(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
===================
আন-নিসা রুকু;-১৩ আয়াত;-৯২-৯৬ কোরানের কথা;-৮২
আগেই বলা হয়েছে, সভ্য সমাজের প্রাথমিক দুটি বিষয় জরুরী, তাহল, নাগরীকের জান ও মালের নিরাপত্তা। আলোচ্য আয়াতে মুসলীম সমাজের জানের নিরাপত্তা বিধানের আলোচনা করা হয়েছে।
৯২/ وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ أَن يَقْتُلَ مُؤْمِنًا إِلاَّ خَطَئًا وَمَن قَتَلَ مُؤْمِنًا خَطَئًا فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مُّؤْمِنَةٍ وَدِيَةٌ مُّسَلَّمَةٌ إِلَى أَهْلِهِ إِلاَّ أَن يَصَّدَّقُواْ فَإِن كَانَ مِن قَوْمٍ عَدُوٍّ لَّكُمْ وَهُوَ مْؤْمِنٌ فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مُّؤْمِنَةٍ وَإِن كَانَ مِن قَوْمٍ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُمْ مِّيثَاقٌ فَدِيَةٌ مُّسَلَّمَةٌ إِلَى أَهْلِهِ وَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مُّؤْمِنَةً فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ تَوْبَةً مِّنَ اللّهِ وَكَانَ اللّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا
অর্থাৎ;-ভূলক্রমে ছাড়া কোন মুমিনের কাজনয় কোন মুমিনকে হত্যা করা। যে ব্যাক্তি ভূলক্রমে কোন মুমিনকে হত্যা করবে, সে একজন মুসলীম ক্রীতদাস মুক্ত করবে।এবং রক্ত বিনিময় অর্পণ করবে, তার স্বজনদের, যদি না তারা ক্ষমা করে। অতঃপর যদি নিহত ব্যাক্তি তোমাদের শত্রু সমপ্রদায়ের অন্তর্গত হয় তবে, মুসলীম ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং যদি তোমাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয় তবে, রক্ত বিনিময় অর্পণ করবে তার স্বজনদেরকে এবং একজন মুসলীম ক্রীতদাস মুক্ত করবে। যদি তার সংগতি না থাকে, সে একাদিক্রমে দু-মাস রোজা রাখবে। এটাহল আল্লাহর তরফ থেকে তওবা রূপে নির্ধারিত। আল্লাহ মহাজ্ঞানী প্রজ্ঞাময়।
হত্য দু-ধরণের, ইচ্ছাকৃত ও ভূল বশতঃ।অনেক সময় অনিচ্ছা বা অজান্তে বা দূর্ঘটনা জনিত কারণে একজণের দ্বারা অন্যজন নিহত হতেপারে।যেমন, অসাবানতা বশতঃ কারও তীর বা বন্দুকর গুলি ছুটে গিয়ে অন্য জন খুন হতে পারে। শিকারীর লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে অন্যের জীবন যেতে পারে। বা গাড়ির চালকের অনিচ্ছা কৃত দূর্ঘটনায় যাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। এগুলিই ভূল বশতঃ হত্যা। এ আয়াতে বলা হয়েছে কোন মুমিন কোন মুমিনকে ভূল বশতঃ ছাড়া হত্যা করতে পারেনা। যদি ঘটনা ঘটেই বসে তবে তার কি বিধান তা এ আয়াতে বলা হয়েছে।
যদি কোন মুমিন ভূল বশতঃ কোন মুমিনকে খুন করেই বসে, তবে সে নিহতের পরিবারকে খুনের দাম বা বদলা দেবে, যদি নিহতের আত্মীয়রা মাফ করে দেয় তবে বদলাদিতে হবেনা, আর তার গোনাহের কাফ্ফারা হিসাবে একজন মুসলীম ক্রীতদাসকে মুক্ত করবে। যদি নিজের গোলাম না থাকে তবে কিনে তাকে মুক্ত করতে হবে। যদি নিহত জন মুসলীমদের শত্রুসম্প্রদায়ের হয়, অর্থাৎ নিহতের আরসবাই শত্রুসম্প্রদায় ভুক্ত হয়, তবে শুধু মুসলীম ক্রতদাস মুক্ত করলেই চলবে, এটা গোনাহের কাফ্ফারা। আর যদি উক্ত সম্প্রদায়ের সাথে মুসলীমদের চুক্তি থাকে তবে উভয় জরিমানাই ধার্য হবে। আর যদি খুনীর ক্রীতদাস ক্রয়ের সামর্থ না থাকে তবে, সে বিরামহীন ভাবে দুমাস রোজা রাখবে।
৯৩/ وَمَن يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُّتَعَمِّدًا فَجَزَآؤُهُ جَهَنَّمُ خَالِدًا فِيهَا وَغَضِبَ اللّهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهُ وَأَعَدَّ لَهُ عَذَابًا عَظِيمًا
