ভূমিকা:
সত্যকে স্বীকার করার সাহস সবার থাকে না। কিন্তু মিথ্যা দিয়ে সত্যকে ধামাচাপাও দেওয়া যায় না। সত্য স্বমহিমায় প্রকাশিত হয়েই থাকে। মাঝ থেকে সত্যকে ধামাচাপা দেবার প্রচেষ্টায় জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোই নিজেদেরকে বিতর্কিত করে। রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবা’ একজন নাস্তিকই শুধু ছিল না, ছিল ভয়ংকর রকমের ইসলাম-বিদ্বেষী; আল্লাহ তায়ালাকে নিয়ে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিয়ে তার ব্যঙ্গাত্মক লেখাগুলো শিষ্টাচারের সকল সীমা অতিক্রম করেছে। লেখাগুলো এতটাই বিকৃত রুচিসম্পন্ন যে যেকোন সুস্থ রুচির মানুষের পক্ষে এগুলো সহ্য করা অসম্ভব। কিন্তু রাজীব যেহেতু শাহবাগের আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিল কাজেই অনেকেই এখন অস্বীকার করে বলতে চাচ্ছেন যে লেখাগুলো আসলে রাজীবের নয়। আর এই অস্বীকারের পক্ষে অথর্ব সব যুক্তি দাঁড় করিয়ে মানুষকে বোকা বানাতে যাচ্ছেন, অথচ ফলশ্রুতিতে নিজেরাই হাসির পাত্রে পরিণত হচ্ছেন।
একটা কথা সবার বুঝা দরকার, কোন একটা আন্দোলনে একজন বা অল্পকিছু নাস্তিক বা ইসলামবিদ্বেষী থাকলেই সেটা নাস্তিক বা ইসলামবিদ্বেষীদের আন্দোলন হয়ে যায় না। এজন্য আন্দোলনকারীদের জন্য যেটা পরিষ্কার ও নিশ্চিত করার দরকার সেটা হলো ঐসব নাস্তিকের নাস্তিক্য বা ইসলামবিদ্বেষীদের ইসলামবিদ্বেষী কার্যকলাপের সাথে আন্দোলনের কোন সম্পৃক্ততা নেই এবং এই আন্দোলন কোনভাবেই তাদের কোন এজেণ্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু তা না করে অনেকেই যেভাবে রাজীবের ইসলাম-বিদ্বেষ নিয়ে লুকোচুরি খেলা শুরু করেছেন, সেটা কেবল সন্দেহকেই বাড়িয়ে দিতে পারে এবং বাস্তবে হয়েছেও তাই। থাবাকে নিয়ে আর কিছু লেখার দরকার ছিল না, কিন্তু পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে যেকোন সময় থাবার অপকর্মের সব প্রমাণ নিচিহ্ন করে ফেলা হতে পারে, তাই ইতিহাসের পাতায় সত্যের সাক্ষর রেখে দেওয়া জরুরী মনে করছি।
নোট: আমার লেখাটা কোন বিতর্ক সৃষ্টির জন্য নয়, বরং দিবালোকের মতো স্পষ্ট একটি বিষয় নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের নিরসন করা। মিথ্যাচার করা হলে মিথ্যাচারের প্রতিবাদও হবে, বিতর্ক সূচনা করা হলে বিতর্কের সমাপ্তিও ঘটানো হবে, এটাই স্বাভাবিক। কাজেই দয়া করে আমাকে এই জাতীয় লেখা না লেখার কোন উপদেশ না দিয়ে যারা মিথ্যাচার করছেন আর অনর্থক বিতর্ক সৃষ্টি করছেন তাদের মুখ বন্ধ করুন।
এক.
রাজীব ওরফে ‘থাবা’ ওরফে ‘থাবা বাবা’র লেখা সম্পর্কিত কিছু তথ্য
১.১ ‘নূরানী চাপা শরীফ’ রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবা’র ইসলাম-বিদ্বেষী কদর্য লেখাসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি সিরিজ; তবে এটিই তার একমাত্র লেখা নয়।
১.২ ইন্টারনেটে শুধুমাত্র ওয়ার্ডপ্রেসের নূরানীচাপা ব্লগেই (http://nuranichapa.wordpress.com) ‘নূরানী চাপা’ প্রকাশিত হয় নাই। বরং আরো অনেক সাইটেই প্রকাশিত হয়েছে। যেসব সাইটে ‘নূরানী চাপা’ প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে কয়েকটির নাম নিচে দেওয়া হলো:
১.২.১ ফেসবুক (https://www.facebook.com/thaba.baba)
১.২.২ ধর্মকারী সাইট
১.২.২.১ http://www.dhormockery.net
১.২.২.২ http://www.dhormockery.com
১.২.৩ ব্লগস্পট (ধর্মকারীর মিরর) সাইট (http://dhormockerym.blogspot.com)
১.২.৪ আমার ব্লগ (http://www.amarblog.com)
১.২.৫ ওয়ার্ডপ্রেসের নূরানীচাপা ব্লগ (http://nuranichapa.wordpress.com, এই সাইটটা এখন বন্ধ আছে, ২.৪ এ এই সাইটটির একটি স্ক্রীনশট পাওয়া যাবে।)
[এসব সাইটের কোন্ কোন্ পেজে ‘নূরানী চাপা’ প্রকাশিত হয়েছে তা জানার জন্য পরিশিষ্ট দ্রষ্টব্য।]
১.৩ এতগুলো সাইটের মধ্যে কেবলমাত্র ওয়ার্ডপ্রেসের নূরানীচাপা ব্লগকে কিছু অসার যুক্তি দিয়ে ‘ফেক’ প্রমাণ করলেই ‘নূরানী চাপা’ রাজীবের লেখা নয় এটা কিন্তু কিছুতেই প্রমাণ হয়ে যায় না, যেহেতু অন্যান্য সাইট বা ব্লগগুলো সাক্ষী হিসেবে রয়েই যাচ্ছে। অথচ কিছু জ্ঞানপাপী সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে সেই প্রচেষ্টাই করে চলেছেন।
দুই.
বিডিনিউজ টয়েন্টিফোরের প্রতারণাময় মিথ্যাচার: ‘নূরানী চাপা সমগ্র’ রাজীবের নয়
২৫.০২.২০১৩ তারিখে বিডিনিউজ টয়েন্টিফোরে “‘নূরানী চাপা সমগ্র’ রাজীবের নয়” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। আমরা এখন এই প্রতিবেদনটিকে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো।
২.১ প্রারম্ভিক প্রতারণা
এখানে প্রথমেই একটি প্রতারণামূলক বক্তব্য দিয়ে শুরু করা হয়েছে:
“নিহত রাজীব হায়দারের ছদ্ম নামে ‘প্রচার করা’ ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগটি তার নিজের নয়। ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বশেষ তথ্য ঘেটে তা নিশ্চিত হওয়া গেছে।”
এই খবরটা পড়ে ব্লগ বা ইন্টারনেট কী যারা বুঝেন না, তাদের মনে হবে এখানে বলা হচ্ছে- রাজীবের লেখাগুলো যে ব্লগে আছে সেটা রাজীবের নয়। কাজেই ওসব কিছু রাজীব লিখে নাই। এটাকে প্রতারণা ছাড়া আর কী বলবো? একটু আগেই আমি পরিষ্কার করে বলেছি রাজীবের লেখাগুলো একটা নয় বরং অনেকগুলো ব্লগে এবং সাইটে ছড়িয়ে আছে। সুতরাং কোন একটা ব্লগ বা সাইট রাজীবের না হলেও কিছু যায় আসে না, এটা এমন গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় নয় যে ঘাঁটাঘাঁটি করে নিশ্চিত হতে হবে, বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ঐ ব্লগ বা সাইটের লেখাগুলো আসলেই রাজীবের কি-না, সেটা নিশ্চিত হওয়া।
২.২ সুশান্ত দাস গুপ্ত : যার বরাতে সংবাদটি প্রকাশিত হয়
এই প্রতিবেদনে “অনলাইন নিয়ে কাজ করেন এমন প্রযুক্তিবিদ”দের কথা বলা হলেও মূলত একজনের নামই উল্লেখ করা হয়েছে তিনি হলেন “আমারব্লগ ডটকমের অন্যতম অ্যাডমিন” সুশান্ত দাস গুপ্ত। খুব ভালো করে লেখাটা পড়লে বুঝা যায় লেখাটা মূলত অ্যালেক্সা এবং কোয়ান্টকাস্ট হতে পাওয়া তথ্য নিয়ে সুশান্তের কিছু বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা।
২.৩ মূল যুক্তি
এখানে মূল যুক্তি যেটা দেওয়া হয়েছে সেটা হলো:
অনলাইন নিয়ে কাজ করেন এমন প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, বিতর্কিত লেখাগুলো সম্ভবত রাজীব হায়দারের নয়। আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান কোয়ান্টকাস্টের (quantcast.com) দেয়া তথ্যেও এমনই প্রমাণ মেলে। এতে দেখা যায়, ‘নূরানী চাপা নামের সাইটটিতে প্রথম ভিজিট হয় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজীব হত্যাকাণ্ডের দিন এবং লিংক ছড়িয়ে দেয়ার ফলে ওই দিন মোট ভিজিটর সংখ্যা দাঁড়ায় ৬০ হাজারের বেশি। অথচ ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে সাইটটিতে কেউ ভিজিট করেছেন এমন তথ্য নেই কোয়ান্টকাস্টে।
অনলাইন ট্রাফিক ও পর্যবেক্ষণ সাইট অ্যালেক্সায়ও (alexa.com) ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে এই সাইটিতে ভিজিট করার তথ্য নেই। তবে গত ১০দিনে বাংলাদেশে এই সাইটের (nuranichapa.wordpress.com) ট্রাফিক সিরিয়াল ১৩৭, যদিও ব্লগটি এখন বন্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে আমারব্লগ ডটকমের অন্যতম অ্যাডমিন সুশান্ত দাস গুপ্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ওয়ার্ডপ্রেসে থাবা বাবার নামে যে নূরানী চাপা সমগ্র লেখা হয়েছে একটু ভালো করে দেখলে দেখবেন- ২০১২ সালের ১৮ জুন ৩টি, ২১ জুন ১টি, ২৪ জুনের ১টি লেখা রয়েছে। ২৬ জুনে মোট ৯টি লেখা পোস্ট করা হয়েছে, যা একজন ব্লগারের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
“এরপর জুলাই মাসে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। ২৬ অগাস্টে ৪টি এবং ২ অক্টোবর ১টি। ২ অক্টোবরের লেখাটিই ছিল সর্বশেষ। এই লেখাগুলো রাজিবের অন্য কোনো ব্লগেও আসেনি। কেউ মন্তব্যও করেনি। এটা কীভাবে সম্ভব?”
প্রকৌশলী সুশান্ত অ্যালেক্সা এবং কোয়ান্টকাস্টের তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি বলেন, “ব্লগটি ১ বছর আগের দেখানো হলেও ওয়েব আর্কাইভে (/web/*/http://nuranichapa.wordpress.com) এর কোন হদিস নেই।”
২.৩.১ যুক্তির অসারতা:
২.৩.১.১ একজন ব্যক্তির ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যক্তিগত ব্লগে যে ভিজিট থাকতেই হবে, এমন কোন কথা নেই। অনেক সময় লেখকরা ওয়ার্ডপ্রসের ব্লগে নিজের লেখাগুলোর ব্যাকআপ রেখে দেন যাতে কোনভাবে অন্য ব্লগগুলোয় প্রকাশিত তার লেখাগুলো হারিয়ে গেলেও একটা কপি রয়ে যায়। এই ধরণের ব্লগের কোন প্রচারণা তারা করেন না, ফলে এসব ব্লগে কোন হিট না হলেও অবাক হবার কিছু থাকে না।
২.৩.১.২ এই ধরণের ব্লগে যদি একই দিনে ২০/৩০ টা লেখাও পোস্ট করা হয় তাতেও অবাক হবার কিছু থাকে না। কেননা একই দিনে ২০/৩০ লেখা পোস্ট করার অর্থ এই নয় যে সে একই দিনেই ২০/৩০ টা লেখা লিখেছে। আগে থেকেই তৈরি করা লেখা একই দিনে ২০/৩০টা কেন ৫০/১০০টা পোস্ট করা হলেও টেকনিক্যাল কোন সমস্যা থাকার কথা নয়। কেননা এরকম একটা পোস্ট পাবলিশ করতে এক মিনিটও সময় লাগার কথা নয়।
২.৪ নির্লজ্জ মিথ্যাচার
বিডি নিউজের এই প্রতিবেদনে সুশান্তের বরাতে বলা হয়েছে,
“এরপর জুলাই মাসে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। ২৬ অগাস্টে ৪টি এবং ২ অক্টোবর ১টি। ২ অক্টোবরের লেখাটিই ছিল সর্বশেষ। এই লেখাগুলো রাজিবের অন্য কোনো ব্লগেও আসেনি। কেউ মন্তব্যও করেনি। এটা কীভাবে সম্ভব?”
বোল্ড করা অংশটুকু খেয়াল করুন, বলা হয়েছে, “এই লেখাগুলো রাজিবের অন্য কোনো ব্লগেও আসেনি।”
এই কথাটুকু সত্য হলে এই প্রতিবেদনটার কিছুটা হলেও গুরুত্ব থাকতো, কেননা এটি নি:সন্দেহে একটি যৌক্তিক পয়েন্ট। কিন্তু বাস্তবতা হলো এখানে একটি জঘন্য মিথ্যাচার করা হয়েছে। সেটাই আমরা এখন তুলে ধরবো।
সূত্র: bangla.bdnews24.com/Bangladesh/article595435.bdnews
বিডি নিউজে ‘নূরানী চাপা সমগ্র’-এর যে ক্রীনশট দেয়া আছে তাতে ৪টি লেখা দেখা যাচ্ছে (মোহাম্মকের সফেদ লুঙ্গী, ঈদ মোবারক আর ঈদের জামাতের হিস্টুরি, ঢিলা ও কুলুখ, সিজদা)।
আসুন দেখি এই লেখাগুলো অন্য কোন ব্লগে আছে কিনা-
২.৪.১
শিরোনাম: মোহাম্মকের সফেদ লুঙ্গী
বিষয়বস্তু : একদা মোহাম্মক তাহার সাহাবাদিগকে লইয়া…
এই একই লেখা ধর্মকারী সাইটে প্রকাশিত হয় ২০১২ সালের ৬ অক্টোবর।
২.৪.২
লেখার শিরোনাম: ঈদ মোবারক আর ঈদের জামাতের হিস্টুরি
লেখার বিষয়বসস্তু: খাদিজার হাতে ধরা খাইয়া মোহাম্মকের টানা একমাস…
এই একই লেখা ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছে ২০১২ সালের ১৯ আগস্ট।
২.৪.৩
লেখার শিরোনাম: ঢিলা ও কুলুখ
লেখার বিষয়বস্তু: “বাবা মোহাম্মক তোমাকে যুদ্ধে যাইতে হইপে।”….
এই একই লেখা ধর্মকারী সাইটে প্রকাশিত হয়েছে ২০১২ সালের ৩০ আগস্ট।
২.৪.৪
লেখার শিরোনাম : সিজদা
লেখার বিষয়বস্তু: (স্ক্রীনশটে লেখার কিছু অংশ কাটা পড়েছে সেভাবেই নিচে তুলে ধরা হলো।)
মোহাম্মক তাহার …
লইয়া প্রায়শঃই কা..
আরবি খাইয়া….
পড়িয়া থাকিত…
বেহঁশ হইয়া ..
তাহার ইয়ার দোস্ত..
অপরচুনিটি মিস..
এই একই লেখা ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছে ২০১২ সালের ২৯ জুলাই।
২.৫ কেন এই মিথ্যাচার?
