আমি মুসলমান, তীব্র টাইপের মুসলমান'ই বটে, আমাকে যারা চিনে, তারা জানে, আমি আমার জীবন থেকে বেশী ভালবাসি আমার রাসুলকে, "থাবা বাবা" এবং ধর্মকারী, ও অন্যান্যদের সাথে বিরোধের কমতি নেই, তীব্র বিরোধ আছে মুক্তমনাদের সাথেও। মাঝে মাঝে তীব্রতর গালাগালও হয়েছে। কিন্তু তাই বলে আমি বা আমরা তো খুনি না, আমরা আমাদের প্রতিবাদ ব্লগিং দিয়ে করতে জানি, তবে কেন বোকার মত, মৃত "থাবা"কে নিয়ে এত চিৎকার, "মরে গেছে ভাল হয়েছে"?????
যারা ব্লগিং করেন না, তারা হয়তো জানেন না, কিন্তু থাবা একা না, বরং আরো অনেক আছে "থাবা"র মত, কিন্তু তাদের অনেকেই এই অন্দোলনের সাথে নাই। "থাবা" এই আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল শক্ত ভাবেই, তার মৃত্যু একটা ট্রাম কার্ড বিরুধিদের জন্য, এ হত্যা ইসলামের জন্য নয়, না আমাদের নবীর সম্মানের জন্য, এ হত্যা গুটি বাজির জন্য, কারণ "থাবা" আজকে বা এই আন্দোলনের শুরুর পরে নতুন করে কোন এই সব পোস্ট দেন নাই। যা দিয়েছেন তা বেশ আগে, মাথা গরম কোন মুসলিম যদি খুন করত তাকে, তবে যখন এই সব পোস্ট দিয়েছিলেন তখনি করত।
এটা স্পষ্ট ভাবে, একটা ঠান্ডা মাথার খুন, মারার জন্য টার্গেট হিসাবে "থাবার" চেয়ে আদর্শ কেউ ছিল না, এখন বাঁশকেল্লা বলবে, দ্যাখ তুম্রা কি নাস্তিকের জন্য আন্দোলন করবা? এস্লামের নবীর অবমানা কারিকে ভাই বলবা!!!!!!!!!
এই ফাঁদে পা দিয়ো না বন্ধুরা, কোন মানুষ মরে গেলে তাকে শুধরানোর টাইম থাকে না, কে জানে এমনও তো হতে পারত, এই থাবাই শেষ জীবনে ভাল মুসলিম হত।
যাক লিখা বড় হয়ে যাচ্ছে, শুধু এটুকু বুঝ, এই হত্যা সে নাস্তিক বলে হয় নাই, এটা হয়েছে সে আন্দোলনকরি ও একই সাথে গুটি চালার জন্য, এই আন্দোলন মূলত নাস্তিকদের এই তত্ত্ব প্রচারের জন্য। বুঝা দরকার, বড় বেশী ঠান্ডা মাথা থাকা দরকার।

মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ঠিক বলেছেন। এই ধরণের হত্যাকান্ড মেনে নেয়া যায়না। এই সব যারা করেছে তাঁরা দেশকে দেশের মানুষকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবার ষড়যন্ত্রে করেছে। সরকারের উচিত সত্যিকারের দোষী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে বিচারের জন্য আদালতে নিয়ে আসে।
এম ইউ আমান
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ। ইসলাম বিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক প্রতিবাদের বিকল্প নেই। এই হত্যাকান্ডের দ্রুত বিচার হওয়া প্রয়োজন।
সাদাত
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অবিলম্বে খুনিদের ধরে বিচার করা হোক।
Azash
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
""""""""""""""""
যারা ব্লগিং করেন না, তারা হয়তো জানেন না, কিন্তু থাবা একা না, বরং আরো অনেক আছে "থাবা"র মত, কিন্তু তাদের অনেকেই এই অন্দোলনের সাথে নাই। "থাবা" এই আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল শক্ত ভাবেই, তার মৃত্যু একটা ট্রাম কার্ড জামাতিদের জন্য, এ হত্যা ইসলামের জন্য নয়, না আমাদের নবীর সম্মানের জন্য, এ হত্যা গুটি বাজির জন্য, কারণ "থাবা" আজকে বা এই আন্দোলনের শুরুর পরে নতুন করে কোন এই সব পোস্ট দেন নাই। যা দিয়েছেন তা বেশ আগে, মাথা গরম কোন মুসলিম যদি খুন করত তাকে, তবে যখন এই সব পোস্ট দিয়েছিলেন তখনি করত।
এটা স্পষ্ট ভাবে, একটা ঠান্ডা মাথার খুন, মারার জন্য টার্গেট হিসাবে "থাবার" চেয়ে আদর্শ কেউ ছিল না, এখন বাঁশকেল্লা বলবে, দ্যাখ তুম্রা কি নাস্তিকের জন্য আন্দোলন করবা? এস্লামের নবীর অবমানা কারিকে ভাই বলবা!!!!!!!!!
