দালাল ভাইয়ের সাথে এয়ারপোর্ট টার্মিনাল বিল্ডিং থেকে যেই মাত্র বের হয়েছি, ওরে বাপ রে বাপ! কি গরম! যেন গায়ে আগুনের ছ্যাঁক লাগছে। সামান্য কিছু হাঁটার পর দেখি হালকা নীল রঙ এর একটি মার্সিডিজ বেঞ্চের বাস টার্মিনাল ছাড়তে শুরু করেছে, দালাল ভাই বললেন- জলদি করুখা বাস তো ছাড়ি দিছে! দৌড়তে দৌড়তে গিয়ে গাড়িতে উঠে বসি! আহারে! হিম ঠাণ্ডা! কত বড় বড় লাল চামড়ার নরম সরম সীট! কিন্তু গাড়ি যে এক্কেবারে খালি, কোন প্যাসেঞ্জার নেই!
ঃ মিস্টার ইউ লেট মাওলানা আব্দুল বারী সিদ্দিকী?
লোকটির প্রশ্নে আমি বাস্তবে ফিরে আসি। বললাম- মাই ফাদার নেম ইজ লেট মাওলানা আব্দুল বারী সিদ্দিকী।
লোকটি আমার উত্তর শুনে ভ্যাবচাকা খেয়ে আমার দিকে প্রশ্ন বোধক চোখে তাকিয়ে থাকে।
আমি বললাম- আমার নাম মুনিম সিদ্দিকী। তোমার হাতের প্ল্যাকার্ডে ভুল করে আমার বাবার নাম লিখে ফেলেছো।
লোকটি জানায় সে ড্রাইভার, তাকে অফিস থেকে কেউ একজন এই ভাবে লিখে দিয়েছে।
ড্রাইভারের সাথে সাথে টার্মিনাল ভবন থেকে বের হয়ে আসি।
——————————————————————————————————-
১৯৯৩ সালের জুলাই মাস। পড়ন্ত বিকাল। তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ; কুয়েতে এখন প্রচণ্ড গরম ! মিনা আব্দুল্লাহ ইন্ডাস্ট্রি এলাকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি থেকে বের হওয়া মাত্র লূ হাওয়ার তীব্র ছ্যাকা আমার হাতে মুখে অনুভূত হচ্ছে, বুঝতে পারচ্ছি; এই ভাবে বেশিক্ষণ বাইরে থাকলে শরীর পুড়ে তামাটে হয়ে যাবে! দ্রুত পা চালিয়ে ছুটে গিয়ে গ্যারেজে অপেক্ষারত পাজারো জীপে গিয়ে বসলাম। ড্রাইভিং সিটে বসে আছেন, এই ফ্যাক্টরির জিএম রমেশ চোপড়া তার পাশের সিটে আমার বস আফজাল চৌধুরী।
রমেশ চোপড়ার সাথে বসের ব্যবসা সংক্রান্ত মিটিং শেষ করে ফিরে যাচ্ছেন কুয়েত সিটি সাফাতে আল খালিজ ইন্টারন্যাশনাল ফাইভ স্টার হোটেলে। যাবার পথে শাবিয়াহতে আমাকে ড্রপ দিয়ে যাবেন। আমাকে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য শাবিয়াহতে চায়নিজ ওয়ার্কদের সাথে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে।
শারজাহ থেকে আসার পর বসের সাথে প্রায় একমাস পরে দেখা হলো। ফ্যাক্টরিতে কাজের কথা ছাড়া আর কোন বিষয়ে কথা বলার সুযোগ হয়ে উঠেনি। গাড়িতেই প্রয়োজনীয় কথা উপস্থাপন করলাম।
বিনীত ভাবে আস্তে করে বলি, বস, এখানে হাঁপিয়ে উঠেছি, কিছু ভালো লাগছেনা। প্লিজ! আমাকে শারজাতে ফিরে নেবার ব্যবস্থা করুন!
