«

»

Aug ১৩

আস্তিকতায় আশ্রয়

কয়েক বছরের নাস্তিক জীবন আমাকে কিছুই দিতে পারেনি; হতাশা, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা ছাড়া। কিন্তু আমি এখন গর্বিত মুসলিম। নেই কোন হতাশা, টেনশন, অস্থিরতা, অনিদ্রা, ভয়-ভীতি, হিংসা-বিদ্বেষ। আমি এখন সুখী এবং সমৃদ্ধশালী। পরকালে যদি কিছু নাও পাই তাহলে আমার কি'বা হারাবার আছে?

"তারা আল্লাহ ও বিচার দিবসে বিশ্বাস করলে তাদের কি ক্ষতি হত?" (নিসা: ৩৯)

নাস্তিকদের ধারণা অনুযায়ী পরকাল যদি না থেকে থাকে তাহলে নাস্তিক এবং মুসলিম কারো কোন ক্ষতি নেই, সমান সমান। আর ইসলাম সত্য হলে পরকালে মুসলিম হবে চিরসুখী আর নাস্তিক হবে চিরদুখী। পক্ষান্তরে দুনিয়াতে একজন খাঁটি মুসলিম নাস্তিকের তুলনায় অনেক বেশি সুখী।

আগুন ছাড়া মানব সভ্যতা কল্পনাও করা যায় না। আগুনকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সবকিছু জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ধংস করে দেয়। তাই কেউ যদি বলে আগুন ক্ষতিকর, আগুনকে পৃথিবী থেকে দূর করা প্রয়োজন তাহলে তাকে "অজ্ঞ" ছাড়া কিছুই বলা যায় না। অজ্ঞদের দাবি ধর্মের কারণে পৃথিবীতে যত যুদ্ধ হয়েছে অন্য কোন কারণে হয়নি, তাই ধর্মকে পৃথিবী থেকে উচ্ছেদ করা প্রয়োজন। তাদেরকে প্রশ্ন, ধর্ম কি পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করেনি? ধর্মকে উচ্ছেদ করলেই যে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে বা আর কোন যুদ্ধ-বিগ্রহ হবে না তার নিশ্চয়তা কে দেবে? রাজনৈতিক কারণেও পৃথিবীতে অনেক যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে, তাহলে রাজনীতিকে পৃথিবী থেকে দূর করার জন্য কোন আন্দোলন কেন হয় না? মানবজাতির শুরু থেকেই পৃথিবীতে ধর্ম ছিল, শেষ পর্যন্তও থাকবে। লক্ষ-কোটি মুসলিম আছে যারা মৃত্যুর বিনিময়েও ইসলাম ত্যাগ করতে চাইবেনা। মোটকথা, পৃথিবী থেকে ধর্মকে উচ্ছেদ করা অসম্ভব ব্যাপার। যারা পৃথিবী থেকে ইসলামকে নির্মূল করতে চায়, খুব সম্ভবত তারা জীবদ্দশায় তা দেখে যাওয়ার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে। পার্থিব জীবন ক্ষণস্থায়ী, পরকাল চিরস্থায়ী।

"তাদেরকে তাদের সবরের কারণে জান্নাতে কক্ষ দেয়া হবে এবং তাদেরকে তথায় দোয়া ও সালাম সহকারে অভ্যর্থনা করা হবে। তথায় তারা চিরকাল বসবাস করবে। বাসস্থান হিসাবে তা কত উত্তম। বলুন, আল্লাহ পরওয়া করেন না যদি তোমরা তাঁকে না ডাক।" (ফুরকান: ৭৫-৭৭)

কৌশলি নাস্তিকদের কুক্ষিগত অস্ত্র বিজ্ঞান শূন্য থেকে কিছু সৃষ্টি করেনি। চুম্বক, লোহা, তেল ইত্যাদি প্রাকৃতিক সম্পদ যদি পৃথিবীতে না থাকত তাহলে বিজ্ঞান কিছু তৈরি করতে পারতো না। যেসব সূত্র বিজ্ঞানীগণ আবিষ্কার করেছেন তা প্রকৃতিতে পূর্ব থেকেই বিদ্যমান ছিল; তাঁরা খুঁজে বের করেছেন।

