়ে দিয়ে জাতীয় ঐক্যের পক্ষে যা করিনীয় দরকার তা করার। (সেদিন আমি রেডিও প্রধাণমন্ত্রীর ভাষণ শুনেছি- তাতে তিনি বলছেন, জাতির ঐক্যের জন্য এই বিচার খুব দরকার ছিলো তাই এই বিচার হচ্ছে, যার ফলে বাংলাদেশ মানুষ জাতীয় ঐক্যের পথে এগিয়ে যাবে। তিনি কোন হিসাবে বলেছেন যদিও আমার বিচার বিবেচনায় মিলেনি, তারপরও আমি আশা করব প্রধানমন্ত্রীর কথা যেন সফল হয়, যেন আমরা সবাই এক হতে পারি।)
কারো অপরাধ ক্ষমা করতে বিলিনি বরং আপনারা যারা পশ্চিমপাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের নাম ভাসুরের নামের মত মুখে আনা কি মনেও স্মরন করতে চাননা, তরুন প্রজন্মের কাছে তাদের হিংস্রতা তোলেও ধরেন না, শুধু প্রচার করে চলছেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তদান্তন পাক সামরিক বাহিনীর দোসর হিসাবে জামাতই ৩০লক্ষ মানুষকে হত্যা এবং ২ লক্ষ নারীকে ধর্ষন করেছে। আর প্রধাণ অপরাধীদের অপরাধকে ছাই চাপা দিয়ে শুধু ক্ষমা চাইতে বলেন এক দিকে অপরাধে মূল আসামীকে ৪০ বছর আগে খালাস দিয়ে জগতকে চিৎকার দিয়ে জানাবেন- বিশ্ববাসী দেখুক বাংগালী কত উদার! তারা কেমন করে ক্ষমা করতে জানে! আর ৪০ বছর পর তাদের এই দেশীয় সহযোগিকে সে অপরাধের সহযোগীতার অপরাধে ফাঁসীর রায় দিয়ে কি অদ্ভুতুড়ে আপনাদের ইনসাফ প্রকাশ করে যাচ্ছেন, সে কথা আপনাদের মর্ম মূলে প্রবেশের চেষ্টা করতে এতো কথা বলা। তবে আপাতঃ দৃষ্টিতে বুঝতে পারছি যে জাতীয়তাবাদী চিন্তা চেতনার দেয়াল ভেদ করতে পারছেনা আমার এই প্রচেষ্টা।
ইসলাম জালেমদের বিষয়ে কঠোর – তেমনি মজলুমদের বিষয়ে সহানুভুতিশীল। মুলত মজলুম এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না – সেখানে মুনিম ভাইরা নিজেরা পর্দা হয়ে বিচারের বাঁধা তৈরী করছেন।
যাই্ কোন বিতর্ক করে লাভ নেই – কেউই আসল চেহারা লুকাতে পারে পারে না – ৭১ এ ইসলামের নামে জামাত-মুসলিমলীগ পাকিস্তান রক্ষার নামে যখন বাংলাদেশের নারীদের পাকিস্তানী সেনাদের ভোগের জন্যে তুলে দিচ্ছিলো তখনও একদল মানুষ মুনিম ভাই এর মতো পাকিস্তান রক্ষার সাথে ইসলাম রক্ষাকে এক করে ফেলেছিলো।
এখানে আড়াল করার কি আছে? আমি যা বিশ্বাস করি তা হৃদয় দিয়ে বিশ্বাস করি, আর এইটি ঈমানের দাবি। ব্লগীং জগতে যখন থেকে আমার পদার্পন সেদিন থেকেই আমি কি আমার চিন্তা চেতনা কি তা প্রকাশ করতে দ্বিধা করিনি। আমি যদি কিছু কিছু মানুষের মতো হাসজারু মার্কা মুসলিম হতাম। মানে মুখে নিজকে মুসলিম দাবী করতাম কিন্তু এই যুগে ইসলাম অচল তাই ইউরোপের মানুষের আবিস্কৃত জীবন ব্যবস্থায় মুক্তি নিহিত মনে করে তা প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট থাকতাম। বা বাংলাদেশের হাল ক্রেজ মুখে জামাত বিরোধীর নাটক করে কিংবা মুসলিম ভ্রাতৃত্বের চেয়ে বাঙ্গালী ভ্রাতৃত্বকে বড় মনে করে ইসলাম এবং মুসলিমদের মুন্ডুপাত করে এবং ৭১ কতিপয় ব্যক্তির অপরাধের জন্য সকল পাকিস্তানীকে ঘৃণা করে ব্লগে লেখার মাধ্যমে ঘৃণার চাষাবাদ করে যেতে পারতাম তাহলে নিজের ভাগ্য গড়ে নিতে নিদেনপক্ষে জনপ্রিয় ব্লগারদের একজন হতে পারতাম। এত আপনি যা আজ মুখে ফুটে বলছেন সে অপবাদ নতুন কিছু নয় আমার কাছে।
৭১ সালে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য কেউ লড়েনি, তাই ইসলাম আর পাকিস্তানকে এক করার প্রশ্ন ছিলোনা, ছিলো সিকিম হবার ভয়। তাই তা্রা লড়েছিলো পাকিস্তানকে খন্ডতা থেকে রক্ষা করতে। যে প্রজন্ম মাত্র ২৪ বছর আগে অনেক ত্যাগ স্বীকার করে পাকিস্তান বানিয়েছিলো তাদের পক্ষে পাকিস্তান ভাংগা মেনে নেয়া সহজ ছিলোনা। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে যারা অংশ নিয়েছিলেন তারা আজ যেমন বাংলাদেশের স্বাধীনতা অখন্ডতা বিরোধী কিছু মেনে নিতে পারেন না বিষয়টি ঠিক তেমন ছিলো। যদি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তান খন্ডিত না হয়ে ভোটের মাধ্যমে সংসদের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম হতো তাহলে আজ এই উপমহাদেশে শক্তির ভারসাম্য অন্য ধরণের হতো। আজ আমাদেরকে ভারতের করুনার উপর বাস করতে হতোনা।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ৬:২৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি জোর গলায় যা ঈমানী দায়িত্বের কথা বলছেন -- যা যে মজলুমদের বিপক্ষে যাচ্ছে -- আপনি মজলুমদের বিচারের হকের বিপক্ষে দাড়াচ্ছেন -- সে্ইটা কোন ঈমান বুঝতে অপরাগ। আপনি কেন কোরানের নির্দেশ অনুসরারে বিচারের পক্ষে থাকতে পারছেন না? আপনার ঈমান আর ইসলাম সবই চলে যায় রাজাকার আর সাকার পক্ষে -- সমস্যা সেখানেই। আপনি যত জোরেসোরেই ইসলামের কথা বলেন তাতে কোন কাজ হচ্ছে না যতক্ষন না আপনি ন্যায়ের পক্ষে কথা বলছেন -- আর ন্যায় প্রতিষ্টার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো জালেমদের বিচার করা। এই পর্যণ্ত যতদিন আপনাকে দেখছি ততদিনই দেখছি কোন না কোন ভাবে আপনি জামাতের পক্ষে চলে যাচ্ছে -- নানান ভাবে বিচারের বিপক্ষে কথা বলছেন। আপনি সুষ্পষ্ট ভাবে একজন বিভ্রান্ত মানুষ। কথাটা কঠিন হলেও সত্য -- আর সত্য কথা বলে বন্ধুরাই।
