অনেক বিষয়ে অনেক বিশ্লেষণী লিখা রয়েছে এবং হচ্ছে এই সদালাপে। অনেক বিষয়ে লিখলেও ধর্মের মৌলিক আবশ্যিক বিষয়ে লিখা সদালাপে পাইনি। যেমনঃ নামাজ। দ্বীনের মৌলিক জ্ঞানটুকু ভালভাবে জানতে চাই এবং এইজন্য আপনাদের সাহায্য চাচ্ছি।
নামাজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। নবীজীর নামাজ সম্পর্কে অনেক বই প্রকাশিত হলেও বর্তমান বাজারে মোহাম্মাদ ইলিয়াস ফয়সাল আরেকজন মোহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আলবানী লিখা বই দুটি খুব সমাদৃত। দুজনেই কোরান-হাদিসের ভিত্তিতে আলোচনা করেছেন। কিন্তু দুজনেরই লিখা ভিন্ন প্লাটফর্মের। একজন আরেকজনের সাথে মিল পাওয়া যায় না। সমাজের সাধারন মওলানা বা আলেমদের জিজ্ঞেস করলে তেমন কোন সদুত্তর বা গ্রহনযোগ্যতা পাওয়া যায় না। আমরা সাধারন মুসলিমরা রয়েছি এক মহা-বিভ্রান্তির ভিতরে।
জনাব ইলিয়াস ফয়সাল ইমাম আবু হানিফার পদ্ধতি তুলে ধরেছেন। তাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোরানের আয়াত, বিভিন্ন হাদিস রেফেরেন্সসহ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস, আবু হুরায়রাসহ অনেক সাহাবীর কথা উল্লেখ করেছেন। ওইদিকে জনাব আলবানী ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম, সিহা সিত্তাসহ অনেক হাদিসের উদৃতি দিয়েছেন।
জনাব আলবানী শক্ত হাদিসের ভিত্তিতে প্রমান দিয়েছেন, জামাতে ইমাম ও মুকতাদী(ইমামের পিছনে অনুসরণকারী) উভয়কেই “সুরা ফাতিহা” পাঠ করতে হবে। জনাব ইলিয়াস কোরানের(৭:২০৪) আয়াতের উদৃতি দিয়ে বলেছেন, ইমাম যখন সুরা পাঠ করবে, তখন মুকতাদী চুপ থাকেবে এবং মনোযোগ দিয়ে কিরাত শুনবে। আরও উল্লেখ করেছেন, নামাজে এবং খোতবার সময় মুকতাদীর চুপ থাকা ও মনোযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই আয়াত নাযিল হয়েছে (সুত্রঃ কাসির ও মারেফুল কোরান)।
প্রশ্নঃ
(১)
A)হানাফি মাজহাবের অনুসারীগন, যোহর এবং আসর নামাযের চার রাকাত, মাগরিবের তৃতীয় এবং ঈশার তৃতীয় ও চতুর্থ রাকআতে মুকতাদী সুরা ফাতিহা পড়বে কিনা? কারন, তখন ইমাম উচ্চস্বরে কিরাত পাঠ করেন না।
B) মুকতাদী কেন রুকু-সেজদায় তজবিহ পাঠ এবং বসে আত্তাহিয়াতু পাঠ করবে? যেহেতু ইমাম তসবিহ পাঠ করতেছে রুকু-সেজদায়, তাহলে মুকতাদীরও চুপ থাকা উচিত যেমন চুপ থাকে সুরা ফাতিহা পাঠ করার সময়।
C) অনেক আলেমগন বলে থাকেন, ইমাম আবু হানিফা কোন মাযহাব তৈরি করেননি। উনার নিজের হাতে লিখা কোন গ্রন্থ নেই মাযহাবের ব্যপারে। ইমাম আবু হানিফার মৃত্যুর অনেক পরে কিছু কথিত আলেম সম্মলিতভাবে 'হানাফি' নামক মাজহাবের জন্ম দেন।
(২)
জনাব আলবানী ইমাম বুখারী, মুসলিমের রেফেরেন্স দিয়ে উল্লেখ করেছেন ইমামের সাথে মুকতাদী অবশ্যই সুরা ফাতিহা পাঠ করবে, আর যদি পাঠ না করে তবে তা নামাজই নয়। তাহলে তো সরাসরি কোরানের (৭:২০৪) আয়াতকে অমান্য করা হয় (অনেকে বলেন, এই আয়াত কোরআন তেলাওয়াতের ব্যপারে নাজিল হয়েছে) ।
(৩)
আমি আপনাকে ৭ টি বার বার পঠিতব্য আয়াত ও মহান কোরআন দান করেছি (১৫:৮৭)। কোরআনের এই নির্দেশ কি সকল নামাজের (জামাত ও একাকী) সুরা ফাতিহা পাঠ করার কথা বলা হচ্ছে?
