সূরা বাকারার নিচের আয়াতটি লক্ষ্য করুন:
হে ঈমানদারগন! তোমাদের প্রতি নিহতদের ব্যাপারে কেসাস গ্রহণ করা বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। স্বাধীন ব্যক্তি স্বাধীন ব্যক্তির বদলায়, দাস দাসের বদলায় এবং নারী নারীর বদলায়। অতঃপর তার ভাইয়ের তরফ থেকে যদি কাউকে কিছুটা মাফ করে দেয়া হয়, তবে প্রচলিত নিয়মের অনুসরণ করবে এবং ভালভাবে তাকে তা প্রদান করতে হবে। এটা তোমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে সহজ এবং বিশেষ অনুগ্রহ। এরপরও যে ব্যাক্তি বাড়াবাড়ি করে, তার জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব। [২:১৭৮]
এখানে আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে, আয়াতটিতে যেন বলা হচ্ছে-
১. কোন স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করা হলে, তার বদলায় অন্য কোন স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করা হবে। (প্রশ্ন জাগবে যদি তাকে কোন দাস হত্যা করে থাকে তবু্ও অন্য কোন নির্দোষ স্বাধীন ব্যক্তিকে কেন হত্যা করা হবে?)
২. কোন দাসকে হত্যা করা হলে, তার বদলায় অন্য কোন দাসকে হত্যা করা হবে। (প্রশ্ন জাগবে যদি তাকে কোন স্বাধীন ব্যক্তি হত্যা করে থাকে তবু্ও অন্য কোন নির্দোষ দাসকে কেন হত্যা করা হবে?)
৩. কোন নারীকে হত্যা করা হলে, তার বদলায় অন্য কোন নারীকে হত্যা করা হবে। (প্রশ্ন জাগবে যদি তাকে কোন পুরুষ হত্যা করে থাকে তবু্ও অন্য কোন নির্দোষ নারীকে কেন হত্যা করা হবে?)
কিন্তু আয়াতটিতে আসলে তা বলা হচ্ছে না, যা আপাতদৃষ্টিতে বুঝা যাচ্ছে। আয়াতটির মূল বক্তব্য হচ্ছে ‘প্রাণের বদলায় প্রাণ’ গ্রহণ করা হবে। এখানে সংক্ষিপ্তভাবে কেবল তার তিনটি দৃষ্টান্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
দৃষ্টান্ত-১. যদি কোন স্বাধীন ব্যক্তি কোন স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করে
তবে “(নিহত) স্বাধীন ব্যক্তির বদলায় (হত্যাকারী) স্বাধীন ব্যক্তি”কেই হত্যা করা হবে- কোন দাসকে নয়।
দৃষ্টান্ত-২. যদি কোন দাস কোন দাসকে হত্যা করে
তবে “(নিহত) দাসের বদলায় (হত্যাকারী) দাস” কেই হত্যা করা হবে- কোন স্বাধীন ব্যক্তিকে নয়।
দৃষ্টান্ত-৩. যদি কোন নারী কোন নারীকে হত্যা করে
তবে “(নিহত) নারীর বদলায় (হত্যাকারী) নারী” কেই হত্যা করা হবে- কোন পুরুষকে নয়।
এর মানে এই নয় যে, অন্য যে ক্ষেত্রগুলোর উল্লেখ এই আয়াতে নেই, সেক্ষেত্রে কিসাস প্রযোজ্য হবে না। যেমন-
ক. যদি কোন স্বাধীন ব্যক্তি কোন দাসকে বা কোন দাস কোন স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করে।
খ. যদি কোন নারী পুরুষকে বা কোন পুরুষ নারীকে হত্যা করে।
বরং এই ক্ষেত্রগুলোতেও ‘প্রাণের বদলে প্রাণ’ এই বিধানই কার্যকর হবে।
যেমন আমরা হাদিসে দেখতে পাই-
সামুরাহ(রা.) হতে বর্ণিত:
রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: যদি কেউ তার ক্রীতদাসকে হত্যা করে আমরা তাঁকে হত্যা করবো, আর কেউ যদি তার ক্রীতদাসের নাক কেটে দেয়, আমরাও তার নাক কেটে দেবো। [সুনান আবু দাউদ, হাদিস নম্বর ৪৫১৫; ইংরেজি অনুবাদ: বুক ৩৯, নম্বর ৪৫০১; http://sunnah.com/abudawud/41#22]
অর্থাৎ কোন ক্রীতদাসকে কোন স্বাধীন ব্যক্তি হত্যা করলে, উক্ত স্বাধীন ব্যক্তিকেই হত্যা করা হবে।
২:১৭৮ আয়াতকে সুস্পষ্ট করে দিয়েছে কুরআনের আরেকটি আয়াত:
