বিবর্তন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের তেমন সম্যক ধারণা নেই। বায়োলজির বিবর্তন বা ইভোলুশন আর আক্ষরিক ইভোলুশন এর মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু অনেকেই দুটি বিষয়কে এক করে দেখেন। ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ অনুযায়ী প্রজাতির বৈচিত্র্যতার জন্য র্যাণ্ডম বা উদ্দেশ্যহীন মিউটেশন (দৈব জিনগত পরিবর্তন) এবং প্রাকৃতিক নির্বাচন এর মাধ্যমে একটি অতি সরলকোষী জীব থেকে দৈবাৎ বা আনগাইডেড প্রক্রিয়ায় পৃথিবীর সব প্রজাতির উদ্ভব হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে র্যাণ্ডম মিউটেশনের মাধ্যমে অতি সরল থেকে ক্রমান্বয়ে জটিল হতে জটিলতর প্রাণীর উদ্ভব হতে পারে কি-না? এর স্বপক্ষে কোন প্রমাণ আছে কি?
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার জিনগত পরিবর্তন দিয়ে কি ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব প্রমাণ করা যায়?
বিবর্তনবাদীরা প্রমাণ হিসেবে সাধারণত ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার ক্ষুদ্র পর্যায়ের মিউটেশনকে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে সাধারণ জনগনকে ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ যে একটি ফ্যাক্ট বা ধ্রুব সত্য তা বুঝানোর চেষ্টা করে। তাদের দেয়া উদাহরণের মধ্যে এন্টিবায়োটিক সহনশীলতা এবং এইডস বা ফ্লু ভাইরাসের মিউটেশন উল্লেখযোগ্য। মিউটেশন বা মাইক্রো-ইভোলুশনের মাধ্যমে সাধারণত জেনোমে নতুন কোন জিন যুক্ত হয় না। সহজে বুঝার জন্য একটি উদাহরণ দেয়া যাক। ধরে নেয়া যাক কোনভাবে একটা ব্যাকটেরিয়ার মতো সরল এককোষী জীব মহাকাশ থেকে সাগরে এসে পড়ল। সাধারণত একটি ব্যাকটেরিয়াতে ৪০০-৫০০ জিন থাকে। এখানে থেকে মিলিয়ন বছর কালের প্রক্রিয়ায় বহুকোষী প্রাণী যেমন মানুষ (যেখানে ২৫০০০-এর মতো জিন আছে), গাধা/এইপ ধরণের প্রজাতির উদ্ভব হতে হবে এবং এটি হতে হবে র্যাণ্ডম মিউটেশন এবং প্রাকৃতিক নির্বাচন এর মাধ্যমে। তার মানে ধাপে ধাপে নতুন নতুন জিনের সমাবেশ ঘটতে হবে এবং এই সমাবেশ হতে হবে অত্যন্ত সামঞ্জস্যভাবে। একটু হেরফের হলেই ক্যান্সার বা অন্যান্য জেনেটিক সমস্যার কারণে প্রজাতির বংশধারা ব্যাহত হবে। এতে ঐ প্রজাতির বিলুপ্তিও ঘটতে পারে। এখানে মাইক্রো আরএনএ (MicroRNA), শত শত বায়োলজিক্যাল সিগনালিং নেটওয়ার্কের কথা বাদই দিলাম। যারা সিগনালিং নেটওয়ার্ক সম্পর্কে ধারণা রাখেন, তারা জানেন যে মানুষ-সহ যে কোন জীবই প্রতি মুহূর্তে এমন ঝুঁকির মধ্যে থাকে যে, সম্ভাবনার কথা চিন্তা করলে জীবজগত যে টিকে আছে এটিই আশ্চর্যজনক। বায়োলজিক্যাল সিগনালিং নেটওয়ার্কের মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকলে ক্যান্সারের মতো মরণঘাতি রোগ-সহ অন্যান্য বহুবিধ রোগ হতে পারে (যেমন Autoimmune diseases)। জিনের সমাবেশ ঘটাতে জোড়া-তালি দেয়ার জন্য ‘জিন ডুপ্লিকেশন’ নামে কিছু হাইপোথিসিস আছে, কিন্তু এগুলোও অত্যন্ত অনুমান-ভিত্তিক বা এক্সট্রাপোলেটেড।
