চাইতে পারো,
পাওয়া, না পাওয়া তো অগোচরে থাকে।
তুমি ভাবো চাঁদ, হয়ত - জোছনা দেবে,
কিন্তু অগোচরে তো আমাবশ্যা।
আলো না পেয়ে তাকালে শূন্যে-
তারকারা আলো দেয়,
কিন্তু কতটুকু তার এ উঠানে পৌছায়?
দু হাত মেলে প্রার্থনা রাতের সায়াহ্নে,
হৃদয়ে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে গোপন ভাবনা।
আলো কে পায়?
যে কাছে থাকে।
দূর নক্ষত্রের আলো কেন পাই না?
পৌছানোর ক্ষমতা নেই তাই।
মিটিমিটি আলোয় ভরা তারা কেন ভাল লাগে?
চুমকির মত ঝলমল করে আঁধারে তাই।
যে আলো পাবো না তাকে এত চেয়ে কি লাভ?
সৃষ্টির স্বভাব যে সবচেয়ে ভালটা চাওয়া।
পৃথিবীতে কি আলো নেই?
হ্যাঁ আছে।
তাহলে কাছের আলোকে কেন চাওনা?
মানুষ দূরে কখন যায়?
কাছের চাঁদ যদি জোছনা দিত কেউ কি দূরের তারার কাছে মিটিমিটি আলো চাইত?
কেন চাঁদ জোছনা দেয়নি?
আমি ঘুমিয়ে ছিলাম হয়ত তাই,
না, কিছু লুকাচ্ছো হয়ত।
আসলে জোছনায় তাজমহল দেখতে অপূর্ব,
সেখানে জোছনার আলোর সফলতা,
যেখানে তাজমহল নেই, অনিন্দ্যসুন্দর পাহাড় নেই,
পাহাড়ের বুকে ঝর্ণা নেই, স্বচ্ছ পানির দিঘি নেই, ফুলের বাগান নেই, সেখানে চাঁদের কি প্রয়োজন?
জোছনার কি প্রয়োজন?
আচ্ছা বুঝলাম, তাহলে চেয়েও কি হল?
কেন? অনেককিছু…
তারমানে?
দেখা হল ভেতর থেকে ভেতরে গিয়ে ;
আর উপলব্ধি হল - যে আলো কাছে ছিল তা আমার না,
যে আলো দূরে ছিল তা পাওয়ার যোগ্য না,
হয়ত আঁধারের অতলে আলো থাকে তা আমার, কিন্তু -
আমি তার মানে বুঝি না।
বিঃদ্রঃআমার যত লেখা আছে তারমধ্য এটি প্রিয়ের তালিকায় স্থান পেল। লেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য রবের প্রশংসা করছি আলহামদুলিল্লাহ।

Leave a Reply