বাংলা বিবর্তনবাদী নাস্তিকদের দাবিগুলো আগে দেখে নেওয়া যাক-
——————————————-
এগুলো হচ্ছে কিছু নমুনা মাত্র। এ'রকম লেখা ও মন্তব্য অনেক আছে। মন্তব্যগুলো থেকে যে বিষয়গুলো স্পষ্ট সেগুলো হচ্ছে:
- বিবর্তনবাদ সব বড় ধর্মকে ভুল-মিথ্যা-অসার প্রমাণ করে বাতিল করে দিয়েছে – বিশেষ করে আব্রাহামিক ধর্মগুলোকে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবর্তনবাদ পড়িয়ে নামাজ-রোজা পালন তথা ইসলামে বিশ্বাস করা মানে নীতিহীনতা ও সিরিয়াস ইন্টেলেকচুয়াল ডিজঅনেস্টি।
-বিবর্তন দিয়ে প্রাণীজগত থেকে ঈশ্বরের হাতকে কেটে ফেলা সম্ভব!
-বিবর্তন এই মহাজগতের ঈশ্বর/আল্লাহর অস্তিত্ব মিথ্যা প্রমাণ করেছে।
তাদের উপরোল্লেখিত দাবিগুলোর স্বপক্ষে বৈজ্ঞানিক জার্নাল থেকে প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য চ্যালেঞ্জ করা হলো। তবে পাঠকদের জন্য বলে রাখি, তারা বৈজ্ঞানিক জার্নাল থেকে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবে না। এই অজ্ঞ-মূর্খ-ধূর্তরা আসলে বিজ্ঞানের নামে মিথ্যাচার করে অসচেতন লোকজনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
এবার এই ধূর্তদের ভণ্ডামীর একটি নমুনা দেখুন। চরম অসততার আশ্রয় নিয়ে কীভাবে উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে-


এস. এম. রায়হান
মে ২২, ২০১২ at ২:১০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পাঠক, বিবর্তনবাদী মোল্লারা ইসলাম ও আল্লাহ সম্পর্কে কী বলেছে তা নিজ চোখে দেখলেন তো। তাদের দাবি অনুযায়ী বিবর্তনবাদ ইসলামকে ভুল-মিথ্যা-অসার প্রমাণ করে বাতিল করে দিয়েছে। এবার মুসলিম ভানকারী এক ছদ্মনামধারী ভণ্ড বিবর্তনবাদী মোল্লাদের এতগুলো দাবিকে চেপে যেয়ে কুরআনের আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করে, আমার নাম বিকৃতি করে মুসলিমদেরকে কীভাবে আক্রমণ করেছে তার প্রমাণ নিচে দেখুন।
আইজুদ্দিনের কোরান পড়া -৮
লিখেছেনঃ ডাক্তার আইজুদ্দিন (তারিখঃ রবিবার, ২০/০৫/২০১২ -- ০৯:১১)
বয়স বাড়সে, মনে কষ্ট বাড়তাসে- বাপে কইলেন কোরান পড়ো তাইলে মনে শান্তি আসবে। পিতার আদেশ শিরোধার্য- কোরান পড়তাসি তো আজকা পড়লাম বেশ কয়েকটা সুরা পড়লাম। পরথমে আপনার পড়লাম
সুরা নূহ আয়াত
তো ১৪ নাম্বার আয়াতে আইসা আটকায়া গেলাম
এটার মানে কি? আমি তো জানতাম আল্লাহ প্রথমে আদম বানাইসেন তারপরে বানাইসেন বিবি হাওয়ারে- তাও মাল মসলা কম পড়ার কারনে- আদমের পাজড়ের হার দিয়া হাওয়ারে বানাইতে হইসে।
কিন্তু একন তো সৃষ্টিত্বত্তের নতুন ধাপ শুনতেসি- আল্লাহ আমাদের কে বিভিন্ন রকমে সৃষ্টি করসেন তার পরে ফাইনাল ধাপে মানুষ হিসাবে বানাইসেন- একই থিওরী আপনের আমগো মাওলানা ডারুইন সাব দিসেলেন মাগার সেটা বিবর্তন বাদ বইলা ভাত পায়না বইলা শুনি- আবার নাকি বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করেলে মহান আল্লাহ পাকরে বিশ্বাস করন যাবেনা বইলা আমগো মোল্লারা বলেন- কোরান দেখি আরো বলে
সূরা আল আনকাবুত
আয়াত নাম্বার ২০
মানে কি দাড়াইলো তাইলে- আল্লাহর সৃষ্টিত্বত্ত বোঝনের জন্য দোজখ বা বেহেশত ভ্রমন করতে হবেনা বরং সে সৃষ্টিত্বত্তের নিদর্শন খুইজা পাওন যাবে সারা দুনিয়ায়। ব্লগ মোল্লার তাইলে আল্লাহ কি আমাদের ধাপে ধাপে বানাইসেন- এবং প্রতিটা ধাপের নিদর্শন দিয়া রাকসেন সারা দুনিয়া জুইড়া?
