«

»

Feb ২৩

দুঃখিত এবং মর্মাহত - এইটা আমার পথ না।

কোন ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর তাকে বিচার করার মতো ক্ষমতা আমার মতো সাধারন মানুষের নেই। কাকে দায়ী করবো? যুদ্ধাপরাধের বিচার বিষয়ক চলমান একটা আন্দোলনে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উত্তপ্ত হয়ে আছে। তার মধ্যে নতুন সংযোজন হলো ব্লগার বিরোধী আন্দোলন - যা মুলত জামাত-শিবিরের জন্যে একটা সেইফ হারবার তৈরী করেছে। অভিযোগ করবো কার বিরুদ্ধে - সবাই জ্ঞানী মানুষ। বিশেষ করে যারা ইসলামী লেবাস পড়ে নেত্বত্ব দেন। জামাত-শিবির গনজাগরন মঞ্চের চাপে যখন কোনঠাসা - ১৮ দিনেও একটা মঞ্চে আক্রমনের সুযোগ পায়নি - আমাদের আলেমদের সুবাদে সেই সুযোগ পেলো। রসুল (সঃ) কে অবমাননা করে ব্লগ লেখার অপরাধের দায় নিলো একদল সাংবাদিক - যারা কিনা মসজিদের ভেতর থেকে ছোঁড়া ঢিল ( অনেকের দাবী গুলি) এর আঘাতে আহত হয়েছে। অন্যদিকে দেখলাম একদল কিশোর ভাংগচুর করছে আর ছেঁড়া কাপড়, সাইনবোর্ডের টুকরা নিয়ে উল্লাশ করছে - তারা নিশ্চয় সেখানে গিয়েছিলো আমাদের প্রান প্রিয় রসুল মুহাম্মদ (সঃ) এর সন্মান রক্ষার লড়াই করতে। কোথায় ব্লগ আর কোথায় রাস্তার পাশে দোকান আর ব্যাংক। আগুনে জ্বলছে মোটর সাইকেল, ঢিল পড়ছে, ককটেল ফুঁটছে। 

 
মুলত এই আশংকাই করে মন খারাপ করে ছিলাম দুই দিন যাবত। আমাদের ধর্মভীরু - কিন্তু পর্যাপ্ত ধর্মজ্ঞানহীন জনগোষ্ঠীকে জামাত-শিবির কোন সময়ই তাদের দলে নিতে পারেনি। কিন্তু এই সরলমনা আলেমদের ব্যবহার করেছে অনেকেই। নুরুল আমিন থেকে এরশাদ পর্যণ্ত - সকলেই নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে কোন না কোন সময় ব্যবহার করেছে এই জনগোষ্ঠীকে। দেখেছি বাবরি মসজিদকে ইস্যুকে ইনকিলাব পত্রিকার মাধ্যমে কিভাবে এরশাদ এই সরলমনা মানুষগুলোকে উত্তেজিত করেছে। আজও দেখলাম মাহমুদুর রহমান তার আমার দেশ পত্রিকা দিয়ে নাস্তিকতার বিরুদ্ধে ইস্যু তৈরী করে জামাত-শিবিরের পক্ষে এই শ্রেনীকে আবারো ব্যবহার করলো - এই ঘটনায় নাস্তিকদের কি আসলে কোন ক্ষতি হলো, জানি না; তবে যারা ইসলামের বিরুদ্ধে নানান সচিত্র প্রতিবেদন তৈরী জন্যে উন্মুখ হয়ে থাকে - তাদের জন্যে একটা মওকা তৈরী করা হলো। আর সুযোগ পেলো জামাত শিবির গনজাগরন মঞ্চের উপর এক হাত নিতে। অর্থহীন ভাবেই ঝড়ে গেলো ৪ টি প্রান।
 
মজার বিষয় হলো গত আঠারো দিনে শাহবাগের এই বিরাট গনজামায়েত পশ্চিমা মিডিয়াতে তেমন কোন সারা জাগাতে ব্যর্থ হলেও - আজকের ঘটনা মোটামুটি সবাই প্রচার করেছে। দেখুন কিছু ছবি - আর ছবি দেখলে সহজেই অনুমান করা যাবে কেন বাংলাদের এই ধরনের খবরে কেন এই উৎসাহ।
 
 
খবর দেখুন 
 
কথা হলো আমরা কি জেনেশুনেই ভুল দিকে অবস্থান নিচ্ছি নাকি না বুঝে অন্যের ফাঁদে পা দিচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি না নাস্তিক/ইসলাম বিদ্ধেষীদের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধের কৌশলটা এই ধরনের হওয়া উচিত। আমি বিশ্বাস করি - ওদের কৌশলেই ওদের বিরুদ্ধে যুদ্ধটা সহজ এবং লাভবান হবো আমরাই। যেখানে একজন নাস্তিকের পাঠক মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন - সেখানে আমাদের পাঠক অনেক বেশী। কেন আমরা পারিনা আমাদের রসুল (সঃ) এর সম্পর্কে একটা নেতিবাচক লেখার বিপরীতে ইন্টারনেটে একশত লেখা পোস্ট করতে? আমাদের সেই যোগ্যতা এবং মনোবল আছে - শুধু নেই উদ্যোগ। নাস্তিকরা মিথ্যাবাদী, ওদের মিথ্যার চেয়ে আমাদের প্রিয় রসুল (সঃ) জীবনী অনেক শক্তিশালী - যা সহজেই মিথ্যাকে সরিয়ে তার স্থান দখল করবে। তখন মিথ্যাবাদী ধর্মবিদ্বেষীদের প্রচারনায় রাগান্বিত না হয়ে সেই ঢিল ছোঁড়া কিশোরটি তাদের প্রতি দয়াদ্র হবে - তাদের জন্যে দোয়া করবে যেন আল্লাহ যে তাদের হেদায়াত দেন।