আমি এ গ্রন্থে তাদের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, চক্ষুর বিনিময়ে চক্ষু, নাকের বিনিময়ে নাক, কানের বিনিময়ে কান, দাঁতের বিনিময়ে দাঁত এবং যখম সমূহের বিনিময়ে সমান যখম। অতঃপর যে ক্ষমা করে, সে গোনাহ থেকে পাক হয়ে যায়। যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম। [৫:৪৫]
এখানে সুস্পষ্টভাবে ‘প্রাণের বদলে প্রাণের’ কথা বলা হয়েছে। আর এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে নিহতের প্রাণের বদলে হত্যাকারীর প্রাণের কথাই বলা হচ্ছে।
এখন আশা করি বিভ্রান্তির নিরসন হয়েছে। কাজেই বুঝবার সুবিধার্তে ব্যাখ্যামূলকভাবে ২:১৭৮ আয়াতের অনুবাদকে এভাবে করা যেতে পারে-
হে ঈমানদারগন! তোমাদের প্রতি নিহতদের ব্যাপারে কেসাস গ্রহণ করা বিধিবদ্ধ করা হয়েছে।(হত্যাকারী) স্বাধীন ব্যক্তি (নিহত) স্বাধীন ব্যক্তির বদলায়,(হত্যাকারী) দাস (নিহত)দাসের বদলায় এবং (হত্যাকারী) নারী (নিহত)নারীর বদলায়। অতঃপর তার ভাইয়ের তরফ থেকে যদি কাউকে কিছুটা মাফ করে দেয়া হয়, তবে প্রচলিত নিয়মের অনুসরণ করবে এবং ভালভাবে তাকে তা প্রদান করতে হবে। এটা তোমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে সহজ এবং বিশেষ অনুগ্রহ। এরপরও যে ব্যাক্তি বাড়াবাড়ি করে, তার জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব। [২:১৭৮]
নোট: হত্যার বিনিময়ে হত্যাকারিকে হত্যা করাই ইসলামের চুড়ান্ত বা একমাত্র বিধান নয়, বরং ক্ষেত্রবিশেষে নিহতের স্বজনরা রক্তমূল্য গ্রহণ করে হত্যাকারিকে মাফও করে দিতে পারে। কিন্তু সেটা আমার আলোচ্য বিষয় নয় বিধায় সে আলোচনায় আমি যাই নাই।
সমাপ্ত
অতিরিক্ত পাঠ (জ্ঞানপিপাসু পাঠকদের জন্য): পূর্ববতী আলেমদের কাছে নাসিখ এবং মানসুখের সংজ্ঞা পরবর্তী আলেমদের থেকে ভিন্ন ছিল। যদি কোন আয়াত অপর আয়াতকে সুস্পষ্ট বা সুনির্দিষ্ট করে দিত, তবে পূর্ববর্তী আলেমগণ সুস্পষ্ট বা সুনির্দিষ্ট আয়াতকে নাসিখ এবং অপেক্ষাকৃত অনির্দিষ্ট বা ব্যাপক আয়াতকে মানসুখ বলতেন। সেই হিসেবে পূর্ববর্তী আলেমদের মতে ৫:৪৫ আয়াত ২:১৭৮ আয়াতটিতে মানসুখ করে দিয়েছে। এর মানে এই নয় যে ৫:৪৫ আয়াত ২:১৭৮ আয়াতটিকে রদ বা রহিত করে দিয়েছে, বরং এর অর্থ ৫:৪৫ আয়াত ২:১৭৮ আয়াতটিকে সুস্পষ্ট করে দিয়েছে।

এস. এম. রায়হান
জুন ২৪, ২০১২ at ২:০৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিষয়টা পরিষ্কার করার জন্য ধন্যবাদ।
সাদাত
জুন ২৫, ২০১২ at ৯:৩০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@এস. এম. রায়হান:
লেখাটা ফেসবুকে একজনের করা প্রশ্নের জবাবে তৈরি করা হয়েছে।
এম_আহমদ
জুন ২৫, ২০১২ at ২:০৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
১। আপনার এই কথাই আসল কথা, “প্রাণের বদলে প্রাণ”। জাহেলী যুগে কোন গোত্রের দাস কোন স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তারা তার বদলে সেই গোত্রের স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যার আবেদন করে বসত। (কুরতুবী) এটা সেই প্রথাকে অগ্রাহ্য করল।
২। আশা করি যে অনেকের ভুল বুঝাবুঝির নিরসন হবে। মূলত, এই আয়াতে আমাদের কোর্টে কোন সমস্যা নেই। আমাদের অর্থ নির্ধারনের ক্ষেত্রে আছে আয়াতের শানে নুযূল, তারপর হাদিস এবং মুফাসসিরদের ব্যাখ্যা। এগুলো প্রাণের বদলে প্রাণের কথাই বলে। কোন দাস কোন স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করলে সেই দাসেরই কিসাস হবে, অন্য কারও নয়। সমস্যা হয়ত তাদের হতে পারে যারা হাদিস মানে না,মুফাসসির মানে না, উরফ মানে না, শারিয়া মানে না।
