লেখাটা শুরু করার আগে শিরোনাম নিয়ে ভাবছিলাম - ভাবছিলাম বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি নিয়ে যখন লিখবো তখন শিরোনাম দিই " বাংলাদেশের রাজনীতির প্যারাডাইম শিফট" - কিন্তু ছোট ভাই এর সাথে কথা বলার সময় ওর মুখে শুনলাম - ১৬ কোটি মানুষের দেশে ১৮ কোটি আওয়ামীলীগ হয়ে গেছে - শুনে বেশ মজা লাগলো - তাই শিরোনামটা এই ভাবেই দিলাম।
আসলে কিছু দিন ধরে পর্যবেক্ষন করে এইটা্ই মনে হচ্ছে - বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কোন দলই তেমন জনসমর্থন পাচ্ছে না। বিশেষ করে আমেরিকান এক সংস্থার জরিপ রিপোর্টে বলা হচ্ছে আওয়ামীলীগ আগে চেয়ে বেশী জনসমর্থন ভোগ করছে। আসলে মানুষ ঝামেলা পছন্দ করে না - কারন কাজ মানেই টাকা - টাকার স্বপ্নে বিভোর বাংলাদেশের মানুষ। অন্যদিকে দেখছি - ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা ব্যাপক ভাবে বিজয়ী হচ্ছে - বিএনপির দলী প্রার্থীর চেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীরা বেশী জিতেছে - কিন্তু তাদের সর্বমোট সংখ্যা অনেক কম। এই প্রেক্ষিতেই ছোটভাইএর মন্তব্য - বাংলাদেশে এখন মানুষের চেয়ে আওয়ামীলীগ বেশী - ব্যাঙ্গত্ব এই উক্তির আড়ালে লুকিয়ে আছে আরেক চিত্র। আমার গ্রামের বাড়ীর এলাকা ছিলো দীর্ঘদিনের বিএনপির ঘাটি - সেখানে আওয়ামীলীগ কোন ভাবেই সুবিধা করতে পারতো না। কিন্তু এবারই প্রথম বিএনপির এক ধনাঢ্য নেতা দল বদল করে আওয়ামীলীগে যোগ দিলেও নৌকা প্রতীক পায়নি - সেই স্থানীয় আওয়ামীলীগ আর বিএনপির একটা অংশের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছে - মুল লড়াইটা হচ্ছে আওয়ামীলীগ বনাম আওয়ামীলীগ - বিএনপি দৃশ্যপটের আড়ালে চলে গেছে। এইটাই আসলে বাংলাদেশের চলমান হালচাল। বিএনপি - জামাত থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীকে পর্যণ্ত মুখ খুলতে হয়েছে।
আসলে হচ্ছেটা কি - গত কয়েক মাস আগে ইসলামী ঐক্যজোটের বিশদল ত্যাগের পর থেকে সরকারের সুর বদলে গেছে - প্রধানমন্ত্রী সুষ্পষ্ট ঘোষনা দিয়ে নাস্তিকতার নামে ইসলাম বিরোধী লেখালেখির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ফলাফল হিসাবে দেখছি বাম-নাস্তিকগ্রুপ প্রচন্ড ক্ষেপে আছে - বিশেষ করে যারা এতোদিন যুদ্ধাপরধী বিচারের দাবীর আড়ালে ইসলাম বিরোধী প্রপাগান্ডা চালাতো - তারা এক কথায় এতিম হয়ে গেছে। অনেক নাস্তিক দেশ ত্যাগ করছে - অনেকে লেখালেখি ছেড়ে দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সরকারের সুষ্পষ্ট এই অবস্থানের প্রভাব পড়েছে পুরো রাজনীতিতেই।
অন্যদিকে দেখছি - হেফাযতের নেতারা সুর নরম করে কথা বলছে - সরকারের কাজের প্রশংসা করছে। বিএনপি এতোদিন যাদের নেচারাল সাপোর্ট পেতো - তারা বিএনপির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে সরকারের - মানে আওয়ামীলীগের দিকে ঝুঁকছে। এইটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরাট একটা পরিবর্তন বটে। বামরা এতোদিন আওয়ামীলীগের ন্যাচারাল এলাই হিসাবে ভুমিকা রেখে আসছিলো - তারা এখন প্রকাশ্যে আওয়ামী বিরোধী ভুমিকায় আর এতোদিন যারা আওয়ামীলীগের রিরোধীতা করতো তারা নানান ভাবে আওয়ামীলীগের মিত্রে পরিনত হচ্ছে।
এই অবস্থায় সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্থ দল হলো বিএনপি - যার প্রভাব আমরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলে দেখছি। যদিও এই ক্ষেত্রে নির্বাচনে কারচূপীর অভিযোগ তুলে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন - কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে স্থানীয় নেতাদের শক্তিই বেশী ভুমিকা রাখে - সেখানে স্থানীয় নেতারা সরকারমুখী হয়ে পড়ায় বিএনপি অনেক জায়গায় প্রার্থী দিতেও ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে এই দুরবস্থার মাঝেও বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন বাণিজ্যের খবরটা বেশ কৌতুহলপ্রদ বটে।
প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নীতিহীনতা আর সুবিধাবাদে এই চিত্রটা আর আড়ালে থাকলো না। রাজনৈতিকদলগুলো গনতন্ত্রহীনতা এবং আভ্যন্তরীন গনতন্ত্রচর্চাকে বাদ দিয়ে এককেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহন তৃণমুলকে কেন্দ্র থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। অন্যদিকে বিএনপির ভুল এবং আত্নঘাতি রাজনীতি - বিশেষ করে জামায়াতের এজেন্ডার সাথে তাল মিলাতে গিয়ে আন্দোলনের নামে জনবিচ্ছিন্ন কর্মসূচীতে ্ধারাবাহিক ব্যর্থতা দলের কর্মীদের হতাশ করে ফেলেছে - ফলে ওরা দ্রুত ক্ষমতার স্বাদ পাওয়ার লক্ষ্যে সরকারী দলের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে।
রাজনৈতিক দলগুলো সমর্থন ক্ষনস্থায়ী বিষয় - নীতী-আদর্শহীন রাজনৈতিক কর্মীরা সময় সুযোগ বুঝে আবারো দল বদলাবে সন্দেহ নেই - সেখানে সুবিধা সেখানেই জিন্দাবাদ। তবে বর্তমান রাজনৈতিক যে পরিবর্তনটা একটা দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে - তা হলো ধর্মভিত্তিক ইস্যুগুলোতে এবার আওয়ামীলীগ অনেকবেশী সুবিধা পেয়ে যাবার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। একদিএক ভু-রাজনৈতিক পরিবর্তন - বিশেষ করে সৌদি-বলয়ের ব্রাদারহুডের বিষয়ে নেতিবাচক অবস্থানের প্রভাবপড়েছে বাংলাদেশের জামায়াতের রাজনীতিতে - প্রকৃতপক্ষে জামায়াত অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েছে - ফলে ধর্ম বিষয়ক ইস্যুতে আওয়ামীলীগের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিহীন হয়ে পড়ায় ইসলামী ঐক্যজোটের মতো দলগুলো বিকল্প সন্ধান করছে এবং ইতোমধ্যে আওয়ামীলীগের সাথে সখ্যতার বিষয়টি দৃশ্যমান হচ্ছে। এতে বিএনপির নেতৃত্বের দূর্বলতা এবং অপরানীতির যেমন ভূমিকা আছে - তেমনি আওয়ামীলীগের সুচতুর রাজনৈতিক কৌশলগুলোও কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। ফলাফল - মুসলিম লীগ থেকে বের হয়ে আওয়ামীমীল যে একটা ধর্মনিপপেক্ষ (অনেকের ভাষায় ধর্মহীন) চেহারা তৈরী হয়েছিলো - তা বদলে যাচ্ছে এবং মুসলিমলীগে উত্তরসুরী বিএনপি তাদের ন্যাচারাল এলাই হারাচ্ছে। অবশ্য এই পোলারাইজেশন বিষয়টা সম্পর্কে সম্পূর্ন নিশ্চিত হওয়ার জন্যে আগামী সংসদ নির্বাচন পর্যণ্ত অপেক্ষা করতে হবে।
তবে একটা বিষয় পরিষ্কার - দীর্ঘদিনে পর্যবেক্ষন থেকে বলা যায় আওয়ামীলীগে ঐতিহাসিক মিত্র সিবিপি এখন আওয়ামীলীগ থেকে হাজার ্মাইল দুরে অবস্থান করছে - বিশেষ করে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীতে "বিসমিল্লাহ" এবং ইসলাম রাষ্ট্র ধর্ম হিসাবে বহাল রাখার জন্যে শেখ হাসিনার একক সিদ্ধান্তের পর বামদলগুলো যারা প্রকৃতপক্ষে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ধর্মহীন রাষ্ট্র চায় তারা আওয়ামীলীগের মিত্রশক্তি হিসাবে ইস্তফা দিয়েছে এবং সে জায়গা আসন পেয়েছে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক কয়েকটি গোষ্ঠী এবং দল। তাদের পরামর্শ এবং প্রভাবে আওয়ামীলীগ ইসলামপন্থী দলগুলোর সাথে দুরত্ব কমিয়ে আনার প্রেক্ষিতে আজকের এই রাজনৈতিক পোলারাইজেন।এই পোলারাইজেনশন বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে কতটা ভুমিকা রাখবে - তা সময়ের উপর ছেড়ে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। কারন ইসলাম এবং আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সাথে যে মৌলিকদন্দ্ব আছে - সেইগুলো কিভাবে মোকাবেলা করা হয় - তার উপরই এই সমঝোতার বিষয়ের সাফল্য নির্ভর করছে। তবে এক সময় না এক সময় এই দ্বন্ধ সামনে আসবেই - তখন আবার নতুন করে অস্থিরতা আর পোলারাইজেন হবে।

কিংশুক
এপ্রিল ২৯, ২০১৬ at ৮:১৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পাগলের সুখ মনে মনে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি নির্বাচন দিলেই আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা টের পাওয়া যাবে। পুরাই গাঁজা খুরী প্রোপাগান্ডা, গোয়েবলস পর্যন্ত লজ্জা পেতো। কানাডা বসে বসে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সাথে সম্পর্ক হীন দিবা স্বপ্নের প্রচারনা। আওয়ামী লীগ পাচ জানুয়ারি হতে যত নির্বাচন করেছে সবই প্রহসনের নির্বাচন । প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগের হালুয়া রুটির ভাগীদার চোরদের চাপাবাজি ছাড়া দেশের আশি ভাগ মানুষ আওয়ামী লীগের উপর চরম অসন্তুষ্ট । ভোট ডাকাত, অগণতান্ত্রিক শক্তির প্রোপাগান্ডাই ভরসা। স দালাপের মতো প্লাটফর্ম চোর, ভোট ডাকাত দের প্রোপাগান্ডার প্লাটফর্ম হিসাবে ব্যবহার করছে চামচা লীগ। খুবই দুঃখজনক।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
এপ্রিল ৩০, ২০১৬ at ৭:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার সবগুলো কমেন্ট কয়েকবার পড়লাম। ধারনা করি আপনি উত্তেজিত হয়ে গিয়ে থাকবেন। এইটা একটা বিরাট সমস্যা এবং সমস্যাটা আপনার নিজস্ব। এই লেখার মাধ্যমে না আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় চিরস্থায়ী হবে -- না বিএনপি-জামাত অনন্তকাল ক্ষমতায় থাকবে। শুধুশুধু গালিগালাজ করে নিজের ক্ষতি করেন।
যাই হোক -- আপনার কোন গালি-গালাজকে তেমন গুরুত্ব দিচ্ছি না -- কারন নানান কারনে আপনি আওয়ামীলীগ শব্দটা প্রতিও এলার্জিক হয়ে গেছেন -- এইটা আপনার সমস্যা।
তবে -- যদি আলোচনা করার বা বিতর্ক করার মতো ধৈর্য্য থাকে তবে এই লেখার মধ্যেই থেকে করা উচিৎ। যদি পারেন তবে এই লেখার কোন লাইনটার বিষয়ে আপনার আপত্তি আছে -- তথ্যগত, ভাষাগত বা উদ্দেশ্য নিয়ে -- সেইটা বলুন -- আমার ভুল হলে অবশ্যই ঠিক করে নেবো।
ভাল থাকবেন।
সত্য সন্ধানী
মে ৫, ২০১৬ at ৩:৩৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কিংশুক ভাই, আস্তে ভাইজান মাথা গরম করবেন না। রাজনিতি বড় জটিল জিনিস আর রাজনিতি ধুয়ে পানি খাবার দিন মনে হয় আর নাই।
লীগের জনপ্রিয়তা থাক বা না থাক তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। বিএনপি যখন শেষবার খমতায় ছিল তখনকার কথা আমার বেশ ভালভাবেই মনে আছে।
আপনি কি দেশেই থাকেন না প্রবাসী বুঝতে পারছি না।তবে দেশে থাকলে তো আপনার সেই সময় গুলোর কথা ভুলে যাবার কথা না যখন ২৪ ঘন্টায় ১২-১৮ ঘন্টা পর্যন্ত কারেন্ট থাকত না মফস্বল গুলো তে। দিনের পর দিন এমন সময় গেছে যে ৩/৪ ঘন্টা পর পর ১ ঘন্টা কারেন্ট পেতাম। চুয়াডাংগা বা মেহেরপুর কুষ্টিয়া এসব এলাকায় আসলে বুঝতেনন যে জীবন কত কঠিন ছিল।
যাদেএ জেনারেটর আছে বা এম পি সাহেব দের বাড়ির কাছে থাকতেন বা ২ ফিডারের মাঝে থেকে চুরি করে ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ পেতেন তাদের কথা অবশ্য আলাদা।
গনতন্ত্র আর জনপ্রিয়তা ধুয়ে কি পানি খাব? আওয়ামী সরকারের আমলে কারেন্ট যায় না বললেই চলে। আমি গরম একেবারেই সহ্য করতে পারি না। জেনারেটর চালাবার সামর্থ্য নাই। কাজেই যেই সরকার আমাকে কম।পয়সায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেবে সেই আমার কাছে ভাল।
আপনার কথায় "ভাতের চেয়ে ভোট বড় " এই টাইপ গন্ধ পাচ্ছি। অন্ধ সমর্থন,অন্ধ বিশ্বাস বা অন্ধ বিদ্বেশ কোনটাই একজন মুসলিমের জন্য শোভনীয় নয়।
এপ্রিল ২৯, ২০১৬ at ৮:৫০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আওয়ামী লীগের সাথে কোন ইসলামি দলের কোন সখ্যতা নাই। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা লোভী, আদর্শ হীন লুটেরা রাজনৈতিক দল। বামেরা আওয়ামী লীগে ঢুকে তাদের অনেক আদর্শ আওয়ামী লীগ দ্বারা বাস্তবায়ন করাতে চায়, বামরা তো এখনও আওয়ামী জোটে আছে কিন্তু জনরোষের ভয়ে তাঁরাও পাক্কা হুজুর সাজছে, শেখ হাসিনাও হুজুর হয়েছে, ভাঁড়ামি আর বলে কাকে। আওয়ামী লীগ নিয়ে তেমন ভয়ের কিছু নাই। নীতিহীন, ষড়যেন্ত্রে পটু, ভোট ডাকাতরা জনরোষ থেকে বেঁচে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করতে ক্ষমতায় থাকতেই হবে। ব্যাংকের উপরের পর্যয়ের সব আওয়ামী লীগার চেয়ারম্যান, এমডি দের যোগসাজশে আওয়ামী চোর ব্যবসায়ীরা সরকারি ব্যাংকগুলি হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে। এজন্য আস্তে আস্তে নাস্থিকদের সহায়তা বন্ধ করবেই, অনেকটা করেছেও। তবে আওয়ামী লীগ ষড়যেন্ত্রর মাধ্যমে ক্ষমতায় রয়েছে বলে গডফাদার ভারতের কথা অক্ষরে অক্ষরে মানতে বাধ্য, ভয়টা এখানেই, বিজেপি না আবার বাহাত্তুরে সংবিধানের শর্ত দেয়। তাহলে আওয়ামী লীগের সব কুল যাবে।
কিংশুক
এপ্রিল ২৯, ২০১৬ at ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইসলামি উগ্রপন্থা ঠেকাতে আওয়ামী লীগ বেশি কার্যকরী ও বিএনপি অপারগ এমন জোর প্রচারনা চালিয়ে পশ্চিমা সাহায্য নিয়ে আট সালে নির্বাচিত হয়েছিল। এখন যদি আনসারুল্লাহ ইত্যাদি ঠেকাতে না পারে তাহলেও মধুর ক্ষমতা হারাতে হতে পারে। তৃণমূল আওয়ামী লীগের চোর বাটপাড়রা একবার পুলিশ সহ নিজেরা হেফাজতে ইসলামের ঢাকা আগমন ঠেকাতে গিয়ে যেরকম নাস্তানাবুদ হয়েছে তারা আর ঐপথে যাবেনা। যেমন রামপুরা থানার ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল মোয়াজ্জেম হোসেন তপু নামের চাঁদা বাজ অস্ত্র বাজ মাদক ব্যবসায়ীদের গডফাদার । তার অধীন কয়েকশ সন্ত্রাসী ছিল যাঁরা আওয়ামী কর্মী হিসাবে ( আওয়ামী লীগ তাদের অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থা করেছে বলে) যেকোনো মিছিল মিটিংয়ে যেতো। পাঁচ মে এসব হারামজাদারা আল্লাহ্ ওয়ালা হেফাজত কর্মীদের উপর অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। নিজেরাও জম্মের মাইর খায়, মুসলমানদেরও মারে। সেই তপু এখন সদ্য কেনা আফতাব নগরের ফ্ল্যাট থেকে গুম হয়েছে । যুবলীগের আহ্বায়ক মাস্টারের ফোলা রহিজ যে বনশ্রী ক্রিস্টালের ফোর মার্ডারের প্রধান আসামি, শাহজাহান পুর, শান্তিনগর, রামপুরার চাঁদাবাজ তার গুটিতে হেফাজত ঠেকানো উলনের তপু শেষ। এই তপু বাহিনীর ভোট কেন্দ্র দখলের মাধ্যমে আওয়ামী কমিশনার নির্বাচিত হয়েছে । এই সবই আমার চোখেই দেখা। এরকম ভাবে পাঁচ মের হত্যাকারী আওয়ামী লীগও একসময় আল্লাহর মাইর খাবেই।
মাহফুজ
এপ্রিল ২৯, ২০১৬ at ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন,
আমি রাজনীতির মারপ্যাট ভাল বুঝিনা। তাই এ থেকে দূরেই থাকার চেষ্টা করি। তবে আমার মনে হয় আপনার ভাইয়ের উক্তিটির ভাব সম্প্রসারণ অনেক ভাবেই করা যেতে পারে। আওয়ামীলীগের প্রতি দুর্বলতা থেকে আপনি যা বললেন তার সবই যেমন বেঠিক নয়, তেমনি সঠিকও নয়। মতাদর্শের বেসিক কিছু পার্থক্য ছাড়া এখনো বিএনপি ও আওয়ামীলীগ- মূদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। বিশ্বাসের সাথে ছলাকলা এবং বিভ্রান্তি থেকে তারা এখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি। সেই ইচ্ছাও আছে কিনা জানিনা। আর ইসলামি দলগুলোকে তো এখনো লেবাস সর্বস্ব, প্রজ্ঞাহীন এবং সৎকর্ম বলতে যা বোঝায় তা থেকে বেশ দূরেই অবস্থান করছে। সুতরাং আল্লাহতায়ালার মদদ পাওয়ার জন্য তাদেরকে আরও অনেক সাধনা করতে হবে।
আমাদের দেশের সুবিধাবাদী রাজনীতিকদের কারণে সাধারণ জনগণ তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে কম-বেশি সব সময়ই বঞ্চিত থাকছে। তাদের মনের চাওয়া এবং মৌলিক পাওনা কেউই পূরণ করতে চায়নি। বামদের খপ্পরে পরে এখনও একই অবস্থা চলছে। মন্দ কর্মের ঝড়ে ভাল কাজগুলো মলিন হয়ে যাচ্ছে। পূর্বে সব রেকর্ড ভঙ্গ করার আগে সাবধান না হলে কিন্তু বিপদ আছে। সাধারণ জনতার কাছে কে বেশি জনপ্রিয় তা বোঝার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ফ্রি এণ্ড ফেয়ার ইলেকশন বলতে যা বোঝায় তা কবে হবে জানিনা। তবে হলে হয়ত তখন কাছের এবং দূরের সবার কাছে আসল চিত্রটা ফুটে উঠবে। কার বিশ্বাস কতটুকু তা মাপবার মেশিন আমার কাছে নেই। তবে চুলচেড়া হিসেবের মালিক মহান স্রষ্টার কাছে সবারই সবেরই হিসেব আছে। তিনি সময়মতই ফায়সালা দেবেন।
আমি কাউকে আঘাত করার জন্য কথাগুলো বলিনি। একটু মাথা খাটালে আপনার স্বদেশে অবস্থানরত ছোট ভাই হয়ত কিছুটা বুঝতে পারবেন।
ধন্যবাদ-
এপ্রিল ৩০, ২০১৬ at ৭:২৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার কথাগুলোর সাথে একমত। আমি দেশের সার্বিক অবস্থা জানি এবং ভয়ে এই দিকে তাকাই না। দূর্নীতি আর মিথ্যাচার থেকে সুরু করে আমানতের খেয়ানত তো সর্বত্র দৃশ্যমান। সেই বিষয়গুলো খুবই হতাশার জন্ম দেয় বলেই কোন কথা বলি না -- এইগুলো হলো মৌলিক সমস্যা। তবে উপরিস্থরে দৃশ্যমান হলো রাজনীতি -- যা ছিলো এই লেখার প্রতিপাদ্য। লেখার শুরুতেই বলেছি -- চলামান অবস্থার একটা চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। এই অবস্থা চললে ফ্রী এন্ড ফেয়ার ইলেকশান কিভাবে সম্ভব হবে জানি না।
তবে একটা বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই -- এক সময় বাংলাদেশের একদল মানুষ মালয়েশিয়া এবং মাহাথিরের প্রশংসা করতো এবং তাকে মডেল হিসাবে দেখতে চাইতো। এখন বাংলাদেশে মুলত মাহাথিরের মডেলে শাসন চলছে -- যা পশ্চিমাদের উপেক্ষা করে নিজস্ব উন্নয়নকে প্রায়োরিটি দেওয়া। এখন তারাই গনতন্ত্রের জন্যে হৈ চৈ করছে।
বিষয়টা বেশ গুরুত্বপূর্ন এবং বাংলাদেশের নতুন একটা চেহারা তৈরীতে এই মডেল কতটা সফল হবে তা দেখার অপেক্ষায় আছি।
আপনাকে ধন্যবাদ।
মাহফুজ
এপ্রিল ২৯, ২০১৬ at ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রতিবারের মত এবারও বেশ গরম পড়েছে। এ সময় চরম ও গরম আবহাওয়াজনিত সমস্যা হিট-স্ট্রোক অর্থাৎ সর্দিগর্মি সম্পর্কে সচেতন থাকা চাই- Be careful about 'Heat stroke'/ গ্রীষ্মকালীন স্ট্রোক হতে সাবধান
কিংশুক
এপ্রিল ২৯, ২০১৬ at ২:০৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ষোল কোটির উপরে দুই কোটি মনে হয় ভারতীয় আওয়ামী লীগার। এই লেখক কি এলএসডি নেয় নাকি পেইড লেখক? এতো মিথ্যাবাদী প্রবঞ্চকের একমাত্র তুলনা শয়তান । শয়তানের চেয়ে ধূর্ত লেখক।
মাহফুজ
এপ্রিল ২৯, ২০১৬ at ৪:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একজনের সাথে আরেকজনের দ্বিমত থাকতেই পারে। অনেক কিছু সঠিকভাবে না জানার কারনে কোন বিষয়ে একজন আরেকজনের চাইতে কম জানতেই পারেন। তাই বলেই কি এভাবে বলতে হয়! অন্যভাবেও তো সঠিক তথ্যটি তুলে ধরা যেত। গালমন্দ না করে সত্য কথাটা স্পষ্টভাবে বলাই যথেষ্ট নয় কি?