৩২ comments

Skip to comment form

  1. 1

    বাকাট্টা

    শুরুতেই যদি শাহবাগের সমাবেশের নেতৃত্বে সেক্যুলার মুখোশধারী নাস্তিকদের সুযোগ না দেওয়া হত তাহলে ঘটনা এতদূর গড়াত না। বিগত ১৭-১৮ দিন আগে এই সমাবেশ শুরু হলে কোন ইসলামী দলই(জামাত ব্যাতীত) যুদ্ধাপরাধীদের ফাসীর দাবী ও জামাতকে নিষিদ্ধের দাবীর বিরুদ্ধে কিছুই বলেনি। কিন্তু হাসিনার কাছে পেশ করা ৭টি দাবীর মধ্যে সকল ধর্মভিত্তিক দল নিষিদ্ধ করা এবং নিহত থাবা বাবাকে শহীদ আখ্যায়িত করলে এর সুত্রপাত হয়। ঐ দিকে মূক্তমনা ও সম মানের ব্লগ ও ওয়েব সাইড গুলো টোটাল সেক্যুলারিজম দাবী ও ইসলাম বিদ্বেষীদের হিরো বানানোর চেষ্টা করলে তার পরণতি হল গতকালের সংঘাত। পুলিশ প্রশাসন ইচ্ছা করেই শাহবাগে নাস্তিক নেতৃবৃন্দকে এই ধরণের হুংকার ছোড়ার সুযোগ দিচ্ছে। তাদের প্রধান দুটি দাবী অন্যদের দিয়েও তোলা যেত। সব দেখে শুনে মনে হচ্ছে দেশের সরকারের শীর্ষ মহলেওর কেউ এই শাহবাগকে ভিত্তি করে ফায়দা নিতে চায়। তোফায়েল, আইনমন্ত্রী শফিক কিভাবে রাজীব হায়দারকে দ্বিতীয় প্রজন্মের শহীদ বলে এবং এখনও শক্তিশালী প্রমাণ ছাড়া জামাত-শিবিরকে এর জন্য দায়ী করে সেটা খুবই ভয়াবহ। দেশের একজন পূর্ণ মন্ত্রী এভাবে নিহত রাজীবকে হিরো বানায় তখন সেটা সরকারের অবস্থান বলেই গণ্য হয়। মজার বিষয় হল অমি রহমান পিয়াল রাজীব হত্যার জন্য সর্বহারা বাম টাইপের গ্রুপকে দায়ী করছে।

    1. 1.1

      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      কেউ কাউকে শাহবাগে সুযোগ দেয়নি। যদি লক্ষ্য করে থাকেন আমি শুরু থেকেই সোচ্চার ছিলাম বাম/নাস্তিকদের এজেন্ডার বিষয়ে। অনেকেই এই বিষয়টি লক্ষ্য রেখেছিলো। এক পর্যায়ে চিহ্নিত বাম-নাস্তিকদের আন্দোলনের মুখপাত্র হিসাবে টিভিতে যাওয়ার বিষয়টি বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু বিচারপ্রার্থী হিসাবে যদি কেউ যায় -- তাকে না করার মতো সুযোগ কি আছে?
       
      পিয়ালের নোটটা দেখেছি এবং কোন সম্ভাবনাই বাতিল করছি না। কথাটা সত্য যে এই নষ্টের দলের পক্ষে সবই সম্ভব -- এমন কি এদের পক্ষে জামাতের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে স্যাবোটাজ করাও সম্ভব। আজকের মে মাহমুদুর রহমান এতো বড় একটা ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে তার পিছনেও কিন্তু বাম-নাস্তিক ফরহাদ মযহারের মতো লোক সক্রিয় ভুমিকা রাখছে। 
       

  2. 2
    ফুয়াদ দীনহীন

    আমি কিছুই বুঝতেছিনা, জিয়া ভাই, আপনার মেইলটা দেন একটু আলোচনা করি। 

    1. 2.1
      শাহবাজ নজরুল

      ব্যক্তিগত মেইল না এখানেই আলোচনা করেন। আসেন সবাই মিলে আলোচনা করে দেখি কিছু সুরাহা করা যায় কিনা।
       

      1. 2.1.1
        ফুয়াদ দীনহীন

        কেউ কাউরো কথা না শুনলে সুরাহা কিভাবে হবে ?