এই ফাঁদে পা দিয়ো না বন্ধুরা, কোন মানুষ মরে গেলে তাকে শুধরানোর টাইম থাকে না, কে জানে এমনও তো হতে পারত, এই থাবাই শেষ জীবনে ভাল মুসলিম হত।
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
Dhonnobad vhai, apni main bishoita dhorte parsen.
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ব্লগার থাবা-কে যারাই এবং যে কারণেই হত্যা করুক না কেনো, অনতিবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করে আইনের হাতে তুলে দেয়া হোক।
মহিউদ্দিন
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সহমত।
কেউ ইসলামের বিরোদ্ধে কলম চালালে মুসলিম হিসাবে আমাদের কর্তব্য তার জবাব কলম যুদ্ধে দেয়া এবং অবশ্যই ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তার সাথে এই পরিস্থিতি সামাল দেয়া।
দেশে রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধির লক্ষ্যে দাঙ্গা ও সাম্প্রদায়িক হানাহানির পায়তারা চলছে বলে মনে হয়। আমাদের সবাইকে সাবধান হতে হবে। আইনকে কারো হতে তুলে নেবার অধিকার ইসলাম দেয় না।
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ১:১৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ব্লগার থাবা-কে ইসলাম বিদ্বেষী লেখালেখির কারণে নাকি অন্য কোনো কারণে হত্যা করা হয়েছে, তা কিন্তু আমরা কেউই জানি না। ফলে ব্যাপারটাকে নিজের ঘাড়ে (মানে ইসলামের ঘাড়ে) টেনে নিয়ে অ্যাপোলোজেটিক হওয়ার কোনোই কারণ দেখি না। তাছাড়া ইসলামে কিছু লিখা থাকা মানে সেটি যার যার ইচ্ছামতো প্রয়োগ করবে -- এই কথা কে বলেছে? এর আগে মগাচীপকে আক্রমণের ঘটনা নিয়েও অনেকে অ্যাপোলোজেটিক সুরে ইসলামের প্রতি ডিফেন্সিভ হয়ে অনেক কিছুই বলেছে। মুসলিমদের বোকামী দেখে ইসলাম বিদ্বেষীরা হয়ত মুচকি হাসি দিয়ে মনে মনে বলে, "যাক বাবা! মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি!"
সাদাত
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ৩:১৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ঠিক বলেছেন।
কিন্তু মানব
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ৫:০৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
রায়হান ভাই, আমার লেখাটা অ্যাপোলোজেটিক কেন লাগল?
