অভিজিতের নির্মম হত্যার প্রতিবাদ দিয়েই শুরু করা যাক। হত্যার প্রতিবাদটাই এখন মূখ্য, তবে তার কালো অধ্যায়কে ধামাচাপা দিয়ে নয়! যে অধ্যায়ের রচয়িতা সে নিজে, তাকে কেন মুছতে হবে! অবশ্য সেটাই নানাভাবে করার প্রয়াস লক্ষ্যণীয়, রাজীব তথা থাবাবাবারে নিয়েও তাই হয়েছিল।
অভিজিতের মতো চরিত্ররা কয়েকবার হত্যা হয়! প্রথমে যে-ই মারুক, পরের বার মারে মুরিদরা! এটাই হয়ে আসছে, সূর্যের চেয়ে বালির তেজ বেশী, গুরুর চেয়ে মুরিদদের উৎসাহ বেশী! তবে লেবু কচলালে তেতো হয়, আর গুরুরে কচলাইলে মিথ হয়। মিথেও সত্য থাকে, অবশ্য মিথ্যার প্রাচুর্যে সত্য পাওয়াটা দূরহ হয়ে পড়ে। উটপাখি কোনকালে কখন বালিতে মুখ লুকিয়েছিল কে জানে, তবে ‘উটপাখি বালিতে মুখ গুঁজে’ মিথের কল্যাণেই!
অসাম্প্রদায়িকতা, প্রগতিশীলতা – ব্রান্ডেড নাম, এই সময়ে যথেষ্ট ওজন বহন করে, অভিজিতও এতে ভূষিত হচ্ছে। অসাম্প্রদায়িকতার কারণে অভিজিত নিহত হলে খুনীদের লিস্ট লাখ বিশেকে ভরে যেতো! অসাম্প্রদায়িকতা একটা আলখাল্লার মতো, পরলে ভালো মানায়, আর ভিতরটাকেও ঢাকা যায়। তাদের গুরু ছিলেন গোঁড়া নাস্তিক! আস্তিক গোঁড়া হলে প্রতিক্রিয়াশীল হয়, আর নাস্তিক গোঁড়া হলে প্রগতিশীল হয়।
প্রগতিশীলতা শব্দটা বামপন্থী কিংবা বামের দিকে হেলানোদের কাছে সম্পত্তিবিশেষ। তারা কেন প্রগতিশীল সেটা অবশ্য পুরোপুরি বুঝার উপায় নাই, অনুমান করা যায়। বেশ কিছুদিন আগে ফেসবুকে কিছু ‘প্রগতিশীল’দের দেখা গেল ইরানে ইসলামী বিপ্লবের আগে এবং আফগানিস্তানে কমিউনিস্ট শাসনের সময়কার কিছু ছবি শেয়ার করতে। ইরান কিংবা আফগানিস্তানে একসময়ে মেয়েরা যে কতো স্বাধীনতা ভোগ করতো সেটাই বুঝানো। অবশ্য সমীকরণে ফেললে ‘প্রগতিশীলতা’কেই পাওয়া যাবে। ছবিগুলোতে ছিল মূলত শর্টস ও বিকিনি পরিহিত কিছু মেয়ে! বাঙ্গালী যে শত বছর আগে কতো আধুনিক ছিল সেটাও জানা হয়েছে তাদের কল্যাণেই!
অভিজিতও প্রগতিশীল, তবে কী কারণে প্রগতিশীল যথারীতি সেটাও বুঝার উপায় নেই। প্রগতিশীলরা না জেনেও প্রগতিশীল উপাধি দিতে এবং নিতে পারে। ইসলামী রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা সাংস্কৃতিক দলকে সাধারণত প্রগতিশীল দাবী করতে দেখা যায় না, সম্ভবত পশ্চাৎপসারণতাকে মেনেই তারা ধার্মিক হয়, ১৪ শো বছরের একটা হিসেব আছে! অবশ্য হাজার বছরের ঐতিহ্য নিয়ে বাঙ্গালী প্রগতিশীলরা প্রগতিশীলতায় তাদের স্বত্ব দিতে নারাজ! প্রগতিশীলতার লিটমাস টেস্ট – ধর্মের বিরুদ্ধাচারণ (সরল হিসেবে সেটা ‘ইসলাম’!!)।
নাস্তিক মানে ধর্মবিরোধী আর মুক্তমনা মানে ইসলাম বিদ্বেষী! অভিজিত মুক্তমনা তথা ইসলাম বিদ্বেষীদের জন্য একটা কমন প্ল্যাটফর্ম তৈরী করে সেই বিদ্বেষের চাষাবাদ করে গেছে। জ্ঞানবান্ধব ‘প্রগতিশীল’রাও সেখানে বিচরণ করতো, লেখালেখি করতো। বিজ্ঞানের বিশেষ গবেষণা হতো, প্রগতিশীলতা এবং অসাম্প্রদায়িকতার আলখাল্লার মতো।
অভিজিতের মুক্তমনার ইসলামবিদ্বেষে শ্রেণীসংগ্রামের বটিকা থাকায় বামরাও ভিড়তো। বামদের অপকর্মের দায় আপামর নাস্তিকরা নিতে অপরাগ, অথচ রাজপথে অতি ক্ষুদ্র বামদের ছাড়া তাদের চলেও না! আর আপামর মুক্তমনারা কলমেই বীরত্ব খুঁজে পায়, এতে নিরাপদ দূরত্বে থেকে রাজা-উজীর মারা যায়। কলম দিয়েও অন্যায় করা যায়, আহত করা যায়, অসততা ও মিথ্যার পাহাড় গড়া যায়। বেচারাদের আবার আফসোস, তারা অস্ত্র দিয়ে হত্যা করতে পারে না! অবশ্য মারার কাজটা তাদের হয়ে অন্য কেউ করে দিলে ঠিকই খুশী হয়! হেফাজতের হুজুরদের রক্তের বিনিময়ে তাদের চেনা গিয়েছিল!