সৃষ্টিতত্ত্বের বিপরীতে নাস্তিকদের প্রোমোট করা বিবর্তনবাদ অনুসারে লক্ষ লক্ষ বছর আগের মানুষের ফসিল কোথায়? ১৯০৩ সালে ইংল্যান্ডের একটি গ্রামে মানুষের একটি কংকাল পাওয়া যায়, যারা ছিল বর্তমান মানুষের প্রজাতির। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় জানা যায় তারা পৃথিবীতে বাস করত ৭৫ হাজার বছর পূর্বে। ১৯৪০ সালে দেখা গেল এটা ছিল বিজ্ঞানের ইতিহাসে বড় জালিয়াতি। সবগুলি নকল হাড়! প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় জানা যায়, পৃথিবীতে সামাজিকভাবে মানুষের বসবাস আজ থেকে দশ হাজার বছরের মধ্যে সীমিত। এর পূর্বে পৃথিবীতে মানুষ বসবাসের বিছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সঠিক কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। (অমল দাসগুপ্তের "মানুষের ঠিকানা" বই দ্রষ্টব্য)।

২৪ comments

Skip to comment form

  1. 1

    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    অভিনন্দন লেখা শুরু করার জন্যে।   

    ধর্মের কারণে পৃথিবীতে যত যুদ্ধ হয়েছে অন্য কোন কারণে হয়নি…

    এইটা হলো সবচেয়ে বড় মিথ্যাচার। কমিউনিজম, গণতন্ত্র, পুঁজিবাদ আর অধিপত্য বিস্তারের জন্যে আলেকজান্ডার থেকে শুরু করে জর্জ বুশ আর মাও সে দং, স্ট্যালিন, হিটলারের কর্মকান্ডকে আড়াল করে এরা মিথ্যার রাজত্ব তৈরী করতে চেষ্টা করছে।

  2. 2

    shahriar

    Well write.

    Jajak-allah.

  3. 3
    এস. এম. রায়হান

    সদালাপে স্বাগতম।

    সৃষ্টিতত্ত্বের বিপরীতে নাস্তিকদের প্রোমোট করা বিবর্তনবাদ অনুসারে লক্ষ লক্ষ বছর আগের মানুষের ফসিল কোথায়?

    মনে রাখবেন- লক্ষ লক্ষ বছর আগের মানুষের ফসিল পাওয়া গেলেও তাতে বিবর্তনবাদ বা নাস্তিকতার কিছুই প্রমাণ হবে না, আর সেটা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিকও হবে না।

    1. 3.1
      আব্দুল আওয়াল সুমন

      @এস. এম. রায়হান: আপনার মন্তব্য ও তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। এখনও মাঝে মাঝে দুই/চার লক্ষ বছর আগের মানুষের হাড়গোর পাওয়ার খবর পত্রিকায় আসে। এসব মানুষকে অন্ধভাবেই বিশ্বাস করতে হয়, সাধারণ মানুষের যাচাই করে দেখার সুযোগ কোথায়?

  4. 4
    কিংশুক

    ভালো বলেছেন।

  5. 5
    শামসুল আরেফিন

    আসলে আমরা যদি নাস্তিকদের ব্যাক্তিগত জীবন পর্যালোচনা করি, তাহলেই সব কিছু স্পষ্ট হয়ে যায়।

    বেশীরভাগ ইসলাম বিদ্যেষী নাস্তিকের ব্যাক্তিগত জীবনই মারাত্বকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। বেশীদূর যেতে হবে না, বাংলাদেশের ইসলাম বিদ্যেষীদের ব্যাক্তিগত জীবন একটু নেড়ে-চেড়ে দেখলেই হবে।

  6. 6
    এম_আহমদ

    সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি আপনাকে নির্জীব বস্তুতান্ত্রিকতার গহীন অন্ধকার থেকে সজীব আত্মার আলোক ধারায় নিয়ে এনেছেন।