যাক, এটা অ্যাপোলোজেটিক বানানোর কোন কারণ নাই।বরং এটা নিয়ে যেন ব্যবসাহি রা, আমার নবি রাসুলের ব্যবসা না করতে পারে এটা সেই প্রয়াস।এটা লেখা তাদের প্রতি, যারা হঠাত "থাবা"র লেখা পরে বাঁশ কেল্লার ফাঁদে পা দিয়ে ফেলতে পারে। আমি আমার ঐ লেখাটা খুদ্ধ সকল মুসলিম কে লিখেছি, যেন তারা পরিস্থিতি বুঝতে পারে। আপনার বা সদালাপের চেয়ে বেশি কারা লড়েছে, এই সব ব্লগিং এর বিরুদ্ধে, কিন্তু আমরাই যখন তার এমন মৃত্যু চাই না, তার মানে বুঝা যায়, এই হত্যা কত নিচ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
আমার মন্তব্য গুলি পরে খুব খুব ভাল লাগছে, সদালাপ এমন এক প্লাটফরম যেখান থেকে সোনা মনা দের প্রতিরোধ সবচেয়ে বেশি হয়েছে। অনেকও সদালাপি দের নানা ট্যাগ দেয়, তাই বলে আমরা কিন্তু মুক্তি যুদ্ধ, ইসলাম, রাসুল, বিশ্ব পরিস্থিতি, এবং সহিংসতা কোন টাকে গুলিয়ে ফেলিনি।
আমি এই প্লাটফ্ররম থেকে অন্যান্ন দের এই বিষয় টা জানিয়ে দিলাম আমরা ততটাই তীব্র ভাবে যুদ্ধ পাপির বিচার চাই, যে ভাবে সকলে চায়। কারণ সদালাপ বাংলার গন মানুষের আওয়াজ, অন্যরা সে রকম নয়। কেউ কেউরা বাংঙ্গালির অনুভূতি বুজতে অপারগ হয়, কিন্তু সদালাপিরা সেই দলের না।
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ৫:১২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ওহ্হো, আমার এই মন্তব্যটা কিন্তু আপনার লেখার উপর না। প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে তাই এই পোস্টেই মন্তব্যটা করেছি। ভুল বুঝাবুঝি হয়ে থাকলে দুঃখিত।
শামস
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ১:২২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এটা খুব অশুভ লক্ষণ। এর প্রতিবাদ করা উচিত। কলমের জবাব কলমের বাইরে নয়। আমরা যারা ইসলাম বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লিখি, এ ধরণের ঘটনা এর ধার কমিয়ে দেয়। অপরাধীদের ধরা হোক ও শাস্তি দেয়া হোক।
কিছুদিন আগে আসিফ মহিউদ্দিন এর উপর হামলা হয়েছিল। ইসলাম বিদ্বেষের তুলনা করলে এই থাবাবাবা'র সাথে আসিফ মহিউদ্দিনের কোন পার্থক্য নেই। দিনের পর দিন ধর্মীয় সেন্সেটিভ বিষয়ে তাদের উস্কানি ও কাতুকুতু বিভিন্ন মতাদর্শগত বা রাজনৈতিক মিলের কারণে একধরণের প্রশ্রয় পেয়ে যাচ্ছে। তারা আগে থেকেই বর্জিত হলে এরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। হুমায়ূন আজাদ হামলার স্বীকার হয়েছিল একই ধরণের প্রভোকেশনের কারণে। এদের এ ধরণের উগ্র ধর্মবিদ্বেষ আগেই থামিয়ে দিতে পারে সরকার। তবে অদক্ষতা ও অপ্রতুল সামর্থের জন্য এগুলো কার্যকর করা এখনো সম্ভব হয় নাই। যেকোন সমাজে উগ্র লোক থাকে তা ধর্মীয়, অধর্মীয়, রাজনৈতিক বা অন্য ক্ষেত্রে। তারা সমাজের জন্য সবসময়ই ক্ষতিকর।
জামাত শিবিরের সাথে সাথে এসব উগ্র ইসলাম বিদ্বেষীদেরকেও বর্জন করা হোক আগে থেকেই, কোন কিছুর দোহাই দিয়ে যেন তারা তাদের কাজকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হালাল না করতে পারে। তাহলে এ ধরণের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়ানো যাবে।
কিন্তু মানব
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ৫:০৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সহ মত না হয়ে উপায় নাই, কিন্তু এখন আর সে সময় নাই, আগে এই আন্দোলন সফল হোক পরের বার।