যাই হোক, কল্পনায় ধরে নিলাম এ সমস্ত বাধা দৈবক্রমে অতিক্রম করে কোন ভাবে একটি মেয়ে এইপ ধরণের প্রজাতির উদ্ভব হল ইথিওপিয়াতে। এখন এই প্রজাতি থেকে পরবর্তী বংশধর হতে হলে একটি পুরুষ এইপ ধরণের প্রাণীর উদ্ভব হতে হবে এবং এই পুরুষ এইপটিকে উদ্ভব হতে হবে ঐ মেয়েটির কাছাকাছি জায়গায়। পুরুষটি যদি কেনিয়াতে উদ্ভব হয়, তাহলে তাদের মিলনের সম্ভাবনা কাল্পনিকভাবে সম্ভব হলেও বাস্তবতায় কতটুকু সম্ভব তা বলার অপেক্ষা রাখে না, কেননা লক্ষ বছর আগে মোবাইল ফোনের আবিষ্কার হয়নি যে ইথিওপিয়ার মেয়ে এইপটি কেনিয়ায় উদ্ভব পুরুষটিকে ফোন করে খবর দিয়ে আকর্ষণ করে বংশবৃদ্ধি ঘটাবে! ভুলে গেলে চলবে না এ প্রক্রিয়ায় হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ ধাপগুলো দৈবক্রমে হতে হবে এবং প্রতিমুহূর্তেই সিগনালিং নেটওয়ার্কগুলোকে নির্ভুলভাবে ও যথাসময়ে কাজ করতে হবে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে করা এই ঘটনাগুলোর কি কোন সলিড বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আছে? ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের মাইক্রো-ইভোলুশনকে (ছোট ছোট জিনগত পরিবর্তন, যেখানে সাধারণত নতুন জিন জেনোমে যুক্ত হয় না) এক্সট্রাপোলেট বা অতি-কাল্পনিক উপায়ে ক্যালকুলেশন করে বিবর্তন তত্ত্বকে প্রমাণ করার কাল্পনিক চেষ্টা করা হয়। উল্লেখ্য যে, ডারউইনের সময় বিজ্ঞানের অগ্রগতি তেমন ছিল না, তখন জিনেরই আবিষ্কার হয়নি। বর্তমান সময়ের মলিকিউলার বায়োলজি, জেনেটিক্স, জিনোমিক্স ইত্যাদির অগ্রগতির কারণে বায়োলজির অতি-সাধারণ বিষয়ও জটিল থেকে জটিলতর মনে হচ্ছে। তাই ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের উদাহরণ দিয়ে বিবর্তন তত্ত্বকে নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্বের সাথে তুলনা করে (অনেক ডারউইনবাদী যা করে থাকেন) অকাট্য তত্ত্বরূপে হাজির করার প্রয়াস মোটেও ঠিক নয়।
বায়োমেডিক্যাল রিসার্চে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব কীভাবে কাজে লাগে?
জিনগত হোমোলজি (DNA Homology) বা ফাইলোজেনেটিক রিলেশনশিপ (Phylogenetic relationship) বায়োলজির একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। মজার ব্যাপার হলো এটি বিবর্তনবাদ তত্ত্ব প্রমাণেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। বর্তমান বায়োমেডিক্যাল রিসার্চে মূলত বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে জিনগত মিল বা হোমোলজি খোঁজা হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে রিসার্চে ‘প্রাকৃতিক’ (কৃত্রিম!) নির্বাচনবাদ ধারণাকেও ব্যবহার করা হয় (যেমন ইমোনাইজেশন)। রিসার্চ মডেল হিসেবে মানুষকে সরাসরি ব্যবহার করা যায় না বলে বিভিন্ন মডেল অর্গানিজম বা প্রজাতির (যেমন জেব্রাফিস, গিনিপিগ, ইঁদুর, ইস্ট) জিনগত মিল দেখিয়ে (যেমন- মানুষের জিনের সাথে) ঐ সমস্ত মডেল প্রজাতিতে স্টাডি করা হয়। যদিও জিনগত মিল খোঁজার গবেষণা-ক্ষেত্রটির উদ্ভব হয়েছিল মূলত নব্য ডারউইনবাদকে প্রমাণ করার জন্য, আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যা-সহ জীববিজ্ঞানের ফলিত শাখাগুলোতে এর অবদান অনস্বীকার্য। তবে শুধুমাত্র জিনগত মিল দেখিয়ে ডারউইনের বিবর্তনবাদের মূলনীতি, প্রাকৃতিক নির্বাচন (National selection)-কে প্রমাণ করা যায় না। কেউ প্রমাণ দাবী করলে বলা হয় এটা বিবর্তনবাদীয় টাইমস্কেল অনুযায়ী সম্ভব নয়, কেননা বিবর্তনবাদের টাইমস্কেল হচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর। তাই ল্যাবের স্টাডি দিয়ে এটা প্রমাণ করা যায় না বলে ঐ ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের মাইক্রো-ইভোলুশনকে এক্সট্রাপোলেট করে বিবর্তনবাদ সম্পর্কে ধারণা দিয়ে থাকে।
ফসিল দিয়ে কি বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্বের মতো প্রমাণ করা যায়?
বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী প্রজাতির বিবর্তন যেহেতু ধাপে ধাপে হয়েছে, সেহেতু তার স্বাক্ষর ফসিল রেকর্ডে থাকার কথা। বিবর্তনবাদ একটি বাছ-বিচারহীন প্রক্রিয়া, তাই সম্ভাবনার দিক থেকে চিন্তা করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী এবং একের পর এক ভুল হতে হতে এক সময় সঠিক বা সফল কার্যক্ষম প্রজাতির উদ্ভব হবে যা কিনা বংশধারা বজায় রাখবে। সুতরাং একটি প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতি হতে গেলে অনেক অনেক মধ্যবর্তী ধরণের (ভুল/অসম্পূর্ণ/অশুদ্ধ/অক্ষম) প্রজাতি বা ট্রাঞ্জিশনাল স্পিসিজের ফসিল থাকতে হবে (‘প্রকৃতি মাতা’ নিশ্চয়ই গডের মতো পারফেক্ট নন যে তিনি কোন রকম ভুল-ভ্রান্তি ছাড়া একবারেই সঠিক ও কার্যক্ষম প্রজাতি প্রসব করবেন!)। তাই ফসিল খুঁজতে গেলে স্বাভাবিকভাবেই বর্তমানে টিকে থাকা প্রজাতির চেয়ে মধ্যবর্তী প্রজাতির সংখ্যা অবশ্যই অনেক অনেক গুন বেশী হতে হবে, কেননা বিবর্তন র্যাণ্ডম মিউটেশনের মাধ্যমে হয়েছে।
এক্ষেত্রে বিবর্তনবাদীরা প্রাকৃতিক নির্বাচনকে 'সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী' বলে পাশ কাটিয়ে যায়। প্রাকৃতিক নির্বাচন কার্যকরী থাকলেও যে সমস্ত ট্রাঞ্জিশনাল প্রজাতি বংশধারা বজায় রাখতে অক্ষম তাদেরও ফসিল থাকার কথা। অথচ মিলিয়ন মিলিয়ন ফসিল আবিষ্কৃত হলেও কল্পিত ট্রাঞ্জিশনাল প্রজাতি পাওয়া যায়নি। কিছু কিছু ফসিলকে ট্রাঞ্জিশনাল ফসিল হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হলেও সেসব ক্ষেত্রে বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরাও একমত হতে পারেননি। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ফসিল পূর্ণাঙ্গভাবে পাওয়া যায় না। তাই ভাঙ্গা হাড়গোড় জোড়া লাগিয়ে কল্পনার তুলি দিয়ে (কম্পিউটার মডেলিং) প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু বিবর্তনবাদীরা পারতপক্ষে ফসিল আলোচনায় যেতে চান না। আলোচনায় এলেও তারা গোঁজামিল দেয়ার চেষ্টা করেন।
ডারউইনিয়ান বিবর্তন অনুযায়ী হাত ও পায়ের বিবর্তন প্রক্রিয়া
প্রসঙ্গত, ট্রায়াল এন্ড এরর (Trial and error) প্রক্রিয়ায় একটি চূড়ান্ত জিনিস পেতে হলে তার আগে অনেক আংশিক, বা অর্ধ-সম্পাদিত জিনিসও তৈরী হয়। যেমন ডলি ক্লোনিং এর সময় ২৭৬ বার চেষ্টা করে ডলি ক্লোনটি পাওয়া গিয়েছিল। ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় অনেক ধরণের সমস্যার উদ্ভব হয়। যার ফলে দেখা যায় অনেক ক্লোন কিছু দূর অগ্রসর হওয়ার পর টার্মিনেট করে। স্মরণ করিয়ে দেয়া দরকার যে ডলি ক্লোনিং করা হয়েছিল বিদ্যমান কোষ (Existing cell) দিয়ে, পরীক্ষাগারে তৈরীকৃত কোন কোষ দিয়ে নয় (আসলে পরীক্ষাগারে কোন কোষ তৈরী করা এখনও সম্ভব হয়নি, আদৌ সম্ভবপর কি-না তা যথেষ্ট প্রশ্ন সাপেক্ষ)।
এখানে বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে ডলি ক্লোনিং অনেক বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানীর মাধ্যমে সম্পাদিত হয়েছে। কিন্তু অন্যদিকে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী নতুন নতুন জটিল প্রজাতির উদ্ভব হতে হবে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ধরণের সরল একটি কোষ থেকে দৈব ঘটনা বা অন্ধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে!!! দৈব ঘটনা বা প্রক্রিয়া ছাড়া বিবর্তনবাদ তত্ত্ব ভিত্তিহীন, অচল।
আস্তিক্য বিবর্তনবাদ (Theistic evolution) কি বিবর্তনবাদীদের কাছে গ্রহণযোগ্য?
ইদানিং কিছু কিছু বিজ্ঞানী গড-গাইডেড বিবর্তনবাদ তত্ত্ব (Theistic evolution) দাঁড় করিয়েছেন। এ তত্ত্ব অনুযায়ী গড বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পৃথিবীর সমস্ত প্রজাতির উদ্ভব ঘটিয়েছেন। আবার এদের অনেকে বলেন এ ধরণের বিবর্তনে গাইড বা নির্দেশনার দরকার নেই। কিন্তু এগুলো শুনে বিবর্তনবাদীরা হাসি-তামাশা করে! অনেকে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব না বুঝে নিজের মতো করে ধর্মীয় বিশ্বাস যুক্ত করে। এটা আসলে বিবর্তনবাদ সম্পর্কেই অজ্ঞানতা প্রকাশ করে, অনেকটা একসাথে দু’নৌকাতে পা দিলে যে অবস্থা হয় আরকি! তাছাড়া গডকে বিজ্ঞানের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করা যায় না বলে আস্তিক্য বিবর্তনবাদ তত্ত্ব হালে পানি পায় না। অধিকন্তু, বিবর্তনবাদের আর্চ-পুরোহিত রিচার্ড ডকিন্সের অনুমোদন ছাড়া কোন বিবর্তন তত্ত্ব গ্রহণযোগ্য হবে বলেও মনে না। ডকিন্সের মতে আস্তিক্য বিবর্তনবাদে বিশ্বাসীরা বিভ্রান্ত (Deluded)! ভিডিও দেখুন-
বিজ্ঞান কি ভোটাভুটি বা গণতন্ত্রবাদ চর্চা করে?