অর্থাৎ;-যে ব্যাক্তি ইচ্ছাকৃত ভাবে কোন মুমিনকে হত্যা করবে, তার শাস্তি জাহান্নাম, সেখানেই সে চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তার প্রতি ক্রুদ্ধ থাকবেন, আল্লাহ তার প্রতি অভিসম্পাত করবেন। এবং তার জন্য ভিষন শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।
মুসলীম সমাজের আভ্যন্তরীন আলোচনা তাই মুসলীমদের কথাই বলা হয়েছে। এ আইন এখানেই চুড়ান্ত নয়। সুরা মায়েদা, যা সুরা নিসার পরে নাজিল হয়েছে, তাতে চুড়ান্ত রূপ বর্ণনা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি কেউ কাউকে না হক হত্যা করে তবে সে যেন সমগ্র মানব মণ্ডলীকেই খুন করলো। এ আয়াতে গোনাহের বদলার কথাই বলা হয়েছে। জাগতীক খুনের বদলার কথা বলা হয়নি। সে কথা আমরা আগেই জেনেছি, খুনের বদলে খুন।
৯৪/ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ إِذَا ضَرَبْتُمْ فِي سَبِيلِ اللّهِ فَتَبَيَّنُواْ وَلاَ تَقُولُواْ لِمَنْ أَلْقَى إِلَيْكُمُ السَّلاَمَ لَسْتَ مُؤْمِنًا تَبْتَغُونَ عَرَضَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا فَعِندَ اللّهِ مَغَانِمُ كَثِيرَةٌ كَذَلِكَ كُنتُم مِّن قَبْلُ فَمَنَّ اللّهُ عَلَيْكُمْ فَتَبَيَّنُواْ إِنَّ اللّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًا
অর্থাৎ;-ওহে যারা ইমান এনেছ! তোমরা যখন আল্লাহর পথে বের হবে, তখন যাচাই করে নেবে এবং কেউ সালাম পেশ করলে তাকে বলনা “তুমি মুমিন নও”। তোমরা পার্থীব জীবনের সম্পদ অন্বেষন কর। বস্তুতঃ আল্লাহর কাছে অনেক সম্পদ রয়েছে। তোমরাওতো ইতি পূর্বে এমনই ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের অনুগ্রহ করেছেন। সুতরাং তোমরা যাচাই করে নিও। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের কাজ কর্মের খবর রাখেন।
এ আয়াতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বলা হয়েছে।মুসলীমরা যখন অভিযানে বার হবে তখন সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এলোপাতাড়ি সকলকেই মুশরীক বা কাফের মনেকরে যেন হত্যা করে না বসে। বলা হয়েছে, যদিকেউ তোমাকে সালাম পেশ করে,বা ইসলামিক অন্যকিছু যেমন কলেমা পেশ করে, তাকে যেন অমুসলীম বলা না হয়। আল্লাহ বলেন, ঐ বাক্তির মাল-মাত্তা দেখে লোভে পড়না। তোমাদের জন্য আমার কাছে অনেক সম্পদ রয়েছে। তোমরাওতো একসময় ওদের মতই ছিলে। আল্লাহর অনুগ্রহে মুসলীম হয়েছো। তাই যাচাই করে নিও এবং মনে রেখ, আল্লাহ তোমাদের সকল খবর রাখেন।
এক যুদ্ধে হজরত ওসামা রাঃ যখন এক মুশরীককে পরাস্ত করে হত্যায় উদ্যত হলেন, ঠিক তখনই ঐ মুশরীক কলেমা পড়েদিল। হজরত ওসামা রাঃ ভাবলেন, এটা নিছক জান বাঁচাবার কৌশল, তাই তাকে রেহাই দিলেননা। পরে এ ঘটনা শুনে নবী করিম সঃ রাগ করে বলে ছিলেন, হে ওসামা, কেয়ামতের দিন ঐ কলেমা যখন নালিশ জানাবে, তার উপস্থিতিতে তুমি খুন করেছ, তখন কি উত্তর দেবে? সেই সাবধানতাই এ আয়াতে দেওয়া হয়েছে।
৯৫/لاَّ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ غَيْرُ أُوْلِي الضَّرَرِ وَالْمُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللّهِ بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ فَضَّلَ اللّهُ الْمُجَاهِدِينَ بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ عَلَى الْقَاعِدِينَ دَرَجَةً وَكُـلاًّ وَعَدَ اللّهُ الْحُسْنَى وَفَضَّلَ اللّهُ الْمُجَاهِدِينَ عَلَى الْقَاعِدِينَ أَجْرًا عَظِيمًا