আল্লাহ সুরা আর রহমানে বলেছেন -- আল্লাহ সমতা (ব্যালেন্স) তৈরী করেছেন আর আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন সেই ব্যালেন্স নষ্ট না করতে। যারা যুদ্ধের সময় অসহায় মানুষের উপর অত্যাচার করেছে তারা একটা অপরাধ করেছে -- তার উপর তারা তা করছে আল্লাহর নাম নিয়ে ( পাকিস্তান আল্লাহর ঘর তাকে রক্ষা করার জন্যে জীবন বাজি রেখেছে তারা) -- কোরানের ভাষ্য অনুসারে তারাতো জালেম। যখন জালেমদের বিচার হচ্ছে প্রকাশ্য আদালতে -- তখন জালেমদের পক্ষে কিছু চোর বিচারকদের কথোপকথন চুরি করছে -- কোন কোন চোর রায়ের খসড়া চুরি করছে -- আর আপনি সগৌরবে তা প্রচার করছেন।
ঈমানী দায়িত্ব নিজে নিজে সঙ্গায়িত না করে কোরানের সুষ্পষ্ট নির্দেশগুলো লক্ষ্য করুন। কোরান হাদিস অনুসরন করে জালেমদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হউন।
ধন্যবাদ।
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিয়াভাই, আপনি শুধু সদালাপে আমার সম্মানিত সহব্লগার নন, আপনি আমার ফেসবুকের ফ্রেন্ডলিষ্টের একজন সম্মানিত ফ্রেন্ডও বটে। তাই যখন বলেন যে আমাকে জামাতের পক্ষে অবস্থান নিতে দেখে থাকেন তখন আমার প্রতি আপনি অবিচার করেন বলেই আমার মনে হচ্ছে। যারা আমার গতিধারা নিবিড় ভাবে লক্ষ্য রাখেন তারা লক্ষ্য করবেন যে আমার কোন দলিয় কারেক্টনেস নামক রোগ নেই। আমার বিবেক বিবেচনা যেটিকে ন্যায় যেটিকে অন্যায় বলে মনে করে তা আমি বলতে দ্বিধা করিনা। জিয়াভাই একটি কথা মনে রাখবেন আমি আপনাদের মত বাংলাদেশের বাইরে থেকে ব্লগিং করছিনা। দেশের মাটি থেকেই করে যাচ্ছি, সত্য বলে বিবেচনা করি বলে, এবং সত্য প্রকাশের দায়িত্ব ঈমানী দায়িত্ব বলে বিশ্বাস করি বলে বিপদের খড়্গ মাথার উপর জেনেও বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমি বিপদে পড়া মানে আমার পুরো পরিবার তছনছ হয়ে যাবার শঙ্কা তো আছে। যে ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য নয়, কোন রাজনৈতিক দল থেকে কোন ব্যক্তিগত ফায়দার লাভের আশা নেই সেখানে কেন আমি কোন এক পক্ষের হয়ে কথা বলে বিপদ মাথা নিচ্ছি? সেটি কে কি আপনার কাছে নিছক বিভ্রান্তি বলে মনে হচ্ছে?
তবে একজন ঈমানদার মুসলিম এই ভাবে কি অন্য একজন মুসলিমকে বলতে পারে? একজন মুসলিম কোন বিষয় বা ব্যক্তি সম্পর্কে স্রেফ ধারণা করে কোন রায় দিলে তাঁকে তাঁর রায় প্রকাশের পর অবশ্য বলতে হবে- এই বিষয়ে প্রকৃত সত্য একমাত্র আল্লাহ জানেন।
আর এর জন্যই তো আপনাকে বন্ধু হিসাবে জ্ঞান করে সত্য কথা বলার চেষ্টা করে যাচ্ছি- যেমন করে রাসুল সাঃ এক সময় উনার কাফেলায় আবু জাহেল কিংবা উমর বিন খাত্তাব রাঃ পাবার জন্য আল্লাহর দরবারে আবেদন জানাতেন, আমিও ঠিক সেভাবে আমার কাফেলাতে (জামাত নয়, বিএনপি নয়, আওয়ামীলীগ নয়, শুধু মাত্র সত্যলীগ) আপনাকে পাবার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে থাকি। আজ না হলে কাল, কাল না হলেও আমি মারা যাবার পরও কোন দিন আপনার হৃদয়ের দুয়ার দিয়ে আমার কথার সত্যতা অনুভব করতে পারেন সেদিন সত্যলীগে ফিরে আসবেন, আপনার কলম শক্তিকে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজে লাগাবেন। ধন্যবাদ।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৯, ২০১৩ at ১:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গত রাতে আপনার ফেইস বুকের স্ট্যাটাসগুলো দেখলাম। একটা স্ট্যাটাসও নেই যাতে বলা যায় আপনি মজলুমদের পক্ষে একটা শব্দ উচ্চারন করেছেন। আপনার ইসলাম আর ইমান সব সময়ই জামাত আর বিএনপির পক্ষে চলে যাচ্ছে। সমস্যাটা সেখানেই। যাই হোক -- আমি কোন দলের না -- আমি নিজের আমলের দায় নিয়ে নিজেই দাঁড়াবো। তাইতো সত্য প্রতিষ্ঠার জন্যে সব সময় মজলুমদের পক্ষে সরব থাকি -- বিচারের পক্ষে চিৎকার করি।
বিরাট বিরাট কথা না বলে একবার ভাবুন আপনার বোন রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানী সেনাদের দ্বারা ধর্ষিতা হয়েছেন -- ভাবুন তখন আমি আপনার বিচারের দাবীতে নানান কুটতর্ক করে বিভ্রান্ত করছি।
যারা ৭১ এ নিহত হয়েছিলেন -- যারা ধর্ষিতা হয়েছিলেন -- তারাও কিন্ত মুসলিম ছিলেন। যখন অধিকৃত বাংলাদেশের অবরুদ্ধ জনগোষ্টীর উপর প্রবল ভাবে নির্যাতন নামিয়ে এনেছিলো পাকিস্তানী সেনারা -- তখন জামাত, নেজামে ইসলাম বা আপনার প্রিয় মুসলিম লীগ মুসলিম হিসাবে তার প্রতিবাদ না করে শান্তিকমিটি, রাজাকার আলবদর ইত্যাদি বানিয়ে জালেমদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো। এখন আপনিও ইসলামী ভাতৃত্ব রক্ষার দোহাই দিয়ে পাকিন্তানের পক্ষে কথা বলেন -- রাজাকারদের বিচারের বিরুদ্ধে নানান বিতর্ক করেন। বিচারের বিরুদ্ধে দাড়ানোর যে দায়টা আপনি নিচ্ছেন সেইটা নিয়ে ভাবেন।