বিবর্তনবাদ নিয়ে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকেই অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে। প্রশ্ন করা মাত্র বিবর্তন মৌলবাদীরা গালি দিয়ে প্রশ্নকারীকে ধার্মিক বানিয়ে দেয়। তাহলে সহজেই নিজেদের দুর্বলতাকে ঢাকা যায়! কিন্তু এরাই আবার নাস্তিকতার প্রচার করে! বিবর্তনবাদ জানা কেউ এ বিষয়টি উল্লেখ করলে তখন তারা বলে যে বিবর্তনবাদ হচ্ছে বিজ্ঞান, বিশেষ করে জীববিজ্ঞানের ভিত্তি। বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তি খণ্ডাতে না পারলে বিবর্তনবাদীরা পলিটিক্যাল পার্টির মতো ভোটাভুটি করে বিবর্তনবাদকে গণতন্ত্র বানিয়ে ফেলে! বলতে থাকে পৃথিবীর বেশীর ভাগ বিজ্ঞানীই এটাকে সমর্থন করে। এজন্য এরা গ্যালোপ পোল (Gallup poll) করে, ব্যানার-ফেস্টুনও বানায়!!! পরিসংখ্যান দেখিয়ে গর্ব করে বলতে থাকে বেশীরভাগ বিজ্ঞানীই এটাকে যেহেতু সমর্থন করেছে, তাই বিবর্তনবাদ প্রমাণিত হলো!!
বিবর্তনবাদ নিয়ে এত আবেগ দেখানোর যথেষ্ট কারণ আছে। এত বছর চেষ্টা করেও জনগণকে সহজে বিবর্তনবাদ (অন্য ভাষায়, বিজ্ঞানের মোড়কে নাস্তিকতা) গিলানো যাচ্ছে না। ব্রিটেনের গার্ডিয়ান পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী পৃথিবী জুড়ে মাত্র ৮% লোক বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করে। খোদ ডারউইনের জন্মভূমি ব্রিটেনের অর্ধেক মানুষ বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করে না! বিবর্তনবাদীরা তাদের এই করুণ অবস্থা ঢাকতে বিবর্তনবাদ নিয়ে প্রশ্নকারীকে ধার্মিক হিসেবে ট্যাগিং করে।
বিজ্ঞানে নতুন কোন তত্ত্ব বা থিওরী প্রস্তাব করা হলে সেটা বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হয়। তারপর বিজ্ঞানীরা এটা নিয়ে কাজ করে ভুল, শুদ্ধ বা পরিমার্জিত করে থাকেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে ঘিরে রাজনীতি শুরু হয়েছে সেই জন্মলগ্ন থেকেই। সাধারণ পাবলিককে লক্ষ্য করে “অরিজিন অব স্পিসিস” নামক বইটি লিখা হয়েছে। বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে জনপ্রিয় করার জন্য রীতিমতো পাবলিক ডিবেট হতো! বিজ্ঞানের অন্য কোন তত্ত্বের ক্ষেত্রে এরকমভাবে পাবলিকের কাছে দ্বারস্থ হতে হয়েছে কি-না তা সন্দেহ রয়েছে। এসব কারণেই ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ একটি পাবলিক ইস্যু হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এজন্য দেখা যায় বিবর্তনবাদীরা সাধারণ পাবলিকের সমর্থন কামনা করতে সদা ব্যস্ত থাকেন। ডারউইন-পরবর্তী বিবর্তনবাদ প্রচারকারীরাও পাবলিক-কেন্দ্রিক। প্রফেসর ডকিন্স, ড্যানিয়েল ডেনেট প্রমুখ এদের অন্যতম। পাবলিক হাত-তালি দিলে বেজায় খুশী, কিন্তু কোন প্রশ্ন করলে অজ্ঞ বলে গালি দেয়া হয়। এজন্য যারাই বিবর্তনবাদ নিয়ে প্রশ্ন করবে, তাদের সম্পর্কে রিচার্ড ডকিন্স খোলাখুলিভাবে উষ্মা প্রকাশ করেছেন এভাবে-
It is absolutely safe to say that if you meet somebody who claims not to believe in evolution, that person is ignorant, stupid, or insane (or wicked, but I'd rather not consider that).
এবার বুঝেন ঘাপলা কোথায়? এই রিচার্ড ডকিন্স-ই পৃথিবীর বায়োলজিস্টদের উপর একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি মিডিয়াতে প্রতিষ্ঠিত করেছেন যে, যারা বিবর্তনবাদ নিয়ে প্রশ্ন করবে, তারাই অজ্ঞ। বিবর্তনবাদ নিয়ে প্রশ্ন করে ক্যারিয়ার ও সম্মান খোয়ানোর সাহস খুব কম বিজ্ঞানীরই আছে। কেউ সাহস করে প্রশ্ন করলে তার গায়ে ধার্মিক বা মৌলবাদী'র তকমা লাগিয়ে দেয়া হয়। অন্যদিকে এই কট্টর বিবর্তনবাদীরাই কিন্তু প্রকাশ্যে নাস্তিকতা প্রচার করে!!! রিচার্ড ডকিন্স-ই এই মুভমেন্টের নেতা। এদের স্ববিরোধীতা বাচ্চাদেরও হার মানায়!
বিবর্তনবাদের পুরোহিত প্রফেসর রিচার্ড ডকিন্স বিজ্ঞানের মুখোশে নাস্তিকতা প্রচার করছেন!