বস উত্তরে জানান, এখন সম্ভব নয়। এখন এখানে তিন ফ্যাক্টরিতে কাজ চলছে, তা দেখা শোনার জন্য তো তোমাকে এখানে থাকতে হবে।
বসকে বললাম, বস এখানে তো একমাস থেকে গেলাম! এবার অন্য কাউকে না হয় এখানে পাঠান প্লিজ!
বস মানলেন না, বললেন- এখন এখানে পাঠাবার মত কেউ নেই, তোমাকেই থাকতে হবে!
অভিমান করে জানাই, আমি এই পুলিশি রাষ্ট্রে থাকতে চাচ্ছিনা!
বস রেগে গেলেন, জানালেন- তাহলে তোমাকে বাংলাদেশে ফিরে যেতে হবে। বললাম- ওকে, আমি বাংলাদেশেই যাব। শুনে বস আরো রেগে গেলেন।
বস জাতে মাতাল হলেও তালে ঠিক! চরম ব্যবসায়ী চিন্তার মানুষ, ভাবাবেগে চলেন না। ব্যবসায়ী স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। কাজেই বেশী টাইট না করে বললেন, ঠিক আছে আমি রাত্রে এ বিষয়ে তোমার সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো । আজ সন্ধ্যা নয়টার পর সাফাতের আল খালিজ ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে আমার স্যুটে দেখা করবে।
সন্ধ্যার পর যথারীতি ফাইভ স্টার হোটেলে গেলাম, দেখলাম বস ও খালেদ ইব্রাহিম বসে আছেন। খালেদ একজন লেবাননিজ মুসলমান সে বসের দোভাষীর কাজ করে। যাবার পর বস জিজ্ঞাস করলেন আমার ডিসিশন কি?
আমি বললাম- বস আমিতো বলেছি হয় শারজাহ পাঠান না হয় বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিবেন।
বস এবার একটু হাসলেন- বললেন- শোন মুনিম, তোমাকে একটা বিকল্প অফার দিচ্ছি, আশা করি তুমি ঠাণ্ডা মাথায় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবে।
বস একটু বিরতি নিয়ে, বললেন, আমি একটি নতুন ফ্যাক্টরি মরক্কোতে খোলতে যাচ্ছি। যদি তুমি আমাদের সাথে সেখানে যেতে চাও তাহলে আসতে পারো!
আমি কোন ভাবনা না ভেবে, সাথে সাথে জবাব দিলাম- সরি বস, সরি, আমি কোথাও যাবনা।
বুঝতে পারছিনা বস কি আমার উপর কোন কারণে খেপে গিয়ে আমাকে শাস্তি দিতে ইচ্ছে করে কুয়েতে পাঠিয়েছেন কিনা!! হয়তো সে জন্য চাইছেন না আমি যেন কোন অবস্থায় আর শারজাহ ফিরে না যাই।
এতক্ষণ আমাদের কথা শুনছিলো খালেদ ইব্রাহিম, যদিও সে পুরো কথাবার্তা বুঝতে পারেনি , তথাপি আমার আর মরক্কোর বিষয় বোধহয় বস তার সাথে আগেই আলোচনা করেছিলেন। খালেদ একটু মুচকি হেসে বলল- বস তুমি যদি পারমিশন দাও তবে আমি মুনিমের সাথে রুমের বাহিরে গিয়ে একটু কথা বলি?
বস সিগারেট একটা লম্বা টান দিয়ে কায়দা করে ধুঁয়া ছেড়ে বললেন- যাও পাগলটারে একটু বুঝাও।
বাহিরে লাউঞ্জে বসলাম, খালেদ তার মালব্রোর প্যাকেট থেকে একটা সিগারেট অফার করল। বললাম- নো থ্যাকংস, আমি লাল মালব্রো ধূমপান করিনা।
আমি আমার ব্রান্ড সাদা প্যাকেটের লাইট মালব্রো বের করে ঠোঁটে ধরতে খালেদ হাত বাড়িয়ে অগ্নি সংযোগ করে দিলো।
হাজার হাজার উজ্জ্বল বাতির আলোয় সারা কুয়েত সিটি দিনের মত পরিষ্কার লাগছে! লম্বা লম্বা বহুতল বিশিষ্ট অট্টালিকা আর মাঝে মধ্যে সবুজ খেজুর গাছ প্রকৃতিকে অনন্য সাজে সাজিয়ে রেখেছে!
