বিবর্তনবাদীদের সাথে বিতর্কে বিবর্তনবাদের যে মৌলিক বিষয়টা সব সময় মাথায় রাখতে হবে সেটি হচ্ছে- একটি ব্যাকটেরিয়া থেকে ধাপে ধাপে পুরো জীবজগতের বিবর্তন। অর্থাৎ,
একটি ব্যাকটেরিয়া ->->-> ধাপে ধাপে বিবর্তন ->->-> পুরো জীবজগত
(ঠাকুর্মার ঝুলি!)
এই মূল পয়েন্ট থেকে কখনোই বিচ্যুত হওয়া যাবে না। তাহলে দেখবেন ওরা অসহায় কাঠমোল্লার মতো আত্মসমর্পণ করবে কিংবা পালিয়ে বেড়াবে - যা ইতোমধ্যে অনেকেই হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন।
আরো উল্লেখ্য যে, বিবর্তনবাদীদের দাবি অনুযায়ী বিবর্তন একটি উদ্দেশ্যহীন, বুদ্ধিমত্তাহীন, এলোমেলো, ও অন্ধ প্রক্রিয়া - সামনে-পেছনে কোনো কিছু দেখে না। বিবর্তন যেমন অগ্রগামী হতে পারে তেমনি আবার পশ্চাদগামীও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বিবর্তনবাদীদের দাবি অনুযায়ী মাছ জাতীয় কোনো এক জলজ প্রাণী থেকে ধাপে ধাপে বিবর্তিত হতে হতে একদিন পাখি হয়ে আকাশে উড়তে শিখেছে! এটিকে বলা হচ্ছে অগ্রগামী বিবর্তন। তাহলে পশ্চাদগামী বিবর্তন অনুযায়ী কোনো এক পাখি থেকে উল্টোদিকে বিবর্তিত হতে হতে একদিন জলজ প্রাণীও হতে পারে! (বাচ্চারা হাসি চেপে রেখো কিন্তু 🙂 অন্যথায় বিবর্তনবাদী কাঠমোল্লারা লজ্জা পাবে।)
যাহোক, বিবর্তনবাদ যে একটি কল্পকাহিনী-ভিত্তিক তত্ত্ব ছাড়া বেশী কিছু নয় - তা বিবর্তনবাদীদের দ্বারাই প্রমাণ করে দেওয়া সম্ভব। কারো বিশ্বাস না হলে বিবর্তন তত্ত্বকে ডিফেন্ড করে অনেকদিন ধরে লেখালেখি করছে এমন কাউকে স্রেফ যুক্তিপ্রমাণ-ভিত্তিক বিতর্কে আসতে বলতে পারেন। সবার সামনেই তা প্রমাণ করে দেওয়া হবে। পাঠকদের সামনে প্রমাণ করে দিতে না পারলে অন্তর্জাল থেকে এতদিনের পরিশ্রম করা বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে আমার সবগুলো লেখা উঠিয়ে নেওয়া হবে।
এবার মূল প্রসঙ্গে আসা যাক। বিবর্তনবাদীদের দ্বারাই যে বিবর্তনবাদকে কল্পকাহিনী প্রমাণ করা সম্ভব, এবং বিবর্তনবাদীরা নিজেরাই যে বিবর্তনে বিশ্বাস করে না - তার পক্ষে অসংখ্য কেস দাঁড় করানো সম্ভব। তবে পাঠকদের মূল্যবান সময় নষ্ট না করে এই লেখাতে মাত্র দুটি উদাহরণ দেওয়া হবে।
কেস-১: ধরা যাক কেউ দাবি করলেন এই বলে যে, কোনো এক তালগাছ থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ধাপে ধাপে রিচার্ড ডকিন্স বিবর্তিত হয়েছে - অর্থাৎ রিচার্ড ডকিন্সের নিকটতম পূর্ব-পুরুষ হচ্ছে তালগাছ। কিংবা রিচার্ড ডকিন্স থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তালগাছ বিবর্তিত হবে। বিবর্তন যদি একটি উদ্দেশ্যহীন ও এলোমেলো প্রক্রিয়া হয় তাহলে এই ধরণের বিবর্তনে কোনো সমস্যা থাকার কথা নয়। সেক্ষেত্রে বিবর্তনবাদীদের প্রতি প্রশ্ন হচ্ছে:
তালগাছ থেকে রিচার্ড ডকিন্সের বিবর্তন কিংবা রিচার্ড ডকিন্স থেকে তালগাছের বিবর্তনকে বিবর্তনবাদীরা সত্য হিসেবে মেনে নেবে কি-না? উত্তর যদি 'না' হয় তাহলে এই ধরণের বিবর্তন কি বাস্তবে সম্ভব নয়? সম্ভব না হলে কেন নয় - এর পক্ষে যুক্তি দিতে হবে।
কেস-২: কেউ যদি দাবি করে এই বলে যে, কোনো এক হাতি থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পাখি বিবর্তিত হয়েছে - অর্থাৎ পাখির নিকটতম পূর্ব-পুরুষ হচ্ছে হাতি। কিংবা কোনো এক পাখি থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে হাতি বিবর্তিত হয়েছে বা হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিবর্তনবাদীদের প্রতি প্রশ্ন:
হাতি থেকে পাখির বিবর্তন কিংবা পাখি থেকে হাতির বিবর্তনকে বিবর্তনবাদীরা সত্য হিসেবে মেনে নেবে কি-না? উত্তর যদি 'না' হয় তাহলে এই ধরণের বিবর্তন কি বাস্তবে সম্ভব নয়? সম্ভব না হলে কেন নয় - এর পক্ষে যুক্তি দিতে হবে।
বুদ্ধিমান পাঠক এখানে থেকে আরো হাজার হাজার কেস দাঁড় করাতে পারেন। যেমন:
ছাগল থেকে বিবর্তনবাদীদের ধাপে ধাপে বিবর্তিত হতে সমস্যা কোথায়? অর্থাৎ বিবর্তনবাদীদের নিকটতম পূর্ব-পুরুষ ছাগল হতে সমস্যা কোথায়? কিংবা ইঁদুর বা চামচিকা বা কলাগাছ হতে সমস্যা কোথায়? ইত্যাদি। ইত্যাদি। বিবর্তনবাদীরা এই যৌক্তিক প্রশ্নগুলোর জবাব দেয় কি-না, লক্ষ্য রাখবেন। এই প্রশ্নগুলোর জবাব দিতে গেলেই বিবর্তনবাদ যে একটি কল্পকাহিনী-ভিত্তিক তত্ত্ব ছাড়া বেশী কিছু নয় - সেটা তাদের মাধ্যমেই প্রমাণ হয়ে যাবে।

নাঈম আবু বকর
ডিসেম্বর ১৭, ২০১২ at ৮:৫৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিবর্তনের থিওরিটি আসলেই হাস্যকর। কোনো দু’টি প্রাণীর মধ্যে কোনো কোনো বিষয়ে মিল থাকাই বিবর্তনের পক্ষে যুক্তি হতে পারে না। হঠাৎ করে কিছু বানর মানুষ হয়ে গেল; তাহলে এরপর হাজার হাজার বছরে আর কোনো বানর মানুষ হল না কেন? কথনও তো দেখা যায়নি বনাঞ্চল থেকে নাম পরিচয়হীন একদল মানুষ বেরিয়ে আসছে।
এস. এম. রায়হান
ডিসেম্বর ১৯, ২০১২ at ২:৫৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অবশ্যই!
ঠিক বুঝেছেন।
এবার কিন্তু বিবর্তনবাদী কাঠমোল্লারা আপনারে খাইছে কইলাম! তারা আপনার এই মন্তব্য দেখে যা করবে (ইতোমধ্যে অসংখ্যবার করেছে) তা হচ্ছে:
-- প্রথমেই তারা আপনার মন্তব্যকে 'ব্যাপক বিনোদন' আখ্যা দিয়ে হাসতে হাসতে ঘন্টা দেড়েক মাটিতে গড়াগড়ি খাবে। (হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাওয়ার ইমো মিস করছি, @সম্পাদক)
-- তারপর তাদের পীরবাবা হোড়াস মোল্লা স্ট্যাইলে বলবে, আপনি বিবর্তনের ব-ও বুঝেন না। আর হোড়াস মোল্লার মুরিদ আঃ মাহমুদ স্ট্যাইলে বলবে, আপনি একজন অশিক্ষিত কাঠমোল্লা।
-- সবশেষে বিজয়ীর বেশে বুকে চাপড় দিয়ে যা বলবে তার অর্থ হচ্ছে: হঠাৎ করে কিছু বানর তো আমগো মতো মানুষ হয়ে যায়নি! প্রকৃতপক্ষে বানর থেকে তো আমরা বিবর্তিত হইনি! বরঞ্চ বানর ও আমরা একটি 'সাধারণ পূর্ব-পুরুষ' থেকে ধাপে ধাপে বিবর্তিত হইছি।
এরপর বিবর্তনবাদী কাঠমোল্লারা চুপ মেরে যাবে। বাকিটুকু আপনাকে বুঝে নিতে হবে! এবার যদি তাদেরকে প্রশ্ন করেন: বানর ও আপনারা যে 'সাধারণ পূর্ব-পুরুষ' থেকে ধাপে ধাপে বিবর্তিত হইছেন সেই 'সাধারণ পূর্ব-পুরুষ' কি আপনাদের মতো মানুষ নাকি বানর নাকি অন্য কিছু ছিল? প্রমাণ-সহ সেই 'সাধারণ পূর্ব-পুরুষ' এর ছবি দেখাতে পারবেন কি-না? তাছাড়া বানর থেকে কি আপনাদের মতো মানুষের বিবর্তন সম্ভব নয়? এবার কিন্তু বিবর্তনবাদী কাঠমোল্লারা নিশ্চিতভাবেই লেজ গুটিয়ে পালাবে! শেষ বিজয়ের হাসিটা তাহলে কে দেবে, বুঝতেই পারছেন 😀
সরোয়ার
ডিসেম্বর ১৭, ২০১২ at ৯:৩৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তথাকথিত বিবর্তন অন্ধ প্রক্রিয়ায় হওয়াতে গোঁজামিল দেয়া অনেক সহজ!