অবশ্য বামরা তুলনামূলকভাবে অনেক সোজাসুজি, কিন্তু বামদিকে হেলানোরা বর্ণিল। এই হেলানোর মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী আছে, আছে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদীরা (অন্য জাতীয়তাবাদীরা ধর্মের সাথে মিশ্রণ তৈরী করে না-ঘরকা না-ঘটকা টাইপের হয়ে গেছে!) এবং কাল্ট এর সদস্যরাও। ঐসব প্রগতিশীলরা রাসুল (সাঃ)-এর বিবাহিত জীবন, চরিত্র, প্রতিরক্ষার যুদ্ধ নিয়ে করা বিদ্রুপকে অবলীলায় হজম করতে পারে, এবং স্থানবিশেষে উস্কানি দিতেও কার্পণ্য করে না। যদিও সময় সুযোগে তাদের অনেকে আবার কোরান হাদিসও টানে! বিষয়টা প্রায়রিটির। লতিফ সিদ্দিকী ভরা কক্ষে রাসুল (সাঃ)-কে নিয়ে বিদ্রুপ করলে হজম করতে পারে প্রায়রিটির জায়গাটা আহত না হবার কারণেই! অভিজিতদের ব্যাপারেও সেই হজমটাই চলে! হজমিটা হল ‘বাকস্বাধীনতা’ এবং বিশেষকিছুতেই কেবল হরণ হয়। অবশ্য, এভাবেই নানা বৈচিত্রের সমন্বয়ে ডান, বাম, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী, প্রগতিশীল ইত্যাদি নিয়ে ১.৬ বিলিয়ন মুসলমান হয়!
হত্যা কখনো কাম্য নয়। অভিজিত হত্যার বিচার হোক। সাথে বন্ধ হোক মুক্তমনাদের ইসলাম নিয়ে ঘৃণার চাষাবাদ!

এম_আহমদ
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৩:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কী আর বলি, এক গুচ্ছ সত্য কথা অকপটে বলে ফেলেছেন, কোনো কালো অধ্যায়কে ধামাচাপা না দিয়েই। আজকে টিভি, খবরের কাগজ ইত্যাদিতে সুশীল নামে এবং শিক্ষিত বলে পরিচিত কিছু লোক নিজেদেরকে ‘মহৎ’ ‘উদার’ ‘শিক্ষিত’ ও ‘সংস্কৃতিবান’ দেখাতে, না জেনে, না বুঝে, অথবা ভাল করে জেনে এবং ভাল করে বুঝে নিজেদের মনের লুকায়িত কথা যেভাবে প্রকাশ করছেন তা দেখে চরমভাবে বিস্মিত হতে হয়। বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ড থেকে ইসলাম তুলে দিতে কী হচ্ছে এবং এর গভীরতা যে কতটুকু তা এই পরিস্থিতিতে যদি কারো দৃষ্টিগোচর না হয় তবে এর চেয়ে স্পষ্ট করে দেখানো কিছুতেই সম্ভব নয়। রাতের কালো আঁধারে কালো পিঁপড়ের অক্লান্ত কর্মতৎপরতা হঠাৎ বাতি জ্বলে উঠলে যেভাবে প্রকাশ হয়ে পড়ে, এমনই উপমায়, আজকে অনেক দৃশ্য আলোকোজ্জ্বল হয়ে পড়েছে। আজ খাটি সাম্প্রদায়িকদের “অসাম্প্রদায়িকতা” আর খাটি ধাপ্পাবাজির “প্রগতিশীলতা” নগ্ন দেহে প্রকাশ পেয়েছে।
ভাষার প্রাঞ্জল্য, রূপকতা ও উপমার ব্যবহার ছোট্ট এই ব্লগে সুন্দর হয়ে প্রকাশ পেয়েছে।
ইয়ামিন খান
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৫:০১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাল বলেছেন।
শামস
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৮:০৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ।
আহমেদ শরীফ
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৬:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শামস
মার্চ ৬, ২০১৫ at ৭:৩৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কেউ যখন দাবী করে সে মুসলিম, সেখানে প্রথম ফিল্টার 'আল্লাহ ও রাসুল (সাঃ)' তারপরে অন্যান্য কিছু। এখন সেক্যুলার, প্রগতিশীল, রাজনৈতিক কাল্ট এসবদের কাছে ফিল্টার হিসেবে ইসলাম থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু সেটা প্রায়রিটি না। সেটাই বলতে চেয়েছি।
শাহবাজ নজরুল
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শামস অনেকদিন পরে আপনার লেখা পড়লাম। আপনার লেখার অভাব সবসময়ই ফিল করি। এখানে যেভাবে খাঁটি কথাগুলো বলেছেন -- যেন মনের মধ্যে আঁটকে থাকা বাষ্প বেরুনোর সুযোগ পেল। অভিজিৎ সহসাই বাংলাদেশের এরিস্টটল আর আইনষ্টাইন হতে চলেছেন। সারা জীবন ঘৃণার বড়ি বিক্রি করে তিনি হলেন অসাম্প্রদায়িক আর সারাজীবন 'প্রতারণামূলক' একচোখা বিজ্ঞান এর সাহায্য নিয়ে 'নাস্তিকতার' প্রসার করে তিনি হলেন বিজ্ঞান-মনস্ক??? এইই হচ্ছে নিয়তির বিধান।
তবে আমি ইনশাল্লাহ হাল ছাড়ছিনা -- ওর বিজ্ঞানমনষ্কতা যে 'নাস্তিকতা'-ভিত্তিক, একচোখা ও প্রতারনাপূর্ণ ছিল তা নিয়ে কিছু লেখা দেব ইনশাল্লাহ।
নির্ভীক আস্তিক