বিডিনিউজের লেনিন সাহেব এগুলো না জানতে পারেন (অবশ্য না জানলেই এক জনের কথার ওপর ভিত্তি করে সংবাদ প্রকাশের দায় থেকে তিনি মুক্তি পেতে পারেন না), কিন্তু সুশান্ত কি জানেন না? না জানার তো কোন কারণই থাকতে পারে না। কারণ সুশান্ত যে ব্লগের “অন্যতম অ্যাডমিন” সেই “আমার ব্লগ”এ রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবা’র নূরানী চাপা সিরিজের একটি পর্ব ‘লাড়ায়ে দে’ নামে প্রকাশিত হয়েছে ২০১২ সালের ১৮ জুলাই।
সম্পূর্ণ পোস্টের স্ক্রীণশটের লিংক: http://www.shodalap.org/wp-content/uploads/2013/03/thabababa8.jpg
এই একই লেখা ফেসবুকেও প্রকাশ হয়েছে ২০১২ সালের ১৭ জুলাই। (অর্থাৎ ‘আমার ব্লগ’-এ প্রকাশিত হবার একদিন আগে।)
সুশান্ত কি এবার বলবেন, এই ‘নূরানী চাপা শরীফ-০১২’ যা ‘আমার ব্লগ’-এ ‘লাড়ায়ে দে’ নামে প্রকাশিত হয়েছে এবং রাজীব মারা যাবার পর যেটার হিট লাখ ছাড়িয়ে গেছে সেটাও রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবা’র লেখা নয়! রাজীবই যে ‘থাবা বাবা’ ওরফে আমারব্লগের ‘থাবা’ আর তার ফেসবুক আইডি যে thaba.baba সেটা তো সুশান্তই সবাইকে জানিয়েছিলেন। দেখুন-
২.৬ একটি মজার বিষয়
যে বিষয়টা এখানে সবচেয়ে মজার তা হলো, বিডিনিউজ সংবাদ পরিবেশন করছে সুশান্তের বরাত দিয়ে, আর ঐদিকে সংবাদ প্রকাশিত হবার পর সুশান্ত ফেসবুকে তা প্রচার করে বেড়াচ্ছেন বিডিনউজের বরাত দিয়ে।
২.৭ আমার বিস্ময়
আমার বিস্ময় জাগে, যে সুশান্ত একদিন মুসলমান ঘরে জন্ম নিয়ে যারা নাস্তিক তাদের স্যালুট জানিয়েছিলেন তিনিই আজ মুসলিম ঘরে জন্ম নেওয়া ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক রাজীবের লেখা নিয়ে লুকোচুরি খেলছেন! এটা তো গাছে তুলে দিয়ে মই সরিয়ে নেবার মতো হলো!
তিন.
নূরানী চাপা যে রাজীবের সেটা যারা কোনভাবেই অস্বীকার করতে পারবেন না
নূরানী চাপা যে রাজীব ওরফে থাবা বাবার সেটা অন্য কেউ অস্বীকার করলেও অস্বীকার করতে পারবেন না সেই সব ইসলাম-বিদ্বেষী নাস্তিকগণ যারা বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকে প্রকাশিত থাবার লেখায় কমেন্ট করে তাকে উৎসাহ যোগাতেন। এমন কয়েকজনের নাম/ছদ্মনাম এবং ফেসবুক আইডি দিয়ে দিচ্ছি, যে কেউ প্রয়োজন মনে করলে এদের জিজ্ঞাসা করে দেখতে পারেন:
Zakir Hossain (https://www.facebook.com/zakir.hossain.376)
Daripalla Dhomadhom (https://www.facebook.com/daripalla.dhomadhom)
Isha Mohammad Bashdev (https://www.facebook.com/ishamohammad.bashdev)
আল্লামা শয়তান (https://www.facebook.com/soytaan)
মহামান্য কহেন (https://www.facebook.com/Azam.bd)
Gardov Himu (https://www.facebook.com/ekjonsocchobadi)
Ranjan Barman (https://www.facebook.com/poribartan.chai)
Himel Dibakor (https://www.facebook.com/himel.dibakor)
আনিস রায়হান (https://www.facebook.com/raihan.anis)
Safeen Ahmed Anik (https://www.facebook.com/atheist.anik)
Chakrabortty Raj Singha (https://www.facebook.com/chakrabortty.rajsingha)
Mohamanno DhorMouse (https://www.facebook.com/pakkarmata)
প্রাঞ্জল চক্রবর্তী (https://www.facebook.com/the.pranjal)
নীড় হারা (https://www.facebook.com/nir.hara)
Rojen Amen (https://www.facebook.com/rojen.amen)
Arnab Wahid (https://www.facebook.com/birdunderwater)
Saymon Nadim (https://www.facebook.com/saymon.nadim.9)
Dhormopray Peleboi (https://www.facebook.com/dhormopran.peleboi)
Shopno Hara Pothik (https://www.facebook.com/nasrin.jahan.79)
উনাদের কমেন্টগুলো এখনো সদর্পে ফেসবুকে বিদ্যমান*। যারা 'রাজীবের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অন্য কেউ রাজীবের নামে লেখা চালিয়ে দিয়েছে' - এই ধরণের আজগুবি তত্ত্ব ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন, তারা আশা করি ফেসবুকে রাজীবের লেখার ওপর যে কমেন্টগুলো এসেছে সেগুলোও হ্যাক করে ঢুকানো হয়েছে' এই জাতীয় গাঁজাখুরি গল্প আমাদের শোনাবেন না।
(*এই লেখা যখন লিখছিলাম তখন পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল, এরপর যদি কেউ মুছে ফেলে তবে করার কিছু নাই, তবে স্ক্রীণশটে প্রমাণ থেকেই যাবে।)
শেষ কথা:
‘নূরানী চাপা সমগ্র’ শিরোনামে http://nuranichapa.wordpress.com ব্লগ রাজীবের কি-না তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে:
ঐ ব্লগের লেখাগুলো রাজীবের কি-না?
‘নূরানী চাপা’ নামে লেখা সিরিজটা রাজীবের কি-না?
এই প্রশ্নের উত্তর একটাই- অবশ্যই ‘নূরানী চাপা’ সিরিজ রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবা’র লেখা। এতে সন্দেহের বিন্দু পরিমাণ অবকাশ নাই।
মিথ্যা দিয়ে সত্য ঢাকা যায় না। সাময়িকভাবে হয়ত চাপা দেওয়া যায়। কিন্তু সত্য এক সময় না এক সময় বের হয়ে আসেবই। কাজেই শুধু শুধু মিথ্যাচার করে কেউ নিজেদের কলংকিত করবেন না। রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবা’ ওরফে ‘থাবা’ একজন জঘন্য ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক ছিল এবং ‘নূরানী চাপা’-সহ আরো অনেক কদর্য মানসিকতাসম্পন্ন রুচিবিকৃত লেখার রচয়িতা ছিল। আশা করি দিবালোকের মতো স্পষ্ট এই বিষয়টি নিয়ে দয়া করে আর কেউ মিথ্যাচার করবেন না।
পরিশিষ্ট: রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবা’র ‘নূরানী চাপা’ সিরিজের লিংক
(সময়ের অভাবে সব সাইটের সব লিংক দেওয়া সম্ভব হয় নাই, পরে এই অংশটুকু সময় নিয়ে আপডেট করার চেস্টা করা হবে।)
|
লেখা |
ব্লগ/সাইট |
ওয়েব লিংক |
স্ক্রীনশটের লিংক |
|
নূ. চা.-১ |
ব্লগস্পট |
http://dhormockerym.blogspot.com/2012/07/blog-post_11.html |
|
|
নূ. চা.-২ |
ব্লগস্পট |
http://dhormockerym.blogspot.com/2012/07/blog-post_11.html |
|
|
নূ. চা.-৩ |
ব্লগস্পট |
http://dhormockerym.blogspot.com/2012/07/blog-post_11.html |
|
|
নূ. চা.-৪ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151249853140830 |
|
|
|
ব্লগস্পট |
http://dhormockerym.blogspot.com/2012/07/blog-post_15.html |
|
|
|
ধর্মকারী |
http://www.dhormockery.com/2012/07/blog-post_9151.html |
|
|
নূ. চা.-৫ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151250760910830 |
|
|
|
ব্লগস্পট |
http://dhormockerym.blogspot.com/2012/07/blog-post_15.html |
|
|
|
ধর্মকারী |
http://www.dhormockery.com/2012/07/blog-post_9151.html |
|
|
নূ. চা.-৬ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151251717465830 |
|
|
|
ধর্মকারী |
http://www.dhormockery.com/2012/07/blog-post_9151.html |
|
|
|
ব্লগস্পট |
http://dhormockerym.blogspot.com/2012/07/blog-post_15.html |
|
|
নূ. চা.-৭ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151253344295830 |
|
|
|
ব্লগস্পট |
http://dhormockerym.blogspot.com/2012/07/blog-post_15.html |
|
|
নূ. চা.-৮ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151255614870830 |
|
|
নূ. চা.-৯ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151258086445830 |
|
|
নূ. চা.-১০ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151260612885830 |
|
|
নূ. চা.-১১ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151264478655830 |
|
|
নূ. চা.-১২ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151266862875830 |
|
|
|
আমারব্লগ |
http://www.amarblog.com/thaba/posts/150478 |
http://www.shodalap.org/wp-content/uploads/2013/03/thabababa8.jpg |
|
নূ. চা.-১৩ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151276045915830 |
|
|
নূ. চা.-১৪ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151283435675830 |
|
|
নূ. চা.-১৫ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151285982695830 |
|
|
নূ. চা.-১৬ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151296385675830 |
|
|
নূ. চা.-১৭ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151311938060830 |
http://www.shodalap.org/?attachment_id=18291
|
|
নূ. চা.-১৮ |
ফেসবুক |
https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151349601185830 |
http://www.shodalap.org/?attachment_id=18292
|
|
|
ব্লগস্পট |
http://dhormockerym.blogspot.com/2012/09/blog-post_4085.html |
|
|
নূ.চা.- ১৯ |
ব্লগস্পট |
http://dhormockerym.blogspot.com/2012/10/blog-post_4054.html
|
নোট: নূ.চা. = নূরানী চাপা
*******************************************************
প্রাসঙ্গিক লেখা: রাজীব ওরফে 'থাবা বাবা' এবং কিছু অপ্রিয় সত্যকথন










এম_আহমদ
মার্চ ৭, ২০১৩ at ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আজকে এখানে বেড়াতে এসে আগে আরেকটি ব্লগে মন্তব্য করেছি এবং আপনারটাতে মন্তব্য না করে যেন মনে শান্তি পাচ্ছি না।
আপনার আগের এবং এখনকার এ দুটি লেখার জন্য আল্লাহ আপনাকে অশেষ সওয়াব দান করুন এবং এগুলোকে আপনার মুক্তির জরিয়া করুন।
আমরা বিগত বছরগুলো কাফির মুনাফিক ও বিদ্বেষীদের যেসব জাতি-বিধ্বংসী কুকর্ম, কুকান্ড ও কুৎসিত আচরণ লক্ষ্য করে আসছি, সেই কাজগুলো এবারে জাতীয় বাস্তবতায় এক বীভৎস রূপ গ্রহণ করেছে। একটি দলকে ক্রিমিন্যালাইজ করে তাদেরকে “প্রতীক” বানিয়ে শোয়র, কুকুর ছাগল (ছাগু)-চিত্র একে, পশুর মাথায় দাড়ি দিয়ে, টুপি পরিয়ে, ইসলামী প্রতীকীতে আঘাত হচ্ছিল, আর আমরা সেই ‘তামাশা’ দেখছিলাম। সেখানে টুপির অবমাননা করা, দাড়ির অবমাননা করা, বোরকার অবমাননা করা, নামে বেনামে আলেম ওলামাদের উপর বিষোদ্গার করা, ইতিহাসের নামে নিজেদের বক্তব্যকে প্রাধান্য দিয়ে অন্যদের অবস্থানকে মূর্খ দেখানো, আইনি বিষয়কে যেভাবে-সেভাবে ব্যাখ্যা করা, যে যে বিষয়ের ‘লায়েক’ নয়, সে বিষয় পাণ্ডিত্য করে ঘৃণা বিদ্বেষ ছড়ানো –এগুলোর সার্কাস দেখেছি। আজ এর পরিণতি বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে।
আলেম ওলামারা জেগে ওঠায় এখন অনেক সাইটে ব্লগ সরানো হচ্ছে, নিজের ব্লগের মন্তব্য তোলা হচ্ছে, কেউ কেউ মুফতি মাওলানা সাজছেন, কোরান কোট করছেন, তাহাজ্জুদের নামাজের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, সবই ভাল। আমার নিজ এলাকায় যারা থাবাকে শহীদ বানাতে নানান বিবৃতি দিয়েছেন, আজকে তাদেরকে ছু ছু করে হাঠতে দেখছি। গতকাল আমাদের এলাকায় (স্মলহীথ পার্কে) এক বিরাট প্রতিবাদী রেলি হয়। সেখানে থাবা-শহীদানদের কয়েকজন এসে হাজার হাজার লোকের উপস্থিতি দেখে অদূরে কিছুইক্ষণ ইয়াতিমের মত দাঁড়িয়ে থেকে তারপর উঠাও হয়েছেন। আমরা বলেছি, শহীদ কেবল সেই হয় যে শাহাদতের ঘোষণা দেয় এবং সেই শাহাদতের সত্য নিজ জীবন দিয়ে প্রমাণ করে। এটা ইসলামী পরিভাষা, এর সাথে ঈমানের সম্পর্ক, শাহাদাতের সম্পর্ক।
আপনার এ দুটো লেখা সত্যকে সত্যরূপে প্রতিষ্ঠা করছে। দোয়া করি আল্লাহ উন্মাদদের মনে যেন শান্তি দান করেন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ৭, ২০১৩ at ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি ব্যক্তিগত ভাবে খুবই হতাশ হলাম আপনার এই পোস্টে। সত্যই আমি হতাশ। আমি আশা করেছিলাম নাস্তিকদের বিষয়ে কোরআন হাদিসের আলোকে একটা পরামর্শমুলক আলোচনা করা হবে সদালাপে। কারন ইন্টারনেটের এই যুগে একটা দেশের পক্ষে এই ধরনের লেখা বন্ধ করা সম্ভব নয় -- শুধু রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে অশান্তি তৈরী করা ছাড়া। নাস্তিকদের লেখার বিপরীতে আমাদের কৌশল এবং কর্মপদ্ধতি কি হবে তাই নিয়ে আলোচনাটা খুবই জরুরী বিবেচনা করছি।
রাজীব নাস্তিক (ইসলাম বিদ্বেষী) ছিলো -- এই বিষয়ে কেউ কি দ্বিমত পোষন করেছে? (শুধু রাজীবের বাবা তার ছেলে ধার্মিক ছিলো বলে দাবী করেছেন) আর যারা অবিশ্বাসী বা নাস্তিক তারা তো মিথ্যাচার করবেই। যারা আল্লাহ রসুলের নামে মিথ্যাচার করতে পারে তাদের পক্ষে যে কোন ধরনের মিথ্যাচার করা সম্ভব নয় কি!
অবশ্য বিডি নিউজ নুরানী চাপা সমগ্র ( যা ওয়ার্ড প্রেসে আছে) তার বিষয়ে কথা বলেছে এবং তার ট্যাকনিক্যাল দিকগুলো দেখিয়েছে। তার বিপরীতে একজন ব্যক্তি কি বললো তাতে আসে যায় যদি না তার পিছনে যৌক্তিকতা থাকে। -- কিন্তু তারাতো রাজীব নাস্তিক না তা বলেনি। এবং মজার বিষয় হলো আমরা বিশ্বাসীরাই নুরানী চাপার হিটটা বাড়িয়েছি।
রাজীবের বিষয়টা যে পুরোপুরি একটা রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিনত হয়েছে -- আমাদের অনেকেই তা বুঝতে অপরাগ। আমরা অনেকেই বুঝে অথবা না বুঝে রাজনীতিকদের দাবা গুটিতে রূপান্তরিত হয়ে যাই।
আমার আফসোস হলো আমরা কোরানের নির্দেশ লংঘন করে নোংরা জিনিসগুলো পড়ছি অথবা অন্যকে পড়ার রাস্তা বলে দিচ্ছি -- যার দায় সদালাপও নিচ্ছে। এখন সদালপের পাঠককে আর কষ্ট করে লিংক খুঁজতে হবে না -- সোজা ক্লিক করেই চলে যাবেন নোংরা বিষয়গুলোতে। অনুরোধ করবো -- সাইটগুলোর হাইপার লিংক ডিজেবল করে দিতে -- এতে অন্তত নোংরা লেখাগুলো পড়ার জন্যে সদালাপের এই পেউজ ইউজ করা যাবে না।
ভাল থাকবেন।
সাদাত
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৪:৫৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন:
মিথ্যাচারে প্রতিবাদস্বরূপ এই পোস্টটা কীভাবে অন্য কোন পরামর্শমূলক আলোচনার অন্তরায় হয়ে উঠলো?
এই লেখায় ইসলাম-বিদ্বেষী লেখা বন্ধ করতে হবে না কী করতে হবে, সে সম্পর্কে তো কিছুই বলি নাই। সেই বিষয়ক পোস্টও এটি নয়। অপ্রাসঙ্গিকভাবে ভিন্ন আলোচনার সূত্রপাত না করলে ভালো হয়।
১. যদি বাবা ছাড়া আর কেউ তাকে নাস্তিক বলে অস্বীকার নাই করে থাকে, তাহলে গণজাগরণ মঞ্চের উদ্যোগে তার জানাযা পড়ানো হলো কোন্ যুক্তিতে, কিসের ভিত্তিতে?