শাহবাজ নজরুল
ডিসেম্বর ১৭, ২০১২ at ১১:৩৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
উত্তর
হ্যাঁ রিচার্ড ডকিন্স তালগাছ থেকেই বিবর্তিত হয়েছেন।
কারণটাও খুব সহজ -- কেননা তিনি সবসময় "তালগাছ আমার" জাতীয় যুক্তি দেন ও তালগাছ বগলে নিয়ে ঘুরে বেড়ান। আপনারা সৃষ্টিবাদিরা দেখছি একেবারে বোকা … এমন সহজ বৈজ্ঞানিক উত্তর জানা থাকা সত্ত্বেও দেখি বোকার মত প্রশ্ন করছেন??? দয়া করে একটু বিজ্ঞানমনষ্ক হোন।
ডিসেম্বর ১৮, ২০১২ at ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আরে তাই তো! চোখের সামনে দু-দু'টা অকাট্য প্রমাণ থাকতেও আমার মতো সৃষ্টিবাদীরা কোন প্রমাণ দেখতে পায় না! কী লজ্জা! কী লজ্জা!
ওদিকে সারা বিশ্বের নাস্তিক ও বিবর্তনবাদীদের বিখ্যাত মুরিদ/মুখপাত্র আজ ২-৩ বছর যাবত তার ইজারা নেয়া কিছু সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম (অক্সফোর্ড, কেম্ব্রীজ, হার্ভার্ড, ইত্যাদি) সহ তার দুই বাংলা গুরুর নাম উল্লেখ করে বিবর্তনবাদের পক্ষে অকাট্য প্রমাণ দেয়া সত্বেও আমগো মতো অশিক্ষিত কাঠমোল্লারা তা মেনে নিচ্ছে না! শুধু কি তাই! বিখ্যাত মুখপাত্র সাহেব একবার তার পেছন দিক হাতরিয়ে তার পূর্ব-পুরুষদের হারিয়ে যাওয়া "লেজের হাড়" এর সন্ধান পর্যন্ত পেয়েছেন। এর চেয়ে অকাট্য প্রমাণ আর কী হতে পারে? এর পরও আমগো মতো অশিক্ষিত গণ্ডমূর্খরা আরো প্রমাণ চায়!
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ডিসেম্বর ১৯, ২০১২ at ৯:২৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই তালগাছিরাই বিবর্তনবাদকে ধর্ম বানিয়ে ফেলছে -- কারণ এদের দেরী সহ্য হচ্ছে না।
মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত
ডিসেম্বর ১৮, ২০১২ at ৬:২৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আজকের হরতালে বামপন্থীরা চিড়িয়াখানার বানরগুলোকে পিকেটিং করার জন্য নামাতে পারত। কারণ মানুষ পাওয়া যাচ্ছিল না, তাছাড়া বামপন্থীরা তো নিজেদের বানরের সমগোত্রীয়ই মনে করে।
শামস
ডিসেম্বর ১৮, ২০১২ at ৮:৪৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এটা গবেষণার বিষয় হইতে পারে, তালগাছ এক পা হইতে কিভাবে দুপায়ে বিবর্তিত হইল!
