মানুষের মন-মানসিকতা এবং আচরণের একটা পরিবর্তন আসে ৪০ বৎসর বয়সে। কারো ক্ষেত্রে ২/৪ বছর কম বা বেশীর তারতম্য হয়। ৪০-র পর স্বভাব বা আচরণের মধ্য একটা স্থিরতার ভাব আসে। তাড়াহুড়া গুণটি ভাল না খারাপ এই আলোচনায় সেটা গুরুত্ব নয়, গুরুত্ব হল এই গুণ টি ৪০-র পর বেশিরভাগ মানুষের জীবনের কর্মে কিছুটা কমে আসে। শারীরিকভাবে কমে আসলেও অনেকের ক্ষেত্রে মানসিক ভাবে এই গুণটি বেড়ে যায় দুশ্চিন্তার কারণে। সেই দুশ্চিন্তার কারণ দুনিয়ার পেরেশানি। জীবনের কামনা, চাওয়া-পাওয়ার হিসাবনিকাশ অন্তর অদৃশ্য জ্বলন্ত তেলের মধ্যে ফ্রাই হতে থাকে যা অস্থিরতা তৈরির অন্যতম বড় কারণ। মানষিক যন্ত্রণা খুব ভয়ানক। কারো কাছে শেয়ার করা যায় না, বলা যায় না কারণ কেউ বুঝে না, এমনকি পরিবারের নিজের আপন মানুষগুলোও বুঝে না, বুঝতে চায় না। দুশ্চিন্তা ও পেরেশানিও কমে না যার জন্য অস্থিরতা। আর অস্থিরতা মানুষের সুস্থ্ বিবেকবোধ নষ্ট করে দেয়, কারো ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে কমপ্লিটলি অকেজো হয়ে যায়। আমরা এই আলোচনায় আর আগ্রসর না হই।
ধরুন আপনার বয়স ৪০। বয়সের তুলনায় জ্ঞান, প্রজ্ঞা, অনুভূতি, বুদ্ধি, বিচারবোধ… সবকিছুই আপনাকে বেশী দেওয়া হল এবং এই অবস্থায় দুনিয়ায় পাঠানো হল। বুঝার জন্য গল্পের অবতারণা। আপনার কোন পরিবার, আত্মীয়, পরিচিত কেউ নেই এই দুনিয়ায়। নেই কোন পেরেশান এবং অস্থিরতা। আপনি স্বাভাবিক এবং সুস্থ। আপনি দুনিয়ায় এসে দেখেন এখানে এক দল নাস্তিক, এক দল হিন্দু, এক দল মুসলমান, এক দল খৃস্টান, এক দল বৌদ্ধ, এক দল ইহুদী। আপনাকে যে কোন একটি সঠিক এবং সত্য দল-কে গ্রহণ করতে হবে। আপনি সবার কথা শুনছেন। সকলেই নিজেদের সঠিক বলে দাবী করতেছেন। নাস্তিক গ্রুপ বলতেছে সৃষ্টিকর্তা এবং পয়গাম্বর বলে কিছু নেই, সব মানুষের বানানো এবং ধাপ্পাবাজি। সনাতন গ্রুপ বলতেছে বেদ ভগবানের বানী স্বয়ং ভগবান রাম/কৃষ্ণ/চৈতন্য দেব নামক মানুষের বেশ ধরে দুনিয়ার মানুষদের দিক্ষা দিতে এসেছিলেন। আমরাই সবচেয়ে প্রাচীন সুতরাং আমরা এই জগতে সঠিক অন্যরা সবাই ভুল। মুসলিম গ্রুপ বলতেছে এই কোরান আল্লাহ-র বানী, মোহাম্মদ(সা) আল্লাহ-র রাসুল। এই দুনিয়ায় আমরাই একমাত্র সঠিক। খৃষ্টান গ্রুপ বলছে, জিশু ইশ্বরের পুত্র। এই বাইবেল ইশ্বরের বানী। জিশু দুনিয়ায় এসেছেন আমাদের পাপ বহন করতে। সঠিকতার মানদন্ডে আমরাই একমাত্র বিশুদ্ধ। সকল গ্রুপই একই গানা-বাজনা করে যাচ্ছে আর নিজেদের সঠিক বলতেছে।
এই বিভ্রান্তি থেকে মুক্তি এবং সমাধানের পথ কি? দুনিয়ার কোন মনিষী এই সমাধান দিতে পারবে? সবাই তো নিজ নিজ ধর্ম/আদর্শ নিয়ে উল্লাসিত। জেনে রাখবেন, এর উত্তর দেওয়ার মত কেউ নেই। নিজেকেই এই সবাধান করতে হবে। সমাধান করার উপায় কি? উপায় একটাই। তা হল সত্যের প্লাটফর্মে সত্যের স্কেলে যেই গ্রুপ উত্তীর্ণ হবে, সেই টিকে থাকবে। আর বাকী সব বিলুপ্তি হবে। প্রশ্নঃ সত্যের প্লাটফর্ম এবং সত্যের স্কেল তৈরি করার রাস্তা কি?