৩। বনি ইসরাইলে রক্তপণ দিয়ে মুক্তির কোন ব্যবস্থা ছিল না (কুরতুবী)। এখানে পূর্ববর্তী বিধানের একাংশ নসখ করা হয়েছে যেমন রমজানের বিধানে ‘কামা কুতিবা আলাললাজিনা মিন কাবল’ অংশে “আর-রাফাছু ইলা নিসাইকুক” দিয়ে করা হয়েছে। তারপর এই নসখের কল্যাণ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, “এটা তোমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে সহজ এবং বিশেষ অনুগ্রহ।” এটাই আল্লাহর বিধানের সৌন্দর্য ও মহিমা।
৩। নাসেখ/মানসূখের ব্যাপারে আপনার এই কথাতে পুরাপুরি একমত নই, “পূর্ববর্তী আলেমদের কাছে নাসিখ এবং মানসূখের সংজ্ঞা পরবর্তী আলেমদের থেকে ভিন্ন ছিল।” আমার মনে হয় সংজ্ঞার ক্ষেত্রে নয়, বরং কেউ কেউ simply এই termটিকে একটু loose অর্থে ব্যবহার করেছেন, এই যা।
জুন ২৫, ২০১২ at ১০:০৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
১। জ্বী এই ব্যাপারে একটি ঘটনা শানে নুযুলে এসেছে ইচ্ছা করেই মূল লেখায় দেই নাই। এখানে দিচ্ছি :
Allah states: O believers! The Law of equality has been ordained on you (for cases of murder), the free for the free, the slave for the slave and the female for the female. Therefore, do not transgress the set limits, as others before you transgressed them, and thus changed what Allah has ordained for them.
The reason behind this statement is that (the Jewish tribe of) Banu An-Nadir invaded Qurayzah (another Jewish tribe) during the time of Jahiliyyah (before Islam) and defeated them. Hence, (they made it a law that) when a person from Nadir kills a person from Quraizah, he is not killed in retaliation, but only pays a hundred Wasq of dates. However, when a person from Quraizah kills a Nadir man, he would be killed for him. If Nadir wanted (to forfeit the execution of the murderer and instead require him) to pay a ransom, the Quraizah man pays two hundred Wasq of dates (double the amount Nadir pays in Diyah (blood money)). So Allah commanded that justice be observed regarding the penal code, and that the path of the misguided and mischievous persons be avoided, who in disbelief and transgression, defy and alter what Allah has commanded them. Allah said:
كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِصَاصُ فِي الْقَتْلَى الْحُرُّ بِالْحُرِّ وَالْعَبْدُ بِالْعَبْدِ وَالأُنثَى بِالأُنثَى
Al-Qisas (the Law of equality in punishment) is prescribed for you in case of murder: the free for the free, the slave for the slave, and the female for the female.
২। যারা হাদিস তাফসির মানে না তারা এই আয়াত হতে এক অদ্ভূত নিয়ম আবিষ্কার করেছে তা হলো- কেবল স্বাধীন ব্যক্তি স্বাধীন ব্যক্তিকে, দাস দাসকে এবং নারী নারীকে হত্যা করলেই ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট প্রযোজ্য হবে, অন্য ক্ষেত্রে নয়; যেমন- নারী পুরুষকে, পুরুষ নারীকে, স্বাধীন ব্যক্তি দাসকে বা দাস স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করলে ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট প্রযোজ্য হবে না!!!