শাহবাগ সফল হোক, এই দোয়া চাইছি সকলের কাছে।
করতোয়া
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ৬:৫৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রথমত ব্লগার থাবা’র আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি। থাবার প্রতি এমন বর্বরোচিত হত্যা কর্মটি কখনও কোন মোমিন মুসলিম এর দ্বারা সম্ভব নয় যার কাছে দীনের জ্ঞান আছে। এ ধরনের হত্যাকান্ড একমাত্র রাজনৈতিক প্লাটফর্ম থেকেই কারোর পক্ষে হয়ে থাকে, সেটা ধর্মের নামে অপরাজনীতি-ই হোক বা ধর্মনারপেক্ষতার নামে অপর কোন অপরাজনীতি-ই হোক। আমার কাছে বিষয়টা কিমোফ্ল্যাক্স এর মত মনে হচ্ছে।
আন্দোলনের প্রাথমিক সময় থেকে জামাত ও বিএনপি সারা দেশ ব্যাপি একটা গুজব ছড়িয়েছিল যে এই আন্দোলন নাস্তিকদের আন্দোলন। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে গ্রাম গন্জের অনেকের সাথে কথা বলে দেখেছি তারা চেতনায় জামাতের বিপক্ষে থাকার পরও মানসিকভাবে তাদের অবস্থান না ঘরকা না চরকা। কারন সাধারন অনেক মানুষই সন্দেহ করছে যে আন্দোলনের প্রকৃতি ও আন্দোলনকারীদের আচার আচরনে। আমি সে সময় আমু’র কোন এক ব্লগারের পোষ্টে মন্তব্যে বলেছিলাম আন্দোলনকারী ও আন্দোলনের সাথে সংহতিকারী হিসেবে সাধারন জনগনের কাছে আমাদের প্রমান করাতে হবে যে এই আন্দোলন ১৯৭১ এর চেতনা সম্মৃদ্ধ পাকিস্থানের বিকল্প হিসেবে রাজাকারদের বিরুদ্ধে, কোন বিশেষ ধর্মের বিরুদ্ধে নয়। তারপরই দেখলাম আন্দোলনের স্লোগান হিসেবে একটি সুনিদৃষ্ঠ রাজনৈতিক দলের স্লোগান হিসেবে মুখরিত হতে। যদিও তাতে আমার ভালই লেগেছে যেহেতু সেটি আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূলমন্ত্র। কিন্তু আমি তৎক্ষনাত আন্দোলনের সাফল্য নিয়ে সংকিত হয়ে পড়ি। কারন মন্দ লোকেরা এই সতঃস্ফুর্ত আন্দোলনকে কোন একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক কর্মসূচী হিসেবে মিসট্রিট করতে পারে। তার পরপরই দেখলাম ঐ বিশেষ দলের প্রধান সংসদে একটা ব্রিফ দিলেন এবং ঘোষনা দিলেন যে এই আন্দোলন কোন বিশেষ ধর্মের বিরুদ্ধে নয় বরং স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধে রাজাকারদের বিরুদ্ধে ন্যায় বিচারের দাবীতে। আমার প্রশ্ন এই ঘোষনা আন্দোলন শুরুর প্রাথমিক সময়-ই দেয়া হয়নি কেন? এতদিনে আন্দোলনের মোটিভ নিয়ে জনগনের মধ্যে একধরনের সন্দেহের তুষের আগুন জ্বলা শুরু হয়ে গেছে।
আমাদের এই আন্দোলনকে নিয়ে ৪টি ফ্রন্টে রাজনৈতিক অপতৎপড়তা চলছে বলে আমার ধারনা, যা আমাকে সংকিত করছে। আমার ধারনা থাবা হত্যাকান্ডটি এই ৪টি ফ্রন্টের যে কোন একটি ফ্রন্টের কাজ। একটি ফ্রন্ট এই আন্দোলনের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপর সুবিধা নেবার চেষ্টা করছে। একটি ফ্রন্ট এই চিপা থেকে বের হবার আপ্রান চেষ্টা করছে। একটি ফ্রন্ট এই আন্দোলনের মাধ্যমে উত্তরপাড়ার ক্ষমতায়নের স্বপ্ন দেখছে। আর একটি ফ্রন্ট কারজাই মার্কা সরকার হবার স্বপ্ন দেখছে। ৩য় ও ৪র্থ ফ্রন্ট একসাথে থাকলেও থাকতে পারে। তারা দেশের ভিতরে এবং দেশের বাহিরে নানা ধরনের যোগাযোগে ব্যস্ত। সকল ফ্রন্ট-ই মূলত এই আন্দোলনের এক্সিট পথ খুজতেছে এমনকি আন্দোলনকারীরাও। প্রথম ফ্রন্ট এই হত্যার মাধ্যমে শৃঙ্খলার অজুহাতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ করতে পারে। কারন তারাও এখন বেশ চাপের মধ্যে আছে। এই আন্দোলন যত