মানুষের বিচারবোধ এক আজব। একজন যা বলবে আরেকজন তা মানতে রাজি নয়, অন্যজন বলবে ভিন্ন মত। একটি গ্লাসে অর্ধেক পানি। কেউ বলছে গ্লাসে অর্ধেক পানি আছে, অন্যজন বলছে গ্লাসটি অর্ধেক খালি। আম গাছে আম হয়; ডাব বা জাম বা তাল হয় না। কেউ বলছে ইহা প্রকৃতির নিয়ম, আরেকজন বলছে ইহা প্রকৃতির নিয়ম নয় ইহা সৃষ্টিকর্তার আদেশ; জগতে যা হচ্ছে সব সৃষ্টিকর্তার আদেশ এবং নির্দেশ। গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যালাক্সী, অভিকর্ষ বল সহ মহাবিশ্বের সকল নিয়ম-নীতি প্রকৃতি, ইহা এমনি এমনি হইছে, আরেকজন বলেছে না, ইহা এমনি এমনি হয়নি, ইহার একজন কারিগর আছেন এবং সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন। আরেক দল সন্দেহবাদী (তারা না নাস্তিক, না আস্তিক) বলেন মহাবিশ্ব এতই বড় যে, সৃষ্টিকর্তা থাকলে থাকতে পারে কিন্তু এত বড় মহাবিশ্বে এই ক্ষুদ্র পৃথিবী নিয়ে তিনি চিন্তিত নন, আরেকজন বলছেন, সৃষ্টিকর্তা সারা বিশ্বভ্রম্মান্ড বেষ্টন করে আছেন এবং তাঁর অনুমতি ছাড়া অনুও নড়াচড়া করার ক্ষমতা রাখে না। শুক্রানু এবং ডিম্বানু মিলে মহাবিশ্বের অন্যতম যে জটিল যন্ত্র তৈরি হয়, অনেকেই ইহাকে প্রকৃতির দোহাই দিয়ে প্রকৃতির নিয়ম(বিবর্তন)-এর ভিতরে ফেলে ব্যাখ্যা প্রদান করে নিজের মত প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। আরেকজন বলছে শরীরের মত এত জটিল জিনিষ প্রকৃতি এমনি এমনি তৈরি করার ক্ষমতা রাখে না। RNA, DNA, প্রটিন, কোষের জটিল গঠন এইগুলা এমনি এমনি হইছে এবং এতে কোন সৃৃষ্টিকর্তার হাত নেই। আর সেই সাথে একদল আরেকদল-কে বেকুব/মুর্খ বলে ঠান্ডা যুদ্ধ চলিয়ে যাচ্ছে। জগতের “গোল্ডেন রেশিও” অন্যতম শক্ত এক যুক্তি উপস্থাপন করে বিশ্বাসীগন নাস্তিকদের বিরুদ্ধে। পৃথিবী এবং মহাবিশ্বের প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে যদি মানব দেহের গোল্ডেন রেশিও উল্লেখ করলে গণনা করে শেষ করা যাবে না। চোখ একটা অন্যটির তুলনায় ছোট বা বড় হলে সেই মেয়ের বিয়ে দেওয়া যাবে না এই সমাজে। শরীরের ভিতরে চোখ, কান, গলা, মেরুদন্ড, অন্ত্র, পেশী, হাড়, কিডনী, মস্তিষ্ক, রক্ত, রক্ত প্রবাহের জন্য নালী, হার্ট, লিভার, পাকস্থলি…… সকলের কাজের জটিলতার ফাংশান কত সূক্ষ্ম এবং বৃহৎ তার জ্ঞান শুধু ডাক্তারদের পক্ষে অনুমান করা সম্ভব। এ তো একজনের জীবনের ছোট একটা অধ্যায়ের সহজ, সরল ২/৪ টা কথা। জটিলতার অধ্যায় তো আরো অনেক রয়েছে। ‘ভালবাসা’ সেটা কি জিনিষ? কিভাবে প্রমান করা যায় ভালবাসা-র অস্তিত্ব? এই ৩ মাত্রার ডাইমেশনে বসে কে সাহস এবং ক্ষমতা রাখেন এটাকে প্রকাশ করার? সন্তান বা মা অসুস্থ থাকলে কেন কিছু ভাল লাগে না। কেন অস্থিরতা তৈরি হয়? এই অস্থিরতা কি ভালবাসা থেকে সৃষ্ট? কি বলেন আপনি? নিজেকে যুক্তিবাদী বলে দাবী করেন? যুক্তি বলতে আপনি কি বুঝেন? যৌনতার মজা না থাকলে এই দুনিয়ার কোন শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু মিলিত হয়ে নতুন জীব গঠিত হত না। এই যৌনতার মজা কোথায়, কিভাবে তৈরি হয়? মজাটা কোথায় পরিপূর্ণতা লাভ করে? সবাই যদি "মজা লাগতেছে" এর ভিতরে নিজেকে আবদ্দ্ধ করে রাখে সে কিভাবে এই ভিতরের জ্ঞান অর্জন করার ক্ষমতা রাখে?