২. রাজীব নাস্তিক কি-না সেটা আমার আলোচনার প্রসঙ্গ নয়, নূরানী চাপা সিরিজের লেখাগুলো রাজীবের কি-না সেটাই এই পোস্টের আলোচ্য বিষয়। আপনি কি মনে করেন নূরানী চাপা সিরিজ রাজীবের নয়।
বাকী বিষয়ের উত্তর পরে দিচ্ছি ইনশআল্লাহ।
সাদাত
মার্চ ৯, ২০১৩ at ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন:
কোন টেকনিক্যাল কিছু দেখায় নাই, জনগণকে বোকা পেয়ে আগডুম বাগডুম বুঝ দিয়েছে। বলেছে, নূরানী চাপার ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগটা তার ছিল না (এটা একটা ফাঁকা দাবি, এর পক্ষে শক্ত কোন যুক্তই দিতে পারেনি।)
সেই ব্লগের লেখাগুলো অন্য কোন ব্লগে নেই। ডাহা মিথ্যা কথা। এই পোস্টে সেই মিথ্যাচারকে দিবালোকের মতো পরিষ্কার করে তুলে ধরা হয়েছে।
বিশ্বাসীরা নূরানীচাপার হিট বাড়িয়েছে, এতে নূরানীচাপার কোন্ লাভটা হয়েছে? বরং ক্ষতিই হয়েছে। বিভিন্ন ব্লগের নাস্তিকরা এখন গর্তে লুকাচ্ছে… তাদের অনেক সুহৃদও এখন তাদের চেনে না।
কেন বুঝবো না। রাজনৈতিক ইস্যু হয়েছে বলেই তো একজন নাস্তিকের জানাযা পড়ানো হয়েছে।
আমরা কোন রাজনীতিবিদের দাবার গুটি নই বলেই স্রোতের বিপরীতে গিয়ে অন্যায়কে অন্যায় বলতে পারি।
গুরুতর অভিযোগ। কীভাবে কুরআনের কোন্ নির্দেশ লংঘন করলাম একটু খুলে বলুন।
এস. এম. রায়হান
মার্চ ৭, ২০১৩ at ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দারুণ তথ্যবহুল একটি লেখার মাধ্যমে মিথ্যুকদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন।
মজার ব্যাপার হচ্ছে রাজীব ওরফে 'থাবা বাবা'কে নিয়ে বাংলা ব্লগে সুশান্ত গং ও মগাজিৎ গং বিপরীত অবস্থান থেকে ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্যে মিথ্যা প্রপাগাণ্ডায় নেমেছে -- প্রথম জন ‘থাবা বাবা’র লেখাকে অস্বীকার করে তাকে ‘নিরীহ’ বানিয়ে দিচ্ছে, আর দ্বিতীয় জন ‘থাবা বাবা’র লেখাকে অস্বীকার না করে তাকে ‘মুক্তচিন্তার চর্চাকারী’ বানিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু তারা তাদের বিপরীত অবস্থান নিয়ে একে-অপরের মুখোমুখি হচ্ছে না। চিন্তা করেন পাঠক, তারা বাকি সবাইকে কতটা বোকা মনে করে।
শামস
মার্চ ৭, ২০১৩ at ১:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ লেখাটার জন্য।
সুশান্ত ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা দিনের পর দিন ইসলাম বিদ্বেষীদের তাদের ব্লগে লাই দিয়ে যাচ্ছিল, যার প্রমাণ এখনো আছে। থাবা বাবা ছাড়া আরো কিছু ইসলাম বিদ্বেষীর সুখের দিন আমুতে ছিল, পরিস্থিতির কারণে এখন কেবল একটু রাখঢাক করছে। উল্টা ভোল ধরছে এই নূরানী চাপা থাবা বাবা’র না!!!! হাহাহাহাহা……আসলেই কৌতুক!
আহমেদ শরীফ
মার্চ ৭, ২০১৩ at ১২:৩৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এটাই জ্বলজ্যান্ত সত্য। ধর্মকারী/মুক্তমনা/আমারব্লগ ইত্যাদি ব্লগে নাস্তিক্য তথ্য ইসলামবিদ্বেষীতাকে শুধু আশ্রয়ই দেয়া হয় না -- রীতিমত পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে লালন-পালন করা হয়। এসব নিয়ে অসংখ্যবার সতর্ক করা সত্বেও ব্লগগুলোর এ্যাডমিনরা তাতে কর্ণপাত করেনি। আমারব্লগের সুশান্ত নিজে একজন স্বঘোষিত নাস্তিক। অসংখ্য ইসলামবিদ্বেষীকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে নানান ছদ্মনামে-বেনামে নাস্তিক-ইসলামবিদ্বেষীদের নিজ মালিকানাধীন ‘আমারব্লগ’কে অভয়ারণ্যে পরিণত করে সদর্প বিচরণ করতে দিয়েছেন এতকাল। 'থাবা' ওরফে রাজীবকে একবার নিজেদের ব্লগার বলে স্বীকার করলেও পরে গণমাধ্যমে মিথ্যাচার করে নিজের পিঠ বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু এখানে সত্যকে উম্মোচন করায় তাদের মুখোশ খুলে গেছে।
এই মূহুর্তে নীতিমালা প্রণয়ন-সংশোধন করে ব্লগগুলোতে ইসলামবিদ্বেষী মিথ্যাচার-নোংরামো বন্ধ করা হোক যাতে '৭১ এর ঘাতকদের বিচার চাওয়ার মত শ্বাশ্বত মঞ্চগুলো আর ক্লেদাক্ত-কলুষিত না হয়, যাতে জাত-পাত-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই দাঁড়াতে পারে একসঙ্গে। নাস্তিকদের মাঝে যারা বিশেষতঃ ইসলামবিদ্বেষী -- তাদের ইসলাম-মুসলিম-মহানবী(সাঃ) এর বিরুদ্ধে ঘৃণার গরল ছড়ানো কুৎসিত নোংরা লেখাগুলো 'প্রত্যাহার' করতে বলা হয়েছে, নাস্তিকদের ফাঁসির দাবি করা হয়নি। আশা করা যায় শুভবুদ্ধির উম্মেষ ঘটিয়ে ব্লগগুলোর এ্যডমিনরা ইসলামবিদ্বেষী লেখাগুলো প্রত্যাহার করার ব্যাপারে জেদের বশবর্তী হয়ে অকারণ গোঁয়ার্তুমির শিকার হবেন না।
নীরব সাক্ষী
মার্চ ৭, ২০১৩ at ১২:৪৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গতকাল রাতে আরটিভি'র টকশো'তেও গণজাগরণ মঞ্চের এক নেতা থাবা বাবা’র লেখাগুলোকে ফেইক বা মিথ্যা প্রমাণের চেষ্টা করলেন! হায় আফসোস!
রাজীবের হত্যাকারীর যেমন বিচার চাই, তেমনি তার নোংরামী ও অসভ্যতাকে নিন্দা করতে হবে। প্রথমটির তদন্ত হচ্ছে, কিন্তু পরের ইস্যুটিকে ধামা-চাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে!
সত্যকে ঢেকে রেখে মিথ্যাকে আশ্রয় করে কোন কিছু সাময়িকভাবে সাফল্য হলেও তা মুলত টেকসই হয় না। এর ফলাফল- সাধারণ মানুষ এখন দ্বিধান্বিত। এখানে জামাত সুযোগ নিতে চেষ্টা করছে। অন্যদিকে শাহবাগের ব্লগাররা সত্যকে ঢেকে রেখে মিথ্যাচার করে সেই সুযোগ করে দিচ্ছে।
পতাকা ছিঁড়া বা পোড়ানোতে যেমন আমাদের কষ্ট হয়, তেমনি ইসলামের নবীর নামে মিথ্যাচার ও নোংরামী করলে ঈমানদার মুসলিমদের অন্তর ভেংগে যায়। শাহাবগের তরুণ ব্লগাররা এ সত্যটি উপলব্দি করতে ব্যর্থ। তা না হলে এখনও বলা হচ্ছে থাবা বাবা’র লেখাগুলো ফেইক বা তার নয়!
দেশে ইসলাম এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা সাধারণ মানুষের ইস্যু। তাই ইসলাম বিদ্বেষ যারা উস্কে দেয় তাদেরকে কঠোরহস্তে দমন করতে হবে।
সত্য জানা প্রয়োজন। তা হলে অনেক অভিভাবক আগে থেকেই সন্তানের উপর নজর রাখতে পারবেন। আমরা রাজীবের মত তরুণদের হারাতে চাই না। এরা মূলত ব্রেইনওয়াশড। এদের মাস্টারমাইন্ডদেরকে বের করতে হবে, যারা অনলাইনে বছর পর বছর ধরে ইসলাম বিদ্বেষের চাষাবাদ করে রাজীবের মত তরুণদের বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। মুক্তমনা নামক ওয়েবসাইট অনলাইনে ইসলাম বিদ্বেষ প্রচারে ও তরুণদেরকে ব্রেইনওয়াশড-এ অগ্রনী ভূমিকা রাখছে। মুক্তমনায় ‘মুক্তবুদ্ধি চর্চা’র নামে অনেকদিন ধরেই ইসলাম বিদ্বেষের চাষাবাদ করা হয়।
লেখকের সৎ সাহসের জন্য প্রার্থনা করছি।
সাদাত
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৭:৫২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@নীরব সাক্ষী:
এগুলো সবারই চোখে পড়ছে কম আর বেশি। কিন্তু আমাদেরই একজন সুবিধাজনকভাবে এগুলো স্কিপ করে যান!
এস. এম. রায়হান
মার্চ ৭, ২০১৩ at ১:৩২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যারা 'নূরানী চাপা' ব্লগের লেখাগুলো থাবা বাবা ওরফে রাজীবের নয় বলে দাবি করছে তাদের প্রতি প্রশ্ন- ঐ লেখাগুলো তাহলে কার? প্রমাণ-সহ তারা এই প্রশ্নের জবাব দেক। তারা অন্য কারো নাম বলছে না কেনো?
আহমেদ শরীফ
মার্চ ৭, ২০১৩ at ৫:০৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তারা আসলে কি বলবে না বলবে সেটাই ঘটনার আকস্মিকতায় ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না। এতদিন ধরে বহুপ্রতিক্ষীত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি গোটা জাতি যখন ঐতিহাসিক অনিবার্যতায় একাত্ম হতে যাচ্ছিল _ ঠিক তখনই ইসলামবিদ্বেষীতার অভিশপ্ত জীবাণু সংক্রমণে গোটা আন্দোলনটির ওপর আঘাত আসায় অভিযুক্ত হয় এই ইসলামবিদ্বেষী চক্র। মাঝখান থেকে এই সুযোগে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে লাভবান হয় স্বাধীনতাবিরোধী জামাত-শিবির চক্র। দায়দায়িত্ব এখন ইসলামবিদ্বেষী চক্রের ঘাড়ে এসে পড়ায় তারা ভীষণ ঘাবড়ে গিয়ে মোটামুটি কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
রাজিবকে 'শহীদ' ঘোষণা, জানাজার নামাজ আদায়(!), গণজাগরণ মঞ্চ থেকে 'কোরআন তেলাওয়াত', 'মুনাজাত' ইত্যাদি আইওয়াশ/সেফগার্ড হিসেবে ব্যবহার করলেও ভেতরে ভেতরে তারা ভীতসন্ত্রস্ত এই দেশে কখন কি হয় কিছুই বলা যায় না। এই পরিস্থিতিতে তওবা করে ইসলাম-মুসলিম-মহানবী(সাঃ) কে নিয়ে আপত্তিকর ব্লগ অবিলম্বে অপসারণ, প্রয়োজনে প্রকাশ্যে জানান দিয়ে ভুল স্বীকার ও ক্ষমাপ্রার্থনা করেই একমাত্র তারা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ গণরোষ থেকে বাঁচতে চেষ্টা করতে পারে। কারণ একবার যখন এসব সাধারণ জনগণের সম্মুখে উদঘাটিত হয়ে গেছে, যতদিন যাবে ততই চিহিৃত-অভিযুক্ত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে, সবসময় সব সরকারের পক্ষে চিরকাল প্রটেকশন দেয়াও সম্ভব হবে না। সরকার এথিক্যালী-ওফিশিয়ালি সবসময় তাদের পক্ষেও থাকতে পারবে না, কারণ কোন সরকারই 'ইসলামবিদ্বেষী' হিসেবে চিহিৃত হয়ে স্বভাবতঃই গণবিরোধী হতে চাইবে না এই দেশে।
কাজেই সর্বোত্তম পথ হল আপত্তিকর ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক নোংরা ব্লগগুলো অপসারণ করা এবং এই জাতীয় লেখা-লেখকদের এখন থেকে নিরুৎসাহিত করা।
শাহবাজ নজরুল
মার্চ ৮, ২০১৩ at ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মানুষ আসলেই জানতো না যে ব্লগের এই ছোট্ট জগত কত বিচিত্র!!! যখন শাহবাগের আন্দোলনের নেতৃত্বে তারা চলে আসলো তখন স্বভাবতই সারা দেশের চোখ পড়বে ব্লগে কী হয় তা জানার জন্যে। এখন এই আন্দোলনকে নেতৃত্ব দেয়া ব্লগের বেশীরভাগ লোকই 'ইস্লাম-বিদ্বেষী' নয় -- এটা আমারা যারা অনেকদিন ধরে ব্লগে আছি তারা জানি; কিন্তু একথাও সত্য যে ইসলামকে গালাগালি করা হলে এই নেতৃত্বের কাউকেই তেমন প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। বরং অমি পিয়ালকে দেখেছি 'ছাগু' শব্দটির অপপ্রয়োগ করতে। তিনি ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের বুদ্ধিবৃত্তিক disourse-এ না গিয়ে অনেকটা হিংসাত্মক ভাবে আমুতে থাকা সদালাপের অনেককেই ব্লগ ছাড়া করেন 'ছাগু' উপাধি দিয়ে। আমাদের জিয়া ভাইও সে সময়ে আমু ছাড়তে বাধ্য হন। অথচ দেখা গেলো জিয়া ভাই এই আন্দোলনকে প্রথম থেকে যেভাবে সমর্থন করেছেন তা ঈর্ষনীয়। সদালাপও যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের দাবীতে প্রথম থেকেই অনড় ও স্পষ্ট। অথচ ভাবেন একসময় অমির গোয়ার্তুমির জন্যে আমুর স্বর্ণযুগ থেমে যায় একদল প্রগতিশীল ব্লগারের ব্লগ ত্যাগে -- এদের মূল দোষ ছিল ধর্মপরায়নতা -- যদিও এদের সবাই প্রচণ্ড রকম ভাবে ছিলেন জাশি বিরোধী। তাহলে কীভাবে এই ইগো-সেন্ট্রিক অমি পিয়াল বিশাল আঙ্গিকের নেতৃত্ব দেবেন??? কেমনে সম্ভব? ভাবেন 'চোরের' মতো চোর-সম ভার্চুয়াল পিম্প কিংবা বেকা'র মতো ভার্চুয়াল পেডোফাইল যে অপ্রাপ্তবয়ষ্ক মেয়েদের লেপের নীচে পেতে চায় -- তারা হবেন এই মহান আন্দোলনের নেতা!!! কেমনে কী? মহান দায়িত্বে থাকতে হলে তো ন্যূনতম সভ্যতা চাই নাকি???
