আকাশ মালিক লিখেছেন:
এমন কী হাদিস থেকে জানা যায়, (৫৯৫ খ্রিস্টাব্দের দিকে) নবী মুহাম্মদ (দঃ) যখন পৌত্তলিক দেব-দেবীর উপাসনা করতেন, কোরবানি দেওয়া মাংস রান্না করে জায়েদের জন্য নিয়ে যেতেন তার সাথে খাওয়ার জন্য তখন এই জায়েদ বিন আমরই মুহাম্মদকে তিরষ্কার করতেন এবং পৌত্তলিকতা থেকে বিরত থেকে একেশ্বরবাদ চর্চার পরামর্শ দিতেন। (দ্রষ্টব্য : বোখারি শরিফ, ভলিউম ৭, বুক ৬৭, নম্বর ৪০৭)। [সূত্র: আকাশ মালিকের ই-বুক ‘যে সত্য বলা হয়নি’, ৪র্থ অধ্যায় ( ইসলামের জন্ম-বিকাশ ও প্রাসাদ ষড়যন্ত্র ), পৃ:২]
আকাশ মালিকের দাবি:
১. মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ৫৯৫ খ্রিষ্টাব্দের দিকে পৌত্তলিক দেব-দেবীর উপাসনা করতেন।
২. মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোরবানি দেওয়া মাংস রান্না করে জায়েদ বিন আমরের জন্য নিয়ে যেতেন তার সাথে খাওয়ার জন্য, তখন জায়েদ বিন আমর মুহাম্মদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে তিরষ্কার করতেন।
৩. জায়েদ বিন আমর মুহাম্মদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে পৌত্তলিকতা থেকে বিরত থেকে একেশ্বরবাদ চর্চার পরামর্শ দিতেন।
আকাশ মালিকের দাবি এগুলো তিনি জেনেছেন হাদিস থেকে। আকাশ মালিক তার দাবির পক্ষে যে রেফারেন্স দিয়েছেন, এবার আসুন সেটা একটু যাচাই করে দেখি।
[Bukhari Vol.7, Book 67, No.: 407]
Narrated ‘Abdullah:
Allah’s Apostle said that he met Zaid bin ‘Amr Nufail at a place near Baldah and this had happened before Allah’s Apostle received the Divine Inspiration. Allah’s Apostle presented a dish of meat (that had been offered to him by the pagans) to Zaid bin ‘Amr, but Zaid refused to eat of it and then said (to the pagans), “I do not eat of what you slaughter on your stone altars (Ansabs) nor do I eat except that on which Allah’s Name has been mentioned on slaughtering.”
অনুবাদ:
আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত:
রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন তিনি যায়েদ বিন আমর নুফাইল এর সাথে বালদাহ-এর নিকটবর্তী স্থানে সাক্ষাত করেছিলেন এবং এটা ঘটেছিল রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর ওপর ওহি নাযিল হবার আগে। রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়েদ বিন আমর এর সামনে একটি গোস্তের থালা (যেটা পৌত্তলিকরা তাঁকে হাদিয়া দিয়েছিল) পেশ করেছিলেন, কিন্তু যায়েদ তা খেতে অস্বীকৃতি জানান এবং (পৌত্তলিকদের উদ্দেশ্যে) বলেন, “না আমি সেটা ভক্ষণ করি যেটা তোমরা পাথরের বেদি(আনসাব)তে যা জবাই করো, না আমি আল্লাহর নাম ব্যতীত জবাইকৃত কিছু ভক্ষণ করি।”
এই হাদিসের কোথায় আছে যে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পৌত্তলিক দেবদেবীর উপাসনা করতেন? নাকি যায়েদের “না আমি সেটা ভক্ষণ করি যেটা তোমরা পাথরের বেদি(আনসাব)তে যা জবাই করো, না আমি আল্লাহর নাম ব্যতীত জবাইকৃত কিছু ভক্ষণ করি।” - এই বক্তব্য থেকেই তিনি এই তিনটা সিদ্ধান্তে এসে পড়েছেন?
সেক্ষেত্রে ইংরেজি অনুবাদক যে ব্র্যাকেটে জানিয়ে দিয়েছেন যায়েদ কথাগুলো পৌত্তলিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, সেটা কি তিনি দেখেন নাই? নাকি অনুবাদকের ওপর আস্থা রাখতে পারেন নাই। যদি আস্থা না-ই রাখতে পারেন তাহলে এতবড় একটা অভিযোগ আনার আগে উনার কি আরো অনুসন্ধান করার দরকার ছিল না? বিশেষ করে যায়েদকে নিয়ে একটা বিখ্যাত হাদিস বুখারিতেই আছে (৫:৫৮:১৬৯) যেটা ইসলামের সমালোচকদের না জানার কোন কারণ নেই, সেখান থেকেই তো বিষয়টা পরিষ্কার হবার কথা।
এখানে ইংরেজি অনুবাদক যে ব্র্যাকেটে “পৌত্তলিকদের উদ্দেশ্যে” কথাটা লিখেছেন সেটা খুবই যুক্তিসংগত কারণে, কারণটা বুঝা যাবে নিচের হাদিস থেকে:
[Bukhari Vol.5, Book 58, No.: 169]
Narrated ‘Abdullah bin ‘Umar:
The Prophet met Zaid bin ‘Amr bin Nufail in the bottom of (the valley of) Baldah before any Divine Inspiration came to the Prophet. A meal was presented to the Prophet but he refused to eat from it. (Then it was presented to Zaid) who said, “I do not eat anything which you slaughter in the name of your stone idols. I eat none but those things on which Allah’s Name has been mentioned at the time of slaughtering.” Zaid bin ‘Amr used to criticize the way Quraish used to slaughter their animals, and used to say, “Allah has created the sheep and He has sent the water for it from the sky, and He has grown the grass for it from the earth; yet you slaughter it in other than the Name of Allah. He used to say so, for he rejected that practice and considered it as something abominable.
[হাদিসের প্রাসঙ্গিক অংশটুকু দিলাম, তবে আগ্রহী পাঠক লিংকে গিয়ে পুরো হাদিসটা পড়ে দেখতে পারেন।]অনুবাদ:
আবদুল্লাহ বিন উমর(রা.) বলেন:
ওহি প্রাপ্তির পূর্বে বালদাহ(উপত্যকার) নিম্নদেশে নবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়েদ বিন আমর বিন নুফাইল এর সাথে সাক্ষাত করেছিলেন। তাঁর সামনে একটি খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল, কিন্তু নবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হতে খেতে অস্বীকৃতি জানান। (অত:পর এটা যায়েদের সামনে পেশ করা হয়) যিনি বলেন, “তোমরা তোমাদের প্রস্তর প্রতিমার নামে যা জবেহ করো, আমি তা ভক্ষণ করি না। আমি আল্লাহর নামে জবেহ করা ছাড়া ভক্ষণ করি না।” যায়েদ বিন আমর কুরাইশদের তাদের পশু জবাইয়ের ব্যাপারে সমালোচনা করতেন এবং বলতেন, “আল্লাহ মেষ সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি এর জন্য আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেছেন এবং তিনি এর জন্য জমিন থেকে ঘাস জন্মিয়েছেন; তথাপি তোমরা একে আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে জবাই করো।” তিনি এরূপ বলতেন, কারণ তিনি সেই প্রথা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং সেটাকে ঘৃণ্য মনে করতেন।
ধরে নিই-
আকাশ মালিক সাহেব ইংরেজি অনুবাদককে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারেন না, বিশেষ করে তাদের ব্র্যাকেটবন্দী বক্তব্য পরিহার করেন। এই নীতি আনুসারে বুখারির এই (৫:৫৮:১৬৯) হাদিস থেকে যদি (Then it was presented to Zaid) এই অংশটুকু বাদ দেওয়া হয়, তাহলে কথা দাঁড়ায় এরকম-
কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হতে খেতে অস্বীকৃতি জানান। যিনি বলেন, “তোমরা তোমাদের প্রস্তর প্রতিমার নামে যা জবেহ করো, আমি তা ভক্ষণ করি না। আমি আল্লাহর নামে জবেহ করা ছাড়া ভক্ষণ করি না।”
কাজেই ব্র্যাকেটবন্দি নোট বাদ দিলে আকাশ মালিকের অভিযোগ প্রমাণের কোন সুযোগই আর অবশিষ্ট থাকে না।
পাঠক! হাদিস দুটোকে একসাথে রাখলে এটা খুবই পরিষ্কার যে-
১. প্রথমে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কাছে গোস্তের থালাটা আসে।
২. মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটা থেকে খেতে অস্বীকৃতি জানান।
৩. এরপর থালাটা যায়েদকে প্রদান করা হয়।
৪. যায়েদও সেটা খেতে অস্বীকার করেন।
৫. এরপর যায়েদ পৌত্তলিকদেরকে (কুরাইশদের) দেবদেবীর নামে পশু জবাই করার জন্য তিরস্কার করেন। বুখারির (৫:৫৮:১৬৯) হাদিস বিষয়টি খুবই স্পষ্ট করেছে এভাবে- “যায়েদ বিন আমর কুরাইশদের তাদের পশু জবাইয়ের ব্যাপারে সমালোচনা করতেন এবং বলতেন,….”
৬. যায়েদ কিছুতেই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে তিরস্কার করতে পারেন না, কেননা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়েদের আগে এই খাদ্য গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
কথায় বলে অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী। সত্য অনুসন্ধানের পরিশ্রম লাঘবে কল্পনার আশ্রয় নেওয়া হলে সেটা আর সত্যানুসন্ধান থাকে না, হয়ে যায় কল্পনাবিলাস। “যে সত্য বলা হয়নি” বইতে আকাশ মালিক এভাবেই কি কল্পনার রং-রস মিশিয়ে সত্যের নামে কল্পকথার কাহিনী ফেঁদে বসেছেন?