মাযহাব ও হাদিসের পরস্পর বিরোধী ভয়ংকর বিভ্রান্তি থেকে মুক্তি চাই। কিভাবে জানব, নামায কিভাবে সহি হবে?
ইহা ছাড়াও বেতর নামাজ সম্পর্কে রয়েছে বিভ্রান্তি। এটা ২+১ রাকাত নাকি সরাসরি ৩ রাকাত?
অনেকে বলে থাকেন, সব নিয়মেই সহীহ। কিসের ভিত্তিতে তারা এই কথা বলে থাকেন?

আবদুস সবুর
জুলাই ২৮, ২০১৩ at ৮:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিতির নামায সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা এখানে পাবেন . . .
হাদীস ও আছারের আলোকে বিতর নামায
http://www.alkawsar.com/article/213
বিতর নামায আদায়ের পদ্ধতিঃ (মোট চারটি পর্ব আছে)
http://www.alkawsar.com/section/self-reformation
আবদুস সবুর
জুলাই ২৮, ২০১৩ at ৮:৩০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইমামের পিছনে মুক্তাদীর সুরা ফাতিহা পড়া আর না পড়া
(বিস্তারিত আলোচনা)
.http://www.somewhereinblog.net/blog/Tarek000/29524086
http://www.somewhereinblog.net/blog/Tarek000/29525168
http://www.somewhereinblog.net/blog/Tarek000/29525753
http://www.somewhereinblog.net/blog/Tarek000/29527268
জুলাই ২৮, ২০১৩ at ৮:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রশ্ন,
মুকতাদী কেন রুকু-সেজদায় তজবিহ পাঠ এবং বসে আত্তাহিয়াতু পাঠ করবে?
আর আপনি বললেন,
তাহলে তো সরাসরি কোরানের (৭:২০৪) আয়াতকে অমান্য করা হয়।
ভাই, রুকু-সিজদার তজবিহ এবং আত্তাহিয়াতু কি কুরআনের আয়াত ???
