বিবর্তন তত্ত্ব সম্পর্কে যাদের কোনো ধারণা নাই তারা নিচের ছবিতে এক নজরে বিবর্তন তত্ত্ব দেখে নিতে পারেন। তারপর নিজেরাই গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে দেখুন, এমন গাঁজাখুরী কল্পকাহিনী 'এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন' নামক মন্ত্রের মাধ্যমে বাস্তবে সত্য হওয়া আদৌ সম্ভব কি-না।
এবার বিবর্তনবাদের কিছু মিরাক্কেল দেখুন। বিবর্তন তত্ত্ব সত্য হতে হলে এই মিরাক্কেলগুলো অবশ্যই সত্য হতে হবে। বিবর্তন তত্ত্ব সম্পর্কে অসচেতন পাঠকদের কাছে মনে হতে পারে আমি এই তত্ত্ব নিয়ে কৌতুক করছি! তা কিন্তু মোটেও নয়। ইহাই বিবর্তন তত্ত্বের বাস্তবতা। বিবর্তন তত্ত্বকে ডিফেন্ড করে দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছে এমন কেউ এখানে এসে যদি বলতে পারে যে, আমি তাদের বিশ্বাস নিয়ে অযৌক্তিকভাবে কৌতুক করছি তাহলে পোস্টটি মুছে ফেলা হবে। তবে ছুপা নিকে এলে হবে না।
বিবর্তনবাদের কিছু মিরাক্কেল












কিংশুক
জুলাই ২৭, ২০১৩ at ৮:২৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সব অনন্য উদ্ভিদ, প্রাণী আন্দাজে মান্দাজে হয়ে গেছে। মানুষ এই সব গাঁজাখুরী কাহিনী ধরতে পারেনা কারণ তারা প্রচার করে এগুলো বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত সত্য। পাঠ্যপুস্তক হতে শুরু করে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক চ্যানেল, ম্যাগাজিন, সাধারণ পত্র-পত্রিকাগুলোতে যেভাবে দিনরাত বিবর্তনবাদকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসাবে উপস্থাপন করে নানান মুখরোচক গালগল্প ফাঁদা হয় তাতে যেকোন সাধারণ মানুষের পক্ষে ঘুণাক্ষরে বিবর্তনবাদের অসারতার কথা মাথায় আসা সম্ভব না, বরং হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন মিলে পানি তৈরী করে এরকম সত্য ভাবাই স্বাভাবিক যদিও বুঝতে পারে যে, বিবর্তনবাদ আব্রাহামিক বিশ্বাসের বিপরীত। আব্রাহামিক ধর্ম হতে মানুষকে বিচ্যুত করতে বিবর্তনবাদকে সকল ধরণের নাস্তিকরা বিশেষতঃ কম্যুনিষ্টরা কাজে লাগিয়েছে।
এস. এম. রায়হান
জুলাই ২৯, ২০১৩ at ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
খুব অল্প কথায় দারুণভাবে সামারাইজ করেছেন। সদালাপে আপনার মন্তব্য মিস করছি।
আনিকা
জুলাই ২৮, ২০১৩ at ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
চমৎকার লিখেছেন। এলোমেলো মিউটেশনে জীবের ফেনোটাইপ যেমন রং এবং আচরণ পরিবর্তন হওয়া এক জিনিষ আর এককোষী ব্যকটেরিয়া থেকে জটিল বা সরল বহুকোষী প্রাণীর উদ্ভব হওয়া অন্য জিনিষ। প্রথমটি নিয়ে তেমন সমস্যা নেই এবং কেউ দ্বিমত প্রকাশ করবেনা। তবে, দ্বিতীয়টি ল্যাবের পরীক্ষায় কেউ দেখাতে পেরেছে বলে জানা নেই। কেউ জানলে জানান। শরীরের রং বদলে যাওয়াকে কেউ বিবর্তন বলতে চাইলে আপত্তি নেই যদিও।
Sea Hawk
জুলাই ২৯, ২০১৩ at ১:২৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Exactly!! “Evolution Theory” mixes two things together, one real, one imaginary. Variation (microevolution) is the real part. The types of bird beaks, the colors of moths, leg sizes, etc. are variation. Each type and length of beak a finch can have is already in the gene pool and adaptive mechanisms of finches. Creationists have always agreed that there is variation within species. What evolutionists do not want you to know is that there are strict limits to variation that are never crossed, something every breeder of animals or plants is aware of. Whenever variation is pushed to extremes by selective breeding (to get the most milk from cows, sugar from beets, bristles on fruit flies, or any other characteristic), the line becomes sterile and dies out. And as one characteristic increases, others diminish. But evolutionists want you to believe that changes continue, merging gradually into new kinds of creatures. This is where the imaginary part of the theory of evolution comes in. It says that new information is added to the gene pool by mutation and natural selection to create frogs from fish, reptiles from frogs, and mammals from reptiles
জুলাই ৩০, ২০১৩ at ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আমরা আসলে জীবের রং, আচরণ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক বা লেখালেখি করি না। আমাদের লেখাগুলো পড়লেই বুঝতে পারবেন।
জোডিয়েক
অক্টোবর ১, ২০১৩ at ৭:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হাসিতো পাইলনা
সত্যবাদী
নভেম্বর ২৭, ২০১৩ at ১২:১২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মজা পাইলাম।