সিগারেটের ধোয়া বের হবার সাথে সাথে যখন মনের গতি স্বাভাবিক হয়ে এলো তখন খালেদ কথা বলতে শুরু করে, তুমি কেন মরক্কো যাচ্ছোনা? বস আমাকে অফার করলে এখনি রওয়ানা হয়ে যেতাম।
সে আরও বলল- আসলে বস তোমাকে হারাতে চাচ্ছেন না। তিনি চান না যে তুমি সত্যি সত্যি বাংলাদেশ চলে যাও। মরক্কোতে তোমার মত একজন বিশ্বাসী ও অভিজ্ঞ লোক তার খুবই দরকার।
আমি তাকে জানালাম চান্দ্রার কথা, চন্দ্রাবতী ফার্নান্দোর কথা যাকে আমি ভালোবাসি তার কথা এবং এই মেয়ের জন্য বস আমাকে শারজাহ রাখতে চাচ্ছেন না।
খালেদ বলে, তোমার চেয়ারে তোমার জুনিয়র নেপালকে প্রডাকশন ম্যানেজার হিসাবে শারজার ফ্যাক্টরিতে প্রমোশন দিয়ে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। সেখানে সে চেয়ারের তোমার ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়।
শুনে অবাক হইনি, আঁচ করতে পেরেছিলাম যে এ ভাবে কিছু একটা ক্যু ঘটতে চলেছে। বস অবশ্য কুয়েত পাঠিয়েছিল এই বলে- মুনিম কুয়েত ফ্যাক্টরিতে কোয়ালিটির খুব প্রবলেম চলছে, মাস তিনেকের জন্য তোমাকে কুয়েত পাঠাচ্ছি।
খালেদ বললঃ- ফ্রেন্ড মরক্কো দেশটা খুব সুন্দর, প্রতিদিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার পর্যটক এই দেশ ভ্রমণে আসে। মরক্কো দেশটি দেখার মত একটি দেশ। তুমি গেলে বুঝতে পারবে যে তুমি এই দেশে গিয়ে ঠক খাওনি! আর বিশ্বের সুন্দরী মেয়েদের মধ্যে মরক্কোর মেয়েগুলো অন্যতম! তুমি তাদের দেখলে হয়তো পাগল হয়ে যেতে পারো বলে রহস্যপূর্ণ ভাবে হো হো করে হেসে উঠে!
বলল, ভালোনা লাগলে তোমার দেশে তো ফিরে আসতে পারবে। চান্দ্রার বিষয়ে বলল, তুমি এই গ্রুপে থাকলে তোমার বান্ধবীর সাথে তোমার যোগাযোগ বজায় থাকবে, পরে বসকে বলে তাকেও মরক্কোতে নিয়ে যেতে পারো।
তার যুক্তি ভালো মনে হলো। জিজ্ঞেস করি- খালেদ মরক্কো কোথায়?
বলল- আফ্রিকায়।
শুনতেই মনের মধ্যে ভেসে এলো কুচকুচে কালো কালো কুঁকড়ানো চুল,নাক চ্যাপ্টা, চোখ মোটা ময়লা জীর্ণ শীর্ণ মানুষের চেহারা।
প্রশ্ন করি- এই না বললে মরক্কোর মানুষগুলো খুব সুন্দর, সুন্দর?