কিংশুক
জুলাই ২৮, ২০১৩ at ৮:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দলিল অর্থাত হাদিসের ভিত্তিতে বলেন।
কিংশুক
জুলাই ২৮, ২০১৩ at ৮:৪৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অবশ্য আপনি কোরআন অনলী হলে দলিল গ্রহণ করবেন না। কিন্তু কোরআন অনলী হলে কোরআনও বুজা যায়না। কোরআন অনণী কেন ভুল সে বিষয়ে সদালাপেও অনেক বিতর্ক হয়েছে।
মোঃ তাজুল ইসলাম
জুলাই ২৯, ২০১৩ at ১২:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ সবুর ভাই,
অনেক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্য ও লিঙ্কের জন্য। অনেক কিছুই জানতে পারলাম আপনার দেওয়া লিঙ্কের মাধ্যমে।
যোহরের ৪ রাকাত, আসরের ৪ রাকাত, মাগরিবের ৩য় রাকাত, ঈশার ৩য় ও ৪র্থ রাকাতের ‘সিরী’ নামাযের ব্যাপারটি ক্লিয়ার হয়নি। এর পক্ষে-বিপক্ষে অনেক লিখাই হয়েছে হাদিসের ভিত্তিতে। যার বিবেক ও চিন্তাশক্তি যেমন গ্রহন করে।
সদালাপের সকল ভাইগন এই ‘সিরী’ নামাযের ব্যাপারে মন্তব্য করলে আমিসহ সকলের উপকার হয়। তারা নিজেরা কি করেন ‘সিরী’ নামাযের ব্যাপারে এবং কিসের ভিত্তিতে করেন।
ভাল থাকুন।
মোঃ তাজুল ইসলাম
জুলাই ৩১, ২০১৩ at ৯:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সূরা আবাসা (নাম্বার-৮০)
(১)তিনি ভ্রুকুঞ্চিত করলেন এবং মুখ ফিরিয়ে নিলেন। (২)কারন, তাঁর কাছে এক অন্ধ আগমন করল। (৩)আপনি কি জানেন, সে হয়তো পরিশুদ্ধ হত, (৪)অথবা উপদেশ গ্রহন করতো এবং উপদেশ তার উপকার হত। (৫)পরন্তু যে বেপরোয়া, (৬)আপনি তার চিন্তায় মশগুল। (৭)সে শুদ্ধ না হলে আপনার কোন দোষ নেই। (৮)যে আপনার কাছে দৌড়ে আসলো (৯)এমতাবস্থায় যে, সে ভয় করে, (১০)আপনি তাকে অবজ্ঞা করেলেন।
আপনাদের অনেক অনুরোধ সত্তেও আপনারা কেউ মন্তব্য করলেন না জাহেরী ও সিরী নামাজ এবং বেতের নামাজের ব্যাপারে। 'তেতুল তত্ত্ব', 'রাজনীতি তত্ত্ব"……… আপনাদের সবজান্তার "বাড়াবাড়ি" দেখে আমার আফসোস হয়। আপনাদের "নীরবতা" নির্দেশ করে, আপনারা নিশ্চিত আপনাদের ইবাদত কবুল হচ্ছে আর বেহেশতের টিকেট হাতে পেয়ে গেছেন। ক্ষমা চাই কেউ যদি আমার কথায় কষ্ট পান ।
মোঃ তাজুল ইসলাম
আগস্ট ১১, ২০১৩ at ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
৭:২০৪ আয়াতের ব্যাখ্যায় হানাফী অনুসারীরা বলেন, এই আয়াত নামাজ ও কোরআন তেলাওয়াত উভয়ের জন্য নাযিল হয়েছে আর জাহেরি ও সিরী উভয় নামাজে ইমামের পিছনে সুরা ফাতিহা ও অন্য সুরা পাঠ করা নিষেধ। আহলে হাদিসের অনুসারীগন বলছে এই আয়াত শুধুমাত্র কোরান তেলাওয়াতের জন্য নাযিল হয়েছে নামাজের জন্য হয়নি। নামাজের জন্য হলে অবশ্যই বুখারী ও মুসলিমে শরীফে ইমামের পিছনে সুরা ফাতিহা পাঠ করতে বলা হত না। তাই তারা জাহেরি ও সিরী উভয় নামাজে ইমামের পিছনে সুরা ফাতিহা পাঠ করেন।
সঠিকটা বের করা কঠিন।
সাদাত
আগস্ট ১১, ২০১৩ at ৮:২৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাধারণভাবে মানুষ ২ ধরণের:
১. যারা নিজেরাই কুরআন-সুন্নাহ হতে মাসালা মাসায়েল বের করতে সক্ষম
২. যারা নিজেরা কুরআন-সুন্নাহ হতে সরাসরি মাসালা মাসায়েল বের করতে সক্ষম নন