তবে এরপরে পুরা বিভ্রান্তিত হইয়া গেলাম আপনের
সূরা আল ইনফিতার
আয়াত নাম্বার ৭ এ আইসায
মানে মানুষ হিসাবে আমার সৃষ্টি একদম বিন্যস্ত ছিলনা বরং আমি শারিরীক দিক দিয়া সুষম ছিলামনা। আল্লাহ আমাদেরকে সুষম করসেন- ডেয়ার আই সে, তিনি হয়তো আমাদের শারিরীক ভাবে সোজা কইরা দাড়া করাইয়া দিসেন -- এর বাইরে আমি এ আয়াত নিয়া কেমনে উপসংহারে আসি?
ব্লগ মোল্লা হয়রান এবং তার সদালাপী বন্ধুরা গত কয়েক বছর ধইরা আমার বিবর্তনবাদে বিশ্বাসের লগে ইশ্বর বিশ্বাসের বড় ধরনের ঘাপলা আছেন বইলা বলছেন, হয়রনা তো হয়রান হইয়া গেলো বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে ইউটিউবের চোথা মারতে মারতে- একন আল্লাহর কিতাবের লগে তো এর বড় ধরনের ঘাপলা আছে- কারন আল্লাহ তায়াল কোরানে বলসেন
সূরা আদ-দাহর
ব্লগ মোল্লারা আমি তো বিবর্তনবাদ আর ডায়নোসরের হাড়গোড়ের লগে আল্লাহ তালার কোন বিবাদ আছে বইলা দেখিনা বরং আল্লাহ প্রেরিত বানী বিবর্তনবাদরে সমর্থন করে- বলে আমাদের জন্ম ধাপে ধাপে, আমাদের শারীরিক সুষমতা হইসে ধাপে ধাপে-আল্লাহর দুনিয়ায় আমগো আগেও সৃষ্টি ছিল এবং সেই সৃষ্টির কাছে আমরা উল্লেখযোগ্য কিছু ছিলাম না
সব তো ক্যাচাল লাইগা গেলো হে ব্লগ মোল্লারা কোরানে এসব কি বলে?
এস. এম. রায়হান
নভেম্বর ১৯, ২০১২ at ৩:২৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সে ইসলামের নবী সম্পর্কে কী বলে দেখুন-
এখানে ইসলামের নবীকে 'বেকুব' বলে গালি দেয়া হয়েছে।
নভেম্বর ১৯, ২০১২ at ২:১৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এবার ইসলামে অবিশ্বাসী ও বিবর্তনবাদী নাস্তিকদের এক মুখপাত্রের বচন শুনুন-
এস. এম. রায়হান
নভেম্বর ১৯, ২০১২ at ৩:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এখন থেকে ১০০ বছর পরে যেয়ে তার ‘ইসলাম প্রিয়’ (!) ভাইদের মুখে কথা গুঁজে দিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করে আমাদেরকে অশিক্ষিত কাঠমোল্লা বলা হয়েছে।
এস. এম. রায়হান
নভেম্বর ১৯, ২০১২ at ৩:০৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
উল্লেখ্য যে, বিবর্তনবাদকে যুক্তি-প্রমাণ দিয়ে ডিফেন্ড করে উপরের দুই ভণ্ডের ব্লগে একটিও লেখা নাই! অথচ তাদের কেউ কুরআন দিয়ে কেউবা আবার তার ‘ইসলাম প্রিয়’ (!) ভাইদেরকে ১০০ বছর পেছনে নিয়ে যেয়ে তাদের মুখে কথা গুঁজে দিয়ে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করে আমাদেরকে উল্টোদিকে হেয় করছে। উদ্দেশ্য হচ্ছে ইসলামে অবিশ্বাসী হয়েও কুরআন দিয়েই মুসলিমদেরকে আক্রমণ করা। মজার ব্যাপার হচ্ছে তারা যখন এই ধরণের কথা বলে তখন অন্যান্য বিবর্তনবাদীরা কিছু বলে না, যারা আগেই বলে রেখেছে যে বিবর্তনবাদ ইসলামকে ভুল-মিথ্যা-অসার প্রমাণ করে বাতিল করে দিয়েছে; এমনকি ঈশ্বর/আল্লাহর অস্তিত্বও মিথ্যা প্রমাণ করেছে। আরো উল্লেখ্য যে, এই ভণ্ডরা ভুলেও কখনো মনা ব্লগে কুরআন দিয়ে বিবর্তন তত্ত্বকে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করে না। তার মানে ভণ্ড-ভণ্ড মাসতুতু ভাই।
আহমেদ শরীফ
নভেম্বর ২১, ২০১২ at ২:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শকুনের দোয়ায় কি আর গরু মরবে ? গিনেস বুকের রেকর্ডানুযায়ী সর্বোচ্চ দ্রুত সম্প্রসারণশীল ধর্ম হল ইসলাম। বর্তমানে বিভিন্ন দাওয়াত কর্মসূচীর পাশাপাশি সাধারণ মুসলিম জনগণই বিশ্বব্যাপী ব্যপকভাবে নিজের খরচে তাবলীগের নামে জামাতবদ্ধ হয়ে ছড়িয়ে পড়ায় এই হার আগের চেয়েও অনেক বেশি। কাজেই কারো গায়ে জ্বালা ধরে পুড়ে গেলেও যা হওয়ার তাই হয়ে চলেছে। এবং হতেই থাকবে।
According to the Guinness Book of World Records, Islam is the world’s fastest-growing religion by number of conversions each year: "Although the religion began in Arabia, by 2002 80% of all believers in Islam lived outside the Arab world. In the period 1990-2000, approximately 12.5 million more people converted to Islam than to Christianity".