খালেদ হেসে বলল- তুমি কি মনে কর, আফ্রিকান হলেই সব মানুষ কালো হয়? বলল- মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া , লিবিয়া, মিশর ও আফ্রিকায় কিন্তু উত্তর আফ্রিকার ঐ সব দেশের ৯০ ভাগ মানুষ কালো না।
যা হোক খালেদ আরো অনেকক্ষণ বুঝাতে বুঝাতে আমাকে মরক্কো যাওয়াতে রাজী করালো। ভাবলাম বাংলাদেশে না হয় কয়েক মাস পরে ফিরে যাবো তার আগে মুফতে একটা দেশ যার নাম মরক্কো, আফ্রিকা মহাদেশের অংশ, অ্যাটলান্টিক আর ভূমধ্যসাগর নামক দুইটি মহাসাগরে সংগমস্থল দেখেই যাই!
বসকে জানালাম, মরক্কোতে যাবার আগে আমাকে শারজাহতে যেতে দিতে হবে, বস তাতে রাজি হলেন।
বললেন- তুমি আগামী সপ্তাহে শারজায় ফিরে যাচ্ছো। চলবে-
[বিঃঅঃ আপনি যদি এই ব্লগ পড়ে থাকেন তাহলে দু/চারটি কথায় আপনার ভালোলাগা মন্দলাগা অনুভুতি জানিয়ে গেলে আমি খুশি হবো। ধন্যবাদ]

Monowar Bin Zahid
ডিসেম্বর ৯, ২০১৫ at ১১:২১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পর্ব গুলি আরো বড় করলে ভালো হয়। মনে হলো যেনো শুরু করলাম আর শেষ হয়ে গেলো। আর আপনার লেখার ধরন তো হুমায়ুন আহমেদ কে ফেল করিয়ে দেবে।
মুনিম সিদ্দিকী
ডিসেম্বর ৯, ২০১৫ at ২:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনার পরামর্শ সম্পর্কে চিন্তা করে দেখব।
এম ইউ আমান
ডিসেম্বর ৯, ২০১৫ at ২:৪৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আগ্রহ উদ্দীপক ও সুখ পাঠ্য লেখা। নায়কের চরিত্রে আমাদের অতি পরিচিত মুনীম সাহেবকে দেখে ভাল লাগছে। গল্প বলায়, ইংরেজি ভাষার সমসাময়িক ওয়ান অব দ্য বেষ্ট স্টোরি টেলার, জেফরি আরচার এর স্টাইলের সাথে কিছু মিল রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। মিলটা কোথায়- পড়া শুরু করলে, জেনুইন কৌতুহল তৈরী হবে- যা পাঠককে এক বসায় শেষঅবধি নিয়ে যাবে।
মুজতবা আলীর দেশ-বিদেশ ভ্রমণ, ক্লাস খাবারের প্রশস্তি, বিশেষকরে তাঁর উদার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি মুগ্ধতা রয়েছে। তাঁরই শহরের মুনীম সিদ্দিকী এখনো সাদা মার্লবরো ছাড়া কিছু দিলো না। এটা মেনে নেওয়া যায় কিনা ভাবছি।
ডিসেম্বর ৯, ২০১৫ at ৩:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রিয় আমান সাহেব, আস সালামু আলাইকুম।
আপনার কমেন্ট আমাকে বিশেষ ভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। আশাকরি ব্যস্ত সময়ের মধ্যে যখন সুযোগ পান তখন একটু উকি মেরে যাবেন। আমাকে অনুপ্রণিত করতে কি বলে যাবেন।
ভাই আমি এই প্রথম জেফরি আর্চারের নাম শুনলাম। বিশ্বাস করুন আমি দুই একটি ভ্রমন কাহিনী ছাড়া তেমন কোন কাহিনী বা বই পড়িনি, পড়ি সৈয়দ মুজতবা আলীর দেশে বিদেশে, পড়ি ইমদাদুল হক মিলন বা হুমায়ুন আহমদের কোন বই। আমার এই লেখ শুরু করি ২০০৯ সাল থেকে আমাকে বহুজনে অনুরোধ বা উপদেশ দিয়েছিলেন যে, আমি যেন বিখ্যাত লেখকদের ভ্রমণ কাহিনীগুলো পড়ে দেখি। কিন্তু আমি পড়িনি, পরিনি এই ভয়ে যে, আমি তাদের লেখা পড়লে হয়তো তাদের মত লেখতে শুরু করে দেব। সেই ভয়ে কারো কোন বই আমি পড়িনি। আমি আমার মত করে লেখতে চাই, আর সে চেষ্টা করে চলছি। জানিনা আমি আমার মত করতে পারছি কিনা।