(১৬:৮২) অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তোমার কর্তব্য তো কেবল সুস্পষ্ট বাণী পৌঁছে দেয়া মাত্র।
(১৬:১২৫) তোমার পালনকর্তার পথের দিকে আহবান কর প্রাজ্ঞতা, বিচক্ষণতা ও ভাল উপদেশ শুনিয়ে এবং তাদের সাথে আলোচনা কর উত্তম পন্থায়। নিশ্চয় তোমার পালনকর্তাই ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে।
(৪২:৪৮) যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আমরা তো তোমাকে তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। তোমার উপর কোন দায়িত্ব নেই তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া ছাড়া। আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে উল্লসিত হয়, আর যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের কোন অনিষ্ট ঘটে, তখন মানুষ অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়।
(৭৮: ৩৯) এই দিবস সত্য। সুতরাং যার ইচ্ছা সে তার পালনকর্তার পানে ঠিকানা খুঁজে নিক।
শাহবাজ নজরুল
এপ্রিল ৩০, ২০১৬ at ৪:৩৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কিংশুক ভাই,
এই কমেন্ট খানি পরিমিত সমালোচনার বাইরে বলেই প্রতিয়মান হচ্ছে। সদালাপে অল্প বিস্তর আমরা যে কজন নিয়মিত আলাপ আলোচনা করি তাতে পারস্পরিক সৌহার্দ বোধ বজায় রাখাটা জুরুরী। আপনার কমেন্ট খানি যৌক্তিক সমালোচনার গন্ডি পেরিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমনের পর্যায়ে চলে গেল। সদালাপের মত একটি সুন্দর পরিবেশে যদি এই ১০-১২ জন লোক "মাই ওয়ে অর হইওয়ে" টাইপের কথাবার্তা বলা শুরু করি -- তাহলে এই দেশের উপর পর্যায়ে যে বাক-বিতন্ডা চলছে তাতে তো দোষের কিছু দেখিনা।
আশাকরি সদালাপের চিরায়ত সৌহার্দবোধ ও সৌজন্য এর ছাপ আমরা আমাদের কমেন্ট গুলোতে রাখব।
ধন্যবাদ।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
এপ্রিল ৩০, ২০১৬ at ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ শাহবাজ এবং মাজফুজকে। আলোচনা যে লাঠালাঠি না এই সামান্য পার্থক্য ধরার মতো অবস্থা উনার নাই।
যাই হোক -- আপনার কোন কথাই তেমন গুরুত্বের সাথে নিচ্ছি না -- তবে একটা বিষয় এড়িয়ে যাওয়া ঠিক হবে না বলে মনে করছি। আপনি বলছেন --
-- আপনি যে কারনেই আমাকে শয়তানের সাথে তুলনা করে থাকেন না কেন সেইটা আপনার নিজস্ব বিষয়। তার ব্যাখ্যা দেওয়ার দরকার নাই। তবে "মিথ্যাবাদী" বলাটা সহজে মেনে নেওয়া যায় না। তাই আপনার কাছে অনুরোধ -- এই লেখা কোন লাইনটা আপনি মিথ্যা মনে করেন তা দয়া করে উল্লেখ করুন। যদি প্রমানিত হয় আমি কোন মিথ্যা কথা বলেছি -- তবে সদালাপে লেখা ছেড়ে দেবো (আশা করি এতে সদালাপ আওয়ামী চামচা লীগ মুক্ত হবে।)। আর যদি প্রমান দিতে না পারেন তাহলে কি করবেন তার দায়িত্ব আপনার। তবে আমার একটা বদঅভ্যাস হলো কেউ গালি দিলে তাকে আরো রাগিয় দেওয়া এবং তা সহজেই করা যাবে। আশা করি আমাকে সেই দিকে যেতে হবে না। আপনি দয়া করে প্রমান করুন এই লেখায় কোন বাক্যটা মিথ্যা।
মুনিম সিদ্দিকী
এপ্রিল ২৯, ২০১৬ at ৫:৪৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিয়াভাই বাংলার সিংহাসনে কে আছেন তাতে আমার কোন চিন্তা নাই। ভারত বাংলাদেশকে তার অঘোষিত করদ রাজ্য বানাবে কিনা তাতেও আমার বক্তব্য নেই।
তবে আমার চাওয়া
১ বাংলাদেশের স্কুল কলেজ ভারসিটিকে এন্টি ইসলামী প্রজন্ম বানানোর খোঁয়াড় বানানুর প্রচেষ্টা থেকে সরকারকে ফিরে আসতে হবে। শিক্ষালয় গুলোতে হিজাব টুপি
পরে যাবার বিষয়ে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবেনা।
২. শিক্ষাসূচি থেকে ইসলাম ধর্মীয় বিষয় বাদ দিতে পারবেনা। এবং অন্য ধর্মীয় বিষয় আমাদের উপর চাপিয়ে দিতে পারবেনা।
৩.গরীব মানুষ এখনও বিনা চিকিতসায় রোগশোকে মারা যাচ্ছে, চিকিতসা ব্যবস্থা এখন রমরমা ব্যবসায় পরিণত হয়েছে, তা থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে হবে. যাতে বিনা চিকিতসায় কেউ না মারা যেতে পারে।
৪. গ্রামেগঞ্জের দরিদ্র মানুষদেরকে উন্নত সেনেটারি ব্যবস্থা সহ বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দিতে হবে।। এবং তাদের পানের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. দরিদ্র মানুষের সন্তানরা যে কারণে শিক্ষা গ্রহণ থেকে ঝড়ে পড়ে তার কারণ শনাক্ত করে বিহিত ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
৬. আমাদের নতুন প্রজন্মের আত্মবিনাশ করে চলছে যে সব আকাশ মিডিয়া তা ব্যান করতে হবে।
৭. সমাজ থেকে মস্তানতন্ত্র, চাঁদাবাজী,বন্ধ করতে হবে, বিশেষ করে নারীদের রাস্তায় চলাচলের নিরাপ্ততা ব্যবস্থা নিতে হবে, ঘর পাহাড়া দিতে পারবোনা কিংবা রাস্তা পাহাড়া দিতে পারবোনা একথা বলে পার পেতে পারবেন না।
৭. তিন/চার বছর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মোটামুটি ইতিবাচক ছিল কিন্তু হঠাত এই বছর মনে হচ্ছে আমরা যেন ৭ বছর আগের সময়ে অবস্থান করছি, যেমন করে হোক বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান চাই।
৮. ঢাকা সহ সারা বাংলাদেশ জুড়ে তীব্র যানজট কারণে যাত্রীদের অসহনীয় যন্ত্রণা এবং সময় নষ্ট হচ্ছে, হিটস্ট্রোকে মানুষের প্রাণ হানি ঘটে চলছে। আজ বাংলাদেশের রাস্তাঘাট অনেক উন্নত তারপরও যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, যার কারণ অশিক্ষিত গোষ্ঠি যারা ট্রাফিক আইনকে মোটেই গ্রাহ্য না করেই যানজট সৃষ্টি করছে, এদের প্রতি কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।চলার অনুপোযুগী যানবাহন রাস্তায় চলাকরতে দেয়া যাবেনা।
জিয়াভাই আপনার তো সরকারের উচ্চ লেভেলে ভালো যোগাযোগ আছে, তাই আমার উপরোক্ত দাবি গুলো জন দাবি বিবেচনা করে সরকার যদি সমাধান করতে পারেন তাহলে আপনার দলের সরকার কিয়ামত পর্যন্ত বাংলাদেশের মসনদে বসে থাকলেও কেউ উল্টাতে পারবেনা।
মাহফুজ
এপ্রিল ২৯, ২০১৬ at ৬:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যুগোপযোগী প্রস্তাব। তবে এগুলো কিন্তু লক্ষ-কোটি টাকা খরচের সংসদে বসে হরহামেশাই আলাপ হচ্ছে। কিন্তু সংসদের বাহিরে এর শতকরা ১০ ভাগও সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা জিয়া ভাই স্বদেমে এসে কয়েকদিন কাটিয়ে গেলেই বুঝতে পারবেন। তবে গ্রামগঞ্জের চিত্রটা যে আগের তুলনায় কিছুটা হলেও পাল্টেছে তা বলতেই হবে।
সত্য সন্ধানী
মে ৫, ২০১৬ at ৬:০৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এটাই মনে হয় এখন সবচেয়ে জরুরী বলে মনে হয় মুনিম ভাই। বিশেষ করে স্টার জলসা। এই বিষাক্ত চ্যানেলটি মানুষের চরিত্র নষ্ট করে সমাজে ফিতনা তৈরীতে ব্যপক ভুমিকা রাখছে। এই চ্যানেলে পরকিয়া কে খুব সহজ ভাবে দেখানো হচ্ছে,মানুষকে ভাবানোর চেষ্টা করাচ্ছে যেন এটা খুব স্বাভাবিক কাজ।
মুসলিম নরনারীর চরিত্র হেফাজতের জন্য এইসব বাজে চ্যানেল বন্ধ করা খুবই জরুরী।
ইসলাম শিক্ষার কথা বলার অপেক্ষা রাখে না কারন প্রতিটি মুসলিমের জন্য এটা ফরজ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো তে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য এর গুরুত্ব অপরিসীম। এতে সরকার হাত দিলে মারাত্বক ভুল করবে।
মাহফুজ
এপ্রিল ৩০, ২০১৬ at ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মহাথিরের মডেল মালয়েশিয়ার জন্য যতটা ফলপ্রসূ হয়েছে বাংলাদেশের জন্য ততটা উপযুক্ত কিনা তা বিবেচনার বিষয় বৈকি। তাছাড়া সেই মডেলের সকল বৈশিষ্ট্য অটুট থাকছে কিনা তাও দেখার বিষয়। শধুমাত্র মডেল নামের খোলস নিয়ে খেলা করলে কিন্তু শেষে হিতে বিপরীত হতে পারে।
সুজন সালেহীন
মে ১, ২০১৬ at ৭:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এবার দেখা গেছে যে, আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা জমজমাট হাটবাজারে হোমিও ডাক্তারদের মত চেম্বার খুলে বসে আছে। দুপাশে সারিবদ্ধ চেয়ার সাজানো। উদ্দেশ্য লোকজন উপহার-উপঢৌকন নিয়ে তার কাছে তদবিরের জন্য আসবে। এখন আওয়ামীলীগের নেতা-কমী মানে একেকজন সুপারম্যান! থানা-আদালত, সাব-রে়জিস্ট্রি অফিস, ভূমি অফিস, পৌরসভা ইত্যাদিতে তাদের দালালি ছাড়া কাজ হবেনা। এলাকায় ভিন্ন রাজনীতির কোন লোক থাকলে তাদের কোন ধরণের রাজনৈতিক ততপরতা না চালানোর শর্তে আওয়ামীলীগের নেতাকে চাদা দিয়ে এলাকায় থাকা যাবে। নচেত ফেরারী আসামী। আওয়ামীলীগের এমন পরাক্রমশালী প্রতাপ দেখে এখন উলামাদের ঈমান যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। কারণ আওয়ামীলীগ নেতার আকাম-কুকামকে সাপোর্ট না দিলে মসজিদ, মাদ্রাসা থেকে আউট। যেসমস্ত মাদ্রাসা চাঁদা ও দান সদকার উপর নির্ভরশীল, তারা তো টাকা পাইলে খুশী! এখন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা শপত ভঙ্গ করে প্রকাশ্যে শেখ হাসিনার পদলেহনের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ভোটের বাক্সে মৃত ও প্রবাসীদের ভোটও কাস্ট হয়ে যায়। এটাই হচ্ছে ১৬ কোটি মানুষের দেশে ১৮ কোটি আওয়ামীলীগের আসল রহস্য।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৪, ২০১৬ at ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ঠিক এই কথাটাই আমি বলতে চাইছি। সবাই নীতি-আদর্শ বিসর্জন দিয়ে এখন আওয়ামীলীগ সেজেছে। গত সপ্তাহে দেখলাম আমার গ্রামের বাজারের নামে একটা আওয়ামী পেইজ খোলা হয়েছে -- কারন এদের নেতা সদ্য আওয়ামীলীগে যোগ দিয়েছে -- যার নামে ৬টা মার্ডার কেইস (সবগুলো আওয়ামীলীগে নেতা কর্মী হত্যার) -- তারা এখন বড় আওয়ামীলীগ। এর এক একজন দুই জনের সমান -- কারন বিএনপির ভোটও পাবে -- নৌকার মার্কার ভোটও পাবে। সেই হিসাবে ্১৮ কোটি সংখ্যাট কমই মনে হচ্ছে।
সুজন সালেহীন
মে ৯, ২০১৬ at ২:৫৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তার মানে যাদের নীতি-আদর্শ নেই তারাই আওয়ামীলীগ! যার নামে ৬টা মার্ডার কেইস আছে, সে আওয়ামীলীগে যোগ দিতেই পারে। কারণ আওয়ামীলীগই তাকে বাঁচাতে পারে। আজ(০৯ মে, ২০১৬) প্রথম আলোতে দেখলাম আওয়ামীলীগের বর্তমান দয়ালু রাষ্ট্রপতির বদন্যতায় কিভাবে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা যুবলীগের মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত নেতাকে ফাঁসির দন্ড থেকে বাঁচিয়ে এখন জেলমুক্ত করার তদবির চলছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে(ততকাল পর্যন্ত) রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রাপ্ত ২৫ জন মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের মধ্য ২২ জন মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীই আওয়ামীলীগের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান সাহেব তার স্বল্পদিনের দায়িত্বে ক্ষমা করার সুযোগ পেয়েছিলেন! যারা সকলেই আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। যাদের মধ্যে আছে লক্ষীপুরের কুখ্যাত আওয়ামীলীগ নেতা তাহেরপুত্র বিপ্লব ও জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা আহসান হাবীব ওরফে টিটু। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান সাহেব তার সহকর্মী সাজেদা চৌধুরীর পলাতক দূর্নীতিবাজ ছেলেকে বিধি-বিধানের তোয়াক্কা না করে ১৮ বছরের কারাদন্ড ও দেড় কোটিরও বেশি টাকার জরিমানার দন্ডও মওকুফ করেছিলেন। এখন জানিনা উনি এতগুলো ফাঁসির আসামী ও দূর্নীতিবাজকে মওকুফের উছিলায় নিজেই প্রতিদান দিবসের মালিকের কাছে মওকুফ পান কিনা! এখন আওয়ামীলীগ মানে সর্বেসর্বা। আওয়ামীলীগ নেতার সাথে পরিচিত হতে না পারলেও শাস্তি আছে! হোক না সে সরকারের উচ্চপদস্হ কর্মকর্তা। এখন নির্বাচন মানে আওয়ামীলীগ ও আওয়ামীজাত লোকের জয়।
babul
মে ২, ২০১৬ at ১২:৪৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আওয়ামীলীগ বিরোধীদলকে ভালোভাবেই মোকাবেলা করেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।কিন্তু আওয়ামীলীগের জন্য অন্য এক নূতন বিপদ এসে উপস্থিত হয়েছে।বাঘ এল, বাঘ এল বলতে বলতে এবার সত্যি সত্যি বাংলাদেশে বাঘের উৎপাত শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগ এই ভয়ংকর জঙ্গীদের কীভাবে মোকাবেলা করে তা দেখার জন্য বাংলাদেশ সহ সারা পৃথিবী তাকিয়ে আছে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৪, ২০১৬ at ১০:২১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাংলাদেশের রাজনীতির যে দুই ধারা আছে -- তারা কোন ভাবেই পারষ্পারিক গনতান্ত্র্রিক আচরন করতে পারে না -- না কারন এদের মাঝে মৌলিক কিছু বিষয়ের পার্থক্য এতো বেশী যে -- এইটা এন্টোগোনেস্টিক কনফ্লিক্ট হিসাবে বিবেচিত হয় -- এখানে একদলের আদর্শকে পুরোপুরি পরাজিত হতে হবে -- তাই দেখলাম ১৫ই আগষ্ট পরে ২১ এ আগষ্টের মতো ঘটনা। তার বিপরীতে আওয়ামীলীগ নিয়েছে ভিন্ন স্ট্যাটেজী -- পরাজিত একজনকে হতেই হবে। আপাত দৃষ্টিতে আওয়ামীলীগ সুবিধাজনক অবস্থায় আছে কারন বিএনপির দূর্বল নেতৃত্ব -- বিএনপির নেতৃ্ত্বের পরিবর্তন হলে হাও্য়া ঘুরতে কতক্ষন।
আর যে সমস্যাটার কথা বললেন -- তা অনেকটা দুইধারী তলোয়ারের মতোই -- বুদ্ধি ঘাটিয়ে নিজের পক্ষে নেওয়া যাবে নয়তো তাদের বিপক্ষে চলে যাবে। তবে মুল ক্ষতি হবে দেশের -- যদি এই জঙ্গীবাদের কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায় -- তবে আমেরিকা স্বপ্রোনদিত হয়ে এগিয়ে আসবে -- সমস্যার শুরু হবে তখন থেকেই।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।
মহিউদ্দিন
মে ৪, ২০১৬ at ৮:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এ ব্লগটিকে অত্যন্ত নিম্নমানের রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার একটি বিকৃত পর্যবেক্ষণ বলা যায়। তা না হলে বাংলাদেশে বর্তমান শাসক গুষ্টির দল ছাড়া আর কোন দলই তেমন জনসমর্থন পাচ্ছে না এমন কথা বলার মত নির্লজ্জতা কেউ প্রকাশ করতে পারেনা।
পত্রপত্রিকা ও টিভির খবর, টকশো এবং সামাজিক মিডিয়াতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের বস্তুনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ পড়লে দেশের যে বাস্তবতা প্রকাশিত হয় তা দেখলে এবং পর্যবেক্ষণটি পড়লে এটাকে "মিথ্যার ফেরিওয়ালার" ব্যর্থ প্রয়াস বলা কি ভুল হবে?