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ডিসেম্বর ১৯, ২০১২ at ৯:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিবর্তনবাদ একটা চলমান মতবাদ। বিজ্ঞানের যে অসীম ক্ষেত্র তার একটা হলো বিবর্তন বিষয়ক জ্ঞানার্জন। সমস্যা হলো এই চলমান জ্ঞানচর্চাকে একদল নিজেদের মতো করে একটা সিদ্ধান্তের দিকে নিয়ে যেতে চায়। তারা মৌলবাদীদের মতোই আচরণ করে। বিবর্তনবাদ অন্য সকল বিজ্ঞানের মতবাদের মতোই গ্রহণ বর্জনের মধ্য দিয়েই এগুচ্ছে এবং কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌছুতে পেরেছে বলে কেউ দাবী করেনি। তবে কিছু অন্ধ মৌলবাদী বিবর্তনবাদকে সৃষ্টিতত্ত্বের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে চায় নিজেদের মতাদর্শকে প্রমাণ করতে -- সেইটা যেমন ভুল। তেমনি বিবর্তনবাদের ভুল বা সীমাবদ্ধতাকে কেন্দ্র করে পুরো বিষয়টাকে বর্জনের চেষ্টাও ভুল।
আপনার লেখায় তালগাছ এবং ডাউকিন্স তুলনাটা ঠিক হয়নি। কারণ আজকের যে তালগাছ -- সেইটা হয়তো মিলিয়ন বছর আগে এমন ছিলো না -- বিবর্তনের মাধ্যমে অন্যকোন একটা রূপ থেকে আজকের রূপে এসেছে -- তেমনি ডাউকিন্সও মিলিয়ন বছর আগে এমন ছিলো না -- বদলেছে। সুতরাং সহজ সরল তুলনাটা ঠিক না।
মোদ্দা কথা হলো বিজ্ঞানে চলমান কোন গবষেণার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়াটা ঠিক না।
এবার আসি কোরানের বিষয়ে -- দেখুন কোরান কি বলে --
(21:11)
আমি কত জনপদের ধ্বংস সাধন করেছি যার অধিবাসীরা ছিল পাপী এবং তাদের পর সৃষ্টি করেছি অন্য জাতি।
সূরা আম্বিয়া (The Prophets )
(21:30) কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?
মানুষকে আল্লাহ তৈরী করছেন জিজ্ঞাসা প্রবন হিসাবেই -- মানুষ প্রতিনিয়ত জানতে চাইবে এবং এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে শেষ দিন পর্যণ্ত। কতটুকু মানুষ জানবে তাও নির্ধারিত আছে। বাকীটুকু হাসরের দিন উন্মোচন করা হবে।
সুরা বাকারা আয়ত ২৫৫ এ বলা আছে মানুষ ততটুকু্ জ্ঞানার্জন করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ অনুমোদন দেবেন। আর বাকীটুকু হাসরের দিনে উন্মুক্ত করা হবে --
সুরা যিলযালের আয়াত ৪ এ বলা আছে -- সেইদিন পৃথিবী তার ভিতর থেকে সকল রহস্য বের করে দেবে কারন আল্লাহ সেই রকমই আদেশ দেবেন।
ধন্যবাদ।
এস. এম. রায়হান
ডিসেম্বর ২০, ২০১২ at ৩:৩৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে বিবর্তনবাদ বিষয়ে আপনার মন্তব্যে কোরানের আয়াতের উদ্ধৃতি অনেকের কাছেই বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে। বিবর্তনবাদী ভণ্ডরা বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে কোন প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত হতাশ হয়ে ইতোমধ্যে কোরান ও একশ বছর পরের তাদের কাল্পনিক 'ইসলামপ্রিয়' ভাইদের মুখে কথা গুঁজে দিয়ে বিবর্তনবাদকে সত্য বলে প্রচার শুরু করেছে -- যদিও তাদের কেউ কেউ অনেক আগেই জোর গলায় দাবি করেছে যে বিবর্তনবাদ ইসলাম ও সৃষ্টিতত্ত্বকে বাতিল করে দিয়েছে। এখন এসে আমাদের কারো লেখায় কোরানের আয়াত দিয়ে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করা দেখলে ওরা কিন্তু ইউরেকা ইউরেকা (প্রমাণ পাওয়া গেছে, প্রমাণ পাওয়া গেছে) বলে খুশীতে বগল বাজাবে! আর যারা অনেক সময় ও মেধা ব্যয় করে বিবর্তনবাদীদের ভণ্ডামী উন্মোচন করছেন তারা পড়ে যাবেন বিপদে।