প্রথম ক্যাটাগরির মানুষ যারা তাদের জন্য কুরআনের একটি অপরিহার্য নির্দেশ হচ্ছে খেয়াল-খুশির অনুসরণ না করা। সেজন্য তারা কুরআন-সুন্নাহ হতে বিধি-বিধান আহরণের ক্ষেত্রে কিছু মূলনীতি নির্ধারণ করে নেন। মূলনীতি নির্ধারণের ভিন্নতার কারণে আহরিত বিধি-বিধানের ক্ষেত্রেও কিছুটা ভিন্ননা আসতে পারে। এটা কোন দোষণীয় বিষয় নয়, কারণ আল্লাহতায়ালা মানুষের ওপর সাধ্যাতীত বোঝা চাপান না। খেয়াল-খুশি ও খামখেয়ালীর অনুসরণ না করে একাধিক সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে কুরআন-সুন্নাহ হতে আহরিত বিধিবিধানে কিছু কিছু ভিন্নতা থাকলেও সবগুলোই সঠিক হিসেবে পরিগণিত হবে। তবে যে কাউকেই এক নীতিমালায় অটল থাকতে হবে। একবার এক নীতি গ্রহণ করলাম, আরেকবার আরেক নীতি গ্রহণ করলাম এটা খেয়াল-খুশির অনুসরণ, খালখেয়ালীপণা এবং দ্বীনকে ঠাট্টা-তামাশার বস্তু বানানোর নামান্তর।
দ্বিতীয় ক্যাটাগরির মানুষ যারা তাদের জন্য কুরআনের দিক-নির্দেশনা হচ্ছে:
আপনার পূর্বেও আমি প্রত্যাদেশসহ মানবকেই তাদের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা না থাকে; [১৬:৪৩]
অর্থাৎ তারা প্রথম ক্যাটাগারির মানুষের নিকট জিজ্ঞেস করবে। মাসালা মাসায়েলের ক্ষেত্রে জ্ঞানী হচ্ছেন ফকীহ এবং অভিজ্ঞ মুফতীগণ। কাজেই দ্বিতীয় ক্যটাগরির মানুষ কোন অভিজ্ঞ মুফতীর নিকট হতে (যার প্রতি তার আস্থা হয়) মাসালা মাসায়েল জেনে নেবে। এতটুকুই তার । আবার এমন করবে না এক মাসালা এমন একজন মুফতীর নিকট থেকে জিজ্ঞেস করলেন যিনি একটি নির্দিষ্ট নীতিমালার অনুসরণ করেন, কিন্তু ভিন্ন মাসালা অন্য একজন মুফতীর নিকট হতে গ্রহণ করলেন যিনি ভিন্ন নীতিমালা অনুসরণ করেন। সেক্ষেত্রে এটা হবে খেয়ালখুশির অনুসরণ।
ফিকহে হানাফি একটি নীতিমালার নাম।
এমনিভাবে 'আহলে-হাদিস' বা 'সালাফি' তাদেরও নির্দিষ্ট নীতিমালা আছে।
আপনি যেকোন একটি নীতিমালার অনুসরণকারি মুফতিদের নিকট হতে মাসালা জেনে নিয়ে আমল করতে থাকুন। শুধু শুধু ওয়াসওয়াসার স্বীকার হবেন না।
নামযে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এতাগ্রতা। খুঁটিখুঁটি বিষয় নিয়ে খুঁটাখুঁটি না করে একাগ্রতা হাসিলের দিকে মন দিন।
কাওছার
জুন ৩০, ২০১৪ at ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিতিরের নামাযে কি কি সূরা পড়বো কেউ বলবেন কি??????
মহিউদ্দিন
জুলাই ১, ২০১৪ at ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আল ফজর সুরা পড়তে পারেন শেষ রাকাতে সুরা এখলাছ
Md. Sumon
জুলাই ১৯, ২০১৪ at ১২:৪৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Ami onak shomay bashay namaz pore…… bashay namaz porar shomay ami amar wife er pashe jinamaz bichiya ak shate namaz pore……….. tobe jamat hishabe na……. she tar moto r ami amar moto tobe ak e jaighay………..
ai vabe namaz pora jayaij na ki islam er ayin onusare ?
Md. Sumon
জুলাই ১৯, ২০১৪ at ১২:৫৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
1. Husbend wife ak shat ki 5 wakt er namaz bashay porte pare ?
Ans.