এ প্রসঙ্গে নিম্নে বর্ণিত কথাগুলা যে মিথ্যা তা প্রমাণ করতে না পারলে লেখকের কথামতই তাঁকে সদালাপে লিখা বন্ধ করতে হবে।
প্রথম কথা হল, বাংলাদেশে এখন প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণের যে অভিযোগ উঠেছে তা সত্যি কি না? একদিকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণে দলীয় ক্যাডার ও গোপন নিরাপত্তা বাহিনী বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে তাদেরকে নির্যাতন, জুলুম, হত্যা, গুম, পঙ্গু করে, তাদের নেতাকর্মীদের দিয়ে জেল ভর্তি করে এবং অন্যদিকে জাতীয় সম্পদের হরিলুট করে, এক কথায় বন্দুকের জোরে দেশ শাসন করে “এখন বাংলাদেশে মূলত মাহাথিরের মডেলে শাসন চলছে" বলা কতটা নির্লজ্জতা ও বুদ্ধিহীনতার পরিচয় বহন করে তা বলার কি দরকার আছে?
তবে এটা বলা যায় যে, পশ্চিমাদের সকল সমালোচনা উপেক্ষা করে শাসক গুষ্টি দেশের নয় বরং তাদের নিজস্ব উন্নয়নকে প্রায়োরিটি দিয়ে সব কুকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এ সবের সমালোচনা করার সাহস যাতে কেউ না করতে পারে সে ব্যবস্থাও তারা পাকাপোক্ত করেছেন।
কোন জনপদ যখন একটি সন্ত্রাসী চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে যায় তখন সে দেশের মানুষের সমর্থন তাদের পক্ষে চলে গিয়েছে বলাটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কি অন্য কিছু বলা যায়?
কথা হচ্ছে দেশের সার্বিক পরিস্থিতির এই অবনতির ফলে কোন অঞ্চলে বিএনপি নেতা তার আপন গরজে আ-লীগে আশ্রয় নিয়ে নৌকা-মার্কা যে চাচ্ছে এটাই তো সন্ত্রাসের সীমা নির্ধারণ করছে। কে চাইবে সে গুম হোক, তার স্ত্রী বিধবা হোক, সন্তানরা এতিম হোক? “আসলে মানুষ ঝামেলা পছন্দ করে না” –এটা কি আর বলতে হয়?
আপনার গ্রামের উদাহরণ দিয়েই বলছেন, “এইটাই আসলে বাংলাদেশের চলমান হালচাল”। আর এটাই আপনার কাছে ‘প্যারাডাইম শিফট’ মনে হচ্ছে! কি অসাধারণ পর্যবেক্ষণ!
আজকে খবরে দেখলাম গত রবিবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া অভিযোগ করেছেন, "আজীবন ক্ষমতায় থাকতে আওয়ামী লীগ নতুন নতুন আইন করছে, সংবিধান সংশোধন করছে। নির্বাচনের নামে তারা ভোট কেন্দ্র দখল করে জোর করে নিজেদের প্রার্থীদের বিজয়ী করছে। আর তাদের সহযোগিতা করছে আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন।"
https://youtu.be/_mkasN73P3E
যে হেতু সরকার পক্ষের কেউ এ অভিযোগ অস্বীকার করতে পারছেনা তাই প্যারাডাইম শিফট বলে কিছু হলে সে শিফট হয়েছে রাজনৈতিক নৈতিকতা ও শিষ্টাচারের অধঃ:পতন। আর কিছু লোক দেশের রাজনীতিতে মাফিয়া চরিত্রের ভূমিকা রেখে যে উদাহরণ রাখছেন তা বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কময় অধ্যায় হয়ে থাকবে।
“ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা ব্যাপক ভাবে বিজয়ী হচ্ছে – বিএনপির দলী প্রার্থীর চেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীরা বেশী জিতেছে – কিন্তু তাদের সর্বমোট সংখ্যা অনেক কম”। এ কথা লিখার তাদের পক্ষেই সম্ভব যারা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে যে ভাবে পেশী শক্তি আর ভোট ডাকাতি হয়েছে তা দেখতে পায় নাই। আর এদের পক্ষে এরকম ব্লগ লিখে সদালাপের মান নষ্ট করতে নির্লজ্জতা অনুভব হবেনা।
আর কেউ শয়তানের পদান্ক অনুসরন করছে কি না তা বুঝতে হলে আমাদেরকে শয়তানের স্বভাব কি তা জানতে হবে। শয়তান আল্লাহতে বিশ্বাস করে কিন্তু নিজের দাম্ভিকতার জন্য আল্লাহর অবাধ্য হয়ে জাহান্নামের খাতায় নাম লিখিয়েছে। শয়তানের স্বভাব হল সে মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে মানুষকে বিপথগামী করে এবং আল্লাহর অবাধ্যতায় উৎসাহী করে। মানুষকে নৈতিকতা ও শিষ্টাচার বর্জনে উৎসাহী করে তার চারিত্রিক অধঃ:পতন ঘটায় এবং সমাজে অত্যাচারীদের দলে ভিড়ায়। মানুষকে শয়তানের বন্ধু না হতে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন।
আল্লাহ আমাদেরকে শয়তানের অছওয়াছা থেকে নিরাপদ রাখুন সে দোয়া রইল সদালাপের পাঠক সহ সবার প্রতি। -- আমিন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৪, ২০১৬ at ৯:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একটা নিম্নমানের ব্লগে এতো উন্নতমানের (গালিসহ) মন্তব্যের জন্যে আন্তরিক মোবারকবাদ। পরাজিত মানুষের লক্ষনগুলো সবই আপনাদের মাঝে দৃশ্যমান হচ্ছে। হতাশা থেকে গালি চলে আসে -- সামান্য সারকাজম বুঝার মতো সেন্স অব হিউমারটাও হারিয়ে যায়। কি আর করবেন -- নেতার দোষে দল ডুবলো -- আপনাদের আর কি করার আছে!
যাই হোক -- ভোট ডাকাতি, নির্বাচক কমিশন খারাপ এই ধরনের উন্নমানের বিষয়গুলো আমার আলোচনায় ছিলো না। আমি দেখতে চাইছিলাম একটা বড় দল কিভাবে নির্বিষ হয়ে শুধু লিপসার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে আর তৃনমুলের কর্মীরা হতাশ হয়ে অথবা ক্ষমতার লোভে দল বদল করে সরকারী দলে যোগ দিচ্ছে -- যার ফলে মানুষের থেকে আওয়ামীলীগই বেশী মনে হচ্ছে।
যাই হোক -- আপনার উন্নতমানের (মানে আর্ন্তজাতিক মানের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ) মেধার চর্চার জন্যে আমি গুগোলে একটা সার্চ দিয়ে ছিলাম -- "বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগ" এবং মাত্র প্রথম পাতায় যে নিউজের লিংক পেলাম তার একটা তালিকা দেখুন --
About 36,000 results (0.65 seconds)
১) ইছাখালীতে বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান
২) মেহেরপুরের কুতুবপুরে বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান.
৩)কাপাসিয়ায় বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান
৪) দীঘিনালায় দেড় শতাধিক নেতা কর্মী বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগ …
৫) বোচাগঞ্জে বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে ৩০নারীনেত্রীর যোগদান | দিনাজপুর …
৬) নাটোরের তেবাড়ীয়ায় বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে…
৭) বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে ডিগবাজি তবুও মেলেনি মনোনয়ন ·
৮)মেহেরপুরে বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান -- Andoloner Bazar
৯)মৈশাতুয়ায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান …
১০)মেহেরপুরের আমঝুপিতে দু'শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে …
১১) ঝাউদিয়ায় বিএনপি থেকে ২ হাজার নেতাকর্মীর আওয়ামীলীগে যোগদান ও জনসভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও গণমানুষের ভাগ্য নিয়ে বিএনপিকে আর ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না -জননেতা মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি. Jan 21, 2026 Rashedul Islam Biplob0. রাসেল কণ্ঠ প্রতিবেদক ॥প্রতিবেদক ॥ বিএনপি'র জন্ম অবৈধ। ক্যান্টনমেন্ট থেকে জন্ম নেওয়া …
১২) বিএনপি থেকে সদ্য আ'লীগে যোগদানকারীকে ইউপি চেয়ারম্যান পদে মনোনীত …
১৩) কুমারখালীর পান্টিতে অর্ধশত নেতা-কর্মী বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান
১৪)কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টিতে ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৯টায় গোলাবাড়ী চত্বরে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে অর্ধশত নেতা-কর্মী বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। এ অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক বর্ষিয়ান আওমীলীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা জাহিদ হোসেন জাফর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে …
১৫) গাংনীতে বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান
১৬) নাটোরের নলডাঙ্গায় বিএনপি থেকে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামীলীগে যোগদান করেছে।
১৭)লৌহজংয়ে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান …
এক সময় শুধু খালেদা জিয়া আর তারেক ছাড়া হয়তো সবাই বাকশালী হয়ে যাবে -- এমন ধারনা করা কি ভুল হবে (অবশ্য জামাতী যারা বিএনপির ভিতরে ভেড়ার ছাল পড়ে জাতীয়তাবাদী সেজে বসে আছে তারা শেষ পর্যণ্ত বিএনপিতে থেকে যাবে।)
মহিউদ্দিন
মে ৫, ২০১৬ at ৫:৫৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার উপরের মন্তব্যে আরেকটি কথা সংযুক্ত করা দরকার। কোনো সন্ত্রাসী স্বৈরাচারী সরকার রাষ্ট্রযন্ত্র দলীয়করণ করে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে ও দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে নির্মূলের জন্য যখন সাড়াশি আক্রমণ চালায়, অপরের নাগরিক অধিকার কেড়ে নেয়, জেল জুলুম আর অত্যাচারের ষ্টীম-রোলার চালায় এবং এই বাস্তবতার প্রেক্ষিতে অপর দলের নেতা কর্মীরা তাদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্য যদি স্বৈরাচারেরই দলে গিয়ে “ভিড়” করে, তবে এই চিত্রটিই আসল সত্যের গুমর ফাঁক করে দেয়। একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা কতটুকু অসুস্থ হলে তা হতে পারে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই প্রেক্ষিতে, অসুস্থ পক্ষের কোনো লোক যদি তাদের “সাফল্য (!)” দেখাতে বলে যে ‘এখন সব দলের নেতাকর্মীরা আমাদের দলে এসে ভিড় করছে’ তখন সে যে বোকামি করে তার নিজ পক্ষের অন্যায়ের সাক্ষ্য বহন করে যায় সেকথা ব্যাখ্যারও অপেক্ষা রাখে না।
এই জগতে আদম ও শয়তানের খেলাই চলছে। কিতাব কোরানে রয়েছে যে শয়তান মন্দকে ভাল আকারে দেখায় এবং মানুষকে মন্দের জাস্টিফিকেশন শিখায়। শয়তান নিজেই আল্লাহর আনুগত্য বাদ দিয়ে তার নিজের অবস্থা উত্তম দেখাতে চেয়েছিল। এটি হচ্ছে পথভ্রষ্টতা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে মন্দ থেকে বাঁচার তৌফিক দিন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৫, ২০১৬ at ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একটা কেন -- হাজার হাজার কথা সংযুক্ত করুন। আমাকে আওয়ামীলীগ বানান -- সেই স্বাধীনতা আপনার আছে।
আপনার ভাষ্য মতে জানের ভয়ে সবাই আওয়ামীলীগে যোগ দিচ্ছে -- পক্ষান্তরে আপনিও স্বীকার করলেন যে দলে দলে একন সবাই আওয়ামীলীগ হয়ে যাচ্ছে। ধন্যবাদ। এইটা সাফল্য বলে আমি কোথাও বলিনি -- বলেছি বিরোধীদলের দেউলিয়াত্ব এবং নেতৃত্বের অক্ষমতা।
যাই হোক -- আওয়ামীলীগ শত শত খারাপ কাজ করছে সন্দেহ নেই -- কিন্তু যতক্ষন বিরোধীদলে সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করে আইভি রহমানের মতো একজন নেত্রীকে হত্যা না করছে -- যতক্ষন কিবরিয়ার মতো একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদকে হত্যা না করছে -- ততক্ষন তারা বাংলাদেশের জন্যে সীমা অতিক্রম করছে না। সেইটাই লক্ষ্য করছি।
-- এ্ই দোয়া আমারদের সবার জন্যেই প্রযোজ্য -- বিশেষ করে যারা হেফাযতের সমবেশের নামে তান্ডবের পর পাঞ্জাবীর গল্প প্রচার করে তাদের জন্যে আরো বেশী করে প্রযোজ্য -- আমিন।
মহিউদ্দিন
মে ৬, ২০১৬ at ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনাকে আওয়ামীলীগ বানাতে আমাকে কথা সংযুক্ত করতে হবে না এবং আমার মন্তব্যের উদ্দেশ্যও সেটা ছিলনা। আসলে এ খেতাব পাওয়ার জন্য আপনার বিকৃত পর্যবেক্ষণই যথেষ্ট। আপনার লিখা পোষ্টে ও বিভিন্ন মন্তব্যে এর অসংখ্য উদাহরণ আছে। আপনি দেশের বর্তমান ক্ষমতাসীনদের হেন অপকর্ম নাই যা অন্ধভাবে সমর্থন করতে চান নাই কিংবা সে সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তার উত্তর দিতে এড়িয়ে যান নাই। আমার উপরের (১১ ন) মন্তব্যে উল্লেখিত পয়েন্টগুলা এড়িয়ে গিয়ে যে পাগলের প্রলাপ করেছেন সেটাই যথেষ্ট আপনি নিজেকে কার সমর্থক তা প্রমাণ করতে।
আপনার যুক্তি হল বর্তমান ক্ষমতাসীনদের হত্যাকাণ্ড বা অত্যাচার এখনো সীমা অতিক্রম করছে না কেননা তা আপনার দৃষ্টিতে আইভি রাহমানের হত্যার মত নয় (!) যদিও সে হত্যা আ'লীগ বিএনপির উপর চাপায় আর বিএনপি থেকে আ'লীগের রেন্টুকান্ডের বিষয় বলে উল্লেখ করে আর আপনি বর্তমানের সকল হত্যা, গুম, নির্যাতন, জ্বালাও পোড়াও ও প্রতিপক্ষ নির্মূলের কাণ্ডকে এই বিচারে এখনো সীমা অতিক্রম হয় নি বলছেন!!! কি মহান বিবেক! কি সুন্দর যুক্তি! এতে যে কোনো বিবেক নাই, অন্ধত্ব ও ফ্যাসিবাদ প্রকাশ পেয়েছে তা বুঝার মত মানসিক অবস্থা আপনার হবেই বা কেমনে কারণ আপনি সর্বত্র বিজয়ের লক্ষণ দেখছেন!
বিএনপি যদি সেই হত্যাকাণ্ড করেও থাকে এবং আরও শতাধিকও করে তবুও কি আপনার দলের সব কুকর্ম জাস্টিফাই হয়ে যায়? আর এসব অন্যায়কে সমর্থন না করলে পরাজিত বলে চিহ্নিত হবে হবে?