এখানে একটি জাতিকে (একদল পাপী মানুষ) ধ্বংস করে আরেকটি জাতি (মানুষ) সৃষ্টির কথা বলা হচ্ছে -- যেখানে এক প্রাণী থেকে ধাপে ধাপে ভিন্ন প্রাণী বিবর্তিত হওয়ার কিছু নাই।
প্রাণবন্ত সবকিছু পানি থেকে সৃষ্টি করার মধ্যেও এক প্রাণী থেকে ধাপে ধাপে ভিন্ন প্রাণী বিবর্তিত হওয়ার কিছু নাই। আশা করি ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন।
দয়া করে বিবর্তনবাদ নিয়ে আরেকটু গভীরভাবে ভেবে দেখবেন। তাহলে দেখবেন যে বিবর্তনবাদ আসলে কল্পকাহিনী-ভিত্তিক একটি মতবাদ ব্যতীত কিছু নয়। এই মতবাদের উপর ভিত্তি করে সাদা চামড়ার মানুষকে বিবর্তন পিরামিডের চূড়ায় রেখে কৃষ্ণাঙ্গদেরকে শিম্পাঞ্জী ও সাদা চামড়ার মধ্যকার 'মিসিং লিঙ্ক' বানিয়ে দেয়া হয়েছে। 'মিসিং লিঙ্ক' মানে হচ্ছে অপূর্ণাঙ্গ কিছু -- মানে কৃষ্ণাঙ্গরা পূর্ণাঙ্গ মানুষ নয়।
এস. এম. রায়হান
ডিসেম্বর ২০, ২০১২ at ৪:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার লেখায় তালগাছ ও ডকিন্স এর উদাহরণ [এটি স্রেফ একটি উদাহরণ] কী উদ্দেশ্যে দিয়েছি তা হয়ত আপনি ধরতে পারেননি। তবে বিবর্তনবাদীরা কিন্তু ঠিকই ধরতে পারবে, আর এজন্য তারা দূর থেকে ছদ্মনিকে গালিগালাজ ছাড়া আমার সাথে সরাসরি কোন বিতর্কে আসবে না। এই বিষয় নিয়ে [আরো অনেক বিষয় আছে] সরাসরি বিতর্কে এলেই কিংবা আমার প্রশ্নের যৌক্তিক জবাব দিতে গেলেই পাঠকদের কাছে তাদের ভুংভাং সব ফাঁস হয়ে যাবে।
এস. এম. রায়হান
ডিসেম্বর ২১, ২০১২ at ৩:০০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ওয়েল, বিবর্তনবাদের "সীমাবদ্ধতা" বলে কিছু নাই -- যেহেতু এটি পুরোপুরি একটি ভুল তত্ত্ব। আর পুরোপুরি ভুল কিছুকে পুরোপুরি বর্জন না করে আংশিক বর্জন কীভাবে করা যায় তা যদি ব্যাখ্যা করতেন তাহলে পাঠকদের জন্য ভাল হতো। অন্যথায় অসচেতন পাঠকরা মনে করতে পারে বিবর্তনবাদের মধ্যে পুরোপুরি না হলেও কিছু সত্যতা আছে।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ডিসেম্বর ১৯, ২০১২ at ৯:৩৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এইটা খুবই সত্য কথা। বিবর্তনের মতবাদ -- যা একটা থিয়োরী তাকে চূড়ান্ত সত্য বিবেচনা করে আবযাব জ্ঞান নিয়ে যখন কেউ বিবর্তনবাদী পরিচয় দিয়ে ধর্মকে গালাগালি করে তাদের দৌড় আর কতটুকু আশা করেন?
পাভেল আহমেদ
ডিসেম্বর ২০, ২০১২ at ১০:০৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার কাছে আজব লাগে তাদের কথাবার্তার স্টাইল দেখে। তাদের কথা অনুসারে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে চান্স দ্বারা, প্রাণ সৃষ্টি হয়েছে চান্স দ্বারা। সবই টাইম আর চান্স দ্বারা হল কিন্তু যখনি জিজ্ঞাসা করা হয় যে তাহলে কেন কোন ট্রানজিসনাল ফসিল পাওয়া যায় না তখন তারা সম্পূর্ণ উল্টে যায়। বলে যে ফসিল তৈরি হবার জন্য কিছু নির্দিষ্ট পরিবেশ থাকতে হয় যা খুবই রেয়ার। এই কারণেই কোন ট্রানজিসনাল ফসিল পাওয়া যায় না। মানে সবই চান্স দ্বারা হতে পারে শুধু ট্রানজিসনাল ফসিল চান্স দ্বারা হতে পারে না।
কিংশুক