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৬:৫৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শাহবাজ ভাই, আমার মনে হয় এক্ষেত্রে আমরা সবাই মিলে একসাথে কাজ করতে পারি। এবং সেখান থেকে একটি বইও বের করতে পারি। "অবিশ্বাসের দর্শন" বইটার উপর মই চালালেও অনেকগুলো Factual error পাওয়া যাবে। সেগুলোও আমাদের আলোচনায় আশা দরকার। তবে Front line এ আপনি থাকবেন। 🙂
শামস
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৮:২৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শাহবাজ ভাই,
ঝি ভাই, অনেকদিন পর, কয়েক মাস হয়ে গেল। এর মধ্যে দু'একবার চোখ বুলিয়েছিলাম কিন্তু কিছু লেখার বা মন্তব্য করার মতো সময় হয়নি। হঠাত অনাকাঙ্ক্ষিত এই হত্যা দেখে আবার ব্লগে আস্ তবে ব্যস্ততা এখনো পিছু ছাড়েনি। মুক্তমনাতে এমনিতেই খুব কম যাওয়া হতো সবসময়ই তার হত্যার পরপর সেখানে গিয়ে দেখি তার ব্লগ বন্ধ। হত্যার কারণে বন্ধ নাকি আগে থেকেই বন্ধ বলতে পারব না। তবে এখন শুনছি হারপিক দিয়ে নাকি ধোয়ামোছার কাজ চলছে, সঠিক কিনা জানি না।
আর এখন তার অতিমানব হবার পালা! তার মতো একটা ইসলাম বিদ্বেষীর পক্ষ বিপক্ষও চেনা যাচ্ছে! মূল লেখায় সরলীকিত করে কিছুর কথা উল্লেখ করেছি। আরো একটু এনালাইসিস করলে অনেকের গাত্রদাহ হতে পারে, এখন এসবে সময় নষ্ট করতে চাচ্ছি না। তবে যারা বুঝার তারা ঠিকই বুঝে নেবে!
হাল ছাড়ার কিছু নেই -- আমার ধারণা সময় সুযোগে অন্যরাও আসবে।
আপনার লেখাটা পড়েছি, খুব দারুণ লিখেছেন, সহমত।
ভালো থাকুন।
সুজন সালেহীন
মার্চ ৫, ২০১৫ at ১২:০৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অন্য একজন ব্লগারের লেখায় বুঝতে পারলাম অভিজিত নাকি নাস্তিক ছিলেননা! নাস্তিক মানে যদি কোনো ইশ্বর বা প্রভূতে অবিশ্বাসী হওয়া হয় তাহলে তাকে নাস্তিক বলা যাবে কি না? কারণ যারা অপরের প্রভূকে গালি দেয় পকারান্তরে তারা প্রভূ বা ইশ্বরকে স্বীকার করেই নেয়। তার মানে অভিজিত নাস্তিক নয় ধর্মবিদ্ধেষী ছিলেন।
শামস
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৮:৩২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হিন্দু ধর্মে আস্তিক নাস্তিক সব আছে। এটা অভিজিত এর সমমনারা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে তার মুক্তমনাতেই। তাই অভিজিত নাস্তিক -- তবে তাকে হিন্দু বললেও ভুল না। আরেক বাম নেতা অভিজিতকে হিন্দু বলায়, আসিফ মহিউদ্দিন খুব খেপছে! ব্যাটার মুক্তমনার পাঠে গন্ডগোল আছে!
নির্ভীক আস্তিক
মার্চ ৫, ২০১৫ at ১২:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই লেখাগুলো বেশি বেশি করে ফেসবুকে এবং প্রচার মাধ্যমে শেয়ার হওয়া দরকার। আমাদের সমস্যা হল, আমরা লেখা পড়েই সেখানে সাহিত্যরসের স্বাদ গ্রহণ করে কেটে পরি কিন্তু অন্যকে জাননোটাও তো দরকারি। সবকিছু ভাগাভাগি করে স্বাদ গ্রহণ করা দরকার, তা যেকোন রসের বেলায়।
শামস
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৮:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
এস. এম. রায়হান
মার্চ ৫, ২০১৫ at ১:৫৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অভিজিৎকে মৃত্যুর হাত থেকে কেউই রক্ষা করতে পারেনি -- না পেরেছে তার মুরিদরা, না পেরেছে তার পরিবার, না পেরেছে প্রশাসন, না পেরেছে ডাক্তার'রা, না পেরেছে বিজ্ঞানীরা, না পেরেছে আমেরিকা। এটাই এখন বাস্তবতা। কাজেই আমরা এই বিচার-বহির্ভূত চোরাগুপ্তা হত্যার সুষ্ঠূ তদন্ত ও ন্যায় বিচার চাইতে পারি মাত্র। এছাড়া আমাদের করার কিছুই নাই।
তবে অভিজিৎ-পরবর্তী অধ্যায় কী হতে যাচ্ছে সেটাই এখন দেখার বিষয়। ইতোমধ্যে তার 'বিজ্ঞানমনস্ক' ও 'যুক্তিবাদী' মুরিদরা তাকে একাধারে কৃষ্ণের চেয়েও বড় ঈশ্বর, গৌতম বুদ্ধের চেয়েও বড় বুদ্ধ, আইনস্টাইনের চেয়েও বড় বিজ্ঞানী, বার্ট্রান্ড রাসেলের চেয়েও বড় দার্শনিক, মাদার তেরেসার চেয়েও বড় মানবতাবাদী, মহাত্মা গান্ধীর চেয়েও বড় অসাম্প্রদায়িক, সততা ও সত্যের প্রতীক (আসলে প্রফেশনাল মিথ্যুক, ভণ্ড, প্রতারক), সাচ্চা বাংলাদেশ-প্রেমী (আসলে বাংলাদেশ-বিরোধী), ইত্যাদি, ইত্যাদি, ইত্যাদি খেতাবে ভূষিত করা শুরু করেছে। দু'দিন বাদে হয়তো তাকে দেবতা বানিয়ে পূজা করা শুরু হয়ে যাবে। অথচ তার অন্ধ মুরিদদের দাবি অনুযায়ীই তাদের গুরুজী নাকি অন্ধ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে!