    فَمَن يُرِدِ اللَّـهُ أَن يَهْدِيَهُ يَشْرَحْ صَدْرَهُ لِلْإِسْلَامِ ۖ وَمَن يُرِدْ أَن يُضِلَّهُ يَجْعَلْ صَدْرَهُ ضَيِّقًا حَرَجًا كَأَنَّمَا يَصَّعَّدُ فِي السَّمَاءِ ۚ كَذَٰلِكَ يَجْعَلُ اللَّـهُ الرِّجْسَ عَلَى الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿١٢٥﴾

    অতঃপর আল্লাহ যাকে পথ-প্রদর্শন করতে চান, তার হৃদয়কে ইসলামের জন্যে উন্মোচন করে দেন এবং যাকে বিপথগামী করতে চান, তার  হৃদয়কে (এমন যুক্তি ও চিন্তাজালে) সীমাবদ্ধ করে দেন (যার) ফলে তার কাছে (ইসলামের যুক্তি-চিন্তা)  যেন আকাশে আরোহণের মত কঠিন ঠেকায়। এভাবে আল্লাহ্ (তাদের হৃদয়গ্রন্থিতে) অসাধুতা স্থাপন করেন যারা বিশ্বাস করে না (৬/১২৫)।

     

     

  7. 7
    Momtaz Begum

    কয়েক বছরের নাস্তিক জীবন আমাকে কিছুই দিতে পারেনি; হতাশা, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা ছাড়া। কিন্তু আমি এখন গর্বিত মুসলিম। নেই কোন হতাশা, টেনশন, অস্থিরতা, অনিদ্রা, ভয়-ভীতি, হিংসা-বিদ্বেষ। আমি এখন সুখী এবং সমৃদ্ধশালী। পরকালে যদি কিছু নাও পাই তাহলে আমার কি'বা হারাবার আছে? 

    অপনি সৌভাগ্যবান বটেই! গোবড়ে পদ্মফুল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিন্তু ঠিক উল্টোটাই ঘটে।  ইরাক, সিরিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সুদান, সোমালিয়া……………… এর মুসলিম মোমেন আস্তিকরা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি অজ্ঞ, মূর্খ, জঙ্গি, সন্ত্রাসী এবং হতাশা, টেনশন, অস্থিরতা, অনিদ্রা, ভয়-ভীতি, হিংসা-বিদ্বেষে ডুবে আছে। ইসলাম আসক্ত  ৯০% মোমিন মুসলিম আস্তিকের বাংলাদেশর কি দশা?? চুরি, চামারি, ঘুষ, দূর্নীতি, ভেজাল, ফরমালিন, ধাপ্পাবাজিতে ওর্য়াল্ড চাম্পিয়ন। পাশাপাশি সিঙ্গাপুর, জাপান, গনচীন, পশ্চিম ইউরোপ অথবা আমেরিকার দিকে দেখুন। সেখানে মুসলিম আস্তিক নেই- চুরি, চামারি, ভেজাল, মিথ্যা, জঙ্গি, সন্ত্রাস, বোমাবাজিও নেই। নাকি??

    1. 7.1
      আব্দুল আওয়াল সুমন

      @Momtaz Begum:

      “যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তদনুযায়ী ফয়সালা করেনা, তারাই কাফের। ” -- মায়েদাহঃ ৪৪
      “মুমিন ও কাফের-মুশরিকের মধ্যে পার্থক্য হল নামায। ” -- মুসলিম
      “যারা ঈমান এনেছে তাদের সাথে আমার চুক্তি হল নামাযের, যে নামায তরক করল সে কাফের হয়ে গেল।” -- মু. আহমাদ, তিরমিযী

      মুসলিম দেশগুলো কোরান অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে না, মুসলিমদের মধ্যে নামায নেই। তাই এসব কাফের- মুশরিকের পর্যায়ে থাকা নামধারী মুসলিমদের দিয়ে আপনি ইসলামের বিচার করছেন। এটা ইসলাম সম্পর্কে আপনার অজ্ঞতা ছাড়া কিছুই নয়।

      অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। কোন কিছু না জানা ভাল কিন্তু ভুল জানা ক্ষতিকর। কারণ এর দ্বারা সে নিজে বিভ্রান্ত হবে এবং অন্যকেও বিভ্রান্ত করবে। ওষুধ পরিমিত, নিয়মিমাফিক খেলেই রোগ নিরাময় সম্ভব হতে পারে, তার আগে নয়। ইসলাম অর্থ হল শান্তি। কোন দেশ ইসলাম অনুযায়ী পরিচালিত হলেই সেখানে শান্তি আসতে পারে, নইলে নয়।