অর্থাৎ;-গৃহে উপবিষ্ঠ মুসলীম যাদের কোন ওজর নেই এবং ঐ মুসলীম, যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে লড়াই করে, সমান নয়। যরা জান ও মাল দ্বারা জেহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদ মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন, গৃহে উপবিষ্ঠদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথে আল্লাহ কল্যানের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহেদীনকে উপবিষ্ঠদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন।
এ আয়াতে ‘কেতাল’ শব্দের বদলে ‘জেহাদ’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। জেহাদের সর্বশেষ রূপই কেতাল বা যুদ্ধ। নবম হিজরীতে সংঘটিত তাবুকের যুদ্ধে নও মুসলীমদের যারা অংশ গ্রহন করেননি তাদের কারণ দর্শানোর হকুম হয়েছিল। এ ছাড়া আর যাবতীয় যুদ্ধে যোগদান ছিল ঐচ্ছিক। যাওয়া না যাওয়া যার যার ইচ্ছা ছিল। নবী সঃ কে আল্লাহ বললেন, মুসলীমদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য (৮৪ নং আয়াতে) যাতে তারা সেচ্ছায় অংশ গ্রহন করে। অবশ্য ওজর থাকলে আলাদা কথা। অতএব যারা যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছিল তারা শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার। আল্লাহ তাদের তা দিয়েছেন।
৯৬/دَرَجَاتٍ مِّنْهُ وَمَغْفِرَةً وَرَحْمَةً وَكَانَ اللّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
অর্থাৎ;-এ গুলো তার পক্ষ থেকে পদ মর্যাদা, ক্ষমা ও করুনা; আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুনাময়।

এম_আহমদ
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১২ at ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই বেশ ভাল লিখেছেন। সুন্দর হয়েছে এবং ভাল লেগেছে। আমার মত আপনারও বানানে গণ্ডগোল হয়। যে কয়টি চোখে এগুলো এই: হত্যা, উপবিষ্ট, মুসলিম, কল্যাণ, ভুল, দুর্ঘটনা, অসাবধানতা, ক্রীতদাস, সামর্থ্য, আভ্যন্তরীণ, চূড়ান্ত, জাগতিক, এলোপাথাড়ি, মুশরিক, ব্যক্তি, (কলেমা পড়েছিল)
সালাম।
আবদুস সামাদ
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১২ at ৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আহমদ সাহেব, আপনার বক্তব্য আমার বোধগম্য হলনা । দুঃখিত। পড়া ও পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১২ at ৬:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই এই বানানগুলো চেক করার কথা বলেছি, আর কিছু নয়।
মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ at ২:৫৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আচ্ছা সামাদ ভাই মুসলিম মুসলিমের সাথে যুদ্ধ করলে তার কি হবে তা কি কোরআনে বা নবী সঃ সুন্নাহয় কিছু আছে? ধন্যবাদ।
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ at ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম ভাই, আমাকে এমন প্রশ্ন করার উদ্দেশ্য বুঝলাম না। আপনি নিজেই আমার চাইতে কোরআন হাদশ অনেক বেশী বোঝেন ও জানেন।
আপনার প্রশ্নের উওর আমার আজকের অনুবাদের ৯৩ নং আয়াতেই রয়েছে। ধন্যবাদ।
মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ at ৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অন্য কিছু নয়। আমি যা জানি তা কি সত্যি তাই যাচাই করতে এই প্রশ্ন ভাই। তবে ক্ষমা করবেন আমাকে যা ভাবছেন আমি কিন্তু তাই না। ধন্যবাদ।
মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ at ৬:০২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সামাদ ভাই ৯৩ আয়াত দ্বারা যুদ্ধকালিন দুই দল মুসলিম সৈন্যের লড়াইকে মিন করছেনা। ফৌজধারী হত্যাকে মিন করছে! আমি জানতে চাইছিলাম এক মুসলিম সৈন্য আরেক মুসলিম সৈন্যের সাথে যুদ্ধ করলে কোরআন কি বিধান দিয়েছে তার সমাধানে?
মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ at ৭:৪০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সামাদ ভাই, লগ অফ করেছিলাম। ঘুমাতে গিয়ে আবার চিন্তা করলাম, আপনি হয়ত আমার প্রশ্নে রাগ টাগ করে ফেলেন কিনা! কারণ ভুল বুঝাবুঝি হোক তা আমি চাইনা। পাছে আবার কেউ বলেন আমার রুঢ় ব্যবহার আপনাকে আহত করেছে। ভাই যেটি জানতে চাইছি মুসলিম মুসলিমে যুদ্ধ করলে তার সমাধান কোরআন কি দিয়েছে!
আর কেন আপনাকে এই প্রশ্ন করেছি ! আপনি যেহেতু আপনি ধারাবাহিক ভাবে কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা করে পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন। আল্লাহ্ আপনাকে আমার চেয়ে অনেক বেশি কোরআন বুঝার তৌফিক দিয়েছেন সেই কারণে আমি মনে করি আমি যা পাইনাই তা নিশ্চয় আপনি জানেন।
আর ভাই আমি কোন দাখেল পাশ ছাত্র নই। শুধু আমার এক ধরণের নেশা ইতিহাসের সন্ধান করা, ইসলামের ইতিহাস, মুসলিমদের ইতিহাস, কোরআনের ইতিহাস, হাদিসের ইতিহাস, আরব জাতির ইতিহাস। আমি বিশ্বাসের ভিত্তিতে বিচার করিনা, ইতিহাস বিজ্ঞানের ভিত্তিতে বিচার করি। তাই কোরআন হাদিস আমার কাছে ইতিহাসই বটে।
আমার প্রশ্নে আপনার মনে কষ্ট পেলে ক্ষমা করবেন।
আবদুস সামাদ
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ at ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম ভাই। অনেক জিনিষের মত আল্লাহ আমাকে এই জিনিষটাও বেশ কম দিয়েছে। তাই এটার ব্যবহার সীমিত রাখি।
আমার মতে দু দলই যদি মুসলীম হয়, তাহলে অবশ্যই একদল অত্যাচারী হবে, ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি কারী। তাই শাস্তির জন্য ঐ আয়াতটি দেখিয়েছিলাম। উর্দূ হতে বাংলায় অনুবাদ করছি মাত্র। যদি এমন আয়াত পরে পাই, জানাব। ভাল থাকেন আর আপনি পেলে জানাবেন।।
মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ at ১০:০৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সামাদ ভাই আমি আপনার কি মত বা আমার কি মত বা ইমাম আবু হানিফার কি মত তা জানতে চাইছিনা। চাই আল কোরআন কি নির্দেশ দিয়েছে বা রাসুল সাঃ এই বিষয়ে কি ফতোয়া দিয়ে গেছেন সেইটি?
আমার প্রশ্নটি শুধু নিছক প্রশ্ন নয়, এর পিছনে কারণ আছে- আশাকরি এই বিষয়ে অন্যরা এই আলোচনায় এগিয়ে আসবেন। পরে না হয় আমরা একটি সিদ্ধান্তে পৌছে পারি। ধন্যবাদ।
Shamim
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১২ at ৪:১২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
I read your posts. They are good. Please continue.
I think there was a war between two groups of famous Muslims. Where one army was led by Ali and other by Ayesha. Can you enlighten more on this? Which army was right, and why? Thank you.
আবদুস সামাদ
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১২ at ৫:২৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শামিম সাহেব, এটুকু সুরা নিসার ১৩ রুকু, যা আমি অনুবাদ করেছি। আপনি যা জানতে চাচ্ছেন তা, আমার আজকের আলোচ্য রুকুতে নাই। যেহেতু এটা ধারাবাহিক, তাই পরে এলে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। পড়া ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।