মরক্কোর রোজনামচা পর্ব ৮
বিকাল তিনটা থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত নাচ, গান, মস্তি, মৌজে চলে গেল। আগামীকাল সকাল থেকে আবার শুরু হবে গতানুগতিক কাজ! ছেলেরা নেশায় আচ্ছন্ন বিধায় কেউ ঘরে যেতে রাজী ছিলোনা। বহু কষ্টে ছেলেদেরকে বুঝিয়ে সমঝিয়ে শান্ত করে তাদের রুমে পাঠিয়ে দেয়া হলো। পরিশ্রান্ত খুব সহজে সকলে ঘুমের দেশে চলে গেল।
ভোরে যথা সময়ে ঘুম ভাঙ্গলেও শোয়া থেকে উঠতে খুব কষ্ট হচ্ছে! সারা গায়ের ব্যথা নিয়ে উঠে গেলাম। ফ্লোরে না গেলে যে ছেলেরা আসবেনা।
ফ্লোরে শ্রীলঙ্কান মেয়েরা সব এলেও দুই/তিন ছেলে ছাড়া আর কোন ছেলেকে আসতে দেখছিনা। ব্যাপার কি জানতে তাদের রুমে গিয়ে দেখি; সবই জেগে আছে কিন্তু কেউ বিছানা ত্যাগ করে উঠতে পারছেনা! বুঝতে পারি গতকালের কাচকি ড্যান্সের প্রতিক্রিয়া! বেশীর ভাগের পা ফোলে ঢোল। আতিক ভাই বসকে ফোন করে জানালেন ।
বস আসলেন। ওয়ার্কারদের রুমে রুমে গেলেন। ধমকালেন, বললেন- অভ্যাস নেই, নাচতে গেলে কেন? কেউ উঠতে গিয়েও উঠতে পারছেনা। নাস্তার পর গণ হারে বেদনা নাশক ঔষধ খেতে দিলেন। ঘণ্টা দুয়েক পর আস্তে আস্তে সবাই সচল হয়ে উঠতে থাকে।
নববর্ষের আনন্দ আমার ভাগ্যাকাশে কালমেঘ টেনে নিয়ে আসতে শুরু করে। এক ধরণের অপেশাদার সুলভ চাপে পড়ে গেলেও তার কারণ বুঝতে পারছিনা। তবে প্রতিটি মুদ্রার দু’পীঠ থাকে। একদিক থেকে চাপ আসলেও বাই প্রোডাক্ট হিসাবে অন্যদিক থেকে কিছুটা ভালোলাগার উত্তাপ লাভ ঘটে।
বর্ষ বরনের পর থেকে চান্দ্রা কাপড় ধোয়া ইস্ত্রি করার দায়িত্ব নিয়ে নেয়। অবশ্য সবার নজর এড়িয়ে চুপি চুপি। ফাও হিসাবে খুব ভোরে বড় মগ দিয়ে এক মগ গরম কফি ।
একদিন কাজের প্রচণ্ড চাপের কারণে প্রকৃতির ডাকে দীর্ঘক্ষণ সাড়া না দেয়ার ফলে অত্যন্ত বেদনাদায়ক ছিত্তমে পড়ি, দৌড়ে খোলা পিস সেন্টারে দাঁড়িয়ে যখন শরীরের ভার হ্রাস করছি, ঠিক তখন বসও আমার পাশে এসে নিজের ভার মুক্ত হতে শুরু করেন।
বস ভার মুক্ত হতে হতে আমাকে প্রশ্ন করলেন, মুনিম আজকাল তুমি হিরো হয়ে গেছো?
বললাম- বুঝলামনা!
বস বললেন, এই ফ্যাক্টরিতে তোমার পোস্ট কি?
- প্রোডাকশন ম্যানেজার!
- তাহলে তোমার গলায় সোনার চেইন কেন?