শামস
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৯:৪০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এভাবে হত্যা অবিচার। তাই বিচারের দাবীই বেশীরভাগ মানুষ করবে। কিন্তু মূল কারণ তা যাই হোক সেটাও এড্রেস করা হোক। তাহলে অপমৃত্যুর আশঙ্কা কমে যায়, অনুমানের উপর কাউকে দোষারোপও করার উপায় থাকে না।
অভিজিত এর অবস্থা থাবাবাবার (রাজীবের) চেয়ে কোন অংশে কম খারাপ হবে না, যদি বাড়াবাড়ি করে। এখন আর থাবাবাবার মতো বিশেষ বিশেষণে ভুষিত হবার মতো অবস্থা নাই। তবে খানকাশরীফ বানানোর একটা পায়তারা করছে দেখলাম!
মার্চ ৫, ২০১৫ at ৫:৪৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অসাধারণ বিশ্লেষণ । ধন্যবাদ আপনার লিখার জন্য।
শামস
মার্চ ৬, ২০১৫ at ৭:৪০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ।
farid
মার্চ ৬, ২০১৫ at ১২:১১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
OVIJEET WAS TRUE TO HIS IDEAS AND THOUGHTS. HE WAS KILLED BY FORCES OF DARK WEARING THE ISLAMIC COAT. THIS ARTICLE SAYS LITTLE ABOUT THE KILLERS WHO DEFAMED ISLAM AND HIJACKED ALLAH"S POWER [ TAKING ONES LIFE ]. I CONDOLE THE DEATH AND CONDEM THIS HENIOUS ACT OF KILLING AND PRAY TO ALLAH TO PLACE THE KILLERS IN HABIA DOJAKH [JAHANNAM ]==AMEEN.
আহমেদ শরীফ
মার্চ ৬, ২০১৫ at ১২:২১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এধরণের কথা নিয়ে আসা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অগ্রহণযোগ্য। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনেক তত্ত্বের কথাই শোনা যাচ্ছে-যাবে। অনেকে এটাও বলছে যে সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের মত এই ঘটনারও কোন কূলকিনারা হবে না কারণ উপর মহলের পৃষ্ঠপোষকতায় এটা হয়েছে না হলে এত পুলিশ পাবলিকের সামনে এত সহজে খুনিরা পালাতে পারত না। তারপরও নিজ নিজ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মহল এই ঘটনা থেকে ফায়দা ওঠাতে চাইবে। সত্য সত্যের জায়গায় থেকে যাবে। তদন্ত শেষ হয়ে অপরাধী কে সেটা বের হোক তারপরের পরিস্থিতির জন্য গালিগালাজগুলা সংরক্ষণ করে রাখেন। আন্দাজের ওপর খামাখা ঢিল ছুঁড়ে ছুঁড়ে হাত ব্যাথা না করাই ভাল।
নির্ভীক আস্তিক
মার্চ ৬, ২০১৫ at ২:৪৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই নিকের লোকটি এর আগে রাজীব(থাবা বাবা) এর মৃত্যুর সমালোচনার সময় ঠিক একিভাবে এসে অবেচেতন ভাবে উল্টোপাল্টা বলতঃ "দুস, হু কিল্ড রাজীব মেড হিম আ হিরু। দুস আর কিলার।" আর একন কচ্চেঃ "অভিজিৎ ওয়াজ মাই পির। অসাম্প্রদায়িক, মুক্তমনা। উই আর টকিং ভেরি কম এবাঊট হিম। হি ওয়াজ ভিতরে ভিতরে আদার থিং।"
মার্চ ৬, ২০১৫ at ৪:৪১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@farid: [and note to shams below]
OVIJEET WAS TRUE TO HIS IDEAS AND THOUGHTS [It seems that you know about his mind and thought and that you seem to be in agreement with his anti-social, atheist militancy, but the question remains that do you believe in Hell to see the killer in it? If so, you believe that there is another life where justice will be achieved and by the very token of your belief Ovijeet was ‘wrong’ in his militant anti-religious thoughts and action -weren’t he?] HE WAS KILLED BY FORCES OF DARK WEARING THE ISLAMIC COAT [Is this a description by which Police can arrest anyone? Or it simply part of Ovijeet-type anti-religious propaganda whereby you project your dark aptitude of mind vaguely to those whose religious beliefs Ovijit wanted to see destroyed?] THIS ARTICLE SAYS LITTLE ABOUT THE KILLERS [Perhaps the writer doesn’t know about the killers as much as you do!] WHO DEFAMED ISLAM AND HIJACKED ALLAH"S POWER [hijacked Allah’s power by taking one’s life?]. I CONDOLE THE DEATH AND CONDEM THIS HENIOUS ACT OF KILLING AND PRAY TO ALLAH TO PLACE THE KILLERS IN HABIA DOJAKH [JAHANNAM ]==AMEEN. [What of your prayer or thought of Ovijeet in regard to Heaven or Hell?]
It is very likely that you will not come to answer any of these questions.