কিংশুক
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আকাশ মালিক ভণ্ড, মিথ্যুক। তার নিজের দাবী অনুযায়ীই ইসলামের দানবীয় ছোবল হতে মানবতার পুষ্পোদ্যানে নেয়ার মিশনের যাত্রী তিনি। কিন্তু ভয়ংকর ব্যাপার হলো, তার কল্পনার ছোঁয়ায় তৈরী “যে সত্য বলা হয়নি” মুক্তমনাদের রেফারেন্স গ্রন্থ। এক সময় দেখেছি, জনে জনে “যে সত্য বলা হয়নি” নামক মিথ্যা গ্রন্থ সবাইকে পড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এসব শয়তানের বিরুদ্ধে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। আপনার প্রচেষ্টার জন্য অন্তরের অন্ত:স্থল হতে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
সাদাত
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৮:২২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@কিংশুক:
“যে সত্য বলা হয়নি” বইয়ের পাবলিসিটি এখন বন্ধ আছে।
এটার রেফারেন্স দিতে আজকাল তারা লজ্জা পায়!
প্রান্তর
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ৯:১০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনারা কি জানেন এই ভণ্ড-মিথ্যুক “আকাশ মালিক” অনেক দিন ধরে মুক্ত-মনা ব্লগের মন্তব্যের ঘরে “গোলাপ” নিকেও ইসলামের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কায়দায় আক্রমন চালিয়ে যাচ্ছে? আমারব্লগে তাকে নিয়ে সাদাত সাহেব ও আরো কারো কারো লেখার মাধ্যমে তার “আকাশ মালিক” নিক পচে দূর্গন্ধ বেরুনোর পর থেকে সে “গোলাপ” নিকে মুক্ত-মনা ব্লগে সাইবার সন্ত্রাস শুরু করেছে। গোলাপের সুবাস দিয়ে সে তার গায়ের পচা দূর্গন্ধকে আড়াল করতে চায়?
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৮:৪১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@প্রান্তর:
মাল্টিনিক নিলে বা ইসলামের সমালোচনা করলে করুক।
কিন্তু নিজের কষ্ট-কল্পনাকে না-বলা সত্য বলে প্রচার করবে কেন?
আর রেফারেন্সের কারসাজিই বা করবে কেন?
সরোয়ার
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আকাশ মালিক বয়সের ভারে নুইয়ে পড়েছে, কিন্তু তার আবালতায় ও বালখিল্যতায় শিশুরাও লজ্জা পাবে! দিনের পর দিন কীভাবে মিথ্যাচার করা যায়, কীভাবেই বা সে শক্তি পায়, তা পিএইচডি রিসার্চের বিষয়বস্তু হতে পারে। মিথ্যাচার ধরিয়ে দিলে জবাব হিসেবে বলে থাকে- আমি মাদ্রাসার ছাত্র ছিলাম! আমি ডিভাউট মুসলমান ছিলাম!
সাদাত
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সরোয়ার:
মাদ্রাসার ছাত্র! হ্যাঁ, মুক্তমনার মাদ্রাসায় তো উনার অনেক বছর হলো!
সরোয়ার
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই আজীব ‘মুক্তমনা’ প্রজাতির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে তারা নিজেদেরকে একসময়ের ধার্মিক/ডিভাউট হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের (যারা ইসলাম সম্পর্কে তেমন জ্ঞান রাখেন না) ইমোশনকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করে। এজন্য মাদ্রাসা, সৈয়দ বংশ, ধার্মিক বাবা-মা’র কথা বলে নিজেদেরকে ভিভাউট হিসেবে প্রমাণ করে থাকে! ইদানিং কেউ কেউ (যেমন আমারব্লগে একজন সুযোগ পেলেই করে থাকেন) আবার নিজেকে একসময়ের তাবলীগ জামাতের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচয় করিয়েও দেন!
পাশ্চাত্য দেশের অতিপ্রতিক্রিয়াশীল নাস্তিকেরাও নিজেদেরকে অতি ডিভাউট হিসেবে জাহির করে। আমার জানামতে একজন মুক্তমনা (যিনি ইসলাম ওয়াচে লিখেন), যার ইসলামের প্রাথমিক জ্ঞানও নেই, তিনিও এধরণের ব্ল্যাকমেইলিং করে থাকেন। তিনি From inside Islam এর ব্যানারে লিখে থাকেন। ভাবখানা এমন যে ইসলামের বিষয়াদী অতি গোপনীয়! উনারা স্পাই হিসেবে ইসলামে ঢুকে গোপন তথ্য ফাঁস করে দিচ্ছেন!
ফারুক
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১২:১৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না। খামাকা আকাশ মালিককে দোষারোপ করছেন। যে কোন সুস্থ মস্তিষ্কের যুক্তিবোধ সম্পন্ন মানুষ আপনার দেয়া হাদীস দুটো পড়লে , আকাশ মালিকের মতো একি উপসংহারে পৌছাবে। হাদীস দুটোর অসঙ্গতি আপনার চোখ এড়িয়ে গেল কিভাবে? দোষ যদি দিতেই চান তো , আবদুল্লাহ বা আবদুল্লাহ বিন উমরকেই দেয়া উচিৎ (যদিও জানি না এরা একি লোক কিনা?)।
[Bukhari Vol.7, Book 67, No.: 407] হাদীসের ব্রাকেটের ভিতরের অংশ (পৌত্তলিকদের উদ্দেশ্যে) কোনভাবেই হাদীসের বক্তব্যের সাথে যায় না। এটা রসূলকে বাচানোর উদ্দেশ্যেই হাদীস লেখকের অপচেষ্টা বলেই প্রতীয়মান হয়। কারন এই হাদীসের গল্প অনুসারে রসূল যখন যায়েদ বিন আমরের সামনে একটি গোস্তের থালা (যেটা পৌত্তলিকরা তাঁকে হাদিয়া দিয়েছিল) পেশ করেছিলেন এবং যায়েদ তা খেতে অস্বীকৃতি জানান , তখন কোনভাবেই বোঝার উপায় ছিল না , রসূলের সাথে পৌত্তলিকরা ও তার সাথে ছিল। আর যদি থেকেও থাকে তাহলে এটা প্রমান হয় রসূল ও পৌত্তলিক ছিলেন , কারন এটা তার ওহী পাওয়ার আগের ঘটনা। রসূল যদি নিশ্চিত হবেন যে এটা হারাম , তাহলে তিনি সেটা ফেলে না দিয়ে যায়েদকে কেন খেতে দিলেন?
এইসব আজগুবী হাদীসকে ডিফেন্ড করতে যেয়ে ইসলামকে আরো হাস্যাষ্পদ না করে , নিজের যুক্তিবোধকে কাজে লাগান।
এন্টাইভণ্ড
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ৪:৪১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফারুকভাই: বিদ্বেষ যদি চোখ অন্ধ করে দেয়, তখন এই ধরণের পাঠ বেশি দেখা যায়। আকাশ মালিক -এর বিদ্বেষটা হলো গোটা ইসলামেরই বিপক্ষে। আর আপনার বিদ্বেষটা হলো হাদীসের বিপক্ষে। এইখানে আপনি আকাশ মালিককে সাপোর্ট করবেন, সেইটাই তো স্বাভাবিক।
কিন্তু মুক্তপাঠ কী জিনিস, সেইটাও আপনাকে বুঝে নিতে হবে। একটা টেক্সট থেকে যদি প্রকৃত অর্থ উদ্ধারের মানসিকতা আসলেই থাকে তাহলে আপনাকে সবধরণের অন্ধ বিদ্বেষ দূর করে নিতে হবে। আপনার মনে যদি বিদ্বেষটাই প্রধান হয়, তাহলে আপাতদৃষ্টিতে সামান্য কন্ট্রাডিক্টরি মনে হবার সাথে সাথেই লাফ দিয়ে উঠবেন—ইউরেকা ইউরেকা, পাইছি, পাইছি! কিন্তু যদি বিদ্বেষটা প্রধান না হয়, এবং প্রকৃত ঘটনা জানার প্রয়োজন হয়, তাহলে আপনি প্রথমেই ভাববেন যে, সমন্বয় করার মতো কোনো ব্যাখ্যা আছে কি না। যদি সমন্বয় করার মতো ব্যাখ্যা থেকে থাকে, তাহলে ডেফিনিটলি আপাতদৃষ্টিতে দুটো জিনিস কন্ট্রাডিক্টরি মনে হলেও আসলে সেদুটো কন্ট্রাডিক্টরি না। আসলেই কন্ট্রাডিক্টরি হবে তখন এবং কেবল তখন, যখন কোনোভাবেই এই দুটো আপাত দৃষ্টির কন্ট্রাডিকশনের কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যাই না থাকে।
এই হলো পাঠ সঙ্ক্রান্ত মৌলিক কথা। এবার আসেন এই পোস্টে উল্লিখিত প্রসঙ্গ নিয়ে আলাপ করি।
এইখানে প্রথমে উল্লিখিত হাদিসে ব্রাকেট বাদ দিয়ে পড়লে প্রশ্ন উদ্রেককারী অংশটুকুন দাঁড়ায় এইরকম:
Allah’s Apostle presented a dish of meat to Zaid bin ‘Amr, but Zaid refused to eat of it and then said…
অর্থাৎ, রাসুল সা. যায়েদ বিন আমরকে a dish of meat অফার করেন। যায়েদ সেটা খেতে অস্বীকার করেন। এবং বলেন…
এখানে হঠাৎ পড়তে গিয়ে ভাবাটা খুবই স্বাভাবিক যে আসলে রাসুল সা. নিজেই যায়েদ বিন আমরকে সেই মিট অফার করেছিলেন। এবং ফারদার কোনো হাদিস যদি না পাওয়া যায় যা এর বিরোধিতা করে, তাহলে মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই বলা যেতে পারে যে রাসুল সা.-ই সেই dish of meat অফার করেছিলেন এই পর্যন্ত আপনার সাথে বা আকাশ মালিকের সাথে আমার কোনো বিরোধ নাই। তবে এইখান থেকে, তার পৌত্তলিকতার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে গেলে কল্পনার আশ্রয় নিতে হবেই। কারণ যায়েদ যদি পৌত্তলিকতার অভিযোগ রাসুল সা.-এর বিরুদ্ধে করেও থাকেন (অর্থাৎ, যায়েদ রাসুল সা.-কে পৌত্তলিকতার ব্যাপারে তিরষ্কার করেছিলেন বলে আকাশ মালিক যে কথা বলতে চাচ্ছেন, তা যদি সত্য বলে ধরেও নিই), তবু এ কথাতো যে-কোনো সাধারণ যুক্তিবোধের মানুষই জানে যে একজন অভিযোগ আনলো মানেই সেটা সত্য, তা না। সেটার স্বপক্ষে আরো কোনো যুক্তি প্রমাণ আছে কি না, কথা হলো সেইটা। আপনি অবশ্য একটা সুন্দর যুক্তি তুলেছিলেন:
এইটা সত্যিই খুব সুন্দর যুক্তি। সমস্যা হলো, তখনো রাসুল সা. কোনো ওহি পাননি, সুতরাং হারাম হবেই বা কীসের ভিত্তিতে? আর, রাসুল সা. তো তখনো অন্য কোনো ধর্মীয় গ্রন্থও পড়েন নি (২৯:৪৮)। সুতরাং কোনো ধর্মের ভিত্তিতেও যদি হারাম হয়ে থাকে, সেইটাই বা রাসুল সা. জানবেন কীভাবে? এমনকী, যদি অন্য কারো কাছে থেকে জানেনও, তাহলেও, সেইটা যে ফ্যাব্রিকেটেড হয়নি তখনো, সেইটাও কি জানার কোনো সুযোগ রাসুল সা.-এর ছিলো? সুতরাং, রাসুল সা. যদি সেটা না খেয়ে থাকার কোনো প্রমাণ কোনো সূত্রে থেকে থাকে, তাহলে, সেটা আর যে কোনো কারণেই হোক না কেন, অবশ্যই হারামের ভিত্তিতে না। সেটা ব্যক্তিগত অপছন্দের ভিত্তিতেই। নিজের ব্যক্তিগত অপছন্দেরে ভিত্তিতে একটা জিনিস রাসুল সা. নিজে খেলেন না, আর একজনকেও খেতে দেবেন না, এইটা আপনার কেমন বিচার ভাই?
সুতরাং আপনার যুক্তিটা আসলে ঠিক টিকে থাকার মতো যথেষ্ট সবল হতে পারলো না।
অর্থাৎ, প্রথমে উল্লিখিত হাদিস থেকে আমাদের প্রাপ্ত সিদ্ধান্ত হলো:
ফারদার কোনো হাদিস যদি না পাওয়া যায় যা এর বিরোধিতা করে, তাহলে মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই বলা যেতে পারে যে রাসুল সা.-ই সেই dish of meat অফার করেছিলেন —
তবে, সেখান থেকে কোনোভাবেই এই সিদ্ধান্ত নেবার উপায় নেই যে রাসুল সা. পৌত্তলিক ছিলেন।
এবার আমরা
দ্বিতীয় অংশে উল্লিখিত {{ফারদার কোনো হাদিস যদি না পাওয়া যায়}} এই অংশটার দিকে মনোনিবেশ করবো।
এবার দ্বিতীয়ে উল্লিখিত হাদিসে প্রশ্ন উদ্রেককারী অংশটুকুর দিকে নজর দিই।
A meal was presented to the Prophet but he refused to eat from it, who said, “I do not eat anything which you slaughter in the name of your stone idols. I eat none but those things on which Allah’s Name has been mentioned at the time of slaughtering.”
প্রথমেই একটা কথা বুঝে নিন। এই দুটো হাদিসই কিন্তু একটা ঘটনাকেই বর্ণনা করছে। এখন এই অংশ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, রাসুল সা.-কে আগে অফার করা হয়েছিলো। যদি আমরা ব্রাকেটের অংশ উঠিয়ে দিই, তাহলে আমরা বলতে পারি যে, তিনি রিপ্লাই দিতে গিয়ে বলেছিলেন…
“I do not eat anything which you slaughter in the name of your stone idols. I eat none but those things on which Allah’s Name has been mentioned at the time of slaughtering.”
দুটো হাদিস যদি সমন্বয় করার চেষ্টা করি (যেটা সফলভাবে না করা গেলে কন্ট্রাডিকশন মেনে নেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না, এবং যেটা সফলভাবে করা গেলে…..বুঝতেই পারছেন)
তাহলে সম্ভাব্য একটা ব্যাখ্যা দাঁড়ায় এরকম যে, ঐ নির্দিষ্ট খাবার পৌত্তলিকদের পক্ষ থেকে প্রথমে রাসুল সা.-কে অফার করা হয়েছিলো, রাসুল সেটি না খেয়ে (কারণটি তিনি বর্ণনা করেছেন) যায়েদকে অফার করেন, যায়েদও সেটি না খেয়ে ফেরত দেন এবং তার না-খাওয়ার কারণটিও প্রায় একইভাষায় বর্ণনা করেন।
আমাকে অনুগ্রহ করে জানান যে এই ব্যাখ্যা আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য কি না। ‘না’ হইলে কেন, সেইটাও জানান।
আমি আশা করছি যে কোনো ব্রাকেটবন্দি বক্তব্য ছাড়াই হাদিসদুটো সমন্বয় করা গিয়েছে। এবং সেইটে যদি সফলভাবে করা হয়েই থাকে, তাহলে এর মানে হলো, আপনার এবং আকাশ মালিকের — উভয়েরই যুক্তি খণ্ডন করা গিয়েছে।
এতক্ষণ, আশা করি বুঝাতে পেরেছি যে আলোচ্য হাদিসদুটো মোটেও আজগুবী নয়। আমি বরং আপনাকে প্রায় সিমিলার একটা কথা বলবো। অনুগ্রহ করে একবার অন্তত মনযোগ দিয়ে শোনেন:
ফারুক
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ১:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@এন্টাইভণ্ড: আমি আপনার মন্তব্যের পাল্টা কোন মন্তব্য করতে চাই না। পাঠক যা বুঝার বুঝে নিক।
আমি হাদীসের বিপক্ষে , কথাটা ঠিক। তবে সেটা বিদ্বেষ কেন হবে? হাদীসের বিপক্ষে আমার বিদ্বেষের কারনটা আপনার কাছে কি মনে হয়? হাদীসকে বিদ্বেষ করে আমার লাভটাই বা কী?
সাদাত
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফারুক:
এন্টাইভন্ডসহ যেসব পাঠক যুক্তি বুঝেন তারা ঠিক বুঝেছেন, তবে যারা যুক্তি বুঝেন না তারা কতটুকু বুঝবেন সন্দেহ আছে। পাঠকের ওপর অতটাই আস্থা যদি আপনার থাকতো তবে আপনার প্রথম কমেন্টারই প্রয়োজন হতো না।
সাদাত
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ৫:০০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফারুক:
আমার হয়ে এন্টাইভন্ড জবাব দিয়ে দিয়েছেন, কাজেই আমি আপাতত অফ গেলাম। এন্টাইভন্ডের কয়েকটা লাইন শুধু তুলে দিচ্ছি:
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১২:২৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইসলামের নবী, কুরআন, ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে এই বর্ণমনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানসিক রুগীর চরম মিথ্যাচার আর দূর্গন্ধযুক্ত ল্যাদানি দেখুন:
মুসলিম নামধারী থেকে বর্ণমনা ধর্মে ধর্মান্তরিতদের নমুনা
সদালাপের বিরুদ্ধে ভয়াবহ মিথ্যাচার ও কুৎসিত অপপ্রচারণা
তার ক্যানাডা প্রবাসী Engg. মুরিদ তাকে রক্ষার জন্য দিন-রাত চেষ্টা করে যাচ্ছে, যে নিজেও একজন সাইকো আর প্রফেশনাল মিথ্যাবাদী। এই সাইকো মুরিদকেও প্রমাণ সহ উন্মোচন করা হবে।
সাদাত
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১:১৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পোস্টটা আসলে এখন প্রকাশ করতে চাই নাই। ড্রাফটে রাখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু প্রকাশ হয়ে গেছে। যাক প্রকাশ যখন হয়েছেই তখন আর ড্রাফটে নিচ্ছি না।
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১:৩০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত: এখন ড্র্যাফট করলে কিন্তু মন্তব্যগুলো হারিয়ে যাবে। তার চেয়ে এডিট করার কিছু থাকলে এখনই এডিট করুন।
শামস
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ৫:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত,
কি পরিমাণ অসৎ হলে এভাবে একটু ছুতোকে কেন্দ্র করে মিথ্যার বেসাতি করে। আর মুক্তমনারা জেনেশুনে সেই মিথ্যার পক্ষেই সাফাই গায়। তাদের প্রতারণার কোন সীমা-পরিসীমা নেই।
জব্বার খান
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ৬:০৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এস. এম. রায়হান ও অন্যান্যদের বলছি, আমার ব্লগের “হোরাস” সাহেব সদালাপে প্রকাশিত “মধ্যযুগের ‘মুসলিম’ বিজ্ঞানী বনাম বর্তমান সময়ের ‘মুসলিম’ বিজ্ঞানী” পোষ্টের বিপক্ষে মধ্যযুগের খ্যাতনামা তথাকথিত মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাস্তিকতা বিষয়ক একটা সিরিজ “মধ্যযুগের খ্যাতনামা মুসলিম (!!) বিজ্ঞানীদের ইশ্বর বিশ্বাস এবং নাস্তিকদের ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। পর্ব ১: আল রাজী”- লেখা শুরু করেছেন।
আমি এই বিষয়ে তেমন জানিনা। আপনারা সম্ভব হলে সেই সিরিজের বিপরীত কিছু বলার থাকলে বলা উচিত।
সাদাত
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ৮:৫৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@জব্বার খান:
ফসল বড় হলে কাটতে সুবিধা হয়।
সুতরাং এখন ফসল বড় হতে দেন….