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৪:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রিয় শাহবাজ --
আমু ব্লগের ঘটনা আমার কাছে একটা ডেড ইস্যু। মাঝে মধ্যে মনে করি একটা লেখা দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করি। কিন্তু একটা মৃত বিষয় নিয়ে কথা বলতে ভাল লাগে না।
তবে একটা কথা বলি -- একজন মানুষের বা এক দল মানুষের কিছু বিষয় ভাল লাগতে নাও পারে -- কিন্তু তারা যে সব কথাই ভুল বলবে তা কিন্তু ঠিক না। আমি চেয়েছি বিষয়গুলো ভুলে যেতে। জীবনটাইকো শিক্ষা নেবার পিছনে ব্যয় করছি। প্রতিদিনই শিখছি। ভুল করছি -- ভুল শোধরাচ্ছি।
আমু ব্লগে যদি থাকার ইচ্ছা থাকতো তা হলে হয়তো একটা সমঝোতা করে সবাই মিলেই থাকতে পারতাম। কিন্তু মৌলিক দৃষ্টি ভংগীতে পার্থক্য নিয়ে বিশেষ করে কোরাআন-হাদিস নিয়ে বিতর্কিত লেখাগুলো আমার লেখার পাশে জ্বলজ্বল করবে তা মেনে নেওয়া কঠিন ছিলো। তারপরও তা মেনে নেওয়া যেতো -- কিন্তু যখন দেখলাম রেফারী এক পক্ষের হয়ে খেলছে -- তখন পুরো খেলা্টাই অর্থহীন মনে হয়েছে। তাই সেখান থেকে চলে আসার কোন আফসোস নেই -- নেই পরাজয়ের গ্লানি।
যতদ্রুত আমরা আমু ব্লগে এপিসোটটা ভুলে আমাদের নিজেদের লেখালেখিগুলো দিকে নজর দেবো ততই মংগল।
ভাল থাকবেন।
আহমেদ শরীফ
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৪:০৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@শাহবাজ নজরুল:
অমি পিয়ালের মত একটা সস্তা চটিলেখক এত বিখ্যাত হবার পেছনে কারণ হল -- শুরুর দিকে অনলাইনের ফাঁকা মাঠে পথিকৃৎ হয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’র উম্মেষ ঘটানো, এই কৃতিত্ব তাকে দিতেই হবে। পাশাপাশি এও অস্বীকার করার উপায় নেই যে এককালে ‘ইসলাম ডিফেন্ডার’ হিসেবে নিজেকে দাবি করলেও ‘যৌবনযাত্রা’ নামক একটি পর্ণ ফোরামের এডমিন হিসেবে শুরু থেকেই নৈতিক ভিত্তি স্বভাবতঃই খুব সবল থাকার কথা নয়। নীতিনৈতিকতার দূর্বল চারিত্রিক ভিত্তির কারণে পরবর্তীতে সহজেই ‘আমারব্লগের’ ইসলামবিদ্বেষী চক্রের প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে নিয়মিত পিঠ চাপড়ানি খেতে খেতে এক পর্যায়ে ইসলামবিদ্বেষীতার সরাসরি নিজে প্রকাশ্য কান্ডারি না হলেও অন্যতম নেপথ্য পৃষ্ঠপোষক হিসেবেই আবির্ভূত হওয়া ছাড়া গত্যন্তর ছিল না। স্বভাবতঃই মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষীয় চেতনার ধুয়ো তুলে ‘বাঙ্গালিয়ানা’র মোড়কে ‘হিন্দুয়ানি’ সংষ্কৃতি তথা ভিন্নধর্মী বর্ণবাদী চক্রের কুৎসিত ইসলামবিদ্বেষ প্রচারের একটি ঐতিহাসিক ক্রীড়নক চরিত্রে পরিণত হওয়াটাকে ঠেকানোর মত নৈতিক-অর্থনৈতিক-আদর্শিক কোন সবলতা তার আর অবশিষ্ট ছিল না। জেনেশুনে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতার পক্ষশক্তি ইসলামপক্ষীয়দের বিরুদ্ধাচরণ এজন্যেই তাকে করতে হয়, তার নিজের ভাষায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে লড়াইয়ে বিঘ্ন না ঘটার জন্যেই নিজে ‘ইসলাম ডিফেন্ডার’ এর ভূমিকা জলাঞ্জলি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়, পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সমর্থকদের ইষলামবিদ্বেষী নাস্তিক্য অংশকে প্রথমতঃ ইগনোর করলেও পরবর্তীতে ব্লগ প্রশাসক-সংগঠিত সিন্ডিকেট ইত্যাদির প্রভাবের কারণে তাদের বশ্যতা স্বীকার করতঃ তাদের কাতারে নিজেই একসময় শামিল হতে বাধ্য হয়। বিনিময়ে অমি পিয়াল আমারব্লগে স্বীকৃতি পেয়ে যায়, যেখানে অন্যান্য ব্লগে যেমন নাগরিকব্লগ, সামু, সচলায়তন ইত্যাদিতে এমনকি ইসলামবিদ্বেষীদের অনেকেই পূর্বভূমিকার কারণে একজন চটিসাহিত্যের দিকপাল লেখককে ‘এ যুগের মুক্তিযোদ্ধা’র ভূমিকায় দেখতে নৈতিক কারণে দ্বিধা-অনীহা প্রকাশ করেন -- সেখানে আমারব্লগের ব্লগার ‘সুশান্ত’, ‘মুরুব্বি’ ‘চোর’রা অমির পক্ষে বিভিন্নব্লগে লড়াই করে যায়, একই সঙ্গে আমারব্লগে স্বসম্মানে প্রতিষ্ঠিত করে। তাকে সম্ভবতঃ একজন প্রশাসকও বানানো হয়। ইসলামবিদ্বেষী চক্রের আবর্তে যে ক্ষুদ্র সমাজ তাতেও তাকে ঠাঁই দেয়া হয়। ইসলামবিদ্বেষী বর্ণবাদী চক্রের একটি অসাধারণ নির্বাচন ছিল ‘অমি পিয়াল’ চরিত্রটি, যাকে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের অনুগত সেনাধ্যক্ষ প্লাস মঞ্চের শোভাবৃদ্ধির কাজে যথাযোগ্যভাবে কাজে লাগানো যায়। মুক্তিযুদ্ধের ধূয়ো না তুলে ‘মুক্তচিন্তা’ তথা ‘নাস্তিকতা’র নির্দোষ ছদ্মবেশে তলে তলে ইসলামবিদ্বেষের ক্ষেত্র প্রসারের কাজটি এছাড়া অনেক কঠিন হত।
প্রতিদান ও কৃতজ্ঞতাস্বরূপ ইসলামপন্থী ব্লগারদের সমূল উৎপাটন করার মিশনে নেতৃত্ব দিয়ে দায় পরিশোধ করে এই বর্ষীয়ান ‘এ টিমার’। সরাসরি ‘রাজাকার’, ‘ছাগু’ প্রমাণে প্রাণপণ চেষ্টার পরেও ব্যর্থ হওয়ায় পরে সাপব্যাঙ বুঝিয়ে হাবিজাবি একটি পোস্ট লিখে এটাই বোঝানোর প্রয়াস পায় যে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় শুধু রাজাকাররাই না বরং কিছু কিছু ‘ইসলামপন্থী’ দলও স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। কাজেই ব্লগের ইসলামপন্থীরা জামাত-শিবির না হলেও ‘ছাগু’ এবং ‘মুক্তিপক্ষের শত্রু(!)’। মদ্য ও গঞ্জিকার নেশায় মাতাল হয়ে করা সেই আজগুবি পোস্টের ওপর ফেসবুক যোগাযোগ-পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ঝাঁপিয়ে পড়ে কমেন্ট করতে থাকে ইসলামবিদ্বেষী সিন্ডিকেট চক্র। ফেসবুকে শেয়ার দেয়া হয় গণহারে। প্রাণপণে ব্যান-কমেন্ট মোছার হিড়িক পড়ে যায়। তাতেও বিশেষ কাজ না হলে শুরু হয় কুৎসিত কদর্য খিস্তিখেউড় আর গালিগালাজের বন্যা। চটিবাজ সুযোগ্য সেনাপতির নেতৃত্বে পৃষ্ঠপোষকতায় চলে অশ্রাব্য গালিগালাজের মহোৎসব। এক পর্যায়ে স্বভাবতঃই রণে ভঙ্গ দেন একটিও পাল্টা গালিগালাজ না করা সুসভ্য-শাশ্বত ইসলামের কান্ডারি ‘ব্লগমোল্লা’গণ। তাঁরা একযোগে ব্লগত্যাগের ঘোষণা দিতে বাধ্য হন। শ্রদ্ধেয় অবিসংবাদিত নেতা জিয়া ভাই (তাদের ভাষায় ‘ব্লগমোল্লা এস্কিমো’) প্রথমে ব্লগত্যাগের ঘোষণা দেন। পরে তাঁর অনুগামী হন বাকি সকলেই।
আখেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ‘আমারব্লগ’ই, মেধাবী ব্লগারদের ব্লগত্যাগে। যুক্তির যুদ্ধ যেভাবে আগে আবেগ আর নাটকীয়তার ঝড় তুলত -- সেসব আজ অনেক পুরনো দিনের স্মৃতি। নিছক হ্যালোহাই করে ফেসবুকের আড্ডাটা ব্লগের পোস্টে দিয়ে কমেন্ট বাড়ানোর গৃহপালিত মেধাশূণ্য ব্লগারের পাল পারেনি সেই ব্যঞ্জনার আভাস দিতে। অন্যদিকে ঈর্ষণীয়ভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে সদালাপ। আমারব্লগ থেকে বেরোনোর পরপরই সময় হয়ে যায় বর্হিবিশ্বের আকাশে যোগাযোগের। শুরু হয় ফেসবুক প্রচারণা, বাড়তে থাকে পাঠক। আমারব্লগেও সর্বোচ্চ পঠিত অধিকাংশ লেখকই ছিলন ইসলামপন্থী লেখক। এখানেও পাঠকসংখ্যা কয়েকমাসের মধ্যে বিপুল পরিচিতি পাওয়ার কারণে ক্রমশঃ উর্ধ্বমুখী হতে হতে এখন অবিশ্বাস্য উচ্চতায় আঁকিবুকি কাটে। আজ এমন অনেকেই সদালাপ চেনেন ভিজিট করেন, বিমুগ্ধ হন, বিশ্বাস করেন যে এখানে ‘কোয়ালিটি’ লেখা ও কমেন্ট পড়তে পাওয়া যায় খুবই রুচিশীল সুস্থ পরিবেশে। যে পরিবেশ শান্তির ধর্ম ইসলামের পরিচ্ছন্নতার প্রতিধ্বনি, যে পরিবেশ ইসলামপন্থীদেরই মানায়।
‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি’ ইটসেল্ফ একটি মহান বার্ণিং ইস্যু এবং এটি নেতৃত্বনির্ভর কোন আন্দোলন নয় যে নির্দিষ্ট নেতা ছাড়া চলবে না। এটির জন্য গণমানুষের হৃদয়ে লালিত শাশ্বত সুগভীর আবেগই এটিকে চালিত করবে। নেতৃত্বশূণ্যতা এলে সৃষ্টি হবে নতুন নেতৃত্ব, এগিয়ে যাবে আন্দোলন। ইস্যুভিত্তিক আবেদনের তীব্রতার কারণে এটি ‘নেতৃত্বনির্ভর’ গোছের কোন আন্দোলন নয়।
‘অমি পিয়াল’, ‘চোর’, ‘বেকা’দের খুব ভাল করে সাধারণ মানুষ চেনেও না আর যদি কখনো কিছু কিছু চেনে রাজিবের ‘ইসলামপ্রেম’ এর মতো এদের গৌরবময় ইতিহাসও জানতে বাকি থাকবে না পাবলিকের। ফলতঃ চটিবাজ অমিসহ এই গালিবাজদের অবস্থা হবে হয়তো আরো ন্যাক্কারজনক। তাছাড়া ছাগলের ৩ নম্বর বাচ্চার মত স্টেজে দাঁড়িয়ে লাফানোর মতো এখন অনেকেই জুটে গেছে ওখানে। তবে মূলতঃ ইস্যুভিত্তিক হওয়ার কারণে ‘গণজাগরণ মঞ্চের’ বিবৃতি-ঘোষণাগুলিই আসছে সংবাদমাধ্যমে। তাও মোটামুটি ইমরান এইচ সরকার, মারুফ রসুল (শনিবারের চিঠি) এরকম দু’একটি নামই শোনা যাচ্ছে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৪:১৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অনেকটাই কাছাকাছি হয়েছে। এখানে আরো দুইটা চরিত্র অন্ধকার থেকে কাজ করছে। তাদের চেহারায় আলো ফেললে বাংলা ব্লগিং জগতের অনেক রহস্যময়তা কেটে যাবে। কিন্তু আমি কিছু নৈতিক কারনে তা করতে পারছি না।
আমি বিশ্বাস করি -- ভাল কাজ মন্দ কাজকে দুরীভুত করে। তাই সদালাপে অন্যদের পিছনে না লেগে থেকে যদি আমরা সদালাপকেই একটা সতন্ত্র ব্রান্ডে দাড় করাতে পারি তাতে এই সব আবর্জনা নিয়ে ভাবতে হবে না।
মুনিম সিদ্দিকী
মার্চ ৭, ২০১৩ at ২:৫১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কিছু বলার নাই শুধু অভিবাদন জানাচ্ছি!!!
মহিউদ্দিন
মার্চ ৭, ২০১৩ at ১১:০৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Agreed 100 +++++ % .
A million thanks . আল্লাহ আপনাকে অশেষ সওয়াব দান করুন এবং এগুলোকে আপনার মুক্তির জরিয়া করুন।
শাহবাজ নজরুল
মার্চ ৮, ২০১৩ at ১২:১০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই লেখাটিকে আমি দেখছি সত্যের যে অপলাপ আমাদের সংস্কৃতিতে ঢুকে গেছে তার প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ হিসেবে। সুশান্ত এক মস্ত বড় মোনাফেক। সে নিজেই প্রথম মুহুর্ত থেকেই জানে যে থাবা ঐসব লিখেছে। নিজের ব্লগের লাড়ায়া দে -- এখনো প্রমাণ হিসেবে রয়ে গেছে। এরপরে আছে বিডিনিউজের সাথে একে অপরের পিঠ চুল্কানি-মূলক ক্রস-রেফারেন্সিং। মনে পড়ছে আকাশ মালিকের 'যে সত্য বলা হয়নি' বইটির কথা। ঐ ই-বই বেরুবার পরে তিনি বাংলার আবু-রূশদ খেতাব পান। দেখা গেলো এরপরে মুক্তমনারা (?) কোনো কথা বললে ঐ মিথ্যা ভরা রূপকথার বইটির রেফারেন্স দেয়। মানে নিজেরাই জালিয়াতি মার্কা সুত্র তৈরী করে, নানা অভিযোগের জবাব দিচ্ছে নিজেদের বানানো সেই সুত্র থেকেই। মজার ভাই-ভাই খেলা আরকি!! এখানেও সুশান্ত নিজেই বিডিনিউজের সুত্র -- আর সুশান্ত আবার সবাইকে বলছে -- আমি কেউ না এটা বিডিনিউজের নিজেদের গবেষণার সিদ্ধান্ত। সারা দুনিয়ারে বেকুব পাইছে -- মনে করছে যেভাবে খাওয়াবে সেভাবেই খাবে। এই সুশান্ত, অমি, জেবতিক, আইজু, বেকা, চোর এরা সবাই মোনাফেকের দল -- অমেরুদন্ডী প্রাণী। দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বে আমরা অমেরুদন্ডী মিথ্যাবাদী প্রাণীদের দেখতে চাইনা। এই আন্দোলনকে পরিশুদ্ধ করা উপায় হচ্ছে ভুল পুরোপুরি স্বীকার করে নিয়ে -- সামনে আগানো। নাইলে আন্দোলন যেখানে আঁটকে গেছে -- সেখানেই থেকে যাবে -- কিংবা আরো স্তিমিত হয়ে যাবে।
মেজাজ খারাপ হয় বিরূদ্ধ পক্ষকে হলুদ সাংবাদিকতা করার অভিযোগের অভিযুক্ত করে নিজেরাই সেই একই কাজ করায়। এমন মিথ্যাবাদী, প্রতারক, জালিয়াতের কাছে থেকে কিছুই আশা করিনা। এই মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে তারা কিছুই অর্জন করতে পারবেনা।
আহমেদ শরীফ
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৪:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই পোস্ট প্রকাশের পরপরই আমারব্লগ থেকে 'থাবা' র দু'টো নিরীহ পোস্ট ছাড়া বাকিগুলো দ্রুতবেগে মুছে ফেলা হয়েছে বোধহয় দেখলুম যেন …
পরিস্থিতি ইতিমধ্যে যে পর্যায়ে চলে গেছে তাতে ইসলামবিদ্বেষী কুৎসা রটনাযুক্ত পোস্টসমূহ প্রত্যাহারের ব্যাপারে সুস্পষ্ট অবস্থান ঘোষণা করটা অনিবার্য হয়ে পড়েছে। এটি বাড়তে না দিয়ে প্রশমণ করাই হবে যুক্তিযুক্ত। না হলে আগের মতোই জামাত-বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করেই যাবে ক্ষোভ-সন্দেহ পুঞ্জীভূত হতে হতে যার নিরসন ভবিষ্যতে ক্রমশঃ দুষ্কর হয়ে পড়বে।
এই লিংকে দেখুন সুশান্ত কি চমৎকারভাবে গভীর আবেগে ‘আল্লাহর কসম’ খাচ্ছে _
http://www.amarblog.com/sushanta/posts/159654
মোহাম্মদ আদিল
মার্চ ৮, ২০১৩ at ২:৩৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এরকম একটি টইটুম্বুর পোস্টের জন্যে লেখককে অনেক অনেক সাধুবাদ । মজাটা হল এই মিথ্যা আর জালিয়াতি মোটেও থেমে থাকবেনা । দুয়েক প্রজন্ম পরে এই দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহিদ হিসেবে থাবার নামে কোন মেমরিয়াল বা এজাতিয় কিছু একটা ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে যাবে । থাবার সাঙ্গপাঙ্গরা তার লেখাকে অস্বীকার করে কিন্তু তাকেই অস্বীকার করল , অমর্যাদা করল । বেঁচে থাকলে থাবা নিজেই এটা মেনে নিতনা , এ মিথ্যাচার যে কারনেই হোকনা কেন । সেদিন পত্রিকায় দেখলাম তার চিকিৎসক বাবা এ লেখা ছেলের নয় এবং ছেলে ধার্মিক বলে দাবী করছে । লোকটাকে সিক মনে হয়েছে , ছেলের লাশ মাথায় নিয়ে একি হেংলামো , ভাঁড়ামো নয়? কোন স্বার্থে এমন কৌতুক প্রদ পুত্র বেসাতী ?