        1. 2.1.1.1
          নির্ভীক আস্তিক

          কথা বলুননারে ভাই ।  বিতর্ক হবে এই ভয়ে আরালে যেতে হবে কেন ? আমাদের মধ্যে বিতর্ক হওয়ার মানে এই নয়যে আমদের সদালাপের কোন ব্যক্তিবিশেষ কে বিতর্কিত করা বরং যৌক্তিক বিশ্লেসনের মাধ্যমে নিজেদের জন্য একটি সমোঝোতার ভিত্তি তৈরি করা যার উপর দাড়িয়ে আমরা একজন আরেকজনকে বুঝতে পারব ।

          যাইহোক আপনাকে গতকাল থেকেই মিস করছিলাম ।  কেবা আছেন ?

        2. ফুয়াদ দীনহীন

          তিন তিনটা লিখে লিখেও পোস্ট করতে পারি নাই, মন চায় না, ভালও লাগে না। আমি আলসী হয়ে গেছি, নাকি মন আলসী হয়ে গেছে বুঝতেছিনা। 🙁 🙁 

  3. 3
    শাহবাজ নজরুল

    জিয়া ভাই আসেন দেখি আপনার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলাপ করি। আপনি বললেন --

    আমাদের ধর্মভীরু – কিন্তু পর্যাপ্ত ধর্মজ্ঞানহীন জনগোষ্ঠীকে জামাত-শিবির কোন সময়ই তাদের দলে নিতে পারেনি। কিন্তু এই সরলমনা আলেমদের ব্যবহার করেছে অনেকেই।

    এখন আমাকে বলেন --

    প্রশ্ন ১. কেন আমাদের ধর্মভীরু – কিন্তু পর্যাপ্ত ধর্মজ্ঞানহীন জনগোষ্ঠীকে জামাত-শিবির কোন সময়ই তাদের দলে নিতে পারেনি?

    [আপনার এই মতামতের সাথে আমি মোটামুটি একমত -- অল্প দ্বিমত আছে। তবে আপনি একটু ব্যাখ্যা করেন এমনটা সিদ্ধান্তে আসার কারণ কি?]

    প্রশ্ন ২. আর কেন মনে হচ্ছে এই এই সরলমনা আলেমদের জামাত শিবির ব্যবহার করতে পেরেছে?

    [আপনার এই মতামতের সাথে পুরোপুরি একমত নই -- আর আমার নিজের মত জানাচ্ছি। তবে শুনতে চাচ্ছি আপনার মতামত।]

    1. 3.1
      নির্ভীক আস্তিক

      শাহবাজ ভাই এর মন্তব্যে শব্দগুলোর মাঝে ফাঁক বেরে যাওয়ায় Odd লাগছে । এডমিন বা জিয়াউদ্দিন ভাই একটু কষ্ট করে fix করে দেবেন কি ?  আলোচনার অপেক্ষায় রইলাম ।

    2. 3.2

       
      প্রশ্ন ১. কেন আমাদের ধর্মভীরু – কিন্তু পর্যাপ্ত ধর্মজ্ঞানহীন জনগোষ্ঠীকে জামাত-শিবির কোন সময়ই তাদের দলে নিতে পারেনি?
      [আপনার এই মতামতের সাথে আমি মোটামুটি একমত -- অল্প দ্বিমত আছে। তবে আপনি একটু ব্যাখ্যা করেন এমনটা সিদ্ধান্তে আসার কারণ কি?] 
       
      -- উত্তরা হলো জামাত শিবিরের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষমতা দখলের যে পদ্ধতি, মওদুদ সম্পর্কে আলেমদের অবজারবেশন, আর মুক্তিযুদ্ধে জামাতের ভূমিকা মনে হয় বড় ধরনের ফ্যাক্টর। তা ছাড়া জামাতের কৌশল হিসাবেও এরা ট্রেডিশনাল পদ্ধতির অনুসারীদের থেকে আলাদা একটা ইমেজ তৈরী চেস্টা করছে যাতে তরুনদের মাঝে একটা ইমপেক্ট তৈরী করা যায়। হয়তো আরো ফ্যাক্টর আছে -- সেগুলো মাইনর। 
      প্রশ্ন ২. আর কেন মনে হচ্ছে এই এই সরলমনা আলেমদের জামাত শিবির ব্যবহার করতে পেরেছে?
      এই ক্ষেত্রে আমার অবজারবেশন হলো -- আমাদের দেশের ইসলামী দলগুলোর (জামাত ছাড়া) ধর্মীয় ইস্যুগুলো ছাড়া তেমন কোন দুনিয়ার বিষয়ে এজেন্ডা নাই। এরা সংগঠিত নয় এবং ধর্মীয় বিষয় ছাড়া অন্য বিষয়গুলো ধারন করার মতো নেতৃত্বও নেই।
      অতীতেও দেখেছি -- এই গ্রুপকে সামান্য কারনেই উত্তেজিত হয় উঠতে -- বাটা জুতায় আল্লাহ নাম লেখা হয়েছে -- ইনকিলাবের এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এরা বিরাট মিছিল নিয়ে টংগী দিকে রওনা দিলে পথে পুলিশে গুলিতে ২ জন নিহত হয়েছিলো। 
      বাবরী মসজিদের বিষয়তো সবার জানা। সর্বশেষ সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ উঠে যাবে এই খবরে এরা রাস্তায় নেমেছিলো। 
      যদি লক্ষ্য করে থাকেন -- দেখবেন গত সপ্তাহে ১২ দলীয় ইসলামী জোটের মাধ্যমে জামাত পল্টনে সাইদী মুক্তি মঞ্চ করতে চেষ্টা করেছিলো -- কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে এবং পরের দিন সমাবেশের ঘোষনা দিলেও সমাবেশ হয়নি -- এরা ঘোষনা দিয়েছিলো সমাবেশ করতে না দিলে ৭২ ঘন্টা হরতাল করবে -- কিন্তু সেই নেতাদের দেখা যায়নি মাঠে। সেই সময় ১২ দলের অনেক নেতা জামাতের সম্পৃক্ততার কারনে আন্দোলনের বিষয়ে অনীহা জানিয়েছে। 
       