http://en.wikipedia.org/wiki/Claims_to_be_the_fastest-growing_religion
আমাদের এলাকার মসজিদে প্রতি মাসেই বিদেশী জামাত আসে, প্রায় জামাতেই নতুন মুসলমান দেখি আমেরিকান/জার্মান/অস্ট্রেলিয়ান/ফিলিপিনো/রাশিয়ান, কেউ ৬ মাস আগে কেউ ১/২ বছর আগে ইসলাম গ্রহণ করলেও সামানপত্র নিয়ে নিজেরা ঘরবাড়ি ছেড়ে ৪/৬ মাস ১ বছরের জন্য জামাতে বেরিয়ে ইসলাম শিখছে অন্যদেরও দাওয়াত দিচ্ছে। বাংলাদেশে দেখেছি সাধারণ কৃষক পর্যন্ত কেউ গাছ বেচে কেউ গরু বেচে জামাতে কষ্ট করে সময় লাগাচ্ছে। এভাবে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ আন্তর্জাতিকভাবে যে ধর্ম প্রচারে এরকম আত্মত্যাগে ক্রমাগত নিবেদিত _ তার প্রসার কোন রাষ্ট্র-আইন-অস্ত্র দিয়ে ঠেকানো যাবে কি ?
আগস্ট ১৮, ২০১৩ at ১০:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কে বলে বাংলা বিবর্তনবাদী নাস্তিকদের নিজস্ব কোনো গবেষণা নাই?
এতদিন ধরে আমাদের সকলেরই বদ্ধমূল ধারণা ছিল বাংলা বিবর্তনবাদী নাস্তিকরা আসলে পশ্চিমা বিবর্তনবাদী গুরুদের অন্ধ মুরিদ আর চ্যালা-চামুণ্ডা ছাড়া কিছু নয়। বিবর্তনবাদ নিয়ে তাদের নিজস্ব কোনো গবেষণা বা এমনকি ভিন্ন কোনো চিন্তাভাবনাও নাই। কিন্তু আমাদের এই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে! বাংলা বিবর্তনবাদী নাস্তিকদেরও নিজস্ব গবেষণা আছে। নিচে প্রমাণ দেখুন। বাংলা বিবর্তনবাদী নাস্তিকদের গবেষণালব্ধ ফলাফল-
অন্যদিকে গড/ধর্ম প্রসঙ্গে পশ্চিমা বিবর্তনবাদী গুরুরা বলেন-
বাংলা বিবর্তনবাদী নাস্তিকদের নিজস্ব গবেষণালব্ধ ফলাফল দেখলেন তো!