তবে মাঝে মধ্যে যখন পাঠকদের কাছ থেকে তাদের ভালোলাগার কথা শুনতে পারি তখন নিজের শক্তির প্রতি আস্থা জেগে উঠে। দোয়া করবেন আমি যেন আমার মত করে চলতে পারি। আবারো ধন্যবাদ।
এম ইউ আমান
ডিসেম্বর ৯, ২০১৫ at ২:৫৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অন এ সেপারেট নোট, টেম্পারেচারের ইউনিট/ভ্যালু ঠিক করে দিন। ৭০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে (২১.১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড) মুখে গরম হলকা লাগে না। তাছাড়া, গুগল বলছে হিস্টরিক্যালি কুয়েতের হাইয়েষ্ট টেম্পারেচার ৫২.৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড (জুন ১০, ২০১০)।
মুনিম সিদ্দিকী
ডিসেম্বর ৯, ২০১৫ at ৩:৩২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার স্পষ্ট মনে আমার গায়ে হাফ স্লীভ সার্ট ছিলো, সে সময় গরম বাতাস এসে যখন আমার মুখে আর হাতে ধাক্কা দেয় তখন মনে হতো চামড়া পুড়ে যাচ্ছে। আমি সারজা থেকে মরক্কোতে গিয়েছিলাম অক্টোবরের ৩ তারিখ। মাস ২ আগে কুয়েত থেকে এসেছিলাম সে হিসাবে জুলাই মাস আমি পুরো সময় কুয়েত ছিলাম। অগাস্টের প্রথম সপ্তাহে কুয়েত থেকে শারজাহ ফিরে আসি। সে সময় গরম অনুভুত হয়েছিলো। কুয়েতে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর মাসে সব চেয়ে বেশী গরম থাকে। ৪৪-৪৬ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। সে বছর হয় তো অগ্রীম গরম আসতে পারে। ঐ সময় বাতাসের আর্দতা খুব কম থাকে।
তারপরও আপনার পয়েন্টের দিকে লক্ষ্য রেখে আমি ফারেনহাইট চেঞ্জ করে সেন্টিগ্রেড করে দিচ্ছি। ধন্যবাদ।
HM mohsin
ডিসেম্বর ৯, ২০১৫ at ৬:৫৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মনে হল ইন্ডিয়ান সিরিয়াল।আসল মজা আসার সাথে সাথেই খতম ? তবে আর ক্যামন ক্যামন জানি লাগছে।আমাদের নায়ক সফল হবেন নাকি ছ্যাকা খাবেন? শুধু এতটুকু চুপি চুপি বলে দিন দয়াকরে।শুধুই এতটুকু।আমার ভাল লাগা আমি জানিয়ে গেলাম।
মুনিম ভাই আর একটু ,আপনার এখন কত(বয়স) চলছে?
মুনিম সিদ্দিকী
ডিসেম্বর ৯, ২০১৫ at ১০:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বয়স যাই হোক আমি চির তরুণ। পড়া আর কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
কিংশুক
ডিসেম্বর ১০, ২০১৫ at ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভালোই লাগছে আপনার আত্মজীবনী পড়তে।
মুনিম সিদ্দিকী
ডিসেম্বর ১০, ২০১৫ at ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ আশাকরি আপনি শেষ পর্যন্ত সাথে থাকবেন।