দীর্ঘ হবে ততই প্রথম ফ্রন্টের জন্য সমস্যা। কারন তাদের প্রমান করতে হবে যে তারা কোন বিশেষ ধর্মের বিরুদ্ধে নয় যা তাদের জন্য বেশ কঠিন কাজ। ২য় ফ্রন্ট চেষ্টা করছে একটা গুলু লাগাতে যাতে ৩য় ফ্রন্ট ক্ষমতায় আসতে পারে। এর ফলে তারা আপাতত সুবিধাজনক ভাবে চিপা থেকে বের হতে পারবে। ৪র্থ ফ্রন্ট, ৩য় ফ্রন্টের সহযোগিতায় কারজাই সরকার হয়ে তথাকথিত মাইনাস থিওরী যাতে এবার স্টাবলিশ করা যায় সে ব্যাপারে চেষ্টা করছে। এই হত্যা যদি ৩য় ও ৪র্থ ফ্রন্টের পক্ষ থেকে হয় তবে আমার সন্দেহ এধরনের হত্যাকান্ড আরো হবে এমনকি ২য় ফ্রন্টের সাহায্যে তারা আরও খুবই বড় ধরনের হত্যাযজ্ঞ চালাবে। কাজেই এটা যে একটা ঠান্ডা মাথার সুপরিকল্পিত হত্যাকান্ড সেটা মোটামুটি স্পষ্ট।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ১১:১২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অনেকে পলিটিক্যালী কারেকটনেসের জন্যে বলবেন -- তদন্ত করে আসামী ধরা পড়া আগে কাউকে দোষারোপ করা ঠিক না। কিন্তু সোনারবাংলাদেশ ব্লগের পোস্ট দেওয়া এবং রাজীবের হত্যাকান্ডের পরপরই ব্লগ বন্ধ করে রাখার পর বোধ হয় বলার অপেক্ষা রাখে না যে ঘটনাটা জামাত-শিবিবের কান্ড।
জামাত-শিবির ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে কথাটা অনেকেই বলেন। কিন্তু তার উদাহরন এতো কঠিন ভাবে আমাদের সামনে আসবে তা বুঝিনি। রাজীব (থাবা বাবা) কে টার্গেট করেই হত্যা করা হয়েছে যাতে শাহবাগ জাগরনে ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত করা যায়।
রাজীবের ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে আলোচনাটাই জামাত শিবিরের পক্ষে যাচ্ছে -- কারন ধর্মের কার্ড খেলায় এই ঘাতকচক্র খুবই পারদর্শী।
রাজীব যুদ্ধাপরাধীর বিচার দাবী করেছে -- আমিও যুদ্ধাপরাধীর বিচার দাবী করছি -- সেই বিবেচনায় রাজীব আমার সহযোদ্ধা। যদিও থাবার সাথে ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে -- কিন্তু কাপুরুষের মতো অন্ধকারের জন্তুদের হাতে নিহত হওয়ার মতো নির্মমতা কখনও কারো হবে তা কল্পনাতেই ছিলো না। রাজীব হত্যা মানেই বিচারের দাবীকে স্তব্ধ করে দেওয়া। শেষ রক্তবিন্দু শরীরে থাকতে এই দাবী বন্ধ হবে না। এই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে বাংলাদেশ থেকে জামাত-শিবির চক্রের নির্মূল করার মাধ্যমে।
পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই -- রাজীব হত্যার সাথে ধর্ম বিশ্বাসের নূন্যতম সম্পর্ক নেই -- এইটা একটা কৌশল মাত্র। রাজীব চলমান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের একজন শহীদ -- রাজীবকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্যের দাবী করছি। আরো দাবী করছি হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা।
বাংলাদেশ সরকারের কাছে দাবী করছি চিহ্নিত অগ্রগামী সকল ব্লগারের নিরাপত্তার ব্যবস্থার সাথে সাথে ঢাকার সকল শিবিরের ঘাটিগুলোতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের নিষ্ক্রিয় করা। নতুবা বৃহত আকারের একটা ঘটনার জন্যে তৈরী হওয়া ছাড়া পথ খোলা নেই। শাহবাগের আন্দোলনকারীদের সামনে হয়তো লড়াই ছাড়া আর কোন পথ খোলা থাকছে না।
Najibullah
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধর্ম ব্যাবসার নজীর কি জামাত দেখালো নাকি জামাত বিরোধীরা দেখালো ?