৩। পূর্ববর্তী আলেমগণ নাসখকে অনেক ব্যাপক অর্থে নিতেন যা পরবর্তী আলেমগণ নেননি। এটাই বুঝাতে চেয়েছি। এটাকেই সহজ ভাষায় সংজ্ঞার পার্থক্য বলেছি। এককথায় বলার জন্য এর চেয়ে উপযুক্ত কোন শব্দ মাথায় আসেনি।
এম_আহমদ
জুন ২৬, ২০১২ at ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মনে করুন দুই জন মহিলা ষড়যন্ত্র করে একটি পরিবারের স্বামী এবং স্ত্রীকে হত্যা করল। এখন যে স্ত্রীকে হত্যা করল, সে মৃত্যুদণ্ড পেল আর যে স্বামীকে হত্যা করল সে প্রাণে বাঁচে গেল! ন্যায় বিচার বটে!
সাদাত
জুন ২৬, ২০১২ at ৯:০৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভালো বলেছেন।
ফারুক
জুন ২৬, ২০১২ at ২:৫৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শুধু কোরানের আলোকে ২:১৭৮ আয়াতের মানে জানতে ও কিসাসের প্রকৃত অর্থ জানতে নিচে লিঙ্ক দেয়া ফোরামের আলোচনাগুলো পড়ে দেখতে পারেন। চিন্তার খোরাক পাবেন। Samia ও Wakas এর মন্তব্য গুলো খেয়াল করুন।
http://free-minds.org/forum/index.php?topic=15944.0
সাদাত
জুন ২৮, ২০১২ at ১২:২৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার দেওয়া লিংক পড়েছি, আপনি কি আমার লেখাটা পড়েছিলেন?
আমার কেন যেন মনে হয়েছিল, এই পোস্টে আপনি অবশ্যই আসবেন!
ফারুক
জুন ২৮, ২০১২ at ৮:২৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সালামুন আলাইকুম। আপনার লেখা পড়েছি বলেই না মন্তব্য করার ইচ্ছাটা জেগেছিল।
কেন এমনটা মনে হলো?
সরোয়ার
জুন ২৮, ২০১২ at ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক।
সাদাত
জুন ২৮, ২০১২ at ১২:২৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ABU ZAR MD MINHUZ UDDIN AHMED
জুলাই ৫, ২০১২ at ১:১৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
SURA BAKRAH er 178 no ei ayat er ortho niyei problem……..mul ARABIC niye kono problem nei……hoyto onubadokra shothik meaning bujhate bartho hoyesen!!!!!!
tasara ARABIC QURAN er onubad kokhonoi 100% accurate hobe na!!!!!!!!!!!!!etai shavabik…..jara
ONUBADOKER KOTHA dhore QURAN ke vul prove korte chan tader ke bolbo apnara onubadok(manusher)vul dhorte try korchen… QURAN er na……….
100% accurate na holeo amar mote ei ayat tar aproximate bakkha holo:::
he imandargon , tomader jonno hottar bepare kisas er bidhan likhe deya hoyese.kono shadhin bekty hotta kore thakle tar bodlay oi shadhin bekty kei hotta kora hobe,kono das hottakari hole oi daskei hotta kora hobe,kono nari hottakari hole oi narikei hotta kora hobe.tobe kono hottakarir proty jodi tar vai komol behave korte prostut hoy,then procholito bidhan onujayi roktopon daner bebostha kora uchit & shototar shathe roktopon aday kora hottakarir jonno oporiharjo.etai tomader rober pokkho hote dondo hrash & onugroho.erpor o je bekty barabari korbe tar jonno royese jontronadayok shasty.
সাদাত
জুলাই ৫, ২০১২ at ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অনুবাদক ভুল করতেই পারেন।
তবে এই ক্ষেত্রে অনুবাদকদের তেমন কোন দোষ নাই। এর চেয়ে ভালো আর কী অনুবাদ করেবন?
ভুল হচ্ছে তাদের যারা কুরআনের আয়াত/অনুবাদ দেখেই সবকিছু বুঝে ফেলতে চান, আয়াত নাযিলের প্রেক্ষাপট, আয়াতের তাফসির এসব জানার কোন প্রয়োজন বোধ করেন না।