      বাংলাদেশে যে আইন চালু আছে তার পুরোপুরি প্রয়োগ হলেও দেশ শান্তিতে চলত। কিন্তু একশ্রেণীর নামধারী মুসলিমরা দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি করে, ঘুষ খেয়ে এসব আইনের অপব্যবহার করছে। এরজন্য কি ইসলাম দায়ী?

      বর্তমানে যেসব মুসলিম দেশগুলোতে অশান্তি বিরাজ করছে তার প্রধান কারণ হল ইসলামকে সঠিকভাবে অনুসরণ না করা এবং ইসলামের অপব্যাখ্যা। এরজন্য ইসলাম দায়ী নয়।

      “সকল সৃষ্টিই আল্লাহর পরিবার। এই পরিবার অর্থাৎ সৃষ্টির সেবাকারীকেই আল্লাহ বেশি ভালবাসেন। ” -- বায়হাকি
      “শুধুমাত্র দয়ালুকে আল্লাহ দয়া করেন। তাই জীবে দয়া কর, আল্লাহ তোমাকে দয়া করবেন। ” -- আবু দাউদ
      “যদি তুমি মুমিন হও, তাহলে প্রতিবেশিকে কষ্ট দিওনা।” -- বুখারী
      “প্রতিবেশিকে অভূক্ত রেখে যে পেট পুরে খায়, সে ঈমানদ্বার নয়।” -- বায়হাকি
      “মজলুমকে সাহায্য কর।” -- তিরমিযী
      “প্রতিটি ভাল কাজই সদকা বা দান। হাসিমুখে কথা বলা সদকা।” -- তিরমিযী

      “মুমিনগন একে অপরের ভাই।” -- হুজুরাতঃ ১০
      “তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারন কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।” -- আল ইমরানঃ ১০৩

      ইসলামের এসব শিক্ষা থেকে মুসলিমরা আজ বহু দূরে, তাই আজকের এই অধ:পতন।

      1. 7.1.1
        মাঈন উদ্দিন পলাশ

        মমতাজ বেগম, আপনি যদি বলেন  আমেরিকা ইউরোপ সুখে আছে তাহলে বলবো, হয় আপনি সত্য  জানেন না অথবা প্রকাশ না করে তর্ক করতে চাচ্ছেন। যে দেশে বাজেটের ৫০% এর চেয়ে বেশী যুদ্ধ এর খাতে খরচ হয় তাদের শান্তিপ্রিয় বলেন কিভাবে? পুরাতন ইতিহাস ঘেঁটে দেখুন সবচেয়ে বড় আপরাধ গুলো কারা ঘটিয়েছে? বিশ্বযুদ্ধ কারা করেছে? হিরসিমা নাগাসাকি এর ঘটনা  কারা ঘটিয়েছে ? আপনি কয়েকটা মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রের উদাহরন দিলেন অথচ সৌদি আরবের কথা বললেন না । 
        আপনি কি আমেরিকার মানুষের জীবনচরিত সম্পর্কে ধারনা রাখেন? জানেন কতটা বিকৃত তাদের দৈনিক জীবন ।
        কষ্ট করে জেনে নিবেন। 

        আর কথাটা হছে "পদ্মলোচন " , পদ্ম আখি নয়। 

        1. 7.1.1.1
          আব্দুল আওয়াল সুমন

          @মাঈন উদ্দিন পলাশ: Glad to see you here. welcome and thanks for your comment.

