ধর্ম কতই না মধুর!
কত মধু মিশে আছে এর সাথে?
সবার আজ ধর্মের বড় প্রয়োজন।
ধর্ম আজ সকলের ঢাল,
পরিচিত ধর্মব্যবসায়িদের শুধু নয়,
ধর্মব্যবসায়িদের গুষ্টিমারেন যারা,
তাদের হাতেও আজ ধর্মের ঢাল,
এমনকি ওদের হাতেও
যারা এতদিন ধর্মের গুষ্টি মেরে এসেছেন।
ধর্ম বড়ই মধুর,
কত মধু মিশে আছে এর সাথে, কে জানে!

vonder jomdut
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৩ at ২:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এম ইউ আমান
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৩ at ৩:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
"বুকে আমার চাপা অভিমান,
কি নিঠুর এই নিয়তির বিধান।"
মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৩ at ৪:১০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মাত্র দু`যুগ তপস্যায় থাক
বোধি প্রাপ্ত হবে, সিদ্ধি লাভ ও
সত্য দা`র চোখে ক্যাটারেক্ট
দৃষ্টি ফ্রষ্টেড, ধূলোর মাঝে কালো মুড়ি
কালো ধুতরার ফুল, উথাল পাথাল দাপাদাপি।
মাত্র দু`যুগ সাধনা করো
মুসার পার্টি যাবার পথে
ফেরাউনের দল ও সাথে
কিছু কাল বাদ , দ্বিতীয় পুরুষ
অনুগামী গোরস্তানে।
মাত্র দু`যুগ অপেক্ষা করো
আইয়্যামে জাহেলীয়াতের পর্দা ফুঁড়ে
ওরা আসছে, এক ঝাঁক নজম্ ,
সামসের নূর, হক`য়ের আওলাদ
তাদের নূরে উদ্ভাসিত হবে
আমাদের সুব্হ-সাদেক।
মাত্র দু`যুগ পরে
সত্য দা`র দিব্য দৃষ্টি লাভ হবে
নিকষ আঁধারে সুঁই কুড়াবে,
বুকের মধ্যে নদীর ভাঙ্গন,
নূহ এর প্লাবন, ভেসে যাবে বিরান ইতিহাস
কাফনের সিঁড়ি ভেঙ্গে যাবে নিমিশেষ,
চেতনা ছেড়ে উড়ে যাবে,
ক্রোধ ভর্তি বেলুন।
হাসান মেহেদী
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৩ at ১১:০১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সাদাত
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৩ at ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সম্পাদক মহোদয়,
মাথার ওপর ঝুলে থাকা নোটিশটা আমার কন্ঠ চেপে ধরে আছে। এখন দয়া করে নোটিশটা একটু তুলে নেন।
কারণ দর্শানো ছাড়া সরিয়ে ফেলার নীতিটাকে কারফিউ বা ১৪৪ ধারার মতো মনে হচ্ছে।
ব্লগার থাবাকে নিয়ে আমরা খোলামেলা আলোচনার সুযোগ চাই। কেউ যদি মরার পরে তার সম্মান দাবি করতে পারেন, কেউ যদি তাকে “মুক্তিযুদ্ধের শহীদ” বলতে পারেন; আমরাও মরার পরে তার অসম্মান দাবি করতে পারি, আমরাও তাকে “জাতীয় কুলাঙ্গার” বলতে পারি।
মরে গেলেই তামাম শোধ হয়ে যায় না। আবু লাহাব মরে গেছে কিন্তু আজও আমরা সূরা লাহাব পড়ে চলেছি। কোন জঘন্য ইসলাম-বিদ্বেষীর জন্য থু থু ছাড়া আমাদের দেবার মতো আর কিছু নাই। আন্দোলনের ক্ষতির ভয় করে থাবার সব কিছু রেখে ঢেকে রাখতে হবে কেন, এই সব কুলাঙ্গারদের আন্দোলন থেকে লাথি মেরে বের করে দিলেই হয়।
মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৩ at ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হাজার ভাগ সহমত জানাচ্ছি।
উপরের ঘোষণায় সদালাপকে মনে হচ্ছে ব্যক্তি মালিকাধিন কোন পত্রিকা! যেখানে কর্তার ইচ্ছা চুড়ান্ত। যেখানে যারা রাতদিন খেটে খেটে এই প্রতিষ্ঠানকে আজ এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন তাদের মতামতের কোন তোয়াক্কা নেই।
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৩ at ৩:১০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিপদে-আপদে কিংবা নিজ স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে সবাই ধর্মের মধ্যে মাথা গোঁজার চেষ্টা করে! এমনকি ইসলামে অবিশ্বাসীরাও দেখা যায় সময়ে সময়ে কোরান-হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বিরুদ্ধবাদীদেরকে ধরাশায়ী করার চেষ্টা করে!
শামস
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৩ at ৫:৩৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জামাতের সস্তা মানের ধর্মব্যবসা নতুন না। এখনও তারা সস্তা মানের ধর্মব্যবসা করছে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে!
সাথে সাথে আরকটা জিনিষও পরিষ্কার,সুযোগ পাইলে ধর্মব্যবসা সবাই করে, আবার জাইনা শুইনা মিথ্যারও আশ্রয় নিতেও সমস্যা হয় না, বেশী বা কম। ন্যায়ের কথা বলে লুকোচুরি করে, অন্যায় দিয়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয় না।
শাহবাজ নজরুল
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৩ at ৬:৫৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কবিতাটি যথার্থ …
আমুতে সারা জীবন ইসলামরে ধোলাই দিয়া এখন এক হুজুরের হাতে থাবা'র ছবি দিয়ে আইজু 'সোল সার্চে' নামছে। জামাতের ধর্ম ব্যবসা আর আইজুর ধর্ম ব্যবসার মধ্যে পার্থক্য নাই। ঐদিকে লাইন দিয়া লোকজন বলাবলি করতেছে থাবা এরকম লিখে নাই -- যব জামাতের ষড়যন্ত্র এটাও বড় একটা মিথ্যাচার। সত্য কথা হচ্ছে -- হ্যা জামাত ক্ষণে ক্ষণে ষড়যন্ত্র করছে আর করতেছেও -- আর থাবা'ও ঐ রুচিহীন লেখাগুলোই লিখছে। থাবারে 'আলোকিত মানব' বানানোর যুক্তি নাই। আরিফ জেবতিকরে দেখলাম টক শোতে ঐ লাইনের মিথ্যাকেই প্রশ্রয় দিতে। সত্যের উপর কেউ দাঁড়াতে পারছেনা। ভেজাল ভিত্তির উপর 'শাহবাগ' আন্দোলন দাঁড় করানোর চেষ্টায় মনে হচ্ছে পুরো আন্দোলনটা মাঠে মারা গেলো। আর জামাত মনে হচ্ছে এই সুযোগে ধর্মের বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে বেঁচে গেলো — বড়ই আফসোস!!!
শামস
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৩ at ৭:২২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দেখলাম, হাহাহাহাহাহাহাহা…………………………করুণা ছাড়া আর কি করা যায়!