Points to be noted:
(১)আল্লাহ রাব্বুল আ'লামিন পাপীকে "জালিম" বলে আখ্যায়িত করেন কারণ সে পাপ করে নিজের ক্ষতি করছে নিজের প্রতি জুলুম করছে। কিন্তু কোন পাপীরাই তা বুঝতে সক্ষম হয়না যতক্ষণ না তাদের উপর আল্লাহর গজব নাজিল হয়। জালিমদের এটাই চরিত্র। শয়তান তাদেরকে সে ভাবে চলতেই বুদ্ধি দেয়।
তাই মানুষকে হত্যা করে তারা দায় মুক্ত হতে চায় বিজয়ের উল্লাসে! কারো অপকর্ম বা জুলুম দেখে কেউ যদি বোকার মত বত্রিশ দাঁত বাহির করে হাসি দিতে চায় সেটা তার রুচি। তবে কারো রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার মূল্যহীন কথার সমালোচনা করলে “পরাজিত মানুষের লক্ষণ হয়ে যায় না কিংবা গালি হয়ে যায় না।
আর এখানে কিসের জয় কার পরাজয়ের প্রসঙ্গ আনতে চান? কোন সন্ত্রাসী গুষ্টির কাজের সমালোচনা করলে কারো পরাজয়ের লক্ষণ দেখতে পাওয়া একমাত্র বিকারগ্রস্ত মানসিকতার মানুষের পক্ষেই সম্ভব!
আমি আপনার মত দলীয় রাজনীতির পূজা করি না। আপনি অথবা আপনার দলকে আমার পরাজিত করার কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। যারা ইতিমধ্যে সভ্য সমাজের যে কোন মানদণ্ডে অপরাধী বলে চিহ্নিত হয়ে আছে এবং দেশের জনগণের কাছে পরিত্যক্ত হওয়ার ফলে ভোট ডাকাতি করতে হয়েছে এবং দেশের মানুষের ক্ষোভের পাত্র হয়ে আছে বলে রাষ্ট্রীয় সকল প্রশাসনিক যন্ত্রকে দলীয়করণ করে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে হয়েছে তারা তো এমনিতেই পরাজিত। শুধু সময়ের ব্যাপার তার পরিণাম দেখতে।
আজ ৫ই মে মনে পড়ে ২০১৩ সালের হেফাজতের সমাবেশের উপর সরকারের জঘন্যতম হামলার শিকারে নিহত মানুষদের কথা দু:খের সাথে স্মরণ করছি। সে গণহত্যাকে আপনি উল্টো "হেফাজতের তাণ্ডব" বলে ব্যঙ্গ করেছেন! সে দিনের সে করুন ঘটনার প্রামাণ্যচিত্রের ভিডিওটির লিংক দিলাম পাঠকদের খেদমতে।
(২) শয়তান থেকে বেঁচে থাকার কথা কেবল বললেই চলবে না। শয়তানই মন্দ কাজকে চৌকশ দেখায়, জাস্টিফিকেশন সৃষ্টি করে। সুতরাং এসব কাজ বাদ দিতে হবে। আ'লীগের স্তূপীকৃত অপরাধের রাজনীতিকে মাহাথিরের মডেল বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। অপরের কোন অন্যায়ের অজুহাত দেখিয়ে নিজেদের জন্য অন্যায় ও কদর্য কর্ম জাস্টিফাই করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
(৩) “পক্ষান্তরে আমি আপনার বিএনপির লোক দলে দলে আ'লীগে আত্মাহুতির কথা কখনো স্বীকার করি নি এটা আপনার কথা, আপনি এখনো পাঠ শিখেন নি। “যদি" কথার অর্থ এখনো না বুঝলে আর কখন বুঝবেন -আল্লাই জানেন।
আপনি যে কয়টি আপনার দলীয় শিরোনাম লিস্ট করেছেন, তাতে কোন লিঙ্ক নেই, গুগলিং করলে দেখা যায় দলীয় প্রোপাগান্ডাই এতে বেশি। বিএনপি একটি বড় দল। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মোকাবেলায় –চরম বিপদের দিনে যদি কিছু লোক ঠিকে থাকতে না পারে, তাতে এই গোটা দল শেষ হয়ে যায় না। “রাজনৈতিক দলগুলো সমর্থন ক্ষণস্থায়ী বিষয় – নীতি-আদর্শহীন রাজনৈতিক কর্মীরা সময় সুযোগ বুঝে আবারো দল বদলাবে সন্দেহ নেই –এটা তো আপনারই কথা।
আল্লাহ আপনাকে সুস্থ চিন্তায় সাহায্য করুন। আমীন। আমীন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৬, ২০১৬ at ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এতো দিন বিকৃত শব্দটার অন্য অর্থ জানতাম -- এখন অন্য অর্থ শিখলাম। বিবৃত পর্যবেক্ষন কথাটা দারুন। মানে আপনি যেভাবে একটা জিনিস দেখেন সেই ভাবে না দেখলে তা বিকৃত -- কথাটা উল্টা্ওতে হতে পারে -- আপনি যা দেখছেন তা এক চোখে দেখেন -- যেমন আপনি বিএনপি-জামাতের কোন ভুল দেখেন না -- অন্যায় দেখেন না। সেইটা কিন্তু বিকৃত না -- সেইটা অবিকল যা দেখতে চান তাই।
যাই হোক -- আমি আগেও বলেছি আবারও বলি -- অবশ্যই বর্তমান সরকারকের অনেক বিষয় আমার পছন্দের -- যদিও দল হিসাবে আওয়ামীলীগের বিষয়ে অনেক রিজার্ভেশন আছে -- তবে অবশ্যই বাংলাদেশের ইতিহাসের আলোকে আওয়ামীলীগ অনেক বেশী গ্রহনযোগ্য দল আমার কাছে। বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধী দল জামাত আর তার আশ্রয়দাতা সামরিক স্বৈরশাসকের আতুরঘরের জন্ম নেওয়া দল বিএনপিকে কোন ভাবেই বাংলাদেশের পক্ষের দল মনে করিনি -- কারন এরা সব সময় অন্যায় আর মিথ্যাচারে ভিতরে ডুবে থাকে।
আপনিও বরাবরের মতোই এবারও আমার লেখা বাদ দিয়ে আমাকে নসিহত করতে উৎসাহী হয়ে গেলেন। আপনার কি মনে হয় আমি না জেনেই কথা বলি! মোটেও না -- জীবনের একটা অংশ সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারনে কিছুটা রাজনীতি বুঝি বলেই এই দেখা। যাই হোক -- যারা পাঞ্জাবীর গল্প প্রচার করে এবং বিচারের রায় বিপক্ষে গেলে তা নিয়ে কটুক্তি করে তারা যখন অন্যের বিবেক বুদ্ধি নিয়ে নসিহত করে তখন মজাই লাগে।
আমার জন্যে দোয়া করার জন্যে কৃতজ্ঞতা জানাই। দোয়া করবেন যেন বাকী জীবন সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলতে পারি। ধন্যবাদ।
--
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৬, ২০১৬ at ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি একজন জ্ঞানী মানুষ -- সেই কথাটা আমি অনেক আগেই বলেছি। আপনার জ্ঞান সব সময় প্রখর থাকে আওয়ামীলীগ আর ভারতের বিষয়ে -- এই কথাটাও জানি। তাই বলে আমি একজন মুর্খ মানুষ হিসাবে একটা ব্লগও লিখতে পারবো না -- এইটা কোন বিচার?
(১)আল্লাহ রাব্বুল আ'লামিন পাপীকে "জালিম" বলে আখ্যায়িত করেন কারণ সে পাপ করে নিজের ক্ষতি করছে নিজের প্রতি জুলুম করছে। কিন্তু কোন পাপীরাই তা বুঝতে সক্ষম হয়না যতক্ষণ না তাদের উপর আল্লাহর গজব নাজিল হয়। জালিমদের এটাই চরিত্র। শয়তান তাদেরকে সে ভাবে চলতেই বুদ্ধি দেয়।
>>> এই কথাটা একদম সত্য -- তাইতো দেখছি ৭১ এর জালেমরা আজ কিভাবে অপমানিত হচ্ছে। দোয়া করবেন যেন আল্লাহ সকল জালেমদের একই ভাবে অপদস্থ করে। দেখুন ৭১ সালে পাকিস্তানীরা মুসলিম ছিলো -- তারা কিন্তু বাংলাদেশের মুসলিম বোনদের ধর্ষন থেকে রেহাই দেয় নাই -- তাদের এই জুলুমের সহায়তাকারীদের বিচার করে আওয়ামীলীগ যে ভাল কাজ করছে তা ওদের ছোট খাটো অন্যায়গুলোকে আড়াল করে দিচ্ছে। অন্তত প্রবাসী হিসাবে আমি এই কারনে আওয়ামীলীগের উপর খুশী। আশা করি বুঝাতে পারছি।
তারপরও বলতাম আওয়ামীলীগ খারাপ কাজ করছে -- যদি না দেখতাম জামাত-বিএনপি আন্দোলণের নামে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারছে -- দেশের অরাজকতা করছে। এরাতো আরো বড় জালেম। আসেন এ্ ইসব জালেমদের ধ্বংসের জন্যে সবাই দোয়া করি।
তাই মানুষকে হত্যা করে তারা দায় মুক্ত হতে চায় বিজয়ের উল্লাসে! কারো অপকর্ম বা জুলুম দেখে কেউ যদি বোকার মত বত্রিশ দাঁত বাহির করে হাসি দিতে চায় সেটা তার রুচি। তবে কারো রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার মূল্যহীন কথার সমালোচনা করলে “পরাজিত মানুষের লক্ষণ হয়ে যায় না কিংবা গালি হয়ে যায় না।
>>> আপনি বোধ হয় কিছুটা উত্তেজিত হয়ে আছেন -- তাই আমার ব্লগটা না পড়েই আমাকে হেয় করার জন্যে যাচ্ছেতাই কথা বলে যাচ্ছেন। এইটা আপনার দূর্বলতা -- কিছুদিন আগে মাহফুজকে গালাগালি করলেন -- এখন আমাকে গালি দিচ্ছেন -- কারন আপনি আসলে পরাজিত -- আওয়ামীলীগ বিজয়ী কি না জানি না -- তবে জামাত এবং তার সমর্থকরা পরাজিত এবং হতাশ -- তার সকল লক্ষন আপনার মাঝে দেখা যাচ্ছে। না হলে সামান্য স্যাটায়ারটাও বুঝার ক্ষমতা আপনার নেই -- এইটা কি বুঝতে পারছেন ্না?
আর এখানে কিসের জয় কার পরাজয়ের প্রসঙ্গ আনতে চান? কোন সন্ত্রাসী গুষ্টির কাজের সমালোচনা করলে কারো পরাজয়ের লক্ষণ দেখতে পাওয়া একমাত্র বিকারগ্রস্ত মানসিকতার মানুষের পক্ষেই সম্ভব!
>>> সন্ত্রাস শুধু আওয়ামীলীগ করে না জনাব -- সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী দল হলো জামাত -- যারা ৭১ সাল থেকে এই কাজ করছে -- লক্ষ্য করবেন -- ২০০৮ সালে শিবিরই প্রথম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যায়লের ছাত্রলীগ নেতা ফারুককে মেরে ম্যানহোলে ফেলে রেখেছিলো -- তার পরই সরকার তাদের উপর চড়াও হয়েছে। শুরুটা শিবির করেছে -- তাই কান্নাকাটি করে লাভ নেই। ক্ষমতা গেলে মাত্র ৩০ মিনিটে দেশ থেকে ছাত্রলীগ তাড়ানো হুমকী কিন্তু শিবিরের নেতারই দেয়। আর বিএনপি ভাড়াটিয়া দিয়ে জীবন্ত মানুষ মারে -- তাই একক ভাবে কোন দলকে বা গোষ্টীর বিরুদ্ধে কথা বলা ভুল হবে -- যদিনা আমি অন্ধ হই।
আমি আপনার মত দলীয় রাজনীতির পূজা করি না। আপনি অথবা আপনার দলকে আমার পরাজিত করার কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। যারা ইতিমধ্যে সভ্য সমাজের যে কোন মানদণ্ডে অপরাধী বলে চিহ্নিত হয়ে আছে এবং দেশের জনগণের কাছে পরিত্যক্ত হওয়ার ফলে ভোট ডাকাতি করতে হয়েছে এবং দেশের মানুষের ক্ষোভের পাত্র হয়ে আছে বলে রাষ্ট্রীয় সকল প্রশাসনিক যন্ত্রকে দলীয়করণ করে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে হয়েছে তারা তো এমনিতেই পরাজিত। শুধু সময়ের ব্যাপার তার পরিণাম দেখতে।
>>> আপনি কি পাগলের মতো প্রলাপ বকেন -- যুদ্ধাপরাধের বিচার চাইলেই দলীয় রাজনীতির পুঁজা করা হয় এই ধরনের কথা বলার মাঝে আপনার কি আনন্দ জানি না। তবে আপনি যে একজন জামাতি তা প্রমানিত -- তবে সাহসের অভাবে সুশীল সেজে আছেন এই আর কি।
আজ ৫ই মে মনে পড়ে ২০১৩ সালের হেফাজতের সমাবেশের উপর সরকারের জঘন্যতম হামলার শিকারে নিহত মানুষদের কথা দু:খের সাথে স্মরণ করছি। সে গণহত্যাকে আপনি উল্টো "হেফাজতের তাণ্ডব" বলে ব্যঙ্গ করেছেন! সে দিনের সে করুন ঘটনার প্রামাণ্যচিত্রের ভিডিওটির লিংক দিলাম পাঠকদের খেদমতে।
>>> হেফাযতের নামে সেই দিন শিবিররা তান্ডব করেছে -- সেই্ কথাটা বলতে ভুল করেছি। হেফাযত এখন বুঝতে পেড়েছে বলেই চুপ করে আছে। ইমানী আন্দোলনের নামে যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করতেই জামাত অর্থ বিনিয়োগ করে কিছু সুবিধাবাদী লোকের মাধ্যমে মা্দ্রাসার কোমলমতি ছাত্রদের মতিঝিলে নিয়ে এসেছিলো -- তাদের উ্ত্তেজিত করেছে -- তাদের উপর পুলিশ একশানে যেতে বাধ্য হয়েছে -- কারন দেশকে অরাজকতার মাঝে রাখা কোন সরকারের কাজ না। আর তার মাঝে বিএনপি ্সুবিধা নিতে চেষ্টা করেছে। সরকারের পক্ষে তাদের তাড়ানো ছাড়া কি করার ছিলো -- পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালানো -- আরেকটা আফগানিস্তান বানানো। সুতরাং হেফাযত নিয়ে আপনাদের কুম্ভিরাশ্রু বর্ষণ সত্যই হাস্যকর। মাদ্রাসার যে ছাত্ররা মারা গেছে তার দায় যেমন সরকারের তেমনি যারা তাদের মিথ্যা কথা বলে নিয়ে এসেছিলো -- তাদেরও।
বাই দ্যা ওয়ে ৩০০০ হাজার মানুষ মারার যে প্রপাগান্ডা করছিলেন তাদের নামের তালিকাটা কই?
(২) শয়তান থেকে বেঁচে থাকার কথা কেবল বললেই চলবে না। শয়তানই মন্দ কাজকে চৌকশ দেখায়, জাস্টিফিকেশন সৃষ্টি করে। সুতরাং এসব কাজ বাদ দিতে হবে। আ'লীগের স্তূপীকৃত অপরাধের রাজনীতিকে মাহাথিরের মডেল বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। অপরের কোন অন্যায়ের অজুহাত দেখিয়ে নিজেদের জন্য অন্যায় ও কদর্য কর্ম জাস্টিফাই করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
>>> আপনার কথা মনে হচ্ছে আপনি ইদানিং বেশ শয়তান বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠেছেন -- কে শয়তান আর কেন ভাল এই বিচারের গুরুভার আপনি কিভাবে পেলেন জানলে কৃতার্থ হতাম। আওয়ামীলীগ কি করবে না করবে তা আমাকে বলে কি লাভ -- আমি কি আওয়ামীলীগে এজেন্সী নিয়ে বসে আছি নাকি? প্রয়োজন হলে আপনি প্রকাশ্য আওয়ামীলীগকে নসিহত করেন -- আমাকে কেন?
(৩) “পক্ষান্তরে আমি আপনার বিএনপির লোক দলে দলে আ'লীগে আত্মাহুতির কথা কখনো স্বীকার করি নি এটা আপনার কথা, আপনি এখনো পাঠ শিখেন নি। “যদি" কথার অর্থ এখনো না বুঝলে আর কখন বুঝবেন -আল্লাই জানেন।
>>>আমি এখনও পাঠ শিখছি -- বিশেষ করে ছুপ্পা জামাতিদের কাছ থেকে।
আপনি যে কয়টি আপনার দলীয় শিরোনাম লিস্ট করেছেন, তাতে কোন লিঙ্ক নেই, গুগলিং করলে দেখা যায় দলীয় প্রোপাগান্ডাই এতে বেশি। বিএনপি একটি বড় দল। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মোকাবেলায় –চরম বিপদের দিনে যদি কিছু লোক ঠিকে থাকতে না পারে, তাতে এই গোটা দল শেষ হয়ে যায় না। “রাজনৈতিক দলগুলো সমর্থন ক্ষণস্থায়ী বিষয় – নীতি-আদর্শহীন রাজনৈতিক কর্মীরা সময় সুযোগ বুঝে আবারো দল বদলাবে সন্দেহ নেই –এটা তো আপনারই কথা।
>>> আমি গুগুল থেকেই পেলাম। কি আর করা।
মহিউদ্দিন
মে ৮, ২০১৬ at ৮:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাইজান,
এবার তো দেখছি একেবারে স্যাটারিকের নির্বোধ বিবস্ত্র নৃত্যের প্রদর্শনী!