___________
@ Shams
শামস ভাই উপরের দুটো মন্তব্য মুছে দেবেন, ওখানে বাক্যে গণ্ডগোল হয়ে গেছে। দ্বিতীয়বার কপি প্যাস্ট করে সংশোধন করতে দেয়েছিলাম, কিন্তু হয়নি।
এস. এম. রায়হান
মার্চ ৬, ২০১৫ at ৫:১৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমারব্লগ ওরফে আমু ব্লগের সর্বময় কর্তা হচ্ছে সুশান্ত দাস গুপ্ত। অন্যদিকে বাংলা অন্তর্জালের সবচেয়ে বড় ব্লগ সামহোয়্যারইন ওরফে সামু ব্লগের কর্তা থেকে শুরু করে এই দুটি ব্লগের অ্যাডমিনদের সকলেই ইসলামে অবিশ্বাসী বা নাস্তিক। তারা ক্ষেত্রবিশেষে নাস্তিকদের পক্ষপাতিত্বও করত। অথচ এ'রকম দুটি ব্লগেও অভিজিৎ কখনো তার লেখা পোস্ট করার সাহস পায়নি। এর কারণ হচ্ছে এই ব্লগ দুটি অনেকটাই উম্মুক্ত। কাজেই এই ব্লগ দুটিতে সাধারণ ব্লগারদের কাছেই তার লেঞ্জা উন্মোচিত হয়ে যেত। সে তার মুরিদদের কাছে মান-সম্মান খোয়াতে চায়নি। এমনকি সচলায়তনের মতো নাস্তিক-অধ্যুষিত ব্লগেও একবার ইসলামের বিরুদ্ধে লিখতে যেয়ে নিরপেক্ষধর্মী নাস্তিকদের কাছে দৌড়ানি খেয়ে পালিয়েছিল।
শুধু তা-ই নয়, এক পর্যায়ে নিজ ব্লগেই তার অবস্থা বেশ শোচনীয় হয়ে পড়েছিল। এটা বুঝতে পেরে সে নিজ ব্লগে কম সময় দিয়ে ফেসবুকে আস্তানা গারে। পাশাপাশি 'বিশ্বাসের ভাইরাস' নামে একটি পেজ খুলে ইসলামের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেন চালাতে থাকে। এর মাঝে আস্তিক-নাস্তিক ইস্যুতে একে একে অমি পিয়াল, আরিফ জেবতিক, ও পারভেজ আলমের মতো সিলেব্রিটিদের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে ফেসবুকেও তার অবস্থা শোচনীয় হতে থাকে। তারপরও সে হাল ছাড়েনি। বরঞ্চ আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বিজ্ঞানের মোড়কে ইসলামকে একটি 'ভাইরাস' প্রমাণ করার জন্য উঠেপড়ে লাগে। পোস্টের পর পোস্ট দেয়া শুরু করে।
মাঝখানে ফারাবীর সাথেও বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে ফেসবুকারদের কাছে হাইলাইটেড হয়। সেই বিতর্কের সূত্র ধরে ফারাবী তাকে হত্যার ফতোয়াও দেয়, যেটা হয়তো সে মনে মনে চাচ্ছিল। কেননা সে ফারাবীর ফতোয়াকে পুঁজি করে তাকে 'ইসলামিক মিলিট্যান্ট' আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্যাম্পেন করে বাংলাদেশকে একটি 'ইসলামিক জঙ্গীবাদী দেশ' প্রমাণ করার চেষ্টা করে। পারভেজ আলম সেটার প্রতিবাদ করতে যেয়ে অভিজিতের কাছে বিভিন্নভাবে ব্যক্তি আক্রমণ ও হেনস্তার শিকার হয়।
যাহোক, ফেসবুকে ক্যাম্পেন ও সেই সাথে চরম বেপরোয়া হয়ে ওঠাই হয়তো তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সোজা কথায় অভিজিৎ একটি বড় টার্গেটে পরিণত হয়েছিল। সেই বড় টার্গেটকে কারা কী উদ্দেশ্যে ফায়ার করেছে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। আমি এই বিচার-বহির্ভূত চোরাগুপ্তা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার চাই।
মোঃ তাজুল ইসলাম
মার্চ ৬, ২০১৫ at ৮:৩৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Thanks Raihan Vai. Sundor bolechen. Apna-k onek somoy onurudh korechi ei kottor biddeshi Ovi sompor-k na likte Sodalop-a kintu ekon ei lukta biday newar por bujte parlam, amar onurudh vul chilo. Sorry for that. Shams vai, Nazrul Vai, Ahmed Vai valo bolechen. Around 10 months ago I invited him to accept Islam, but he rejected with hatred. Following day of his death, I was thinking of him that now u know and watching the truth. Afsos koro and nijer hath-paa nijei kamraiya khau ekhon.
শামস
মার্চ ১০, ২০১৫ at ১০:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
রায়হান ভাই, যা দেখেছি, অনেক সময় অন্য প্রায়রিটিগুলোকে নিষ্কন্টক রাখার জন্য সেইসব সেলিব্রেটিরা মনাদের দৌড়ানি দেয়। তাদের মধ্যে পার্থক্য কতটুকু সেটা নিয়ে সন্দিহান!