ফেইস বুকের স্টেটাসে দেখলাম আপনি বলছেন ৭১ এ ৮০ ভাগ লোক কোন পক্ষে ছিলো না -- এই পরিসংখ্যান কোথায় পেলেন। অনেকে রাজাকার আলবদরের বন্ধু হিসাবে তথন স্বাভাবিক জীবন যাপন করেছে -- অন্যদিকে সাগে সাত কোটি মানুষের মাঝে ১ কোটি লোক দেশ ত্যাগ করেছে, দেশের ভিতরে ২ কোটি মানুষ পালিয়ে বেড়িয়েছে -- এখানেই তো দেখছি ৩০ ভাগ মানুষ জীবন বাঁচানো নিয়ে ব্যস্ত ছিলো।
যাই হোক -- যতটা ইসলাম বুঝি তাতে বুঝতে পারছি -- ন্যায় প্রতিষ্ঠার পক্ষে থাকাটাই মুল কাজ। ভাই বেরাদার বলে খুনী আর ধর্ষকদের পক্ষে থাকার কোন সুযোগ নেই।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৯, ২০১৩ at ১:১৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- আপনি কি নতুন করে ইতিহাস লেখা শুরু করবেন নাকি? সেই সময়ের জামাত, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম আর কেএসপি সহ সকল রাজনৈতিক দলে আর তাদের নেতাদের বক্তব্য কিন্তু ছিলো পাকিস্তান রক্ষা মানে ইসলাম রক্ষা করা। ভারতের জুজুর ভয় দেখানো আগেও ছিলো -- এখনও আছে। গোলাম আযম নিজামীদের বত্তৃতা ছিলো "পাকিস্তান আল্লাহ ঘর -- তাকে রক্ষা করতে হবে"।
আপনি দয়া করে সত্যের সাথে মিথ্যা মিশানো বন্ধ করুন।
মুনিম সিদ্দিকী
অক্টোবর ৮, ২০১৩ at ৪:৫০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ENGL
তারমানে কি পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক যে গণহত্যা শুরু হয়েছে তার দায় দায়িত্ব পাকিস্তানের নাই?
কে বলছে পাকিস্তানের নেই? তবে এই দায় দায়িত্ব বর্তমান পাকিস্তানের যাকে আমি পশ্চিম পাকিস্তান বলে জানতাম। এবং এর দায় ৪৭ এ জন্ম নেয়া ৭১ এর ২৫শে মার্চ এসে ভেঙ্গে যাওয়া সে পাকিস্তানের নেই, আমি শুধু যে টি বলতে চাই পশ্চিম পাকিস্তানীদের দায় অখন্ড পাকিস্তানের উপর চাপানো যাবেনা। পাকিস্তানের জন্ম ভুল যারা বলেন তাদের বিরোধে আমার কন্ঠ।
তাহলে কি বাংলাদেশীদের উচিত ছিলো এই গণহত্যা, ধর্ষন মেনে নিয়ে পাকিস্তানের সাথে থেকে যাওয়া? তারা গ্রামকে গ্রাম জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার করে দিলেও আমরা নিরীহ মানুষের লাশগুলোর উপর দিয়ে গিয়ে বলতাম আয় ভাই আমরা একসাথেই থাকি?
না। আমি কি কোথাও সে ভাবে বলেছি? পাকিস্তানকে আমরা বাংলাদেশীরা জন্ম দিয়েছিলাম। আমাদের বাংলাদেশী মুসলিমদের স্বার্থে। আজকের পাকিস্তান যদি আমাদের সাথে সেদিন না আসতো তাহলে এই পূর্ব বাংলার মানুষের পক্ষে আজ যে আলাদা দেশের নাগরিক হতে পেরেছি তা হতে পারতামনা। আজকের পাকিস্তানের জমিদার, রাজা মহারাজা ছিলো মুসলিম এবং প্রজারাও ছিলো মুসলিম কাজেই অভিভক্ত ভারতে রাজার প্রজার বৈষম্য থাকলেও আমাদের এই পূর্ব বাংলার মানুষের মত তারা সামাজিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক ভাবে বৈষম্যের শিকার ছিলোনা। আজকের পাকিস্তান যদি পাকিস্তানে না আসতো তাদের কোন ক্ষতি ছিলোনা কারণ তাদের জমিদার মহাজন মুসলিম থাকায় তারা এখন ভারত অধিকৃত কাশ্মিরের মত নিজেদের শাসন চালিয়ে যেতে পারতো। কিন্তু আমরা পারতাম না। আমাদের জমিদার ছিলো হিন্দুরা।
৭১ এ পাকিস্তানের সংখ্যা লঘু পশ্চিম পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু পুর্ব পাকিস্তানীদের উপর আক্রমণ চালিয়ে ছিলো। তারা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক আইনে ছিলো দেশদ্রোহী কাজেই আমাদের উচিত ছিলো তাদেরকে পাকিস্তান থেকে বের করে দেয়ার? আমাদের উচিত হয়নি পাকিস্তান থেকে বের হয়ে আসার। সেদিন যদি মুজিব পাকিস্তান রক্ষার আহ্বান জানিয়ে এই বিদ্রোহী আর্মীদেরকে প্রতিরোধ করতে আহ্বান জানাতেন তাহলে সেদিন কি সব ইসলাম পন্থী দল চুপ করে পশ্চিম পাকিস্তানীদের অত্যাচার মেনে নিতো? রুশ দেরকে যে ভাবে আফগান থেকে তাড়াতে যে ভাবে সর্বদলীয় প্রতিরোধ হয়েছিলো তাহলে কি সেদিন সেই এক ঘটনা এই দেশে ঘটতোনা? আমাদের মত ৩য় বিশ্বের দেশে দেশে আম পাবলিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার ভোট দেয়া পর্যন্ত, এর বেশী কিছু নয়। কাজেই ৭১ এর দায়ের জন্য আপামোর বর্তমান পাকিস্তানী জনতা দায়ী হতে পারেনা। কারণ এই সব বিষয়ে জনমত নেবার সুযোগ দেয়া হয়না। যেমন বাংলাদেশ কোন নীতিতে চলবে তাঁর জন্য জনমত নেবার জন্য গণ ভোট নেয়া হয়না। পৃথিবীর যে কোন যায়গার মুসলিম সে মুসলিম ই হয়, তা সে পাকিস্তনী আর ইরানী কি ? সব ভাই।
মুনিমভাই ধর্মের অপব্যবহার আল্লাহ্ কখনোই সহ্য করেন না। যেমন পাকিস্তানীরা এখনো ইসলাম ইসলাম বলে চেচিয়ে মরে কিন্তু বেশিরভাগই লম্পট, মদ্যপ, দূর্নীতিবাজ। যার ফলে আল্লাহ্ ওদের উপরে জালেম শাসক(আমেরিকা) আর জংগীবাদ চাপিয়ে দিয়েছে।
আর বাংলাদেশীরা কি ধুয়া তুলসী পাতা? এখানে কি শান্তির দুধের নহর বইছে? এখানে কি খুন ধর্ষণ, লম্পট্যগীরি চলছেনা? এই সব দোষ কোন মুসলিম দেশে নেই আমাকে দেখানো? কম আর বেশী সব মুসলিম দেশে তা দেখতে পারবেন। তাহলে কেন শুধু এই অপবাদ পাকিস্তানীদেরকে দিচ্ছেন?