সাদাত
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৭:৫৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@মোহাম্মদ আদিল:
আমরা কি তখন বসে থাকবো নাকি!
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- সুশান্ত মোনাফেক হলে কাফের কে?
আমরা আদর করে কাফেরদের নাস্তিক বলি। সেইটাই্ সমস্যা। সুশান্ত স্বঘোষিত নাস্তিক মানে কাফের। সুতরাং তাকে কাফের ডাকতে কোন সমস্যা থাকার কথা না। সুশান্ত মোনাফেক না।
--
শাহবাজ নজরুল
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মোনাফেকের অবস্থান কি কাফেরের চেয়ে উপরে … :D?
যাইহোক, আমি তাকে মোনাফেক বলার কারণ ব্যাখ্যা করছি। মোনাফেক হচ্ছে সামনে এক আর পেছনে আরেক -- এমন ব্যক্তি। সুশান্তকে মোনাফেক বলেছি এজন্যে যে রাজীবই যে ওই লেখাগুলোর রচয়িতা -- তা এই পৃথিবীতে মনে হয় সুশান্তের চেয়ে বেশি সত্য করে কেউ জানেনা। কিন্তু সেই সত্য জেনেও ও প্রকাশ্যে নেমেছে ঠিক বিপরীত কথাকে সু-প্রতিষ্ঠিত করতে। অর্থাত সে মোনাফেক। কাফেরের রং পরিষ্কার। ওদের চেনা যায়। মোনাফেক হচ্ছে বর্ণচোরা দু'মুখো সাপ -- জামাতিদের সাথে এখানে তার বেশ মিল।
আহমেদ শরীফ
মার্চ ৮, ২০১৩ at ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দৈনিক মতিকন্ঠের ভাষায় বলতে হয়-
সুশান্ত অদ্ভূত।
বুড়ো শালিক
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
লেখা পড়লাম। কোথাও কোন দ্বিমত নাই। দিনের আলোর মতো স্পষ্ট যে লেখাগুলো থাবার। এটা যদি শাহবাগ মঞ্চ শুরুতেই স্বীকার করে নিতো এবং বলতো যে শুধুমাত্র একজন আন্দোলনকারী ছাড়া থাবা আর কিছুই না এবং শাহবাগ মঞ্চের সাথে তার কোনই সম্পর্ক নাই, তার লেখার দায়ভার শাহবাগ নেবে না, তাহলে কিন্তু শাহবাগ আন্দোলন বিতর্কিত হতো না, আর জামাত-শিবিরও দেশের সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে পারতো না। বিভিন্ন ব্লগের কর্ণধাররা (যেমন সুশান্ত) যদি শুরু থেকেই ব্যাপারটা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা না করতেন, "লেখাগুলো থাবার না" হোক্স ছড়ানোর চেষ্টা না করতেন, তাহলে আন্দোলনটা এভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হতো না। সেটা না করে বিভিন্ন ব্লগার "লেখাগুলো তার না" হোক্স ছড়ানোতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নিলেন, না বুঝে, না ভ্যারিফাই করে ফেইসবুক, ব্লগ তোলপাড় করে ফেললেন, আর শাহবাগ মঞ্চ তাকে 'শহীদ' বানিয়ে দিলো। তার 'জানাজা' পড়লো। কে কার জানাজা পড়বে, না পড়বে একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার, কিন্তু এভাবে যখন একটা গণজাগরণ মঞ্চে চরম ইসলাম বিদ্বেষীর জানাজা পড়ানো হয়, তখন কি তা বিপক্ষের হাতে মোক্ষম অস্ত্র তুলে দেয়া নয়? তখন কি তা আর ব্যাক্তিগত পর্যায়ে থাকে? শুধু ইসলামকেই নয়, এমনকি রাজীবের বিশ্বাসকেও তো অপমান করা হয় তার জানাজা পড়িয়ে। আর গণজাগরণ মঞ্চ হয় প্রশ্নবিদ্ধ। একজন জনৈক আন্দোলনকারী রাজীব আর জাফর মুন্সীর মধ্যে পার্থক্যটা ঠিক কোথায়, কেন রাজীব 'শহীদ' আর জাফর মুন্সী নিতান্তই এক ক্যাজুয়ালিটি, তা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে ধরে না। শাহবাগের এসব আচরণ অস্ত্র তুলে দিয়েছে প্রতিপক্ষ জামাত-শিবিরের হাতে আর সেই প্রতিপক্ষ সুনিপুনভাবে সেই অস্ত্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাবহারে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠা বোধ করেনি।
তবে আমি এখনো শাহবাগের চেতনার পক্ষে, শাহবাগের বিভিন্ন কাজকর্মের সাথে আমার মতদ্বৈততা থাকতেই পারে, কিন্তু এটা মনে করে আবার আলু পোড়া খাওয়ার জন্য জামাতিরা এখানে যেন না আসে। একটা আন্দোলনে কে ঢুকবে আর কে বের হবে, তা কেউ ঠিক করে দিতে পারে না। বিশেষ করে এটা যখন একটা গণআন্দোলন হয়। কাজেই, ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকরা আন্দোলনে শামিল হলেই যে আন্দোলন নষ্ট হয়ে যায় বা আন্দোলনটা ইটসেলফ ইসলামের বিপক্ষে হয়ে যায়, আমি তা মনে করি না।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৮:০৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একমত।
এস. এম. রায়হান
মার্চ ৮, ২০১৩ at ১:৫৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পাঠক! মজার ঘটনা দেখুন-
ঘটনা-১: যারা 'নূরানী চাপা সমগ্র' রাজীবের নয় বলে প্রচার করছে তাদের মধ্যে সুশান্ত অন্যতম। কেনো তা করা হচ্ছে? কারণ 'নূরানী চাপা সমগ্র'তে ইসলামের নবীকে কটূক্তি ও হেয় করে অনেক কথাবার্তা আছে। তার মানে তারা বলতে চাচ্ছে যে রাজীব ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু লিখেনি। ভালো কথা।
ঘটনা-২: মগাজিৎ রায় রাজীবকে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী' আখ্যা দিয়ে তার লাশ নিয়ে মায়াকান্না ও টানা-হেঁচড়া শুরু করে দিয়েছে। মগাজিৎকে অবশ্য দল-মত নির্বিশেষে সবার কাছে নিরপরাধী ও নিরীহ বিশ্বজিতের লাশ নিয়ে মায়াকান্না বা টানা-হেঁচড়া কোনোটাই করতে দেখা যায়নি। রাজীবের লাশের মধ্যে কী এমন আছে যার জন্য তার লাশ নিয়ে টানা-হেঁচড়া করা হচ্ছে, যেখানে বিশ্বজিতের লাশের কোনো খবর নাই!
ঘটনা-৩: রাজীব সম্পর্কে ড. নৃপেন্দ্র সরকার বলেছেন,
এবার মিলিয়ন-ডলার প্রশ্ন হচ্ছে --
সুশান্ত গং-এর দাবি অনুযায়ী রাজীব যদি ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু লিখে না থাকে তাহলে মগাজিৎ রায় কীসের উপর ভিত্তি করে রাজীবকে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী' আখ্যা দিয়েছে? আর ড. নৃপেন্দ্র সরকার-ই বা কীসের উপর ভিত্তি করে রাজীব সম্পর্কে উপরের কথাগুলো বলেছেন? রাজীব যে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী' ছিল তার পক্ষে মগাজিৎ রায় কিছু প্রমাণ দেখাতে পারবে কি-না? ভেড়ার পাল তাদের 'পারফেক্ট গড' মগাজিৎ রায় ও ড. নৃপেন্দ্র সরকারকে এই প্রশ্নগুলো করার মতো সৎ-সাহস রাখে কি-না? দেখা যাক দেখি…
এস. এম. রায়হান
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৩:৪৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এ দেয়া সাক্ষাতকারে রাজীব সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ইমরান এইচ সরকার বলেছেন-
না জানা থাকলে অন্য কথা, কিন্তু দিনের আলোয় এভাবে মিথ্যাচার করার কি কোনো দরকার ছিল?
তামীম
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৬:১০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই সত্য কথাটা তুলে ধরার জন্য সামুতে আমার কমেন্ট ব্যান করে রাখছে। এইটা হইল সুশীলিয় বাকস্বাধীনতা -- http://www.somewhereinblog.net/blog/tameemdh/29783995
সাদাত
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৭:৪৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@তামীম:
খুবই দুঃখজনক ঘটনা।
এরকম বাকনিয়ন্ত্রণ এখন সর্বত্রই চলছে।
আহমেদ শরীফ
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৭:২৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
'থাবা বাবা' ওরফে রাজীবকে শহীদ ঘোষণা করা হয়েছিল একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে। 'শহীদ' ইসলামী একটি পরিভাষাগত বিষয়। যে লোক সারাটা জীবন প্রাণপণ আমৃত্যু ইসলামের চুড়ান্ত বিষোদগার করে গেল তাকে তার বিশ্বাসের বিপরীতে ইসলামী একটি মরণোত্তর অভিধায় ভূষিত করা কি তার লালিত আদর্শ-বিশ্বাসের অবমাননা নয় ? যে আল্লাহ ও পরকালেই ঘোরতর অবিশ্বাসী ছিল তার জানাজা পড়ানোরই বা কি মানে ? যে সারাজীবন ইসলামকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে গেল মরার পরে তাকে ‘ইসলাম’ থেকে ধার নিয়ে মহিমান্বিত করাটা যে তার জন্য খুবই করুণ ও হাস্যকরভাবে অমর্যাদাকর তা খেতাবদানকারীরা একবারও ভেবে দেখেছেন কি ?
তারপরও তর্কের খাতিরেও যদি ধরে নিই তাহলে ইসলামী পরিভাষায় আসলেই কি তাকে 'শহীদ' বলা যায় ? দেখা যাক এ ব্যাপারে কোরআন ও সুন্নাহ কি বলে _
সুত্র : লুৎফুর রহমান ফরায়েজী
সহকারী মুফতী-জামিয়াতুল আস’আদ আল ইসলামিয়া-ঢাকা
بسم الله الرحمن الرحيم
শহীদ ইসলামীক দৃষ্টিতে খুবই মর্যাদাবান ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি শব্দ। এটি ইসলামের নিজস্ব পরিভাষা। শহীদ মৃত্যুবরণ করার সাথে সাথেই জান্নাতের নেয়ামত ভোগ করতে থাকে।
শহীদ কোন সামাজিক বা রাজনৈতিক পরিভাষা নয়। তাই এটার যত্রতত্র ব্যবহার কিছুতেই কাম্য নয়। হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, নাস্তিক-মুরতাদ সকলের জন্যই এ শব্দ ব্যবহার করা একটি ধৃষ্টতা বৈ কিছু নয়।
শহীদ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই? ইসলাম নির্ধারিত একটি ইবাদত সম্পর্কিত শব্দকে যাচ্ছেতাইভাবে ব্যবহারতো ইসলাম অবমাননার শামিল।
বিশেষ করে যারা নাস্তিক, ধর্মদ্রোহী কিংবা রাজনৈতিক হীন লালসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে মারা গেছে তাদের শহীদ বলাটা ইসলামের এ মর্যাদাপূর্ণ শব্দকে নিয়ে তামাশা করা ছাড়া আর কিছু নয়।
* ইসলামে শহিদ কাকে বলে ?
تعريف الشهيد شرعا : هو من قتله أهل الحرب مباشرة أو تسببا بأي سبب كان أو من قتله أهل البغي أو قطاع الطرق أو اللصوص في منزله أو وجد في المعركة مع الكفار وبه أثر جرح أو كسر أو حرق أو خروج دم من أذن أو عين لا من الفم والأنف ( لأن الدم يخرج من هذه المخارج من غير ضرب ) أو قتله مسلم ظلما عمدا لا خطأ بمحدد ( 1 ) لا بمثقل ( 2 ) وسمي شهيدا لأنه مشهود له بالجنة (فقه العباداة، كتاب الصلاة، الباب العاشر ( الجنائز )-1/123)
শহীদ বলা হয় ঐ ব্যক্তিকে, যাকে কাফেররা হত্যা করে যেকোন কারণেই হোক। অথবা ইসলামী খিলাফতের বিরুদ্ধাচরণকারী, অথবা ডাকাত, অথবা স্বীয় বাড়িতে চোর হত্যা করে, অথবা যাকে কাফেরদের সাথে অনুষ্ঠিত জিহাদের ময়দানে পাওয়া যায়, সাথে সাথে তার গায়ে থাকে কাটার দাগ, বা ক্ষত কিংবা পোড়ার চিহ্ন, কিংবা চোখ বা কান থেকে রক্তক্ষরণ অবস্থায়, মুখ বা কান থেকে নয়। {কেননা কান বা মুখ থেকে আঘাত ছাড়াও রক্ত বের হতে পারে} অথবা যাকে হত্যা করেছে কোন মুসলমান ইচ্ছেকৃত জুলুম করে, ভুল করে নয়। হত্যা করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভার দিয়ে নয়।
উক্ত ব্যক্তির নাম শহীদ। তাকে শহীদ এজন্য বলা হয় যে, সে জান্নাতে উপস্থিত হয়ে যায়। {ফিক্বহুল ইবাদাত, কিতাবুস সালাত, ১০ম অধ্যায়, জানাযা-১/১২৩}
কুরআনের ভাষায়-
وَلَا تَقُولُوا لِمَنْ يُقْتَلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتٌ ۚ بَلْ أَحْيَاءٌ وَلَٰكِنْ لَا تَشْعُرُونَ [٢:١٥٤]
আর যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়,তাদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত,কিন্তু তোমরা তা বুঝ না। {সূরা বাকারা-১৫৩}
فَلْيُقَاتِلْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ الَّذِينَ يَشْرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا بِالْآخِرَةِ ۚ وَمَنْ يُقَاتِلْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيُقْتَلْ أَوْ يَغْلِبْ فَسَوْفَ نُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًا [٤:٧٤]
কাজেই আল্লাহর কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখেরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জেহাদ করাই কর্তব্য। বস্তুতঃ যারা আল্লাহর রাহে লড়াই করে এবং অতঃপর মৃত্যুবরণ করে কিংবা বিজয় অর্জন করে, আমি তাদেরকে মহাপুণ্য দান করব। {সূরা নিসা-৭৪}
এ দুটি আয়াতে লক্ষ্য করুন আল্লার রাস্তায় জিহাদরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারীর ফযীলত বর্ণনা করা হয়েছে। যাকে শহীদ বলা হয়।
হাদীসের ভাষায় শহীদ
وعن أبي موسى قال : جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال : الرجل يقاتل للمغنم والرجل يقاتل للذكر والرجل يقاتل ليرى مكانه فمن في سبيل الله ؟ قال : ” من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله “
হযরত আবু মুসা রাঃ থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রাসূল সাঃ এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল-এক ব্যক্তি গনীমতের মাল অর্জনের জন্য জিহাদ করল, একজন নিজের বীরত্বের সুনামের জন্য জিহাদ করল, একজন তার বীরত্ব দেখানোর জন্য জিহাদ করল, এদের মাঝে কে আল্লাহর পথে প্রকৃত জিহাদ করল? রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কালিমা বুলন্দ করার জন্য জিহাদ করল, সে প্রকৃত মুজাহিদ। {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-২৬৫৫, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৫০২৯}
عن سعيد بن زيد عن النبى -صلى الله عليه وسلم- قال : « من قتل دون ماله فهو شهيد ومن قتل دون أهله أو دون دمه أو دون دينه فهو شهيد
হযরত সাঈদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-”যে ব্যক্তি নিজ সম্পত্তি রক্ষায় নিহত হয় সে শহীদ। যে ব্যক্তি নিজ পরিবার রক্ষায় নিহত হয় সেও শহীদ। অথবা প্রাণ রক্ষায় কিংবা দ্বীন রক্ষায় নিহত হয় সেও শহীদ। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৪৭৭৪, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১৬৫২)
আল্লাহর রাস্তায় জিহাদরত অবস্থায় যারা শহীদ হন তাদের বলা হয় শহীদ। এটা হল সত্যিকার শহীদ। রাসূল সাঃ কতিপয় ব্যক্তিকে হুকুমের দিক থেকে শহীদ বলেছেন। প্রকৃত শহীদ নয় বরং শহীদের কাছাকাছি মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি। যেমন হাদীসে রয়েছে-
أن جابر بن عتيك أخبره :أن رسول الله صلى الله عليه و سلم قال الشهداء سبعة سوى القتل في سبيل الله المطعون شهيد والغرق شهيد وصاحب ذات الجنب شهيد والمبطون شهيد والحرق شهيد والذي يموت تحت الهدم شهيد والمرأة تموت بجمع شهيد
হযরত জাবের বিন আতীক রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-আল্লাহর পথে মৃত্যুবরণ করা ছাড়াও সাত প্রকার শহীদ রয়েছে। ১-মহামারীতে মৃত্যুবরণকারী শহীদ। ২-পানিতে নিমজ্জিত শহীদ। ৩-শয্যাশায়ী অবস্থায় মৃত শহীদ। ৪-পেটের রোগ মৃত্যুবরণকারী শহীদ। ৫-আগ্নিদগ্ধ ব্যক্তি শহীদ। ৬-যে ব্যক্তি ধ্বংসাবশেষের নিচে পড়ে মারা যায় সেও শহীদ। ৭-সন্তান প্রসব করতে মারা যাওয়া নারীও শহীদ। {মুয়াত্তা মালিক, হাদিস নং-৫৫৪, ৮০২, আল মু’জামুল কাবীর, হাদিস নং-১৭৮০, সহীহ কুনুজু সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ, হাদিস নং-২৩}
@ ( এখন এর মধ্যে থাবাকে কোন ক্যাটাগরিতে ফেলা যায় সেটা পাঠকই বিচার করুন।)
সরোয়ার
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৮:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই পোষ্টটি সত্য ইতিহাসের একটি দলীল হয়ে থাকবে।
আমাদের নবীকে ব্যঙ্গ করা প্রথম আলোর কার্টুনের প্রতিবাদে অনেকদিন আগে (২০০৭) সদালাপে একটি লেখা দিয়েছিলাম। আমার মনে হয় ঐ লেখাটি এখানেও তাৎপর্যপূর্ণ। শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করা মানুষের নৈতিক অধিকার।
————--
Why should we defend our prophet?