ফুয়াদ দীনহীন
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১০:৪০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@জব্বার খান:
দুই জন আল রাজির (যিনি পদার্থ বিজ্ঞানী ছিলেন তিনি নন) মধ্যে একজন আল রাজি ধর্মের (চিকিতসক ছিলেন) বিপক্ষে বলেছেন। এই রকম পক্ষে-বিপক্ষে সব সময় থাকবে। একে লিখতে দেন।
শামস
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ২:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@জব্বার খান:
আমার ব্লগে বিজ্ঞানীদের ইসলামের পক্ষে দেখালে ব্লগ মহাজন ও কিছু সুশীল ‘সাম্প্রদায়িক’ বলে তেড়ে আসবে, মনে হবে মানবতার বিশেষ ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু তাদের নাস্তিক হিসাবে দেখালে নীরব ও সরব সন্মতি দৃষ্টিকটু লাগে। আ্মার ব্লগ নিজেরে মুক্তমনার নির্ঝঞ্ঝাট প্লেগ্রাউন্ড বানাইয়া সাধারণ ব্লগারদের কাছে যাওয়ার আশা করে!!! সেলুকাস! ভাবসাবে মনে হয় আমুর এখনকার “এ-টিম” হইল মুক্তমনা এ-টিম।
সরোয়ার
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৫:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@শামস:
হা হা হা। কঠিন পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। আমুর অনেক সুশীল বলে থাকেন যে ‘আস্তিক-নাস্তিক ক্যাচাল ভাল লাগে না’। কিন্তু আস্তিকদের অনুপস্থিতিতে নাস্তিক আলোচনা সুমধুর লাগে! ইহাই সুশীলদের আসল রূপ।
আমারব্লগ মুসলিম বিদ্বেষী মুক্তমনার প্রক্সি গ্রাউন্ড হিসেবে আড়ালে লুকিয়ে ছিল। এখন তা এ টিমে পরিণত হয়েছে!
sumon ahmed
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ৭:০৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সদালাপ ভাইদের কাছে আমি একটি সাহায্য চাই আর তা হল,আকাশ মালিকের “যে সত্য বলা হয় নি” বইটি আমি ভাল করে পড়েছি এবং সেখানে তিনি অনেক কথার মাঝে বলেছেন যে মহাম্মদ (দ) এর সাফল্যের কারণঃ
১. অন্য ধর্মগুলোর প্রতি তার চরম নিষ্ঠুরতা আর গণ হত্যা,
২. সম্পদ আর নারীর লোভ দেখিয়ে মদিনা বাসীকে যুদ্ধে উদ্ভুদ্ধ করন যে জিনিসটি বদর যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে,
৩. দাসীদের সাথে সেক্স বৈধ করেছে,
৪. মহাম্মদ (দ) এর পত্নি আর উপপত্নি মিলে ২২ জন নারী ছিল,
৫. কথিত আয়াত নাযিলে আল্লার দুরদর্শিতার অভাব কারণ গুপ্তচর মারফত মহানবী জেনে গেলে নাকি আল্লাহও জেনে জান।
৬. অনেক আয়াত হারিয়ে যাওয়া এবং ভুলক্রমে উসমান(রাঃ) মারফত সূরা ফাতিহা যা কিনা একজন মানুষের প্রার্থনা করার মত শুনায়,নাছ ইত্যাদি কোরআনে প্রবেশ করা ইত্যাদি।
তার এসব লেখাগুলোর যুক্তি খন্ডণ করা উচিত।
ফুয়াদ দীনহীন
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১১:২২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@sumon ahmed:
এখানে আমি কোন যুক্তি দেখলাম না, শুধু মাত্র দাবী। তেমন দাবী আপনিও করতে পারেন, যেমন এখানে লিখতে পারেন আপনি ফ্রান্সের রাজা। আপনি এই করেছেন সেই করেছেন। এই দাবী করার মধ্যে কি আসে যায়। সদালাপে আরেকজন সুমন আহমেদ নামে কমেন্ট করেন। উনি আর আপনি এক ব্যাক্তি নন বলে আমার দাবী। এখন আমার এই দাবীর পক্ষে কোন প্রমাণ নেই। এখন কি আপনি আমার এই দাবী বিশ্বাস করবেন?
আপনার উত্তাপিত বেশীর ভাগ ব্যাপারেই জবাব দেওয়া হচ্ছে, সদালাপে চোখ রাখুন, ঐ বইয়ের কোথায় এ সবের পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়েছে তুলে ধরুন। ইনশা-আল্লাহ উত্তর দেওয়া হবে। উদাহারন হিসাবে আপনি এই লেখা পড়ে আসতে পারেন রাসূল সা; এর বিবি নিয়েঃ যায়নাব (রাঃ)কে নিয়ে সব রটনার প্রকৃত ঘটনা লিংকঃ http://www.shodalap.org/?p=1944
বাকিটা সাদাত ভাই বলবে।
সুমন আহমেদ
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ২:২২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফুয়াদ দীনহীন: উপরের পোস্টটি আমি কিছুদিন আগেও পড়েছি।কিন্তু হযরত আয়শার ব্যাপারে এই রকম আর একটি পোস্ট দিলে আমার মনে হয় ভাল হত। বই প্রকাশের ব্যাপারে কোন পরিকল্পনা আছে কি? যেমন মুক্তমনাদের অনেক ই-বুক আছে।
ফুয়াদ দীনহীন
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১১:৩০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@sumon ahmed:
সুমন আহমেদ ভাই,
আমার মন্তব্য একটু ভিন্ন স্টাইলে দেওয়ার জন্য দুঃখিত, কারণ আপনার মন্তব্য তির্জক হয়েগেছে। যেহেতু নাস্তিকরা যেকোন জায়গায় ঠিক মত কিছু না পেলেই এক-পা- দু-পা আগ বাড়িয়ে উল্টা পাল্টা বলা শুরু করে প্রমাণ ছাড়া, সেহেতু আপনাকে যুক্তি আর দাবীর মধ্যে পার্থক্য বুঝানোর জন্য আমি ভিন্ন স্টাইলে কমেন্ট করলাম। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আপনিও লেখা লেখি শুরু করুন। এখানে লেখা খুব সহজ। শুধু রেজি করে লেখা দেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
সুমন আহমেদ
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ২:৩৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফুয়াদ দীনহীন: আকাশ মালিক তার “যে সত্য বলা হয় নি” বইতে দেখিয়েছেন উসমান (রাঃ) এর সময়ে যে কোরআন সংকলন করা হয়েছে তাতে হযরত আলী (রাঃ) নাকি বিরোধীতা করেছিলেন আর প্রশ্ন রেখেছেন ইসলাম যদি একমাত্র আল্লাহর দীন হয়ে থাকে তবে মুসলমানরা দিনে দিনে দলে উপদলে ভাগ হয়ে যাচ্ছে কেন? অন্য ধর্মের কথা বাদ ই দিলাম কিন্তু মুসলমানদের মধ্যে আবার কারা ঠিক?