      এবার মাহমুদুর রহমানের সৌজন্যে নাস্তিকতা একটা ইমোশনাল সিচুয়েশন তৈরীর সুবাদে জামাত শিবির সক্রিয় হয়ে এই ঘটনাটা ঘটিয়েছে। কিন্তু আমরা দেখেছি অল্প বয়সের ছেলেরা যথেষ্ঠ সংখ্যায় অংশ নিয়েছে -- যার পিছনে ইন্ধন দিয়েছেন মসজিদের ইমামরা -- যারা মুলত গুজব এবং মোবাইল ফোনের পাঠানো পিকচার ফাইলগুলো দ্বারা মোটিভেটেট হয়েছিলো। 
      এখানে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ইমোশন আর ঘৃনা । জামাত-শিবির সেই ইমোশনাল ব্লাকমেইলের ফসলটা ঘরে তুলেছে। 
      http://www.kalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=news&pub_no=1163&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=7১২ দলের খবর বিস্তারিত জানার জন্যে দেখুন। 

  4. 4
    মুনিম সিদ্দিকী

    স্বাধীন দেশে যে কোন দল বা মানুষের তাঁর বাদ প্রতিবাদ জানানোর জন্য সভা,মিছিল করার গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু আমরা কাল কি দেখলাম! একদল মানুষ তাদের প্রাণ প্রিয় রাসুল সাঃ এর অপমানের প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমে মিছিল করতে চেয়েছিল। তাদেরকে শান্তিপূর্ণ ভাবে সে মিছিল করে প্রতিবাদ জানাতে দেয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা যেন করতে না পারে তাঁর জন্য মসজিদের গেটে তালা মেরে জনগণকে উত্তেজিত করে তোলা হল। বাঁধা দিয়ে উত্তেজিত করে তোলা হল। আর এর ভিতরে ঘাপটি মেরে বসা অনুপ্রেবেশকারীরা ফায়দা নিলো। এর জন্য দায়ী কে?

    1. 4.1

      সরকারের শীর্ষ পর্যায় হতেই বেছে বেছে এই ইসলাম বিদ্বেষীদেরকে শাহবাগের নেতৃত্বে আনা হইছে। এই নিয়ে হেফাজতে ইসলামের একটি ভিডিও
      http://www.facebook.com/photo.php?v=4743077170685&set=vb.555927997764588&type=2&theater
      এই আওয়ামীলীগই ২০০৬ সালে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য খেলাফত মজলিশের সাথে চুক্তি করছিল। আজকে তারাই আবার ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের নামে দেশে অশান্তি সৃষ্টি করছে। তাতে যদি পুনরায় হাসিনা ক্ষমতায় যেতে পারে।

    2. 4.2
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ছবিটা একটু বড় করে দেখুন।
      যে সব জায়গা পুলিশ ঠিকমতো এদের আটকাতে পারেনি -- সেখানে কি হয়েছিলো। আর ঢাকায় সাংবাদিকরা আক্রান্ত হয়েছিলো কিন্তু নামাজের আগেই। শান্তিপূর্ন মিছিলের প্রিপারেশর জন্যে কেউ কি পকেটে ককটেল নিয়ে নামজে যায়?
       
       

      1. 4.2.1
        বাকাট্টা

        সরকার শাহবাগের নাস্তিক নেতৃবৃন্দকে পুলিশ প্রশাসন দিয়ে সমাবেশের সুযোগ দিলেও শুক্রবারে মুসল্লীদের মিছিলে বাধা দিছে। আগে থেকেই সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত ছিল মসজিদ হতে মিছিল বের হতে দেওয়া হবে না। তাই কিছু মানুষ বোমা, ককটেল নিয়ে গেছে কিন্তু সবাই না। যদি পুলিশ মিছিলকে বাধা না দিত তাহলে সারা দেশে এভাবে সংঘর্ষ হত না। যখন কারো ন্যায্য গণতান্ত্রিক অধিকারে বাধা দেওয়া হয় তখন এভাবেই মানুষ বিক্ষুদ্ধ হয়। রাজীব সহ অন্যান্য নাস্তিক নেতৃবৃন্দ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের দাবী জানিয়েছে তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ শুধু জামাতের নয় সকল ইসলামী দল ও দেশের বিশাল মুসলমান জনগণের। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে মূল দাবীর সাথে ধর্মীয় দল নিষিদ্ধ করার দাবীর প্রতি সরকারের খোলামেলা কোন ঘোষণা না দেওয়ায় জনমনে শংকা তৈরি হয়। এই শুক্রবারের গণরোষের কারণে আজকে শেখ সেলিম বলেন যে শুধু জামাত নিষিদ্ধ হবে অন্য কোন ধর্মীয় দল নয়। আবারও মুনিম ভাইয়ের বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করছি।