It’s a fashion that almost all anti-islamists/secularists are used to say the same thing “Muslim/ mullah’s faith is so weak, they make a chaos and become frightened that their religion is about to collapse when find any sort of insult/fun/satire against Prophet or Islam”. Many of us may think that Prophet always used to forgive the enemies and was so kind. So, we should leave the issue, like recent cartoon mockery. Making a fun regarding prophet’s name does not matter.
But it should matter to a true Muslim when he sees, his prophet gets insulted by any means. Islam and prophet (PUB) are synonymous. It’s the symbol or identity of Muslim/ Islam. If someone questions your identity and say Bastard Mr. X, will you be angry or be so-called rational to hear that?? Bastard is merely a word. If you are NOT a Bastard, then of course it’s a matter of anger to you. But if you are, that may also drag the same degree of anger because it not your fault. Nobody tolerates anything questioning his/her identity. Do you tolerate, if someone insults your Mom?? In the same way, in Bangladesh, if someone address to a person as Razakar Mr. X. Will that person be angry or happy?
From non-Islamic point of view, Prophet (PUB) was one of the great enlightened persons throughout the human history. Defending the prophet from any sort of ridicule is not related to weak faith. It’s the responsibility of a true Muslim who wants to defend his/her Muslim identity.
Even in today’s modern/free world, some countries like Thailand and Turkey are protecting the honor of their “Father of the nation” by constitutional laws. If someone ridicules Kamal Ataturk, he will be in prison. It’s a law of that country. Irony, secularists of the same country do not brother to insult Islam or its prophet. Few months ago in Thailand, one Westerner was sentenced to 10 yrs in prison due to the insult towards King Bhumibol’s picture!
We feel very sad, angry and dishearten when our freedom fighters get insulted/ ridiculed directly or indirectly. Why do we feel sad? Of course, these types of insults can’t weaken the “spirit of freedom fighters;. BUT a true patriot can’t keep quite without any protest/defending. As a consequence we can see a roar of condemnation in every national newspapers and burning effigy on the street when somebody raises “Pakistani Flag” during our Independence Day!
Likewise, a true Muslim should feel very upset when their Prophet is ridiculed and must protest against it. Because, generally, a true Muslim loves his prophet more than his life or anything in the world. This is quite natural and rational. On the other hand, if someone who is a Muslim but does NOT feel anything regarding the honor of our prophet, there might be lacking of “Islamic spirit” inside him. I think, as a Muslim he/she should be ashamed of himself/herself.
আহমেদ শরীফ
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৯:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অসাধারণ বলেছেন!
নিজের বাবা-মা-স্ত্রী-পুত্রকন্যা-ধনসম্পদ সমস্তকিছু এমন কি প্রাণপ্রিয় রাসূল(সাঃ) নিজ প্রাণের চেয়ে বেশি ভালবাসতে না পারলে ঈমান পরিপূর্ণ হয় না বলে হাদিসেই উল্লেখিত আছে। এখন মুসলিম নামের দাবিদার যারা তাদের চিন্তা করা উচিত নিজের অন্তরের অবস্থাটা নিজেই যাচাই করে দেখা উচিত। দুনিয়ায় লোকজনকে দেখানোর জন্য না অচিরেই মৃত্যু এসে স্থানান্তর ঘটাবে কবরে-হাশরের ময়দানে নবীজি(সাঃ) এর খাঁটি ভালবাসা বিরাট উপকারে আসবে, যদি থেকে থাকে। আল্লাহ ও রাসূল(সাঃ) এর ভালবাসাই ঈমানের আলামত।
আর নবীজি(সাঃ) এর সম্মন্ধে কুৎসা-কটুক্তি করলে যাদের অন্তরে কোন খবর হয় না তাদের অন্তর মৃত। তারা নামেই শুধু মুসলমান। আজ দুনিয়ায় মুসলমানদের মাঝে পরিগণিত হলেও কাল হাশরের ময়দানে মুসলিম হিসেবে তারা আদৌ উঠতে পারবে কি না ঘোরতর সন্দেহ আছে। তাদের নিজে নিজেদেরকে ধিক্কার দেয়া উচিত, ভর্ৎসনা করা উচিত। অনুতপ্ত অপরাধী চিত্তে তওবা করে নিজেদের ঈমানকে কালিমা পড়ে নতুনভাবে নবায়ন করা উচিত।
আল্লাহ সবাইকে বোঝার ও আ'মাল করার তাওফিক নসিব করুন।
শাহবাজ নজরুল
মার্চ ৮, ২০১৩ at ৯:৫৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মজারে মজা …
কাপুরুষের দল এবার ফেবুর পেজগুলো সরিয়ে ফেলেছে।
ভন্ড, প্রতারক, নির্বীর্য, মেরুদন্ডহীন কাপুরুষের দল …
এবার তারে মহান ইসলামী স্কলার বানিয়ে দেয়া হউক।
অতি সত্ত্বর মনেহয় ধর্মকারীর পেজও গায়েব করে দেয়া হবে …
কই অভিজিৎ কই, সত্যের সেনানী আদিল কই? আপনাদের কমরেড'রে যে বিশাল আস্তিক বানিয়েই ছাড়বে এর প্রতিবাদ করবেন না?
আহমেদ শরীফ
মার্চ ৮, ২০১৩ at ১০:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এতদিন নামধাম লুকিয়ে ফেবুতে ব্লগে বকাবাজি ঝেড়ে আজাইরা হিরোগিরি করে করে এবারে অবশেষে ভিলেন অতঃপর জোকার সাজার পালা নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষী সোনার বাছাদের। চিপাচাপায় লুকিয়ে থাকা অন্ধকারের প্রাণীদের দিনের আলোয় নিয়ে আসলে যা অবস্থা হয় তাদের সে অবস্থাই হচ্ছে এখন। তাবৎ বীরত্ব-দূর্জয় সাহস সব ভুলে ভয়ে পেটের ভেতর হাতপা সেঁধিয়ে যাবার যোগাড় পরিস্থিতির চাপে। লোকলজ্জার ভয়, সমাজচ্যূত, একঘরে হবার ভয়, অদ্ভূত প্রাণী হিসেবে নতুনভাবে চিহিৃত হবার ভয়। এবার আর উপায় নেই। বাংলাদেশের মাটিতে বসে নাস্তিক্য কপচানোর বুলি আওড়ানোর দিন মোটামুটি শেষ হল বলে।
সাধারণ জনগণের গোচরে চলে আসা শুরু হওয়ায় নাস্তিক হিরো সাজার স্বপ্নকে এখনই কবর দেয়ার উপযুক্ত সময়। ক'দিন বাদে নিজের পাড়াতে ন্যাংটা হয়ে গেলে লুকনোরও হয়তো আর জায়গা থাকবে না।
তামীম
মার্চ ৯, ২০১৩ at ২:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সত্যকে নির্বোধরাই মিথ্যার চাদর দিয়ে ঢেকে দিতে চায়। অনেক ধন্যবাদ ঐ মিথ্যার চাদরকে সরিয়ে দেবার জন্য।
ধর্ম নিয়ে দুইটা উগ্র দল দেখা যায়। একদল ধর্মের পক্ষে থাকার দাবী করে উগ্রতা ছড়ায় আর একদল ধর্মের বিপক্ষে থেকে উগ্রতা ছড়ায়। দুই দলই সমান অপরাধী।
তামীম
মার্চ ৯, ২০১৩ at ২:১৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আজকের খুতবায় খতিব বললেন -- যদি কোন নবীর শত্রুকে আমরা বন্ধু বলে মনে করি, তবে সেটা ঈমান পরিপন্থী। কেননা নবীর শত্রু মাথই আল্লাহর শত্রু -- এবং আল্লাহর শত্রু মানেই সমস্ত মুমিনদের শত্রু। তাই আল্লাহ, নবীর সাথে যারা শত্রুতা করে, বিদ্বেষ ছড়ায় -- তাদের সাথে বন্ধুত্ব করা ঈমানের পরিপন্থী।
মুনিম সিদ্দিকী
মার্চ ৯, ২০১৩ at ৪:৫২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কিন্তু বাস্তবতা দেখতে পাচ্ছি যে, আজকাল আমাদের তরুণ সমাজ তথাকথিত ছাগুতত্ত্ব যাচাই করতে প্রশ্ন করেন- আপনি কি দেশের চেয়ে ধর্মকে বড় মনে করেন? যদি করেন তাহলে আপনি পাকিস্তানী ছাগু! আপনাকে গদাম দেব!
অথচ-
মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্মকে পরিত্যাগ করে যুদ্ধে নামেনি কেউ। ইসলামও ন্যায়সংগত স্বাধীনতাযুদ্ধ বা এই যুদ্ধে নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞকারীদের বিচারকে অনুৎসাহী করেনি। দুই চেতনাকে বুকে ধারণ করেই বেঁচে আছে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ। অথচ এই দুই চেতনাকে সাংঘর্ষিকভাবে তুলে ধরে মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে কেউ কেউ।
সাদাত
মার্চ ৯, ২০১৩ at ৩:২১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারও মিথ্যাচারের খেলায় মেতেছেন:
——————————————————-
ব্লগার রাজীব হায়দারের মৃত্যুর পর তার ব্লগ সম্পর্কে কিছু কথা উঠেছে। এ বিষয়ে আপনি কি বলবেন?
রাজীব আমাদের একজন সহযোদ্ধা ছিলেন। আন্দোলনের সব কর্মসূচিতে তিনি আমাদের সাথে থেকেছেন। জামায়াত-শিবিরের একটি ব্লগে উস্কানি দেয়ার তিনদিন পরেই তিনি নিহত হন। এরপর যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষের পত্রিকা আমার দেশ তাকে নিয়ে কিছু মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করে। তার নামে একটি ভুয়া ব্লগ তৈরি করে তাতে ধর্মবিরোধী কিছু প্রচারণা চালানো হয়। প্রকৃতপক্ষে সেটা একটি ষড়যন্ত্র ছিল, যা এখন প্রমাণিত।
http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article599246.bdnews
মোঃ মোস্তফা কামাল
মার্চ ৯, ২০১৩ at ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাদাত ভাই, তেতুল গাছে আমের আশা করা যায় না। ব্লগে ব্লগে ও দেশের ধর্মীয় উত্তেজনার জন্য হাসিনার মোনাফেকী কোন অংশেই কম নয়। সৈয়দ আশরাফ ও নাহিদ এই দুই মন্ত্রীই নাস্তিক। আইন মন্ত্রী শফিকও প্রায় অনেকটা এই রকম। সামু ব্লগে জানা অসহায়। এর কারণ শরৎ চৌধুরী যে মগা চীফ সহ উগ্র নাস্তিকদের প্রশ্রয় দেয় তাকে চাইলেও জানা সরাতে পারছে না। শরতের পিছনে ইনু, মেনন ও জাসদের বাদল আছে। এই সমস্ত বাম ও মোনাফেকদেই কারণেই বিভিন্ন ব্লগে ইসলাম বিদ্বেষীরা এত দাপট দেখায়।
Hasan
মার্চ ৯, ২০১৩ at ২:৪৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তাড়াতাড়ি বাকি সবগুলার-এক্কেবারে সবগুলার স্ক্রীণশট নিয়া রাখেন।অর ফেসবুক আইডি অফ কইরা দিসে,ওগুলাও যেকোন সময় অফ কইরা দিতে পারে…
সাদাত
মার্চ ৯, ২০১৩ at ৭:৫২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@Hasan:
এসব যে করবে তা তো জানতামই। মাঠে যখন নামি কোমড় বেঁধই নামি। এত সহজ প্রমাণ মুছে ফেলা!!
এস. এম. রায়হান
মার্চ ১০, ২০১৩ at ২:০৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
নিরপেক্ষধর্মী নাস্তিকদের প্রতি: নাস্তিকরূপী উগ্র কুত্তাদের সামাল দেন
ইতোমধ্যে আপনারা জেনে গেছেন যে, মূলত ১০-১৫ জন [আনুমানিক] উগ্র নাস্তিকমনার কারণে দেশ-বিদেশের বাংলাভাষী অনেকের কাছেই বাংলা ব্লগজগত আজ ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ আর কুরুচিপূর্ণ ম্যাৎকারের চারণভূমি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এমনকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা নিছক অজ্ঞতাবশত এমন কিছু ব্লগারকে 'ইসলাম-বিদ্বেষী নাস্তিক' বলা হয়েছে যারা আসলে ইসলাম-বিদ্বেষী না।
এর জন্য দায়ী কারা? এর জন্য দায়ী গুটিকয়েক উগ্র নাস্তিকমনা -- যারা বছরের পর বছর ধরে ইসলামের নবী, ইসলাম, আল্লাহ, কোরআন, ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে কুৎসিত ভাষায় বিদ্বেষ ও মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে আসছে। প্রমাণ দেয়ার দরকার আছে কি?