আরো বিস্তারিত জানতে পড়ুন- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ ও নাস্তিকতা




কিংশুক
ডিসেম্বর ১৭, ২০১১ at ১১:২৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এত প্রশ্নের দরকার কী? এত প্রমাণের দরকার কী?? এত বুজারই বা কী দরকার??? নব্য নাস্তিকরা পোপে বিশ্বাস করে, মহান মহান মানবতাবাদী কম্যুনিষ্ট নাস্তিকগো নবীরা বিশ্বাস করতো। আমনে কি হেগোত্তে বেশী বুজেন??? হেরা যদি বলে সূর্য পশ্চিম দিকে উডে তাইলে হেইডাই ঠিক, হেইডাই প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান, হেগো বিশ্বাসের উপর আঘাত করেন দেইখ্যাইতো কম্যূনিষ্ট নাস্তিক, নব্য নাস্তিক বেবাকতে আপনেগো উপরে এত খ্যাপা । এত প্রশ্ন করেন দেইখ্যাই তো মূর্খ, চক্ষু থাকতেও অন্ধ, ভোদাই, বদমাইশ বইল্যা গাইল পাড়ে!
সরোয়ার
ডিসেম্বর ১৭, ২০১১ at ১১:৪৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিবর্তনবাদ ও নাস্তিকতা পরস্পর সমার্থক। বিজ্ঞানের মোড়কে বিবর্তনবাদের নামে যে নাস্তিকতা প্রচার করা হয়, তা বিবর্তনবাদের পাবলিক মুখপাত্র প্রফেসর রিচার্ড ডকিন্স এর মুখেই শুনুন-
এস. এম. রায়হান
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ১২:২২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একটু বড় হলেও সাধারণ পাঠকদের বুঝার জন্য লেখাটি দারুণ সুন্দর হয়েছে। এবার সাধারণ পাঠকরা একটু মনোযোগ দিয়ে লেখাটি পড়ে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের নামে বিবর্তনবাদী পাদ্রী-পুরোহিত-মোল্লাদের নাস্তিকতা প্রচারের গোমর বুঝে গেলেই লেখাটি স্বার্থক হবে।
ইমরান হাসান
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১২ at ৪:৫৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তাহলে কি আল্লাহ পাক সব কিছু আকাশ থেকে পৃথিবীতে ফেলেছেন? যেমন ভাবে প্রকৃতিকে ব্যাখা করার জন্য মহাকর্ষ ,স্ট্রিং থিওরি আছে তেমনি প্রাণী জগতের ক্ষেত্রেও তো একটা সুত্র থাকা উচিত? কি বলেন আপনারা?
শামস
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১২ at ৮:০৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ইমরান হাসান,
কার মুখে কি গুজে দিতে চাচ্ছেন???
প্রাণী জগতের সুত্র তাইলে ডারউইনের বিবর্তনবাদ? মনে হয় ভুল করছেন। প্রাণীজগতের জন্য কিছু একটা দরকার সন্দেহ নেই। কিন্তু এই 'কিছু একটা দরকার' কি অবস্থায় আছে সেটাতো জানা উচিত, কি বলেন?
ইমরান হাসান
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১২ at ৮:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি টো সেটাই বলতে চাইছি যে আল্লাহপাক একটা প্রাণীর ভূমিষ্ঠ করণে যতখানি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি রেখেছেন।যেমন তিনি বিগ ব্যাং এর পদ্ধতিতে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন।যেভাবে তিনি সব দিকে বিভিন্ন প্রাকৃতিক নিয়মের মাধ্যমে সুশৃঙ্খল করে রেখেছেন।তাহলে এই বিশাল প্রাণিজগৎ এর সৃষ্টি কোন কৌশলে ঘটালেন তিনি( অবশ্যই ফালতু ন্যচারাল সিলেকশন এর মাধ্যমে নয়) কিন্তু ঠিক কোন কারিগরিতে তিনি প্রানি জগতকে তৈরি করলেন? মনে প্রশ্ন জাগে।(অন্যভাবে নিয়েন না) এই বিজ্ঞানীরা সেটা বের করার চেষ্টা করলেই টো পারে। এই ফালতু ইউজেনিক্স নিয়ে কেন তারা বুলি কপচায়?
শামস
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১২ at ১০:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@Imran hasan,
আল্লাহ কোন ক্যাটাগরিতে প্রাণীজগতের সৃষ্টি করছেন সেটা বিজ্ঞানের বিষয় না। বিজ্ঞানের পথচলায় ঈশ্বর বা না-ঈশ্বর কোনটাই গুরুত্বপূর্ণ না। ধর্মে 'বিশ্বাসের' জন্যও বিজ্ঞান অপরিহার্য্য না। আর বিজ্ঞান মানেও শুধু বিবর্তনবাদ না। আর বিজ্ঞানের কাজ সত্য খোজা না, সরলতমকে খোজা। সরলতম যে সত্য হবে এমন কোন কথা নেই, হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ডারউইনের বিবর্তনবাদ অনুযায়ী প্রাণের বিকাশ এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে সরলতম ব্যাখ্যা কিন্তু সত্য কিনা সেটা প্রশ্নবিদ্ধ! এখানে পড়তে পারেনঃ
‘অক্কামের ক্ষুর’- ক্ষুরটা চলে কীভাবে?