সুশান্তর আমুতে বামদিকে হেলানো প্রগতিশীলরা কিন্তু মনাদেরই সমর্থন দিতো কিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া। সুশান্ত কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তনয় হাসিনার সাথে দহরম মহরম! সে লীগের নীতিনিরধারক টাইপের কিছু হয়তো, প্রভাব রাখে মনে হয়। অভিজিৎ যে ইসলামবিদ্বেষী তার চেয়ে বেশী ভাল কেউ জানে না, সেও আমার ব্লগকে মুক্তমনার ইসলাম বিদ্বেষীদের মতো দ্বিতীয় হোমগ্রাউন্ড বানিয়েছিল! সুশান্ত একা না, লতিফ সিদ্দিকীও একজন না! আমার লেখায় বামদিকে হেলানোদের ব্যাপারে উল্লেখ করেছিলাম জেনারেলাইড করে। নীচের রিপোর্টে বামদিকে হেলানো প্রগতিশীলদের দলে কারা কারা তাদের একটা ধারণা পাওয়া যাবেঃ
প্রগতিশীল, মুক্তচিন্তা, অসাম্প্রদায়িক এবং স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী -- তারা সব নাকি এক! সংগঠন গুলোর দিকে চোখ বুলানো যাক, কাদের বেকিং এর কারণে ইসলাম বিদ্বেষীদের এতো রমরমা অবস্থা ছিল!
বেকিং দেয়াদের এখন আর ভরা যৌবন নাই, ত্রাহি অবস্থা, তার উপর আছে হেফাজত! হেফাজত মাঠে সাধারণত না থাকলেও, একবার মাঠে এসে জানান দিয়েছিল যে দৃশ্যমান না হলেও তারা আছে! হেফাজতের প্রতি আমার সমর্থনের প্রধান কারণও সেটাই। যাক, দৌড়ানি দেয়াদের ব্যাপারে উৎসাহী হবার কিছু নাই!
সুত্রঃ http://www.bd-pratidin.com/probash-potro/2015/03/10/67746
মানকচু
মার্চ ১৪, ২০১৫ at ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
রায়হান ভাই
আমার একটা সহজ প্রশ্ন ফেসবুকে অসংখ্য নাস্তিক/ ধর্মবিদ্বেষী আছে যারা অনেক আপত্তিকর কথা লেখে এর জন্য কি জোকারবার্গ দায়ী?
অভিজিত দাদা ব্লগ ছেড়ে ফেসবুকে গে্ছে সেটা কারও তারা খেয়ে নয় সব সেলিব্রেটিই এখন ব্লগ ছেড়ে ফেসবুকে গেছে।
২য় প্রশ্ন নাস্তিক এবং ধর্মবিদ্বেষী একই মিনিং করে?
এস. এম. রায়হান
মার্চ ১৪, ২০১৫ at ১১:১০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার মন্তব্যের সাথে আপনার এই প্রশ্নের কোনো সম্পর্ক খুঁজে পেলাম না। আমি তো এর জন্য জোকারবার্গকে দায়ি করি নাই।
প্রথমত, আমার মন্তব্যের কোথাও 'তাড়া খেয়ে' ফেসবুকে যাওয়ার কথা বলা হয়নি। দ্বিতীয়ত, 'তাড়া খাওয়া' দু'রকম হতে পারে: হুমকির কারণে ও বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্বের কারণে। অভিজিৎ কারো হুমকির কারণে ব্লগ ছেড়ে ফেসবুকে যায়নি। এক পর্যায়ে নিজ ব্লগেই তার অবস্থা শোচনীয় দেখে ফেসবুকে বেশি সময় দেয়া শুরু করে। তৃতীয়ত, অন্যান্য সেলিব্রিটিদের সাথে অভিজিতের ফেসবুকে ক্যাম্পেনের মধ্যে পার্থক্য আছে। এই পার্থক্যটা সে নিজেও জানত।
নাস্তিক এবং ধর্মবিদ্বেষী কোনোভাবেই এক মিনিং করে না। কিন্তু বাংলা অন্তর্জাল-সহ বাংলাদেশে এই দুটি গ্রুপকে অজ্ঞতাবশত গুলিয়ে ফেলা হয়েছে। বাংলাভাষীদের কাছে এখন 'নাস্তিক' মানেই 'ধর্মবিদ্বেষী' হিসেবে গণ্য হয়। এটা মূলত কতিপয় ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিকের কারণেই হয়েছে। তবে যারা নাস্তিক অথচ ধর্মবিদ্বেষী নয়, তাদের থেকে জোরালো কোনো প্রতিবাদও দেখা যায় না।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
এস. এম. রায়হান
মার্চ ১৪, ২০১৫ at ১২:১৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@মানকচু,
এবার আমার নিচের দুটি প্রশ্নের জবাব দেন দেখি।
১. সামু ও আমু'র মতো নাস্তিক/সেক্যুলার-পরিচালিত ও নাস্তিক/সেক্যুলার-অধ্যুষিত জনপ্রিয় দুটি ব্লগে অভিজিৎ কখনো তার লেখা পোস্ট করেনি কেন? এই দুটি ব্লগের হাজার হাজার অজ্ঞ-মূর্খ পাঠককে তার "বিজ্ঞান-ভিত্তিক জ্ঞানগর্ভ" লেখা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে কেন?
২. অভিজিৎ সদালাপের লেখকদেরকে 'ছাগু-সন্ত্রাসী' বানিয়ে দিয়ে 'অচ্ছুৎ' মনে করে কৌশলে এড়িয়ে যেয়ে ফারাবী সম্পর্কে আগে থেকে জেনেশুনেও তার সাথে ফেসবুকে বিতর্কে জড়িয়েছিল কেন?