ফুয়াদ দীনহীন
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৩:৩২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সুমন আহমেদ:
আপনিও লেখা শুরু করুন। আপনার প্রশ্নের ব্যাপারে বেশী কিছু ঠিক এই মুহূর্ত্বে বলতে পারছিনা কারণ চিন্তা ভাবনা করে বলতে হবে। এই ধরনের প্রশ্ন উনার আগেই অনেকে নয় বহু বহু মানুষে করেছেন। আপনাকে শুধু উত্তরের হিন্টস দেই, পৃথিবীর ঠিক দু-জন মানুষ দেখান যারা সব ব্যাপারে সব সময় একমত। পরিক্ষা নিয়ে একটু ঝামেলায় আছি, কিন্তু এর ভিতর একটি পোস্ট লেখে ড্রাফটে রেখেছি। এখন ঠিক এগুলো নিয়ে চিন্তা করতে পারতেছিনা। আমি দুঃখিত।
ফুয়াদ দীনহীন
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৩:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সুমন আহমেদ:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার লেখা দেখলে আমরা অনেক খুশি হব। ভাল থাকুন।
ফুয়াদ দীনহীন
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১১:৪৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@sumon ahmed:
আপনার উত্থাপিত প্রতিটা পয়েন্ট নিয়ে সাদাত ভাইয়ের বক্তব্য আশা করছি। দৃষ্টি আকর্ষণে সাদাত ভাই।
সাদাত
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৭:২৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@sumon ahmed:
আকাশ মালিকের কৃতিত্ব হচ্ছে সাধারণ যে কোন অভিযোগকেও কল্পনার রং রস মিশিয়ে অসাধারণ করে তোলা। আমি আমার লেখায় সেটাই তুলে ধরতে চেয়েছি।
আকাশ মালিকের লেখায় অনেকগুলো অভিযোগ আছে এন্টি-ইসলামিক কমন অভিযোগ, তার নিজস্ব নয়; সেগুলোকে আকাশ মালিকের অভিযোগ হিসেবে না দেখে এন্টি-ইসলামিক কমন অভিযোগ হিসেবে দেখে সেভাবেই উত্তর দেব ইনশাআল্লাহ। আপনি সদালাপের ওপর দৃষ্টি রাখুন।
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ৭:৩৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@জব্বার খান:
যে উইকি থেকে আল-রাযির নামে ইসলাম বিরোধী কিছু উক্তি কপি করা হয়েছে সেই উইকিতেই সতর্ক করে দেয়া হয়েছে এভাবে-
এবার “talk page”-এ যদি যান সেখানে দাবি করা হয়েছে-
তার মানে ব্যাপারটা খুবই সন্দেহজনক। অথচ হোরাস মোল্লা এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চেপে গেছে। আপাতত এর বেশি কিছু জানি না। সময় পেলে আরেকটু বিস্তারিত পরে আসতে পারে। তবে উল্লেখ্য যে, আল-রাযি বা কাউকে জোর করে ইসলামে বিশ্বাসী বানিয়ে দেয়ার কোন ইচ্ছা নাই বা তার মধ্যে কোন যৌক্তিকতাও থাকতে পারে না। তবে অসৎ উদ্দেশ্যে অকাট্য প্রমাণ ছাড়া কোন মুসলিমকে “নাস্তিক” বা “ইসলাম বিদ্বেষী” বানিয়ে দেয়া কিন্তু অপরাধ।
আহমেদ শরীফ
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ৭:৪৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আকাশ মালিক, হোরাস তথা মুক্তমনা গংদের ইসলামের বিরুদ্ধে দিবারাত্রি আক্রমণের অব্যহত আপ্রাণ সংগ্রাম দেখলে হাসি পায় আবার করুণাও হয়। বড় বড় অনেক আক্রমণ যড়যন্ত্র সামাল দিয়ে হাজার হাজার বছর ধরে ইসলাম দুনিয়ার বুকে টিকে আছে এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত থাকবে। এইসব ইসলামবিদ্বেষীরা স্বয়ং সর্বশক্তিমান আল্লাহকে তাদের প্রতিপক্ষ বানিয়ে যুদ্ধে নেমেছে যে যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার ন্যূনতম সম্ভাবনা কস্মিনকালেও নেই। মাঝখান থেকে দুনিয়া ও আখেরাতে নিজেদের পরিণতি দূর্বিসহ করা ছাড়া আর বিশেষ কোন ফল আসার কোন সম্ভাবনা নেই। দুঃখজনক এই হতভাগ্য মানুষগুলোর আজীবনের পরিশ্রম শতভাগ পন্ডশ্রমে পরিণত হওয়া ছাড়া আর কোন গত্যন্তর নেই।
শাহবাজ নজরুল
অক্টোবর ৭, ২০১১ at ১১:১২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আহমেদ শরীফ: @sumon ahmed:
মুক্তমনা আগে কিছুটা হলেও যেত। আজকাল একেবারে রাবিশ হয়ে গেছে। আপনি যেকোনো Random দিনে ওখানে গেলে দেখবেন প্রথম পাতার ১০ টার মধ্যে ৫-৬ টাই শতভাগ ইসলাম বিদ্বেষী লেখা। নাম নিয়েছে মুক্ত-মনা আর কাজে কর্মে কেবল ইসলাম বিদ্বেষ। আর কত যে ভণ্ডামি দেখব!!
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@শাহবাজ নজরুল, আহমেদ শরীফ: আপনারা একটি ‘নিরীহ ও অসাম্প্রদায়িক’ ব্লগের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছেন। ওদের লন্ডন ও ক্যানাডা প্রবাসী দু-জন ফুল-টাইম পোষ্যের নজরে পড়লে কিন্তু আপনাদের খবর আছে কৈলাম।
সরোয়ার
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ১২:০৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@এস. এম. রায়হান:
খুবই নিরীহ! ভাজা মাছ উল্টিয়ে খেতে পারে না!
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৮:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আকাশ মালিক একজন কচ্ছপ শ্রেণীর নাস্তিক। সুযোগ মতো কামড় দেয় -- অবস্থা খারাপ দেখলে খোলসের ভিতরে লুকায়। তবে একটা কথা ঠিক মেরুদন্ডহীন এই লোকের চামচামি ছাড়া তেমন ভবিষ্যৎ নাই।
তার সাথের অনেকেই ইসলাম বিক্রি করে জীবনের উন্নতির সিড়ি কিনেছে -- ভদ্রলোক এখন ঘ্যান ঘ্যান করে মিথ্যাচার করছে।
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ৮, ২০১১ at ৯:১৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন:
অবস্থা খুব বেশি খারাপ দেখলে -- মানে মুখের বোঁটকা দূর্গন্ধে চারিদিকের বাতাস অসম্ভব রকম দূষিত হলে সবাই যখন ছেই ছেই করা শুরু করে তখন বঙ্গবন্ধু- বা হাসিনা-প্রেমী সেজে আমাদেরকে রাজাকার বানানোর চেষ্টা করে। এই ইসলাম-বিদ্বেষী নাস্তিকরাই কিন্তু ভিতর থেকে আওয়ামী লীগকে ধীরে ধীরে ডুবাচ্ছে।
এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা, নবী-রাসূল, আর কুরআনকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে তার প্রায় ছেলের বয়সী এক নোংরা মানসিকতার ভণ্ড ও মিথ্যুক বামনকে দেবতার মতো ভক্তি-শ্রদ্ধা থেকে শুরু করে রাতদিন কীভাবে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে তার চামচামি করে তা তো নিজ চোখেই দেখেছেন। এই মস্তিষ্কবিহীন চামচার বিশ্বাস অনুযায়ী আমরা নাকি তার ‘অতি নিরীহ ও সত্যবাদী’ বামন গুরুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছি।
নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন ক্যানাডাতেও অনুরূপ একজন খাস চামচা আছে, যে প্রতিটা ক্ষেত্রে আমাদেরকে উল্টোদিকে ‘ডাহা মিথ্যাবাদী’ বানিয়ে দিয়ে তার ভণ্ড গুরুর কৃপা লাভের চেষ্টা করে। তবে ক্যানাডা প্রবাসী চামচা আবার মুনাফেকি বিদ্যাতেও বেশ পারদর্শী।
সাদাত
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৭:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন:
বেচারা!
এ কূল অকূল সবই হারালো!
সুমন আহমেদ
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপ্নাদের উচিত আকাশ মালিক এর এই রকম সমালোচনার প্রতিযোগিতা না করে তার দাবী (বা মিথ্যাচারের?) বিরুদ্ধে লেখনির সাহায্যে উপযুক্ত জবাব দেয়া।আর সেই কাজটি সুহজভাবে করতে পারেন যদি আপনারা এই লোকগুলো যে উৎস থেকে নিজেদের জ্ঞান লাভ করে বিভ্রান্ত হয় সেই উৎসগুলো ভালোভাবে অধ্যয়ন করা যেমনটি ইমান গাজ্জালি করেছিলেন।তার জীবনের সময়ে গ্রীক দর্শন ব্যাপকভাবে বিস্তৃতি লাভ করেছিল যা তাদেরকে নাস্তিক্যবাদের দিকে ঠেলে দেয়।তখন ইমাম গাজ্জালী গ্রীক দর্শন খুব ভালোভাবেই আধ্যয়ন করেন এবং গ্রীক দর্শনের ব্যাপক সমালোচনা করেন।ঐ সময়ে ইসলামের ধর্ম শাস্ত্র জয়ী হয়েছিল।আর সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন যে বিষয়টি সেটি হচ্ছে যেহেতু আমরা বেশীর ভাগই আদম শুমারী আনুসারে মুসলমান কোরান-হাদিস না পড়ে, তাই সবাইকে কোরান হাদিস আর সঠিক ইতিহাস যেনে তার পর আকাশ মালিকস্ দের লেখা পড়ার জন্য উদ্ভুদ্ধ করা উচিত তা না হলে ধর্মের শুন্য জ্ঞানে যা ঢালা হবে তাই প্রবেশ করবে।একটা কথা মনে রাখা দরকার ধর্ম বিদ্রোহিরা আছে বলেই কিন্তু আজ মুসলমানেরা বেশী বেশী করে জ্ঞান আর্জন করবে তাদের মোকাবেলায় এবং এই ধারা দিনে দিনে বহুমাত্রায় বাড়তে থাকবে।এ ক্ষেত্রে টিকে থাকতে হলে ব্যাক্তিকে নয় বরং এই ধর্ম বিদ্রোহিদের চিন্তা চেতনা এবং সমাজে নাস্তিক্যবাদের কুফল সর্ম্পকে বলতে হবে কারন আপনি কয়জনকে ডিফেন্ড করবেন।শুধুমাত্র তাদের কথার প্রতুত্তরের উপর নির্ভর করে লিখেতো আর আগানো যাবে না।আপনারা যদি তাদের উৎসগুলো সম্পর্কে আগেই জ্ঞান রাখেন এবং লেখনি চালান তাহলেতো তাদের সেই প্রশ্ন নিয়ে লেখনি সাজাতে যথেস্ট বেগ পোহাতে হবে যা আপনি আগেই সমাধা করে রেখেছেন।অবশ্য কাজটি অনেক কঠিন এবং এর জন্য আনেক দূরদর্শেতার দরকার আর প্রচুর পড়াশোনা।