ইমরান হাসান
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১২ at ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এইবার বুঝলাম সরলতম হলেই যে সত্য হবে তার কোন মানে নাই।
শামস
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ৮:০৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যাদের বিবর্তনবাদ সম্পর্কে ভাল ধারণা নেই তাদের এ লেখাটি খুব কাজে দিবে। সবারই মনযোগ দিয়ে লেখাটি পড়া উচিত, অনেক ভুল ধারণার অবসান হবে।
শামস
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মিউটেশন বা মাইক্রো-ইভোলুশনের মাধ্যমে সাধারণত জেনোমে নতুন কোন জিন যুক্ত হয় না। মাইক্রো-ইভোলুশন প্রাণীদের মধ্যকার জিনের পার্থক্যকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। যেমনঃ ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াতে ৪০০-৫০০ জিন ও মানুষের ২৫০০০ এর মত জিন আছে। কিন্তু কিভাবে এই জিনের সংখ্যা বৃদ্ধি হল!!! সদুত্তর নাই!
শুধুমাত্র জিনগত মিল দেখিয়ে ডারউইনের বিবর্তনবাদের মূলনীতি, প্রাকৃতিক নির্বাচন (National selection)-কে প্রমাণ করা যায় না।
একটি প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতি হতে গেলে অনেক অনেক মধ্যবর্তী ধরণের (ভুল/অসম্পূর্ণ/অশুদ্ধ/অক্ষম) প্রজাতি বা ট্রাঞ্জিশনাল স্পিসিজের ফসিল থাকতে হবে। সাথে যোগ করা যায়- মিলিয়ন বছর পর একটি প্রাণীর পূর্ণাঙ্গ ফসিল পাওয়া প্রায় অসম্ভব। ফলে একটি প্রাণীর অল্প কিছু হাড়গোড় এখান সেখান থেকে যোগ করে যেভাবে বিবর্তনবাদের সত্যতা দাবী করা হয় তা ত্রুটিপূর্ণ। তাইতো ফসিল নিয়ে এতো জালিয়াতি! নিচের আর্টিকেলে কিছু ধারণা পাওয়া যাবেঃ
ডারউইনবাদ- কিছু পর্যবেক্ষণ-৬
গডকে বিজ্ঞানের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করা যায় না বলে আস্তিক্য বিবর্তনবাদ তত্ত্ব হালে পানি পায় না। সাথে যোগ করা যায়- বিবর্তনবাদ তত্ত্বে ঈশ্বরের জন্য আলাদা কোন স্থান রাখার পক্ষপাতী না। ঈশ্বরকে প্রতিস্থাপন করতে চায় প্রকৃতি দ্বারা, এই প্রকৃ্তিও খেয়াল খুশীর। ঈশ্বরকে নাই করে দেয়াই বিজ্ঞানের ইজারা নেয়া কিছু নাস্তিক বৈজ্ঞানীর প্রচারণার উদ্দেশ্য।
ব্যতিক্রম শুধু ডারউইনের বিবর্তনবাদ। ডকিন্সরা জানে তাদের পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই ও অনেক গড়মিল আছে। তাইতো এত ভোটাভুটি। বিবর্তনবাদীরা আত্নতৃপ্তি লাভ করে এই বলে বেশীর ভাগ বিজ্ঞানী ডারউইনের বিবর্তনবাদে বিশ্বাসী, তাদের জন্য বলতে হয়, এই বিবর্তনবাদ থেকে যে বর্ণবাদী অমানবিক ইউজেনিক্সীর সৃষ্টি সেই ইউজেনিক্সকে সমর্থন করত বেশীরভাগ জিনবিজ্ঞানী। মজার ব্যাপার হল তারা এখন সেই ইউজেনিক্সের সাথে বিবর্তনবাদের সম্পর্ককে অস্বীকার করতে চায়। তাদের জন্য জবাব এখানেঃ
ডারউইনের বিবর্তনবাদ ও অমানবিক ইউজেনিক্স-২
ডকিন্সদের জানতে আরো পড়ুনঃ ডারউইনবাদ- কিছু পর্যবেক্ষণ-৮
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ১০:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ। চাপার জোড় ও হুমকি-ধামকি দিয়ে গোঁজামিলকে বিবর্তনবাদীরা আর কত টিকিয়ে রাখতে পারবে? এখন মানুষ অনেক সচেতন, যেকোন ইনফো ইন্টার্নেট সার্চ করে ক্রস-চেক করে নেয়। বিজ্ঞানকে সব ধরণের মৌলবাদীদেরকে (ধর্মীয় ও নাস্তিক) রক্ষা করতে হবে। বিজ্ঞান তার নিজস্বগতিতে চলুক সেটাই কামনা করি।
ডারউইনের পরিবার, বন্ধু-বান্ধবকে যেমন অস্বীকার করা অসম্ভব, তেমনিভাবে ইউজেনিক্সের ভূত তাড়ানো অসম্ভব!
সাদাত
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিবর্তনবাদ নিয়ে আপনার অন্যান্য লেখার চেয়ে এই লেখাটা অনেক বেশি সহজ এবং সাবলীল হয়েছে। বিবর্তনবাদীরা যদি আসলেই বিজ্ঞানমনষ্ক হয়ে থাকেন, তবে আপনার লেখাটা স্বাভাবিকভাবেই নেবার কথা। তবে যারা বিবর্তনবাদকেই ধর্ম মনে করে, এই লেখা যে যাদের অন্তর্জ্বালার কারণ হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
সাদাত
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
It is absolutely safe to say that if you meet somebody who claims not to believe in evolution, that person is ignorant, stupid, or insane (or wicked, but I’d rather not consider that).
তাহলে কি বিবর্তন একটা বিশ্বাসের বিষয়??
সরোয়ার
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি তা এতদিন পরে জানলেন!