যেই ব্যাক্তি সারা জীবন আল্লাহ, আল্লাহর রাসূল কে গালি দিয়ে আসল, ইসলাম কে নিশ্চিহৃ করে দেয়ার জন্য সারাদিন আদাজল খেয়ে ব্লগিং করত সেই লোকটাকে বানালেন শহীদ, গান-বাজনা রত, অশ্লিল কাজে জরিত অপবিত্র লাখ নাস্তিক দ্বারা সেই ব্যাক্তির জানাজা পড়ালেন, (ছবিতে দেখলাম কয়েক শ লো ইমামের মুখোমুখি পুর্বমুখি হয়ে জানাজার নিয়ত বেধেছে !) এর চাইতে ধর্ম ব্যাবসার আর কোন বড় নজীর হতে পারে কি ? কোথায় গেল আপনাদের বিবেক ? আপনাদের ধর্মের মুখোশ ? কত টাকা খেয়ে আপনারা সাইট চালান আর ব্লগিং করেন ? সৎ সাহস থাকলে সবাইকে মুক্ত ভাবে ব্লগিং করতে দিন, মুনাফিকীও করবেন আবার বড় বড় বুলি আওড়াবেন, লজ্জা লাগেনা আপনাদের ? হায়রে মনুষত্ব ! আল-কোরআন এ জন্যই বলেছে- এরা চোখ থাকতে অন্ধ, কান থাকতে বধির, বোধ থাকতেও বোধ হীন বাল হুম আবাল এরা পশুর চাইতেও অধম। আল্লাহর বানী মিথ্যে নয়। ইসলামী হুকুমত কায়েমের আন্দোলনকে যারা স্তব্দ করে দিতে চায় তাদের জন্য ভয়াবহ শাস্তি অপেক্ষা করছে। আল্লাহ পাক আমাদেরকে পেটের ধান্দা বাদ দিয়ে ইমানের দৌলত অর্জন করার তৌফিক দিন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
নজিবুল্লাহ
অন্যের ঈমান নিয়ে প্রশ্ন করাটা আল্লার কর্তৃত্বের মধ্যে নাক গলানো। চিন্তা করে দেখুন -- এই দায়িত্বটা আপনি নিলেন কিভাবে?
Farhad
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৩ at ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Bro Zia,
Where is your stand on Secularism ? Do you support Secularism ? Do you support religion based political movement ?
We need to understand if your are pro-secular or not. It helps to provide constructive argument. Thanks.
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৩ at ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার বিষয়ে আপনার আগ্রহ দেখে খুশী হলাম। এই বিষয়ে আমার অবস্থান নিয়ে এই ব্লগেই লেখা আছে -- একটু কষ্ট করে পড়ে দেখুন। ধন্যবাদ।
এম ইউ আমান
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গণজাগরণের অংশগ্রহণকারীরা অন্ততঃ একটি ব্যাপারে ১০০ তে ১০০ পেয়েছেঃ নিয়মতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ আন্দোলন। খুব আশা ছিল, প্রার্থণা ছিল- এ আন্দোলনে যেন কোন রক্তপাত না হয়।
সকল শিবিরের ঘাটিগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা কি সম্ভব? সরকার কি আসলেই জানে কোথায় কোথায় তাদের ঘাঁটি আছে? এছাড়াও, 'ব্যাবাক ফাঁস কইরা দিমু' এর ব্যাপার-স্যাপার আছে।
সংসদে জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিযিদ্ধ না করে, এই আইনগত ভিত্তিস্থাপন না করে, অল আউট এফার্ট নেওয়া ঠিক হবেনা।
সাদাত
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ৬:৫৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কথাটা একটু ব্যাখ্যা করবেন কি?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাদাত
আমি বিশ্বাস করি মুক্তিযুদ্ধ ১৬ই ডিসেম্বরের শেষ হয়নি। দুই পক্ষই সক্রিয় আছে -- পরোক্ষ যুদ্ধ চলছে সব সময়- কখনো কখনো সেই যুদ্ধটা প্রকাশ্যে চলে আসে। ১৯৯২ সালে একবার যুদ্ধটা দেখেছি আবার দেখছি ২০১৩ সালে। এখানে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চলে আসছে যুদ্ধ -- ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যারা বাংলাদেশের পক্ষে নিহত হয়েছিলেন তাদের যেভাবে শহীদ হিসাবে চিহ্নিত করা হয় -- তেমনি আজও যারা বাংলাদেশের পক্ষ নিহত হবে তাদের শহীদ বলা হবে।
আপনি যদি এখন শহীদের ইসলামিক সংজ্ঞা নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন তবে বলতে হবে বাংলাদেশে যারা শহীদ হিসাবে পরিচিত তাদের নিয়ে বিতর্ক করতে হবে। প্রচলিত ভাষায় শহীদ বলতে যা বুঝায় তাই আমি ব্যবহার করেছি -- আশা করি বুঝাতে পেড়েছি -- ধন্যবাদ।
সাদাত
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিয়া ভাই,
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সেসব মুসলিম মুক্তিযোদ্ধা ন্যায়ের জন্য মজলুমের পক্ষে জীবন দিয়েছেন, আমি তাদের তথাকথিত "শহীদ" বলে মনে করি না, বরং ইসলামের পরিভাষা অনুসারেই তাদের প্রকৃত "শহীদ" মনে করি। অন্যেরা কী হিসেবে কী বলে সেটা জানি না, তবে যে আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন ইসলামের পক্ষে কথা বলেন তিনি যখন জেনে শুনে একজন ঘোরতর ইসলাম-বিদ্বেষীর নামের নামে "শহীদ" শব্দ ব্যবহার করেন, সেটা মেনে নিতে কষ্ট হয়। বাংলা ভাষায় শব্দের কী এতই ঘাটতি পড়েছে!!
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাদাত
আমার মনে হয় আমি বিষয়টি কনটেক্সটা বুঝাতে সক্ষম হয়েছি। যদি আপনি ইসলামিক পরিভাষায় শহীদের শহীদের সংজ্ঞায় কথা বলেন তাহলে কে শহীদ আর কে শহীদ না তা নির্ধারন করার ক্ষমতা কি আসলে আমাদের আছে!
যাই হোক -- বাংলাদেশের প্রচলিত অভিধানের অনুসরন করলেই আমার উপরে আপনার অভিযোগ থাকবে না আশা করি।
vonder jomdut
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ১১:০৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সদালাপ বাংলাদেশের প্রচলিত অভিধান দিয়ে (শহীদ) ইসলাম বুঝে আর বুঝায় !
কিন্তু মানব
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৩ at ৩:৫৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাদাত ভাই, আপনি তা হলে, ততঃ কালিন বাম ও নাস্তিক, হিন্দু ও অন্যান্ন যারা মুক্তি যুদ্ধে পাক বাহিনীর গুলিতে বা কারণে নিহত হয়েছিল, তাদের প্রকৃত শহীদ ভাবেন না। তাই না?? তবে তাঁহারা কি? নিশ্চুই প্রতীকী শহীদ।
এখানেও ব্যপারটা তাই বুঝে নিন।
আরে ভাই জ্বিহাদে শহীদের আল্লাহ্ শহীদ হিসাবে কবুল করেছে কি না, তা তো হাশরের মাঠ ছাড়া, কেউ জান্তেই পারবে না। আর এই প্রজন্ম যোদ্ধা, শহীদ, গাজি, ইত্যকার টাইটেল নিয়ে কথা চালা চালির কিছু দেখি না।
রাজিব মৃত। তার পার্ট আল্লাহ্ বুঝবে।
আপনার কাছে, আল্লার প্রশ্ন এই থাকবেনা যে, "থাবা কে তুমি শহীদ মনে করতে কি না?"