        1. 4.2.1.1
          নির্ভীক আস্তিক

          সরকার শাহবাগের নাস্তিক নেতৃবৃন্দকে পুলিশ প্রশাসন দিয়ে সমাবেশের সুযোগ দিলেও শুক্রবারে মুসল্লীদের মিছিলে বাধা দিছে।

          মুসল্লিদের মিছিলে বাধা দেয়াটা অনুচিত কিন্তু শাহবাগের নাস্তিক নেতৃবৃন্দ কে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে হেফাজত করা পরিস্থিতির সাপেক্ষে ঠিকই আছে বলে মনে করি।  জিয়া ভাইয়ের পোষ্ট করা ছবি আর অন্যান্য source  দেখে যা বুঝতে পারি তাতে করে যেকোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারত, যার ফলে আমাদের মুসলমানদের উপরই নেতিবাচক প্রভাব পরত। 

      2. 4.2.2
        আবদুল্লাহ সাঈদ খান

        জিয়া ভাই, ঢাকায় সাংবাদিকরা নামাজের আগেই আক্রান্ত হয়েছিল, এ তথ্যটির সোর্স কি?

        এই লিংকটি দেখতে অনুরোধ করব:
        http://www.facebook.com/photo.php?v=496302733738338

  5. 5
    shamima

    শুরুতেই যদি শাহবাগের সমাবেশের নেতৃত্বে সেক্যুলার মুখোশধারী নাস্তিকদের সুযোগ না দেওয়া হত তাহলে ঘটনা এতদূর গড়াত না।

     
    ভুল, মারাত্বক ভুল। ধর্মের কারণে খুন করতে চাইলে তারা অনেক আগেই খুন করতে পারতো। রাজিবের লেখার সাথে তাদের পরিচয়  বহু বছরের। রাজিব শাহবাগ সমাবেশের সম্মুখ সারির নেতা ছিলনা। যে দিন সমাবেশ থেকে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবী তুলা হয়েছে সেদিন থেকেই তারা সমাবেশকে বেশ্যার মেলা, গাঁজার আসর, নাস্তিকদের সমাবেশ বলে ফটো শপের কারসাজি করে প্রোপাগান্ডা বিভ্রান্তি ছড়ানো শুরু করেছে। রাজিব, আসিফ বা এরকম কেউ না গেলেও সমাবেশকে তারা নাস্তিকের আখড়া বলতো। অধ্যাপক জাফর ইকবালের নাম তাদের লিষ্টে আছে। ফেইসবুকে, ব্লগে, টুইটারে তাকে ব্যঙ্গ করে কার্টুন এঁকেছে তিরষ্কার করেছে এই সমাবেশে আসার পর থেকে, রাজিব হত্যার অনেক আগে। বাঁচার জন্যে মরণকামড় দেয়ার এটা তাদের শেষ এবং শ্রেষ্ট অস্ত্র। একাত্তরেও তারা এই অস্ত্রই ব্যবহার করেছিল, যদিও মুক্তিযোদ্ধারা ইসলামবিদ্বেষী ছিলেন না। একাত্তরেও তারা এই পতাকা এই শহিদ মিনারকে ঘৃণা করেছিল আজও তার প্রমাণ দেখালো। তবে তারা কোন অজুহাতেই পার পাবেনা। ব্লগে ইসলাম বিদ্বেষী লেখা বন্ধ হয়ে গেছে আরো ব্লগ বন্ধ হবে, এ সব দেখে কওমী মাদ্রাসার আলেম ছাত্ররাও শান্ত হয়ে যাবেন, তারা পাপীকে পাপ সুধরাবার সময় দেয়ায় বিশ্বাস করেন। এক সময় তারা জামাতের প্রতারণা ধরতে পারবেন এবং এদের সঙ্গ ত্যাগ করবেন। ৪০ বছরে জামাতের পাপ বালেগ হয়েছে, শাহবাগ চত্বর জাতির কলংক মোচনের জন্যে আল্লাহর রহমত আর জামাতের জন্যে গজব। জামাত মুক্তি পাবেনা, বাংলার মাটি থেকে জামাত নিঃশ্চিন্ন হয়ে যাবে সেটা সুনিশ্চিত। 

    1. 5.1
      বাকাট্টা

      আমি অমি রহমান পিয়ালের ফেসবুক ষ্ট্যাটাস নিজে দেখছি। সেখানে এই খুনের জন্য বাম ও সর্বহারাদের দায়ী করছে। এটা নারীঘটিত ব্যাপারের জন্যই রাজীব খুন হয়েছে। আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবী শাহবাগের নেতৃবৃন্দ খোলাখুলিই করছে। মূক্তমনা ওয়েব সাইডের আচরণও চোখে পড়ার মত!