        2. 7.1.1.2
          Momtaz Begum

          @ মাঈন উদ্দিন পলাশ,

          আমেরিকা, ইউরোপ…………. সুপথে নেই তো সুপথে আছে কারা? ইসলাম ধর্মের ধ্বজাধারী পাকিস্তান, ইরাণ, সিরিয়া, সৌদিআরব, ইয়েমেন,  এরা নিশ্চয় সৌরভে, গৌরবে, শন্তিতে সুপথে আছে! যেখানে ফজরের নামাজ শেষ না হতেই মসজিদে/মসজিদে পাল্টাপাল্টি বোমাবাাজি শুরু হয়ে যায়।  নিজেদের মুসলিম মুল্লুক'কে ভাগার বানিয়ে এখন  ইউরোপ, আমেরিকার পথে  পিপিলিকার মত সমুদ্রপাড়ি দেয়।  

          ইসলামী শুকনো কথার ফুলঝুড়ি সাজিয়ে আর কত দিন?  Bulldozer এর মত ঘাড়ে ঠেল্লে হবে না, এটা বুঝেন তো! ইসলাম দিয়ে ভাল কিছু করে দেখান। যাতে দশজন অনুপ্রানিত হতে পারি। আপনি সৌদি আরবের কথা বলেছেন, তো ভায়া- মধ্যযূগীয় শরিয়া শাসনের রাজা/বাদশা'র ভোগবিলাসী এই অথর্ব দেশটি তা হলে ইসলামের ফুলঝুড়ি।  বাংলাদেশের খেটে খাওয়া দক্ষ/কর্মঠ মুসলিমের মর্যাদা যেখানে বহিরাগত মিসকিন  ছাড়া আর কিছু না।  'সব মুসলিম ভাই/ভাই'!!??  নাকি?????

    2. 7.2
      মাহফুজ

      এখানে আমন্ত্রণ- Murtad & Nastik according to Al-Qura’n / আল-কোরআনের দৃষ্টিতে মুরতাদ ও নাস্তিক

    3. 7.3
      আব্দুল আওয়াল সুমন

      @Momtaz Begum: অনেক প্রশ্ন করেছেন, এবার কিছু প্রশ্নের জবাব দিন।
      ** নাস্তিকতাবাদের মাধ্যমে আপনারা দেশ ও জাতিকে কি উপহার দিতে চান? এদেশের সকল মানুষ যদি নাস্তিকতাকে গ্রহণ করে তাহলে কি বাংলাদেশ জাপান, পশ্চিম ইউরোপ, আমেরিকারর মত উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে?
      ** কোরানে আল্লাহর উপর অবিশ্বাসীদেরকে জাহান্নামের কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে। তা থেকে মুক্তির উপায় কি? শুধু অবিশ্বাস করাই যদি মুক্তি পাওয়ার জন্য যথেষ্ট হয় তাহলে তা কেন যথেষ্ট, যুক্তি দিন।
      ** পিতা-মাতা ছাড়া সন্তান হতে পারেনা, অর্থাৎ সকল মানুষেরই পিতা-মাতা আছে। তাহলে পৃথিবীর প্রথম পিতা-মাতা কোথা থেকে আসলো? বিবর্তনবাদ যেহেতু প্রমাণিত নয় তাই যুক্তিসংগত, বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা প্রদান করুন।

      1. 7.3.1
        Momtaz Begum

        হাহা, নিতান্তই হাসালেন। "বিবর্তনবাদ যেহেতু প্রমাণিত নয়"!!??

        তাহলে আদম-হাওয়ার গন্ধমভক্ষনতত্ব নিশ্চয় বিজ্ঞানদ্বারা প্রমানিত, @ আব্দুল আওয়াল সুমন??

        1. 7.3.1.1
          আব্দুল আওয়াল সুমন

          @Momtaz Begum: প্রশ্নের উত্তরে প্রশ্ন কেন? আল্লাহ সর্বশক্তিমান, কোনকিছু হওয়ার জন্য তিনি শুধু একথাই বলেন “হও” সাথে সাথে তা হয়ে যায়। এখানে যুক্তির স্থান কোথায়? গন্ধমভক্ষনতত্ব মোটেই অসম্ভব নয়। আপনারা যেহেতু সবকিছুতে যুক্তি প্রমাণ খুঁজে থাকেন তাই বলছি ইসলামিক সৃষ্টিতত্বের বিপরীতে যুক্তিসংগত বিকল্প ব্যাখ্যা প্রদান করুন।

        2. Momtaz Begum

          হাঁ, প্রশ্নের পাল্টাপাল্টি প্রশ্ন আসবেই। অন্যের কাছে 'যুক্তিসংগত, বিজ্ঞানভিত্তিক' ব্যাখ্যা চাওয়ার আগে নিজের দিকটা দেখবেন্না? 