মানকচু
মার্চ ১৪, ২০১৫ at ৪:১০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ রায়হান ভাই
অভিজিত দাদা কেন অন্য ব্লগে লেখেনি সেটা আমি জানি না তবে তার লেখা পড়ে মনে হয়েছে তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক নাস্তিক।
জিয়াউদ্দীন ভা্ই এর সাথে মতের অমিল সেটা নিয়ে আমার কথা বলার নেই। কিন্তু সম্ভবত সাদাত ভাই এর কোন পোষ্ট এ তার কমেন্ট দেখলাম নাস্তিক/ধর্মবিদ্বেষী।
আমার কথা পৃথিবীতে প্রত্যেকটা আস্তিক অথবা নাস্তিক তাদের স্বধর্ম ছাড়া অন্য ধর্ম বিদ্বেষী।
এস. এম. রায়হান
মার্চ ১৪, ২০১৫ at ৪:৪৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি জানতাম আপনি আমার প্রশ্ন দুটির উত্তর এড়িয়ে যাবেন। সবাই চরম সত্যের মুখোমুখি হতে পারে না। যাহোক, আমি মূর্খ মানুষ। ইসলাম নিয়ে একটু আধটু লেখালেখি করি দেখে অভিজিতের মুরিদদের কেউ কেউ আমাকে 'হুজুর'ও বলে। কাজেই 'বুদ্ধিবৃত্তিক নাস্তিক' কী জিনিস বা কীভাবে হওয়া যায়, সে সম্পর্কে আমার কোনোই ধারণা নাই। আপনি অভিজিতের লেখা থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে তার 'বুদ্ধিবৃত্তিক নাস্তিক' হওয়াটা একটু প্রমাণ করে দেখান দেখি। কিংবা তার সারা জীবনের লেখা থেকে নাস্তিকতার পক্ষে মাত্র একটি যুক্তি দেখান যেটি তার নিজস্ব।
এই ফাঁকে আপনার কানে কানে একটি কথা বলে রাখি। অভিজিৎ স্বনামে নিজেকে 'নাস্তিক' দাবি করলেও সে আসলে নাস্তিক ছিল না, বড়জোর সংশয়বাদী ছিল। এটা প্রকাশ পেয়েছে মুক্তমনা ব্লগেই তার ছদ্মনামের একটি মন্তব্যে। নিচের লিঙ্কে দেখুন। তবে আপনি যদি তাকে ইতোমধ্যে 'দেবতা'র আসনে বসিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্য আমার কথায় বিশ্বাস করবেন না, বরঞ্চ তার দু-এক জন অন্ধ ভক্তের মতো আপনিও উল্টোদিকে আমাকেই মিথ্যাবাদী বলবেন। সেটা পুরোপুরি আপনার ব্যাপার।
http://www.shodalap.org/wp-content/uploads/2013/04/rahatkhan9.jpg
মহিউদ্দিন
মার্চ ৮, ২০১৫ at ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আজ আমরা দেখছি " বাংলাদেশের নাস্তিককুল আমাদের সামাজিক মূল্যবোধের সীমানাকে লঙ্গন করছে।" তবে তাদের সাহস একদিনে হয় নাই সে জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধের বিশ্বাসীদের উদাসীনতাও কম দায়ী নয়। আমরা সাংস্কৃতিক মুসলিম হিসাবে নিজেদেরকে পরিচয় দিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে চাই। ইসলামের আদর্শের একটি সমাজ গড়তে পারলে আজ এ দুরবস্থা হত না। আমাদের দেশের এলিটরা ইসলামকে নিজেদের মাঝে না রেখে আউট সোর্সিং করে দিয়েছেন মোল্লা মৌলভীর কাছে আর তাঁদের অধিকাংশরা যেহেতু আধুনিক যুগের সাথে সম্বন্ধস্থাপন ( relate) করে ইসলামকে ব্যাখ্যা করার যোগ্যতা রাখেন না সে সুযোগে নাস্তিকরা আধুনিকতার দোহাই দিয়ে যা তা বলার সুযোগ পায়। তাছাড়া রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের বিপর্যয়ে ও সন্ত্রাসী সমাজের উত্তানও তাদের অপচেষ্টাকে আরো এক কদম অগ্রসর হতে সহায়ক হচ্ছে।
এস. এম. রায়হান
মার্চ ৮, ২০১৫ at ৪:৫২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অভিজিতের মুরিদরা যেভাবে তাদের গুরুজীর শিক্ষার পরিপন্থী কাজ করছে-
অভিজিৎ ইসলামের নবীকে সকল দিক দিয়ে একজন 'অতি নিকৃষ্ট অ-মানুষ' হিসেবে উপস্থাপন করেছে। কোরআনের একটি আয়াত থেকে 'শষ্যক্ষেত্র', অন্য একটি আয়াত থেকে 'পালক পুত্রের স্ত্রী', এবং আরো দু-একটি আয়াত থেকে বিচ্ছিন্নভাবে দু-একটি 'টার্ম' বেছে নিয়ে ইসলামকে 'নারী-বিদ্বেষী' হিসেবে প্রচার করেছে। অনুরূপভাবে, কোরআনের একটি আয়াত থেকে অপ্রাসঙ্গিকভাবে "তাদেরকে যেখানে পাওয়া যায় সেখানেই হত্যা করো" অংশটা বেছে নিয়ে সেটির সাথে আরো দু-একটি আয়াত থেকে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু অংশ কোট করে ইসলামকে একটি 'ভায়োলেন্ট' ও 'অসহিষ্ণু' ধর্ম প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে। একইভাবে, কতিপয় মুসলিম নামধারী সন্ত্রাসীর দায় পুরো ইসলাম ও দেড়-দু বিলিয়ন মুসলিমদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে। ইত্যাদি। ইত্যাদি।
অথচ অভিজিতের মৃত্যুর পর তার নাস্তিক মুরিদরা তার শিক্ষার বুকে পদাঘাত করে মিথ্যাচার ও অতিরঞ্জনের আশ্রয় নিয়ে তাদের গুরুজীকে একাধারে 'মানবতাবাদী', 'অসাম্প্রদায়িক', 'প্রগতিশীল', 'বিজ্ঞানমনস্ক', 'মুক্তচিন্তার পথিকৃত', 'দেশপ্রেমী', ও সর্বোপরি 'মহামানব' বানিয়ে দিয়েছে। তাদের গুরুজীর শিক্ষার প্রতি নিঃসন্দেহে অবিচার করা হচ্ছে।
Mahamud hasan
মার্চ ৮, ২০১৫ at ৬:১২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুক্তমনা আবার চালু হইছে। আর অভিজিৎ এর মুরিদরা বলতাছে যে কুরান ও ইসলাম নিয়া কথা বলার দরকার নাই। আর মহানবি (সা) নাকি ছিলেন না, তাই তার বেপারে কথা বলা মূর্খামি।
শামস
মার্চ ১০, ২০১৫ at ৮:৩০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুরিদরা কলমের খোঁচায় বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে!