ভাইজান আপনি মধ্য-রাতে কেঁদে উঠেছেন। আপনি আমলীগের প্রতিপক্ষ নির্মূলের রাজনৈতিক এজেন্সি চালাতে যেসব নিম্নমানের ফালতু ব্লগ লেখেন এবং এই যে বিশেষ ব্লগটির মিথ্যা ফেরি (রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ!) নিয়ে আমি মন্তব্য করছি তাতে হঠাৎ মধ্যখানে ব্লগ না পড়ার কান্না কেন, এভাবে হুশ-হারা, দিশেহারা হলে এজেন্সি চলবে কিভাবে? উপর থেকে আবার পড়ে দেখুন, আর স্পষ্ট করে বলুন কোন অংশটি পড়া হয় নি? ফালতু বিকৃত বিষয়কে পর্যবেক্ষণ বলে যে হাস্যকর কথাবার্তা বলছেন তা কি অন্যের দুর্বলতা বলে ঢাকা যাবে? আপনার পরিচিতি তো আপনার নিজ লেখাটিতে বিদ্যমান। আপনার বক্তব্যই আপনাকে হেয় করছে।
আমি আপনাকে হেয় করার কিছু করি নাই বরং করেছি আপনার বিকৃত পর্যবেক্ষণকে (distorted observation) আর ‘dis·tort·ed’ -এর অর্থ হল giving a misleading or false account or impression, এক কথায় মিথ্যা বর্নণা। আপনার মিথ্যাচারের এজেন্সি আপনার ফেসবুকে চলালেই চলত কিন্তু তা সদালাপের মত ই-জার্নেলে তা শোভা পায় না। একমাত্র আপনিই এখানে ‘স্পষ্টভাবে’ (overtly) দলীয় ক্যাডারগীরি করেন।
অপ্রাসঙ্গিকভাবে, অস্থানে, জামাতের গান, মুখস্থ করা "ছোপা জামাতি" শব্দ আওড়ানো তাপর সেই জামতিরা পরাজিত-এসব বলে "স্যাটারিক" সমর্থনে বিবস্ত্র নৃত্যের প্রদর্শনীর প্রয়োজন হল কেন? আপনার অচল মিথ্যাচার আর মডেলের বক্তব্য এখন "স্যাটায়ারমূলক” মহাকাব্য হয়ে গিয়েছে এবং কাব্য-নিহিত মূর্খতার সমালোচনা করলে তা স্যাটারিকভাবে একাত্তর, জামাত, ও তাদের পরাজয়ের লক্ষণ! What a satirist! ওরে বিনোদন! আর এই স্যাটায়ারে, যেভাবেই হোক, আমি একজন "সুশীল!" আপনার লেখা আর পরের কথা এটাই প্রমাণ করে যে আপনি স্যাটায়ারের অর্থ বুঝেন নি। আপনি আরও কত ফালতু কথা বলবেন আল্লাই জানেন।
খুন, গুম, জালিয়াতি, ব্যাঙ্ক লুট, নির্যাতন ইত্যাদির পক্ষের গান স্যাটায়ার হয়ে গিয়েছে। ব্যাঙ্কের সাফাইও স্যাটায়ারে গাচ্ছেন, এই সরাকার সব দুর্নীতি, জুলুম জালিয়াতির পরও সীমার মধ্যে আছে তাই স্পষ্ট ভাষায় এর সমর্থন দিয়ে স্যাটায়ার মারছেন! এগুলো তো সাক্ষাতভাবে বোকার মত বত্রিশ দাঁত বের করা স্যাটায়ার। দলীয় ক্যাডাররা কি স্যাটারিস্ট হওয়ার যোগ্যতা থাকে? মাটিতে লুটিয়ে পড়া স্যাটায়ারে দুর্গতি আর মিথ্যাচারকে কেউ বলিষ্ঠভাবে মন্তব্য করলেই তা গালি হয়ে যায়? আমি কই গালি দিলাম? আমি মাহফুজকেও কোন গালি দেই নি। ইসলামী সাহিত্যের পরিভাষা সম্পর্কে আপনার কোন ধারণাই নেই।
আরো কথা আছে সময় হলে পরে লিখা যাবে, এখন সময় নাই ।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৮, ২০১৬ at ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একজন শুরু করলো গালি -- তার পিছনে আপনি এসে "ফালতু" ক্যাডারগিরি" "মিথ্যা" ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করছেন -- কিন্তু স্পেসিপিকেলি কোন লাইনটা আপনার কাছে মিথ্যা মনে হচ্ছে তা যদি বলতেন। সেইটা করছেন না -- আশপাশ দিয়ে নানান ভাবে গালাগালি করছেন। বুঝাই যাচ্ছে কচু খেয়ে নেমেছেন। গালি এতোদিন খেতাম শিবির আর নাস্তিকদের কাছে -- এখন খাই ছুপা জামাতিদের কাছে। এইটা ভালই -- যার যার চেহারা এসে দেখিয়া যাচ্ছেন এখানে। হয়তো আরো দেখাবেন।
যাই হোক -- সদালাপ হেফাযতের পাঞ্জাবীর গল্প ছাপানোর জায়গা বটে -- জার্নাল হিসাবে স্বচছ ও আন্তর্জাতিক মানের ব্লগ লেখেন আপনি -- আমাকে মাফ করেন। আমি আমার চোখ দিয়ে দেখি -- আপনার চোখ দিয়ে দেখিনা। যারা লক্ষ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত হারানোর বিচারকে জুডিশিয়াল কিলিং বলে তাদের মতো সচ্ছ ্ আর আন্তর্জাতিক মানের ব্লগ যে আমাকে লেখতে না হয় এই দোয়াই করি সব সময়।
যদি পারেন -- লেখার থেকে মিথ্যাগুলো বের করে প্রমান করুন -- তা হলে একই কথা থাকলো -- আমি আর ব্লগ লেখবো না। বেহুদা মুখস্ত রেকর্ড ভাল লাগে না। জামাতিদের পরাজয়ের কষ্টটা বুঝি -- কিন্তু কি করা -- সবাই নিয়তি।
মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন
মে ৫, ২০১৬ at ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
This type of post should be removed.
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৬, ২০১৬ at ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কেন ভাইজান -- সমস্যাটা কোথায়?
মুনিম সিদ্দিকী
মে ৫, ২০১৬ at ২:০৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
উপমহাদেশে গণতন্ত্র নামক রাজনৈতিক দর্শন চালু করেছিলো বেনিয়া ব্রিটিশ। তারা বুঝেছিল যে জোর করে তাদের কলোনিগুলো বেশীদিন তাদের অধীনে রাখতে পারবেনা। আজ হোক কাল হোক তাদেরকে তাদের সীমানায় ফিরে যেতে হবে। তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা কলোনির মানুষদেরকে দিয়ে তাদের স্বার্থরক্ষা করতে হবে। তখন থেকে তারা এমন প্রজন্ম সৃষ্টিতে মনোনিবেশ করে, যারা হবে স্বদেশী কিন্তু আকলে জ্ঞানে হবে তাদের অন্ধ অনুসারী।
তাদের পরিকল্পনা মোতাবেক তারা যখন একদল চেহারা সুরতে এদেশীয় আর চিন্তা চেতনায় ব্রিটিশ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। তখন তারা কংগ্রেস নামক রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করে। তাদের উদ্দেশ্য এই দলের কাছে তারা শাসন ক্ষমতা দিয়ে ভারত ছেড়ে চলে গেলেও এরাই তাদের স্বার্থ রক্ষা করে চলবে।
এই উপমহাদেশে ভারত বলেন আর পাকিস্তান কিংবা অধুনা বাংলাদেশ এই সব দেশে যত প্রকার রাজনৈতিক দল আছেনা কেন, এই সকল দল ই কংগ্রেসের গর্ভ থেকে জন্ম নেয়া দল।
এখন উপমহাদেশের রাজনীতি আর জনসেবা মূলক রাজনীতি নয়। শুরুতে থাকলেও এখন ক্রমান্বয়ে রাজনীতি হয়ে উঠেছে অর্থ বিত্ত লুণ্ঠনের আইনি হাতিয়ার।
একজন ব্যবসায়ী তার অর্থ ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগ করে তখন যখন সে সকল হিসাব নিকাশ করে নিশ্চিত হয় যে, এই ব্যবসায় তার বিনিয়োগকৃত অর্থে লোকসান হবেনা এক টাকা বিনিয়োগ করে লাখো টাকা ফায়দা হবে।
বর্তমান বাংলাদেশের নির্বাচনী হালচাল দেখে আমার মনে এই বিশ্বাস দৃঢ় হচ্ছে, এই সব নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থী বিজয়ী হয়ে আসার কোন সম্ভাবনা নেই। তাই বিরোধী দলের ব্যবসায়ী মনোভাব সম্পন্ন রাজনীতিবিদরা নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে নিজেদের অর্থের বিনাশ কিংবা জীবন বিনাশের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে দূরে বসে আছেন। প্লাস কোন সম্পদ অফুরন্ত নয়। বিএনপি ক্ষমতায় থাকা কালে যে সব অর্থ বিত্ত কুক্ষিগত করেছিলেন, সাত বছরের অধিক সময় মামলা হামলায় পড়ে তাদের অর্জিত সে সম্পদ তাদের হাতে নেই। যে কারণে নির্বাচনে আগের প্রার্থীরা পুন-প্রার্থী হতে চাইছেন না।
বর্তমান বাংলাদেশের যে রাজনৈতিক অবস্থা তাতে বিরোধী দলীয় রাজনীতি যে নামকা ওয়াস্তে পরিণত হয়ে পড়েছে সে অবস্থা বুঝার জন্য ডক্টরেট ডিগ্রীর দরকার নাই। বিরোধী দল রাজনৈতিক ময়দানে নেই তো কি হয়েছে? বাংলাদেশের মানুষ কি জান্নাতুল ফেরদাউসে বাস করছেন? নাগরিকরা কি শান্তিতে আছেন?
দুনিয়াতে প্রতি ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া থাকে। বিরোধী দল ময়দানে নেই, এখন ক্ষমতাসীনরা নিজেরা নিজেদের মধ্যে কামড়া কামড়ি শুরু করেছে, এই ক্রিয়া আরো প্রবল হবে। এদের মধ্যে দুর্বল পক্ষ তাদের স্বার্থ হাসিল করতে বিরোধী দল কিংবা প্রকৃত সন্ত্রাসীদের সাথে আঁতাত করবে, বিদেশী শক্তির সাথে আঁতাত করবে, বিক্ষুব্ধ মিডিয়া এবং রাষ্ট্রের ভিতের মধ্যে যারা বখরা কম পেয়েছেন, যারা ক্ষমতাসীন সরকারের উপরের নারাজ হয়ে আছেন তাদের সাথে আঁতাত করবে। তখন শুরু হবে আত্মহনন। তখন সরকার দিশেহারা হয়ে পড়বে, কে শত্রু কে মিত্র শনাক্ত করতে সক্ষম হবেনা। দেশে যখন এই অবস্থা চলে তখন বাইর থেকে দেশের অবস্থা শান্ত মনে হলেও প্রকৃত অবস্থা তা থেকে ভিন্ন। এই সময় নিরপরাধ সাধারণ মানুষ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে থাকেন। তখন জনগণও এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য চাতক পাখির মত বসে থাকে।
এই রকম ঘোলাটে পরিস্থিতি জাতির জীবনে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যায়।
আমি যা বললাম এইটি ইতিহাস। তবে সত্য কি জানেন? ইতিহাসের শিক্ষা, কোন শাসক দল কিংবা শাসক, কোন দিন ইতিহাসের শিক্ষা থেকে শিক্ষা নেয়না। কারণ ওয়ান ম্যান শো মার্কা শাসক একদল চাটা এবং স্তাবক দ্বারা সব অবরোধ হয়ে থাকেন। তাই তিনি দেশের সত্যিকার অবস্থা জানতে পারেন না। এর কারণে ফিলিপিনের মার্কোস, রুমানিয়ার চচেস্কু, ইরানের শাহ, লিবিয়ার গাদ্দাফী, উগান্ডার ইদি আমিন কেউ ক্ষমতা আকড়ে রাখতে পারেননি।
আল্লাহ আমাদের শাসকদের মনে সুমতি দান করুন । যাতে করে গন মানুষেরদেরকে তাদের স্বাভাবিক রাজনৈতিক অধিকার ফিরিয়ে দেবার ব্যবস্থা নেয়া হয়। আমিন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৬, ২০১৬ at ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- গন মানুষের স্বাভাবিক রাজনৈতিক অধিকার বিষয়টা কি মুনিম ভাই। হরতাল করা, ভোট দেওয়া নাকি ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় যাওয়া?
মুনিম সিদ্দিকী
মে ৬, ২০১৬ at ৪:১৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি এই কি প্রশ্ন করলেন জিয়াভাই? যাউজ্ঞা, আপনাকে বুঝানোর জন্য এখানে অনেকেই অনেক কথাই বলছেন কিন্তু কেউ ই আপনাকে বুঝাতে পেরেছেন বলে বুঝতে পারিনি। কারণ আপনাকে বুঝানো যাবেনা। মুক্তিযোদ্ধের সময় যারা প্রতিপক্ষ ছিলো তারাও মাঝে মধ্যে স্বীকার করেছে সে সময় তাদের দ্বারা অনেক বাড়াবাড়ি হয়েছিলো। বা হয়ে থাকতে পারে, কারণ সে যুদ্ধ কোন কনভেনশনাল যুদ্ধ ছিলোনা। মাছ যেমন পানিতে মিশে থাকে ঠিক সে ভাবে আন কনভেনশনাল যোদ্ধারা সাধারণ মানুষের সাথে মিশে ছিল।কাজেই কে মুক্তিযোদ্ধা কে মুক্তিযোদ্ধা নয়, তা তাদের প্রতিপক্ষ হিসাবে নির্ণয় করা কঠিন ছিল। আর যুদ্ধের সময় যুদ্ধের গান গেতে কিং ডেভিট হাজার হাজার বছর আগেই নসিয়ত করে গেছেন। কিন্তু আপনারা কোন দিন আপনাদের দ্বারা মানবতা লংগন হতে বলে কোনদিন স্বীকার করেননি। আপনারা হচ্ছেন স্বাক্ষাত দাতা হাতেম তাই।
যাক সে বিষয়ে আমি যাচ্ছিনা, তবে আপনার প্রশ্নের উদ্দেশ্যে শুধু বলবো, ইয়াহিয়া খানের ৭০ নির্বাচনের মত একটি নির্বাচন দিয়ে দিন প্লিজ! এইটি জনগনের অধিকার নয় কি?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৬, ২০১৬ at ৮:৫৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি আবারো ইনিয়ে বিনিয়ে রাজাকারদের পক্ষে সাফাই গাইলেন। এ্ইটা কত বড় নির্মমতা তা যদি আপনি ভিকটিম হতে বুঝতেন। আপনার কাছে ন্যয় বোধ আশা করি না -- বলা যায় বিএনপি জামাতের সমর্থকরা এই বোধের উর্দ্ধে।
অন্যায় সব সময়ই অন্যায়। তাই যে কোন বিচারের পক্ষ কথা বলি।
যাই হোক আপনি বলছেন --
এইটা একটা ইন্টারেস্টিং পয়েন্ট। লক্ষ্য করবেন -- ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় থেকেই নির্বাচন দিয়েছিলেন -- তেমনি গত নির্বাচনও শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ছিলেন -- ফলাফল কি?
আর ৭০ এর নির্বাচন নিয়ে বিএনপি জামায়াতের দৃষ্টিভংগী বোধ হয় আপনি ভুলে গেছেন। ২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশনার শামসুল হুদা যখন বললেন ৭০ এর মতো নির্বাচন হবে -- তখন বিএনপি-জামাতের নেতারা হৈ চৈ করে তার পদত্যাগ দাবী করেছিলো।
এর পরও কি ৭০ এর নির্বাচন চাইবেন। (যদিও আমি নির্বাচন দেওয়ার কেউ না -- থাকলেও বেহুদা নির্বাচন দিতাম না -- কারন চোরের বদলে ডাকাত ক্ষমতায় ্আসলে দেশে কি লাভ। বরঞ্ শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধের বিচার, পদ্মা সেতুর মতো সাহসী কাজগুলো করছেন -- তাকে আরো কয়েক টার্ম ক্ষমতায় রাখা দরকার্ -- আর বিএনপি ২০০৮ সাল থেকে বিরোধীদল হিসাবে যে অবহেলা এবং ব্যর্থতা দেখিয়েছে তার জন্যে তাদের একটার্ম বিরোধীদল হিসাবে সংসদে বসা উচিত এবং সংসদীয় কর্মকা্ন্ডগুলো পালন করা উচিত)
মুনিম সিদ্দিকী
মে ৭, ২০১৬ at ১১:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
<<আপনি আবারো ইনিয়ে বিনিয়ে রাজাকারদের পক্ষে সাফাই গাইলেন। এইটা কত বড় নির্মমতা তা যদি আপনি ভিকটিম হতে বুঝতেন। আপনার কাছে ন্যয় বোধ আশা করি না – বলা যায় বিএনপি জামাতের সমর্থকরা এই বোধের ঊর্ধ্বে। >>
আমি ইনিয়ে বিনিয়ে কথা বলিনা। আমি দলদাস নই, আমি কোন নেতাদের পদলেহনও করিনা। তবে আমি বিনীত ভাবে কথা বলার চেষ্টা করি। আমি আপনার মত নিরাপদ কোন দেশে বসে কথা বলছিনা, এমন একটি দেশে বাস করে কথা বলছি, কথা বলার জন্য একদিন নিখোঁজ হয়ে যাওয়া অসম্ভব নয়। আমি বিরোধী স্রোতে কথা বলে যাচ্ছি। আমি শুধু শোনা কথা বলছিনা, আমি আমার দেখা কথা বলি।
আমি কারো পক্ষে সাফাইও গাইনা। যুদ্ধ তো যুদ্ধ এখানে প্রেম সঙ্গীতের কোন মূল্য থাকেনা। থাকে শত্রু পক্ষ কে মারো না হয় শত্রুপক্ষের তাতে মরো।
আর ৭১এর ভিকটিম হতে হলে কি শুধু বাবা নিখোঁজ হতে হবে? যারা ৭১ এর নয় মাস যুদ্ধের সময় মফস্বল শহরের প্রাণ কেন্দ্রে বাসায় প্রতি মুহুর্ত্য অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আর যে কোন মুহুর্ত্যে অঘটনের শিকার হবার আশঙ্কায় দিন রাত কাটিয়েছে তারা কি ভিকটিম নয়? যখন যুদ্ধের প্রচণ্ডতা বেড়ে যাওয়াতে যারা বার বার বাসা খালি ফেলে গ্রাম থেকে গ্রামান্তের নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলো তারা কি ভিকটিম নয়? যারা বাসা ছেড়ে চলে যাওয়াতে বাসার মালামাল লুণ্ঠিত হয়েছিলো তারা কি ভিক্টিম নয়? যার বোন সন্তান জন্মকালীন সময় শহরে কার্ফু বহাল থাকার কারণে ডাক্তারের কাছে না আসিতে পারায় অকালে মৃত্যু বরণ করেছিলেন, সে কি ভিক্টিম নয়?
মনে রাখুন জিয়া ভাই আমরা আমাদের ত্যাগ নিয়ে যেমন ফায়দা হাসিল করতে চাইনা তেমন ভাবেই সেই ফিতনা নিয়ে পিছনে ফিরে যেতে চাইনা। আমি জামাত সমর্থক নই, বিএনপি সমর্থক নই। আমি তিতুমীর শরীয়ত উল্লাহ, সৈয়দ আহমদ রঃ এর আদর্শ ধারণ করি। আমি স্পষ্ট ভাবে বলছি আমি ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবকে ধারণ করি। এবং এই আদর্শের জন্য যাদেরকে রাস্তার বাঁশ সরাতে সাহায্যকারী পাবো তাদের সাথে শত্রুর শত্রু বন্ধুর নীতিতে এগিয়ে যাবো।
আপনার ন্যায় বোধ আমি পড়ে আসছি, আপনার ন্যায় বোধ সব সময় যত দোষ নন্দ ঘোষ টাইপের। কাজেই আপনি তো আমার কাছে ন্যায়-বোধ দেখতে পাবার কথা নয়। তবে আমি যদি এত অমানুষ হতাম আপনার কাছে তাহলে নিশ্চয় আপনি আমার সাথে সম্পর্ক রাখতেন না। কাজেই বুঝতে পারি দলের কারণে বা দর্শনের কারণে আপনি আমার ন্যায় কথাকে প্রকাশ্যে সমর্থন করতে পারছেন না।
<<<অন্যায় সব সময়ই অন্যায়। তাই যে কোন বিচারের পক্ষ কথা বলি।>>>
না আপনি সব অন্যায়ের বিচারের কথা বলেন না। আপনি খণ্ডিত ভাবে বিচারের কথা বলেন। ৭১ সকল পক্ষের মধ্যে কম বেশী বাড়াবাড়ি হয়েছিলো, আপনি আপনার পক্ষের লোকদের কথা বলেন না। এমন কি মূল আসামী পাকিস্তানী ১৯৫ জনের বিচারের কথা বলেন না।
<<<এইটা একটা ইন্টারেস্টিং পয়েন্ট। লক্ষ্য করবেন – ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় থেকেই নির্বাচন দিয়েছিলেন – তেমনি গত নির্বাচনও শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ছিলেন – ফলাফল কি?>>
হা হা হা আপনি কার কাছে কি বলছেন? আপনার কথা শুনে মার কাছে নানার বাড়ির গল্পের কথা মনে পড়ে গেল!