এই গুটিকয়েক উগ্র নাস্তিকমনাকে সামাল দেয়ার দায়িত্ব আপনাদেরকেই নিতে হবে -- যেহেতু আপনারা এদের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশী অবগত -- আপনাদের আশেপাশেই এরা ঘেউ ঘেউ করে। অন্যথায় এর দায় সকল নাস্তিকের উপর চাপিয়ে দেয়া হলে পরে তখন অ্যাপোলোজেটিক সুরে যদি বলেন, "তারা আসলে ভণ্ড নাস্তিক অভিজিৎ রায়ের মুক্তমনা কাল্টের মুরিদ, প্রকৃত নাস্তিক নয়," তখন কিন্তু কেউ আপনাদের কথায় বিশ্বাস করবে না।
নিচে একজন নিরীহ-নিষ্পাপ-মেধাবী ছাত্রের গুপ্তহত্যা নিয়ে এক উগ্র নাস্তিকমনা কুত্তা কী বলে দেখুন [লাল কালি দিয়ে আন্ডারলাইন অংশ দ্রষ্টব্য]।

মার্চ ১০, ২০১৩ at ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@এস এম রায়হান,
১) দৃঢ় সমর্থন।
২) বাংলাদেশে ইসলাম আক্রান্ত -আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী। এটা যারা পড়েননি, একটু পড়ুন। এটা পড়ে নিচের কয়টি লাইন লিখলাম।
নবীর ওয়ারিশ
নবীর ওয়ারিশ দাঁড়িয়েছে দেখ মাঠে
দেখ জীর্ণ দেহে নবীন কণ্ঠ হাঁকে
দেখ জৌলুস,
দেখ ঈমানের রূপ,
দেখ কীভাবে কহিছে কথা
শত শত ব্লগ, শত শত লেখা করিতে পারেনি যাহা
তাহাই করিছে জীর্ণ দেহে বলীয়ান যৌবন জোশে
ওরে কাফির, ওরে মুনাফিকের দল
ওরে বিদ্বেষী, ওরে ঘৃণা ব্যবসায়ী
ওরে একাত্তর-ধাপ্পাবাজ, ট্রটস্কী লেনিনবাদী
আজ এসো, দাঁড়াও এসে মাঠে
দেখ, দাঁড়াতে পার কি পার না, জীর্ণ-দেহ সমুখে
শয়তান-রূপে এসেছিলে ওরে, সেই রূপে তোরা যাবে
মিথ্যার বেসাতি, হিংসা-বিদ্বেষ সাথে নিয়ে তোরা যাবে।
আহমেদ শরীফ
মার্চ ১০, ২০১৩ at ৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ঐতিহাসিক একটি মহান সন্ধিক্ষণ তৈরি হয়েছিল হাজার বছরের বাঙ্গালি জাতিসত্বা একত্রিত হওয়ার, শুধুমাত্র গুটিকয় ইসলামবিদ্বেষীর কারণে এই মাহেন্দ্রক্ষণটি অর্জন ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় এবং এখানেই শেষ নয়, দিনে দিনে শাহবাগ আন্দোলনের রেশ হালকা করে ফেলছে হাতেগোণা কয়েকজন ইসলামবিদ্বেষীদের ব্যাপারে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে সুস্পষ্ট কোন অবস্থান নিতে দ্বিধান্বিত হওয়ায়। তারা হয়তো ভাবছেন এই গুণধররা হাজার হোক সতীর্থ-সহযাত্রী তো বটে -- বাদ দেওয়ার কথা কই কেমনে? কিন্তু একটা জিনিস বুঝতে হবে শুধু ইসলামবিদ্বেষ-নবী(সাঃ)-কে নিয়ে কটুক্তি এটা এমন একটা ইস্যু -- এটার মীমাংসা করতে যত দেরী করবেন ততই জিনিসটা খুবই ঘোলাটে আকার ধারণ করবে এবং দেরি করে ফেললে পরে 'চৈতন্যোদয়' হলেও কোনভাবেই আর আগের অবস্থানে ফিরে যাওয়া সম্ভব হবে না। ইতোমধ্যেই সামাজিকভাবে পাড়ায় পাড়ায় 'নাস্তিক প্রতিরোধ কমিটি' গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন আলেমসমাজ। ধীরে ধীরে এটি আরো জটিল আকার ধারণ করার আগেই দেশ ও জাতির স্বার্থে আশু ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।
প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে চিহিৃত ইসলামবিদ্বেষীদের বিযুক্ত করুন, ফেসবুক-ব্লগের আপত্তিকর লেখাগুলো প্রত্যাহার করে নিন -- তবেই আবার খোলামনে সর্বস্তরের আপামর জনসাধারণ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের শ্বাশ্বত দাবিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে একাত্মতা ঘোষণা করতে সমর্থ হবে।
নজরদারিতে ব্লগ-ফেইসবুক
নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 09 March 2026 06:49 PM Updated: 09 March 2026 10:56 PM
ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগের ভিত্তিতে আপত্তিকর ব্লগ ও ফেইসবুক পেইজ বন্ধ করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
জঙ্গিবাদ দমনে নজরদারি চালাচ্ছে সরকার খুব ভাল কথা। প্রধানমন্ত্রীও ঘোষণা দিয়েছেন নবী করিম(সাঃ)-এর বিরুদ্ধে কটুক্তি বা তাঁর অবমাননা 'বরদাশত' করা হবে না। এটাও খুব আশান্বিত হওয়ার মত কথা। জঙ্গিবাদের ইন্ধন দেয়া একাধিক সাইট-ব্লগ-ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে এটাও খুব ভাল।
কিন্তু মহানবী(সাঃ)-কে নিয়ে কটুক্তিকারী যেসব ব্লগ সাইট বা ফেসবুক পেইজ আছে সেগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহিৃতকরণ ও জড়িত ব্যক্তিদের ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোন দিকনির্দেশনা কি গণমাধ্যমগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে?
যদি না হয়ে থাকে তাহলে 'সংখ্যালঘু নির্যাতন' এর ব্যাপারে বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার কুম্ভীরাশ্রূ বর্ষণের মত (সংখ্যালঘু নির্যাতন বরদাশত করা হবে না) প্রধানমন্ত্রীর 'মহানবী(সাঃ)-কে নিয়ে কটুক্তি বরদাশত করা হবে না' এটাও একই রকম ফাঁকা আওয়াজ বলেই মনে হবে।
'আপত্তিকর' বলতে সুনীল কান্তি বোস কী কী বোঝেন তিনিই ভাল জানেন। এখনও অনেক ফেসবুক পেইজ-ব্লগ অনলাইনে স্বমহিমায় জ্বলজ্বল করছে। তবে এসব নির্ধারণ ও সংজ্ঞায়নের ব্যাপারে একটি ক্ষুদ্র কিন্তু শক্তিশালী সমন্বয় কমিটি গঠন করা যেতে পারে। আইটি বিশেষজ্ঞ ও ইসলাম ধর্মীয় জ্ঞানসম্পন্ন আলেম-ওলামার সমন্বয়ে কমিটি গঠিত হতে পারে। তাদের কার্যকর অগ্রগতির সংবাদ নিয়মিত গণমাধ্যমে আসা শুরু হলে ক্ষোভ প্রশমিত হওয়া শুরু হবে এবং এতে সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা গ্রহণযোগ্যতাও বাড়বে।
*** ‘আকাশ মালিক’ ওরফে হাবীবুর রহমান নামক ইসলামবিদ্বেষী লোকটি লন্ডন প্রবাসী। তার দীক্ষা নেয়া গুরু হচ্ছে ‘মুক্তমনা’ সাইটের মালিক ও সর্বেসর্বা অভিজিৎ রায়, যিনি সমকামী আন্দোলনের পথিকৃৎ একজন বর্ণবাদী হিন্দু এবং ‘ফ্রি থিংকিং’ (মুক্তচিন্তা) এর ধুয়া তুলে মুক্তমনায় ইসলামবিদ্বেষীদের নিরাপদ দূর্গ হিসেবে গড়ে তুলে গণহারে ইসলামের চৌদ্দপুরুষ উদ্ধারে নরক গুলজার করে চলেছেন। কিছু প্রবাসী ছাড়া অনেক বাংলাদেশে বসবাসকারি ইসলামবিদ্বেষী ওখানে নিয়মিত ইসলামের বিরুদ্ধে দিবারাত্রি কটুক্তি-কুৎসা-বিষোদগার করে থাকেন। এছাড়াও ‘ধর্মকারী’, ‘আমারব্লগ’, ‘নাগরিকব্লগ’ এসব সাইটেও খুঁজলে শত শত ইসলামবিদ্বেষী পোস্ট এখনও দৃশ্যমান হবে। সরকার যদি আন্তরিক হন এবং এই সমস্যার সত্যিকার সুরাহা চান তবে এগুলোর ব্যাপারে আশু কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
ব্যক্তিজীবনে ধূর্ত, সুযোগসন্ধানী এবং অসৎ ভাড়াটে লেখক ‘আকাশ মালিক’ ওরফে হাবিবুর রহমান দীক্ষাগুরু শ্রী অভিজিৎ রায়ের নির্দেশে আংশিক সত্যের সাথে অজস্র মিথ্যাচারের মিশেল দিয়ে একটি গ্রন্থও রচনা করেন যা এখনো ইবুক আকারে থাকলেও অদূর ভবিষ্যতে গ্রন্থাকারে প্রকাশিতব্য বলে ‘মুক্তমনা’ সাইটের বরাতে জানা গেছে। এই ইবুকটিতে মহানবী(সাঃ) সম্পর্কে সমসাময়িক ইসলামের ইতিহাস সম্পর্কে অশ্লীল কদর্য ভঙ্গিতে জঘন্য মিথ্যাচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে যা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হলে নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি এবং দেশের স্থিতিশীলতা বিপজ্জনকভাবে বিনষ্ট হবে বলে বিজ্ঞজনরা মনে করেন।
‘আকাশ মালিক’ ওরফে হাবিবুর রহমানের অসততা ও মিথ্যাচার দলিল প্রমাণ সহকারে উম্মোচন করা হয় কয়েকটি পোস্টের মাধ্যমে। এরপর থেকে অন্যান্য ফোরামে মোটামুটি ফ্লপ হয়ে ঝিমিয়ে পড়লেও ‘মুক্তমনা’ সাইটে নির্লজ্জভাবে এখনো পর্যন্ত বইটির প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আকাশ মালিকের মিথ্যাচার ও প্রতারণাকে উম্মোচন করে দেয়া কিছু পোস্ট যার জবাব আজো সে দিতে সমর্থ হয়নি বরং ফেরারির মত পালিয়ে বেড়াচ্ছে সেগুলো হল-
সততার কাঠগড়ায় আকাশ মালিক : যে সত্য বলা হয়নি-১
সততার কাঠগড়ায় আকাশ মালিক : যে সত্য বলা হয়নি-২
অসততা বনাম অপারগতা: মুক্তমনা আকাশ মালিক
মুহাম্মাদ (সা.) নাকি পৌত্তলিক দেব-দেবীর উপাসনা করতেন!!!!! সততার কাঠগড়ায় আকাশ মালিক: যে সত্য বলা হয়নি -- ৪র্থ পর্ব
আকাশ মালিক : মিথ্যাচারে অক্লান্ত এক প্রতারক
মোঃ মোস্তফা কামাল
মার্চ ১১, ২০১৩ at ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শামীম ওসমানের পরিবার তানভীরকে খুন করলেও ইতর ধর্মনিরপেক্ষ ও উগ্র নাস্তিকরা এখানে ইসলামের দোষ খুঁজে পায়।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-03-11/news/335623
এস. এম. রায়হান
মার্চ ১৬, ২০১৩ at ৩:২৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অভিজিৎ রায়ের এই ব্রেনলেস পোষ্য ভৃত্যকে অতি সত্বর রিম্যাণ্ডে নেয়া হোক।
তানভীর হত্যা: শামীম ওসমানের কাছে মেয়র আইভীর প্রশ্ন-
নিষ্পাপ শিশুটিকে কেন হত্যা করলেন?
তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যায় সরাসরি দায়ী করা হলো শামীম ওসমান ও তাঁর পরিবারকে। এই পরিবার মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
তানভীর হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে গতকাল শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রস্থল চাষাঢ়ায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে এই অভিযোগ করা হয়। তানভীরের বাবা রফিউর রাব্বি অভিযোগ করেন, বাসভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদ করাসহ বিভিন্ন আন্দোলনের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তানভীরকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তানভীর হত্যায় জড়িত ৮-১০ জন ইতিমধ্যে ওই পরিবারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সহযোগিতায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে দেশ ছেড়েছে।’
সমাবেশের প্রধান অতিথি নারায়ণগঞ্জের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী শামীম ওসমানকে উদ্দেশ করে ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, ‘আপনি কেন সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে ওই নিষ্পাপ শিশুটিকে হত্যা করলেন? তার বাবা নির্বাচনে আমার পক্ষে কাজ করেছেন বলে? যদি তা-ই হয়, তাহলে আপনি আমাকে হত্যা করুন। আমি জানি, আপনি আমাকে সামনে এসে হত্যা করতে পারবেন না। আপনি অসম্ভব রকমের একজন কাপুরুষ।’
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-03-16/news/336871
সাদাত
মার্চ ১৮, ২০১৩ at ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তদন্তের আগে আমি কাউকেই দায়ী করার পক্ষে না। যেমন মোস্তফা কামাল সাহেবও অনেকটা নিশ্চিতভাবে একজনকে দায়ী করছেন। অভিযোগ এলেই কেউ দায়ী হয়ে যায় না। আমাদের উচিত ধৈর্য করে শেষ পর্যন্ত দেখা।
রায়হান ভাই,
একটা প্রশ্ন ছিল, ক্রীতদাস আর ভৃত্য কি এক নাকি?
এস. এম. রায়হান
মার্চ ১৯, ২০১৩ at ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার জানামতে এক।
সাদাত
মার্চ ১০, ২০১৩ at ৭:৩৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একটা পরিষ্কার কথা
আল্লাহ-নবী-রাসূল-ইসলাম সম্পর্কে অবমাননাকর পোস্ট সরিয়ে ফেলা একটা ভালো উদ্যোগ।
কিন্তু যে বিষয়ে বিতর্ক আছে সেই ব্যাপারে কোন ফায়সালা না দিয়ে সেই সংক্রান্ত পোস্ট গায়েব করে ফেলা হচ্ছে অপরাধের আলামত নষ্ট করার নামান্তর।
দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে নূরানী চাপা সিরিজ রাজীবের। অথচ বিষয়টিকে অস্বীকার করা হয়েছে।
অন্য দিকে লেখাগুলো রাজীবের এটা ঘোষণা না দিয়েই গোপনে গোপনে রাজীবের সব লেখা মুছে ফেলা হচ্ছে। এটা অবমাননাকর লেখার বিরূদ্ধে অভিযান নয়, অন্যায়ের আলামত নষ্টের মিশন।
আহমেদ শরীফ
মার্চ ১১, ২০১৩ at ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মহানবী (সাঃ) সম্পর্কে আপত্তিকর প্রচার সনাক্তে কমিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 10 March 2026 09:16 PM Updated: 10 March 2026 09:16 PM
ব্লগ-ফেইসবুকের পাশাপাশি গণমাধ্যমে মহানবী (সাঃ) সম্পর্কে আপত্তিকর প্রচারণাকারীদের সনাক্তে কমিটি হচ্ছে।
রোববার প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) মাহবুবুল হক শাকিল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “ব্লগ, ফেইসবুক, ইন্টারনেট, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় যারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.) এবং ধর্ম সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য প্রচার করছেন, তাদের সনাক্ত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে।”
http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article600515.bdnews
সাদাত
মার্চ ১১, ২০১৩ at ১:১২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আহমেদ শরীফ:
কমিটির কাজটা ঠিক বুঝলাম না।
যেমন রাজীব অবমাননাকর কথা লিখে প্রচার করেছে এটাও প্রচার।
আবার রাজীবই যে এসব লিখেছে একথা কেউ অস্বীকার করলে তখন প্রমাণস্বরূপ রাজীবের লেখা প্রকাশ করলে সেটাও একটা প্রচার।
এই কমিটি কি প্রথম ধরণের প্রচার বন্ধ করার জন্য করা হচ্ছে, নাকি দ্বিতীয় ধরণের প্রচার বন্ধ করার জন্য করা হচ্ছে?
আহমেদ শরীফ
মার্চ ১১, ২০১৩ at ১২:১৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সেটাই লক্ষ্যণীয়। ক'দিন না গেলে বোঝা যাবে না উদ্দেশ্য ও বিধেয় কি।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) মাহবুবুল হক শাকিলের সঙ্গে এক অন্তরঙ্গ মূহুর্তে ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীন ওরফে মগাচিপ।
সাদাত
মার্চ ১৯, ২০১৩ at ১২:০৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এতদিনেও কমিটির কোন উদ্যোগ দেখা গেল না।
এখন মনে হচ্ছে 'লোক দেখানো' 'কোনরকমে বুঝ দেওয়া' 'দুধ ভাত' জাতীয় কমিটি।
আহমেদ শরীফ
মার্চ ১৯, ২০১৩ at ১১:০১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
উদ্যোগ বলতে 'ইসলাম সম্পর্কে অবমাননাকারী' দুএকজনকেও যদি চিহিৃত ও শাস্তি-সতর্কবাণীপ্রাপ্ত হয়েছে এরকম খবর মিডিয়ায় আসত তাহলে অন্ততঃ বলা যেত যে ধীরে হলেও বিষয়টা প্রক্রিয়াধীন আছে, অগ্রগতি হচ্ছে। কিন্তু হা হতোস্মি কমিটি ঘোষণার পরপরই মনে হয় সে গুড় চোরাবালিতে ডুবে গেছে।
মোঃ মোস্তফা কামাল
মার্চ ১১, ২০১৩ at ৩:১৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাদাত ভাই, একটা মজার জিনিস দেখেন!