সাদাত
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
না, আমার জানা না-জানা তো কোন ব্যাপার না। কিন্তু বিশ্বাসের মূলোচ্ছেদ করতে যিনি যুদ্ধরত তিনি নিজেই যদি কোন কিছুতে বিশ্বাস করেন বলে স্বীকার করেন সেটা কেমন হাস্যকর ঠেকে না! সেটাই বলছিলাম আরকি!
সরোয়ার
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
“কিন্তু বিশ্বাসের মূলোচ্ছেদ করতে যিনি যুদ্ধরত তিনি নিজেই যদি কোন কিছুতে বিশ্বাস করেন বলে স্বীকার করেন সেটা কেমন হাস্যকর ঠেকে না!”
-- হে হে হে। ব্যাপক বিনোদন।
ফুয়াদ দীনহীন
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ২:১৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Sir, We would like to see a complete e-book on this subject. Keep continue. 😀 😀
সরোয়ার
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ২:৩৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অবশ্যই ই-বুক বানানো হবে। সেই আলোকেই লেখা হচ্ছে। ধন্যবাদ।
এম ইউ আমান
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ৩:৫১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তাহলে শেষ পর্যন্ত কি এটাই দাড়ালো যে বিবর্তনে বিশ্বাস করতে হবে? নাহলে, কাওকে নিরাপদে অজ্ঞ, বোকা অথবা পাগল বলা যাবে?
কিন্তু পাগলকে পাগল বলা কি নিরাপদ?
সাদাত সাহেব প্রদীপের নীচের অন্ধকার ধরে ফেলেছেন।
ফুয়াদ দীনহীন
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ৪:৪৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@এম ইউ আমান:
Sir, We are faceing some problem in “reply” button, attaching IMO or youtube link.
Test
ডিসেম্বর ১৮, ২০১১ at ৬:০৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ফুয়াদ দীনহীন:
কমেন্ট ফর্মটা নিয়ে ঝামেলায় আছি। ওয়ার্ডপ্রেসে সিকিউরিটির জন্য ডিফল্ট কমেন্ট ফর্মটি অত্যন্ত বেসিক। ভিজুয়াল কমেন্ট ফর্ম করলে অন্য সমস্যা দেখা যায় যেমনঃ রিপ্লাই বাটন ঠিকভাবে কাজ করেনা। একচুয়ালি এখন কমেন্টের যে ইন্টারফেস আছে সেটি জশ লোব নামে এক আমেরিকান প্লাগ-ইন ডেভেলপার সদালাপের জন্য বিশেষভাবে তৈরী করে দিয়েছেন। কিন্তু সেটাও যে ফুলপ্রুফ নয় তাতো আমরা দেখতেই পাচ্ছি। তাকে বিষয়টি জানিয়েছি। কেন ঠিকভাবে কাজ করছে না, সেটি তিনি বলতে পেরেছেন, এখন কিভাবে কাজ করাতে হবে সেটার চেষ্টা করছেন। সঙ্গত কারণেই শুধুমাত্র কারণ জেনে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারছিনা।
আপাততঃ ব্যক্তির রিপ্লাই তে উত্তর না দিয়ে, পোষ্টের রিপ্লাই তে উত্তর দেওয়া যেতে পারে। সেখানে ইমো ও ইউটিউব দেওয়া চলছে। কাউকে ব্যক্তিগতভাবে কমেন্টে উত্তর দিতে হলে, সেখানেই @ তার নাম লিখে উত্তর দেওয়া যাক।
For emotocons, if a simple click doesn’t work, rightclick, copy, and then paste the emo in the commnet form.
rel="follow" rel="nofollow">You_tube_Video
This comment has been made as an unregistered user by the admin/editor of Shodalap to test comment features.
মহিউদ্দিন
ডিসেম্বর ১৯, ২০১১ at ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিবর্তনবাদ নিয়ে আপনার লেখাটা অত্যন্ত ভাল লেগেছে। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
তবে যারা বিবর্তনবাদকেই ধর্ম মনে করে তাদেরকে বলব, সময় থাকলে ডঃ লরেন্স ব্রাউনের কথাগুলা শুনুন-
http://www.youtube.com/watch?feature=player_detailpage&v=KdNLZboiMus#t=1510s
সরোয়ার
ডিসেম্বর ২০, ২০১১ at ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ মহিউদ্দিন,
আপনার ভিডিও সংযোজনের জন্য ধন্যবাদ।
শামস
ডিসেম্বর ১৯, ২০১১ at ৮:৪২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রথম পর্বটা অসাধারণ হয়েছে। পরবর্তী পর্বগুলোও সাধারণ পাঠকদের দিকে লক্ষ্য রেখে লিখলে তারা উপকৃত হবে। যেখানে টেকনিক্যাল টার্ম আসে সে টার্মগুলোকে খুব সংক্ষিপ্তাকারে নীচে পাদটীকা হিসাবে দিতে পারেন। খুব কম্প্রিহেন্সিভ একটা সিরিজ হোক।
পরের পর্বের অপেক্ষায়।
সরোয়ার
ডিসেম্বর ২০, ২০১১ at ৮:০৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ শামস,
একটু ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। অবশ্যই কন্টিনিউ করব। আমার লেখার ফোকাস মূলত এখন একটিই, যা হচ্ছে বিবর্তনবাদ। বিবর্তনবাদীরা কথার মারপ্যাঁচে সাধারণ মানুষকে নাস্তিকতার দিকে ধাবিত করে। বিজ্ঞানের কোন ধর্ম নেই। কিন্তু এরা বিজ্ঞানের মোড়কে সাধারণ মানুষ ধোকা দিচ্ছে।
শাহবাজ নজরুল
ডিসেম্বর ২১, ২০১১ at ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একমত।
আর গণতন্ত্র আর বিজ্ঞান নিয়ে কথা বলার সময় মনারা বলে বিজ্ঞান বিজ্ঞানের মতই, এতে গণতন্ত্র বলে কথা নেই। উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা করে গ্যালেলীও-র কথা, কোপার্নিকাসের কথা; কেননা, তখনকার দিনে বিজ্ঞান গণতন্ত্র দিয়ে বিচারিত হলে মেনে নিতে হত পৃথিবী গোল নয় কিংবা পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছেনা। আলবত খাঁটি কথা; আমিও সহমত। অথচ দেখেন আমরা যখন ৯০০ বিজ্ঞানীর লিস্ট দেখাই তখন গণতন্ত্রের কথা নিয়ে আসে, বলে কতজন বিজ্ঞানী বিবর্তনে বিশ্বাস করে আর কতজন করেনা এই পরিসংখ্যান।
বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত তত্ত্ব নিয়ে কি এরকম দ্বিমত আর কথাও তারা দেখাতে পারবে? বলতে পারবে যে অমুক বিজ্ঞানী বলেছেন পৃথিবী গোল নয় কিংবা তমুক বিজ্ঞানী বলেছেন মহাকর্ষ বলে কিছু নেই!!!