ডিসেম্বর ২০, ২০১২ at ১১:৫৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিবর্তন যদি একটি উদ্দেশ্যহীন, বুদ্ধিমত্তাহীন, এলোমেলো, ও অন্ধ প্রক্রিয়া হয় তাহলে বিবর্তনবাদিদের সাজানো প্লট অনুযায়ী বিবর্তন হতে হবে কেন, তালগাছ হতেও ডকিন্সের বিবর্তন হতে পারে। তাদের চিত্র নাট্য অনুযায়ী বিবর্তনের প্রমাণ চাইলে 'একদা এক প্রাচীন কালে ইহা হইয়াছিলো, উহা হইয়াছিলো কিন্ত তখন আমরা ছিলাম না, তাই আমাদের দেখার কোন প্রশ্নই আসেনা, কেউই তাহা চাক্ষুষ দেখেনি, দেখবোওনা-মরে গেলেও না, কিন্তু যেহেতু আমাদের উর্বর মস্তিষ্ক সেহেতু আমরা ইহাতে গভীরভাবে বিশ্বাস করি। তোমার যদি আমাদের মতো উর্বর মস্তিষ্ক থাকে তাহলে তুমিও ইহা বিশ্বাস করবে। সুতরাং, প্রমাণিত হইলো যে, "বিবর্তনবাদ" প্রমাণিত সত্য( স্বতঃসিদ্ধ)'। সম্পূর্ণ উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত এবং মহাবিশ্বের সকল বস্তু অন্ধ, কালা, বোবা "প্রকৃতি মাওলা"র আশির্বাদে কোটি ভাগের ভগ্নাংশ ভাগের সম্ভাবনা নিয়ে খাপের খাপ তৈরী হইয়া গিয়াছে। যেহেতু আমাদের মস্তিষ্ক উর্বর সেহেতু বাকী নিরানব্বই লক্ষের অধিক সম্ভাবনা নিয়ে কেউ যদি তাহা অসম্ভব বলে তবে আমরা তা মানিয়া নিবো না। কেননা আমরা ইহাতে গভীর ভাবে বিশ্বাস করি। অতএব, ইহাতে প্রমাণিত হলো যে, কেবল আমরাই বিজ্ঞান মনষ্ক, যুক্তিবাদি সম্প্রদায় (স্বতঃসিদ্ধ)। যুক্তিই আমাদের এই মুক্তি এনে দিয়েছে, বিজ্ঞানই আমাদের এতো দিব্যদৃষ্টি সম্পন্ন "বিশ্বাসের ভাইরাস" মুক্ত করেছে। অতএব, এতদ্বারা ইহাও প্রমাণিত হইলো যে, একমাত্র আমরাই ১০০% ভেজালমুক্ত খাঁটি ‘মুক্তমনা’।
এই বিষয়ে যে বা যাহারা কোন প্রশ্ন তুলবে তাহারা অবৈজ্ঞানিক, কুসংস্কারাচ্ছন্ন, অন্ধবিশ্বাসী বলিয়া গণ্য হইবে।
এত সুন্দর বৈজ্ঞানিক, যুক্তিসম্পন্ন ঘোষণা যাহারা দেয় সবাই নিশ্চয় বুজতে পারছেন যে, তাহারা 'তালগাছবাদি' নয় বরং তাহাদের সম্প্রদায় বহির্ভূত বাকী সবাই 'তালগাছবাদি'।
এস. এম. রায়হান
ডিসেম্বর ২১, ২০১২ at ১:০৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একজ্যাক্টলি। আপনি আমার লেখার উদ্দেশ্য পুরোপুরি ধরতে পেরেছেন যেটি জিয়া ভাই সেভাবে লক্ষ্য করেননি। জিয়া ভাই বিবর্তনবাদীদের সাজানো প্লট (ধোঁকাবাজী) অনুযায়ী কথা বলে মনের অজান্তে বিবর্তনবাদকে সমর্থন দিয়েছেন।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ডিসেম্বর ২১, ২০১২ at ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কোরানের ভাষ্য অনুসারে একটা জাতির ধ্বংশের যে কথা বলা আছে -- তা কোন ক্ষেত্রে সুষ্পষ্ট ধ্বংশ করা হয়েছে ( যেমন সামুদ বা আদ জাতির কথা -- বা লুত সম্প্রদায়ের কথা বলা হয়েছে -- যার প্রতিফলন এই আয়াতে দেখি।
(21:11) আমি কত জনপদের ধ্বংস সাধন করেছি যার অধিবাসীরা ছিল পাপী এবং তাদের পর সৃষ্টি করেছি অন্য জাতি।
কিন্তু ধীরে ধীরে একটা জাতিকে সরিয়ে অন্য একটা জাতিকে প্রতিষ্ঠা করার কথাও বলা আছে কোরানে -- যেমন
(47:38)
শুন, তোমরাই তো তারা, যাদেরকে আল্লাহর পথে ব্যয় করার আহবান জানানো হচ্ছে, অতঃপর তোমাদের কেউ কেউ কৃপণতা করছে। যারা কৃপণতা করছে, তারা নিজেদের প্রতিই কৃপণতা করছে। আল্লাহ অভাবমুক্ত এবং তোমরা অভাবগ্রস্থ। যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তিনি তোমাদের পরিবর্তে অন্য জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করবেন, এরপর তারা তোমাদের মত হবে না।
এর মানে এই না যে বিবর্তনবাদের মতাদর্শের মতো করেই হয়েছে বলে বলার মতো কোন কারন পাওয়া যায়নি। কিন্তু বিবর্তনকেও উড়িয়ে দিতে পারিনি বাস্তবতার কারনেই --