    2. 5.2
      নির্ভীক আস্তিক

      কারো মন্তব্যে জবাব দেয়ার জন্য মন্তব্যের ডান পাশে Reply ক্লিক করে তারপর জবাব  দিন। তাহলে Track করতে সুবিধা হয়। আপনার মন্তব্যের অনাকে কথা ঠিক আছে আবার অনেককিছু পাশ কাটিয়ে গেছেন। এর জবাব দেব তাঁর আগে একটু বলুনতো http://www.sachalayatan.com/node/48149 এই পোষ্টের লেখিকাই কি আপনি ? দয়াকরে এক কথায় উত্তর দিবেন- হ্যাঁ/না । আর please trolling করবেন না ।

  6. 6
    এস. এম. রায়হান

    পুরো ব্যাপারটা বেশ প্যাঁচ লেগে গেছে মনে হচ্ছে। ধীরে ধীরে জটিল আকার ধারণ করছে। মাথায় কিছু ঢুকছে না। তবে আমি মনে করি শাহবাগের গণজাগরণ আগপিছ ভেবে আরো পরিকল্পিতভাবে শুরু করে মূল দাবির প্রতি অটল থাকলে এই সমস্যাগুলো হতো না। তাছাড়া কথায় বলে, Justice delayed justice denied. প্রতিটি আন্দোলনেরই পক্ষে-বিপক্ষে লোক থাকবে। যতই দিন যাবে ততই বিরুদ্ধবাদীরা সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করবে। বিরুদ্ধবাদীদের হাতে সুযোগ তুলে দেয়া বড় ধরণের ব্লাণ্ডার বা বোকামী। যারা এই সুযোগ করে দিয়েছে তারাও এর দায় এড়াতে পারে না।

    1. 6.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      রায়হান
       
      এইটা একটা যুদ্ধাবস্থা চলছে। এখন উভয় পক্ষই যথেষ্ঠ কৌশল আর মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে -- সুতরাং সিদ্ধান্ত গ্রহন করা খুবই কঠিন। এইটা মুলত একটা ফেতনা। বাংলাদেশ সার্বিক ভাবে একটা ফেতনা মধ্যে ঢুকে পড়েছে। সুতরাং সতর্ক হওয়া জরুরী।  

    2. 6.2
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

       শাহবাগের গণজাগরণ আগপিছ ভেবে আরো পরিকল্পিতভাবে শুরু করে মূল দাবির প্রতি অটল থাকলে এই সমস্যাগুলো হতো না।

      ঠিক বলেছেন। যেমন: বিচারটা গোলাম আযম, বা নিজামী দিয়ে শুরু করা যেত। সরকারী দলে লুকিয়ে থাকা যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচারের আওতায় আনা যেত।

  7. 7
    করতোয়া

    সরকার কালক্ষেপন করে বিষয়টাকে আরো জটিল করে তুলছে। আমি মনে করি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এদের বিচার করে ফাঁসিতে ২/১ টা ঝুলালেই এই জামাতী তান্ডব থেমে যাবে। তারাও পিছুপা হবে। সরকার মধ্যপ্রাচ্য জামাতী আর ওহাবী বাদশাহদের চোখ রাঙ্গানীতে ভিতসন্ত্রস্ত মনে হচ্ছে। তাদের কেন সরকার বোঝাতে পাচ্ছে না ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে সোকলড স্যাকুলারিজম এর পক্ষে আমাদের অবস্থান নয় যেমন আমেরিকা তাদের বুঝাতে সক্ষম হয়েছে। আমরা ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী কিন্তু ধর্মের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় এই স্পষ্ট বক্তব্য নিয়ে সরকারকে কাজ করতে হবে। আর যদি ওহাবীরা সরকারকে বিশ্বাস না-ই করে তবে ধর্মের রাজনীতি বন্ধের প্রক্রিয়া ওহাবীদের ব্যাকলাস সম্পর্কে জনগনকে সচেতন করে তুলুন। তারপর প্রয়োজন হলে কঠিন পথ পাড়ি দেবার জন্য জনগনকে প্রস্তুত করুন। প্রয়োজনে গরুর গাড়ীতে পতাকা উড়িয়ে সংসদে যাতায়াত করবো তাও ওহাবীদের তেলে মার্সিসিডিস চালাবো না। সরকারের অনেকে ওহাবীদের জাকাতের পয়সায় নিজেদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের পথ বন্ধ হবার ভয়ে তটস্থ বলেই মনে হচ্ছে।
     
    মাননিয় সরকার! হয় থলে থেকে বের হয়ে জনগনের সাথে একাত্নতা ষোষনা করুন এবং জনগনের দাবী অনুযায়ী কাজ করুন নয়তো বা জামাতীদের সাথে একাত্নতা ঘোষনা করে জনগেনর সাথে যুদ্ধে আসুন, দেখা যাক বিজয় কার পক্ষে যায়।