ধন্যবাদ প্রিয় ভাইয়েরা
সাদাত
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সুমন আহমেদ:
আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।
ইসলামের বিরূদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সুতিকাগার হচ্ছে answering-islam টাইপের কিছু খ্রিস্টান মিশনারি সাইট। বাংলা ব্লগগুলোতে এই সাইটগুলোর অভিযোগগুলোরই চর্বিত চর্বণ পরিলক্ষিত হয়।
ব্লগিং করতে নেমেছি ইসলামের বিরূদ্ধে অপপ্রচারকে প্রতিহত করার মূল উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে। কিন্তু সমস্যা একটাই, হাতে সময় অনেক কম। যাই হোক ধীরে হলেও আমার সাধ্য অনুযায়ী ইসলামের বিরূদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর মূলোচ্ছেদ করতে থাকবো ইনশাআল্লাহ….। আর আশার বিষয় হচ্ছে এই কাজে এখন অনেক সুযোগ্য ব্যক্তি এগিয়ে এসেছেন। কাজেই আশা করি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বেশিরভাগ অভিযোগের উত্তর চলে আসবে ইনশাআল্লাহ।
আকাশ মালিকের বইটা পড়তে শুরু করি মূলত অভিযোগ খণ্ডনের উদ্দেশ্য নিয়ে। কিন্তু দেখি এই বইয়ের পরতে পরতে কেবল অভিযোগ, কিন্তু সেই তুলনায় সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট রেফারেন্স অপ্রতুল। কাজেই উনার লেখার এমন কিছু অংশ বেছে নিলাম, যেগুলোর রেফারেন্স সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে এবং সহজে চেক করা যায়। রেফারেন্সগুলো চেক করতে থাকি আর হতবাক হতে থাকি। রেফারেন্সগুলোতে কী আছে আর উনি তার সাথে কল্পনা মিশিয়ে কী দাবি করে চলেছেন!!! আমার ব্লগে উনাকে উদ্দেশ্য করে কয়েকটা পোস্ট দিই। উনি ছোট খাট দু/একটার কোনরকম জবাব দিলেও মূল অভিযোগগুলোর কোন জবাব দিতে পারেননি।
এটা একটা সিরিজ পোস্ট। আপনি পরের পর্বগুলো পড়তে থাকুন, দেখবেন উনার কল্পনাবিলাস কাকে বলে! ইসলামের বিরূদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগর উত্তর দেবার পাশাপাশি এমন কল্পনাবিলাসী ব্যক্তিকেও সবার সাথে পরিচিত করে দেওয়া দরকার। কেননা উনার ই-বুক ‘সে সত্য বলা হয়নি’ মুক্তমনার পাশাপাশি অন্য সাইটেও ঝুলতে দেখেছি।
সুমন আহমেদ
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৪:৫৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত: “answering-islam” ওয়েভ সাইট থেকে ক’দিন আগে আমি Dr. Wilium Camble এর একটি বই ডাউনলোড করেছিলাম এবং এই বইটির বেশ কিছু অংশ আমি পড়েছি। বইটির নাম “ইতিহাস ও বিজ্ঞানের আলোকে কোরান ও কিতাবুল মুকাদ্দাস”। তিনি তাতে কোরান এর ব্যাপারে বেশ কিছু গুরুতর সমস্যা দেখিয়েছেন যা পরবর্তীতে ডাঃ জাকির নায়েক সবগুলো যুক্তি শুধু খণ্ডনই করেননি বরং Dr. Wilium Camble কে নাস্তানাবুদ করেছেন।
সাদাত
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@কর্তৃপক্ষ,
ফরাজী ভাইয়ের ৫.৩ নম্বর কমেন্টে একটি হাদিস ভুল ভাবে এসেছে বলে আমার বিশ্বাস। যেহেতু ফরাজী ভাই সেটার ওপর ভিত্তি করে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ফলে এটা একটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। আমি ঐ কমেন্টটা মুছে দেবার অনুরোধ করছি।
@ফারুক ভাই,
বিষয়টি তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।
সাদাত
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফারুক ভাই,
আকাশ মালিকের অভিযোগ কিন্তু শুধু হাদিসের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়। কুরআন সম্পর্কে উনার কিছু অভিযোগ আপনার সামনে পেশ করছি:
এক.
দুই.
তিন.
পুরো কমেন্টগুলো এখানে দেখুন: http://www.shodalap.org/?p=882
এখন আপনার কাছে প্রশ্ন:
১. আপনার দাবি মতে আপনি একজন কোরান অনলি মুসলিম। তাই যদি হয়, হাদিসের বিষোদগারে যতটুকু শক্তি ব্যয় করেছেন তার কিয়দংশ এসব অপপ্রচারের বিপক্ষে ব্যয় করেন না কেন?
২. আকাশ মালিকের এই বক্তব্যগুলোকে আপনি মিথ্যাচার বলে মনে করেন কি না?
সরোয়ার
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত:
বেশ কঠিন প্রশ্ন করেছেন!
আহমেদ শরীফ
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত:
এই ১ নং প্রশ্নটি শুধু ফারুক ভাইকে নয়, বরং অনলাইন ব্যবহারকারী সকল মুসলিম ভাইদের প্রতি আমার পক্ষ থেকে রইল।
আমাকে উত্তর না দিলেও অসুবিধা নেই তবে আল্লাহর আদালতে সবাইকে একদিন হাজির হতে হবে সেখানে এই প্রশ্ন করা হলে জবাব কি হবে তা আগে থেকে তৈরি করে রাখা দরকার।
ফারুক
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৬:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আহমেদ শরীফ:
আপনার জবাব তৈরী আছে তো? আপনি নিশ্চিত , আপনি সঠিক পথে আছেন?
30:31-32 সবাই তাঁর অভিমুখী হও এবং ভয় কর, নামায কায়েম কর এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। যারা তাদের ধর্মে বিভেদ সৃষ্টি করেছে এবং অনেক দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উল্লসিত।
উল্লসিত না হয়ে ভাবুন , আপনি নিজেই সঠিক পথে আছেন কি না?
আহমেদ শরীফ
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৮:১১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফারুক:
আকাশ মালিক আল্লাহ, নবী(সাঃ) এবং ইসলাম সবকিছুকেই সর্বৈব মিথ্যা প্রমাণে দিবারাত্রি অক্লান্ত চেষ্টায় রত। আর আপনার দাবি অনুযায়ী আপনি আল্লাহতে বিশ্বাসী তবে শুধু ক্বোরআনের রেফারেন্সই মানবেন পাশাপাশি নিজস্ব যুক্তিবোধ ন্যায়বোধ দ্বারা পরিচালিত হতে চান -- এই তো? তো শুধু এই অবস্থানটি থেকেও কি আকাশ মালিকের সাথে আপনার মৌলিক সাংঘর্ষিক মতপার্থক্য তৈরি হয় না? যদি সেটা হয় তাহলে আপনার সাথে আমার বিরোধিতার একই কাতারে এসে দাঁড়াতে অসুবিধা কোথায়, অন্ততঃ এই গ্রাউন্ডে?
ফারুক
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৫:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত: কুরআন সম্পর্কে আকাশ মালিকের যে তিনটি অভিযোগের কথা লিখেছেন , এটা তো তার ব্যাক্তিগত পর্যবেক্ষন বা মতামত। প্রত্যেকেরি নিজস্ব পর্যবেক্ষন বা মতামত প্রকাশের অধিকারকে তো আর আমি/আমরা বাধা দিতে পারি না বা সেটা দেয়াও উচিৎ নয়। তবে কোরানের কোন নির্দিষ্ট আয়াত উল্লেখ করে তার ব্যাখ্যা যদি আমার কাছে বিকৃত মনে হয় , তাহলে যুক্তিপূর্ণ ভাবে সেটার বিরোধিতা কলমের মাধ্যমেই করা যেতে পারে বা করব ও।
১)
আপনার এই ভাষাটি আমার পছন্দ নয়। বিরোধিতা কিভাবে বিষোদগার হয়? আমার কাছে যেটা মিথ্যা মনে হয় , সেটাকে তো আমি মিথ্যাই বলব। নইলে মিথ্যার সাথে আপোষ করা হবে , যা কোন মুসলমানের জন্য কাম্য নয়।
২)
আমি আকাশমালিকের প্রচারকে অপপ্রচার বা মিথ্যাচার বলতে রাজী নই। তিনি যেটা করছেন , তা তার বিশ্বাস থেকেই করছেন। আপনি আমি যেটা করছি তা ও আমাদের বিশ্বাস অনুযায়ী করছি। একারনে কাউকে অসৎ বা মিথ্যাবাদী না বলে , যার যার যুক্তি সকলের সামনে তুলে ধরা উচিৎ এবং বিচারের ভার পাঠকের উপরেই ছেড়ে দেয়া উচিৎ।
সরোয়ার
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৬:৩২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফারুক:
যতদূর মনে পড়ে অনেক আগে আপনি ইমাম গাজ্জালীসহ অন্যান্য স্কলারদেরকে মিথ্যাবাদী বলেছিলেন। সাথে অশালীনভাবে গালিও দিয়েছিলেন মনে হয়। একারণেই আমি আপনার বিরুদ্ধে পোষ্টও দিয়েছিলাম। কিন্তু আকাশ মালিক করছেন কোরানের নামে পুকুর চুরি। আপনি তা জেনেও এক্ষেত্রে নিরব থাকতে পছন্দ করছেন! পাঠক হিসেবে ফীডব্যাক দিলাম। ধন্যবাদ।
ফারুক
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৭:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সরোয়ার:
যদি কেউ মিথ্যা বলে , প্রমাণসহ সেটা বলুন। তাতে তো আপত্তি করার কিছু নেই। কখন কোথায় কাকে মিথ্যাবাদী বলেছি ও অশালীনভাবে গালি দিয়েছি , তার একটি স্ক্রীনশট দেনতো। আমিও দেখি।
পাঠক হিসেবে ফীডব্যাক দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
সাদাত
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৭:০৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফারুক:
সাবাশ! সাবাশ! সাবাশ!