গতকাল প্রথম আলোতে দেখি;
ইসলামের কটূক্তিকারীদের শনাক্ত করতে কমিটি
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-03-10/news/335491
"ব্লগ, ফেসবুক, ইন্টারনেট, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তিকারীদেরকে শনাক্ত করতে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী মাহবুব উল হক শাকিল আজ রোববার প্রথম আলো ডটকমকে এ তথ্য জানান।"
অথচ আজকে সামু ব্লগ চেক করে পেলাম যেখানে আসিফ মহিউদ্দিন তথা মগা চীফ ও হাসিনার পিএ শাকিলের সাথে গলায় গলায় ভাব। এক সাথে ছবিও আছে তাদের;
http://www.somewhereinblog.net/blog/kelebhusho/29794580
এই ঘটনা দেখে আমি পুরাই টাস্কিত। এখান থেকেই প্রমাণিত হয় হাসিনা ও তার দল সাপ হয়ে কাটে আর ওঝা হয়ে ঝাড়ে। এখন সর্ষের মধ্যে ভুত থাকলে কেমনে কি!
এস. এম. রায়হান
মার্চ ১১, ২০১৩ at ১২:১৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুক্তমনা ও ধর্মকারী ব্লগ তাহলে ছাগুরা পরিচালনা করে?
দেশ-বিদেশের বাংলাভাষীদের কাছে কিছু ব্লগে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা'র আড়ালে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী উগ্র সাম্প্রদায়িকমনাদের স্বরূপ উন্মোচিত হওয়ার পর সেটিকে ঢাকার জন্য (?) নাকি নিছক অজ্ঞতাবশত (?) নাকি উদ্দেশ্যমূলকভাবে (?) কেউ কেউ বিভিন্ন তত্ত্ব দেয়া শুরু করেছেন। যেমন:
প্রথম আলো পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-
আমারব্লগে বেনামে একজন বলেছেন,
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এ দেয়া সাক্ষাতকারে রাজীব সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ইমরান সরকার বলেছেন-
আরো দেখুন-
উপরের দাবিগুলো থেকে এটা পরিষ্কার যে মুক্তমনা ও ধর্মকারী ব্লগ ছাগুরা পরিচালনা করে। আর এই দুই ব্লগে যারা ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে চরম বিদ্বেষ ও মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে তারা সবাই ছাগু ও ফারাবীর মতো হিজু। এই দুই ব্লগ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কোনো রকম প্রতিবাদ না এলে ধরে নিতে হবে যে তারা আসলেই ছুপা ছাগু ও হিজু। পাশাপাশি এই দুই ব্লগের ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী নিকগুলোর আড়ালের ব্যক্তিদেরকে অতি সত্ত্বর রিম্যাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তারা সত্যি সত্যি ছাগু ও হিজু কি-না তা যাচাই করে জনসাধারণকে জানিয়ে দেওয়া হোক।
তামীম
মার্চ ১১, ২০১৩ at ৯:৪৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এইসব কৌতুক দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি।
আহমেদ শরীফ
মার্চ ১১, ২০১৩ at ১২:৫৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যাচাই করে দেখা হোক।
'মুক্তমনা' 'ধর্মকারী' 'আমারব্লগ' 'নাগরিকব্লগ' এ যেসব 'জামাত-শিবির-হিজু সদস্যরা' ফেইক নাম নিয়ে ইসলামবিদ্বেষী কুৎসা-কটুক্তিসর্বস্ব পোস্ট-কমেন্ট করছে তাদের সনাক্ত করে রিমান্ডে নেয়া হোক। বাস্তব ক্ষেত্রে ইসলাম অবমাননাকারী লেখা লিখে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তিরা যে দলের সমর্থকই হোক তাদের কোন ছাড় দেয়া যাতে না হয় এটাই জনগণ দেখতে চায়।
কিংশুক
মার্চ ১২, ২০১৩ at ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
sadat vai ka dhonnobad.
আহমেদ শরীফ
মার্চ ১৪, ২০১৩ at ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কমিটির কার্যকারিতা আপামর জনসাধারণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যভাবে গ্রহণযোগ্য সমাদৃত হবে তখনই _ যখন 'নিয়মিত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরকে অবহিত' করার পাশাপাশি উম্মুক্ত গণমাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অগ্রগতির আপডেট দেয়া হবে। কারণ অবাধ তথ্যপ্রবাহের স্রোতে এই প্রযুক্তি উৎকর্ষতার যুগে জনগণেরও সোর্সের অভাব নেই এবং জনগণের মাঝে সত্য প্রচারিত হওয়ার উপায়েরও কোন অভাব নেই। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সমাজেরই অংশ এবং তারা খুব ভাল করে জানে কোন কোন ব্লগ ও ফেসবুক পেইজগুলোতে কোন কোন ইনডিভিজুয়াল আইডি এবং বিভিন্ন ইসলামবিদ্বেষী গ্রুপ থেকে নিয়মিত ইসলাম, মুসলিম ও মহানবী(সাঃ) এর বিরুদ্ধে কুৎসা-কটুক্তি-অপপ্রচার ছড়ানো হয়। বিভিন্ন ব্লগ-ফেসবুক পেইজে দৃশ্যমান সেই সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষগুলোর জড় উৎপাটন করতে থাকলে বিপুল সংখ্যক অনলাইন ব্যবহারকারীদের অবশ্যই তা লক্ষ্যণীয়ভাবে নজরে পড়বে অতঃপর দ্রুতই জনমনে সম্প্রতি জাগ্রত ক্ষোভ-সন্দেহ-বিভ্রান্তি নিরসন প্রক্রিয়া ত্বরাণ্বিত হবে।
সরকার যদি আন্তরিক ও নিরপেক্ষ হয় তাহলে বিশেষ বিশেষ সোর্স-ক্ষমতা যা সরকারের পক্ষেই সম্ভব ব্যবহার করতে পারে, এই সংকটময় মূহুর্তে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তুলে জাতিকে বিভক্তকারী দায়িত্বজ্ঞানহীন সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষী গোষ্ঠিকে সহজেই চিহিৃত করে আইনের আওতায় এনে বর্তমান ক্রান্তিকাল অতিক্রম করতে পারে।
ইশতিয়াক শাহরিয়ার
মার্চ ১৫, ২০১৩ at ৩:১১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একটা ব্যাপার লক্ষ্য করলাম, কমেণ্টে অনেকেই বারবার বলতে চেয়েছেন-- কতিপয় নাস্তিক ব্লগার যারা পাবলিকলি নাস্তিক হিসেবে পরিচিত তাদেরকে বাদ দিয়ে বা ফরওয়ার্ডে না আনলেই তো শাহবাগ আন্দোলন তার ভাবমূর্তি যথাযথভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হতো। কিন্তু আমরা যদি আন্দোলনের শুরুর দিকটা চিন্তা করি তাহলে আমরা দেখতে পাবো এর প্রাথমিক উদ্যোক্তা বা আয়োজক কারা ছিলেন। তাদের মধ্যে একজনও কি এমন ছিলেন যিনি একাধারে প্র্যাক্টিসিং মুসলিম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পূর্ণমাত্রায় বিশ্বাসী?
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে যারা রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গঠন করতে চান, তারা সবসময়ই এই মহান চেতনাকে জোর করে ধরে এনে ইসলাম ধর্মের সাথে দ্বন্দ্বে জড়ানোর চেষ্টা করেন। আর এখানেই ভুলটা সংঘটিত হয়। জনগণের আবেগ স্ফুলিংগের ন্যায় বিস্ফোরিত হতে থাকলে তাদেরকে আবার ইসলামের ধ্বজা ধারণ করে জনগণকে শান্ত করতে হয় (ভাইস-ভার্সা)। বাংলাদেশের মানুষের এই দুটি মূল্যবান আবেগ (ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধ) নিয়ে অনেক নোংরা খেলা হয়েছে। তাই আমার মনে হয় এই নোংরা খেলা বন্ধ করতে প্রয়োজন তৃতীয় আরেকটি প্লাটফর্ম, যে প্লাটফর্ম সত্যিকারের আন্তরিকতা নিয়ে এই উভয় চেতনাকে বুকে ধারণ করে মানবতার পাশে গিয়ে দাঁড়াবে। আর এই প্লাটফর্মের থাকবে না কোন নাম, থাকবে না কোন প্রচারণা। নীরবে-নিভৃতে কাজ করে যাবে তারা মানবতার কল্যানে--ঐশী পথনির্দেশনা অনুসারে। তাদের উদ্দেশ্য আর কর্মই ইস্পাত প্রাচীরের মত তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করে রাখবে। আমি জানি না, ফিরকার হিসেবে এটি কত তম ফিরকা হবে? এও জানিনা নাম ছাড়া নির্বাচন কমিশন তাদের নিবন্ধন মঞ্জুর করবে কিনা?
ইশতিয়াক শাহরিয়ার
মার্চ ১৫, ২০১৩ at ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত ভাই,
আমি দুঃখিত, বিষয়ের সাথে অপ্রাসংগিক মন্তব্যের জন্য।
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৪ at ২:৪১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কৌস্তুভ নামে এক মুক্তমনা ব্লগার ছাগুদের বেশ কিছু লেখা সংগ্রহ করে সেগুলো দিয়ে সুন্দর করে একটি ই-বুক বানিয়ে সেটিকে রাজীব ওরফে থাবা বাবা'র নামে চালিয়ে দিয়েছে! কী লজ্জা! কী লজ্জা! নিচের লিঙ্কে দেখুন-
https://docs.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4ZTV6anJLd05PY00/edit?pli=1
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৪ at ৩:২১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
থাবা বাবা'র লেখা নিয়ে দুই স্তরে ডাহা মিথ্যাচার:
১. থাবা বাবা হত্যাকাণ্ডের পর প্রথমে দাবি করা হলো থাবা বাবা'র নামে যে লেখাগুলো চালিয়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলো আসলে থাবা বাবা'র নিজস্ব লেখা নয়, অন্য কেউ লিখে থাবা বাবা'র নামে চালিয়ে দিয়েছে। এটি ছিল জেনেশুনে একটি ডাহা মিথ্যাচার। সবকিছু ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার পর এখন এসে তারা নিজেরাই স্বীকার করছে যে সেগুলো থাবা বাবার-ই লেখা ছিল। এমনকি সেগুলো নিয়ে স্বযত্নে ই-বুকও বানিয়ে ফেলা হয়েছে!
২. থাবা বাবা মূলত ইসলামের নবী ও ইসলামের বিরুদ্ধে অশ্লীল, নিম্নমানের কটূক্তি ও স্যাটায়ার করে লেখালেখি করেছে। অথচ তার লেখা সম্পর্কে বলা হচ্ছে: থাবা বাবা কোনো অশ্লীল পোস্ট করেন নাই, কাউকে আঘাত করেন নাই, কোনো মিথ্যা কথা বলেন নাই; থাবা বাবা যুক্তিভিত্তিক সমাজের স্বপ্ন দেখেছেন, শুওরদের ভণ্ডামী নিয়ে লিখেছেন, কুত্তাদের মুখোশ খুলতে চেয়েছেন, ইত্যাদি। থাবা বাবার হয়ে এই কথাগুলো বলেছে মনাদের গুরুজীর এক মস্তক ধোলাই সাইডকিক। কতবড় মিথ্যাচার চিন্তা করেন।
নোট: এখানে থাবা বাবা'র খুনকে জাস্টিফাই করা হচ্ছে না, বরং থাবা বাবা'র লেখা নিয়ে তার ইসলাম-বিদ্বেষী মুরিদদের ডাহা মিথ্যাচার উন্মোচন করা হচ্ছে।
মহিউদ্দিন
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৪ at ১০:০৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
রাজীবকে অজ্ঞাত ঘাতকরা সেই শুক্রবার রাতের অন্ধকারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার পর জবাই করে হত্যা করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাজীব হত্যার মোটিভ সম্পর্কে তখনও নিশ্চিত হতে না পারলেও খোদ প্রধানমন্ত্রী ওই খুনের দায় জামায়াত-শিবিরের ওপর চাপিয়ে তাদের রাজনীতি বন্ধ করে দেয়ার কথা বলতে শুনেছি মিডিয়াতে। চাঞ্চল্যকর এ খুন নিয়ে শাহবাগ চত্বরে তখন উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তাকে ‘দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ’ হিসেবে অভিহিত করে প্রতিশোধ নেয়ার শপথ নেয়া হয়েছিল। শাহবাগ আন্দোলনকারীরা রাজীব খুনের জন্য জামায়াত-শিবিরকে দায়ী করেছিল। যদিও জামায়াত আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, ‘ব্লগার রাজীব হত্যার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কোনো সম্পর্ক নেই। এ ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনার তারা তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
এদিকে থাবা বাবা হিসেবে ব্লগে ইসলামবিদ্বেষী লেখক রাজীবের মৃত্যুর পর তখন ব্লগার কমিউনিটিতে হচ্ছিল তোলপাড়। আমার দেশ-এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য। সে রিপোর্টের সামান্য কিছু উদ্ধৃতি :
"ইন্টারনেট থেকে রাজীবের আপত্তিকর লেখা সরিয়ে নেয়ার আগে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। এতে দেখা গেছে, ব্লগার থাবা বাবা ওরফে রাজীব মুসলমানদের ধর্ম ইসলাম ও প্রিয় নবী হজরত মোহাম্মদকে (স.) নিয়ে অনেক কুরুচিপূর্ণ লেখা ব্লগে লিখে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। আওয়ামীপন্থী কিছু ব্লগার এরই মধ্যে ব্লগে অভিযোগ করেছেন, ব্লগার থাবা বাবা ওরফে আহমেদ রাজীব হায়দারের নিজস্ব ওয়ার্ড প্রেস ব্লগ nuranichapa.wordpress.com ভুয়া। তবে এই ব্লগটা এখন আর নেই কেন এ প্রশ্নও তুলেছেন অনেকে। এই সাইটে ক্লিক করলে লেখা আসছে-nuranichapa.wordpress.com is no longer available
জানা গেছে, এই থাবা বাবা হলো http://www.dhormockery.net নামক ব্লগের নিয়মিত লেখক। এই সাইটটিও এরই মধ্যে বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। অবশ্য যে কেউ এর cache copy দেখতে পারেন google.com এ। গুগল এ গিয়ে cache:www.dhormockery.com টাইপ করে enter চাপলেই লেখা আসছে- This is Google’s cache of http://www.dhormockery.com/. It is a snapshot of the page as it appeared on 16 Feb 2026 17:40:37 GMT. The current page could have changed in the meantime. Learn more…."
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৪ at ৪:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
থাবা বাবা'র লাশ নিয়ে ইসলাম বিদ্বেষী কম্যুনিস্ট আর হিন্দুত্ববাদীদের মধ্যে টানাটানি চলছে!
Rafikul Islam
জুলাই ২৮, ২০১৪ at ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যারা বলছে "থাবা বাবা" রাজীবের না-তাদের কথা ভুল প্রমান করলেন, ভাল কথা। লেখাগুলো যে রাজীবের এই মর্মে কোন প্রমান দিচ্ছেন না কেন?
ফোবিয়ান
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৫ at ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভালো প্রশ্ন করছেন রাফিকুল ইসলাম ভাই। তাইতো লেখা গুলা যে রাজীবের এইটা প্রমান করলেই তো কাম শেষ এত প্যাঁচালের দরকার কি ?
সাদাত
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৫ at ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফোবিয়ান,
সত্যকথন যখন কারো মনোপীড়ার কারণ হয়, তখন তা প্যাঁচাল হিসেবে পরিগণিত হতেই পারে; সেটা শ্রোতার সমস্যা, বক্তার নয়। একটা মিথ্যাচারমূলক নিউজের স্বরূপ উদ্ঘাটন করতে চেয়েছিলাম, করেছি। আরো কোন কোনটা করবো বা করবো না সেটা আমার বিষয়। ধন্যবাদ।
HM mohsin
নভেম্বর ২৬, ২০১৫ at ৩:১০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
>নুরানী চাপা লেখাসমূহ রাজীবের না।কার?তার মানে অস্তিত্ব -+(আছে)
>লেখাগুলোর কোন অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে না।তার মানে (নাই)
কোন কথা সত্য ? ? প্রথম ? না দ্বিতীয় ? নাকি দুটোই?
সাদাত
ডিসেম্বর ৮, ২০১৫ at ৬:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
লেখাগুলো যে রাজীবের তার যথেষ্ঠ প্রমাণ এই লেখাতে রয়েছে। রাজীবের লেখার লিংক রয়েছে, সেই লিংকে ঢোকা না গেলে বিকল্প স্ক্রিনশটও দেওয়া রয়েছে। এরপরেও এরকম সংশয়ের কোন অবকাশ তো থাকার কথা নয়।