আরেক চ্যাপ্টার হিংসা। শুধু এই একটি গুণ ‘হিংসা’ মানব জাতির ভিতর থেকে বের করে দিতে পারলে এই দুনিয়ায় যুদ্ধ, মারামারি, কাটাকাটি, দাঙ্গাহাঙ্গামার সব কিছুর বিলুপ্তি হয়ে যেত। দুনিয়া ব্যপী শান্তি বিরাজ করত। দুনিয়া ব্যাপী আমরা একটা জাতি হিসেবে পরিচয় দিতাম। আমাদের ভাষা, শিক্ষা, জাতীয়তা… সব এক হয়ে যেত। কোন সশস্র বাহিনী থাকত না দুনিয়াব্যপী। মানবিকতা ও নৈতিকতার চরমতা সকলের ভিতরে প্রকাশ পেত। দুনিয়ায় কত মানুষ অন্ধ হয়ে জন্মায়, পা ছাড়া জন্মায়, হাত ছাড়া জন্মায় কিন্তু দুনিয়ার কোন মানুষের হিংসা বা রাগ বা ক্ষুধার অনুভুতি নেই এমন একজন আছে? কেহ নিজের অন্তর নিয়ে গবেষণা করলে সে জীবনে আর কোন কিছু চিন্তা করার সময় পাবে না। আরো গভীর গুরুত্ব দিয়ে বলা যায় হিংসা সম্পর্কে। কিন্তু আমরা আলোচনা গভীরতার ভিতরে নিব না। অন্যান্য চ্যাপ্টার অহংকার, রাগ, লোভ, দয়া, মায়া, কামনা, কাম……? এই গুলো কোথায় অবস্থান করে? কোন জায়গায়? মস্তিষ্কে? কি বলেন আপনি? এই গুণ গুলোর উপর ভিত্তি করে প্রত্যেকে নিজ নিজ জীবন অতিবাহিত করছে। মস্তিষ্ক সব সময় এই গুণ গুলো থেকে কাজের নির্দেশ পায় এবং সেই নির্দেশ অনুসারে কাজ করে যাচ্ছে। গুণ একা বিরাজ করতে পারে না। গুণ থাকে গুণাধারে। গোলাপ ফুলের গন্ধ তখনই পাবেন যখন গোলাপ ফুল কাছে থাকে। মানুষের ভিতরের গুণ একা থাকতে পারে না, থাকে গুণাধার ‘অন্তর’ নামক সত্তায়।
মানুষের স্বভাবের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ‘খেয়ালখুশি’। খেয়ালখুশি আসলে সাথে করে চলে আসে আরাম-আয়েশ, ভোগ-বিলাসিতা আরো সাথে সিরিয়াল দেয় হিংসা, জিদ, কামনা যদি অর্থ-সম্পদ জীবনের প্রয়োজনের তুলনায় বেশী হয়। আর তখনই ‘মন’ নামক সত্তার আগমন।(মনের অনেক রুপ রয়েছে। কুপ্রবৃত্তির সাথে মিশে যাওয়ার মনকে বলা হচ্ছে)। মন নামক সত্তা দিয়াশলায়ের আগুন থেকে দানব সূর্যের আগুনে রুপান্তরিত হয়ে অন্তরের মজবুত সিংহাসনে আরোহণ করে ‘আমি’ নামক সত্তার রাজত্ব নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করে। আমরা আলোচনার গভীরে না যাই। একজন যে সততার জীবনযাপন করেন, লক্ষ লক্ষ টাকার ঘূষ খাওয়ার লোভ সংবরণ করেন, ক্ষমতাকে ত্যাগ করেন, আরাম আয়েশের জীবন ত্যাগ করেন, নম্রতার ব্যক্তিত্বকে পরিধান করেন, ধৈর্যের ভিতরে সর্বদা অবস্থান করেন, ক্ষমার অনুশীলন করেন, দরিদ্রতাকে আলিঙ্গন করে জীবন নির্বাহ করেন তার পক্ষে একটা মিথ্যা বলা বা কোন মেয়ের প্রতি কুদৃষ্টি দিয়ে কামুক হওয়া, অন্যায় কোন কাজ করা বা অনুমতি দিয়ে মানবিকতা ও নৈতিকতা বিক্রি করবে, ইহা কখনই সম্ভব নয়। কেউ যদি এরকম দাবী করে তবে সেই দাবীদার অবশ্যই মিথ্যাবাদী কোন এক স্বার্থ হাসিলের জন্য কিংবা দাবীদারের অন্তর অসুস্থ আর অন্তর অসুস্থ হলে চিন্তা চেতনাও অসুস্থ হবে।