          আল্লা 'হও' বল্লেই সব হয়ে যায়।

          আদম-হাওয়ার গন্ধমভক্ষন তত্ব।

          চারপায়া প্রানির পিঠে অক্সিজেন মাস্ক ছাড়া নবীজীর মহাশুন্য ভ্রমন।

          মাছের পেটে ইউনুস নবী। 

          ………………………………………..।
          …………………………………………। 

          এসব বিষয়ে যুক্তিসংগত, বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা আপনার কাছে আছে কি @ জনাব সুমন?? 

        3. 7.3.1.2
          এম_আহমদ

          "বিবর্তনবাদ যেহেতু প্রমাণিত নয়"!!?? তাহলে আদম-হাওয়ার গন্ধমভক্ষনতত্ব নিশ্চয় বিজ্ঞানদ্বারা প্রমানিত, @ আব্দুল আওয়াল সুমন??

          আপনি যে চরম মূর্খ, একটা অপদার্থ -এটাই হচ্ছে সেই সাক্ষাৎ প্রমাণ।

  8. 8
    রিজভী আহমেদ খান

    লেখাটি ছোট এবং বেশ ভালো লাগল পড়ে।সদালাপে স্বাগতম।

  9. 9
    আব্দুল আওয়াল সুমন

    @ মমতাজ বেগম: ইসলাম বিজ্ঞানের উপর নির্ভরশীল নয়। বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণিত হলে বা যুক্তির সাথে মিললেই তা গ্রহণ করতে হবে, একথা ইসলামের কোথাও লেখা নেই। নবী-রাসূলগনের মুজেজা বা অলৌকিক ক্ষমতা ছিল। ঈসা (আঃ) মৃতকে জীবিত করতেন, কুষ্ঠরোগী, জন্মান্ধকে নিরাময় করতেন, মাটি দ্বারা পাখির আকৃতি গঠন করে তাতে ফুক দিলে তা পাখি হয়ে উড়ে যেত। এসবের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সম্ভব নয়। আল্লাহ সর্বশক্তিমান, তিনি যা ইচ্ছা তা’ই করতে পারেন। তাই তাঁর সব কাজে যুক্তি প্রমাণ খোঁজার কোন প্রয়োজন পড়ে না। আপনাদের ধর্মই যেহেতু যুক্তি প্রমাণ নির্ভর তাই সব বিষয়ে উপযুক্ত যুক্তি প্রমাণ দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের উপরই পড়ে।

    ** যারা ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে তাদের জন্য আছে ক্ষমা এবং সম্মানজনক জীবিকা। (হজ্জ্বঃ ৫০)
    ** মুমিনদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব। (আর রূমঃ ৪৭)
    ** আল্লাহর স্মরন দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি লাভ করে। (রাদঃ ২৮)

    নিয়মিত ইবাদতের মাধ্যমে অভূতপূর্ব মানসিক প্রশান্তি লাভ করি, আল্লাহর ওয়াদা মোতবেক সম্মানজনক জীবিকা এবং সাহায্য পেয়ে থাকি। মোটকথা আমি এখন সূখী জীবন যাপন করছি। আর পরলৌকিক বিষয়ে বলছি- “বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর।” আপনাদের কোন আশা নেই। নাস্তিকতা ধোঁকা বা আত্মপ্রতারণা ছাড়া কিছুই নয়।

  10. 10
    আব্দুল আওয়াল সুমন

    @ মমতাজ বেগমঃ কথায় কথায় ইউরোপ, আমেরিকার তুলনা দেয়া কেন? এসব দেশের মানুষ কি পূর্বে মুসলিম ছিল নাকি যে, ইসলাম ত্যাগ করার কারণে তারা হু হু করে উন্নতি লাভ করেছে, তাই আমাদেরও তাদের অনুসরণ করা উচিত? আপনি যদি বিজ্ঞান এবং নাস্তিকতা দ্বারা বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে পারেন তাহলে করে দেখান, কে বাধা দিচ্ছে?