2. Husbend wife ak shat ki 5 wakt er namaz bashay jamat bedhe porte pare ?
Ans.
3. Husband wife 2 jone ki pasha pashi boshe namaz porte pare ?
Ans.
সফিক
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৪ at ৫:৪৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সালা তু তসবিহ পরার পদ্ধতি কি ভাবে জানব? জানালে অনেক উপকৃত হব>>>>>>>>
মোঃ মনজুরুল ইসলাম
অক্টোবর ২৩, ২০১৪ at ২:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রশ্নঃ ১। আমরা হানাফি মাজহাবের লোকেরা তাকবির তাহরিমা ছাড়া হাত উঠাইনা । কিন্তু সহিহ বুখারি শরিফে হাত উঠানোর ব্যাপারে হাদিস আছে। এ ব্যাপারে আপনাদের সঠিক মতবাদ (রেফারেন্সসহ) জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্নঃ ২। তাকবির তাহরিমার পরে হাত কোথায় বাধব এ ব্যাপারে আপনাদের সঠিক মতবাদ (রেফারেন্সসহ) জানালে উপকৃত হব।
বিনীত
মোঃ মনজুরুল ইসলাম
আইভরিকোস্ট
sotto
অক্টোবর ২৩, ২০১৪ at ৪:৪৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হাত উঠালেও নামাজ হবে, না উঠালেও হবে। হাত বাধলেও নামাজ হবে, না বাধলেও হবে। নিয়ত করা ও আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু করাই প্রথম ও প্রধান শর্ত। তবে সহী হাদিছ মানতে পারলে নিশ্চয় তার কিছূ ফজিলত আছে বৈকি।
আরেফীন
জুন ১, ২০১৫ at ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মগরিবের তিন রাকাত ফরয নামাজে শেষ রাকাতে শুধু সুরা ফাতেহা পড়লেই হবে না সুরা ফাতেহার সাথে অন্য সুরা পড়তে হবে।
সকল নামাজের চার রাকাতে শেষ দুই রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে অন্য সুরা পড়তে হয় কিনা?
আরেফীন
arefeen
জুন ১৮, ২০১৫ at ১২:১০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মগরিবের তিন রাকাত ফরয নামাজে শেষ রাকাতে শুধু সুরা ফাতেহা পড়লেই হবে, না সুরা ফাতেহার সাথে অন্য সুরা পড়তে হবে?
সকল নামাজের চার রাকাতে শেষ দুই রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে অন্য সুরা পড়তে হয় কিনা?
মাঈন উদ্দীন
অক্টোবর ২৪, ২০১৬ at ৩:৩৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মাগরিবের শেষ রাকায়াতে ও প্রত্যেক ফরজ নামাযের শেষ দুই রাকায়াতে সুরা ফাতিহার সাথে অন্য সুরা মিলানো আবশ্যক নয়।
নাহিদুর রহমান
ডিসেম্বর ৮, ২০১৫ at ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার প্রশ্ন হ’লঃ জমাতে নামাজ পড়তে গেলে নামাজ যদি শুরু হয়ে যায় আর ইমাম যদি সিজদায় চলে যায় তবে কি প্রথম সিজদায় যোগ দেয়া যাবে নাকি রুকুতে পর্যন্তই প্রথম রাকাতের সময় যানালে উপকৃত হব ।
মাঈন উদ্দীন
অক্টোবর ২৪, ২০১৬ at ৩:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ঈমাম যদি রুকুতে চলে যায় আর আপনি রুকুতে গিয়ে ৩বার রুকুর তাকবির (সুবহানাল্লিল আজিম) পড়তে না পারেন তাহলে আপনাকে ঐ রাকায়াত টা নামায শেষে আদায় করে নিতে হবে।
নাহিদুর রহমান
Rasel ahmmed
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬ at ২:৪১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একা একা ফরজ নামাজ আদায় করার সময় প্রথম দুই রাকাতে তো সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সুরা পাঠ করতে হয়, তবে ২য় ও ৩য় রাকাতে শুধু সুরা ফাতিহা পাঠ করলে হবে? জানালে উপকৃত হব।
মাঈন উদ্দীন
অক্টোবর ২৪, ২০১৬ at ৩:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
নামাযের মধ্যে বসে তাশাহুদের শেষে যে আংুল উঠায় এটার কোন দলিল আছে?এভাবে আংুল উঠানো কি জায়েজ?