আপনি অতুলনীয়!
এখন আমি যদি একই স্টাইলে বলি- আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ বা মতামত যা প্রকাশের অধিকারকে কেউ বাধা দিতে পারে না বা সেটা দেয়াও উচিৎ নয় সেটা হচ্ছে:
“আপনি একটা চরম ভণ্ড, প্রতারক, মুসলিম নামধারী ইসলামের শত্রু, আপনি কোরান বুঝে পড়া একজন জঙ্গীবাদী সন্ত্রাসী বা পুরোপরি নাস্তিক/আবিশ্বাসী, সামান্যতম নৈতিকতা বা বিবেচনাবোধ আপনার নেই।”
আশা করি আমার এই প্রচারকে অপপ্রচার বা মিথ্যাচার বলতে রাজী হবেন না।
[আমার এই কমেন্টটা খুবই স্পর্শকাতর। এই কমেন্টকে কেউ উদ্ধৃত করতে চাইলে পুরো কমেন্টটাকে উদ্ধৃত করতে হবে। এই সাইটের বাইরে কেউ উদ্ধৃত করতে চাইলে পোস্টের লিংকসহ উদ্ধৃত করতে হবে।]
ফারুক
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৭:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত: ধন্যবাদ , আমার উপরে করা আপনার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ বা মতামত প্রকাশের জন্য।
ভুল হোক , ঠিক হোক আপনি যেটা সঠিক মনে করবেন , নির্ভয়ে ও নিঃসঙ্কোচে বলুন। আমি অন্তত বাধা দেব না।
সাদাত
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৮:০৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফারুক:
১৭ নম্বর কমেন্ট দ্রষ্টব্য।
সাদাত
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৮:০০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফারুক,
ধন্যবাদ। সাহসটা আরো বাড়িয়ে দিলেন।
আমি একবারে খাঁটি মতামত দিচ্ছি:
“আপনি যুক্তি ভালো বোঝেন না”
আমার আগের কমেন্টের “যদি” শব্দ থেকেই যুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন যে কেউ বুঝবে যে সেখানে আমি কোন ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ বা মতামত দেইনি।
আমি কারো নিজস্ব পর্যবেক্ষন বা মতামত প্রকাশের অধিকারকে বাধা দিচ্ছি না বা আপনাকেও বাধা দিতে বলছি না।
আকাশ মালিকের কাছে যদি আল্লাহকে “বর্বর আকাট মূর্খ” মনে হয় আর তা বলার তার অধিকার থাকে, তবে আমার কেন কোন কারণবশত: মনে হতে পারবে না যে আকাশ মালিক মিথ্যাচার বা অসততা করেছেন; আর মনে হলে সেটা প্রকাশ করাটাকে আপনিই বা দোষণীয় মনে করবেন কেন?
আপনি একটু আগেই বলেছেন,
এখন আপনার কাছে আমার সোজা সাপ্টা একটাই প্রশ্ন:
নিচের বক্তব্যগুলো আকাশ মালিকের কাছে না হয় সত্য মনে হয়েছে সে বলেছে, সেটার কথা আপাতত ছেড়ে দিলাম। বক্তব্যগুলো কে দিয়েছে সেটা ভুলে গিয়ে শুধু বক্তব্যগুলোর দিকে একটু মনোনিবেশ করুন।
এবার মিথ্যার সাথে আপোস না করে সহজভাবে বলুন তো নিচের বক্তব্যগুলো আপনার কাছে কি মনে হয় সত্য না মিথ্যা?
এক.
কোরান বুঝে পড়ার পর একজন মানুষের জন্য দুটো পথই খোলা থাকে, মধ্যবর্তি স্থান বা তৃতীয় কোন পথ নাই। (১) জঙ্গীবাদী জিহাদী বা সন্ত্রাসী (২) পুরোপরি নাস্তিক বা আবিশ্বাসী।
দুই.
কোরান হচ্ছে নাটকের পান্ডুলিপি, তা’ও ৭৫ ভাগ অন্যান্য বই থেকে নকল করা। কোরানে যত কথা অকারণে বারবার রিপিট করা হয়েছে, আর অন্যান্য বই থেকে নকল করা বাক্যগুলো বাদ দিলে সম্পূর্ণ কোরান ৩০ সুরার বদলে এক সুরায় লিখা যাবে।
তিন.
সব চেয়ে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী মুসলিম ব্যক্তিরও হয়তো বা সামান্য তম নৈতিকতা এবং মানবতা বোধ রয়েছে, যা তার কোরানে বর্ণিত আল্লাহ-র নেই। তাদের আল্লাহ্ হচ্ছে বর্বর এবং আকাট মূর্খ।
যে ব্যক্তি শান্তির ইসলামে বিশ্বাস করেন, বুঝতে হবে তিনি কোরান বুঝে পড়েন নাই।
ফারুক
অক্টোবর ৯, ২০১১ at ৯:৫৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত:
কেউ প্রমাণ ছাড়া কোন কিছু দাবী করলে , তার সত্য মিথ্যা নির্ণয় করা যায় না এবং সেইটা নির্ণয় করতে চাওয়াটাই বোকামি। আপনি এত যুক্তি বোঝেন আর এইডা বোঝেন না !! কোন কোর্ট অফ ল তে “He said , She said” কে আমলে নেয়া হয় না। আকাশ মালিক কে? তার ক্রেডিবিলিটি কী? তিনি নবী না রসূল? তার দাবীর মূল্য কী?
যদি তিনি কোরানের সুনির্দিষ্ট আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে এমন দাবী করেন , তখন বলতে পারব তার যুক্তির দুর্বলতা কোথায় বা তিনি মিথ্যা বলছেন কী না। এর আগে মতামত দেয়াটা হাস্যকর , কারন আমার মতামতের মূল্যই বা কী? আমিই বা কি এমন তালেবর?
তবে একটি কথা না বল্লেই নয় -- এই পোস্টে যে হাদীস উল্লেখ করে আপনি তাকে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করছেন , তা ভুল। এখানে আকাশ মালিকের কোন অসততার প্রমাণ আপনি করতে পারেন নি। বরং আপনার যুক্তিকে আমার কাছে ধর্মান্ধের যুক্তি মনে হয়েছে। লুৎফর ফরাজি ও আমার কমেন্ট মুছেই বরং আপনারা অসততার আশ্রয় নিয়েছেন। কমেন্ট দুটি না মুছলেই বরং সকলে অরিজিনাল আরবী হাদীসটা জেনে বুঝতে পারত , আপনার পোস্টের দুর্বলতা।
সাদাত
অক্টোবর ১০, ২০১১ at ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফারুক:
আমি কোন কোর্টে যাই নাই। আমি একজন মুসলিম দাবিদারের কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে- তার বিশ্বাসমতে এই বক্তব্যগুলো সত্য না মিথ্যা।
আপনার ভাষ্য মতেই-
হয় আপনি এই বক্তব্যগুলোকে মিথ্যা বলে মনে করেন না।
নাহয় মিথ্যার সাথে আপোস করলেন।
কিন্তু কেন ফারুক ভাই??? কাকে খুশি করার জন্য????
এন্টাইভণ্ড যখন আলোচনা শুরু করলেন তখন ‘পাঠক বুঝে নেবে’ এই অজুহাত দেখিয়ে আলোচনা সাঙ্গ করে লেজ গুটিয়ে পালালেন। আর এখন আবার সেই দাবি নিয়ে আসতে লজ্জা করে না!!! আকাশ মালিকের লজ্জা শরমকেও হার মানাবেন নাকি!!
নিজে যুক্তিপ্রতিবন্ধী হলে অন্যের যুক্তিকে তার কাছে অনেক কিছুই মনে হতে পারে। কিন্তু তার মনে হওয়ার দ্বারা কিছুই যায় আসে না।
লুৎফর ফরাজী এবং আপনার কমেন্ট সেভ করা আছে। সেই কথা বলে লাভ নাই। দরকার হলে সেটা প্রকাশ করবো। আমার পোস্টে অন্যের কমেন্ট মুছবার বা মুছাবার অধিকার আমার আছে, বিশেষ করে সেই কমেন্ট যদি আমার পোস্টের আলোচনাকে ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো হয়। আমার পোস্টে আমি যা বলেছি কেবল এবং কোবলমাত্র সেটার দায়ই আমার ওপর বর্তাবে।
যেই কমেন্ট আমি করি নাই,
যেই কমেন্টকে আমি সাপোর্ট করি নাই
বরং সেটাকে মুছিয়েছি, সেটার দায় আমার ওপর দেওয়াটাই যে আসলে অসততা এটা বুঝবার মতো যৌক্তিক বিবেচনাবোধও কি আপনার নেই?
অরিজিনাল আরবী হাদিসের রেফারেন্স আকাশ মালিক দেয় নাই, সে দিয়েছে ইংরেজি অনুবাদের রেফারেন্স, কাজেই আমি দরকার না পড়লে আরবীতে যাবো কেন? তারপরও আরবীতে যেতে আমার আপত্তি নাই।
কিন্তু আকাশ মালিকের জন্য অরিজিনাল আরবী না দেখে ইংরেজি অনুবাদের ভিত্তিতে অভিযোগ করাকে আপনার কাছে অসততা মনে হয় না আর আমি কেন ইংরেজি অনুবাদ দিয়েই অভিযোগ খণ্ডন করছি আরবীতে যাচ্ছি না, সেটাকে আপনার কাছে অসততা মনে হলো। হায়রে কোরান-অনলি!! হায়রে অন্ধ বিদ্বেষী!!