    1. 7.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      ভাই, আমি মনে করি জামায়াত শিবিরের কর্মীদের একটি বড় অংশ তাদের লক্ষ্য সম্পর্কে পরিস্কার। তারা এই বিশ্বাস নিয়ে আন্দোলনে আছে যে এই পথেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হবে। সুতরাং এ অবস্থায় এই তরুণদেরকে সঠিক পথ চেনানো এবং তাদের কাছে একটি বিকল্প যুগোপযোগী পথ উপস্থাপন করা জরুরী নয় কি? আমরা যেমন নাস্তিকদের যুক্তি দিয়ে বোঝানোর পক্ষে তেমনি তাদের যুক্তি দিয়ে সঠিক পথে আনা জরুরী নয় কি? এরা যদি বুঝতে সক্ষম হয় যে তাদের অনুসৃত পদ্ধতিতে ইসলামী রাষ্ট্র গঠন হবে না তখন নিশ্চয়ই এদের সব না হলেও অধিকাংশ এই পথ থেকে ফিরে আসবে।

      তবে হয়ত, ইসলামী রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েই আপনার দ্বিমত আছে। (প্রসঙ্গত ইসলামী রাষ্ট্র বলতে আমি খিলাফত ভিত্তিক রাষ্ট্র, সমাজকল্যাণ মূলক রাষ্ট্র, ভিন্ন ধর্মাবলম্বনকারীদের অধিকার নিশ্চিত করে এমন মুসলিম রাষ্ট্র সবগুলো অর্থেই বুঝাতে চাচ্ছি) 

  8. 8
    হাফিজ

    জিয়া ভাই, মনে করুন শাহবাগের ব্যাপারটা ঘটেনি। এমন অবস্হায় শুধুমাত্র ইসলাম বিদ্বেষীদের ব্যান করার জন্য আলেমরা মিছিল করে, তাহলে সেটাকে আপনি কেমন দেখবেন?
     

    1. 8.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      আমি তাদের সাথে থাকবো অবশ্যই। তবে বিষয়টি প্রচুর চিন্তা ভাবনার সুযোগ রাখে। যেমন আপনি একজন অমুসলিমকে শুকরের মাংস খাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে কিভাবে, তেমনি যারা আল্লাহকে নিয়ে মিথ্যাচার পছন্দ করে তাদের কেন আপনি বঞ্চিত করবেন। 
      আলেমদের মিছিল করে একটা সেকুলার সরকার ( বিএনপি বা আওয়ামী লীগ থাকুক না কেন বাংলাদেশের সংবিধান মুলত সেকুলার এবং তাদের তা অনুসরন করতে হয়) এর কাছে দাবী না করে যদি নিজেরাই সরকার তৈরী করার মতো অবস্থা তৈরী করার পক্ষে কাজ করা যায় -- সেইটা বরঞ্চ ভাল হয় না। হোসনী মোবারকের কাছে বছরের পর বছর দাবী না করে মোহাম্মদ মুসরিকে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্যে পদক্ষেপ নিলেই ভাল হয় না। 
       
      এখন আপনাকে একটা প্রশ্ন -- এক কোরান আর একটা সুন্নাহর অনুসারীদের কয়েক ডজন দল হবে কেন? তারা নাস্তিকদের উপর রাগ করে এক মত হতে পারলেও একটা ঐক্যবন্ধ আন্দোলন সৃষ্টি করতে পারছে না কেন?

      1. 8.1.1
        কায়সার আহমদ

        এক কোরান আর একটা সুন্নাহর অনুসারীদের কয়েক ডজন দল হবে কেন?

        খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কখনও কি ভেবে দেখেছেন কেন সুন্নাহ অনুসারীদের মধ্যে এতগুলো গ্রুপ কেন ? শিয়া ও সন্নিদের মধ্যে এত বিভেদ কেন ? এছাড়াও আছে আরও কত গ্রুপ- হানাফি, হাম্বলি, মুতাজিলা, খারিজি, সুফি, মাইজভান্ডারী আরও কত কি? এর মধ্যে আপনি যে ব্যখ্যা বিশ্লেষণ দিচ্ছেন সেগুলো সঠিক আর বাকিগুলো বেঠিক তারই বা গ্যারান্টি কি ? আর এত মতভেদের কারনই বা কি ? সমস্যাটা কোথায় ?

      2. 8.1.2
        আবদুল্লাহ সাঈদ খান

        জিয়া ভাই এখানে দুটো বিষয়।

        এক, একজন অমুসলিম যদি ইসলামকে নিয়ে গালি দেয় তাহলে আমাদের আচরণ কি রকম হবে?

        দ্বিতীয়ত,  একজন মুসলিম যদি তার মুসলিম নাম নিয়েই আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে গালি দেয় তাদের সাথে আমাদের আচরণ কি হবে?

  9. 9
    Rabiul Hasan

    amader sobaike obosshoi Allaher hokum o md(sm) er sunnat mutabak chole nastikkota chere diye Allaher rohomoter chayai asroi neya ochit.R na hore Allaher gojob theke khew rokkha pabena.