মো: মাইদুল ইসলাম ফাহাদ
অক্টোবর ২৪, ২০১৬ at ১০:৫৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@মাঈন উদ্দীন: হযরত উমার রা: হতে এই হাদিস বুখারি/মুসলিম শরিফ এ আছে। সালাম ফিরানোর আগ পর্যন্ত শাহাদাত আঙুল কে এমন ভাবে রাখা যাতে তার আগে অন্য কোন আঙুল না থাকে।
মাঈন উদ্দীন
অক্টোবর ২৬, ২০১৬ at ১২:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম ফাহাদ★ বুঝলাম,কিন্তু,হাদিস টা যদি আমাকে লিখে দিতেন,তাহলে উপকৃত হতাম।কিন্তু আমরা তো প্রায় দেখি যে কেউ কেউ শুধু আশহাদু আন লা ইলাহা বলার সময় আংুল উঠায়,কেউ আশহাদু আন লা বলার পর থেকে সালাম ফেরানোর আগ পর্যন্ত আংুল উঠায় নামায়,আর কেউ আংুল উঠিয়ে রাখে সালাম ফেরানোর আগ পর্যন্ত
Akhtar uz zaman
অক্টোবর ২৪, ২০১৬ at ৩:৫৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রশ্ন করা হলেও উত্ত্র খুঁজে পাই নাই।
মাঈন উদ্দীন
অক্টোবর ২৬, ২০১৬ at ১২:২৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
akhtar uz zaman, ভাই আপনার প্রশ্ন টা দয়া করে আবার করুন
মোঃ মনির হোসেন
নভেম্বর ১০, ২০১৬ at ১০:৫৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার প্রশ্র হলো, তাশাহুদ এবং দূরুদ শরিফের পরে কি বা কোন দোয়া পড়ে নামাজ শেষ করতে হয়।
উত্তর টা জানালে অনেক উপকৃত হোতাম। ধন্যবাদ
মোঃ তাজুল ইসলাম
ডিসেম্বর ১২, ২০১৬ at ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
http://i-onlinemedia.net/archives/10744
md.istehad abedin tonmoy
এপ্রিল ২৩, ২০১৭ at ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি কি অসুস্থ কারো বা অন্যের নামাজ আদায় করে দিতে পারি!!!???
পারলে, কিভাবে আদায় করতে হবে নিয়ম টা জানিয়ে দিবেন প্লিজ।।…
মোঃ তাজুল ইসলাম
এপ্রিল ২৩, ২০১৭ at ২:১০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আবেদীন,
না, আপনি অন্য কারো বা অসুস্থ ব্যক্তির নামাজ আদায় করে দিতে পারেন না। ইসলাম সেরকম কিছু বলেনি। ইসলাম বলে, কেউ অসুস্থ হলে বসে আর তা না হলে শুয়ে তাও না হলে ইশারায় নামাজ আদায় করবে। কোন অবস্থায় নামাজ বাদ দেওয়া যাবে না।(আমার জানা)। ধন্যবাদ।
Anonymous
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭ at ৮:১৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Salam firiye tarpor ki monajat dhorte hoy…
Azizul islam
অক্টোবর ১, ২০১৭ at ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
১প্রশ্ন| নামাযে কিরাত পাঠ করার মুস্তাহাব নিয়ম কি?
কোন সুরা থেকে কোন সুরা কোন নামাযে পড়া মুস্তাহান,?
prince
ডিসেম্বর ৮, ২০১৭ at ৪:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
নামাযে কিরাত পাঠ করার মুস্তাহাব নিয়ম কি?
কোন সুরা থেকে কোন সুরা কোন নামাযে পড়া মুস্তাহান,?