ইয়াহিয়া ক্ষমতায় থাকলে কি পাকিস্তান মুসলিমলীগের প্রেসিডেন্ট ছিলো? না জামাতে ইসলামী পাকিস্তানের আমীর ছিলো? না পিডিপির চেয়ারম্যান ছিলো? না আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলো?
সেই নির্বাচনে পাকিস্তানের পুলিশ বাহিনী ব্যালটে সিল মেরেছিলো?
চোর বলেন আর ডাকাত, গোবর থেকে এর বেশী আশা করা যায়না, তবুও জনগণের অধিকার নির্বাচন থেকে বঞ্চিত করার অধিকার কারো নেই। আমরা কোন ব্যক্তি বিশেষ বা পরিবারের কাছে দেশকে বর্গা দিতে চাইনা। চাই নিজ যোগ্যতায় যেন এক কৃষকের ছেলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদ লাভ করতে পারে। আর এর জন্য দরকার নির্বাচনের।
মাহফুজ
মে ৭, ২০১৬ at ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন,
আমার এই জবাবটা সেখানে মুছে দেয়ায় আপনার এখানে দিতে বাধ্য হলাম। কিছু মনে করবেন না ও আশাকরি মুছবেন না।
@ এম আহমদ
মোড়লি শব্দটি এখন অনেক সেন্সেই ব্যবহৃত হয়। শুধু গ্রামে গঞ্জেই নয়, গোটা বিশ্বের প্রেক্ষাপটেও এখন এটি ব্যবহৃত হচ্ছে, যেমন- (বিশ্বে মোড়লি করার খায়েশ নেই চীনের)।
তবে আপনার অসহীষ্ঞু ও অন্তর্দৃষ্টিশুন্য অতিজ্ঞানী আচরণ গ্রামের মোড়লকেও হার মানাবে। তাদের মাঝে তো তাও দু-চারজন যোগ্য ব্যক্তি দেখতে পাওয়া যায়।
আরে মশাই! ত্যানা দিয়ে আর কত মোছামুছি করবেন? মনে রাখবেন, মোছামুছি করে বেশি দূর আগানো যায়না। সুতরাং সময় থাকতে এসব ব্যাক ডেটেড কৌশল বদলানোর চেষ্টা করুন। কারণ যতই মোছার চেষ্টা করেন না কেন, আমলনামা থেকে তো কখনো কোন কিছুই মুছতে পরেবেন না। যাই হোক, আপনি মোড়লি করেন আর নাই করেন, শুধু আবেগ নয় বিবেক দিয়েও অন্তত সঠিকভাবে জানার ও বোঝার চেষ্টা কইরেন।
দাবি ১৩ দফা হোক বা ১৩০ দফা হোক- এ নিয়ে আমার কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু এসব নিয়ে কাদের কাছে ত্যানা প্যাচাতে গিয়েছিলেন? তাদেরকে কি আপনারা চেনেন না? ইসলামের নামে সহজ সরল মানুষের সেন্টিমেন্ট নিয়ে ছিনিমিনি খেলা আর কতকাল খেলবেন?
আমাকে কেউ ইতর, ফাসিক কিংবা মুনাফিক বললে-who cares, they can get lost. বরং এটা যে তার/ তাদের উপরেই বর্তাবে সেই মৌলিক জ্ঞানটুকুও তারা হারাতে বসেছেন। আমি কে এবং কেমন সেটা আমার স্রষ্টা ভাল করেই জানেন।
হেফাজতের নেতৃত্বকে বিশ্বাস করে তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে সহজ সরল যে মানুষগুলো সেদিন ময়দানে নেমেছিলেন তাদেরকে আমি খুব কাছ থেকেই দেখেছি। তাদের ত্যাগ ও মনের বাসনা নিয়ে আমার মনে কোন সন্দেহ নেই। তবে হেফাজতের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নেতৃত্ব ও দোটানা ভূমিকা সম্পর্কে শুধু আমারই নয়, অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে। সুতরাং আপনি বার্মিংহাম থেকে কি দেখলেন আর কান চুলকাতে চুলকাতে কি শুনলেন- তা আমাকে নুতন কোরে শোনাতে আসবেন না। মনে রাখবেন, সরলমনাদের আয় আয় বলে ডেকে এনে গভীর রাতে বাঘের খাচায় ফেলে রেখে যে নেতারা চম্পট দেন, তারা যে যেখানেই বেসে থাক আর যতই তৃপ্তির ঢেকুর তুলুক না কেন- ব্যর্থতাই তাদের আসল ঠিকানা। সত্য শুনলে তারা যতই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠুক না কেন, সময় থাকতে না শোধরালে সেই আগুনে তারা নিজেরাই পুড়ে ছারখার হয়ে যাবেন। হাঁ, জনগণ গণজমায়েতেই যোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু যতই সময় গড়াতে লাগলো, নেতারা গলাফাটানো আবেগি বক্তব্য দিয়ে সেই গণজমায়েতকে ভিন্ন রূপ দেয়ার চেষ্টা করলেন। তবে পানি ও খাবার সরবরাহে যে কোন কমতি ছিলনা তা বলতেই হবে। ফলে অন্যদের মদদে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেল। একদিকে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করে তোলা হলো, অপরদিকে পুলিশ ও বিরোধীপক্ষের আক্রমণ চলতে লাগলো। ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মতিঝিল ও আশেপাশের এলাকা জ্জ্বলন্ত ধ্বংস স্তুপে রূপ নিল। স্বাভাবিক ভাবেই যা হবার তাই হলো। এটিকে বিদ্রোহ হিসেবে ট্রিট কোরে তা দমনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যা করার তাই করা হলো। আপনারা ক্ষমতায় থাকলে কি বিরোধী পক্ষকে কলা দিয়ে দুধভাত খাওয়াতেন?
সরকারি রাবার বুলেট, গোলা ও রামদার সামনে নিরস্ত মানুষগুলো দিশেহারা প্রায়। কেন হেফাজতের নেতারা কোন প্রস্তুতি ছাড়াই হঠাৎ করে এরূপ আচরণ করলেন? তারা কি ভেবেছিলেন, গলাবাজি করেই ১৩ দফা দাবি আদেয় হয়ে যাবে? তাদের জ্বালাময়ী ভাষায় সরকারকে কঠিন পদক্ষেপ নেয়ার জন্য উস্কে দেয়ার আভাষ ছিল। তারা ভেবেছিলেন, বুলেট বিদ্ধ কোরে হাজার লক্ষ মানুষের রক্ত ঝরলে তাদের রাস্তাটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাদের এরূপ কর্ম কাণ্ডের জন্য একালে না হলেও পরকা্লে তাদেরকে অবশ্যই জবাব দিতে হবে। কারা কখন কাদের কিরূপ বিচার করবেন, আমাকে নাকি অন্য কাউকে কারা ফাঁসিতে ঝোলাবেন- এ নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যথা নেই। মিথ্যা ও ছলনার সাথে আপস করে বেঁচে থাকার চেয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা অনেক ভাল। কারণ সেই দিনের বিচারই আসল বিচার, যেদিন ছলাকলা্ করে পার পাওয়ার আশা করা মানেই আহাম্মকি।
বাংলার মাটিতে কারো থাকা বা না থাকাকে প্রশ্নবিদ্ধ নয়, বরং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মনোভাব ও বক্তব্যের বিষয়টিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছি মাত্র। জাহেলি অন্তরে সেটাও বোঝার মত ক্ষমতা নেই দেখছি। সৌদির হিজাব পরিধানে নয়, আমি কোরআনের পর্দায় বিশ্বাসী এবং পালনে অভ্যস্ত। যারা সৌদিদের পুজা করে তারাই সৌদির হিজাব পরিধানে বিশ্বাসী ও অভ্যস্ত। আর তারাই ইসলামপূর্ব জাহেলি কথায় ও কর্মে আসক্ত এবং অংশিবাদে লিপ্ত। সময় থাকতে না সুধরালে তাদের এই একটা রূপই তাদের পতনের জন্য যথেষ্ট হবে।
সহজ ভাষায় কথা বলা আপনার ধাতে সয় না, তাই আমিও আপনার মতই বললাম। আমার বক্তব্য মুছে দিন আর নাই দিন- অন্তত ভেবে দেখবেন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৭, ২০১৬ at ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বক্তব্য মুছে দেওয়া লোকজন যখন গনতন্ত্রের কথা বলে হাসি পায়। আপনার মন্তব্য যথেষ্ট যুক্তিনির্ভর এবং সত্যনিষ্ট। হেফাযত আসলে জামায়াতের প্রক্সি হিসাবে ৫ই মে প্রতারনা করে ঢাকা ঢুকে পড়েছিলো -- নেতারা জানতো তারা কাজটা ঠিক করেনি -- তাই সন্ধ্যার আগেই পালিয়ে গেছে -- কিন্তু রেখে গেলে সরলমনা বাচ্চা ছেলেদের। তাদের এই দায়িত্বহীনতার জবাবদিহীতা থেকে মুক্তি নেই।
যাই হোক -- বন্ধুরা বলছিলো -- সেইটা ইমানী আন্দোলন -- আবেগে আচ্ছন্ন হয়ে তারা বাস্তবতা ভুলে গিয়েছিলো।
দেখুন আল্লাহ বলেন --
-- সুতরাং যখন পরাজয় হয় -- তখন তাদের ভাবা উচিত গলদটা কোথায় ছিলো।
মজার বিষয় হলো হেফাযত ৫ই মে নিযর=এ কোন কথা বলছে না -- কিন্তু জামাত শোক সভা করে -- মায়ের চেয়ে মাসীর দরদটা বেশীই মনে হচ্ছে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৮, ২০১৬ at ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
-- তাইতো দেখছি মুনিম ভাই -- আপনি ৭০ বছর পিছিয়ে আছেন -- আসলে আপনি একজন ফসিল। এখন ২০১৬ সাল -- এর মধ্যে ১৯৫২ সাল, ৬২ সাল এবং ৭১ সাল চলে গেছে। আপনি এখনও ৪০ সালে আছেন। তাইলে তো আপনার জায়গা হবে যাদুঘরে।
কিন্তু আপনার মুসলিম ভাতৃত্ব আর পাকিস্তানের প্রতি দরদটা কিন্তু লক্ষ্যনীয়। আপনার উচিত বরঞ্চ পাকিস্তানের কোন যাদুঘরে চলে যাওয়া। (জাস্ট কিডিং)
ভাল থাকবেন। আমি আজ টিভিতে দেখলাম গ্রামের লোকজন লাঠি সড়কি নিয়ে মারামারি করে -- আর শহরে বসে টিভিতে সুশীলরা ইলেকশান নিয়ে নানান প্যাচাল পাড়ছে। মোদ্দা কথা হলো -- নির্বাচন বাংলাদেশের জন্যে না -- আজ আওয়ামীলীগ ক্ষমতা তাই তাদের শক্তি বেশী -- গতকাল বিএনপি জামাত ক্ষমতা ছিলো -- তারা তখন মিরপুর তেজগা আর মাগুরার ইতিহাস তৈরী করেছে -- জিয়াউর রহমান ৯০% ভোট হ্যা বাক্সে ভরেছে। আসলে কি এইগুলো কোন রাজনৈতিক দলের কাজ -- না, এইগুলো সাধারন মানুষের কাজ। এই দেশের বেহুদা গনতন্ত্রের জন্যে মায়াকান্না করেন। নিজে একজন কর্মী হিসাবে গনতন্ত্রের জন্যে আন্দোলন করেছি -- এখন বলি -- বাংলাদেশের জন্যে ভোট দরকার নেই -- কারন এরা এর উপযুক্ত না।
ধন্যবাদ।
মাহফুজ
মে ৮, ২০১৬ at ১২:২৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তার মানে কি "নোবেল ডিক্টেটরশিপ" এর ইঙ্গিত দিচ্ছেন? যদিও গু খাওয়া গণতন্ত্রের চাইতে এটি উত্তম। কিন্তু এই শাসন ব্যবস্থার জন্য তো শাসকের সাথে সাথে তার পরিষদবর্গ এবং প্রশাসনকেও নোবেলিটি অর্জন করা চাই। বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে তা কি আদৌ সম্ভব?
মুনিম সিদ্দিকী
মে ৯, ২০১৬ at ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিয়া ভাই, আপনি জুলুম নির্যাতনের পক্ষে কাজ করেন ভিকটিমের আবেগ দেখিয়ে। আপনার কাব্যিক যুক্তি আর বিরাগ সঙ্গীত শুনতে শুনতে কান ঝালা-পালা।
আপনারা পাকিস্তানের ২৪ বছর গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন কারণ তখন ক্ষমতার গদীর নাগাল পাননি। আবার ১৯৭২ সালে যখন গদীতে বসলেন তখন আবার ঘোষণা দিলেন গণতন্ত্রের দরকার নাই। আবার যখন ১৯৭৫ সাল থেকে ২০০০ হাজার সাল পর্যন্ত ক্ষমতার বাইরে ছিলেন তখন আবার গণতন্ত্র চাই বলে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে গেলেন, সাথে জামাতিদেরকে সংগে নিলেন। এখন আবার ক্ষমতায় তখন বলছেন এখন আর গণতন্ত্রের দরকার নাই। মানে আপনারা হলে দো'আশ ওয়ালা প্রাণীর মত, ক্ষমতায় থাকলে গণতন্ত্রের দরকার নাই, ক্ষমতায় না থাকলে দরকার। কান খোলে শুনে নিন আপনার কিংবা অন্য কারও জন্য হয়ত গণতন্ত্রের প্রয়োজন নেই, তবে আমাদের প্রয়োজন আছে। আমরা এদেশের নাগরিক।আমরা কারও ডান্ডাতন্ত্রের অধীনে থাকতে চাই না।
আমরা হলোকস্টের আবেগ দেখিয়ে প্যালেস্টিনিয়ান হত্যার মূর্খ যুক্তি শুনতে শুনতে সেই ঘৃণিত চাতুর্যের প্রতি থুথু ফেলছি। আমরা বর্তমানে থাকতে চাই।আপনাদের মট আমরা কানাডায় নই, ইউরোপে নই। আমাদের হত্যা, গুম ও ‘নিখোঁজের’ কাহিনী নিত্য-বর্তমান। প্লিজ অসময়ে অস্থানে কুরু ক্ষেত্রের গান শোনাবেন না। যথেষ্ট হয়েছে।
১৯৭০/৭১ বিষয়ের অবতারণা করে আপনি প্রবাদের “মা” হন কিভাবে? আমি বুঝি আপনাকে প্রতিনিয়ত মামার বাড়ির গল্প শোনাচ্ছি?সত্যি আপনার ধ্যান-ধারণা বড় বিস্ময়কর! অন্য লোকের বয়স, তাদের জ্ঞান ও ধারণাকে প্রবাদের তাচ্ছিল্যে না নেবার অনুরোধ করি। আর এ বিষয়ে ‘ব্যাখ্যা’ দেবারও প্রয়োজন নেই। আমাদের বয়স হয়েছে, আমরা এখন এক কথা থেকে দশ কথায় ঘোরাঘুরি করার মানসিকতায় নেই। হ্যাঁ বলে না-এর ব্যাখ্যা শোনার কসরত দেখতেও আগ্রহী নই।
আপনি কিডিং করতে পারেন। কেননা আপনি হয়ত বিদেশের সুখ শান্তিতে সেই কালীন পর্যায়ে থাকতে পারেন, এবং সেই আঙ্গিকে কথাও বলতে পারেন। কিন্তু যে প্যারাগ্রাফে আমি ১৯৪০ এর উল্লেখ করেছি সেই স্থান নিয়ে আপনি ভুল মন্তব্য করেছেন। আমার পাকিস্তানের যাদুঘরের যাবার দরকার নেই কেননা ১৯৪৭ সালের ভারত-বিভক্তিতে আমার প্রাণ দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় নি, বরং আপনার বিগত দিনগুলোর লেখা থেকে বুঝা যায় আপনারই ‘অখণ্ড ভারত-প্রেমে’ ছেদ পড়েছে।আমি বরং আপনাকে অনুরোধ করব, আপনি আমাদের দেশের নয় বরং ভারতের যাদুঘরে গিয়ে প্রাণের শান্তি খুঁযে নিতে পারেন। দয়াকরে আপনি আর আমাদেরকে ৭০/৭১ গল্প শোনানোর প্রয়োজন অনুভব করবেন না, এক করে বিগত ৪৫ বছরে অনেক বানোয়াট গল্প আর বানোয়াট আবেগের নামে অনেক জুলুম নির্যাতন ঘটতে দেখেছি। তাই নিজের মস্তিস্কো উদ্ভব গল্প নিজের বদ্ধ অর্গলের মধ্যে রাখুন। বিগত ২০০৭ সাল থেকে আপনার এই সব কথা ভাংগা রেকর্ডের মত হাজার বার
আমার শোনা হয়ে গিয়েছে। সুতরাং কেন আপনি একই কথা বার বার বলে যাবেন?যে প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি তাদের গিলাতে পারলেও আমাদেরকে পারবেননা।
ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। তবে একটি কথা শুনে রাখুন, আমরা বাংলাদেশীরা গণতন্ত্রের উপযুক্ত নই, এমন ধারণা কানাডায় বাস করে করে স্বপ্ন দেখতে থাকুন। আয়ুবখানের ইতিহাস ভুলে যাবেন না।
ভালো কথা আপনার ভালো এক লেংগুড় জুঠেছে,,চালিয়ে যান হাত তালি পেতেই থাকবেন। ধন্যবাদ।
মহিউদ্দিন
মে ৯, ২০১৬ at ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যথার্থ বলেছেন। । এ দাবী আজ দেশের সবার।
তবে মনে রাখবেন
আর দ্বিতীয় কথা হল, উপরোক্ত মানসিকতা যারা লালন করে তাদের সাথে কথা বলা সময়ের অপচয়। কেবল সুস্থ মানুষের সাথেই,সত্য অনুসন্ধানে ডিসকোর্স করা সম্ভব।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৯, ২০১৬ at ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই, অনেক সময় অপচয় করলেন -- কিন্তু আসল কথাইতো বললেন না -- আমি কোন কথাটা মিথ্যা বলেছি। নাকি গোয়েবলসের শিষ্য হয়ে গেলেন -- একজনের পর আরেকজন এসে বলে যাবে -- মিথ্যা মিথ্যা মিথ্যা -- আর তাতে সবই মিথ্যা হয়ে যাবে।
আপনি আমার সাথে একমত হবে এমন দিব্যি দিয়ে কোন লেখা লেখি না -- আমার যা বুঝ তাই লেখি -- সেইটা আপনার পছন্দ না হতে পারে। তা বলে লেখার নীচে এসে নানান ভাবে আজে বাজে অভিযোগ করবেন -- লেখকে অপমান করবেন -- এইটা কোন সুস্থ বিতর্কের মানসিকতা না। দয়া করে লেখকের মূল্যায়ণ করতে গিয়ে গীবতের পথে না হেটে লেখার সমালোচনা করুন। সেইটাই বরঞ্চ সুস্থ বিতর্কের সূচনা করবে।
বলা দরকার -- আমি বাংলাদেশের সরকার বা সরকারী দলের সাথে দুরতম সম্পর্কও রাখি না -- বা নেই। আমার কথায় বাংলাদেশের কেউ কোন সিদ্ধান্ততো দুরে থাকুক -- হয়তো তাদের নজরেও আসে না -- এক কথায় গুরুত্বহীন বটে -- তাই বিতর্কের সময় শুধুমাত্র একজন লেখক হিসাবে আমাকে দেখলে ভাল হয়। আমি যা না তা ভেবে নিয়ে বেহুদা কামান দাগানোর ফলে ্আপনাদের কামানের গোলার অপচয় ছাড়া কিছুই হয় না -- আমার জন্যে কামানে দরকার নাই -- আমি একটা মশা মাত্র -- ভাল না লাগলে একটা মশার কয়েল বা স্প্রেই যথেষ্ট।
ধন্যবাদ।
মহিউদ্দিন
মে ১০, ২০১৬ at ৮:২৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি বার বার বলেই যাচ্ছেন মিথ্যা কোথায় তা আপনাকে বলতে। আরে ভাই তার আগে কোনটা মিথ্যা নয় তা বলেন?