৭১-এর যুদ্ধে ওরা যদি সত্যি ইসলামের পথে থাকতো তাহলে পাকিস্তান অখন্ডই থাকতো।
ঠিক বলেছেন।
ওরা নিজেদের আত্ম অহংকার, মর্যাদা ইত্যাদি ভুল বিষয়ের জন্য যে যুদ্ধ শুরু করেছিলো
ঠিক বলেছেন।
তা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে দেখে ইসলামের ঘাড়ে চাপিয়ে যুদ্ধে জয় লাভ করতে চেয়েছিলো।
এবার ঠিক বলেননি অপপ্রচার শুনে শুনে আপনার এই রকম বোধ সৃষ্টি হোয়ায় এই ভাবে বলছেন? সেদিন তারা যা করতে চেয়েছিলো তা হচ্ছে পুড়া মাটি নীতি, যা বর্তমান আমেরিকানরা করেছিলো রেড ইণ্ডিয়ানদের প্রতি। স্থানীয় মানুষকে নিঃচিহ্ন করে দেয়া বাদ বাকীদেরকে দায় বানিয়ে রাখার।
আমি আওয়ামী লীগের পক্ষে লিখছি না আমি লিখি সত্যের পথে।
আমার মনে হয় আপনি সত্য মিথ্যা যাচাই ঠিক মত করতে পারছেন না।
*** পাকিস্তানীরা এখনো মনে করে ওরা সাচ্চা মুসলিম আর আমরা কালা, বেটে আমরা হিন্দু। ওরা ইসলামের নাম নিয়ে আল্লাহ্র কসম কেটে হাজারটা মিথ্যা বলে, দূর্নীতি করে, ব্যভিচার করে, মদ/আফিম খায়। এই কি ইসলাম?
আমরা কি করছি? আমরা শীয়াদের কে কি ভাবে দেখি? আমরা আফ্রিকার কালোদের কে কি ভাবে দেখি? কাদিয়ানীদের? এই দেশের অচ্যুত হরিজন সম্প্রদায়কে কি ভাবে দেখি? আমরা কি মিথ্যা বলিনা? কসম করিনা? দুর্নীতি ব্যভিচার করিনা মদ/আফিম খাইনা?
এর নাম কি দিবেন?
বর্তমান পাকিস্তানী প্রজন্ম আমাদেরকে নিয়ে চিন্তা করেনা, আমরা যেমন অখন্ড ভারতকে ইতিহাসের অংশ মনে করি পাকিস্তানের বর্তমান প্রজন্মও অখন্ড পাকিস্তানকে ইতিহাসের অংশ বলে মনে করে। তাদের কোন ইচ্ছা নেই বাংলাদেশেকে পুনরায় পাকিস্তানের অংশ বানাবার। তাদের ইচ্ছা শুধু একটি সেটি হচ্ছে আমরা যে মুসলিম তা ভুলে যেন ভারতের বুকে বিলিন না হয়ে যাই। আমাদের স্বাধীনতার জন্য এখন পাকিস্তান আর হুমকি নয়, এখন আমাদের স্বাধীনতার জন্য হুমকি ভারত। কাজেই অতীত নিয়ে কান্নাকাটি না করে বর্তমান নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা উচিত। পশ্চিমারা ৪৩ বছর আগে কি বৈষম্য করেছিলো তা নিয়ে সময় ক্ষেপন না করে এখন স্বাধীনদেশের বৈষম্যের কথা নিয়ে আলোচনা তোলা দরকার নয় কি?
sami23
অক্টোবর ৯, ২০১৩ at ১:২৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম ভাই,এখানে বেহুদা বিতর্ক করতেছেন।এখানে আমাদের জিয়া ভাই জাস্টিস,ব্যারিস্টার,মুফাসিরে কোরআন হয়ে ফয়সালা ঘোষণা দিয়েছেন।ব্যস আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।বাকি সব হরিদাসের পাল!! আর বিবর্তন রুপি আমাগো আপা(সাদিয়া)হাত তালি দেওয়া বেশ চমক জাগানোয়।
মুনিম ভাই,আইসিটি এক্ট নামে নতুন একটা কালো বিষাক্ত সাপের আগমন ঘটেছে। যার বিষাক্ত ছোবলের শিকার একেএম ওয়াহিদুজ্জামান নামক একজন অনলাইন একটিভিস্ট।খুব খেয়াল কইরা কিন্তু!!
সাদিয়া
অক্টোবর ৯, ২০১৩ at ৪:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাকাট্টা,
কারো ব্যক্তিগত স্কাইপি/ইমেল কথোপকথন নিয়ে কিভাবে আমারদেশ পত্রিকা আইন লংঘন করেছে সেটা দেখাইয়া দিলাম তারপরও আপনি মানতে নারাজ ! জামাত-পাকিস্থানপ্রেমী হলে যা হয় আর কি !!!
আমাদের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা সুস্পষ্ঠ তদত্ত্বের মাধ্যমে আমাদের সামনে নিয়ে আসছে সাকা চৌধুরীর রায় নিয়ে জামাতী প্র্রোপাগান্ডা, কিন্তু সেটাও আপনি মানতে নারাজ ! জামাত-পাকিস্থানপ্রেমী হলে যা হয় আর কি !!!