এটা না আপনার হেডেক না আমার।
বাংলা দেশের সাধারণ মানুষ ও এমন ভাবছে না, যে নিশ্চুই রাজিব বুঝি এখন জান্নাতে ঊরে বেড়াচ্ছে।
সরি, যদি বেশি জোরে ফুল স্টপ টা বসিয়ে থাকি।
সরোয়ার
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩ at ১১:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ব্লগার থাবার খুনীদের উপযুক্ত বিচার চাই। অন্যদিকে, যারা নিয়মতি ব্লগিং করেন তারা থাবার উগ্র ধর্ম বিদ্বেষের সাথে পরিচিত থাকার কথা। উগ্রতা- ধর্মীয় বা অধর্মীয় হোক তা কখনো সমাজে মংগল বয়ে আনতে পারে না। যুদ্ধপরাধীর বিচার হচ্ছে সাধারণ মানুষের প্রাণের দাবী। কিন্তু কিছু সুযোগ সন্ধানী ইসলামকে জামাতের সমার্থক হিসেবে দেখাতে সবসময় তৎপর। শাহবাগ গনজারগনের অনেক আগে থেকেই অনলাইনে ইসলাম বিদ্বেষ একটি সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছিল। এটা যথারীতি জামাতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে করা হতো। এ থেকে জামাতিরা সুযোগ নিতেও পারে। আমরা যেখানেই লেখা-লিখি বা ব্লগিং করি না কেন, তা দায়িত্ব নিয়ে করতে হবে। তা না হলে সমাজে অনাকাংখিত ঘটনার জন্ম দিতে পারে। কে জানে আমার দায়িত্বহীন বা বিদ্বেষমূলক একটি মন্তব্য সমাজে হানা-হানি বাধিয়ে দিতে পারে.
সদালাপ কর্তৃপক্ষ
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জনাব নজিবুল্লাহ শাহবাগে জানাজা পড়া লাখ ব্যক্তিকে নাস্তিক বলেছেন, যদিও জানাজায় অংশগ্রহণকারীরা চার বার আল্লাহু-আকবর বলে জানাযা শুরু করেছেন ও মোনাজাত শেষ করেছেন কলেমা তৈয়ব পাঠ করে। এর আগে তাকে ইলাহ শব্দের তার দেওয়া মনগড়া শব্দার্থের রেফারেন্স দিতে বলা হয়েছিল যার কোন সন্তোষ-জনক রেফারেন্স তিনি দিতে পারেননি। যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লা আল্লাহ’-এর ইলাহ শব্দের অর্থ জানেন না, খুঁজে দেখতে বললেও খুঁজতে পারেন না, ভুল হলে স্বীকার করেন না; তার ব্যক্তিগত মত অনুযায়ী ইসলামের ব্যাখ্যা সদালাপের পাঠক-লেখকদের শোনাতে আমি অপারগ। সদালাপে এটাই তার শেষ প্রকাশিত কমেন্ট। নজিবুল্লাহ ‘ইলাহ’ শব্দের অর্থ ঠিক মত শিখে কিছু বছর পরে আসলে তার ব্যাপারে পুনঃবিবেচনা করব। ধন্যবাদ। সম্পাদক, সদালাপ।
কিন্তু মানব
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ২:৩৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ এডিটর।
আমি আর নাজিবুল্লাকে জবাব দিলাম না, যেহেতু সে এর পাল্টা কিছু বলতে পারবে না।
sami23
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩ at ১:৪০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রথমেই এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাচ্ছি। যারা বিভিন্ন পরিচয়কে সামনে এনে এই হত্যাকাণ্ডকে বিচার বিবেচনা করার চেষ্টা করছেন, তাদেরকে বলছি পবিত্র কোরআনে অত্যন্ত স্পষ্ট করে 'মানুষকে অন্যায় ভাবে হত্যা করতে ও দুনিয়ার বুকে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করতে' নিষেধ করা হয়েছে।
সুষ্ঠু ও নিরেপক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সে যে কোন দলের হকো না কেন। সেই সঙ্গে এও বলি, জানাযা ইমানদারদের (মুসলিম) জন্য প্রযোজ্য একটি বিধান, কোনো বেঈমান, নাস্তিক, অবিশ্বাসী মুরতাদের ক্ষেত্রে অপপ্রয়োগ করে এ বিধানকে অপমান করবার অধিকার কারো নেই!
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৩ at ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সম্পূর্ন একমত।
আহমেদ মিনহাজ
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৩ at ১১:৫৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
থাবাকে আসলে কারা খুন করেছে ভাল মত যাচাই করা উচিৎ । থাবার কিছু পোস্ট আমি পরেছি আসলে ওর পোস্ট পরলে শুধু মুসলমান নয় সুস্থ মাথার কোন হিন্দুরও রাগ লাগার কথা ।
কমেন্টে কোন কিছু ভুল লিখে থাকলে দুঃখিত । আমি সদালাপে নতুন , সবাইকে সালাম জানাচ্ছি ।