সুমন আহমেদ
অক্টোবর ১১, ২০১১ at ৬:৫১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তবে এটা স্বীকার না করে পারছি না যে আকাশ মালিক তার বইতে দেখিয়েছেন কথিত আল্লাহ কেন এতো অদুরদর্শি? যে হাজার বার উমর (রাঃ) তার স্ত্রীদের পর্দার কথা বলা সত্তেও পর্দার বিধান চালু হয় নাই।অবশেষে কিনা নির্দিস্ট একটি ঘটনার পরই কিনা তা আয়াত আকারে আসলো!
আবার আয়েশার ব্যাপারে যে কুৎসা রটানো হয় তারও আয়াত আসে দীর্ঘ একমাস পরে।
আবার প্রথমে রমজান মাসে সব সময়ে স্ত্রী সহবাস নিষিদ্ধ ছিল।কিন্তু উমার (রাঃ) এর রাতের বেলা Accidentally সহবাস হয়ে যায় বা সাহাবিদের নিবৃত্ত থাকতে কস্ট হয় বিধায় শুধু দিনের বেলায় সহবাস নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগে কেন এটা হতে পারলো না? (এই অংশটুকু গত রমজান মাসের জুম্মার নামাজে এলাকার ইমামের খুতবার আলোচনা থেকে)
আমি আমার এক বন্ধুকে এই বিষয়ে জানতে চেয়ে ছিলাম।সে কিছুক্ষণ ভেবে বলল আসলে আল্লাহ প্রথমে দেখতে চেয়েছেন এরা নিজেরা আগে কি করে।আপ্নাদের কি মতামত।আমি শুধু জানার জন্যই প্রশ্নটি করলাম
সাদাত
অক্টোবর ১১, ২০১১ at ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সুমন আহমেদ:
আমি সাধারণত এক পোস্টে একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের মধ্যেই আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখি। তা না হলে আলোচনার নানা শাখা প্রশাখা গজিয়ে পোস্টের প্রাসঙ্গিকতা নষ্ট হয়ে যায়। তবু সংক্ষেপে আপনাকে একটা উত্তর দিচ্ছি:
আল্লাহপাক দুটোর যে কোন একটা করতে পারতেন:
১. পুরো কুরআন একসাথে নাযিল করতে
২. ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে নাযিল করতে
আল্লাহপাকে দ্বিতীয় পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। কেন নিয়েছেন তার উত্তর কুরআনেই আছে:
আপনাকে একটা উদাহরণ দেই:
রোমানরা এক যুদ্ধে পারসিকদের হাতে পরাজিত হলে আল্লাহপাক সূরা রুমে এই আয়াতগুলো নাযিল করলেন:
পরবর্তীতে সত্যি সত্যিই রোমানরা আবার বিজয়ী হয়। তো এই আয়াতগুলো ঐ সময়ে নাযিল হওয়ার কারণে চোখের সামনে ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্য হতে দেখে তাদের অন্তকরণ কতটা মজবুত হলো!
ঐ নির্দিষ্ট সময়ে আয়াতগুলো নাযিল না হয়ে অন্য সময় নাযিল হলে এই আয়াতগুলোর অর্থ কি বুঝা যেত বা এই আয়তগুলো কি আদৌ কোন প্রভাব ফেলতে পারতো?
আয়াত নাযিলের ক্ষেত্রে ৩টা ঘটনা ঘটতে পারতো:
১. আল্লাহপাক যখন নাযিল করেছেন তখনই নাযিল করলেন
২. আল্লাহপাক যখন নাযিল করেছেন তার আগে নাযিল করলেন
৩. আল্লাহপাক যখন নাযিল করেছেন তার পরে নাযিল করলেন
আল্লাহপাক যে ঘটনাকে আয়াতটির মর্মার্থ যথাযথভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য সবচেয়ে উপযোগী মনে করেছেন সেই ঘটনা ঘটবার সময়েই আয়াতটি নাযিল করেছেন। আল্লাহপাক যে সময়ে যে আয়াত নাযিল করেছেন তাতে উনার উদ্দেশ্য তো সিদ্ধ হয়েছে, তাহলে উনাকে কেন সেই সময়ের আগে বা পরে আয়তটিকে নাযিল করতে হবে?
যাই হোক, আপাতত এতটুকু। এই বিষয় নিয়ে পরে একটা পোস্ট দেবার চিন্তা মাথায় রাখলাম।
সরোয়ার
অক্টোবর ১১, ২০১১ at ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত:
জবাবটা অসাধারণ হয়েছে। সাদাত ভাইকে আল্লাহ আরো জ্ঞান দান করুণ।
সুমন আহমেদ
অক্টোবর ১১, ২০১১ at ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত: তার মানে পুরা কোরান আগে থেকেই সুরক্ষিত ফলকে লিপিবদ্ধ ছিল? আচ্ছা তাহলে তৌরাত-ইঞ্জিল গ্রন্থের সাথে যে এর এত মিল সেগুলো কি তাহলে কোরানেরই অংশ?
সাদাত
অক্টোবর ১২, ২০১১ at ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সুমন আহমেদ:
অবশ্যই, এবং এখনো আছে।
[অ.ট. “তার মানে” এই শব্দদুটো কেন ব্যবহার করেছেন বুঝি নাই।]
না। তাওরাত, ইঞ্জিল, কুরআন আলাদা আলাদা আসমানি কিতাব, কোনটি কোনটির অংশ নয়।
এগুলোর মধ্য মিল থাকার কারণ এগুলো একই স্রষ্টা হতে আগত।
গড়মিল থাকার কারণ:
১. কোন কোন ক্ষেত্রে পরবর্তী উম্মতের জন্য শরিয়তের বিধানকে আল্লাহপাক পরিবর্তন করেছেন। ফলে আগের কিতাবের বিধান আর পরবর্তী কিতাবের বিধান ভিন্ন হয়েছে।
২. মানব কর্তৃক পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর বিকৃতি সাধন।
সুমন আহমেদ
অক্টোবর ১২, ২০১১ at ৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত: উসমান (রাঃ) যে ধারাবাহিকতায় সাজেয়েছেন সেই ধারাবাহিকতায়? তাই যদি হয় তবে আলী (রাঃ) বিরোধিতা করেছিলেন কেন? আর নবী (সাঃ) নাকি কিছু কিছু আয়াত ভুলে যেতেন তাহলে সেই ভুলে যাওয়া আয়াত গুলো যদি কোরানে অন্তরভুক্ত না থাকে তাহলে লাওহে মাহফুজের কোরারের সাথে তার মিল নিয়ে প্রশ্ন আসে না কি?
সাদাত
অক্টোবর ১২, ২০১১ at ৬:৩২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সুমন আহমেদ:
এই বিষয়গুলো অনেক বিস্তৃত আলোচনার বিষয়। আপনি এক পোস্টে সব প্রশ্নের উত্তর চাইলে তো মুশকিল। [ভালো কথা এই পোস্টে( http://www.shodalap.org/?p=5627) আপনার কোন মতামত তো পেলাম না।]
লাওহে মাহফুজে শুধু কুরআন নয় বরং সেখানে একটি কিতাব আছে যাতে পৃথিবীতে যা কিছু হয় না হয়, যা কিছু হবে(অর্থাৎ তাকদির), কোন গাছের কয়টা পাতা হবে, কয়টা পাতা কখন ঝরবে, কোন মানুষ কতটা পানির বিন্দু পান করবে সবকিছুই লিপিবদ্ধ আছে।
যেসব আয়াত ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে/রহিত করা হয়েছে- সেগুলোও লিপিবদ্ধ আছে, কিন্তু সেগুলো কুরআনের অংশ নয়। কুরআন শুধু সেটা, যেটা এখন আমাদের সামনে আছে।
যে আয়াতগুলোকে আল্লাহপাক চুড়ান্তভাবে কুরআনের অংশ হিসেবে নির্ধারিত করে রেখেছেন, সেগুলোকে ভুলিয়েও দেন নাই বা রহিতও করেন নাই।
যে আয়াতগুলোকে আল্লাহপাক চুড়ান্তভাবে কুরআনের অংশ হিসেবে নির্ধারিত করেন নাই -- কিন্তু কোন বিবেচনায় প্রয়োজনবশত: সেগুলো নাযিল করেছিলেন, সেগুলোকেই ভুলিয়ে দিয়েছেন বা রহিত করেছেন।
আয়াতের ধারাবাহিকতা আবুবকর(রা.) এর সময়েই ফায়সালাকৃত হয়।
আর সূরার ধারাবাহিকতা হযরত উসমান(রা.) এর সময়ে ফায়সালাকৃত হয়।
এগুলো করা হয় সাহাবাদের ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে।
আল্লাহপাক কুরআনের হেফাযতকারি, এই ধারাবাহিকতা উনার ইচ্ছামাফিক না হলে তিনি অবশ্যই ভিন্ন কোন ধারাবাহিকতাকে প্রতিষ্ঠিত করতেন।
al farabee
মার্চ ১৫, ২০১৫ at ৬:০৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
vaia hadith er vitor bracket deoa ongsho gulo to apni shongjojon korcen taina. oi ongsho gulo baad dile to ortho akash malik er tai thik. apni ortho paltanor jonno noitun ongsho shongjojon korle hobe na