আমরা এও দেখেছি কিভাবে জামাত ৰ্ধমের নামের ৭১-এ পাকিস্থানের হয়ে নিজ দেশের মানুষকে অত্যাচার করেছে, নিরস্ত্র নিরাপরাধী ভাইদের হত্যা করেছে, মা-বোনদের ৰ্ধষন করার জন্য পাকিদের হাতে তুলে দিয়েছে । ঐসব ঘটনা বাঙ্গালি ভুলে নাই।
বৰ্তমানেও আমরা দেখছি আমার দেশের মানুষ কিভাবে জামাতের প্রোপাগান্ডার শিকার হয়েছে (যেমন: সাঈদীর চাঁদে গমন, স্কাইপের কথা চুরি, ICT হতে সাকার রায় চুরি, ইত্যাদি ) । এসব ঘটনাও বাঙ্গালি ভুলবে না।
বাকাট্টা
অক্টোবর ৯, ২০১৩ at ৭:৩৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি ধারাবাহিক ভাবে সূনির্দিষ্ট পয়েন্টে বলছি। কিন্তু আপনি বিকৃতি ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছেন। ষ্টীফেন রাপকে হাসিনা কি বলছে সেটা এড়িয়ে যাচ্ছেন কেন? একটি কথিত আন্তর্জাতিক মানদন্ডের বিচার প্রক্রিয়ায় সরকারের নগ্ন হস্তক্ষে কিভাবে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ হয়? স্কাইপি সংলাপের বিষয়ে হ্যাকিং বা আড়িপাতা বিদেশ থেকে হয়েছে, এখানে দৈনিক আমাদের দেশকে কেউ বাইরে থেকে সরবারাহ করেছে। বস্তুত আমার দেশ হাসিনার সরকারের বিচার নামক প্রহসন ও ষড়যন্ত্র উদঘাটন করছে। এখন এই ধরণের অবৈধ হস্তক্ষেপ কোন দোষ নয় আর আমার দেশ প্রকাশটাই অনেক বড় অপরাধ হয়ে গেল। আওয়ামী-বাকশালীরা যারা বিবেকহীন তারাই এ ভাবেই ভাবে।
একজন বিচারক বিচারের শোনানীর শেষে কিভাবে রায় লিখে? এটা কি কোন সভ্য দেশে সম্ভব? কুইক রেন্টাল, শেয়ার বাজার, পদ্মা সেতু, হলমার্ক এই সবই হল বিএনপি-জামাতের প্রপাগান্ডা তাই হাসিনার সরকার সাধু! এই কারণেই আপনি পাকি প্রেমিক বিষয়টা আনলেন। কিন্তু সহজ ও আবর্জনার অভিযোগ দিয়ে দেশের বিবেকবান মানুষকে আর বিভ্রান্ত করা যাবে না।
আমি বলেইছি যে সুষ্ঠ বিচারে সাকা অথবা অন্য কারো ফাসী হয় হৌক। মোটেও ক্যাঙ্গারু কোর্টের মাধ্যমে সরকারের অবৈধ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়! এখন দেখেন কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য বিভ্রান্তিকর। এর উপর ভিত্তি করেই হাসিনার আস্থাভাজন বিচারকগণ আপীল বিভাগে কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবনের পরিবর্তে মৃত্যুদন্ড দেয়। এটা আর্ন্তজাতিক মানদন্ড কেন দেশীয় প্রক্রিয়ায়ও সম্ভব নয়;
মোল্লার মামলার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীর সাক্ষ্যে গরমিল
http://www.amadershomoybd.com/content/2013/10/08/news0270.htm
আপনি এই ICTর বাইরে অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্যে যাচ্ছেন কেন? আমি কারো ৭১এর অপরাধকে সাফাই গাচ্ছি? আমিতো বলেইছি যে সুষ্ঠ তথা আন্তর্জাতিক মানদন্ডে বিচারে কারো শাস্তি হলে মেনে নিব! মোটেও নোংরা রাজনীতির মাধ্যমে যেনতেন ভাবে কারো শাস্তি মেনে নেওয়া হবে না। চাক্ষুস স্বাক্ষী এবং শক্তিশালী উপযূক্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই অপরাধীর শাস্তি হৌক।
সাদিয়া
অক্টোবর ১১, ২০১৩ at ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাকাট্টা ,
আমার শেষ কমেন্টটি বাকাট্টা'র উদ্দেশ্য। লিংক: জামাতী ষড়যন্ত্র ।
বাকাট্টা
অক্টোবর ১১, ২০১৩ at ৪:৪০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ সাদিয়া, রাষ্ট্রপক্ষের স্বাক্ষী যদি বিভ্রান্তিকর, স্ববিরোধী ও মিথ্যা বক্তব্য দেয় সেটা কেন জামাতী ষড়যন্ত্র হবে?
২০০৭ সালে কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী মোমেনা বেগমের কথা সরকারী ভাবে রেকর্ড আছে;
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘প্রথমত. গত ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের এক গবেষককে দেয়া সাক্ষাৎকারে সাক্ষী মোমেনা বেগম এটাও বলেছেন-- যখন তার পরিবারের সদস্যদের গণহারে হত্যা করা হয়, তখন তিনি সেখানে ছিলেন না। ঘটনার দুদিন আগেই তিনি ওই এলাকা ত্যাগ করেন।’
দ্বিতীয়ত. গত ২০১০ সালে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তাকে দেয়া জবানবন্দিততে মোমেনা, ১৯৭১ সালে যার বয়স ছিল ১৩ বছর, বলেন-- ওই দিন তাদের বাসায় যারা প্রবেশ করেছিল, তারা সবাই ছিল বিহারী এবং পাকিস্তানি সেনা সদস্য। সেখানে কোনো বাঙালির উপস্থিতির কথা বলা হয়নি।
এইখানে জামাতের ষড়যন্ত্র কোথায়?
সাদিয়া
অক্টোবর ১২, ২০১৩ at ৮:১৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাকাট্টা,
মূল আৰ্টিকেল কি নীচেরটি ?
Sole witness in Molla death penalty case gave contradictory accounts (By David Bergman)
এখানে কি লেখা একটু দেখি :
Mohammad Ali, the prosecutor in the case, told New Age that Molla’s presence at the scene was ‘inadvertently not recorded by the investigation officer.’
About both statements, he added, ‘When a victim is involved in an atrocity, he or she is not prepared to make entire disclosure [due to fear] but whatever she states in oath before the tribunal that is wholly to be relied on. All other statements should not be relied on.’ ( বোল্ড ও আন্ডারলাইন অংশ আবার পড়ুন) !
In July 2012, Momena Begum gave an oral testimony to the tribunal with only the judges and lawyers present.
During her testimony in court, Momena acknowledged that she had not previously told anyone that Molla was involved in the offence.
‘Many people came to me and took my photograph but, out of fear, I did not tell anybody the name of Quader Molla and Aktar Gunda,’ she said.