    ইসলাম কি আর বিজ্ঞান কি তা জেনেই মুসলিমরা মুসলিম আছে এবং অনেকে ইসলাম গ্রহণ করছে। তাতে আপনার অসুবিধা কোথায়? আপনার মত কান্ডজ্ঞানহীন, অভদ্র, ইতরকে কি কেউ ইসলাম গ্রহণের অনুরোধ করেছে নাকি ইসলামের তাতে কিছু আসে যায়? ইউরোপ, আমেরিকায় গিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে বলুন, নাস্তিকতা ধর্ম প্রচার করুন, অনেক বাহবা কুড়াতে পারবেন, চাপাতির কোপ খাওয়ার ভয় থাকবে না। এখানে সুবিধা করতে পারবেন না। সদালাপে প্রথমেই আপনাকে অনেক অপমান করা হয়েছিল, তারপরও যখন আছেন তাই ধরে নিচ্ছি আপনার লজ্জা শরমের বালাই নেই। যার লজ্জা নেই তাকে লজ্জা দেওয়ার অর্থ নিজেই লজ্জা পাওয়া। তাই দিলাম না।

  11. 11
    কিংশুক

    ইউরোপ আমেরিকা যে কত কোটি প্রধানের বিনিময়ে এই শান্তি অর্জন করেছে তার জন্য 1900-1950 পর্যন্ত মহাযুদ্ধ কমুনিষ্ট বিপ্লব শাসন ঘাঁটলেই বুঝা যায় । ইউরোপে ইউক্রেনের মতো গরীব নাস্তিক দেশ আছে। খালি টাকা থাকলেই সুখ হয়না। সাদা ভগমানদেরও মাদকাসক্তি পরিবারহীনতা খুন রাহাজানি রেপ সবই আছে। হোমলেস আছে । কিন্তু সৌদিতে হোমলেস নাই। ইরাক ইরান মধ্যপ্রাচ্যে সামাজিক নিরাপত্তা সরকারি ভাবে আছে। মানব সম্পদ উন্নয়নের সূচকে উচ্চ রেটিং সম্পন্ন। শরিয়ার

    আর দেখলি ক? মালয়েশিয়ার অনেক প্রদেশের শরিয়া কায়েম হয়েছে । ওরা 10 বছরের মধেধ দঃ কোরিয়াকে হারাবে। নাইজেরিয়ার মুসলমান রাজ্যে শ রিয়া চালু হয়েছে । ওরা 10 বছরের মধ্যেই উচ্চ আয়ের দেশ হবে। ইন্দোনেশিয়া মিসর 10 বছরের মধ্যেই উচ্চ আয়ের ও শ রিয়া শাসিত হবে। শ রিয়া সাসিত সুদানের মাথাপিছু আয় ভারত মাতার চেয়ে কম নয়। পাকিস্তানের দারিদ্রের হার 10% হলে ভারতে 22%। 19 কোটি মানুষের পাকিস্থান এ মৃত্যু হার স্বাভাবিক মাত্রার।

  12. 12
    কিংশুক

    যেকোনভাবে ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদী হয়ে মানুষের সম্পদ লুটে নৈতিকতাহীন পরাশক্তি হওয়ার জন্য ইসলাম আসনি। মুসলমান 100% মুসলমান থাকার জন্য সোভিয়েত, য ুক্তরাষ্ট্রকেই চ্যালেঞ্জ এ হারিয়ে দিল। আর আপনার মতো মহাপতিত বিজেপি ভারতীয়ের চাণক্যের উপদেশের আমাদের শোনার সময় কই? ম্যালা পেচপেচ করেছো বাপু আগে তোমার অধঃপতিত রূপকথার বিজেপি ভাইদের সব নাস্তিক/ খেরেসতান বানাও। নিশ্চয়ই সাদা ভগমানরা খুশী হবে। তাড়াতাড়ি ইউরোপ আমেরিকা হয়ে যাবানে!

  13. 13
    কিংশুক

    এই বলদ বিজেপি টা সদালাপে স্থায়ী ভাবে লেদাতে চায়! ওর ল্যাদানি পরিস্কার করার ইচ্ছা আমাদের নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.