সাহায্যের আবেদন। নিচের বিষয়গুলা কেউ ক্লীয়ার করলে খুবই উপকৃত হতাম।
পৃথিবীর আকৃতি বলতে গেলে আমরা জানি এটা oblate spheroid.তবে হিসাবের সুবিধার্থে এটাকে গোলাকার বিবেচনা করা হয়। নিউটনের সুত্রসহ কোপার্নিকাসের সুত্রেও পৃথিবীসহ সকল গ্রহকে বৃত্তাকার বিবেচনা করা হয়। যদিও আমরা জানি পৃথিবী গোলাকার নয় তবুও মহাবিশ্ব ও পৃথিবীর সাপেক্ষে পৃথিবীকে গোলাকার বা বৃত্তাকার বলায় কোন অসঙ্গতি থাকবেনা।
এখন যেকোন বৃত্তাকার ক্ষেত্রের পরিধির যেকোন বিন্দুতে আমরা স্পর্শক আকতে পারি। ক্ষেত্র যত বড় হবে এই স্পর্শক বিন্দু তত স্পষ্টভাবে ধরা দিবে। চিত্রে একটা স্পর্শক দেখানো হল। এখন যদি এই চিত্রটিকে আরো বড় করি তবে এই স্পর্শক আরো স্পষ্ট হয়ে কোন বিন্দুতে দেখা যাবে। যদি বৃত্তকে বড় করতে করতে পৃথিবীর মত বিশাল করা যায় তবে sabbir ahmed এর বাসার উঠানের একটা বিন্দুতেও একটা স্পর্শক আকা যাবে। এই বিন্দুতে অঙ্কিত স্পর্শক ভু পৃষ্ঠের সাথে বক্রতা সৃষ্টি করবে তা যতই কম হোকনা কেন।
সুতরাং বলা যায় কোন ক্ষেত্রের কোন বিন্দুতে যদি স্পর্শক আকা যায় এবং তা যদি বক্রতা উৎপন্ন করে তবে তাকে round shape (circle, parabola, spheroid etc.) বলা যাবে।
এখন আমি আমার বাড়ির উঠানের এক ফুট যায়গা বিবেচনা করলাম। এই যায়গায় একটা বিন্দুও বিবেচনা করলাম। এই বিন্দুটির উপরে অসীম থেকে আসা একটি সরলরেখা দ্বারা একটি স্পর্শক কল্পনা করলাম। পৃথিবীর কেন্দ্র (চিত্রে O) থেকে এই স্পর্শ বিন্দু যোগ করলাম। তাহলে ব্যাসার্ধ ও স্পর্শক ৯০ ডিগ্রী কোন উৎপন্ন করবে। কিন্তু কল্পিত চিত্রে দেখা যাবে পৃথিবী পৃষ্ঠ স্পর্শকের সাথে একটি বক্রতা উৎপন্ন করবে(যা খুব কম)। এ থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে পৃথিবী গোলাকার (যদিও তা বিবেচ্য)।
যদিও আমি জানি বক্রতা যত কম হবে তাকে তত বেশি সমতল বিবেচনা করা হয়, কিন্ত তা কি আদতেই সমতল???
এ সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে কি বলা যাবেনা যে পৃথিবী গোলাকার ??
কিংবা ঐ একফুট যায়গাকি বলা যাবেনা যে তা পৃথিবীর একটা বৃত্তচাপ যা গোলাকার ??

মাহফুজ
এপ্রিল ২৩, ২০১৬ at ১১:১৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জী, নিঃসন্দেহে পৃথিবীটা গোলাকার। তবে আপনি যে বৃত্তগুলো এঁকেছেন ঠিক সেরূপ বৃত্তাকার নয়, আবার ত্রিভুজাকারও নয়।
ধন্যবাদ
Abu Saif
এপ্রিল ২৩, ২০১৬ at ১১:২৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আসসালাম………….
এত উচ্চমানের জ্ঞান আমার নেই !!
সাধারণভাবে যা বুঝি- (পিওর ও এপ্লাইড এর মামলা এটা !)
ঐ একফুট যায়গা কি বলা যাবেনা যে তা পৃথিবীর একটা বৃত্তচাপ যা গোলাকার ??
>>ঐ একফুট যায়গা বৃত্তের কেন্দ্রে যে কোণ তৈরী করে তার পরিমান কত ?? (0.0000000…10)
তাত্ত্বিকভাবে ঠিক হলেও বাস্তবে পরিমাপযোগ্য নয়!!
তাই ঐ একফুট-কে গোলাকার বলো যাবেনা- ওটা সমতল বিবেচিত হওয়াই বাস্তবসম্মত!!