সাদিয়া
অক্টোবর ১০, ২০১৩ at ৬:৪০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের সম্মানিত চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক এর ব্যক্তিগত স্কাইপ কথোপকথন এবং ইমেইল হ্যাকিংকে কেন্দ্র করে যে উল্টা-পাল্টা কথা ও "আমার দেশ" নামক দেশদ্রোহী পত্রিকার সাফাই গাইছেন তার জবাব আবার দিলাম:-
দু’জন মানুষের আলোচনার রেকর্ডকে নানাভাবে বিকৃত করা যায়। কোনো আলোচনাকে নিজের সুবিধার্থে পরিপ্রেক্ষিত বহির্ভূতভাবে উদ্ধৃত করে, কথার অংশবিশেষকে আগুপিছু জোড়া লাগিয়ে, কিছু প্রয়োজনীয় অংশকে সুপরিকল্পতভাবে বাদ দিয়ে ইচ্ছেমতো সাজিয়ে উপস্থাপন করা যায়। আইসিএসএফ এর তদন্তে অডিও-ফাইলগুলোর ওপর কারিগরি সম্পাদনা বা কাটাছেঁড়া করার সুস্পষ্ট আলামত খুঁজে পাওয়া গেছে। আর প্রকাশিত তথাকথিত ইমেইলগুলোর ক্ষেত্রে সে কথা তো আরও বেশী প্রযোজ্য। কারণ, আগুপিছু আলোচনার বা পরিপ্রেক্ষিত সম্বন্ধে কিছু না উল্লেখ করে মাঝখান থেকে বিচ্ছিন্নভাবে একটি ইমেইলের স্ক্রিনশট তুলে ধরা হলে তা তো বিভ্রান্তি তৈরি করবেই। এ কারণে বিশ্বব্যাপী সর্বত্র এভাবে অবৈধভাবে যখন কিছু সংগৃহীত হয়, এবং তা অসম্পূর্ণভাবে প্রচারের জন্য তুলে ধরা হয় – তার নির্ভরযোগ্যতার ব্যাপারে বিশেষ সন্দেহ পোষণ করেন সবাই। এবং এ জাতীয় তৎপরতাকে উন্নত বিশ্ব এবং বাংলাদেশেও গুরুতর অপরাধ হিসেবেই গণ্য করা হয়। এ ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত পত্রিকাগুলোকে চরম মূল্য দিতে হয়, যেমনটি আমরা দেখেছি ব্রিটেনের ‘নিউজ অব দ্য ওয়ার্লড’ এর ক্ষেত্রে। সাম্প্রতিক “লেভিসন তদন্তের” পর এই বিষয়ে সংশয়ের আর কোনো অবকাশই নেই।
এসব হাবি-জাবি কি লিখসেন ? যেভাবে জামাতে কথা উঠলেই ইসলাম গেল গেল রব তুলে কিছু ধুরন্ধর , সেভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা উঠলেই (কুইক রেন্টাল, শেয়ার বাজার, পদ্মা সেতু, হলমার্ক ) এগুলো তুলে আনে কেউ কেউ !!
এসব ফালতু জামাতী প্রোপাগান্ডা আর কত ? এসব জামাতী প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে যতই মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেস্ঠা করেন কোন লাভ হবে না।
পাকিস্থান, পাক না ;
জামাতে ইসলাম, ইসলাম না।
বাকাট্টা
অক্টোবর ১০, ২০১৩ at ১০:৫৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ সাদিয়া, হাসিনা ষ্টীফেন রাপকে কথা দিছেন যে এই ICT হবে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠ এবং আন্তর্জাতিক মানদন্ডে। কিন্তু স্কাইপির কথোপকথনে দেখা যায় যে সরকারের অবৈধ হস্তক্ষেপ। যেখানে বাংলাদেশের দুই আইনমন্ত্রী ঘন ঘন নিজামুল হক নাসিমের সাথে দেখা করত ৭১এর অপরাধের বিচার নিয়ে। তাইলে এই ICT কিভাবে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠ ও ন্যায্য হল?
হাবিজাবি কেন হবে? ১৯৯৬ ও ২০১০ শেয়ারবাজার কোন ভুতে লুটপাট করল? যে হাসিনার আলীগ চোর সব সময়ই চোর। কিন্তু বিবেকহীন আলীগ ও তার সমর্থকদের কারণে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ সুভাষ সিংহ রায় নির্দোষ এবং আবুল হোসেন দেশপ্রেমিক হয়।
কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে একমাত্র চাক্ষুশ স্বাক্ষী বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা স্বাক্ষ্য দিছে। এটা মেনে নিতে কষ্ট কেন? বিচারের নামে অন্যায্য কাজ করবেন এটা বিবেকবান মানুষ মেনে নিবে কেন? এই স্বাক্ষীর গরমিল ও স্ববিরোধী স্বাক্ষ্য কি পাকিস্তান বানাইছে নাকি স্বাক্ষীর মধ্যে ঘাপলা আছে? কথায় কথায় সস্তা ও আবর্জনার মত পাকিস্তান টানেন কেন? স্বাক্ষী, প্রমাণে ঘাপলা থাকলে বলেন যে ঘাপলা আছে নতুবা বলেন যে স্বাক্ষ্য সঠিক! শাক দিয়ে কেন মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন?
বিঃদ্রঃ জনাব এডমিন এখানে কথা হচ্ছে ICT এবং বাংলাদেশের বিষয়ে। কিন্তু সাদিয়া উনি বার বার অহেতুক পাকিস্তান টেনে আনছেন। এখন উনি যদি এরপরেও অহেতুক পাকিস্তান প্রসঙ্গ নিয়ে আসেন তাতে যদি আমি বর্তমান সরকারের ভারতের দালালীর প্রসঙ্গ নিয়ে আসি এর জন্য আলাপ ও বিতর্ক ভিন্ন দিকে(অবশ্যই মার্জিত ও শোভন ভাষা থাকবে) যায় এর জন্য আমি দায়ী থাকব না।
জাহিদ
অক্টোবর ১০, ২০১৩ at ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
“…..যাই হোক – আমি কোন দলের না – আমি নিজের আমলের দায় নিয়ে নিজেই দাঁড়াবো।“- আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
আপনি কোন দলের না? এটা কিভাবে সম্ভব? আপনার লিখা পড়ে যে কেউ বলবে- আপনি আওয়ামিলীগের। আপনার লিখা ফলো করি অনেক বছর। আওয়ামিলীগের গায়ে সামান্য আচড়ও আপনি লাগান না। আপনি আওয়ামিলীগকে আপনার লিখার মাধ্যমে সেবা দিয়েই যাচ্ছেন। আপনি একটা লিখা বের করে দেখান-যেখানে আপনি আওয়ামিলীগের সমালোচনা করেছেন। অথচ আপনি কিভাবে বলেন আপনি কোন দলের না! আপনি নিজেই ঘোষণা দিয়েছিলেন আপনি নিরপেক্ষও না। বড়ই বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা! সদালাপের মোটামুটি সবাই বুঝে আপনি আওয়ামিলীগের। অথচ আজব ব্যাপার আপনি সেটা বুঝতে পারছেন না!
তায়েব
অক্টোবর ১১, ২০১৩ at ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
“…..যাই হোক – আমি কোন দলের না – আমি নিজের আমলের দায় নিয়ে নিজেই দাঁড়াবো।“- আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন-ি———--হা হা সি ছাড়া আর কিছুই দিতে পাড়লামনা। দুঃখিত ! এখানে সত্য আর মিথ্যার ইঞ্জিনিয়ারিং হয়।
বাকাট্টা
অক্টোবর ১২, ২০১৩ at ৭:৩৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ সাদিয়া, শুধু ডেভিড বার্গম্যান নয় বরং মোমেনা বেগম ICTর তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে জবানবন্দী দিছে যে "ঐ দিন কোন বাঙালী তাদের বাসায় হানা দেয় নাই"। তাইলে কাদের মোল্লা কেমনে অপরাধ করল? পরে আদালত এজলাসে ভিন্ন বক্তব্য দিছে। তদন্তকারী কর্মকর্তার রিপোর্ট কি তাইলে মিথ্যা?