যেমন ধরা যাক ইউরোপের কথা -- সেখানে সমাজবিদদের সবচেয়ে বড় মাথা ব্যাথা হলো পরবর্তী জেনারেশন হয়ে যাচ্ছে মিক্সড ব্লাড -- পিওর জার্মান ব্লাডের পিউরিটি ধরে রাখার জন্যে এরা নানান ধরনের আইনকানুন তৈরী করছে -- কিন্তু বাস্তবতার কারনেই জার্মান মেয়েরা তিউনিশিয়ান বা টার্কিশ ছেলেদের বিয়ে করে সংসারী হচ্ছে -- মানে পরবর্তী জেনারেশন শুধু ধর্মের দিক থেকেই ভিন্ন নয় -- নৃতাত্তিক ভাবেও ভিন্ন হয়ে যাচ্ছে। মোটামুটি ভাবে ইউরোপের এই ট্রেন্ড চলছে আগামী শতকে পিওর ইংলিশ বা জার্মান বা স্কেনডেনেভিয়ানরা সংখ্যা লঘু হয়ে যাবে হয়তো ৫০০ বছর পর একটা ভিন্ন ধরনের ডেমোগ্রাফিক বিশ্ব দেখা যাবে।
পরিবর্তনের এই পদ্ধতিটাও একটা বিবর্তনের ধারা -- যা নেচারাল সিলেকশানের মধ্যেই পড়ে -- মেয়েরা তাদের অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা এবং নিজেদের নিরাপত্তার বিবেচনায় মুসলমান ছেলেদের বিয়ে করছে -- যা তাদের অবচেতন মনেই করছে।
মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত
ডিসেম্বর ২১, ২০১২ at ২:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দুইটা ভিন্ন জাতির ছেলেমেয়ের বিয়ের মধ্যে বিবর্তনের কী দেখলেন ভাই? তাদের সন্তানেরা তো মানুষই থাকছে, কথিত "বিবর্তিত" হয়ে অন্য কোনো প্রাণী তো হয়ে যাচ্ছে না। নাকি? মানুষ নরমালি বিবর্তন বলতে বিবর্তনবাদীদের প্রচার করা জিনিসপত্রই বুঝে, আপনি যেটা বুঝিয়েছেন সেটা না। এটা ক্ল্যারিফাই করলে ভালো হত।
এস. এম. রায়হান
ডিসেম্বর ২১, ২০১২ at ২:৩২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিয়া ভাই,
প্রথমত, আপনি যে আয়তগুলো দিয়েছেন সেগুলোতে মানুষ জাতির কথা বলা হয়েছে। এক পাপী জাতি বা গোষ্ঠিকে ধ্বংস করে আরেক জাতি বা গোষ্ঠিকে সৃষ্টি করা হয়েছে। ইসলাম অনুযায়ী পশুরা কোন পাপ করতে পারে না। ফলে পশুদের ধ্বংস করার প্রশ্নই আসে না। অতএব, এই আয়াতগুলোর সাথে বিবর্তনবাদ [এক প্রজাতি থেকে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজাতিতে রূপান্তর -- যেটি একটি কল্পকাহিনী] এর সামান্যতমও কোন সম্পর্ক নাই। তাছাড়া এক জাতিকে ধ্বংস করে আরেক জাতি সৃষ্টির মধ্যে বিবর্তনের কিছুই নাই।
দ্বিতীয়ত, আপনি যে মিক্সড ব্লাড জেনারেশন এর কথা বলেছেন তার সাথেও বিবর্তন তত্ত্বের কোন সম্পর্ক নাই। আপনি যদি বিবর্তনাবাদ নিয়ে আমাদের -- বিশেষ করে আমার -- লেখাগুলো পড়ে থাকেন তাহলে দেখবেন আমাদের লেখার কোথাও মিক্সড ব্লাড জেনারেশন এর সত্যতা নিয়ে সংশয় করা হয়নি। প্রকৃতপক্ষে এই বিষয়টা আমাদের লেখাতে আসেইনি। কেননা এই বিষয়টা যেমন দিনের আলোর মতো সত্য তেমনি আবার এটি বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে কোন প্রমাণ বা যুক্তি নয়।
এ-ব্যাপারে আপনার সাথে আলোচনার আশা রাখি।
মহিউদ্দিন
ডিসেম্বর ২১, ২০১২ at ৮:২৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভিন্ন জাতির ছেলেমেয়ের মধ্যে বিয়ের প্রসংগ (মিক্সড ব্ল্যাড ম্যারেজ) নিয়ে এসে বিবর্তনের পক্ষে বলার চেষ্টা করা মারাত্মক ভুল। কারণ এগুলোর সাথে বিবর্তনের দূরতমও কোন সম্পর্ক নাই।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
ডিসেম্বর ২২, ২০১২ at ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এইটা আমার বুঝের ভুল। তবে নেচারাল সিলেকশানের কথা বিবেচনা করেই কথাটা ভেবেছিলাম। একটা প্রজাতি নির্মূল হওয়া থেকে রক্ষার যে মেকানিজম -- সেই বিবেচনায়ই কথাটা বলেছি।
সাদাত
ডিসেম্বর ২২, ২০১২ at ১২:০০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার মনে হচ্ছ আপনি বিবর্তন আর বিবর্তনবাদকে এক করে ফেলছেন!!