- বস, আপনি দৌলতবান, আপনাকে আল্লাহ মাল দিয়েছেন, আপনি লাখ টাকা দিয়ে কিনে গলায় এবং হাতে ইয়া মোটা মোটা সোনার ব্যবহার করতে পারছেন। আমার তো আর সে অবস্থা নেই। কুঁজো যেমন চিত হয়ে শুতে চায়, আমারও আপনার সোনা পরা দেখে তেমন করে সোনার চেইন পরার শখ হয়েছে। কিনে পরার ক্ষমতা তো নেই তাই যখন মেয়েরা দান করেছে, আমিও গ্রহণ করে নিয়েছি!!! আমার কোন দোষ নেই, আপনি তাদেরকে অফিসে নিয়ে জিজ্ঞাসা করুন। তাদের কাছ থেকে জানতে পারবেন, এতগুল চেইন ম্বরা ইচ্ছে করে আমাকে দিয়েছে!
- বস এবার আমার গলার দিকে চাইলেন। দেখতে পেলেন একটি চেইন নয় বেশ কয়েকটি চেইন! অবাক হলেন! প্রশ্ন বোধক চোখে তাকালেন! কেমনে কি?
- বসকে বললাম- আমি কন্যা রাশির জাতক তো তাই সারা ফ্যাক্টরির মেয়েরা আমাকে ভালোবাসে, তাইতো তারা আমি না চাইতে যেচে যেচে আমাকে তাদের চেইন দিয়ে গেছে!
- বস জানতে চাইলেন, তারা দিলো আর তুমি তা নিয়ে নিলে?
- হ্যাঁ নিলাম! প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ স্বজ্ঞানে দান সম্প্রদান করল্র তো তাতে কোন বাধা থাকতে পারেনা।
বুঝতে পারছি বস কিছু বলতে গিয়েও না বলে এড়িয়ে গেলেন।
শাফায়েত সাহেব যিনি ফ্যাক্টরি ম্যানেজার হয়ে নতুন এসেছেন। এসেই টার্গেট কোয়ান্টিটি দেখেই হায় হায় করতে শুরু করেন। বলেন- এত অল্প প্রোডাকশন টার্গেট দিয়ে কি ভাবে ফ্যাক্টরি চলবে?
বসকে আশ্বাস দিলেন, আমরা এখন ঘণ্টায় ৫০পিস যা আউটপুট দিচ্ছি তিনি নতুন লাইন সেট করে সেই লাইন থেকে একশত পিস করে প্রতি ঘণ্টায় আউটপুট দিতে পারবেন।
বস, আমাকে ডেকে বললেন, এখন থেকে শাফায়েত প্রোডাকশন দেখবে, তুমি ফিনিসিং দেখবে। মাথা সামনে পিছে ঝাঁকিয়ে তথাস্তু বলে আমার কাজে চলে এলাম।
শাফায়েত সাহেবকে জিজ্ঞাস করি, ভাই বাংলাদেশেআপনি কি কখনো জ্যাকেট ব্লেজার ইত্যাদিতে কাজ করেছেন?
জবাব দিলেন, না করলে কি? কাজের কি আমার আইডিয়া নেই? বললাম- ভাই আপনি যা ভাবছেন তা কিন্তু নয়।
- মুনিম ভাই আমাকে নিয়ে আপনার চিন্তা করতে হবেনা। যদি কখনো কিছু দরকার হয় তখন আপনাকে জিজ্ঞাস করে জেনে নেব। প্লিজ আপনি ফিনিসিং সেকশন একটু ভালো করে দেখুন।
- বুঝলাম যে জ্যাকেটে সে লাইনে ইনপুট করছে সে জ্যাকেট আর সীপমেন্ট হবেনা। জ্যাকেট খিচুড়ি হয়ে যাবে নির্ঘাত!