সাদিয়া
অক্টোবর ১৩, ২০১৩ at ৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাকাট্টা,
আগের মন্তব্যে এই প্রশ্ন গুলোর উওর আছে।
আবার বাংলায় দিলাম, বাংলা বুঝেনতো নাকি উৰ্দূ লাগবে ?
যখন কোন একজন মানুষ নৃশংস ঘটনার শিকার হয়, তখন সে ভীত/আতঙ্কগ্রস্থ হওয়ার কারনে ঐ নৃশংস ঘটনা জনসমক্ষে সৰ্ম্পূনরূপে প্রকাশ করতে প্রস্তুত থাকে না। কিন্তু ট্রাইবুনালে সত্য-কথনে শপথবদ্ধ থাকা অবস্থায় সে ঐ নৃশংস ঘটনার যে বিবরন দিবে তা সৰ্ম্পনভাবে ভরসা/নিৰ্ভরযোগ্য। এছাড়া অন্য জায়গায় তার বাকি সব Statements(বিবরন সমূহ) ভরসা /নিৰ্ভরযোগ্য না।
মোমেনা বেগম বলেন : "অনেক মানুষ আমার কাছে এসেছিল ও আমার ছবি নিয়েছিল, কিন্তু ভয়ের কারনে আমি কাউকে কাদের মোল্লা এবং আকতার গুন্ডার নাম বলি নাই।"
বাকাট্টা
অক্টোবর ১৩, ২০১৩ at ৯:১৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাদিয়া,
আবার বাংলায় দিলাম, বাংলা বুঝেনতো নাকি উৰ্দূ লাগবে ?
যখন কোন একজন মানুষ নৃশংস ঘটনার শিকার হয়, তখন সে ভীত/আতঙ্কগ্রস্থ হওয়ার কারনে ঐ নৃশংস ঘটনা জনসমক্ষে সৰ্ম্পূনরূপে প্রকাশ করতে প্রস্তুত থাকে না। কিন্তু ট্রাইবুনালে সত্য-কথনে শপথবদ্ধ থাকা অবস্থায় সে ঐ নৃশংস ঘটনার যে বিবরন দিবে তা সৰ্ম্পনভাবে ভরসা/নিৰ্ভরযোগ্য। এছাড়া অন্য জায়গায় তার বাকি সব Statements(বিবরন সমূহ) ভরসা /নিৰ্ভরযোগ্য না।
মোমেনা বেগম বলেন : "অনেক মানুষ আমার কাছে এসেছিল ও আমার ছবি নিয়েছিল, কিন্তু ভয়ের কারনে আমি কাউকে কাদের মোল্লা এবং আকতার গুন্ডার নাম বলি নাই।"
——-
মূল বক্তব্যের চেয়ে টিটকারী বেশী কেন? আমি কোন ভাষায় লিখেছি এখানে?
প্রথম কথা হচ্ছে মোমেনা বেগম কোন মামলার আসামী নয়। বরং সে বাদীপক্ষের কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মামলার প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী। এখন হাসিনার সরকারের আমলে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে পুলিশের অফিসে জবানবন্দী দিবে এখানে ভয় কিসের? সাধারণত কোন আসামী অথবা বিরোধী দলীয় কোন নেতা-কর্মীর পক্ষে পুলিশ কর্মকর্তার কাছে কি রিমান্ডের জবাবদিহিতা অথবা কোন মামলার স্বাক্ষী হিসেবে বক্তব্য প্রদানে ভয় বা সমস্যা হওয়ার কথা। কিন্তু মোমেনা বেগমতো হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত কোন দলের নেতা বা কর্মী নন, তার কেন পুলিশের কাছে বক্তব্য রেকর্ডে ভয় হবে? বরং তাকে সরকার প্রশাসন নির্ভয়ে জবানবন্দি দিতে উৎসাহিত করবে। বড়ই হাস্যকর ও প্রহসন করা আওয়ামী-বাকশালীদেরকেই মানায়। আসল সত্য হচ্ছে যে বর্তমান হাসিনার মহাজোটের আমলে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে দেওয়া বক্তব্য দিয়ে কাদের মোল্লাকে শাস্তি দেওয়া যায় না। তাই সরকারের অবৈধ হস্তক্ষেপে মোমেনা বেগম তার বক্তব্য বদলিয়েছেন এবং একই ভাবে বিচারকও স্ববিরোধী বক্তব্য এজলাসে মেনে নিছে। বিবেকহীনদের কাছেই এই রকমের পক্ষপাতদুষ্ট বিচারকে ন্যায্য বলে মনে হতে পারে।
সাদিয়া
অক্টোবর ১৪, ২০১৩ at ৪:৫০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাকাট্টা,
মোমেনা বেগমের ভয়ের কারন জানেন না বলেই নিন্মোক্ত উরা-ধুরা উক্তি করতে পেরেছেন !!!