যে বিষয়ে সকলেই একমত প্রকাশ করেন, সেই পন্থায় আমাদের যেতে হবে। "মিথ্যা বলা"-কে নাস্তিক সহ সকল ধর্মের লোকজন অপছন্দ করে। সত্যের প্লাটফর্ম এবং স্কেলের ব্যপারে একমত সেই পন্থা গ্রহণ করব। লিখার তৃতীয় প্যারায় বলা হয়েছে প্রত্যেক গ্রুপ-কে সত্যের প্লাটফর্মে এনে সত্যের স্কেল দিয়া মাপতে হবে। তাহলে সঠিকটি পাওয়া যাবে। সত্যের প্লাটফর্ম হচ্ছে ‘আমি’, আর সত্যের স্কেল হচ্ছে ‘আমি নামক সত্তার কর্ম’(উত্তম চরিত্র)। অর্থাৎ সত্যকে প্রত্যেকের আমি নামক সত্তা এবং কর্মের ভিতরে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ‘উত্তম চরিত্র’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে “সত্য” ও "আমি” প্রত্যেকের নিজের কাছে প্রকাশ হয়। সত্য, আমি এবং কর্ম এক সুতায় গাঁথা। একমাত্র ইসলাম এবং নবী(সা) ব্যতীত আর কোন ধর্ম এবং আদর্শ এই সত্যের প্লাটফর্ম এবং স্কেলে টিকে না। বুঝার জন্য আরো পাবেন এখানে।
সত্য এবং আমি প্রকাশ হওয়ার আরেকটি শতভাগ(দুনিয়ার প্রেক্ষিতে শতভাগ, যেই শতভাগ মহাসমুদ্রের পানির তুলনায় আঙ্গুলের এক ফোটা পানি[চরমতার জ্ঞান শুধু আল্লাহ-র কাছে]) পরিস্কার হওয়ার রাস্তা হল ‘আধ্যাত্মিকতা’(লিখায় আধ্যাত্মিকতা জগতের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছে)। আধ্যাত্মিকতা যে কাউকে ৩ মাত্রা থেকে উর্ধ্ব মাত্রায় আরোহণ করার দরজা খোলে দেয়। জেনে রাখা দরকার এইখানে ‘সিরাতুল মুস্তাকীম’-র গুরুত্ব এবং আল্লাহ-র হেদায়েতের গুরুত্ব অসীম। আধ্যাত্মিক স্তরে পরম সত্তা-কে অনেকেই আল্লাহ্/খোদা/ইশ্বর/ভগবান/নুুুরে মোহাম্মদী/মওলা আলী… বলে বিভ্রান্তে পতিত হয়, কাফির হয়। মনসুর হাল্লাজ, লালন, গৌতম, লোকনাথ, বিবেকানন্দ সহ হাজার-লক্ষ হিমালয় ও আশপাশের সন্ন্যাসী কাফির বিভ্রান্ত হয়েছেন এবং এখনও হচ্ছেন। আধ্যাত্মিক স্তরে আল্লাহ্র সাহায্য না থাকলে শতভাগ নিশ্চিত বিপথগামী হওয়ার। যার যার নিয়তের উপর নির্ভরশীল কে সঠিকতা পাবে আর কে পাবে না। [লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ]
পারিবারিক সুত্রে পাওয়া ঈমান আর নিজেকে মুসলমান দাবী গ্রহণযোগ্য হয় কি? নিজ বিচারবোধ তাই বলে কি? ইহা-ই হল অন্ধ বিশ্বাস। অন্ধ বিশ্বাস ইসলামে অনুমোদন নেই, ইসলাম সমর্থন করে না। “আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য কর যা আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে কখনও না, আমরা তো সে বিষয়েরই অনুসরণ করব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে দেখেছি। যদিও তাদের বাপ দাদারা কিছুই জানতো না, জানতো না সরল পথও” (২:১৭০)।
ঈমান ও নিজেকে মুসলমান দাবী সত্যের প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে নিজ যোগ্যতায় অর্জন করতে হয়; ইহা পারিবারিক ভাবে পাওয়া পৈতৃক সম্পত্তি নয়।

Leave a Reply