বিজ্ঞানের যেসব ফিল্ডে মতদ্বৈততা আছে সেগুলো কখনো প্রতিষ্ঠিত সত্য বলে ধরে নেয়া যায়না; যেমন, হালের স্ট্রিং তত্ত্ব নিয়ে খোদ বিজ্ঞানীদের মধ্যে ব্যপক বিরোধ আছে আর তাই এটা তাত্ত্বিক পর্যায়ে পড়ে আছে। এটা প্রমানও করা যায়নি। নির্ভুল বলে প্রমান না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই মত-দ্বৈততা থাকবে। বিবর্তন-বাদও তাই। এনিয়ে যেহেতু বিজ্ঞানীরা একমত নন, তাই একে পৃথিবীর ঘুর্ণনের মত সত্য বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে বিজ্ঞানের নামে প্রতারণা করা।
সত্তুক
ডিসেম্বর ২০, ২০১১ at ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মাত্র পড়ে শেষ করলাম, ভাল হচ্ছে, পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
সরোয়ার
ডিসেম্বর ২০, ২০১১ at ৮:১২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সত্তুক:
আপনি Theistic Evolution বা আস্তিক্য বিবর্তনবাদ (!) সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। সেটা মাথায় রেখেই আস্তিক্য বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনা করেছি। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
সত্তুক
ডিসেম্বর ২০, ২০১১ at ৪:৩২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সরোয়ার:আনেক ধন্যবাদ সরোয়ার ভাই। আপনি অনবদ্য,
ফোরকান
ডিসেম্বর ২১, ২০১১ at ১১:১২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাঞ্জলভাবে বিবর্তনবাদ নিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ। পরবর্তি সিরিজগুলোর জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
ফারুক
ডিসেম্বর ২৩, ২০১১ at ৪:১৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Salam. Will you please send me your telephone no or e-mail address? I want to discuss with you about my son’s intended travel to Singapore on 18/1/12 for interview in Duke-NUS Graduate Medical School Singapore.
My e-mail-
Thank you.
Touaha
ডিসেম্বর ২৪, ২০১১ at ৮:৩৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দুরদান্ত লিখেছেন। জেনেটিক্স এর ছাত্র হিসেবে খুবি ভাল লাগলো। আরো লেখা চাই ভাইয়া।
শামস
ডিসেম্বর ২৫, ২০১১ at ৮:৩৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@Touaha:
আপনি জেনেটিক্সের ছাত্র হলেতো খুব ভাল। বিবর্তনবাদ নিয়ে আপনার ধারণা শেয়ার করতে পারেন।
এমিনেম
ডিসেম্বর ৩১, ২০১১ at ৩:৫৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যে সব বিজ্ঞানী জৈবিক বিবর্তনে বিশ্বাস করে না, তারা জীববৈচিত্র্য কিভাবে ব্যাখা করবে? যেহেতু বিজ্ঞান ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না।
আহমেদ শরীফ
জানুয়ারি ২, ২০১২ at ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শেয়ার দিলাম।
বুদ্ধিমান গাধা
জানুয়ারি ২, ২০১২ at ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
খুব সুন্দর লিখেছেন , চালিয়ে যান………
Shakilfaij
জানুয়ারি ৪, ২০১২ at ১০:২৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অনেক অনেক ধন্যবাদ যুক্তিযুক্ত তথ্যগুলো দেবার জন্যে । শেয়ার করলাম
সরোয়ার
জানুয়ারি ৫, ২০১২ at ১১:২২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। ব্যস্ততার কারণে অনিয়মিত। সময়-সুযোগমত বিবর্তনবাদ নিয়ে লেখা অব্যাহত থাকবে।
পাভেল আহমেদ
সেপ্টেম্বর ১২, ২০১২ at ২:৪২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার আর কোন লেখা থাকলে আমাকে তার লিংক দেন।