এবার মোমেনা বেগমের ভয়ের কারন বলি:
মোমেনা বেগম যে আসামী(কসাই মোল্লা)র বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিল সে তখন জামাতে ইসলামী নামের একটি সন্ত্রাসী ও ৭১-এর যুদ্ধাপরাধী সংগঠন এর এ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারী জেনারেল পদে কাজ করতো। এটা বোঝা খুব কঠিন না জামাতের মত একটি ক্রিমিনাল অৰ্গানাইজেশনের নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিলে তার(কিংবা তার পরিবারের সদস্যদের) উপর জামাতে হামলা হতে পারে। মোমেনা বেগমের এই ধারনা যে ভুল না, তা পরৰ্বতীতে ইন্টারন্যাশানাল ক্রাইম ট্রাইবুনালে ৭১-এর মানবতা বিরোধী অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদানকারী(কিংবা সাক্ষ্যদানকারীর পরিবারের সদস্যদের) হত্যা হওয়ার ঘটনায় প্রমানিত।
বাকাট্টা
অক্টোবর ১৪, ২০১৩ at ৩:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সত্য কথা বললে আওয়ামী-বাকশালীদের তিতা লাগে তাই আমার বক্তব্য উরা-ধুরা। ২০১১ সালে আলীগের অবস্থান শক্তিশালী যার বিপরীতে জামাতের অবস্থা কোণঠাসা। সেখানে আবার ভয় কেন? শুরু থেকেই ICTতে বাদীপক্ষের স্বাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। যদি মোমেনা বেগম এতই ভয় পেত তাহলে কোনদিনই তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে বক্তব্য দিতে আসত না। বিবেকহীনদের কাছে এই গপ্প চলতে পারে কিন্তু দেশ-বিদেশের সভ্য জগতে এই কাহিনী চলবে না।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ১৩, ২০১৩ at ১০:২৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- আপনার দেওয়া লিংকের তালিকাটা অনেক আগেই দেখেছি। এইটা বিচার শুরুর দিকে জামাতের একটা প্রজেক্টের ফলাফল। এরা একজনের বাবার সূত্র -- অন্যজনের ভাইএর সূত্র ধরে তাদের স্বাধীনতার বিপক্ষের দল বানিয়েছে। যেমন -- ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বাবা নুরু মিয়া খন্দকার ছিলেন ফরিদপুরের শান্তিকমিটির ভাইস চেয়ারম্যান -- সেই সূত্রে মোশাররফকেও এরা রাজাকার বানিয়েছে -- যদিও ৭১ সালে উনি দেশেই ছিলেন না। তেমনি কামরুলের ভাই মুসলিমলীগ করতো -- সেই সুবাদে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিলো -- তাকেও রাজাকার বানিয়েছে। সাজেদা চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়ই অস্থায়ী সরকারের সাথে কাজ করেছেন -- তাকেও রাজাকার বানিয়েছে এই তালিকা।
মোদ্দা কথা হলো বিতর্ক তৈরী করে বিচারের থেকে দৃষ্টি ভিন্ন দিকে টেনে নেওয়ার জন্যে এই প্রচেষ্টা। বলা দরকার -- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর সন্দেহবাতিক (যারা বিজয়ের বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন) এমন অনেক আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে গিয়েছিলো। তেমনি নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে মুসলিমলীগের সবাই মোটামুটি শান্তি কমিটিতে নাম দিতে বাধ্য হয়েছিলো। তারা কিন্তু যুদ্ধাপরাধী না। যুদ্ধাপরাধী তারা যারা বিভিন্ন বাহিনী বানিয়ে সরাসরি পাকিস্তানী আর্মিকে গনহত্যা, ধর্ষন, অগ্নিসংযোগ, লুট ইত্যদি অপরাধে সহায়তা করেছে এবং নিজেরাও অংশ নিয়েছে। আলোচ্য পোস্টের সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীও তাদের মাঝে একজন যিনি নিজেই অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন।
আপনারদের সমস্যা হলো দলের সূত্র থেকে প্রাপ্ত ইতিহাসের বাইরে আপনাদের পড়ার মতো চোখ নেই -- না হলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মতো একজন দুরাচারের বিচারে সন্তুষ্ঠ না হয়ে নানান ভাবে বিতর্ক করার মতো হীন মানসিকতা থাকতো না।
আপনার এবং আরো কিছু মন্তব্যকারীর একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো মুল বিষয়ে আলোচনা করা চেয়ে আমি আওয়ামীলীগ কিনা তা প্রমানের জন্যে ব্যষ্ত হয়ে উঠা। আমি আওয়ামীলীগ হলেই কি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী নির্দোষ হয়ে যাচ্ছে। ইসলামের নামে আপনারা সব সময় এমন একটা অবস্থান নিচ্ছেন যা জালেমদের পক্ষেই চলে যাচ্ছে। এইটা নিজেদের জন্যে খুবই ক্ষতিকর।
জামশেদ তানিম
অক্টোবর ২২, ২০১৩ at ৭:২৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জনাব আপনি ঘোরের মধ্যে আছেন। ইতোমধ্যে সন্দেশ মনে করে অন্য কিছু খেয়েও ফেলেছেন ("থাবা বাবা রাজীব")। আর আপনার পক্ষের লোকজন কিন্তু ঐশ্রেণীভুক্ত দেখা যাচ্ছে। সত্য কথা হচ্ছে আওয়ামী লীগ এরশাদের মত স্বৈরাচারকে আদর করা শুরু করেছে সুতরাং সময় মতো জামায়াতের মাথাতেও হাত বুলাবে। তখন আপনাদের মুখ কি ইসলামপন্থী হয়ে যাবে?
নুরুল ।ইসলাম
অক্টোবর ১৫, ২০১৩ at ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সদালাপ ব্লগে যুদ্ধাপরাধীর বিচার প্রসঙ্গ জনাব আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিনের লিখা পোষ্টগুলি পড়ে মনে হল তিনি আওয়ামিলীগারেদের দৃষ্টিভঙ্গি নিজের ভাষায় প্রকাশ করেন। বলা হয়, বাংলাদেশের মানুষ এখন দুভাগে বিভক্ত- আওয়ামীলীগ- বিএনপি বা আস্তিক এবং নাস্তিক। যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়েও এই দুই দল পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কেউ বলছে --অত্যন্ত সাফল্যজনক ভাবে একটা চমৎকার বিচার চলছে বাংলাদেশে -- বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধরে বিচার আগামী প্রজন্ম গর্ব করতে পারবে – সন্দেহে নইে-"
অন্য দল বলছে; “এ বিচার প্রতিহিংসামূলক প্রহসনের বিচার, জুডিসিয়্যল কিলিং করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অপসারিত করার করার সাজানো নাটক।”
এই অবস্থায় আমরা তৃতীয় নিরপেক্ষ কোন মাধ্যম ছাড়া সঠিক এবং সত্য বিষয় জানার কোন উপায় নাই।
এ বিচার আরম্ভ হয়ার পর থেকে বিশ্বের অনেক সংবাদ মাধ্যম এই বিচারব্যবস্থা, বিচারের সুষ্ঠতা নিয়ে অনেক খবর প্রকাশ করে আসছে। বিশেষ করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এই বিচার নিয়ে অনেক মতামত দিয়েছে; তা সবারই জানা, তাই তা পুনরাবৃত্তি করার প্রয়োজন নাই। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদন্ডের রায় প্রকাশ করতে গিয়ে নিউইয়র্কের দ্য ফাইন্যানসিয়েল টাইমস "Flawed war crimes trials- ত্রুটিপূর্ণ যুদ্ধাপরাধের বিচার-" শিরোনাম দিয়েই খবর প্রকাশ করেছে। বিস্তারিত বলার প্রয়োজন নাই ।
জনাব আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিনের কাছে অনুরোধ বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে বিদেশী এসব তৃতীয় পক্ষের মতামত নিয়ে বিস্তারিত লিখুন তাহলে আমরা খুশি হব।
এ বিষয়ে আমি একটি পোষ্ট দিয়েছি, এখানে দেখেন:
জামশেদ তানিম
অক্টোবর ২২, ২০১৩ at ৭:২৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আওয়ামী লীগ যদি ইসলাম ঘেষা দল হতো তাহলে-ও অনেক কিছু মেনে নেয়া যেত। কিন্তু আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-ই প্র্যাকটিসিং নাস্তিক, আবার কম্যুনিস্টরা ভালো পায়।