মাথাথিরের গল্প যেখানে সেখানে টেনে আনা কি মিথ্যা নয়? তবে আপনি কচু খেয়ে তা দেখতে না পেলে আলাদা ব্লগ আকারে দেখিয়ে দেয়া যেতে পারে, যাতে সবাই দেখতে পারেন, কেননা মন্তব্য একটু পরেই আরও মন্তব্যের পিছনে ঢেকে যায়।
আর যে কোনো আলোচনায় হুস-বিভ্রান্ত হয়ে ‘জামাত-শিবিরের গল্প’ টেনে বা কাউকে সে ঘরানার লোক বানিয়ে বাক্স বন্ধী করে পাঠকদের দৃষ্টি অন্যদিকে ধাবিত কারার অপচেষ্টায় লিপ্ত হতে কি লজ্জা হয়না। আপনার মানসিক অবস্থা প্রদর্শনের দরকার নেই। অন্য কাউকে গিয়ে শোনান। আমি প্রসঙ্গেই থাকতে চাই। আর আপনি ‘বিকৃত শব্দের নতুন কোন অর্থও শিখেন নি। বরং আপনার ক্যাডার রাজনীতির আঙ্গিকেই তা বুঝেছেন এই যা। আপনি একটি জালিম সরকারের কর্মকাণ্ডকে মাহাথিরের মডেল করে চালিয়ে দেয়াও রাজনৈতিক “পর্যবেক্ষণ মনে করছেন! আপনিই তো মাশাল্লাহ “পর্যবেক্ষণ” শব্দটিও বুঝে ফেলেছেন।
আমি আপনার লেখাকেই সামনে রেখে কথা বলছি: আপনার প্যারাডাইম শিফট; বর্তমান শাসক গোষ্ঠীর দল ছাড়া আর কোন দলই তেমন জনসমর্থন পাচ্ছে না; আওয়ামী লীগের সকল দুর্নীতি, নির্যাতন, জেল-জুলুম, গুম- হত্যা সবই এখনও “সীমা অতিক্রম করছে না কারণ তা অন্য কোন পক্ষের আইভি রাহমানের হত্যার মত নয় (!); এইসবের মধ্যেই রয়েছে “অপদার্থ” পর্যবেক্ষণ –প্রলাপ। এগুলোকে যুদ্ধাপরাধ, জামাত আর বিচার ইত্যাদি টেনে প্রসঙ্গ পরিবর্তের চেষ্টা হাস্যকর। অপচেষ্টা বাদ দেন। বাজারে এখন “চেতনার” ব্যবসা অচল।
আপনার লেখায় ও মন্তব্যে কোন রাজনৈতিক জ্ঞান প্রকাশ পায়নি –কেবল ‘জানি’ বললেই জানা হয় না। বিএনপি জামাত সম্পর্কে আপনার জানার দশা একই। আপনার রাজনৈতিক জ্ঞান যে কি তা কেবল মহাথিরের মডেল থেকেই বেনুকারসুর হয়ে বেরিয়ে আসে, বাদবাকি ফালতু ফিরিস্তি না হয় আলাদাই থাক। কিন্তু হায় দুঃখ। আপনার রাজনৈতিক জ্ঞান,প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও পর্যবেক্ষণ কিছুই যেন মূল্যায়ন হচ্ছে না। প্রকৃতির সে কি প্রকৃতির পরিহাস! কত বিমল সুন্দর ফুল‘জঙ্গলে’ কণ্টক বেষ্টনীর ভিতরে ফুটে আর দৃষ্টির অগোচরে থেকেই আবারই বন্য পশুর পরিত্যক্ত মলে ঝরে পড়ে! কি আর করবেন। ছোপা জামাতিদের বিষোদ্গার করেন –হয়ত মনে কিছু শান্তি আসবে। এই বেটারাই তো আপনার স্যাটায়ার বুঝে না!
জিয়া ভাই, শুনেন, আপনি ক্যাডার ছিলেন, কাল অতিক্রম করেছে কিন্তু আপনি বিদেশে সেই ক্যাডার-কাকুনের মধ্যেই আছেন। আপনি সেই পুরানো ক্যাডার –বয়স হয়েছে এই যা। নিজেকে প্রতারিত করছেন কেন? কি ফালতু কথাবার্তা বলে ‘রাজনীতি’ করছেন, একটু ঠাণ্ডা মাথায় বিবেচনা করুন। অন্যকে বিষোদগার করলেই নিজের সংকীর্ণতা ঘোচে যায় না। আমি আপনার ব্লগের মহাজ্ঞান নিয়েই কথা বলছি।
আর ব্লগ লেখা নিয়ে আপনার হতাশা আমার কাছে ব্যক্ত করছেন কেন? আমি কি বলেছি যে আপনি ব্লগ লিখতে পারবেন না? লিখেন, লিখেন, আরও লিখেন। প্রলাপ বন্ধ করেন। কেউ কাউকে বাধা দেয়ার কোন ইখতিয়ারও নাই কিন্তু কথা সেটা নয়। আপনার মতলবটা হচ্ছে কোন একটি কথার জের ধরে আপনার লজ্জাষ্কর স্যাটায়ার-স্মবলিত বিষয় এক পাশে রেখে, কোন উপায়ে, আলোচনাটাকে একাত্তর, জামাত, যুদ্ধাপরাধ –এসবের দিকে নিয়ে মুখস্থ প্রোপাগাণ্ডা হাজির করতে।
অতপর জামাত সঙ্গীত শুরু করলেন এই বলে: “কোন পাপীরাই তা বুঝতে সক্ষম হয়না যতক্ষণ না তাদের উপরআল্লাহর গজব নাজিল হয়।” কিন্তু হয় নি, আপনার ইসলামী জ্ঞান নেই, তাই এই কথাটিও ঠিক হয় নি। ধানাই পানাই করতে গেলেই ধরা খাবেন আমি অমূলক কথায় কান দেব না। প্রসঙ্গেই থাকতে চাই। এই প্লোয় আপনি আগেও (অন্য সময়) বার বার ব্যবহার করতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছেন।
কিংশুক ভায়ের মন্তব্যে দেখলাম শয়তানের সাথে তুলনা নিয়ে নয় বরং মিথ্যাবাদী বলাতেই আপনার আপত্তি। কিন্তুএটা কোন কথা হল জিয়া ভাই? শয়তানই যে মিথ্যাবাদী এটা কি আপনি জানেন না? আর “সাহসের অভাবে আমি সুশিল”, এসব ফাজলামি কথা আপনি আগেও বলতে শুনেছি যখন আপনার যুক্তি থাকে না! আপনার পর্যবেক্ষণের চরম“দুরবস্থা” দেখাচ্ছি তাই কি জামাত আইল জামাত আইল বলে চিৎকার শুরু করবেন? একাত্তরের ঠিকাদারী এখন নির্লজ্জতায় পর্যবেশিত হচ্ছে।
হেফাজতে প্রসঙ্গ এনে আর আলোচনা দীর্ঘায়িত করতে চাই না এখানে। ২০১৩ সালে এই সদালাপেই এ ব্যাপারে অনেক আলাপ হয়েছে এবং আপনার অসুস্থ চিন্তার উপযুক্ত জবাব দেয়া হয়েছে। সদালাপের আর্কাইবে থাকার কথা। কিছুটা সময় পার হয়ে গিয়েছে বলে এখন নতুন ফন্দী, ষড়যন্ত্রের বুলি আওড়ায়ে তা ভিন্ন খাতে দাবিত করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা ত্যাগ করুন।
জামাতের কাছ থেকে হেফাজত ঘুষ খেয়েছিল এই দলিল আপনার কাছে থাকলে তা দিয়ে এতদিন কোন মামলা হল না কেন? বাংলাদেশ তো আজকাল মামলার ফ্যক্টরি। আর যদি কোন প্রমাণ না থাকে তবে এটাই কি ঈমান পরিপন্থী অভিযোগ নয়?
বর্তমান সরকার দেশকে কোন স্থানে পৌঁছিয়েছে? দেশ কি আপনার দলের পৈতৃক সম্পত্তি যে তাদের একদল বন্দুকের নল দিয়ে জাতির স্বাধীনতা কেড়ে নেবে?
আজ দেশে কোনো দলই বন্দুক, লাটি আর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মোকাবেলায় বেরিয়ে প্রতিবাদ করতে পারছে না। দেশ এখন একদল মাফিয়া চরিত্রের লোকদের হাতে জিম্মি তাই হেফাজতও তাদের দাবীর জন্য পারছে না।
হেফাজত এখন তালিকা দিলে মাফিয়াগণ সেই সূত্র ধরে তাদের পরিবারগুলোকে আফগান-তালিবান বানিয়ে নির্যাতনের ষ্টীম রলার চালাবে। মাজলুম এখন রাষ্ট্রীয় রোষের প্রতিকুলে। তবে আপনার এবং আপনার সরকারের ৩০ লাখের তালিকা কই? এটা প্রণয়ন করতে সমস্যা কোথায়? এটা কিভাবে হজম করেন? এই তালিকা প্রণয়ন করতে কে বাধা দিচ্ছে? হেফাজত? জামাত? বিএনপি?
Perhaps that's why one of the reader ( মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন) commented, "This type of post should be removed." I am sure many will agree with him.
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৯, ২০১৬ at ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম ভাই -- আমার ভারত যাওয়ার দরকার নাই -- অনেক আগেই সেই কাজ শেষ -- দেশ ত্যাগ করেছি। কিন্তু মুসলিম লীগে দেশ ভাগের করনে ভারতে আটকে থাকা মুসলিম, বিহারী আর মুহাজিরদের সাথে যে বেঈমানী করেছে তার ফলাফল তো ওরা পেয়েছে। এখন আপনার মতো কিছু ফসিল টিকে আছে -- যারা ইসলামের কথা বলে একটা দেশ চায় -- মানে দেশ ছাড়া ইসলাম রক্ষা হবে না। আসলে যে ফিউডাল সোসাইটি থেকে আপনি এসেছেন -- তারাইতো মুলত পাকিস্তান বানিয়েছিলো তাদের ফিউডালিজমকে টিকিয়ে রাখার জন্যে -- শেরে বাংলা, শেখ মুজিবদের কারনে সেই ফিউডালিজম ভেংগে গেছে -- শুধু তা আপনাদের মাথায় রয়ে গেছে। মজার বিষয় হলো পাকিস্তানে এখনো সেই ফিউডালরা রয়ে গেছে -- আপনি হয়তো সেই কারনে পাকিস্তানের প্রতি দূর্বল।
আপনি মুক্তিযুদ্ধ দেখেছে নিজের বাড়িতে বসে নিরাপদে -- আপনাকে কে মুক্তিযুদ্ধে গল্প শুনাবে। আপনার কাছে তো রাজাকাররা ছিলো দেশ রক্ষক -- পাকিস্তানী বাহিনী ছিলো ইসলাম রক্ষক। সুতরাং আপনাকে আমি কি বুঝাবো। তবে এইটাতো সত্য -- যাদের বিচার হচ্ছে -- হয়েছে -- তাদের কারোই আমার করা অভিযোগের ভিত্তিতে বিচার হয়নি। সুতরাং আমার গল্পগুলো নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে। আপনার দেখা মুক্তিযুদ্ধের গল্পগুলোই বরঞ্চ শুনি -- একটা তেলের ড্রামের উপর দাড়িয়ে মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন -- তখন সবাই যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়লো -- রাজাকার/আলবদররা ছিলো গুড বয় -- তারা ইসলাম রক্ষায় নেমেছিলো -- শুধু কিছু কাফের মেরেছে -- আর সাচ্চা মুসলিম পয়দা করার জন্যে হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণ করেছে -- অবশেষ দেশ স্বাধীন হয়ে গেলো -- তারপর আওয়ামীলীগ লুটপাট শুরু করলো -- তখন জনগন জিয়াকে কাঁধে করে বঙ্গভবনে এনে রাষ্ট্রপতি বানালো -- উনি জীবন বাংলাদেশ আমার মরন বাংলাদেশ বলে মদের লাইন্সেন দিলেন পাশাপাশি সংবিধানে বিসমিল্লাহ যোগ করে ইসলামও রক্ষা করলেন । এইতো ইতিহাস। আসুন সবাই জোরে বলি -- বাংলাদেশ (আসলে মনে মনে পাকিস্তান) জিন্দাবাদ।
মাহফুজ
মে ৯, ২০১৬ at ৩:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যারা অন্যের মতামত ও মন্তব্যকে সহ্য করা তো দূরে থাক, পদদলিত (মুছে দিতে) করতে কুণ্ঠিত হয়না- তাদের কণ্ঠে গণতন্ত্রের গান বড্ড বেসূরা শোনায়। এরাই আবার জালিম প্রীতি আর ইতিহাসের গল্প শুনিয়ে ইসলাম কায়েমের স্বপ্ন দেখায়।
মুনিম সিদ্দিকী
মে ১১, ২০১৬ at ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিয়া ভাই, আমি বুঝতে পারছি আপনি ভাগ্যবান সমস্যা জর্জরিত জন্মভূমি ছেড়ে ভালোভাবে থাকা খাওয়া আর সন্তানদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কানাডার বাসিন্দা হয়েছেন। আপনি জানেন আমিও বিদেশে ছিলাম, ইচ্ছে করলে আপনার মত ইংল্যান্ডে থাকতে পারতাম কিংবা এখনো মার্কিন মুল্লুকে বাস করতে পারি, আর নয় নিদেন পক্ষে মরক্কোতে গিয়েও বাস করতে পারি। মরক্কো একটি মুসলিম দেশ কাজেই সন্তানরা সেখানে মুসলিম হিসাবেই বড় হয়ে উঠতে পারতো। তারপরও আমি সব ছেড়ে বাংলাদেশে পড়ে আছি, শুধুমাত্র আমার বাংগালীত্বের টানে। আমার বউ বাচ্চাকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমি এদেশে রেখে দিয়েছি শুধুমাত্র আমার সন্তানরা যেন ভুলতে না পারে তারা বাঙ্গালী। আপনি যখন আমাকে নিয়ে মূল্যায়ন করেন তখন আমাকে ব্যাক ওয়ার্ড মানসিকতা সম্পন্ন মানুষ হিসাবে প্রতিপন্ন করে যান। সাম্প্রদায়িকতার প্রতিভূ বলেন, রাজাকারদের দোসর অখ্যায়িত করেন। গোপনে পাকিস্তান জিন্দাবাদ ধ্বনিকারী বলে উল্লেখ করেন। জিয়াভাই, এইটি সত্য যে আমাদের পূর্বপুরুষ ১৬৪৫ খৃঃ আরব থেকে সিলেট অঞ্চলে আসেন। এখন নবম পুরুষ চলছে, আমরা আমাদের শেকড় যেমন ভুলিনি তেমন করে আমার পূর্বে ৭ পুরুষের কবর এই মাটিতেই হয়েছে, তাই আমরা মনে প্রাণে বাঙ্গালী, কিন্তু শুধু বাঙ্গালী নয়, মুসলিমত্বকে বাংগালীত্বের আগে মর্যাদা দিয়ে থাকি। তাই বলে ভাববেন না যে, মুসলিমত্বকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে আমি আমার মানবত্বকে ভুলে গিয়েছি কিংবা আমার অন্যান্য ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল প্রতিবেশীকে অমানুষ ভাবি। তাদেরকে অমর্যাদা করি। আপনাকে তো বহুবার অনুরোধ করেছিলাম। আসুন এই সাম্প্রদায়িক, আপনার কথিত রাজাকারদের দোসর ছুপা জামাতিকে সরজমিনে এসে দেখে যান। না আপনাকে আমার বিত্ত প্রতিপত্তি দেখতে নয়। এবং আমি সে ধরণের লোক নই। খুব সাধারণ মানুষ। শুধু আমার গ্রামের হিন্দু মনিপুরী, চাবাগানের অবাঙ্গালী শ্রমিক, ঢুলি মালী চাষাভুষাদের কথা বলে আপনার কথিত বিশেষণ গুলোর সত্যতা যাচাই করে দেখে যান। আমি বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক কালচারে বীতশ্রদ্ধ, আমি কোন দল করিনা কোন দলকে সাপোর্ট করিনা। আমার গ্রামের মানুষ আমাকে নির্দলীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে জানে। তবে আমার একটি আদর্শ আছে, সে আদর্শ যে দলের সাথে কিছু টা মিলে সেটুকু সমর্থন করে যাই।
দুঃখিত! ধান ভানতে শিবের গীতের মত নিজের আত্মপরিচয় দিতে গিয়ে অনেক কথা বলে ফেলেছি।
ফিরে আসছি প্রসঙ্গে উপরে উল্লেখ করেছি কেন আপনি ভারতে যেতে হবে না। । আপনি কানাডায় থেকে ভারতীদের সাথে এক জাতিত্বে মিলে গলাগলি করেন তাতে আমার আপত্তি নেই। আপনাকে আমি সতর্ক অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আমার বেলায়, আমার নিজ দেশ ত্যাগ করে পাকিস্তান যেতে হবে এমন ধৃষ্টতা মূলক কথা আর কখনো বলার চেষ্টা করবেননা।
আর একটি পয়েন্ট মনে রাখবেন, আমি যদি ঐতিহাসিকতা তুলে ধরতে পাকিস্তানের কথা উল্লেখ করি, তা মোটেই আজকের পাকিস্তান নয়, ইয়াহিয়া, আইয়ুব রেজিমের পাকিস্তান নয়, এমন কি জিন্নাহর পাকিস্তান নয়। আমি ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের পাকিস্তানের কথা বলি।
মুসলিম লীগ বিহারীদের সাথে কি করেছে বা করে নাই, আপনার সেইসব খামখেয়ালি কথা ইতিহাসের নামে আমাকে শোনানোর দরকার নেই, আপনার দল বাংলাদেশের বিহারিদের সাথে কি করছে বা করছে না -সেটা নিয়ে চিন্তা করুন।
আমি খেয়াল করে দেখেছি ভারত ভাগের কথা উঠলেই আপনি ভারতে থেকে যাওয়া মুসলিমদের জন্য মায়াকান্না করে বিলাপ করেন। আপনি নতুন প্রজন্মকে ধোঁকা দেবার উদ্দেশ্যে সত্য ইতিহাসকে চাপা দিয়ে আপনার বানানো ইতিহাস বর্ণনা করেন। আপনি আপনার মনের কান খুলে শুনে নিন, আমি আবার সেই দিনের সত্য ইতিহাস আপনাকে শুনিয়ে দিচ্ছি। আপনার দাবী মতে আজকের পাকিস্তান এবং আজকের বাংলাদেশের সৃষ্টি শুধুমাত্র এই দুই দেশের মুসলিমলীগের কারণে ঘটেছিলো। আপনার এই দাবী একদম মিথ্যা। ভারত ভাগ বা পাকিস্তান নামক নতুন রাষ্ট্র সৃষ্টির প্রশ্নে সারা ভারতের মুসলিমরা সেদিন ভোটের মাধ্যমে রায় দিয়েছিলো। আজকের ভারতে অবস্থানরত সকল মুসলিমরা জানতো যে নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তান হলেও তারা পাকিস্তানের নাগরিক হতে পারবেনা, তাদেরকে ভারতে বাস করতে হবে। এই সত্য জেনেও তারা সেদিন পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দিয়েছিলো। কেন দিয়েছিলো তার কারণ আপনার জানা না থাকলেও তাদের জানা ছিলো, অখণ্ড ভারত থাকলে মুসলিমরা চীর জন্মের জন্য সংখ্যালঘু হয়েই থাকতো ব্রাহ্মণবাদী শোষণ আর লাঞ্ছনার শিকার হতে হতো। কিন্তু ভারত ভাগ হলে পাকিস্তান অংশের হিন্দুরা তখন সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। কাজেই তখন শক্তির ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা পাবে, কোন দেশের সংখ্যালঘুর প্রতি অবিচার করা সম্ভব হবেনা। ২য়ত যদিও বাস্তবতা এমন দাঁড়ায় ভারতের কোন মুসলিমের পক্ষে বাস করা সম্ভব হচ্ছেনা তখন সে তার পরিবার নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য পাকিস্তানকে পাবে সেই আশায় সেদিন সারা ভারতে মুসলিমরা একযোগে পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দিয়ে পাকিস্তান আদায় করেছিলো, আপনার মনে নোট রাখুন, পাকিস্তান ভোটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো,৭১ এর মত কোন যুদ্ধের মাধ্যমে নয়