শমশের খালিদ
এপ্রিল ২৩, ২০১৬ at ১১:৩৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@মাহফুজ:
এটা পুরোপুরিভাবে বৃত্তাকার নয় তা আমি জানি।
তবে ছবিতে এভাবে আকতে হবে।।
আর পোষ্টে পৃথিবিকে oblate spheroid বলা হয়েছে।।
এপ্রিল ২৪, ২০১৬ at ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Surface Area of a sphere = 4qr2
Oblate Spheroid = এখানে
শমশের খালিদ
এপ্রিল ২৩, ২০১৬ at ১১:৪৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আসুন একটা অংক করি
আমরা যারা বিজ্ঞানের ছাত্র তারা সবাই জানি যে , গোলাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রে , s=rq. (এখানে q মানে থিটা বোঝানো হয়েছে)
এখন পৃথিবীর যেকোন অক্ষাংশের উপর ১মিটার দূরত্বে দুটি বিন্দু চিন্তা করি। ধরি এখানে s= ১ মিটার . এখান থেকে ৬৪০০০০০ দুরত্বেঅর্থাৎ পৃথিবীর কেন্দ্র হতে রেখাটির দুই প্রান্ত বিন্দুতে দুটি সরল্রেখা টানি। এখানে r=৬৪০০০০০ মিটার।
তাহলে s=rq সুত্রানুসারে q এর মান হবে ০.০০০০০০১৫৬২৫°। এটাকে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রকাশ করলে দেখা যায় এর মান ১.৫৬২৫×১০^-৭। আমরা সবাই জানি১০ এর উপরে মাইনাস (-) ৫০ না থাকলে তাকে বিন্দু বলা যায়না।
তাই এই সুত্রানুযায়ী এই ১ মিটার যায়গাকে কোন ভাবেই বিন্দু বলে বিবেচিত হবেনা>Abu Saif:
আপনার সুবিধার জন্য লিখছি,
খহগ
এপ্রিল ২৪, ২০১৬ at ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ঐ ১মিটার জায়গা তো বিন্দু নয়, বৃত্তচাপ! প্রশ্নটা হচ্ছে সেটা বক্র বা সমতল নিয়ে- তাই নয় কি?
আপনি কিন্তু উঠানের ১ফুট জায়গা নিয়েছেন! এতে q এর মান আরো কম হবে!
শাহবাজ নজরুল
এপ্রিল ২৪, ২০১৬ at ২:১৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার সার্বিক পয়েন্ট টা বোঝা গেলনা। আপনি কি বলতে চাচ্ছেন যে ওই এক ফুট জায়গাতে মনে হচ্ছে যেন সরল রেখার সকল বিন্দুই স্পর্ষকের মত কাজ করছে -- সুতরাং বিন্দু আসলে এক ফুট রেখার সবটুকুই?
আপনি ৪.১ এ যেভাবে দেখালেন যে এক মিটার জায়গার পুরোটুকুই বিন্দু নয়, বরং সংজ্ঞা অনুসারে এর মধ্যে একটাই স্পর্শক বিন্দু আছে একটা সরল রেখার জন্যে -- কেননা অতি অল্প হলেও পৃথিবীর কেন্দ্রে এক মিটার জায়গা পরিমাপযোগ্য কোণ তৈরী করছে। আপনার হিসেব টুকু আরেকটু এগিয়ে নিলে এও দেখানো সম্ভব যে চিত্রের বক্রতা বা d এর পরিমাপও করা সম্ভব, যদিও তা হবে বেশ ছোটো একটা পরিমাপ।
তাই সার্বিকভাবে আমার মনে হয় সমস্যাটা আসছে আমাদের concious mind এর measurement faculties এর সীমাবদ্ধতা থেকে। কেননা মানুষের মনন এমন ছোটো পরিমাপ HVS দ্বারা দেখতে পারেনা কিংবা বুঝতেও পারেনা।
তবে আমার মনে হয় perfect sphere ও line এর সংজ্ঞা অনুসারে এক ফুট জায়গা একটি বিন্দুতেই স্পর্শক কে স্পর্শ করবে।
annozomsgt.blogspot.com
মে ৩, ২০১৬ at ১২:৫২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পৃথিবীকে আল্লাহ পাক বিছিয়েছেন, এটাই বাস্তব ও সহজ কথা,, ধন্যবাদ।
শমশের খালিদ
মে ৩, ২০১৬ at ৩:৩০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সবাই সুন্দর বলেছেন। আসলেই একটা বক্রতা আছে। আমরা এটাকে সমতল মনে করতে পারি, তবে প্রকৃতপক্ষে এটি সমতল নয়। বরং সমতল বলাটা যৌক্তিক। যেমন সূর্য উঠা বা অস্ত যাওয়া বলতে কিছু নেই কিন্ত আমাদের ও শব্দ দুটোই ইউজ করতে হয় ঠিক তেমনি এটা সমতল না হলেও সমতল হিসেবে ধরা যায় বিশেষত বৃহত ক্ষেত্রের জন্য।।