- তারপরও কি হচ্ছে না হচ্ছে তা দেখতে কয়েক বার লাইনে নজর বুলিয়ে গেছি। জ্যাকেটের এই করুণ পরিণতি হচ্ছে দেখে একবার জিএম সুধাতের কাছে গিয়েও সর্বনাশ হচ্ছে তা নিজে দেখে আসতে জানিয়ে এলাম।
সন্ধ্যার পর বসঅফিসে ডেকে নিলেন। টেবিলের উপর দেখতে পাই, শাফায়েত সাহেবের ইনপুট করা সে কালো রঙ এর জ্যাকেট। বস আমার কাছে কৈফিয়ত তলব না করে ; শুরু থেকে চিল্লা চিল্লি করে গালি দিতে লাগলেন!স্তম্ভিত! মুঢ় হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকি! পাশে চেয়ারে সুধাত চুপ করে তা শুনে যাচ্ছে! ভাবছি তাহলে কি সুধাতওবিপক্ষে ? দাঁতে দাঁত চেপে অপমান সহ্য করে চলছি!
যারা পরের কাজে আসি। কাজে আসার পর প্রথম সবক মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয়। বস অলওয়েজ রাইট!
কত সহ্য করা যায়? এক সময় ধপ করে জ্বলে উঠি! যা হবার হবে! বেশি কি করতে পারবেন? দেশে পাঠিয়ে দেয়া ছাড়া?
বস ভালো করে মানুষের বডি ল্যাংগুয়েজ বুঝতে পারেন। এবার যে ফেটে পড়বো বুঝতে পেরে, ডেভিড অফ সিগারেটের প্যাকেট এগিয়ে দিলেন। বললেন- বসো।বস সিগারেটে আগুন লাগিয়ে দিলেন। এক দমে এক ইঞ্চি সিগারেট পুড়িয়ে সব ধোয়া একদম বুকের ভিতরে দাফন করে নেই। কিছুটা বিরতি দিয়ে বুকের ভিতরের থেকে খুব আস্তে করেধোয়াবের করতে থাকি । যেন ধোয়ানয় ভেতরের হঠাত জমে যাওয়া রাগ একটু একটু করে বের হয়ে যাচ্ছে।
পাশে চেয়ারে বসা নির্বাক ঋষি সুধাত এবার যেন তার মৌনতা ভেঙ্গে জেগে উঠলেন। বললেন - মিঃ চৌধুরী, শাফায়েতের জবাই করা গরুর জন্য আপনি মুনিমকে কেন ফায়ার করলেন?
ইনপুট থেকে আউটপুট, শাফায়েত দাঁড়িয়ে থেকে নেপালকে দিয়ে করিয়েছে! এই স্টাইলের সাথে তো কোন সম্পর্ক মুনিমের নেই।
সেদিন আপনি ই তো সবার সামনে মুনিমকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ফ্লোরের দায়িত্ব শাফায়েতকে দিয়ে সে যেন ফিনিসিং সেকশন এর দায়িত্ব নেয়।
বস আপাতত দমে গেলেন! শাফায়েতকে ঢেকে আনলেন।শাফায়েতকে সান্টিং দিয়ে বললেন- এই তোমার লম্বা লম্বাকথার নমুনা? বোবার শত্রু নেই।শাফায়েত সাহেব নিরুত্তর!বস এবার বললেন- মুনিম লে-আউট দিবে, তুমি সেভাবেই লাইনে ইন করবে।
বুঝতে পারলাম, নক আউট হতে হতে আবার রিং এ ফিরে আসতে পেরেছি।
ফ্লোরে যাতে প্রোডাকশন বেড়ে যায় সে জন্য বস এবার ঘোষণা দিলেন, বাংলাদেশী লাইন আর শ্রীলঙ্কান লাইনের মধ্যে, যে লাইন এই মাসে উৎপাদন বেশী করতে পারবে, তাদেরকে পিকনিকে নেয়া হবে। তুমুল প্রতিযোগিতা শুরু হলো। শাফায়েত সাহেব সরাসরি বসের সাথে যোগাযোগ করে থাকেন। দৈনিক প্রোডাকশনের হিসাব রেকর্ড করে রাখেন। মাস শেষে বাংলাদেশীরা নিশ্চিন্ত যে, বাংলাদেশীদের লাইনই এই মাসে চ্যাম্পিয়ন হবে।
