(২)
বিএনপি-জামাতের লুণ্ঠনতন্ত্র রাজনীতির বিষবৃক্ষে গণতন্ত্রের বাঁশি
কোনদিন বাজে নি এবং কোনদিন বাজবে ও না।
জনতা বিগত জোট সরকারের দুর্নীতি,
জঙ্গিবাদ ও স্বার্ধান্ধ রাজনীতির খেলা থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে
গণতন্ত্রই কামনা করে।
পাকিস্তানের
পতনের যুগে এবং জামায়াতের পূনরুত্থান কালে অস্থির
ঘটনা চাঞ্চল্যের দ্বারা চঞ্চল মুক্তিবাহিনী ও বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের
প্রবল আধিপত্যের প্রেক্ষাপটে গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশে সংবিধানের
জন্ম আধুনিক গণতান্ত্রিক অধিকারের মেনিফিষ্টো হিসেবে।
আওয়ামি লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা
লৌহকপাটে বন্দীশালার রোগ শয্যায় যন্ত্রনাবিদ্ধ থেকে মুক্তি পেয়ে
চিকিৎসার জন্যে আমেরিকায় এসেছেন।
জনতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আশু রোগমুক্তির
জন্য প্রার্থনা করেন।
যুদ্ধাপরাধীরা নেতা হয়,
শেখ হাসিনা নানা রোগে শোকে ক্ষয় হবে কেন?
জনতা এই বেআইনি আইন মেনে নিতে পারেন না।
বেআইনি রাজনীতির বিরুদ্ধে জনতা প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষনা করেছেন।
জনতা মরে গেলে দেশ কার জন্যে?
দেশের কুলি,
ছাত্র,
ছাত্রী,
মজদুর ও কৃষকগণ মরে গেলে ও ভিআইপিদের টাকা বানানোর জন্যে ধর্মের রসের
হাঁড়িতে রাজনীতি ভারী মজাদার হয়ে ওঠেছে।
ধর্ম ও স্বাধীনতা শব্দকে অপব্যবহার করেছেন বিগত বিএনপি-জামাত
লুণ্ঠনতন্ত্রের জোট সরকারের সাহেব বিবি গোলামগণ।
কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে নারীদের অধিকার নিশ্চিত করার পর ও দেশের শীর্ষ
ওলামা মাশায়েকগণ ধর্মকে তরোয়ালের মতো ব্যবহার করে।
রাষ্ট্রক্ষমতা
কে আলেম সমাজ ও জামাত সহ বিএনপি জনতাকে ক্রীতদাস
বানিয়ে জনতার স্বাধীনতা হরণ করে নিয়ে গেছে।
অথচ বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত হযরত মোহাম্মদের (সা: ) বিদায় হজের
বাণীতে ইসলামের নামে নর হত্যাকে (একাত্তরে নর নারী শিশু হত্যা) হালাল
করার কোন অনুশাসন নেই।
লক্ষ লক্ষ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দুর্নীতির বিষবৃক্ষে পরিপূর্ণ রাজনীতির
অঙ্গন এবং বীভৎস সর্বভূক সন্ত্রাস হ’ল
জোট সরকার রাজনীতির অভিশাপ।
ধর্মকে নিয়ে জেএমবি সহ জোট সরকার অমানবিক রাজনীতির জন্য হিংসায়
উন্মত্ত হয়ে অপাপবিদ্ধ সাধারণ মানুষদেরকে বোমা মেরে দুঃখের বিষাদসিন্ধু
রচনা করে চলার পর শান্তি
কি ফিরে আসবে?
জামাত একাত্তরের ২৬শে মার্চ থেকে বাঙালির ঘরে ঘরে রাজাকার ও আলবদরের
হিংস্র নরদেহধারী দানবেরা হত্যাযজ্ঞ শুরু করেছিল।
জামায়াতই ১৯৭১ এর শহীদ বুদ্ধিজীবিদেরকে সহ লক্ষ লক্ষ বাঙালি হত্যা
করেছে।
আল-বদরের হাই কমান্ড ছিল (১) মতিউর রহমান নিযামী (২) আলী আহসান
মোহাম্মদ মুজাহিদ সহ আর ও অনেকের নাম ও ঠিকানা বর্তমান সরকার জেনে ও
গ্রেফতার না করে উক্ত হত্যাকারীদেরকে সালাম দিচ্ছেন।
বিগত জোটসরকারের আমলে নিজের ছায়াকে পর্যন্ত
বিশ্বাস করার জো ছিল না।
কবির ভাষায়: “মৃত্যু
কহে ‘পুত্র
নিব’ ,
চোর কহে ধন,/
ভাগ্য কহে সব নিব যা তোর আপন,/
নিন্দুক কহিল লব তব যশোভার, /
কবি কহে, ‘কে
লইবে আনন্দ আমার।”
বাংলাদেশের স্বাধীনতার আনন্দকে কা’রা
খুনি,
যুদ্ধাপরাধীগণ ও জামাতকে রাষ্ট্রক্ষমতার
আসন প্রদান করে বাঙালি জাতির সর্বনাশ করে গেলেন?