এস. এম. রায়হান
মার্চ ১০, ২০১৫ at ২:৩৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অভিজিতের অনাকাঙ্খিত মৃত্যু নিয়ে কিছু প্রশ্ন:
-- প্রতিদিন সারা পৃথিবী জুড়ে বয়সজনিত কারণ ছাড়াও দুর্ঘটনা, হার্ট অ্যাটাক, রোগ-আপদ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, ক্রস ফায়ার, হালের পেট্রোল বোমা, ইত্যাদি কারণে হাজার হাজার মানুষ অনাকাঙ্খিতভাবে মারা যাচ্ছে। কারোরই এক মুহূর্তও বেঁচে থাকার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এমনকি সুরক্ষিত প্রাসাদে থেকে কিংবা ঘুমের ঘোরেও মানুষ মারা যাচ্ছে। এই অবস্থায় অভিজিতের অনাকাঙ্খিত মৃত্যুটা যেভাবে হয়েছে সেভাবে না হয়ে উপরোল্লেখিত কোনো কারণে যদি হতো তাহলে এই খবরটা দেশ-বিদেশের পেপার-পত্রিকা ও মিডিয়াতে ঠিক একইভাবে প্রচার করা হতো কি-না? বিভিন্ন বাংলা ব্লগে অভিজিতের মৃত্যু নিয়ে যেভাবে লেখাগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে সেগুলোও কি একই রকম হতো নাকি আলাদা হতো?
-- প্রথম সম্ভাবনা হিসেবে ধরেই নেয়া যাক যে, মুসলিম পরিবারের কিছু তরুণ ফেসবুকে তার ইসলামবিদ্বেষী লেখাগুলো ফলো করতে করতে এক পর্যায়ে ধৈর্যহারা হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে। থাবা বাবা ওরফে রাজীব হত্যাকান্ডের মতো আরকি। কিন্তু তদন্ত হওয়ার আগে সেটা তো নিশ্চিত করে কেউই বলতে পারবে না। অথচ অভিসেনারা ইতোমধ্যে এটাকে পুঁজি করে ইসলামের চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করা শুরু করেছে। এইটা আসলে অভিজিতেরই শিক্ষা। যাহোক, খুব কম সম্ভাবনা হলেও এমন যদি হয় যে তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী এই হত্যাকান্ডটা ঘটানো হয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে ও ভিন্ন উদ্দেশ্যে, সেক্ষেত্রে অভিজিৎকে নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ও পেপার-পত্রিকাতে যে লেখাগুলো প্রকাশ করা হয়েছে সেগুলো কি এডিট করা হবে নাকি একইরূপে থেকে যাবে? অভিজিৎকে নিয়ে এত বাড়াবাড়ি, এত অতিরঞ্জন, এত আবেগের মূলে যে "ইসলাম" নামক "মধু" আছে সেটা সবাই জানে। তখন সেই বাড়াবাড়ি, অতিরঞ্জন, আবেগ যাবে কোথায়! বাংলা ব্লগের লেখাগুলোরই বা তখন কী হবে!
মাহামুদ হাসান
মার্চ ১০, ২০১৫ at ৮:৩৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@রায়হান ভাই
আমরা এই ব্যাপারে সেই বাংলা ব্লগে কি উত্তর দিতে পারি?
শামস
মার্চ ১০, ২০১৫ at ১০:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কোন বাংলা ব্লগের কথা বলছেন?
রায়হান ভাইয়ের জবাব এখানেঃ
“মুক্তচিন্তার চর্চা”র মোড়কে মুক্তমনা ব্লগে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষের মহোৎসব"
আপাতত এটাই যথেষ্ট মনে হয়! দরকার পড়লে রায়হান ভাই আবার রি-পোস্ট করতে পারেন।
মাহামুদ হাসান
মার্চ ১১, ২০১৫ at ৬:০৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ শামস ভাই রাইহান ভাই এর সুন্দর পোস্ট পরতে দেয়ার জন্য।সব খারাপ এর মদ্ধে ভাল থাকে আপনারা বাংলা ব্লগ এর মদ্ধে সবচেয়ে ভাল ব্লগ খুলছেন।আল্লাহ আপনাদের কে উত্তম প্রতিদান দান করুক।আপনার লিখাও কিন্তু সুন্দর হইছে।শেয়ার কইরা দিলাম।এখন কার ভাল ইসলাম বিদ্দেসি নাস্তিক কে??????
এস. এম. রায়হান
মার্চ ১২, ২০১৫ at ১:৩৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে অভিজিতের অকস্মাৎ মৃত্যু ইসলামবিদ্বেষীদের দেহে নতুন করে প্রাণের সঞ্চার করেছে! তাদের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে তারা এমন কিছু একটার অপেক্ষায় মনে মনে প্রহর গুনছিল!