কিন্তু অবাক করে ফল ঘোষণা করা হলো –শ্রীলঙ্কান লাইন এই মাসে প্রোডাকশনে চ্যাম্পিয়ন !! পরে যখন ঘোষণা করা হলো এই মাসের চ্যাম্পিয়ন লাইনকে নিয়ে বস আগামী শুক্রবার বন্ধের দিন পিকনিকে যাবেন। বাংলাদেশী ছেলেদের কেউ সে পিকনিকে যেতে পারবেনা তখন এই হিসাবের মাথা মুণ্ডু বুঝতে বাকি থাকেনি।
শ্রীলঙ্কান লাইনের সকল সুইং অপারেটর ছিলো মেয়ে আর বাংলাদেশের লাইনের সকল সুইং অপারেটর ছিলো ছেলে। শুক্রবারে মন খারাপ করে ফ্যাক্টরিতে থেকে গেলাম। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কান মেয়েরা খুশি আনন্দে বাইরে বেড়াতে গেল! তবে সব মেয়েরা যে যায়নি, কিছু পরে জানতে পারি। না যাওয়া মেয়েদের মধ্যে চান্দ্রাও একজন ছিলো। চান্দ্রাকে দেখে জিজ্ঞাস করি, কি ব্যাপার তুমি কেন গেলেনা?
সে জানায়, তোমাদের বাংলাদেশের ছেলেরা এত পরিশ্রম করে আমাদের চেয়েও অনেক বেশী প্রোডাকশন দিয়েছিলো। সারা মাস অনেক খেটেছে কিন্তু বস ছেলেদেরকে না নিয়ে, মেয়েদেরকে নিয়ে পিকনিকে যাবার ঘোষণা অন্যায় বলে মনে হয়েছে! এইটি ছেলেদের হক। ছেলেদের হক কেড়ে খেতে আমার হৃদয় সায় দেয়নি। তাই যাইনি, শুধু আমি নই আরো কয়েকজন মেয়েও এই কারণে যায়নি।
বুঝতে পারলাম, পানিতে বাস করে কুমিরের সাথে, না চাইতেও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছি। চান্দ্রাকে বললাম- তুমি তো বুঝতে পারছোনা, তোমরা আমাকে তোপের মুখে ফেলে দিয়েছো।
পিকনিকে চান্দ্রাকে খুঁজে পেলেন না , বস সুধাতকে জিজ্ঞাসা করেন, চান্দ্রা কোথায়? সুধাত জিজ্ঞাসা করে এরোমাকে। এরোমা জানায় চান্দ্রার শরীর খারাপ তাই আসেনি।
মালিকদের তো বহু রাডার আর চ্যানেল থাকে, কাজেই কেউ না কেউ কিছু উলটো করে বলেছে।
রাত্রে ছোট বসের সাথে আলাপ কালে বস বললেন, মুনিম খুব বেড়ে গিয়েছে! মুনিমকে আগামীকাল ওয়ার্কপার্মিট ক্যান্সেল করে বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেব।
ছোট বস বললেন, বলেন কি বড় ভাই? মুনিমভাইকে দেশে পাঠিয়ে দিলে ফ্লোর কে সামাল দিবে?
-কেন? শাফায়েত? নেপাল?
ছোট বস হেসে ফেললেন। বললেন, শাফায়েত সাহেব , আর নেপালের পক্ষে সম্ভব নয় ফ্লোর সামাল দেবার। তারা কাজ ঠিক মত বুঝে উঠতে পারেনি। মুনিম ভাই এখানে খুব জনপ্রিয় ব্যক্তি, তাকে হুট দেশে ফেরত পাঠালে হিতে বিপরীত হবে। দুই ভাইয়ের মধ্যে এই নিয়ে আর কথা হয়নি।
সকালে আমাকে অফিসে ডেকে পাঠালেন! পাশে সুধাত বসা । বস কোন ভূমিকা না রেখে জানতে চাইলেন, বল তোমাকে কি করতে পারি?