নূর
নভেম্বর ১৫, ২০১৩ at ৯:৪৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এস এম রায়হান ভাই, বিবর্তন এর উপর আপনাদের লেখাগুলো কি মুদ্রিত বই আকারে পাওয়া যাবে? কি ভাবে পেতে পারি জানাবেন।
এস. এম. রায়হান
নভেম্বর ১৬, ২০১৩ at ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিবর্তন এর উপর মুদ্রিত আকারে আমাদের কোনো বই প্রকাশ করা হয়নি। ভবিষ্যতে হবে কি-না তাও আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়, যেহেতু এ বিষয়ে আমি তেমন একটা আগ্রহী নই। দেখা যাক কী হয়।
এস. এম. রায়হান
নভেম্বর ২৮, ২০১৩ at ২:১৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিবর্তনবাদী পেগ্যান ধার্মিকদের দাবি অনুযায়ী বিবর্তনবাদ পড়ে বা পড়িয়ে নামাজ-রোজা পালন করা মানে নীতিহীনতা ও সিরিয়াস ইন্টেলেকচুয়াল ডিজঅনেস্টি।
তারা আসলে ঠিকই বলেছে। বিজ্ঞান পড়ে বা পড়িয়ে নামাজ-রোজা পালন করা নীতিহীনতা বা ইন্টেলেকচুয়াল ডিজঅনেস্টি না হলেও বিবর্তনবাদ পড়ে বা পড়িয়ে নামাজ-রোজা পালন করা নীতিহীনতা ও ইন্টেলেকচুয়াল ডিজঅনেস্টি হতে বাধ্য। কারণ ইতোমধ্যে কোনো রকম সংশয়-সন্দেহ ছাড়াই প্রমাণ করে দেওয়া হয়েছে যে বিবর্তনবাদ একটি কল্পকাহিনী-ভিত্তিক পেগ্যান ধর্ম, আর পেগ্যান ধর্মে বিশ্বাস করে ইসলামে বিশ্বাস তথা নামাজ-রোজা পালন করা নীতিহীনতা ও সিরিয়াস ইন্টেলেকচুয়াল ডিজঅনেস্টি তো বটেই।
মনের অজান্তে হলেও একটি চরম সত্য কথা বলার জন্য বিবর্তনবাদী ধার্মিকদেরকে ধন্যবাদ দিতেই হয়! মুশকিল হচ্ছে তাদের অতি বিশ্বস্ত ও ঘিলুহীন মুখপাত্ররা যে ছাগলের তৃতীয় ছানা প্রমাণ হলো, তার কী হপে!
এস. এম. রায়হান
নভেম্বর ২৮, ২০১৩ at ২:১৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শামস বলেছেন:
প্যাগানিজম, আধুনিক ইউরোপিয়ান সভ্যতা ও বিবর্তনবাদের মধ্যে এক ধরণের সুতোর টান বিরাজমান। আধুনিক ইউরোপিয়ান সভ্যতাকে অনেকে খৃষ্টীয় সভ্যতার সাথে মিলিয়ে ফেলে। আসলে এটিকে বড়জোড় সেক্যুলার বলা যায়, যারা ধর্মের দিক থেকে খৃষ্টান, কিন্তু সেটা গায়ের জামার মতো একটা আচ্ছাদন। খৃষ্টীয় ইউরোপ হল মধ্যযুগের ইউরোপ, যে সময়ে খৃষ্টান ধর্মের চর্চা তার সবচেয়ে শিখরে উঠেছিল। কিন্তু সেই সময়েই ডাইনী কালচার, আগুনে পুড়িয়ে খৃষ্টান ধর্মবিরোধীদের মারা ইত্যাদিসহ চরম স্বেচ্ছাচারীতা একে ধবংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। এ সময় থেকেই এনলাইটেনমেন্টের শুরু হয়। এর নেতৃত্বদানকারীরা প্যাগান গ্রীক ও রোমান চিন্তা-চেতনাকে আবার উজ্জীবিত করে। প্রতিক্রিয়াস্বরূপ চার্চ আরও চরমপন্থী অবস্থান নিয়ে নিজেদের কবর রচনা করে। চার্চকে রাষ্ট্র থেকে আলাদা করার মধ্য দিয়ে এর শেষঘন্টা বাজে। ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত চার্চ কর্তৃক নিষিদ্ধের তালিকায় যারা ছিল:
১) গ্যালিলিও (১৫৬৪ – ১৬৪২), ফ্রান্সিস বেকন (১৫৬১ – ১৬২৬), জোহানেস কেপলার, রেনে ডেস্কারটেস (১৫৯৬ – ১৬৫০), ব্লেইস প্যাসকাল (১৬২৩ – ১৬৬২), জন লক (১৬৩২ – ১৭০৪), ভলতেয়ার (১৬৯৪ – ১৭৭৮), জিন জ্যাকুয়াস রুশো (১৭১১ – ১১৭৭৮), ডেনিস ডিডেরট (১৭১৩ – ১৭৮৪), ডেভিড হিউম (১৭১১ -১৭৭৬), ইমানুয়েল কান্ট (১৭২৪ – ১৮০৪), হেনরি বারগসন (১৮৫৯ – ১৯৪১), জিন পল সাত্রে (১৯০৫ – ১৯৮০), সিমন দি বিউভর (১৯০৮ – ১৯৮৬)। নিটশে অবশ্য কোন কারণে বাদ পড়ে যায়। [সূত্র: A Short History of Western Thought, Stephen Trombley, Atlantic Books, London]
বিবর্তনবাদের দার্শনিক কনসেপ্টটার সাথে প্লেটোর ইউটোপিয়ান রাষ্ট্র কিংবা ভারতের বর্ণপ্রথার মিল নিয়ে ইতোমধ্যেই আপনিসহ আরো কিছু লেখকের লেখা সদালাপেই আছে।