এস. এম. রায়হান
ডিসেম্বর ২২, ২০১২ at ২:২৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার একাধিক লেখায় "বিবর্তন" আর "বিবর্তনবাদ" এর মধ্যে পার্থক্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
বিবর্তন মানে হচ্ছে পরিবর্তন বা ক্রমবিকাশ। বিবর্তন শব্দটা বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ করা যায় -- নির্ভর করছে উদ্দেশ্য ও ব্যক্তিবিশেষের উপর। যেমন: শুক্রাণু ও ডিম্বাণু থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর বিবর্তন; একটি বীজ থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে বিশাল একটি গাছের বিবর্তন; অতি সাধারণ একটি ক্যালকুলেটিং মেশিন থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে আধুনিক কম্পুটার ও ক্যালকুলেটর এর বিবর্তন; ইট-সিমেন্ট-বালি থেকে শুরু করে দৃষ্টিনন্দন একটি টাওয়ার এর বিবর্তন; ইত্যাদি -- এগুলোর সবগুলোকেই বিবর্তন বলা যায়।
অন্যদিকে বিবর্তন তত্ত্ব বা বিবর্তনবাদ হচ্ছে ডারউইন-প্রস্তাবিত বিশেষ একটি তত্ত্ব বা মতবাদ -- যে তত্ত্ব অনুযায়ী একটি অণুজীব থেকে "এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন" নামক মন্ত্রের মাধ্যমে ধাপে ধাপে পুরো উদ্ভিদজগত ও প্রাণীজগত বিবর্তিত হয়েছে -- যেটি একটি কল্পকাহিনী। আমার বিভিন্ন লেখায় এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।
আমরা ডারউইন-প্রস্তাবিত তত্ত্বকে ভুল ও কল্পকাহিনী বলি, স্রেফ বিবর্তন-কে নয়।
উল্লেখ্য যে, বিবর্তনবাদীরা তাদের লেখায় "বিবর্তন তত্ত্ব" বা "বিবর্তনবাদ" না লিখে স্রেফ "বিবর্তন" লিখে অসচেতন পাঠকদেরকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে -- যেটি একটি ধোঁকাবাজী।
নীরব সাক্ষী
ডিসেম্বর ৩০, ২০১২ at ৭:৩৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বেশ মজার পোষ্ট। তাল গাছের ছবিটি জব্বর লাগছে। আর ডকিন্সকে কেন জানি আবুলের মত দেখাচ্ছে!
সদালাপে নতুন। রেজিস্ট্রেশন করলাম। এখানে পোষ্ট করা মনে হয় অনেক ঝামেলার কাজ। পোষ্ট করার প্লাটফর্মই পাচ্ছি না। নতুনদের জন্য সাইটটি ইউজার ফ্রেন্ডলী নয়। মডারেটর যদি এই বিষয়টা দেখতেন। ধন্যবাদ।
এস. এম. রায়হান
ডিসেম্বর ৩০, ২০১২ at ৮:১১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ডকিন্সের কিছু অন্ধ অনুসারী ছাড়া সবার কাছেই তাকে আসলে আবুলের মতো লাগে!
আমরা যারা অনেক আগেই সদালাপে রেজিস্ট্রেশন করেছি তখন এই ঝামেলা ছিল না। পরে এটি যুক্ত করা হয়েছে। এজন্য আমিও সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
তবে আপাতত প্রথম লেখাটি সরাসরি বরাবর ই-মেইল করে ওয়ার্ড অথবা টেক্সট হিসেবে পাঠিয়ে দেন। প্রথম লেখাটি প্রকাশ হওয়ার পর নিজে থেকেই লেখা পোস্ট করার অ্যাকসেস পেয়ে যাবেন।
উল্লেখ্য যে, খুব সম্ভবত একমাত্র আমু ব্লগ ছাড়া অন্য কোনো ব্লগেই কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করে সরাসরি লেখা পোস্ট করা যায় না। কোনো কোনো ব্লগে তো মাসের পর মাস ধরে অপেক্ষা করতে হয়। সেদিক দিয়ে সদালাপ কিন্তু অনেক ফাস্ট ও লিবারাল।
নীরব সাক্ষী
ডিসেম্বর ৩০, ২০১২ at ৯:৫৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ। আমি সেই সকাল বেলাত এডিটরের কাছে লেখাটি ইমেল করেছি।
ফুয়াদ দীনহীন
ডিসেম্বর ৩০, ২০১২ at ১০:০৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বস, সম্পাদক সাহেব বেশ ব্যাস্থ মানুষ, তাই একটু সময় দিন। মাঝে মাঝে ট্যাকনিকাল সমস্যা হয়। বেশী দেড়ি হলে, হয়ত মেইলটি পোছে নাই। সেই ক্ষেত্রে আবার মেইল করে দিয়েন।
HM mohsin
নভেম্বর ৪, ২০১৫ at ৪:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সদালাপে নতুন।