বুঝতে পেরেছি বাঘের মুখের গ্রাস কেড়ে নিলে; ক্ষুধার্ত বাঘ যে ভাবে ক্ষেপে যায়, আমিও অন্যায় ভাবে সে শিকারে পরিণত হয়ে গেছি। ভাবে না হলে রত, কেঁদে প্রেম বাড়াবো কত! বুঝলাম, ঝগড়া করে লাভ হবেনা।
বললাম- আপনার সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত। যা ইচ্ছা আপনি করতে পারেন।
বস বললেন, তোমাকে আজই বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছি! তিতা হাসি মানে বে-আক্কেলের হাসি হেসে বলি- অসংখ্য ধন্যবাদ। উঠে দাঁড়ালাম, জানতে চাই, ফ্লাইট কখন? ব্যাগ গোছাতে যাবো!
বস ঝিম মেরে থাকলেন অনেকক্ষণ। হয়তো ভেবে ছিলেন দেশে পাঠিয়ে দেবার কথা শুনেই হাউমাউ করে কান্নাকাটি করে ক্ষমা চেয়ে নেব! আসলে বস ভুল হিসাব করেছেন!
কিছু পরে বস বললেন- ঠিক আছে, ঠিক আছে, টেনশন নেবার কাজ নাই। আমার উপর ছেড়ে দিয়েছো তাই তোমাকে আর দেশে পাঠাচ্ছিনা। তবে তোমাকে বুঝতে হবে তুমি এই ফ্যাক্টরির একজন কর্মচারী মাত্র!
বসের অর্থপূর্ণ কথা থেকে যা বুঝার বুঝে নিয়েছি! মনে মনে বললাম- দোষ না করেও দোষী। তাহলে দেখি ঘুষি দিয়ে খুশি করতে পারি কিনা !
বস শুধু দক্ষ টেকনিশিয়ান নন, খুব বাস্তববাদীও বটে। তিনি জানেন প্রবাসে আমাদেরকে যে ভাবে খাটাচ্ছেন, বিনিময়ে যে অর্থ ব্যয় করছেন, সে পরিমাণ অর্থ দিয়ে আর একজন পাওয়া খুব সহজ নয় । চলবে। -

Kamal
জানুয়ারি ১৬, ২০১৬ at ৩:০৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
চাকরীতে এত কষ্ট! কোনো ইজ্জত নাই. দুটা পয়সার জন্য কেন যে এত কষ্ট করতে হয়?
মুনিম সিদ্দিকী
জানুয়ারি ১৬, ২০১৬ at ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কি করবেন পেটের চিন্তায় চাকুরী করতে হয় যে ভাই? ধন্যবাদ।
rur
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৬ at ৮:৩৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম সাহেব,মরক্কোর রোজনামচা আর আসছে না কেন!এত দিন হয়ে গেল!
কারনটা কি জানতে পারি!
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৬ at ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কারণ আর কিছু নয়, সদালাপে ভ্রমণ কাহিনী বা রোজনামচা পড়ার পাঠক নেই। তাই উতসাহ পাইনা। যাক আপনার জন্য পরবর্তি পর্ব দিচ্ছি। ধন্যবাদ।
Sayed
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৬ at ১১:০৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সদালাপের লোকেরা বড় বেশী জ্ঞানী ভাব দেখায়। জ্ঞানীদের সাথে কিঞ্চিৎ রসিকতা করার একটা শখ আমার আছে। যাক, আমি কিন্তু আপনার সিরিজটার জন্য অপেক্ষা করি।
মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৬ at ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সদালাপে স্মৃতিকথা পড়ার মত যে আপনার মত একজন আছেন জেনে খুশিহলাম।প্রতি সপ্তাহ এক পর্ব দেবার চেষা করে যাবো। ধন্যবাদ।