।
পূর্ববাংলা থেকে জমিদারী প্রথার অবসানের ইতিহাস বর্ণনা করতে গিয়ে আপনি আবার সত্যের সাথে মিথ্যাকে গুলিয়ে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করছেন। পূর্ব পাকিস্তান হওয়ার কারণেই পাকিস্তানের এই অংশে জমিদারি প্রথার অবসান হয়েছিলো, এখানে শেখ মুজিব পিতাজানের কোন ক্রেডিট ছিলোনা, , প্রবীণ রাজনীতিবিদদেরই ক্রেডিট ছিলো। পারলে পিতাজানের রাজনৈতিক দীক্ষা গুরু শহীদ সোহর্য়াদীর বক্তব্য থেকে উদ্ধৃত দেখান আর না হলে পিতাজানের চামচামি বন্ধ করুন।
বাংলার কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় জমিদার প্রথার বিলুপ্তির আলোচনা ১৯৩০ দশক থেকে হচ্ছিল এবং শেরে বাংলার কৃষক প্রজা পার্টির লক্ষ্যও এই সাথে জড়িত ছিল, শেরে বাংলার প্রচেষ্টায় এই দেশ থেকে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হয়েছিলো, শেরে বাংলার ক্রেডিটকে আপনি শেখ মুজিবুরের বলে দাবি করছেন? শেখ মুজিব কে পি পি করতেন না। মুসলিমলীগ করতেন। শেখ মুজিবুর রহমানের নাতা শেরে বাংলা ছিলেন না, ছিলেন সোরয়ার্দী সাহেব। পাকিস্তান প্রশ্নে শেখ মুজিব শেরে বাংলাকেও অপদস্থ করেছিলেন। সে ইতিহাস না জানা থাকলে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত ইতিহাস পড়ে জেনে নিবেন। আজকের বাংলাদেশে আপনার মত নব্য ইতিহাসবিদরা অতীতের সব কিছুতে শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান বলে বর্ণনা করতে দ্বিধা করছেন না।
আপনাকে প্রশ্ন করছি, আপনি এত ডালে ডালে গিয়ে কথা বাড়াতে চান কেন? কেন? আপনার কি কোন কাজ-কর্ম নেই? এখন ইসলামী দেশ টানছেন কেন? আমার মনে হচ্ছে আপনার চিন্তা চেতনায় হযবরল কিছু আছে।
আপনি নিজকে মুসলিম দাবি করেন অথচ জানেন না যে, ইসলামী দেশ কারও উপর ইসলাম চাপায় না, কিন্তু আবশ্যিক ভাবে ইসলামী শিক্ষা সংস্কৃতির সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ইসলাম রক্ষা করে। কে বলেছে করে না? আপনি কি বলছেন? আপনার ইসলামের প্রয়োজন না থাকলেও আমাদের আছে। এই দেশের অবস্থা এই দেশের নাগরিকদের বিবেচনা করতে হবে। রাষ্ট্রশক্তির মাধ্যমে মুসলমানদের শিক্ষা সংস্কৃতি পরিবর্তন করা যাবে না। যে সরকার এমন পদক্ষেপ নেবে তারা মুনাফিক।
পাকিস্তানে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে না পারার সমালোচনা আমাদের সকলের, সুতরাং এটা নিয়ে ধাপ্পাবাজির কিছু নেই। আপনি যদি ইসলামের ব্যাপারে পাকিস্তানের সমালোচক হন, তবে আপনি কি এখন ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার করতে চান? যদি না চান, তবে দ্বিচারিতা করবেন না। পাকিস্তানের শাসকরা যদি ইসলামকে রাষ্ট্র থেকে সরিয়ে রাখে তবে এখানে আপনি আর পাকিস্তানি শাসকরা এক, একই স্থানে, একই নিক্তিতে এবং যুক্তিতেও। কিন্তু ধাপ্পা-মানসিকতায় তা ঢুকছে না। এক্ষেত্রে আপনিও পাকিস্তানী।
ইসলামি রাষ্ট্র শিক্ষা সংস্কৃতির মাধ্যমে মুসলিমদের ঈমান-আদর্শ রক্ষা করতে পারে এবং এর অভাবে প্রতিকূলতা আসে, যে কারণে আজ রাষ্ট্রশক্তির মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন করে সেই উলটো কাজটি এদেশে করা হচ্ছে যার সমর্থক আপনি, এবং যে বিষয়ে আলেম উলামাগণ প্রতিবাদ করছেন। আপনি ‘ইসলাম রক্ষার’ ধারণা সম্পর্কে জানেন না, তাই দীনে এলাহি প্রতিষ্ঠিত হলেও আপনার কলেমা পাঠে কোন বাধা আসবে না। আপনি থাবা বাবাকে চোখের পানি মুছতে মুছতে ইসলামী জানাজায় দাফন দেবেন।
আপনার ইসলাম নিয়ে আপনি থাকবেন, কিন্তু আমরা কি আমাদেরটা নিয়ে থাকতে পারব না? আমরা যারা আলেম উলামাদের অনুসরণ করি তারা কি এখন আপনার ইসলাম গিলতে হবে? দুঃখিত আমি যদি প্রশ্ন করি, আপনি কে রে ভাই? কোথায় ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা করে দক্ষতা অর্জন করে এত কড়া বিতর্কে নেমেছেন?
আপনি পয়েন্ট টু পয়েন্ট আলোচনা না চালিয়ে পিছলামী করে আপনি অতিরিক্ত আলোচনা করছেন আর সব বিষয়ে আপনার একাত্তর, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধ ইত্যাদি টেনে আছেন –এতে কিন্তু আপনার ব্যাপারে সন্দেহ হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা নিরাপদে ছিলাম আর আপনি ছিলেন আপদে? আমি তো আপনাকে চিনিও না জানিও না। কিন্তু কেবল দেখছি একাত্তরের অত্যধিক আবেগ আর ‘বাঁশ থেকে কঞ্চি দঢ়’ অবস্থা! সন্দেহের ব্যাপার বটে। আপনার সাথে শিবিরের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, কালীনভাবে দীর্ঘ/স্বল্পতা আসল কথা নয়। আপনার এই সম্পর্কের পূর্বসূত্রিতা থাকতে পারে, এটা ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ ঘটা কিছু হতে পারে না। আজ অনেক রাজাকার পরিবার চেতনার শীর্ষস্থানে, কেউ সরকারেও আছেন। সেদিন কার পরিবারের কে কিভাবে মরেছে, কোথায় নিখোঁজ হয়েছে আর কারা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সেজে প্লটের মালিক হয়েছেন, সয়-সম্পত্তি করেছেন যেকারণে তারা আমরণ একটি দলের সাথেই থাকতে হবে নইলে গুমর ফাঁক হয়ে যাবে। আজ যারা দল ও চেতনার অতিভক্তি দেখাচ্ছেন, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। আপনি তো এই সরকারের পক্ষে সাফাই গাইতে ব্যাঙ্ক ডাকাতির নিয়েও সাফাইমূলক ব্লগ মারছেন।
কথা হচ্ছে আমরা ইন্টারনেটে কেউ কাউকে চিনি না, কারও বাপদাদার খবর রাখি না। কিন্তু আপনার বাড়াবাড়িতে কি যেন একটা প্রেক্ষিত বহন করছে। আপনি রাতদিন এসব নিয়ে বিতর্ক করে যাচ্ছেন, আপনার সময়ের মূল্যটা কি? শোনেন, আপনাকে মানা করা সত্ত্বেও নতুন নতুন আলোচনা আনেন, যা আপনার মনের কিড়বিড়। আপনার ধ্যান-ধারণায় বিকৃতি ছাড়া কোন তাত্ত্বিক ঐতিহাসিক প্রকাশ পায় না। আবার কোন আলোচনার নির্দিষ্ট স্থানে থেকে আলোচনা নিরসন করতে পারেন না, কেবল ডালে ডালে ঘুরতে থাকেন –এটা বাদ দেন। শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে সুস্থ থাকুন। আমীন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ১১, ২০১৬ at ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ মুনিম ভাই। বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় হয়ে গেলেও আপনার জ্ঞানগর্ভ মন্তব্য পড়ে ্জ্ঞানী হবার চেষ্টা করতে গিয়ে হোচট খেলাম একটা জায়গায় --
-- আমার দল কোনটা মুনিম ভাই? আন্দাজ অনুমানে কাউকে কোন কথা বলা কি ইসলাম সন্মত, মুনিম ভাই?
আপনাকে পাকিস্তানের মিউজিয়ামে যেতে বলায় খেপে গেলেন -- আপনি বিহারীদের প্রতি যে প্রেম দেখালেন তার সামান্য যদি স্বজাতির প্রতি দেখাতেন -- তাইলে আপনাকে পাকিস্তান যেতে বলতাম না।
যাই হোক -- যার কাছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী একজন ইসলামী সৈনিক -- তার ইসলাম বোধ হয় আমার বোধগম্য নয়। ধন্যবাদ।
মাহফুজ
মে ৮, ২০১৬ at ১২:১৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তার মানে কি "নোবেল ডিক্টেটরশিপ" এর ইঙ্গিত দিচ্ছেন? যদিও গু খাওয়া গণতন্ত্রের চাইতে এটি উত্তম। কিন্তু এই শাসন ব্যবস্থার জন্য তো শাসকের সাথে সাথে তার পরিষদবর্গ এবং প্রশাসনকেও নোবেলিটি অর্জন করা চাই। বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে তা কি আদৌ সম্ভব?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ৯, ২০১৬ at ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আসলে আমি কনফিউড। বাংলাদেশের ভোটাভোটি সবই দেখেছি -- ৭০ থেকে আজ পর্যণ্ত। সব সময় ভোটের নামে শক্তির পক্ষে কাজ করেছে প্রশাসন -- ভোট চুরি -- ভোট ডাকাতি -- নতুন কিছু না। এখন যারা ভোটের জন্যে মায়াকান্না করছে -- ওরা ক্ষমতায় থাকাকালীন ভোট চুরি -- ডাকাতি -- শক্তির ব্যবহার থেকে শুরু করে এমন কোন কাজ নেই করেনি। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে আবারো করবে। তাই ভোট বিষয়টা আমার কাছে অর্থহীন মনে হয়। এতে করে অর্থ-বিত্ত-অস্ত্র বিজয়ী হয়ে যায়।
প্রকৃতপক্ষে যতক্ষন না জনগোষ্টী নিজেরা নিজেদের পরিবর্তন করছে ততক্ষন পর্যন্ত কোন সমাধানই সমাধান না।
মাহফুজ
মে ৯, ২০১৬ at ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কনফিউশনের কিছু নেই। সবই স্বচ্ছ পানির মত জ্বল জ্বল করছে, যা আমি আগেই বলেছি-
তবে গণতন্ত্রের নামে ভোটচুরি ও বাটপারি করার চাইতে আপাতত অন্তত সর্বসাধারণের জন্য ভাত-কাপড়ের অধিকার এবং সর্বস্তরে ন্যায় ও সৎকর্ম প্রতিষ্ঠা করা গেলেও মন্দ হয় না। আর এটাও না করে যদি দলিয় তন্ত্রের মোহে পুকুর-চুরির জন্য তিলকে তাল আর দিনকে রাত বানানোই মূল উদ্দেশ্য হয়, তাহলে কিন্তু কপালে সবারই ভোগান্তি আছে-
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ১০, ২০১৬ at ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সেইতো একই কথা হলো -- আপনি বিচারকের আসনে বসে গেলেন -- নানান জ্ঞান বিতরন করলেন -- আর বললেন আমাকে বলতে কোনটা মিথ্যা না। অবাক হবো কি -- রেন্টু যাদের গুরু -- তাদের কাছে সবই মিথ্যা যতক্ষন না তাদের পক্ষে কথাগুলো যায়।
যাই হোক -- ক্যাডার ছিলাম এই কথা মিথ্যা না -- শিবির পিটিয়েছি সেইটাও সত্য -- যদি আমি না পেটাতাম -- তাহলে আমাকে পেটাতো। সেইগুলো ভিন্ন বিষয়।
তবে আপনি যেভাবে অকাতরে জ্ঞান বিতরন করছেন -- তাতে আপনাকে তো একজন মহামানবই বিবেচনা করতে হয়।
তবে একটা প্রশ্ন -- চেতনার ব্যবসা কেন অচল হয়ে গেলো -- সেইটা একটু বলবেন? আর জামাতকে কিছু বললে আপনার গাত্র দাহের কারন কি -- এই বিষয় একটু যদি আলোকপাত করেন তাহলে কৃতার্থ হতাম।
মাহফুজ
মে ১০, ২০১৬ at ১০:০০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জামাত ওদের শিরায় শিরায়
ইসলাম শুধুই মুখে
স্বার্থে আঘাত লাগলেই ওরা
সব কিছু দেয় মুছে
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ১০, ২০১৬ at ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অনেক কথা হলো -- ঘটনা যা দেখলাম তা লেখলাম -- কিন্তু অনেকের গাত্র দাহ শুরু হলো -- গালিগালাজ থেকে জ্ঞান বিতরন সবই হলো। কিন্তু মুল বিষয়টা বুঝাতে পারলাম না -- কারন সবাই খোয়াবের মাঝেই বসবাস করি -- দীর্ঘ চল্লিশ বছর একটা বিচারের আশায় চিৎকার করেছি। তখন শুনতাম -- এইগুলো মিথ্যা -- সবই ভুয়া -- সবই প্রপাগান্ডা। কিন্তু বিচার হলো -- এখনও সত্যকে কেউ কেউ গ্রহন করতে পারছেন না।
রবি ঠাকুরে একটা কবিতার অংশ মনে পড়ছে --
"মনেরে আজ কহো যে,
ভালো মন্দ যাহাই আসুক
সত্যরে লও সহজে। "
এই সত্যকে সহজে গ্রহনের ক্ষমতা আমাদের অনেকেরই নেই -- তাই এতো গন্ডগোল। আমার লেখার মুল বিষয়টা আসলে যে ঘটনার আলোকে এসেছে তার লিংকটা দিলাম -- যারা সত্যকে গ্রহন করতে উদার -- তারা আশা করি বুঝতে পারবেন।
কারাগারে থেকেই জয়ী হলেন মোস্তফা, চমক দেখালেন আনারসের প্রার্থীরাও
Md Noman
মে ১০, ২০১৬ at ৮:৪০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
১৬ কোটি মানুষের ১৮ কোটি শয়তান।কেমন করে সম্ভব?১৫ কোটি মানুষ,১কোটি মানুষরুপী শয়তান।১জন মানুষরুপী শয়তান =১৮জন আসল শয়তান।
Guest
মে ১২, ২০১৬ at ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
Bro. This place is not for you. Either come and write in istishon.com or amarblog.com. Since you are a liberal person and you beleive in God, I would not invite you to write at muktomona. Otherwise I would tell you to write in muktomona.com
'Modalap' is only for pak-i-stan lovers.
Take care. Cheers!
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
মে ১২, ২০১৬ at ৯:২২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিনামূল্যে উপদেশ দেওয়ার জন্যে শুক্রিয়া। আমি ঐ রাস্তা হেটেই সদালাপে এসেছি -- চিন্তা করবেন না -- এখানেই থাকবো ইনশাল্লাহ।
Guest
মে ১৩, ২০১৬ at ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Not a problem bro. You can stay here; I was kind of checking your position. What really surprised me is that most of the 'Sodalap' writers are paki-lovers whereas you wrote something different. Another point I noted here are the negative comments against your writings which clarified my undersatndings. Mentioning istishon is just an example; you can write on other bangla sites like somewherein, amarblog or many others which are not biased
Nokia
মে ১২, ২০১৬ at ১০:১০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
So, you think you are the only smart guy/gal on the planet? You didn't even realize that you have exposed your true color. What a fool you are!
Guest
মে ১৩, ২০১৬ at ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Yes I am the smartest guy in the planet; didn't you know that? At least I don't drink camel urine.
BTW.. what is your true colour friend?
শাহবাজ নজরুল
মে ১২, ২০১৬ at ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
নিকের নিচে লুকিয়েই খেলা করতে থাকেন ভাইজান /ভাবীসব।
ওপারে ডাকেন কেন ভাইডু -- মরা গাঙ্গে পানি নাই?
Guest
মে ১৩, ২০১৬ at ৯:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একটু বাজায় দেখলাম আর কি 'ভাইডু'। 'মদালাপ' এ পাকিপ্রেমী, নিজামী প্রেমী দেখি, তাই একটু টোকা মারলাম। গাঙ্গে পানি আছে, ভালই আছে। আর নিক এর কথা বলতেছেন ভাইজান? ওইটা তো বুঝা উচিৎ আপনাদের। (মানে মুমীন দের কথা বলতেছি আর কি, বুঝলেন না?) ঘাড়ে তো একটাই মাথা, ওইতা আপাতত খোয়াইতে চাইনা। আরও কিছুদিন বাঁচার ইচ্ছা আছে আর কি। আমাদের জন্য তো আর হুর/পরী নাই, কি করব বলেন? এই দুনিয়াতেই যে কইটাদিন বাচতে পারি, সেটাই দেখি।