  10. 10
    কিন্তু মানব

    be specific ……..

    ১) আমি মুসলিম, আমার কাছে যদি প্রশ্ন হয়, তোমার মুসলিমত্ত্ব আগে না, বাঙ্গালী পনা আগে?
    সোজা উত্তরঃ আমার মুসলিমত্ত্ব আগে। আগে আমি মুসলিম পরে বাঙ্গালী।

    ২)আমি কি যুদ্ধ পাপীর বিচার চাই।
    উত্তরঃ হ্যাঁ, চাই।

    ৩) আমি কি প্রজন্ম চত্ত্বর কে সমর্থন করি না? উত্তরঃ হ্যাঁ করি।
    কিন্তু এর মাঝে কিন্তু আছে। প্রজন্ম চত্ত্বর। আমি ছিলাম প্রথম সপ্তাহ, আমি অবাক হয়েছি, যখন দেখি ব্লগার রা নেতার মত কথা বলে, কথা টুইস্ট করছে,
    আমি থাবার মৃত্যুর পরো ছিলাম প্রজন্ম চত্ত্বরে, কিন্তু তার জানাজা আর তাকে মহান বনানো কিম্বা তার সম্পর্কে সত্য বলতে সাহস হারানো ব্লগার দের দেখে আমি হতবাগ হয়েছি, আমরা তো নেতা না, রাজনীতি করি না, করতে চাইও না, আমাদের দাবী তো সহজ ছিল, আমার আগের কথাটাই

    "" কেন আমি শাহাবাগে ছিলাম, বা এখনো সেই প্রতিবাদের সাথে আছি? আমার মনে হয়ে ছিল, এই যে রায় এলো, এটা আওয়ামীলীগের, জামাতের সাথে গড়ে তোলা কোন গোপন সমঝতার ফল।
    আমি এই দাবী বা আন্দোলন কে বুকে নিয়েছিলাম এই ভেবে, যে এত বড় বেঈমানি, এত বড় পল্টি বাজি, আমি আওয়ামীলীগ কে করতে দিব না। আমি আমার মুক্তি যুদ্ধ কে পলিটিক্স পল্টি বাজির হাতিয়ার হতে দেব না।"""

    আমার মনে হয়, ডি ফোকাস হয়ে গেছে আমাদের লক্ষ্য। 
    এখন শামস ভাইয়ের কথাই মনে হচ্ছে, ভ্রান্ত বাম, কট্টর ইতর নাস্তিক গুলি ব্যাপক ফাজলামির কারণ হচ্ছে। মগাচিপ আছিফ যায় প্রজন্ম চত্ত্বরে কেউ তারে জুতায় না।
    যাক সামস ভাই বলেছিল "জামাত শিবিরের সাথে সাথে এসব উগ্র ইসলাম বিদ্বেষীদেরকেও বর্জন করা হোক আগে থেকেই, কোন কিছুর দোহাই দিয়ে যেন তারা তাদের কাজকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হালাল না করতে পারে। তাহলে এ ধরণের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়ানো যাবে।" এটা খুব জরুরি।

    শালার বাল ছাল ইতর গুলা আমাদের শহীদ মিনার ভাঙ্গে, আর পতাকা পুড়ায়। আর মাঝ থেকে মারা পরে আমার নিষ্পাপ আশেকে রাসুল মুসলিম কিছু ভাই। মনের ভিতর আগুন জ্বলছে। শালার ফায়ার ওপেন কেন করা হোল।
    কেন আমার নিষ্পাপ মুসলিম ভাই বোন দের রাসুল্লের কুৎসা পরতে হোল। কেন কুত্তা আমার দেশ সম্পাদক বুঝবেনা সব সত্য সব সময় বলতে নেই। কুত্তার গায়ে গরম মার ঢেলে দেয়া হোক!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

    1. 10.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      আপনার জন্যে একটা হোম ওয়ার্ক -- দয়া করে মুনাফিকদের চরিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন। তাহলে শাহবাগের নেতাদের কাজকামে অবাক হবেন না। 
       
      শামস ভাই এর জন্যে -- আমি যদি না আগাই -- তবে নেতৃত্বের আসন খালি থাকবে না। অন্যকে না বলে নিজেই করা ভাল নয় কি? আমরা যতদিন না নেতৃত্ব নিতে না এগিয়ে যাবো ততদিন এরাই নেতৃত্ব দেবে এবং ব্যর্থ হবে ।

  11. 11
    জামসেদ মোল্লা

    "মজার বিষয় হলো গত আঠারো দিনে শাহবাগের এই বিরাট গনজামায়েত পশ্চিমা মিডিয়াতে তেমন কোন সারা জাগাতে ব্যর্থ হলেও – আজকের ঘটনা মোটামুটি সবাই প্রচার করেছে। দেখুন কিছু ছবি – আর ছবি দেখলে সহজেই অনুমান করা যাবে কেন বাংলাদের এই ধরনের খবরে কেন এই উৎসাহ।"
     
    বেশ ভালই লাগল নিবন্ধটা। আরো লিখুন।
     

Leave a Reply

Your email address will not be published.